Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন

    জে অ্যানসন এক পাতা গল্প329 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর – ৭

    সপ্তম অধ্যায়

    ২৫ ডিসেম্বর।

    এই নিয়ে পরপর সাত রাত জর্জের ঘুম ঠিক রাত সোয়া তিনটার দিকে ভেঙে গেল। বিছানায় উঠে বসল সে। শীতের রাতে চাঁদের রূপালী আলোয় রীতিমতো ভেসে যাচ্ছিল ঘরটা। ক্যাথিকে স্পষ্ট দেখতে পেল সে… উপুড় হয়ে ঘুমাচ্ছে মেয়েটা!

    ওর চুলে বিলি কেটে দেওয়ার জন্য হাত বাড়াল জর্জ, তখনই উঠে বসল ক্যাথি! দু’চোখ ভরা ভয় নিয়ে এদিক-ওদিক তাকাতে লাগল সে।

    “কী হলো ক্যাথি?” আস্তে করে বলল জর্জ।

    “ওনাকে মাথায় গুলি করা হয়েছিল!” চেঁচিয়ে উঠল ক্যাথি, “ভদ্রমহিলাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছিল! আ… আমি পরিষ্কার শুনেছি সেই গুলির শব্দ… মাথার খুলি ভেদ করে ঢুকে গেছে গুলি!”

    অবাক হয়ে গেল জর্জ! কার কথা বলছে ক্যাথি?

    কিন্তু ক্যাথি ঠিকই বলেছিল। সেই সময়ে সেখানে ডিটেকটিভ, সার্জেন্ট জিয়নফ্রিদো থাকলে ব্যাপারটা বুঝতে পারত। ডিফেও পরিবারের হত্যাকাণ্ডের দিন প্রাথমিক তদন্তের পর সে নিজ হাতে রিপোর্টে লিখেছিল, “বাড়ির গিন্নি, লুইস ডিফেও মানে নিজের মাকে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকা অবস্থায় মাথায় গুলি করে হত্যা করে রোনাল্ড ডিফেও। কিন্তু বাকি সবাইকেই একইভাবে শোয়া অবস্থায় পিঠে গুলি করা হয়েছে। এমনকি মহিলার স্বামী যিনি তার পাশেই শুয়েছিলেন, তার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা অমনই।”

    খবরটা শুধুমাত্র সাফোক পুলিশ বিভাগ জানে, সংবাদমাধ্যমের কাছে কখনোই এটি বলা হয়নি। বাইরে কেউ এটা নিয়ে কথাও বলেনি, এমনকি রনি ওরফে রোনাল্ড ডিফেওর বিচারের সময়েও ব্যাপারটা গোপন রাখা হয়।

    তাহলে ক্যাথি কী করে জানলো যে সেদিন রাতে লুইস ডিফেওর মাথায় গুলি করা হয়েছিল? সে এটাও জানে যে সেই রাতে মহিলা আর তার স্বামী ওই ঘরটাতেই শুয়েছিলেন যেখানে সে আর জর্জ ঘুমায়!

    রীতিমতো কাঁপছিল সে! শক্ত হাতে বউকে জড়িয়ে ধরল জর্জ, “কিচ্ছু হয়নি সোনা, তুমি ঘুমাও!” খানিক পরেই শান্ত হয়ে গেল ক্যাথি, তারপর ঘুমিয়ে পড়ল। তখনই জর্জের আবার মনে হলো নৌকা রাখার ছাউনিটার দেখে আসার কথা! আস্তে করে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ল সে।

    হ্যারির ঘরটার খুব কাছাকাছি আসতেই জেগে উঠল কুকুরটা। তড়াক করে লাফিয়ে উঠে হাঁকডাক শুরু করল সে।

    “শশশশশ, হ্যারি, সব ঠিক আছে… তুমি ঘুমাও,” ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো জর্জ। বসে পড়ল হ্যারি, কিন্তু জর্জের দিক থেকে চোখ সরাল না।

    ধীরে ধীরে ছাউনির সামনে গিয়ে দাঁড়াল জর্জ। নাহ, আজ সব ঠিকই আছে। দরজা বন্ধ, তালাটাও মারা।

    আবার হ্যারির কাছে এসে ওকে আদর করল জর্জ, “সব ঠিক আছে হ্যারি, তুমি ঘুমাও।” তারপর রান্নাঘরের দরজার দিকে হাঁটা দিলো সে।

    হাঁটতে হাঁটতে সুইমিংপুলের পাশে এসে গেল সে, চাঁদের আলোয় বেজায় সুন্দর দেখাচ্ছে জায়গাটাকে। গরমকালে ভালোই মজা করা যাবে এখানে বাচ্চাদের নিয়ে। চাঁদটা যেন হয়েছে একটা বিরাট টর্চলাইট, আশপাশের বাড়িগুলো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে! মনে মনে হাসল জর্জ। নিজের অজান্তেই ওপরে তাকাল সে আর সাথে সাথে হৃৎস্পন্দন যেন থেমে গেল ওর! নিজের ঘরের জানালায় দাঁড়িয়ে ওকে খেয়াল করছে মিসি… একদৃষ্টিতে চেয়ে আছে মেয়েটা!

    “হে ঈশ্বর!” ফিসফিসিয়ে উঠল জর্জ। চাঁদের আলোয় জর্জ স্পষ্ট দেখতে পেল যে মিসির ঠিক পিছনেই একটা শুয়োরের মাথা! লাল টকটকে দুটো চোখে সেই শুয়োরের… সে-ও জর্জকে দেখছে!

    “মিসি!” চিৎকার করতে চাইলো জর্জ, কিন্তু প্রচণ্ড ভয়ে ঠিকমতো আওয়াজও বের হলো না ওর গলা দিয়ে। দৌড়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ল সে, তারপর কোনোভাবে সিঁড়ি বেয়ে পৌঁছল মিসির শোবার ঘরে।

    কিন্তু লাইট জ্বালিয়ে দেখে মিসি উপুড় হয়ে শুয়ে আছে বিছানায়, গভীর ঘুমে মগ্ন মেয়েটা! কাছে গিয়ে একটু ঝুঁকে ফিসফিসিয়ে জর্জ বলল, “মিসি!” কোনো সাড়া নেই। আসলেই ঘুমিয়ে আছে ও!

    পিছন থেকে একটা মৃদু ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ হলো। ঘুরে তাকাল জর্জ। ওদিককার জানালাটা দিয়েই একটু আগে বাইরে চেয়েছিল মিসি। ওর চেয়ারটা ধীরে ধীরে দোল খেয়ে চলেছে, কিন্তু ওটায় কেউ বসে নেই!

    ***

    ছয় ঘণ্টা পর, সকাল সাড়ে ন’টা বাজে। রান্নাঘরে বসে কফি খাচ্ছে জর্জ আর ক্যাথি। দু’জনেই মুখের চিন্তার কালো ছায়া। দু’জনেই দু’জনকে নিজেদের কিছু ছোটো-বড়ো অভিজ্ঞতা খুলে বলেছে। নতুন বাড়িতে এসব কী হচ্ছে? এসব কি সত্য? না কি ওদের কল্পনা? অবশেষে সমাধান কিছুই এলো না, বিরক্ত হয়ে উঠে পড়ল দু’জন। বড়োদিনের অনেক কাজ তখনও বাকি।

    দিনটা ছিল ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৫। গোটা আমেরিকা মেতেছে বড়োদিনের আনন্দে। ‘হোয়াইট ক্রিসমাস—হোয়াইট ক্রিসমাস’ বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর মুখে ফেনা তুলে ফেলেছিল। কিন্তু এখনও তুষারপাত শুরু হয়নি। তবে বেশ ঠান্ডা, যে-কোনো মুহূর্তে বরফ পড়লেও পড়তে পারে। ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটার বাচ্চাগুলো বসার ঘরের ক্রিসমাস ট্রির নিচে নিচে বসে খেলছে। মনটা আজকেও বেশ খারাপ ওদের, অল্প খেলনায় কোনো বাচ্চার মন ভরে? কিন্তু মা- বাবার ভয়ে কিছু বলতেও পারছে না।

    জর্জ হিসাব করে দেখল মাত্র এক সপ্তাহে প্রায় একশ গ্যালন তেল আর গোটা মাসের জন্য জোগাড় করা সব কাঠই পুড়িয়ে ফেলেছে সে। বাইরে গিয়ে কিছু কাঠ কিনে আনা দরকার। এছাড়া দুধ, রুটি, ময়দা এগুলোও লাগবে। রান্নার মশলাপাতিও নেই তেমন।

    জর্জ ক্যাথিকে জানিয়েছে যে সেলাইঘরে যেতে ফাদার ম্যানকুসো ওদের মানা করে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, এরপর অনেক চেষ্টা করেও আর ফাদারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে পারেনি সে। সব শুনে ক্যাথি ভাবল সে নিজেই একবার ফাদারের সাথে কথা বলবে।

    ফাদারের নম্বর ডায়াল করল সে, কিন্তু ওপাশ থেকে কেউই ফোন ধরল না। ক্যাথি ভাবল যে হয়তো ফাদার ম্যানকুসো অ্যাপার্টমেন্টে নেই। বড়োদিনে যাজকেরা অনেক ব্যস্ত থাকেন, কিংবা কে জানে? হয়তো নিজের আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করতে গেছেন তিনি।

    “কাঠ আর বাকি জিনিসপত্র আমিই কিনে আনছি, তুমি বাচ্চাদের খেয়াল রেখো,” জর্জকে এই বলে বেরিয়ে গেল ক্যাথি।

    ***

    ওদিকে ফাদার ম্যানকুসো কী করছিলেন? লং আইল্যান্ডের সেই রেক্টরি ছেড়ে এক পা-ও বাইরে বের হননি তিনি। আর হবেনই বা কী করে? তিনি যে এখনও অসুস্থ! ডাক্তারের কথামতো চব্বিশ ঘণ্টা বিশ্রাম নিয়েও উনার কোনো উন্নতি হয়নি! শরীরের তাপমাত্রা এখনও একশ তিন ডিগ্রিই রয়েছে গেছে!

    ফাদারের অবস্থা হয়েছে খাঁচায় বন্দি সিংহের মতো। তিনি ব্যস্ত মানুষ, নানান কাজ নিয়ে মেতে থাকতেই ভালোবাসেন। সেই তাকেই বড়োদিনের দিন এভাবে বিছানায় পড়ে থাকতে হলো! না না এভাবে থাকা চলবে না… কোনোভাবে বিছানায় উঠে বসলেন ফাদার। ব্রিফকেসটার দিকে নজর পড়ল তার, ওটা ভরতি নানান ফাইল! যেসব মানুষেরা সমস্যা নিয়ে ওনার কাছে আসে তাদের তথ্য। আজকেও হয়তো ওরা গির্জাতে এসেছে… তারপর? কী আর করবে, ওনাকে না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেছে! কী করবেন এখন উনি? গির্জার হলঘরে চলে যাবেন? কিন্তু প্রধান যাজক যে রেগে যাবেন! লুজদের না জানি কী অবস্থা! ওদের কথাই সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে ফাদারের। কিছু একটা আছে ওই বাড়িতে… ক্যাথি আর বাচ্চারা ভালো আছে তো?

    ***

    বাড়িতে গাড়ি ঢোকানোর রাস্তায় ‘ঘর-ঘর’ চাকার শব্দ পেয়েই জর্জ বুঝতে পারল যে ক্যাথি বাজার থেকে ফিরে এসেছে। কোনো কারণ ছাড়াই মেজাজটা গরম হয়ে গেল জর্জের, কেন যেন ক্যাথির ওপর বেজায় রাগ উঠছে ওর।

    বাইরে বেরিয়ে এলো সে, তারপর ভ্যান থেকে দুটো কাঠের গুঁড়ি নিয়ে ভেতরে চলে এলো। সে দুটোকে ফায়ারপ্লেসে গুঁজে দিয়ে চুপচাপ বসে রইল। বাকি কাঠগুলো পড়ে রইল ভ্যানেই! ক্যাথির বুঝতে বাকি রইল না যে জর্জ ওই কাঠগুলো ভেতরে আনবে না।

    বেশ বিরক্ত হলো ক্যাথি। এই বাড়িতে আসার পর থেকেই উদ্ভট আচরণ করছে জর্জ। ক্যাথি তেমন কিছু বলছে না দেখে বেশি মাথায় উঠেছে! নাহ … বেশি কথা বলতে গেলে আবার ঝগড়া লাগিয়ে দেবে জর্জ। অনেক কষ্টে মাথা ঠান্ডা করল সে, তারপর ভ্যান থেকে খাবারের বাক্সগুলো নামিয়ে বাড়িতে চলে এলো। কাঠগুলো ভ্যানেই থেকে গেল, সে ভালো করেই জানে যে ঠান্ডা লাগলে জর্জ নিজেই ওগুলো ভেতরে নিয়ে আসবে।

    চুপচাপ রান্নাঘরে বসে রইল ক্যাথি। সে আর জর্জ বেশ ভালোভাবে ড্যানি, ক্রিস আর মিসিকে মানা করে দিয়েছে দোতালার সেলাইঘরে যেতে। এতে করে বাচ্চাদের কৌতূহল আরও বেড়ে গেছে। কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়া কাউকে কোনো কাজ করতে মানা করলে এমনটাই হয়।

    ওদিকে বাচ্চারাও আলোচনা করছে ওই ঘরটা নিয়ে। ওদের দৃঢ় বিশ্বাস মা- বাবা কিছু লুকিয়ে রেখেছে ওখানে!

    “হয়তো ওখানে আমাদের জন্য আনা বাকি উপহারগুলো রাখা আছে? হুম? এত কম উপহার মা কিনবে? তোমাদের বিশ্বাস হয়?” বলে উঠল ক্রিস।

    “আমারও সেটাই মনে হয়,” সায় দিলো ড্যানি।

    “আমি জানি কেন মা-বাবা আমাদের মানা করেছে… ওখানে জোডি আছে যে,” হুট করে বলে বসল মিসি।

    “জোডি? সে আবার কে?” বলল ড্যানি।

    “আমার বন্ধু… একটা শুয়োর।”

    “মিসি, তুমি চিরকাল বাচ্চাই রয়ে গেলে,” রেগে উঠল ক্রিস, “যতসব ফালতু কল্পনা। আর কত মিথ্যা বন্ধু বানাবে? হুম?”

    ***

    সন্ধ্যা ছ’টা বাজে। রাতের খাবার তৈরিতে ব্যস্ত ক্যাথি। ঠিক তখনই রান্নাঘরের জানালাতে ‘ঠক-ঠক’ করে দু’বার টোকা দেওয়ার শব্দ হলো। বাইরে বেশ অন্ধকার, তুষার পড়ছে। ঘরের ভেতরের বৈদ্যুতিক বাল্বের আলোতে জানালায় জমে থাকা সাদা সাদা বরফ দেখতে বেশ লাগছে। ধীরে ধীরে আরও পুরু হবে জানালায় তুষারের ওই আস্তরণ, সকালবেলা হয়তো জর্জ পরিষ্কার করে দেবে সবকিছু।

    “যাক, অবশেষে বরফ,” আপনমনেই বলে উঠল ক্যাথি।

    বড়োদিনে তুষারপাত না হলে হয়? মুহূর্তেই মনটা খুশি খুশি হয়ে উঠল ক্যাথির। স্কুলের দিনগুলোর কথা মনে পড়ে গেল ওর। ও ছোটো থাকতে প্রায় প্রতি বছরের বড়োদিনেই তুষারপাত হতো। হোয়াইট ক্রিসমাস মানেই বিশেষ কিছু! একদিকে বরফের শ্বেতশুভ্র চাদর অপরদিকে প্রতিবেশীদের বাড়িতে লাগানো রঙিন সব আলোর শোভা!

    আলোছায়া আর ঝিরঝিরে তুষারকণা যেন পৃথিবীটাকে পরিণত করেছে স্বর্গে, রেডিয়োতে বাজছে বড়োদিনের গান। মন দিয়ে রান্না করতে লাগল ক্যাথি! কী সুন্দর পরিবেশ চারপাশে… না না অশুভ কিছুই নেই এই বাড়িতে, সবকিছুই ওদের কল্পনা।

    রাতের খাওয়া শেষে জর্জ আর ক্যাথি বসার ঘরে এলো। ক্রিসমাস ট্ৰিটা আলোকিত হয়ে আছে রীতিমতো! জর্জের দাদির ওই বিশেষ জিনিসটা একদম মাথায় লাগানো হয়েছে। পুরো ঘরের পরিবেশটাই পালটে গেছে একদম। জিমি একটা ডাল এনেছে বটে! অসাধারণ! মুগ্ধ হয়ে চেয়ে রইল ওরা দু’জন, কিন্তু কেউ কারও সাথে কোনো কথা বলল না। মিনিটখানেক পর বাইরে গেল জর্জ। ক্যাথির বুঝতে বাকি রইল না যে কাঠ আনতে গেছে ব্যাটা!

    ছ’টা গাছের গুঁড়ি নিয়ে ফিরল জর্জ। এই দিয়ে পুরো রাত আরামসে কেটে যাবে।

    ক্যাথি উঠে দোতালার শোবার ঘরে চলে গেল। বাচ্চাদের কিছু কাপড় নিয়ে কাজ করতে হবে। ছেলেদের কয়েকটা পায়জামা সেলাই করল সে, ছেঁড়া জায়গাগুলো তালি মেরে দিলো। মিসির কয়েকটা পায়জামার ঝুল বাড়িয়ে দিলো, মেয়েটা বেশ লম্বা হচ্ছে; আজকাল জুতা পরলে ওর ছোটো পায়জামাগুলো বেশ দৃষ্টিকটু লাগে। ওদের জন্য নতুন জামা-কাপড় কিনে আনা পর্যন্ত এগুলো দিয়েই চালাতে হবে। সাধারণত এসব কাজ সেলাইঘরেই করে ও… কিন্তু ফাদার…

    রাত ন’টার দিকে মিসিকে আনার জন্য ঘর থেকে বের হলো ক্যাথি, এই সময়ে তিন তলার খেলাঘরেই থাকে মেয়েটা। কিন্তু সিঁড়িতে উঠতেই সে মিসির শোবার ঘর থেকে ওর গলার আওয়াজ পেল। তাড়াতাড়ি আবার নেমে এলো সে। মিসি কার সাথে যেন কথা বলছে… বেশ জোরে। ওর ঘরে এই সময়ে কে আছে? ড্যানি বা ক্রিস হয়তো। কিন্তু কাছাকাছি যেতেই ক্যাথি শুনল যে মিসি বলছে, “তুষার খুব সুন্দর? তাই না জোডি?” তাড়াতাড়ি ওর ঘরে ঢুকল ক্যাথি। চেয়ারে বসে দোল খেতে খেতে বাইরের তুষারপাত দেখছে ওর মেয়ে। অবাক হয়ে পুরো ঘরটা দেখল ক্যাথি… মিসি ছাড়া আর কেউ নেই ওখানে!

    “কার সাথে কথা বলছিলে তুমি মিসি? সেদিনের সেই দেবদূতের সাথে না কি?” বলে উঠল ক্যাথি

    ঘুরে তাকাল মিসি, তারপর ওর নজর চলে গেল ঘরের একটা কোনার দিকে, “না মা। জোড়ির সাথে কথা বলছিলাম।”

    মিসির দৃষ্টি অনুসরণ করে তাকাল ক্যাথি। ওই কোণে শুধু ওর কয়েকটা খেলনা পড়ে আছে!

    “জোডি? এটা কি তোমার নতুন কোনো পুতুলের নাম?”

    “না না, জোডি একটা শুয়োর। ও আমার বন্ধু… আমি ছাড়া আর কেউ ওকে দেখতে পায় না।”

    এই বয়সের বাচ্চারা মাঝে মাঝেই অদ্ভুত সব মানুষ আর জীবজন্তুদের কল্পনা করে তাদের সাথে বন্ধুত্ব পাতায়, গল্পও করে। মিসিরও এই অভ্যাস আছে, ডিয়ার পার্কে থাকার সময়েও ও নিজের খেলনাগুলোর সাথে কথা বলত। ক্যাথি ধরে নিল এটাও তেমনই কোনো ব্যাপার। সে তো আর জানত না যে জর্জ আগের রাতে মিসির জানালায় ‘কী’ দেখেছে… আলোচনার সময়ে ওই ঘটনাটা কেন যেন এড়িয়ে গেছিল জর্জ।

    ড্যানি আর ক্রিসকে ঘুম পাড়ানোর জন্য তিন তলায় উঠল ক্যাথি। সেখানে তার জন্য অপেক্ষা করছিল আরেক বিস্ময়! ছেলেদুটো ইতোমধ্যেই শোবার ঘরে চলে গেছে, পায়জামা বদলাচ্ছে ওরা! যেখানে অন্যদিন রাত দশটার আগে ওরা ঘুমাতেই চায় না, মাঝে মাঝে তো আরও দেরি করে। ক্যাথি জোর করে ঘুম পাড়ায়। সেখানে আজ সাড়ে নয়টার মধ্যে শোবার ঘরে… ক্যাথি না আসতেই! হলো কী আজ ছেলেদুটোর?

    “কী হলো আজ তোমাদের দু’জনের?” অবাক হয়ে বলল ক্যাথি, “আমি না বলতেই শোবার ঘরে চলে এলে?”

    পায়জামা পরতে পরতে ড্যানি উত্তর দিলো, “এই ঘরটা বেশি গরম মা। ওখানে অনেক ঠান্ডা। ভালো লাগছে না ঠান্ডার মধ্যে খেলতে।”

    “ঠান্ডা? তাহলে নিশ্চয় তোমরা আবার জানালা খুলেছো! তোমাদের নিয়ে পারি না,” এই বলে ঘরটার দিকে ছুটল ক্যাথি।

    কিন্তু না! সবকটা জানালা বন্ধ… তারপরেও ঘরটা একেবারে বরফের মতো ঠান্ডা। আর তাছাড়া কোনো জানালা খোলা থাকলে পুরো তিন তলাটাই ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার কথা… যেখানে বারান্দা আর ড্যানিদের শোবার ঘর তো বেশ গরমই আছে। রেডিয়েটরটা পরীক্ষা করল সে, ওটাও বেশ গরম আছে।

    তাড়াতাড়ি নিচে নেমে জর্জকে ব্যাপারটা জানাল ক্যাথি। কিন্তু ঠান্ডার মধ্যে ফায়ারপ্লেসের সামনে থেকে জর্জ হটতে চাইলে তো?

    “সকালে গিয়ে দেখব ব্যাপারটা, এখন তো ওখানে কেউ ঘুমাচ্ছে না? তাই না? তাহলে আর কী দরকার দেখার,” মাথা নিচু করে বলল সে। অবশেষে রাত বারোটার দিকে জর্জ আর ক্যাথি ঘুমাতে গেল।

    ***

    এগারোটা একটু পরেই অ্যামিটিভিলে তুষারপাত বন্ধ হয়ে গেছিল, পনেরো মাইল দূরের ‘লং আইল্যান্ড সেক্রেড হার্ট রেক্টরি’র আশেপাশের এলাকারও একই অবস্থা। জানালার পাশ থেকে সরে দাঁড়ালেন ফাদার ম্যানকুসো। মাথায় অসম্ভব যন্ত্রণা হচ্ছে তার, পেটের অবস্থাও খুব একটা ভালো না… একটু পরপরই কামড়ে উঠছে। প্রচণ্ড ঘামতে লাগলেন তিনি, মনে হচ্ছিল দম বন্ধ হয়ে আসছে… পরনের আলখাল্লাটা খুলে টেবিলে রেখে দিলেন। সাথে সাথে আবার কাঁপুনি শুরু হলো!

    বিছানায় উঠে পড়লেন তিনি, কম্বলটা গায়ে না দিলে আর হচ্ছে না। এ কি! কম্বলের ভেতরেও কনকনে ঠান্ডা! তারপরেও কয়েক মিনিট চুপচাপ রইলেন ফাদার, মুখটা ঢেকে নিলেন কম্বল দিয়ে… অন্ধকার! ভেবেছিলেন হয়তো জ্বরের কারণে ঠান্ডা লাগছে।

    কম্বলের ভেতরের অন্ধকার অনেকটা সয়ে এলো চোখে। খেয়াল করলেন… ওনার প্রতিটি নিশ্বাস যেন ধোঁয়া হয়ে জমে যাচ্ছে! তার মানে আসলেই কম্বলের নিচে অনেক ঠান্ডা! জ্বরের কারণে এমনটা হচ্ছে না!

    “হচ্ছেটা কী এসব?” আপনমনেই বলে উঠলেন তিনি। হাত বাড়িয়ে বিছানার পাশের রেডিয়েটরটা ছুঁয়ে দেখলেন তিনি… ওটা চলছে না! একেবারে ঠান্ডা হয়ে আছে!

    অসুস্থ ফাদার ম্যানকুসো আবার ঘামতে শুরু করলেন। কিন্তু এবার আর বাইরে এলেন না তিনি, কম্বলের ভেতর আরও বেশি করে ঢুকে গেলেন। রীতিমতো কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে, চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে শুরু করলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়
    Next Article দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }