Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন

    জে অ্যানসন এক পাতা গল্প329 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর – ২০

    বিংশ অধ্যায়

    ৮-৯ জানুয়ারি।

    সকালবেলা খুবই দুর্বল লাগছিল ফাদার ম্যানকুসোর। তাই গির্জার প্রার্থনায় না গিয়ে নিজের ঘরেই চুপচাপ শুয়ে শুয়ে ঈশ্বরকে ডাকতে লাগলেন তিনি। তখনই ফোনটা বেজে উঠল। বিশপের অফিস থেকে ফোন দিয়েছেন ফাদার নানসিও।

    “ম্যানকুসো, আমি আর চ্যান্সেলর রায়ান এখন অফিসে আছি, তুমি চাইলে আসতে পারো,” বললেন তিনি।

    ফাদার ম্যানকুসো জানালেন যে তিনি বেশ অসুস্থ। তারপর বললেন, “আমি ফোনেই খুলে বলি? লুজদের বাড়িতে আরও কিছু ঝামেলা হয়েছে। আপনার সময় হবে ফাদার? ফোনেই বলি?”

    “হুম, বলো তবে।”

    সবকিছু খুলে বললেন ফাদার ম্যানকুসো। এটাও বললেন যে তিনি কিছুদিন লুজদের অন্য কোথাও থাকতে বলেছেন।

    “যা শুনলাম… তাতে মনে হচ্ছে তুমি ঠিকই বলেছ,” বললেন ফাদার নানসিও, “তা লুৎজদের জানিয়ে দাও যে আমরাও তোমার সাথে একমত। ওরা কিছুদিন অন্য কোথাও গিয়ে থাকুক। ওই সংস্থার লোকেরা এসে পরীক্ষা করে যাক… তারপর কোনো ঝামেলা না পেলে আবার আসবে।”

    “আমি আর ওখানে যাব না ফাদার। কিন্তু হ্যাঁ, ফোনে বলে দিচ্ছি।”

    .

    অ্যামিটিভিলে কিন্তু জর্জ আর ক্যাথির চোখে ঘুম নেই! ওই ভয়ংকর কণ্ঠ এখনও তাদের কানে বাজছে। শোবার ঘরের বিছানার ওপর চুপচাপ বসে আছে ক্যাথি। ওদিকে আলমারিতে ক্রুসিফিক্সটা রেখে চেয়ারে বসেছিল জর্জ। খানিক পর ক্যাথির পাশে এসে বসল সে। নানান কথা হলো ওদের মধ্যে, সত্যিই কি কেউ কথা বলেছিল? না কি সবই ওদের মনের ভুল? দু’জনের একসাথে ভুল হবে? সকাল আটটার দিকে বিছানা থেকে উঠে দাঁড়াল ক্যাথি। তারপর বাচ্চাদের ডাকতে চলে গেল, নাস্তা খাওয়াতে হবে ওদের। সকাল সাড়ে আটটার ঘুম থেকে উঠল জিমি আর ক্যারি, জামা-কাপড় বদলে নাস্তার জন্য নিচে নামল ওরা।

    ***

    ফাদার নানসিওর সাথে কথা বলার পর লুজদের বাড়িতে ফোন দিলেন ফাদার ম্যানকুসো। স্বয়ং বিশপের অফিসের চ্যান্সেলরও চান যে জর্জরা যেন কিছুদিন ওই বাড়িতে না থাকে… এটা ওদের জানাতে হবে। প্রায় দশবার রিং হলো, কিন্তু কেউ ধরল না। ফাদার ভাবছিলেন রিসিভারটা রেখে দেবেন, তখনই ফোন ধরল জর্জ।

    “হ্যালো,” বলে উঠল সে। বেশ পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে ওর কথা।

    “হ্যালো জর্জ, আমি ম্যানকুসো” ভয়ে ভয়ে বললেন ফাদার। না জানি কখন আবার ফোনে ঝামেলা শুরু হয়।

    “ফাদার! ভালো হয়েছে আপনি ফোন করেছেন! একটু আগে জিমি আর ক্যারিকে ইস্ট ব্যাবিলনে রেখে এলাম… কালরাতে যা হয়েছে…” ধীরে ধীরে ফাদারকে সব খুলে বলল জর্জ। বাড়িটাকে শুদ্ধ করতে গিয়ে কী হয়েছে সেটাও বাদ দিলো না!

    সব শুনে তো রীতিমতো চোখ কপালে উঠল ফাদার ম্যানকুসোর। তাড়াতাড়ি তিনি জর্জকে জানালেন যে বিশপের অফিস থেকেও বলা হয়েছে যে ওরা যেন ওই বাড়িতে কিছুদিন না থাকে।

    “কী বলেন ফাদার! এভাবে ভীরুর মতো পালাব? বিশপের অফিস থেকে সত্যিই এই কথা বলেছে?” অবাক হলো জর্জ।

    “শোনো জর্জ, সাহস দেখানোর আরও অনেক জায়গা পাবে, ঠিক আছে? যা হওয়ার তা হয়েছে… এরপর আর কখনও কিছু করতে যেয়ো না। কী ভাবো? পবিত্র শ্লোকে কাজ হবে? ওখানকার খারাপ শক্তিটা অনেক বেশি ক্ষমতাবান .. ওকে আর রাগিয়ো না! আর তাছাড়া আমার যে অবস্থা…”

    “কী অবস্থা? কী হয়েছে আপনার?”

    “আরে না না, তেমন কিছু না,” চমকে গেলেন ফাদার। একটু বেশিই বলে ফেলেছেন তিনি। আগে নর্থ ক্যারোলাইনার সংস্থার লোকেরা এসে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালিয়ে দেখুক… বাড়িতে কোনো ঝামেলা আছে না-কি! ওরা যদি কিছু বের করতে না পারে তখন বিশপের অফিস ধরে নেবে যে বাড়িটাতে আসলেই অশুভ প্রেতশক্তির বাস। সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে ওনারা।

    “আপনি কিছু লুকাচ্ছেন ফাদার,” বিরক্ত হলো জর্জ।

    “আরে ধুর। শোনো, আমার কথা শোনো… ওই সংস্থার তদন্তকারী আসুক। মাঝে মাঝে পুরোনো বাড়িতে কিছু বিষাক্ত গ্যাস জমার কারণেও লোকেরা ভুল- ভাল দেখে। ওরা দেখুক, বুঝুক… ওরা আসার আগ পর্যন্ত অন্য কোথাও গিয়ে থাকো। নইলে…”

    “নইলে কী হবে ফাদার?”

    “এমন ভয়ংকর কিছু হবে যা আমরা ভাবতেও পারি না! দেখো, আমার দৃঢ় বিশ্বাস ওই বাড়িতে ভয়ংকর কিছু আছে। কিন্তু বিশপের অফিসের লোকেরা এত সহজে মানতে চাইছেন না। পৃথিবীর অনেক তথাকথিত অলৌকিক ঘটনাই না-কি আজকাল বিজ্ঞানের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়… তো আসুক না ওই সংস্থার লোকেরা… দেখুক ওরা। এমনটাও হতে পারে যে নতুন পরিবেশে এসে তোমার আর ক্যাথির মানসিকতায় খানিকটা পরিবর্তন এসেছে… তাই এসব অদ্ভুত জিনিস দেখছ তোমরা… সবই হয়তো মনের ভুল! কিন্তু… যা-ই হোক, আমার মনে হয় না এসব মনের ভুল, আসলেই ওই বাড়িতে কিছু আছে!

    “জর্জ, তুমি কি আমার কথা শুনছ?”

    “হ্যাঁ ফাদার, বলে যান।”

    “আচ্ছা বেশ,” হাঁপ ছেড়ে বাঁচলেন ফাদার, ভেবেছিলেন আবার লাইনে ঝামেলা শুরু হবে, “কিছুদিনের জন্য অন্য কোথাও গিয়ে থাকো। ইস্ট ব্যাবিলনেই যাও না হলে? হুম? ওখানে গিয়ে ঠান্ডা মাথায় বাড়িটা নিয়ে ভাবো। তাই না? তোমরা এখানে না থাকলে আমিও দুশ্চিন্তা থেকে বাঁচি! আর গতরাতে তোমাদের বাড়িতে যা যা ঘটেছে সবই চ্যান্সেলরদের খুলে বলছি। হয়তো ওনারা আজই কাউকে পাঠিয়ে দেবেন…”

    তখনই ওপরতলা থেকে ক্যাথির চিৎকার ভেসে এলো।

    “ফাদার, আমি পরে ফোন করছি,” এই বলে ফোন রেখে দৌড় দিলো জর্জ। ওদিকে ফাদার চিন্তায় পড়ে গেলেন। আবার কী ঘটল ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটায়।

    তাড়াহুড়ো করে তিন তলায় পৌঁছে জর্জ দেখে, বারান্দায় মিসি, ড্যানি আর ক্রিসকে বকছে ক্যাথি। বারান্দার দেওয়াল আর ছাদে সবুজ রঙের আঠাল তরল লেপে দিয়েছে যেন কেউ। ওগুলো থেকে জেলির মতো থকথকে তরল পড়ছে… জমা হচ্ছে মেঝেতে। গা ঘিনঘিন করে উঠল জর্জের। এই কারণেই তাহলে চেঁচামেচি করছে ক্যাথি?

    “সত্যি করে বলো, কে করেছে এই কাজ?” হুংকার দিলো ক্যাথি,”  নইলে সবগুলোকে পিটিয়ে হাড্ডি ভেঙে ফেলব।

    “আমরা কেউ কিছু করিনি মা, “ তিন জন একসাথে বলে উঠল। রাগের চোটের ওদের মাথায় চাটি মারতে গেল ক্যাথি, কিন্তু সরে গেল বাচ্চারা।

    “আরে মা, বিশ্বাস করো,” চেঁচিয়ে উঠল ড্যানি, “আমরা এসব করিনি! নিচ থেকে ওপরে এসে দেখি এই অবস্থা!”

    “আরে আরে, করছ কী তোমরা?” বউ আর বাচ্চাদের মাঝখানে এসে দাঁড়াল জর্জ, “ক্যাথি, এসব কী? এত রাগলে চলে? আমার মনে হয় না বাচ্চারা এগুলো লাগিয়েছে! দাঁড়াও দেখি।”

    দেওয়ালের কাছে গিয়ে থকথকে সেই তরল খানিকটা আঙুলে নিল জর্জ, তারপর একটু করে জিভে ছোঁয়াল, “জেলো কোম্পানির চকলেটগুলোর মতো, তবে কোনো স্বাদ নেই, পানসে।”

    “হুম” এতক্ষণে খানিকটা শান্ত হয়েছে ক্যাথি, “রং না কি ওগুলো?” বলে উঠল সে।

    “আরে না না,” দুই আঙুলে খানিকটা তরল ডলল জর্জ, “বুঝতে পারছি না এটা কী। তবে পরিষ্কার করতে জান বেরিয়ে যাবে… তা নিশ্চিত!”

    ছাদের দিকে চাইল জর্জ, “ওখান থেকে এ জিনিস আসেনি,” তারপর আশেপাশে তাকাল, “আসলে এই বাড়িটাতে কী যে হচ্ছে তা বুঝতে পারছি না!” কয়েক মিনিট আগে ফাদার ম্যানকুসোর বলা কথাগুলো মনে পড়ল ওর।

    তবে কি সত্যিই এই বাড়ি থেকে চলে যাওয়া উচিত ওদের?

    “কে করল এসব?” জর্জের কাঁধে হাত রাখল ক্যাথি।

    “শয়…” থমকে দাঁড়াল জর্জ, বাচ্চাদের সামনে এসব বলা ঠিক হবে না, আরেকটু হলেই ‘শয়তান’ শব্দটা ওর মুখ দিয়ে বেরিয়েই যেত।

    “কী বললে? বুঝলাম না?”

    “না তেমন কিছু না,” বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকাল ও, বকা খেয়ে বেচারাদের মন খারাপ, “আমি একটা জিনিস ভাবছিলাম। চলো সবাই নিচে নামি। আমার খিদে পেয়েছে। খাওয়াদাওয়া শেষে ড্যানি, ক্রিস আর আমি মিলে এগুলো পরিষ্কার করব। আসবে না ছেলেরা?”

    মাথা নাড়ল ড্যানি আর ক্রিস। ওরা আসবে।

    ***

    ইস্ট ব্যাবিলনে ফিরে যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচল ক্যারি। জিমির মা খুবই খুঁতখুঁতে মহিলা, সেই কারণে আগে এখানে তেমন আসতে চাইত না সে। তবে ওশান অ্যাভিনিউয়ের ওই বাড়িটা থেকে এই জায়গা ঢের ভালো।

    “ওই বাড়িটা ভালো না জিমি, “ বাড়িতে ঢোকার আগে বলে উঠল সে, “রাতের বেলা ওই ছেলেটাকে কিন্তু আমি দেখেছি। তুমি বিশ্বাস করো!”

    আদর করে ক্যারির পিঠে একটা চাপড় মেরে জিমি বলল, “ওসব তোমার চোখের ভুল সোনা। বাদ দাও। আর এই যুগে এসব কে বিশ্বাস করে? বলো তো? তুমি খারাপ স্বপ্ন দেখেছিলে। এসো তোমাকে একটু আদর করি,” এই বলে ক্যারিকে জড়িয়ে ধরল সে।

    “ছি ছি, এই সময়ে,” এই বলে আশেপাশে তাকাল ক্যাথি। প্রতিবেশীরা কেউ দেখে ফেলল ঝামেলা। জিমির কোনো লাজ-শরম নেই।

    “ক্যারি,” ওর হাতটা ধরলো জিমি, “একটা কথা দাও… মাকে ওই বাড়ির ব্যাপারে কিছু বলবে না, ঠিক আছে? উনি কেমন তুমি তো জানোই! দেখবে আজই কোনো যাজক নিয়ে গিয়ে ক্যাথিকে বিরক্ত করে মারবেন!”

    “হুম,” মুখটা শক্ত হয়ে এলো ক্যারির, “আচ্ছা, আমি না হয় স্বপ্ন দেখলাম, কিন্তু তোমার যে টাকা হারাল? সেটাও স্বপ্ন?”

    ***

    ওদিকে জর্জের ফোনের আশায় পুরো বিকালটা কাটিয়ে দিলেন ফাদার ম্যানকুসো। যতদূর মনে পড়ছে, সম্ভবত ক্যাথি চিৎকার করে উঠেছিল… তারপরেই ফোনটা রেখে দিয়েছিল জর্জ! ওরা ঠিক আছে তো? একবার ভাবলেন সাফোক পুলিশের সার্জেন্ট জিয়নফ্রিদোকে ফোন করে ওদের খবর নিতে বলবেন। না না, এই সময়ে বাড়িতে পুলিশ গেলে জর্জরা ব্যাপারটাকে অন্যভাবে নিতে পারে।

    “হে ঈশ্বর! ওদের রক্ষা করো… বাচ্চাগুলোকে রক্ষা করো,” আপনমনেই বলে উঠলেন ফাদার। আরও কয়েক মিনিট চুপচাপ বসে রইলেন তিনি। তারপর আর থাকতে না পেরে রিসিভার তুলে ফোন দিলেন লুজদের নম্বরে।

    প্রায় দশবার রিং হলো। কিন্তু কেউ ফোন ধরল না।

    ধরবেই বা কী করে? লুৎজরা তখন সবাই বাড়ির পিছনে, নৌকা রাখার ছাউনিটার কাছে। সেখানকার কম্প্রেসরের আওয়াজে সবকিছু চাপা পড়ে গেছে। জর্জ, ড্যানি আর ক্রিস বালতিতে জমা করা সেই সবুজ তরলগুলো পানিতে ফেলে দিচ্ছিল, আর কমপ্রেসরের ঘূর্ণিতে পানির সাথে মিশে ওগুলো হারিয়ে যাচ্ছিল বরফের আড়ালে। একটু আগেই তিন তলা পরিষ্কার করেছে ওরা, সবুজ থকথকে জিনিসগুলো জমা করেছে কয়েকটা ছোটো ছোটো বালতিতে।

    সরু কাঠের তক্তার ওপর দাঁড়িয়ে ওগুলো পানিতে ফেলছে ওরা। আর ফেলার সময় তক্তার ওপর যেটুকু তরল ছলকে পড়ছে সেগুলো ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলছে ক্যাথি। ওদিকে হ্যারিকে ধরে দাঁড়িয়ে আছে মিসি, যাতে ও কাউকে জ্বালাতে না পারে। জর্জ বেশ চুপচাপ। এই সবুজ তরল যে বাড়িতে থাকা অপশক্তিটার কারসাজি তা বুঝতে ওর বাকি নেই। কিন্তু এই কথা ক্যাথি বা বাচ্চাদের সামনে বলে ওদের ভয় পাওয়াতে চাচ্ছে না। ওদিকে ক্যাথির মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে ও এখনও মনে করছে যে এসবের জন্য বাচ্চারাই দায়ী। একদিক দিয়ে ব্যাপারটা ভালো, কিছুক্ষেত্রে বাস্তবতা থেকে দূরে থাকাই উত্তম।

    কাজে এতটাই মগ্ন হয়ে গেছে জর্জ যে ফাদার ম্যানকুসোকে আবার ফোন করার কথা ওর মনেই নেই।

    সন্ধ্যার দিকে কোনো একটা কারণে বিষণ্ন হয়ে পড়ল ক্যাথি। কেন যেন ওর মনে হচ্ছিল খুব খারাপ একটা কিছু হতে চলেছে। ফায়ারপ্লেসের সামনে চুপচাপ বসেছিল জর্জ।

    অবশেষে ক্যাথি জর্জকে বলেই বসল, “চলো আমরা সবাই ইস্ট ব্যাবিলনে গিয়ে আমার মায়ের কাছে থাকি!”

    “নাহ, কখনও না,” রাগে রীতিমতো ফেটে পড়ল জর্জ, “না না, কোনোভাবেই না!” চেয়ার থেকে লাফিয়ে উঠল সে, “অনেক টাকা গেছে এই বাড়িটার পিছে… এত সহজে এখান থেকে যাব না।”

    “কিন্তু জর্জ…”

    “কোনো কিন্তু নয়!” রাগে রীতিমতো লাল হয়ে গেছে জর্জের মুখটা, “এই বাড়ি ছেড়ে আমরা কেন যাব? এখানের সবকিছু আমাদের… আমাদের সব সঞ্চয় খরচ হয়ে গেছে এটার পিছে আর এত সহজে চলে যাব?”

    ভয় পেয়ে বাচ্চারা ক্যাথির গা ঘেঁষে দাঁড়াল। ক্যাথিও ভয় পেয়ে গেছে। জর্জকে কখনও এতটা রাগতে দেখেনি সে। এ কি সেই পরিচিত জর্জ? ক্যাথির মনে হচ্ছিল ওর ওপর কিছু একটা ভর করেছে!

    সিঁড়ির নিচে দাঁড়িয়ে ওপরের দিকে তাকিয়ে বেজায় জোরে চেঁচিয়ে উঠল জর্জ, “কুত্তার বাচ্চারা… তোরা আমার বাড়ি থেকে বেরো… ভূত-প্রেত যা-ই হোস না কেন, এই বাড়ি এখন আমার!” তারপর এক ছুটে তিন তলায় উঠে বাচ্চাদের খেলাঘরের সবগুলো জানালা খুলে আবার চিৎকার দিলো, “বের হ… ঈশ্বরের  দোহাই!”

    এরপর ছেলেদের শোবার ঘরে দিয়ে গিয়েও সে একই কাজ করল। তারপর দোতালায় নিজেদের শোবার ঘরে এসেও… সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো, তিনবারই জর্জ একই লাইন বলেছিল! হুবহু এক! প্রতিটা শব্দ এক, “বের হ… ঈশ্বরের দোহাই!”

    সব জানালা খুলে দিতে লাগল জর্জ। কিছু জানালা অবশ্য কেন যেন খুলছিল না! সেগুলোর পাল্লা ধরেও টানাটানি শুরু করল সে। মনে হচ্ছিল যেন ও উন্মাদ হয়ে গেছে! খোলা জানালাগুলো দিয়ে হাওয়া ঢুকে রীতিমতো হিম ঠান্ডা হয়ে গেল পুরো বাড়িটা!

    অবশেষে একতলায় নেমে এলো জর্জ, এতক্ষণে মেজাজ কিছুটা শান্ত হয়েছে ওর। এতগুলো জানালা খোলা আর ছুটাছুটির কারণে রীতিমতো হাঁপাচ্ছে সে। ভালো করে আশপাশটা দেখে নিল সে, মুঠি পাকাল কয়েকবার।

    এতক্ষণ চুপচাপ ফায়ারপ্লেসের কাছে দাঁড়িয়েছিল ক্যাথি আর বাচ্চাগুলো। ধীরে ধীরে জর্জের কাছে এগিয়ে এলো ওরা, ঘিরে ধরল ওকে। হাত বাড়িয়ে ওদের সবাইকে কাছে টেনে নিল জর্জ, জড়িয়ে ধরল। কেঁদেই ফেললো ক্যাথি, মিসিও ফোঁপাচ্ছিল।

    ***

    অদ্ভুত ব্যাপার কি জানেন? এই আবেগঘন দৃশ্যের একজন ষষ্ঠ সাক্ষীও ছিল কিন্তু। ফাদার ম্যানকুসো যে সার্জেন্ট জিয়নফ্রিদোকে ফোন করতে চেয়েছিলেন, সে নিজের রাত ন’টার ডিউটি শেষ করে ফেরার আগে সবকিছু ঠিকমতো দেখে নিচ্ছিল। ওশান অ্যাভিনিউ দিয়ে যাওয়ার সময় ১১২ নম্বর বাড়িটার জানালা খোলা দেখে গাড়ি দাঁড় করিয়েছিল সে! এই ঠান্ডার মধ্যে কোনো সুস্থ মানুষ জানালা খুলতে পারে না!

    সাউথ আয়ারল্যান্ড প্লেস থেকে ওশান অ্যাভিনিউতে ঢুকতে হয় যে মোড় দিয়ে, সেখানেই গাড়ি থামাল সে। রাস্তার ওপাশেই লুজদের বাড়িটা। তারপর হেডলাইট নিভিয়ে বাড়ির দিকে চেয়ে রইল সে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝতে পারল যে বাড়ির মালিক জর্জ রীতিমতো পাগলামো করছে! একবার ভাবল গাড়ি থেকে নেমে গিয়ে দেখবে… কিন্তু কী মনে করে যেন থেমে গেল! তার কিছুক্ষণ পরেই নিচে নেমে সবাইকে জড়িয়ে ধরল লোকটা। তারপর ধীরে ধীরে বাড়ির সব জানালা লাগিয়ে দিলো এক মহিলা।

    “ওটাই হয়তো মিসেস লুজ,” মনে মনে ভাবল জিয়নফ্রিদো। সবকিছুই যখন ঠিকঠাক তখন আর এখানে পুলিশের কী করার আছে? গাড়ি আবার চালু করল সার্জেন্ট, তারপর সাউথ আয়ারল্যান্ড প্লেসের দিকে এগোতে লাগল। হেডলাইট বন্ধ করেই রাখল… ধীরে ধীরে বামের ঢুকে গেল ওর গাড়ি, এখান থেকে ওশান অ্যাভিনিউ আর দেখা যায় না। হেডলাইট চালু করে জোরে গাড়ি ছোটাল জিয়নফ্রিদো।

    একঘণ্টার মধ্যে গরম হয়ে উঠল ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটা, রেডিয়েটরের তাপের কাছে হার মানল ঠান্ডা। ধীরে ধীরে থার্মোস্টাটের তাপমাত্রা গিয়ে পৌঁছল ৭৫ ডিগ্রিতে।

    ফায়ারপ্লেসের সামনে সোফাতে বসে ঝিমাচ্ছে ড্যানি আর ক্রিস। ওদিকে চেয়ারে বসে দোল খাচ্ছে ক্যাথি, ওর কোলে ঘুমন্ত মিসি। দশটার দিকে বাচ্চাদের শোবার ঘরগুলো ভালো করে দেখে এলো সে, ওগুলো যথেষ্ট গরম হয়েছে। তারপর ড্যানি আর ক্রিসকে ঘুমাতে যেতে বলল।

    চেঁচামেচি করার পর থেকে কেমন যেন চুপচাপ হয়ে গেছে জর্জ। ফায়ারপ্লেসের সামনে বসে কাঠের গুঁড়িগুলোর পুড়ে যাওয়া দেখছে সে। জর্জ আর ক্রিস ওপরে রওনা দিলো, ক্যাথিও একটু পর চুপচাপ মিসিকে নিয়ে ওপরে উঠে গেল। এই অবস্থায় জর্জের সাথে কথা বলতে গেলে আবার ঝামেলা হতে পারে। মিসি ঘুমিয়ে পড়লে আবার নেমে এলো ক্যাথি।

    “কী ব্যাপার জর্জ? ঘুমাতে যাবে না?” ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো ক্যাথি

    ফ্যালফ্যাল করে ক্যাথির দিকে চেয়ে রইল জর্জ। চোখদুটো ভিজে আছে ওর। ক্যাথিরও কেমন যেন কান্না পাচ্ছে! এই বাড়ির প্রেতশক্তির সামনে ওরা রীতিমতো অসহায়। জর্জের মাথায় আবার হাত বুলিয়ে দিলো সে।

    “হুম, যাব,” শান্ত কণ্ঠে বলল জর্জ, “তুমি যাও, আমি একটু পর আসছি।” এরপর আবার মন দিলো ফায়ারপ্লেসে।

    শোবার ঘরে চলে এলো ক্যাথি। জর্জের দিকের টেবিল ল্যাম্পটা জ্বালিয়ে রেখে পোশাক পালটে শুয়ে পড়ল সে। বাইরে বাতাসের একটানা ‘শো শো আওয়াজ। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঘুম এসে গেল ক্যাথির।

    হুট করেই ঘুমটা ভেঙে গেল ক্যাথির, জর্জের শোবার জায়গাটার দিকে তাকাল সে। জর্জ এখনও আসেনি! পিছনে তাকাল ক্যাথি, খাটের পিছনের বিরাট আয়নাটায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখে রীতিমতো বুকটা কেঁপে উঠল ওর। বিরাট আয়নাটা যেন ছাদ ছুঁয়েছে, এত বড়ো আয়না আর শোবার ঘরে রাখা যাবে না। বিছানা থেকে উঠে পড়ল ক্যাথি, ভয় লাগছে ওর… দেওয়াল আলমারি থেকে ক্রুসিফিক্সটা আনতে হবে।

    আলমারিটার কাছাকাছি পৌঁছে কী মনে করে যেন আবার আয়নার দিকে তাকাল সে। একি! আয়নার প্রতিবিম্বটা যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে… কেমন যেন অদ্ভুত ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে ওটা! তাড়াতাড়ি আলমারির দিকে এগিয়ে গেল ক্যাথি, আর সাথে সাথে সে স্পষ্ট শুনতে পেল প্রতিবিম্বটা ওরই গলায় বলছে, “এই কাজ করো না… এই ভুল করো না! তোমার ভুলের কারণে সবাই শেষ হয়ে যাবে!”

    ***

    জর্জ ওপরে উঠে দেখল ক্যাথি ঘুমাচ্ছে। শরীর থেকে কম্বলটা যেন একটু সরে গেছে ওর, ঠিক করে দিলো সে। তারপর পাশের টেবিলটার ড্রয়ার থেকে ক্যাথির বাইবেলটা বের করল। ওটা নিয়ে টেবিলল্যাম্পটা বন্ধ করে দিয়ে ধীরে ধীরে ঘর থেকে বেরিয়ে এলো জর্জ।

    বসার ঘরে এসে আবার ফায়ারপ্লেসের সামনের চেয়ারটায় বসল সে। বাইবেলটা খুলে ‘দ্য বুক অফ জেনেসিস’ অংশটা পড়তে লাগল সে। খ্রিষ্ট ধর্মের মৌলিক বিশ্বাসগুলোর ভিত্তি হিসেবে ধরা হয় এই অংশকে। কয়েকটা জায়গা পড়ে বেশ অবাক লাগল ওর, জোরে জোরে পড়তে লাগল, “এবং ঈশ্বর সেই অভিশপ্ত সর্পকে বললেন, “তোমার কর্মের জন্য তুমি আজ থেকে অভিশপ্ত হলে! পৃথিবীর সব পশু-পাখি আর মানুষের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারবে তুমি! মানুষ তোমাকে অভিশাপ দেবে, কেউ করুণা করবে না… এভাবেই শেষ দিনের আগ পর্যন্ত থাকবে তুমি!’

    কেঁপে উঠল জর্জ। এই ‘অভিশপ্ত সৰ্প’-ই তো আসলে শয়তান! ঠিক তখনই গরম বাতাসের একটা ঝাপটা এসে লাগল ওর মুখে, বই থেকে মুখ তুলে তাকাল জর্জ… ফায়ার প্লেসের আগুন বেরিয়ে এসেছে! জর্জের একদম কাছাকাছি চলে এসেছে!

    লাফিয়ে উঠল জর্জ, ও বসার আগ দিয়ে আগুন প্রায় নিস্তেজ হয়ে এসেছিল। এতক্ষণে তো পুরোপুরি নিভে যাওয়ার কথা! সেই আগুনের এই অবস্থা হলো কী করে? পুরো ফায়ারপ্লেস ভরে গেছে আগুনে… গরমে রীতিমতো ঘামতে লাগল জর্জ।

    ঠিক তখনই কার যেন ঠান্ডা একটা আঙুল স্পর্শ করল ওকে। সাথে সাথে পিছে ঘুরল সে! কিন্তু কেউ নেই! তবে ঠান্ডা একটা বাতাস যেন সরে গেল… আরে! সিঁড়ির কাছে অদ্ভুত একটা আকৃতি… কুয়াশা দিয়ে গড়া যেন! মাত্র কয়েক সেকেন্ড ছিল সেটা!

    বাইবেলটা শক্ত করে ধরে দোতালার শোবার ঘরের দিকে দৌড় দিলো জর্জ। সেই ঠান্ডা বাতাসটাও যেন পিছে পিছেই আসছিল। ঘরের দরজার সামনে এসে থমকে দাঁড়াল সে, ঘরটা বেশ গরমই আছে। তখনই পিছে আবার সেই ঠান্ডা আঙুলের স্পর্শ!

    পিছনে কেউ নেই!

    হুট করেই কী মনে করে মিসির ঘরে দৌড় দিলো জর্জ। ঘরের সবগুলো জানালা খোলা… সমানে হাওয়া ঢুকছে! বেচারি ঘুমের মধ্যেও কাঁপছে।

    ওকে কোলে তুলে নিল জর্জ, ঠান্ডা হয়ে আছে ছোট্ট শরীরটা। এক দৌড়ে শোবার ঘরে চলে এলো সে, ক্যাথি ততক্ষণে জেগে গেছে। মিসিকে কম্বলের মধ্যে ঢুকিয়ে চেঁচিয়ে উঠল জর্জ, “তাড়াতাড়ি! ওর শরীরটা গরম করতে হবে… নইলে ঠান্ডাতে মেয়েটা মরেই যাবে!”

    কাঁদতে কাঁদতে মিসিকে জড়িয়ে ধরল ক্যাথি। জর্জ ছুটল তিন তলায়।

    ওদের শোবার ঘরের জানালাও একদম হাট করে খোলা! কম্বলের মধ্যে শুয়ে রীতিমতো কাঁপছে দুই ভাই। দু’জনকেই একসাথে কোলে তুলে নিল জর্জ। তারপর ফিরে এলো দোতালার শোবার ঘরে। ঠান্ডায় দাঁতে দাঁতে বাড়ি খাচ্ছে ওদের। ওদের কম্বলের মধ্যে ঢুকিয়ে জড়িয়ে ধরল জর্জ।

    একই শোবার ঘরে বাড়ির পাঁচ জন! কে জানত এমনটা হবে?

    কিছুক্ষণের মধ্যে গা গরম হয়ে এলো বাচ্চাদের। ওদের হাত আর পা ঘষে ঘষে গরম করতে লাগল জর্জ আর ক্যাথি। প্রায় আধাঘণ্টা পর ওদের শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হলো। জর্জ খেয়াল করল, বাইবেলটা তখনও ওর হাতে! এটা পড়ার জন্যই এত ভোগান্তি? এর জন্যই বাচ্চাদের এই অবস্থা? তাহলে কি এই বাড়ির অপশক্তি ওকে সতর্ক করল?

    মেঝেতে ছুড়ে ফেলে দিলো সে গ্রন্থটা!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়
    Next Article দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }