Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন

    জে অ্যানসন এক পাতা গল্প329 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর – ২২

    দ্বাবিংশ অধ্যায়

    ১১ জানুয়ারি।

    পঁচিশ দিন হলো লুজরা ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটাতে এসেছে। ওই রবিবারের মতো বাজে অবস্থায় তারা এর আগে আর পড়েনি।

    সকালে উঠে ভালো করে বাড়িটা দেখল জর্জ, প্রবল বাতাস আর বৃষ্টি সবকিছুর একেবারে বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। বৃষ্টির পানিতে দেওয়াল, পর্দা, গালিচা, আসবাবপত্র সবকিছুই ভিজে গেছে। একতলা থেকে তিন তলা, সবখানেই একই অবস্থা। দশটা জানালার পাল্লা একদম ভেঙে গেছে, কয়েকটার ছিটকিনি এমনভাবে নষ্ট হয়ে গেছে যে ওগুলো আর লাগানো সম্ভব না। সেলাই আর বাচ্চাদের খেলাঘরের দরজার লক বেঁকিয়ে একদম পিতলের পাত থেকে বেরিয়ে এসেছে, ওই দুটো কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না। জর্জ ভেবেছিল যে সকালেই সবাইকে নিয়ে অন্য কোথাও চলে যাবে, কিন্তু এই অবস্থায় বাড়িটা রেখেও তো যাওয়া যায় না! ওদের অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র থেকে যাবে।

    রান্নাঘরের অবস্থাও যাচ্ছেতাই। তাকে রাখা থালাবাসনগুলো পানি আর কাদায় মাখামাখি হয়ে আছে, মেঝেতে একগাদা পানি জমেছে। ক্যাথি ভেবে পাচ্ছে না যে কী করবে। একটা বালতি নিয়ে মেঝেতে জমে থাকা পানি তুলে বাইরে ফেলতে লাগল সে। থালাবাসনগুলোতে এখন আর হাত দেওয়া যাবে না। আর তাছাড়া বেশিক্ষণ পানি জমে থাকলে মেঝের টালিগুলোরও ক্ষতি হবে।

    দুটো কাগজের রোল নিয়ে প্রতিটি ঘরের দেওয়াল মোছার কাজে লেগে পড়ল ড্যানি আর ক্রিস। রান্নাঘরের ছোট্ট মইটা নিয়ে এসেছিল ওরা। ওটাতে উঠে উঁচু জায়গাগুলোও পরিষ্কার করে ফেলছিল ক্রিস। ওদিকে ওদের ফেলে দেওয়া কাগজগুলো তুলে একটা বেশ বড়ো প্লাস্টিকের ব্যাগে তুলে রাখছিল মিসি।

    বাড়ির সব পর্দা খুলে ফেলল জর্জ। যেগুলোতে কাদা লেগেছিল সেগুলো নিয়ে গিয়ে রাখল বেসমেন্টে, ওয়াশিং মেশিনে কাচতে হবে ওগুলো। আর যেগুলোতে লাগেনি সেগুলো এনে রাখল খাবার ঘরে, একটু রোদ উঠলেই শুকাতে দেবে। তাছাড়া ওই ঘরটাই বৃষ্টিতে সবচেয়ে কম ভিজেছে।

    সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত টানা কাজ করে চলল লুজরা। কারও মুখে তেমন কোনো কথা নেই। হুট করে ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনা যেন ওদেরকে অদ্ভুত রকমের শক্ত করে তুলেছে। ওরা যেন ঠিক করেই নিয়েছে যে এত সহজে ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটা ছেড়ে যাবে না। জর্জ, ক্যাথি, মিসি, ড্যানি, ক্রিস… সবাই-ই লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত… তা সে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথেই হোক বা কোনো অতিপ্রাকৃত শক্তির বিরুদ্ধে…

    হ্যারিও আজ বেশ শান্ত রয়েছে। মাঝে মাঝেই উঠে দাঁড়াচ্ছে তারপর নিজের ঘরের আশেপাশে জমে থাকা কাদায় পায়চারি করছে। মাঝে মাঝে গম্ভীর কণ্ঠে গর্জন করছে, যেন অচেনা কাউকে দেখলেই টুকরো টুকরো করে ফেলবে। অবাক চোখে নৌকা রাখার ছাউনির দিকে তাকাচ্ছে ও, নেকড়ে বাঘের মতো গর্জন ছাড়ছে। শব্দটা শুনে বুকের ভেতর কেমন যেন করে উঠল জর্জের, বাচ্চারাও বেশ কয়েকবার ভয় পেল।

    সবগুলো পর্দা খোলার পর জানালার দিকে মন দিলো জর্জ। বেশ কয়েকটা বড়ো বড়ো প্লাস্টিকের শিট কেটে সাদা টেপ দিয়ে জানালার ফ্রেমে মেরে দিলো সে। পাল্লাগুলো পুরোপুরি আটকাতে এসব একেবারেই যথেষ্ট নয়। বেশি জোরে বাতাস উঠলে এগুলো কোনো কাজেই দেবে না, তবে এছাড়া তো আর কোনো উপায়ও নেই। আর ঠান্ডা হাওয়া একটু হলেও প্রতিরোধ করবে এসব। এমনিতে ঝড় যেহেতু হয়েছে, একটু পর তাপমাত্রাও বাড়বে।

    আসলেই বাড়ল, ঠান্ডা বেশ খানিকটা কমে গেল। জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল জর্জ, আশেপাশের অনেক গাছেরই ডাল ভেঙে পড়ে আছে। সাউথ আয়ারল্যান্ড প্লেসের দিকে নজর পড়ল ওর, ওদিককার গাছগুলোর আরও খারাপ অবস্থা। তবে হ্যাঁ… পুরো অ্যামিটিভিলের আর কোনো বাড়িরই দরজা বা জানালা ভাঙেনি, শুধু ওদের বাড়িতেই এমনটা হয়েছে! অদ্ভুত ব্যাপার!

    দরজা জানালাগুলোর লকেরও ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু ওগুলো ঠিক করার মতো যন্ত্রপাতি জর্জের কাছে নেই। তাই সে করল কী, প্লায়ার্স দিয়ে লোহার পাতগুলো একটু বেঁকিয়ে দিলো, যাতে করে মিস্ত্রি আসার আগ পর্যন্ত দরজাগুলো লেগে থাকে। তারপর সেগুলোর ওপর বেশ কয়েকটা লোহার পেরেক মারতে মারতে সে চেঁচিয়ে উঠল, “সাহস থাকলে এসব তুলে দেখাও, শয়তানের বাচ্চারা! কী ভাবছ? ভয় পেয়ে পালাব? তেমন মানুষ আমি নই!” তবে সেলাইঘর আর বাচ্চাদের খেলাঘরের দরজার যে পাতই উঠে গেছে! এখন? বেসমেন্টে গেল জর্জ, বেশ কয়েকটা ভালো লোহার পাত খুঁজে পেল সে। তারপর পাতগুলো আড়াআড়িভাবে দরজাদুটোর সাথে আটকে দিলো সে, এতে করে বাইরে থেকে বন্ধ হয়ে গেল ঘরগুলো। ভেতর থেকে আর খোলার উপায় নেই। “হাহা,” হেসে উঠল জর্জ, “শয়তানের বাচ্চারা, এবার দেখব তোরা বের হোস কী করে!”

    অবশেষে তদন্তকারী জর্জ কেকোরিসের ফোন এলো। সে জানাল যে জর্জদের বাড়িতে একটা রাত কাটাতে চায় ও। তবে সমস্যা হলো যে ওর কাছে কোনো যন্ত্রপাতি নেই। তাই নর্থ ক্যারোলাইনার ওই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ও আসছে এমনটা ধরা যাবে না! ব্যক্তিগত উদ্যেগই বলা যায়…. তবে ওর দৃঢ় বিশ্বাস এক রাত থাকলেই ও বুঝতে পারবে যে বাড়িটার সমস্যা আসলে কী।

    “ব্যাপার না,” হাসল জর্জ, “আপনি আসুন তো। অনেকেই আমাদের কথা বিশ্বাস করছে না। আপনি যদি কিছু দেখেন… তাহলে এটা প্রমাণ হবে যে ব্যাপারগুলো আমার আর ক্যাথির কল্পনা নয়।”

    “আপনি কি অদ্ভুত কিছু অনুভব করেন?”

    “অদ্ভুত বলতে? অনেক কিছুই তো মনে হয়!”

    “আচ্ছা আমি আসি, তারপর দেখছি। আপনার বাড়িতে কি কোনো কুকুর আছে?”

    “আছে তো, হ্যারি। বাড়ি পাহাড়া দিতে বেশ ভালোই অভ্যস্ত ও।”

    “বেশ বেশ, কুকুররা আবার এসব ব্যাপার বেশ ভালো বুঝতে পারে।”

    ফোনটা রেখে দিলো জর্জ। অবশেষে কেউ তো আসছে!

    ***

    দুপুর তিনটা দিকে রকভিল সেন্টারের বিশপের অফিস থেকে বের হলেন ফাদার রায়ান। ফাদার ম্যানকুসোকে নিয়ে বেশ চিন্তিত তিনি। বিশপের অফিসের চ্যান্সেলর হিসেবে পুরো রাজ্যের সব রেক্টরিগুলোর খোঁজ রাখা ওনার দায়িত্ব।

    লং আইল্যান্ডের সেক্রেড হার্ট রেক্টরিতে খুব তাড়াতাড়িই পৌঁছে গেলেন তিনি।

    ফাদার ম্যানকুসোর অবস্থা একটু ভালো। মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি, মাত্র এই ক’দিনের মধ্যে তিনবার ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার পরেও যে তিনি বেঁচে আছেন এটাই তো অনেক!

    “আমি শেষ ফাদার, মনে হয় আর বাঁচব না,” কেঁদে ফেললেন ফাদার ম্যানকুসো।

    “আহ ম্যানকুসো শোনো… মহামান্য বিশপের সাথে তোমার ব্যাপারে কথা হয়েছে আমার। উনি নিশ্চিত নন যে, কোনো প্রেতাত্মার কুদৃষ্টির কারণে তোমার এই অবস্থা… হয়তো লুজদের নিয়ে মানসিক চাপে আছ তুমি, তাই এমনটা হচ্ছে?”

    “বিশ্বাস করুন ফাদার! ওই বাড়িতে খারাপ কিছু একটা আছে। আপনি দয়া করে কাউকে পাঠান। নইলে আমিও বাঁচব না, লুজদেরকেও ওরা ছাড়বে না… দয়া করুন… নইলে সর্বনাশ হয়ে যাবে! দরকার হলে আমিও যাব। “

    “হুম, আমরা আর চাচ্ছি না যে তুমি ওই বাড়িতে যাও। তবে মহামান্য বিশপের তরফ থেকে যদি কোনো প্রতিনিধি ওখানে যান… তবে তার সাথে তুমি যেতে চাইলে আমরা আপত্তি করব না।”

    চিন্তায় পড়ে গেলেন ফাদার। মুখ ফসকে একটু বেশিই বলে ফেলেছেন তিনি। বিশপের প্রতিনিধির সাথেও ওই বাড়িতে যাওয়ার ইচ্ছা নেই তার। উনি যেতে না চাইলে চ্যান্সেলররাও জোর করতে পারবেন না অবশ্য। কিন্তু জর্জদের নিয়ে খুব চিন্তা হচ্ছে ওনার। আবার ওই বাড়ির কথা ভাবলে ভয়ও করছে!

    “আচ্ছা ফাদার,” দীর্ঘশ্বাস ফেললেন ফাদার ম্যানকুসো, “এক কাজ করুন, আমাকে একটু মহামান্য বিশপের সাথে কথা বলাতে পারবেন? ওনার আথে আমি বাড়িটা নিয়ে কথা বলতে চাই! নইলে আর চলছে না।’

    “হুম, আচ্ছা আমি অফিসে ফিরে যাচ্ছি… বিশপের সাথে আমার আজকে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তখন তোমাকে ফোন করব।”

    ***

    সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ফোন করলেন ক্যাথির মা।

    “ক্যাথি, তোমরা আজকে আসছ না ইস্ট ব্যাবিলনে?” জিজ্ঞাসা করলেন তিনি।

    “না মা,” মাথা নাড়ল ক্যাথি, “বাড়ির অবস্থা একেবারেই ভালো না। আমরা সবাই ব্যস্ত। না জানি কতক্ষণে সবকিছু ঠিক করতে পারব। সকালে অনেক কাপড় ধুতে হবে। আর তাছাড়া বাচ্চাদের স্কুলও তো আছে। এমনিতেই বেশ ক’দিন স্কুলে যায়নি ওরা।”

    “আচ্ছা ঠিক আছে… কিন্তু কথা দাও কোনো ঝামেলা হলেই আমাকে ফোন করবে তুমি? আমি সাথে সাথে জিমিকে পাঠিয়ে দেবো তোমাদের নিতে।”

    “ঠিক আছে মা, “ ফোনটা রেখে দিলো ক্যাথি। তখনই পাশ দিয়ে যাচ্ছিল জর্জ।

    “বুঝলে জর্জ,” ওকে ডাকল ক্যাথি, “মা ফোন করেছিলেন। বললাম আমরা যাচ্ছি না… গেলেই ভালো হতো না কি?”

    “আরে না! ঠিকই আছে, এত সহজে হাল ছাড়ব না আমরা,” গর্জে উঠল জর্জ, “বাচ্চারা ঘুমানোর আগেই হ্যারিকে নিয়ে পুরো বাড়িটা একবার ঘুরে দেখব আমি। কেকোরিস বলেছে এসব ব্যাপার না-কি কুকুরেরা ভালো বোঝে!”

    “জর্জ… এই বাড়ির অপশক্তিগুলো আবার রেগে যাবে না তো?” বলে উঠল ক্যাথি, “মনে আছে? আমরা যখন ক্রুসিফিক্স নিয়ে ঘুরছিলাম, তখন কী হয়েছিল?

    “না না ক্যাথি, এটা সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার। যদি হ্যারি কোনো গন্ধ পায়? বা কিছু শুনতে পায়? “

    “তাতে কী লাভ হবে? আমরা কি ভূতেদের সাথে লড়তে পারব?”

    হ্যারিকে দেখে মনে হচ্ছিল বেশ রেগে আছে কুকুরটা, সুযোগ পেলেই কাউকে কামড়ে দেবে। “কী খবর হ্যারি?” হাসল জর্জ, “চলো দেখি, বাড়িতে অদ্ভুত কিছু পাওয়া যায় না-কি! হুম?”

    হ্যারির বাঁধন খুলে দিলো জর্জ, শক্ত করে ধরল দড়িটা। তারপর বাড়ির এদিক-সেদিক ঘুরতে লাগল ওরা। বেসমেন্টে নেমে কেমন যেন অদ্ভুতভাবে ডেকে উঠল কুকুরটা, তারপর অস্থিরভাবে কয়েক জায়গা শুঁকল। দেওয়ালে খামচি দিলো। কিন্তু লাল ঘরের সামনের সেই দেওয়াল আলমারিটার সামনে এসে কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল সে, তারপর বাতাস শুঁকে লেজটা দুই পায়ের ফাঁকে ঢুকিয়ে পিছিয়ে এলো… যেন খুব ভয় পাচ্ছে, জর্জের দিকে অসহায়ভাবে তাকিয়ে রইল ও!

    “কী হলো? কোনো গন্ধ পেয়েছ?” ফিসফিসিয়ে বলল জর্জ। ককিয়ে উঠল হ্যারি, আরও খানিকটা পিছিয়ে গেল সে। হ্যারি হুট করে এত ভয় পাচ্ছে কেন? তারপরেই বেশ জোরে ডেকে উঠল কুকুরটা… সিঁড়ি দিয়ে ছুটল ওপরের দিকে। দরজা বন্ধ, সেখানে দাঁড়িয়ে ঠকঠক করে কাঁপছে হ্যারি। এগিয়ে গিয়ে দরজাটা খুলে দিলো জর্জ।

    বসার ঘরে এলো ওরা।

    “কী হলো?” বলে উঠল ক্যাথি।

    “ওই গোপন দরজাটার সামনে যেতে ভয় পাচ্ছে হ্যারি,” মাথা নাড়ল জর্জ। এরপর হ্যারিকে নিয়ে রান্নাঘর, বসার ঘর আর হলঘর ঘুরে এলো সে। প্রতিটা ঘর বেশ ভালো করে শুঁকে দেখল হ্যারি। দোতালায় উঠতে যাবে, ঠিক তখনই আবার থমকে দাঁড়াল কুকুরটা।

    “কী হলো হ্যারি? চলো, ওপরে যেতে হবে,” এই বলে দড়ি ধরে টান মারল জর্জ। কিন্তু একটা ধাপে পা রেখেই আবার নিচে নেমে এলো হ্যারি।

    “দাঁড়াও বাবা, আমি ওকে ওপরে নিয়ে যাচ্ছি,” এগিয়ে এলো ড্যানি।

    “না ড্যানি,” ওকে থামিয়ে দিলো জর্জ, “তুমি এখানেই থাকো, হ্যারিকে আমি দেখছি।” হ্যারিকে রীতিমতো টানতে টানতে কয়েক ধাপ ওপরে তুলল জর্জ প্রায় সাথে সাথেই দৌড়ে দোতালায় উঠে গেল কুকুরটা… তারপরেই আমার থমকে গেল!

    ওপরে এসে ওকে নিয়ে এগিয়ে চলল জর্জ। শোবার ঘর আর সাজঘর বেশ ভালোই ঘুরে দেখল হ্যারি। কিন্তু মিসির ঘরের সামনে এসে আবার থমকে দাঁড়াল। পিছন থেকে ওকে ধাক্কা দিলো জর্জ, কিন্তু হ্যারি ভেতরে ঢুকবে না… পা দিয়ে জোরে ঠেলল, কিন্তু ফলাফল একই। সেলাই ঘরের সামনে এসেও প্রায় একই অবস্থা… জর্জের পিছনে লুকিয়ে কেমন যেন অদ্ভুতভাবে ডাকতে লাগল হ্যারি!

    “আরে হ্যারি, করছ কী তুমি? ভেতরে কেউ নেই, এত ভয় কেন পাচ্ছ?” চেঁচিয়ে উঠল জর্জ। কিন্তু হ্যারি ভেতরে ঢুকল না।

    তিন তলায় ছেলেদের শোবার ঘরে ঢুকেই ক্রিসের বিছানায় লাফিয়ে উঠল জর্জ। আর নামতেই চায় না! তাড়া দিলো জর্জ, তারপর এক লাফে চলে গেল সিঁড়ির কাছে। এত জোরে যে হ্যারি চলে যাবে, ভাবতেও পারেনি জর্জ। যাওয়ার সময়ে খেলাঘরের দরজার দিকে একবারও তাকায়নি কুকুরটা। নিচতলায় চলে এলো হ্যারি, কিছুক্ষণ পর নামল জর্জ।

    “কী হলো?” ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞাসা করল ক্যাথি

    “কিছু না, কী আর হবে,” খেঁকিয়ে উঠল জর্জ।

    ***

    ওদিকে বিশপের অফিস থেকে ফোন এসেছে ফাদার ম্যানকুসোর কাছে। সকালবেলা ওনার সাথে দেখা করতে চান বিশপ, ফাদারের যদি কোনো অসুবিধা না থাকে তবে উনি অফিসে চলে আসতে পারেন।

    “আসব আসব,” মাথা নাড়লেন ফাদার, “আমার বাড়ি থেকে মাত্র পনেরো মিনিটের রাস্তা। আর আমার জ্বরও তেমন নেই। রেডিয়োতে যা শুনলাম, কাল বরফও পড়বে না। চলে আসব, সমস্যা নেই!”

    ***

    ওদিকে রাতের বেলা পুরো লুৎজ পরিবার জড়ো হলো জর্জ আর ক্যাথির শোবার ঘরে। বাচ্চারা বিছানায় শুয়ে পড়ল, জর্জ আর ক্যাথি বসে রইল ভাঙা জানালার সামনের চেয়ারদুটোতে। ঘরটা কেন যেন একটু বেশিই গরম মনে হচ্ছিল, সবারে চোখ কুটকুট করতে শুরু করল। জর্জ আর ক্যাথি ভাবল সারাদিন পরিশ্রম আর দুশ্চিন্তার কারণে এমনটা হচ্ছে। একে একে সবাই ঘুমিয়ে পড়তে লাগল। প্রথমে মিসি, তারপর ক্রিস, ড্যানি, ক্যাথি আর সবার শেষে জর্জ।।

    কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই জর্জকে ঝাঁকিয়ে ওর ঘুম ভাঙাল ক্যাথি। অবাক হলো জর্জ, ওরা সবাই দাঁড়িয়ে আছে ওর চেয়ারের সামনে… ওদের চোখে পানি।

    “হলো কী তোমাদের?” ঘুম জড়ানো কণ্ঠে প্রশ্ন করল সে।

    “তুমি ঘুমের মধ্যে চিৎকার করছিলে জর্জ,” শব্দ করে কেঁদে উঠল ক্যাথি, “আমরা অনেক চেষ্টা করেও তোমাকে জাগাতে পারছিলাম না!”

    “হ্যাঁ বাবা,” বলল মিসি, “মা অনেক ভয় পেয়েছে! আমরাও…”

    “তাই না কি?” জর্জের ঘুমের ভাবটা যেন যাচ্ছেই না, “আমি কাউকে মেরেছি? হুম?”

    “আরে না,” জর্জের কপালে চুমু খেলো ক্যাথি, “তুমি কাউকেই মারোনি!”

    “তাহলে? কী হয়েছে?”

    “তুমি চিৎকার করে শুধু একটা কথাই বলছিলে, ‘আমি টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছি’… শুধু এটুকুই! কত চেষ্টা করে যে তোমাকে জাগালাম…’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়
    Next Article দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }