Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন

    জে অ্যানসন এক পাতা গল্প329 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর – ২৩

    ত্রয়োবিংশ অধ্যায়

    ১২ জানুয়ারি।

    একটু একটু করে স্বপ্নের কথা মনে পড়ছে জর্জের। ক্যাথি হয়তো ভুল শুনেছে, কারণ জর্জ ঘুমের মধ্যে, “আমি টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছি” বলেনি। সে বলেছে, “আমাকে ছিঁড়ে ফেলল, মেরে ফেলল!” হ্যাঁ, স্পষ্ট মনে আছে ওর, স্বপ্নের মধ্যে বারবার এটা বলেই চিৎকার দিচ্ছিল সে।

    ধীরে ধীরে পুরো স্বপ্নটাই হুবহু মনে পড়ে গেল ওর। চেয়ারে বসে থাকতে থাকতে সবেমাত্র একটু তন্দ্রা এসেছে ঠিক তখনই পিছন থেকে দুটো শক্তিশালী হাত চেয়ারটা ওপরে তুলে ধরে, তারপর পিছে ঘুরিয়ে দেয়! অনেক চেষ্টা করেও নড়তে পারছিল না জর্জ। সে দেখল ফায়ারপ্লেসে দেখা সেই বীভৎস দানবটা দাঁড়িয়ে আছে… অর্ধেক মুখহীন সেই শয়তানটা জ্বলন্ত চোখে তাকিয়েছিল জর্জের দিকে, যেন গিলে খাবে! তারপরেই অদ্ভুত একটা সাদা পর্দা এসে ঢেকে দিলো মুখটাকে…. কয়েক মুহূর্ত পরেই হটে গেল পর্দাটা… বদলে গেছে মুখটা! ওটা এখন জর্জের মুখ… ওর মুখেরও অর্ধেকটা নেই!

    তখনই সে চিৎকার দেয়, “আমাকে ছিঁড়ে ফেলল, মেরে ফেলল!”

    ওটা কি স্বপ্ন ছিল না কি বাস্তব?

    হুট করেই ক্যাথির ওপর মেজাজ খারাপ হলো জর্জের, “কীসব বলছ… টুকরো হয়ে যাওয়ার কথা কখন বললাম আমি, হুম? ভুল শুনেছ তুমি! ওই কথা বলিনি আমি… অন্য কথা বলেছিলাম!” কথাগুলো জড়িয়ে যাচ্ছিল জর্জের, ঘুমের ভাবটা এখনও পুরোপুরি যায়নি।

    “হুম,” মাথা নাড়ল ক্যাথি, “হয়তো আমিই ভুল শুনেছি, খারাপ স্বপ্ন দেখছিলে বুঝি?” এই বলে জর্জের মাথাটাকে বুকে জড়িয়ে নিল সে। এই সময়ে ওর সাথে ফালতু তর্ক করে লাভ নেই।

    “বাবা,” জর্জের পাশে এসে দাঁড়াল মিসি, “আমার ঘরে এসো একবার। জোডি তোমাকে কী যেন বলতে চায়!”

    মিসির কণ্ঠে কী যেন একটা ছিল, জর্জের ঘুম ঘুম ভাবটা পুরোই কেটে গেল। রীতিমতো লাফিয়ে উঠল সে, “জোডি? জোডি কে?”

    “ওর বন্ধু,” বলল ক্যাথি, “বলেছিলাম না? মিসি কাল্পনিক বন্ধু বানায় … তেমনই আরকি। যেয়ো না, জোডিকে তো আর তুমি দেখতে পাবে না। “

    “না না, মা,” বিরক্ত হলো মিসি, “আমি তো জোডিকে দেখতে পাই, তাহলে তোমরা কেন পাও না? ও একটা শুয়োর… অনেক বড়ো শুয়োর… এত বড়ো শুয়োর এর আগে আমি কখনও দেখিনি,” ঘর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে গেল মিসি। ক্যাথির মুখের দিকে চেয়ে রইল জর্জ।

    “শুয়োর!” হুট করেই চমকে উঠল জর্জ, সেই রাতের কথা মনে পড়ে গেল ওর, “দাঁড়াও আমি এখনই আসছি, তোমরা সবাই ঘরেই থাকো,” এই বলে সে ছুটল মিসির ঘরে।

    জর্জ গিয়ে দেখে মিসি বিছানায় উঠে পড়েছে, ঘরে আর কেউ নেই।

    “জোডি কোথায় মিসি?” ভয়ে ভয়ে প্রশ্ন করল সে।

    “এইতো আসবে এখনই,” বিছানার চাদর ঠিক করতে করতে বলল মিসি, “এক মিনিটের জন্য বাইরে গেল ও।”

    হাঁপ ছেড়ে বাঁচল জর্জ, স্বপ্নে ওই পিশাচটাকে দেখার পর বাস্তবেও যদি কোনো ভয়ংকর শুয়োরকে দেখা লাগত তবে রীতিমতো পাগল হয়ে যেত জর্জ।

    “মিসি, শোনো আমার কথা,” বেশ জোরেই বলে উঠল জর্জ, “জোডি এখানে নেই।”

    “ওই তো, জোডি এসে গেছে,” হাততালি দিলো মিসি।

    অবাক হয়ে তাকাল জর্জ, জানালার দিকে আঙুল তুলে আছে মিসি। শার্শির পিছনে টকটকে লাল দুটো চোখ! কোনো মুখ দেখা যাচ্ছে না… শুধু দুটো চোখ, ওগুলো যে শুয়োরেরই চোখ সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই!

    “আমার বন্ধু জোড়ি,” চেঁচিয়ে উঠল মিসি, “ও ভেতরে আসতে চায় বাবা!” হুট করেই জর্জের বাম পাশ দিয়ে হুড়মুড়িয়ে কে যেন ঘরে ঢুকল… ক্যাথি! কেমন যেন অদ্ভুত স্বরে আর্তনাদ করে উঠল সে। জানালার দিকে ছুটে যাচ্ছে মেয়েটা… টেবিল থেকে মিসির একটা খেলনা নিয়ে জানালার দিকে ছুড়ে দিলো সে। বেশ ভারী ছিল খেলনাটা, ভেঙে পড়ল কাচ… ছড়িয়ে পড়ল চারদিকে।

    ‘ঘোঁত’ করে একটা শব্দ হলো, ঠিক যেভাবে ব্যথা পেলে শুয়োর আর্তনাদ করে… তারপরেই চোখদুটো অদৃশ্য। তাড়াতাড়ি জানালার সামনে ছুটে গেল জর্জ, নিচে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। তবে শুয়োরের হালকা আর্তনাদের শব্দ এখনও পাওয়া যাচ্ছে। যেন নৌকা রাখার ছাউনির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ওটা… ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল ক্যাথি। পড়েই যাচ্ছিল সে, তাড়াতাড়ি গিয়ে ওকে ধরল জর্জ।

    কেমন যেন বিকৃত দেখাচ্ছিল ক্যাথির চেহারাটা। চোখে বুনো চাহনি, ঠোঁটের দু’পাশ দিয়ে ফেনা গড়িয়ে পড়ছে… যেন রাস্তার কোনো পাগলি! চেঁচিয়ে উঠল সে, “ওই শয়তানটা এখানেই ছিল! মিসি অনেকবার বলেছে, কিন্তু আমি বিশ্বাস করিনি… আমি ওটাকে মেরে ফেলব! মেরেই ফেলব! কিন্তু পারলাম না!” অদ্ভুতভাবে ঝাঁকি খেলো ওর শরীরটা। শক্ত হাতে ওকে ধরে রইল জর্জ, তারপর কোলে তুলে নিয়ে বেরিয়ে এলো ঘর থেকে। ড্যানি আর ক্রিসও চলে এসেছিল একটু আগে, বাবার পিছে পিছে ওরা বেরিয়ে এলো। বের হওয়ার সময় শুধুমাত্র ক্রিস খেয়াল করল যে মিসি ভাঙা জানালার কাছে দাঁড়িয়ে কাকে যেন হাত নাড়াচ্ছে!

    কিছুক্ষণ পরেই ওকে ডাক দিলো জর্জ, বেরিয়ে এলো মেয়েটা। জর্জদের শোবার ঘরে চলে গেল সবাই।

    ***

    ভোর হয়ে এলো। জর্জ আর ক্যাথি চেয়ারে ঘুমাচ্ছে আর বাচ্চারা বিছানায়। ওদিকে নিজের গাড়ি নিয়ে রকভিলের বিশপ অফিসে রওনা দিয়েছেন ফাদার ম্যানকুসো।

    ঠান্ডায় রীতিমতো কাঁপছিলেন তিনি। শীতকালে এত সকালে কখনোই গাড়ি চালান না ফাদার। অফিসে পৌঁছানোর পর বিশপের ব্যক্তিগত সচিব চা খেতে দিলো ফাদারকে। ছেলেটাকে চেনেন ফাদার, এককালে ওনারই ছাত্র ছিল। এখনও ফাদারকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা করে সে। নানান বিষয়ে কথা হলো দু’জনের, কিছুক্ষণ পরেই এসে গেলেন বিশপ

    বেশ বয়স্ক মানুষ বিশপ, মাথাভরতি সাদা চুল। ওনার জন্য ফাদার ম্যানকুসোর আলাদা একটা ফাইলই বানিয়ে রেখেছিলেন দুই চ্যান্সেলর। বেশ মন দিয়ে ওগুলো দেখলেন তিনি।

    “শোনো ম্যানকুসো,” রিপোর্টগুলো দেখা শেষ করলেন বিশপ, “তুমি আর এই ব্যাপারে মাথা ঘামিয়ো না, যদি ওদের বাড়িতে শুদ্ধীকরণ অভিযান চালাতেই হয়… তবে সেই ব্যবস্থা আমিই করব। আরেকজন অভিজ্ঞ যাজককে ইতোমধ্যেই বলেছি ব্যাপারটা।”

    “হুম!”

    “কী চেহারা হয়েছে তোমার! ফাদার রায়ানের কাছ থেকে যা শুনলাম… মনোচিকিৎসক দেখাচ্ছ না কেন তুমি?”

    এবার মেজাজ খারাপ হয়ে গেল ফাদার ম্যানকুসোর, “মহামান্য বিশপ, এতে কি কোনো কাজ হবে? আমার অসুখ ভালো হবে?”

    বিশপ বুঝতে পারলেন যে ম্যানকুসো রেগে যাচ্ছেন, তাই তিনি বললেন, “দেখো ম্যানকুসো, তুমি ধরেই নিয়েছিল ওই বাড়িতে অশুভ কোনো প্ৰেত আছে! এসব এত নিশ্চিতভাবে বলা যায় না! আমার তো মনে হয় ওই বাড়ির কথা ভেবে ভেবেই তুমি অসুস্থ হয়ে পড়ছ…”

    “মহামান্য বিশপ…”

    “শোনো ম্যানকুসো,” উঠে এসে ফাদারের কাঁধে হাত রাখলেন বিশপ, “ওদের আর ফোন দেবে না তুমি। আমি যে যাজককে ঠিক করেছি… সে দেবে। তুমি নিজের খেয়াল রাখো। তোমাকে অনেক পছন্দ করি আমি… চাই না তোমার কিছু হয়ে যাক!”

    ***

    সোমবার সকালে বেশ তাড়াতাড়ি ঘুম ভাঙল ক্যাথির। ড্যানি আর ক্রিসের স্কুল আর বাদ দেওয়া যাবে না। এভাবে বাচ্চাদের পড়াশোনার ক্ষতি করার কোনো মানে নেই। মনকে শক্ত করল ক্যাথি, তারপর দুই ছেলে তুলে নাস্তা খেতে দিলো। মিসিও উঠে এলো একটু পর, ওকেও নাস্তা খাওয়াল ক্যাথি। তারপর তিন জনকে ভ্যানে তুলে রওনা দিলো স্কুলের দিকে। জর্জ তখনও ঘুমিয়ে।

    মিসিকে নিয়ে ক্যাথি যখন ফিরল ততক্ষণে জর্জ উঠে গেছে। ওকে নিয়ে কফি খেতে বসল ক্যাথি, জর্জের ঘোরলাগা ভাবটা এখনও যায়নি। এই সময়ে ক্যাথির শক্ত থাকার বিকল্প নেই, একেবারে দু’জন ভেঙে পড়লে বাচ্চাদের কী হবে? জর্জের সাথে নানান ব্যাপারে আলাপ শুরু করল সে, তারপর ওকে মনে করিয়ে দিলো যে মিসির ঘরের জানালা ঠিক করতে হবে।

    ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটা ছেড়ে ইস্ট ব্যাবিলনে যাওয়ার কথাও ভাবছে ক্যাথি, কিন্তু এখন সে কথা জর্জকে বলবে না ও।

    পেরেক দিয়ে জানালার পাল্লাতে কয়েকটা প্লাইউডের তক্তা মেরে দিলো জর্জ। যাক, মোটামুটি একটা ব্যবস্থা হলো। বৃষ্টির পানি বা তুষার আর ঢুকবে না।

    “জর্জ,” তখনই নিচ থেকে ডাক দিলো ক্যাথি, “তোমার সিয়োসেটের অফিস থেকে ফোন দিয়েছে, এসো তো!”

    এসে ফোন ধরল জর্জ। হিসাবরক্ষক ওকে মনে করিয়ে দিলো যে আজ বারোটায় সেই কর কর্মকর্তার আসার কথা।

    “এক কাজ করো, তুমিই সামলে নাও না ব্যাপারটা, হুম?” বলল জর্জ। বাড়ি থেকে বের হওয়ার ইচ্ছা নেই ওর, শুধু ভয় হচ্ছে ও বের হলেই যদি আবার ভয়ংকর কিছু হয়?

    “স্যার এটা কীভাবে হয়? মালিকপক্ষের কেউ না থাকলে তো কর্মকর্তা আমাদের জরিমানা করে দেবেন!” ভয় পেয়ে গেল হিসাবরক্ষক।

    “যাও যাও, কোনো ঝামেলা হবে না,” জর্জের কাঁধে হাত রেখে ফিসফিসিয়ে বলল ক্যাথি।

    “আচ্ছা আমি আসছি,” বলে ফোনটা রেখে দিলো জর্জ।

    “আরে এসব কর কর্মকর্তারা বেশিক্ষণ থাকে না, তুমি তাড়াতাড়িই চলে আসবে। আমার আর মিসির চিন্তা করো না,” ম্লান হাসি ফুটে উঠল ক্যাথির মুখে, “আমরা ভালোই থাকব। কাছেরই একটা কাচের দোকানের নম্বর আছে… ওখানে ফোন করে মিসির ঘরের জানালা-সহ আর সব জানালা ঠিক করার জন্য লোক পাঠাতে বলব।”

    “আচ্ছা, যাচ্ছি তবে।”

    কিছুক্ষণের মধ্যেই তৈরি হয়ে বেরিয়ে পড়ল জর্জ। হাসিমুখে ওকে বিদায় জানাল ক্যাথি। কেউই জোডির কথা তুলল না।

    মিসিকে দুপুরের খাবার খাওয়াচ্ছিল ক্যাথি, তখনই ফোন দিলো জর্জ কেকোরিস। সে জানাল যে ওর ফ্লু হয়েছে, তাই জর্জকে যেদিন আসার কথা দিয়েছিল সেদিন আসতে পারছে না। শুধু তাই নয়, আর যে ক’টা তদন্তে যাওয়ার কথা ছিল তার সবগুলোই বাতিল করে দিয়েছে। শরীরের অবস্থা বেজায় খারাপ… তবে দুয়েকদিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠবে। সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবারে সে ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটাতে রাত কাটাবে।

    ওদিকে কেকোরিসের কথা তেমন মন দিয়ে শুনছিল না ক্যাথি। ওর নজরে চলে গেছে মিসির দিকে। খেতে খেতে টেবিলের তলায় লুকিয়ে থাকা কার সাথে যেন কথা বলছে মেয়েটা! কয়েকবার তো টেবিলক্লথের নিচে হাত ঢুকিয়ে পিনাট বাটার আর জেলির স্যান্ডউইচও এগিয়ে দিয়েছে সে! মা যে ওকে দেখছে সেটা এখনও টের পায়নি বাচ্চা মেয়েটা।

    টেলিফোনের সামনে থেকে টেবিলের নিচটা ভালো করে দেখা যায় না। কিন্তু জোডির ব্যাপারে মিসিকে কিছু জিজ্ঞাসাও করল না সে। শেষ হলো কেকোরিসের কথা, ফোনটা রেখে এগিয়ে এলো ক্যাথি।

    একটা চেয়ারে বসে মিসির চোখে চোখ রাখল, “মিসি, জোডি কি সেই দেবদূত? যার কথা তুমি বলেছিলে?”

    অবাক হয়ে মায়ের মুখের দিকে চেয়ে রইল মিসি, যেন কথাগুলো ঠিক বুঝতে পারেনি ও।

    “আরে, মনে নেই?” মাথা নাড়ল ক্যাথি, “তুমি একবার আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলে না? দেবদূতেরা কথা বলে না কি?”

    “ও হ্যাঁ হ্যাঁ মা,” খুশিতে ভরে উঠল মিসির মুখটা, “জোডি আসলে একজন দেবদূত, ও সারাদিন আমার সাথে গল্প করে!”

    “আচ্ছা আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দাও তো… মানে একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। তুমি গল্পের বইয়ে দেবদূতদের ছবি দেখেছ… ক্রিসমাস ট্রিতেও অনেক দেবদূতের ছোট্ট পুতুল ছিল… দেখেছ না এসব?”

    “হ্যাঁ মা!”

    “তুমি না বলো জোডি একটা শুয়োর? তাহলে ও আবার দেবদূত হয় কী করে?”

    চিন্তায় পড়ে গেল মিসি, ভ্রু কুঁচকে ও বলল, “কিন্তু ও যে আমাকে সেটাই বলেছে! অনেকবার বলেছে!” বেশ কয়েকবার মাথা নাড়াল সে, “জোডি মিথ্যা বলে না।”

    চেয়ারটা এগিয়ে নিয়ে মিসির আরও কাছে গিয়ে বসল ক্যাথি, “তোমার সাথে আর কী কী গল্প করে ও?”

    অবাক হয়ে চেয়ে রইল মিসি, যেন মায়ের কথাগুলো বুঝতে পারছে না ও। “মানে তোমরা কোন কোন ব্যাপার নিয়ে কথা বলো? ও তোমার সাথে খেলে?”

    “না না, খেলে না। শুধু গল্পই করে। ও আমাকে বলেছে যে আমার ঘরে আগে একটা বাচ্চা থাকত… ছোটো একটা ছেলে,” আশেপাশে কেমন যেন অদ্ভুত নজরে তাকাল সে, “ওই ছেলেটা মারা গেছে মা!” ফিসফিসিয়ে বলল সে, “অনেক অসুখ হয়েছিল… ভুগে ভুগে মারা গেছে!”

    “আচ্ছা? আর কী কী বলেছে?”

    “হুম,” একটু ভাবল মিসি, “গতরাতে ও আমাকে বলেছে যে সারাজীবন আমি এই বাড়িতেই থাকব। যাতে করে ওই ছেলেটা আমার সাথে খেলতে পারে!”

    তীব্র আতঙ্কে হাত দিয়ে মুখ ঢাকল ক্যাথি, চিৎকার করতে খুব ইচ্ছা করছে তার!

    ***

    ওদিকে কর কর্মকর্তা একেবারে হয়রান করে ফেলল জর্জকে। বেশ কয়েক জায়গার কর মওকুফ করতে অনুরোধ করল জর্জ, এটাও বলল যে কোম্পানির অবস্থা ভালো নেই। কিন্তু কর্মকর্তা কিছুই বোঝে না! জর্জও ছাড়ার পাত্র না। অবশেষে লোকটা বলল, “আপনি চাইলে আমার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন! কিন্তু আমি কোনো কর মওকুফ করব না।”

    যাক, এটাই জর্জের জন্য অনেক কিছু। ফেরার আগে বাড়িতে ফোন করল সে, ক্যাথিকে জানাল বাচ্চাদের স্কুল থেকে নিয়ে ফিরবে।

    ওরা তিন জন বাড়ি এসে দেখে ক্যাথি আর মিসি ওভারকোট পরে তৈরি।

    “জর্জ, তোমাদের জামা-কাপড় খোলার দরকার নেই,” বলল ক্যাথি, “আমরা এখনই ইস্ট ব্যাবিলনে চলে যাব। “

    ড্যানি আর ক্রিস তো অবাক! আর জর্জ বিরক্ত।

    “কী ব্যাপার? হলোটা কী তোমাদের?” হাত নাড়ল জর্জ।

    “মিসিকে জোডি বলেছে যে সে একজন দেবদূত, এই আরকি,” ছেলেদের ঠেলে দরজার দিকে নিয়ে চলল ক্যাথি, “আমরা এখনই এখান থেকে চলে যাব!”

    “দাঁড়াও,” জর্জ শক্ত করে ধরল ওর হাতটা, “এক মিনিট তো সময় দাও আমাকে? জোড়ি দেবদূত? মানে কী?

    মিসির দিকে তাকাল ক্যাথি, “মিসি, তোমার বাবাকে বলো তো, জোডি কী বলেছে!”

    “বাবা,” হাসল মিসি, “মা ঠিকই বলেছে, জোডি নিজেই বলেছে আমাকে এসব… ও দেবদূত!”

    মেয়েকে একটা প্রশ্ন করতে যাচ্ছিল জর্জ ঠিক তখনই বাড়ির পিছন থেকে হ্যারির ডাক ভেসে এলো। “হ্যারি!” চমকে উঠল জর্জ, ‘ওর কথা ভুলেই গেছিলাম!”

    হ্যারির ঘরের কাছে এসে ওরা দেখল যে নৌকা রাখার ছাউনির দিকে চেয়ে পাগলের মতো ডেকে চলেছে কুকুরটা। বারবার ওদিকে ছুটতে চাচ্ছে কিন্তু গলায় বাঁধা শিকলটার কারণে কিছুটা এগোতেই থেমে যেতে হচ্ছে ওকে।

    “হলো কী তোমার?” হ্যারির ঘাড়ে হাত বুলিয়ে দিলো জর্জ, “ছাউনিতে কেউ ঢুকেছে?” একেবারে লাফিয়ে সরে গেল হ্যারি।

    “জর্জ, তুমি আবার ছাউনির দিকে যেয়ো না,” চেঁচিয়ে উঠল ক্যাথি, “চলো তাড়াতাড়ি আমরা এই বাড়ি ছেড়ে পালাই। “

    নিচু হয়ে হ্যারির গলার শিকলটা খুলে দিলো জর্জ। সাথে সাথে ছাউনির দিকে ছুটল হ্যারি, ওটার বন্ধ দরজার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল সে… তারপর পিছিয়ে এসে আবার ডাকতে লাগল।

    এগিয়ে গেল জর্জ, ছাউনির দরজা খুলতে লাগল সে। দেখা যাক হ্যারি ঢুকে কী করে! তখনই ক্রিস আর ড্যানি এসে হ্যারিকে টেনে নিল।

    “দরজা খুলো না বাবা,” প্রায় কেঁদে ফেলল ক্রিস, “ভেতরে ঢুকলে হ্যারি আর বাঁচবে না! ওকে ওরা মেরে ফেলবে!”

    গলায় লাগানো কলারটা ধরে হ্যারিকে বসাল জর্জ। তারপর ক্রিসকে জিজ্ঞাসা করল, “হ্যারিকে কারা মেরে ফেলবে?”

    ওর প্রশ্ন কানেই নিল না ছেলেটা। বরং হ্যারিকে বোঝাতে লাগল, “কিছু হয়নি হ্যারি, তুমি চুপচাপ এখানে বসো… যেয়ো না ওখানে!” কিন্তু হ্যারি তখনও বেশ উত্তেজিত।

    “চলো, ওকে নিয়ে ভেতরে যাই,” বাড়ির দিকে এগোতে লাগল জর্জ, “ছাউনি না দেখতে পেলে ও আর চেঁচাবে না।”

    দুই ছেলে হ্যারিকে টেনে ঢোকাতে শুরু করল। তখন ওদের বাড়ির সামনে একটা ভ্যান এসে থামল। জানালা ঠিক করার লোক চলে এসেছে! “আরে, ও যে আসবে ভুলেই গেছিলাম!” ফিসফিসিয়ে বলল ক্যাথি। “যাক, তাহলে দেরি হওয়াতে ভালোই হয়েছে,” এই বলে ওদের দিকে এগিয়ে গেল জর্জ।

    গাড়ি থেকে একটা লোক নামল। থলথলে মুখ, বেশ ফর্সা। “কী খবর আপনাদের? জানালাগুলোর কী অবস্থা?” লোকটার কথায় স্লাভিক টান স্পষ্ট, “কী যে বাজে আবহাওয়া চলছে। তাই তাড়াতাড়ি চলে এলাম। আপনাদেরও তো বেশ ভোগান্তি হচ্ছে।”

    “তা তো হচ্ছেই, আরেকবার বৃষ্টি এলে বাড়ি ভিজে যাবে,” হাসল জর্জ।

    “সেটাই, জানালা এখনই ঠিক না করলে পরে খরচ আরও বেড়ে যাবে।”

    “হ্যাঁ হ্যাঁ ভেতরে আসুন। ভাঙা জানালাগুলো দেখাচ্ছি আপনাকে।

    “সেদিনের ঝড়ে ভেঙেছে, তাই না?”

    “হ্যাঁ, কী মারাত্মক ঝড়টাই না হয়েছিল!”

    ***

    লোকটার কাজ শেষ হতে হতে প্রায় সন্ধ্যা ছ’টা বেজে গেল। বেশ সময় নিয়ে সবগুলো জানালা ঠিক করল লোকটা, তারপর জর্জকে বলল, “যাক, এমন কাজ করে দিলাম যে অন্তত সামনের পাঁচ বছর কোনো ঝামেলা হবে না। তবে দুঃখিত স্যার, ছোটো মেয়েটার ঘরের জানালা ঠিক করতে পারলাম না। কাঠমিস্ত্রি দিয়ে আগে কাঠামোটা ঠিক করতে হবে… সেটা ঠিক হওয়ার পর আবার আমাকে ডাকবেন।”

    “হ্যাঁ, আমিও সেটাই ভাবছিলাম, সমস্যা নেই। এই সপ্তাহেই আপনাকে আবার ডাকব,” এই বলে পকেটে হাত ঢোকাল সে, “তা কত দেবো?

    “আরে না না, এখনই না। হিসাব করে বিল পাঠিয়ে দেবো, আমার বাড়িও এই অঞ্চলেই। সেই হিসেবে আপনারা আমার প্রতিবেশী। আর তাছাড়া আবার তো আসতে হবে আমাকে।”

    “বেশ বেশ,” হাঁপ ছেড়ে বাঁচল জর্জ। লোকটার পুরো পারিশ্রমিক দেওয়ার মতো টাকা তখন এমনিতেও ওর পকেটে ছিল না। লোকটার আন্তরিক ব্যবহারে ক্যাথিও বেশ খুশি হলো। পুরোটা সময়ই ওভারকোট পরে রান্নাঘরে বসেছিল সে, কিন্তু লোকটা যাওয়ার পর কোট খুলে রান্না করতে লেগে পড়ল, সন্ধ্যাবেলায় জর্জ আর বাচ্চাদের নাস্তা দিতে হবে।

    “আমার অতো খিদে নেই, বুঝলে?” আস্তে করে বলল জর্জ, “ভাজা মাংস আর পনিরের স্যান্ডউইচ করে দিলেই হবে। “

    ফ্রিজ থেকে মাংস বের করল ক্যাথি। জর্জের জন্য স্যান্ডউইচ আর বাচ্চাদের জন্য হ্যামবার্গার বানাবে। ড্যানি আর ক্রিসও এলো রান্না দেখতে, ওদের রান্নাঘরের টেবিলেই হোমওয়ার্ক করতে বসিয়ে দিলো ক্যাথি। বসার ঘরে টিভি দেখছিল মিসি, আর জর্জ ফায়ারপ্লেসে কাঠ দিচ্ছিল। জানালা ঠিক করার লোকটা বেশ অনেকক্ষণ ধরে বাচ্চাদের খেলাঘর আর দোতালার সেলাইঘরে কাজ করেছে। কই তার তো কিছু হয়নি! ব্যাপারটায় একটু সাহস পেয়েছে ক্যাথি আর জর্জ। কে জানে, হয়তো অদ্ভুত ঘটনাগুলো সবই ওদের কল্পনা ছিল? ঝড়ে দরজা-জানালা ভাঙার শব্দ তো ওরা না-ও পেতে পারে… হয়তো সবার ঘুমই বেশ গভীর ছিল?

    বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার চিন্তা কিছুক্ষণের জন্য বিদায় নিল ক্যাথির মন থেকে।

    ***

    ওদিকে ফাদার ম্যানকুসো বেজায় বিরক্ত বিশপের ওপর। কেন যেন ওনার মনে হচ্ছে সবকিছুর পিছনেই ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটার সেই অপশক্তির হাত আছে! ওনাকে আর লুজদের কষ্ট দিয়ে মজা পাচ্ছে ওই শক্তিটা। হয়তো বিশপের ওপরে প্রভাব বিস্তার করেছে? নইলে বিশপ কেন ওনাকে মনোচিকিৎসকের কাছে যেতে বললেন? মঙ্গলবার রাতে ঘুমানোর আগে মন দিয়ে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করলেন তিনি, যেন লুৎজরা মুক্তি পায় ওই অপশক্তির হাত থেকে…. ওই বাড়িতে খারাপ কিছু আছে, অবশ্যই আছে।

    ***

    রাতের বেলা জর্জ আর ক্যাথি ঠিক করল যে সেদিনও ওরা সবাই একসাথে ঘুমাবে। ড্যানি, ক্রিস আর মিসিকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে হ্যারিকে বেসমেন্টে রেখে এসেছে জর্জ। জানালার কাছে একটা চেয়ারে বসে পড়ল জর্জ আর দুটো চেয়ার একসাথে করে হেলান দিয়ে বসল ক্যাথি।

    “তুমিও দুটো চেয়ার নাও জর্জ?” হাই তুলল ক্যাথি।

    “নাহ, একটাতেই ঠিক আছি, আর তাছাড়া ওভাবে ঘুম এসে যাবে। আমি সারারাত জেগে থাকব… সকালে ঘুমাব।”

    রাত সোয়া তিনটার দিকে নিচতলায় শুরু হলো সেই অপার্থিব বাজনা। এবার আর নিচে নামল না জর্জ। “সবই আমার মনের ভুল, “ হাসল সে, “নিচে নেমে তো দেখব কিছুই নেই!” ক্যাথি আর বাচ্চারা অঘোরে ঘুমাচ্ছে। বাজনার তালে তালে মাথা দোলাতে শুরু করল জর্জ, ড্রাম আর শিঙা এত জোরে বাজছে যে

    আধমাইল দূর থেকেও শোনা যাবে। নাহ, আসলেই সব ওর মনের ভুল… নইলে এত আওয়াজের মধ্যে ক্যাথিরা ঘুমাচ্ছে কী করে?

    ঘুমিয়ে পড়ল জর্জ।

    রীতিমতো ঝাঁকিয়ে ওর ঘুম ভাঙাল ক্যাথি। অদ্ভুত দুটো ভাষাতে না-কি চিৎকার করছিল জর্জ… কোনো ভাষাই ক্যাথি আগে কখনও শোনেনি। হুট করেই না-কি জর্জের চিৎকারে ঘুম ভাঙে ওর, তারপর উঠে গিয়ে স্বামীকে ঝাঁকাতে শুরু করে।

    জর্জের গায়ে হাত দিতেই না-কি গর্জে উঠেছিল সে, তারপর পরিষ্কার ইংরেজিতে বলে ওঠে, “ওটা ক্রিসের ঘরে… ক্রিসের ঘরেই আছে… ওখানেই থাকবে আজীবন!”

    কণ্ঠটা ছিল অন্য কারও! তারপরেও ভয় না পেয়ে ওকে জাগিয়ে তোলে ক্যাথি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়
    Next Article দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }