Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন

    জে অ্যানসন এক পাতা গল্প329 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য অ্যামিটিভিল হরর – ৮

    অষ্টম অধ্যায়

    ২৬ ডিসেম্বর।

    ঠিক সোয়া তিনটার দিকে আবার ঘুম ভেঙে গেল জর্জের। পায়জামাটা বদলে জ্যাকেট পরে বাইরে বের হলো সে। গভীর অন্ধকার আর হিম ঠান্ডা… এর মধ্যে কেন বার বার বের হয় সে? “প্রতিদিন রাতে কী খুঁজতে আমি এই ছাউনির কাছে আসি? কী আছে এখানে?” আপনমনেই বলে উঠল সে। এসব ভাবতে ভাবতেই হ্যারির ঘরের কাছে কিছু আলগা তারের সাথে হোঁচট খেয়ে পড়েই যাচ্ছিল জর্জ… অনেক কষ্টে নিজেকে সামলালো সে। তবে মোটামুটি জোরেই একটা আওয়াজ হলো। জর্জ অবাক হয়ে খেয়াল করল এতকিছুর পরেও হ্যারির ঘুম ভাঙল না!

    ডিয়ার পার্কে থাকার সময়েও বাড়ির বাইরের একটা ঘরেই থাকত হ্যারি। সব আবহাওয়াতেই বাইরে থাকতে অভ্যস্ত কুকুরটা, সাধারণত রাত দুটো-তিনটে পর্যন্ত টানা জেগে থাকত সে, তারপর ঘুমাত। আশেপাশে ‘উঁ’ শব্দটা হলেও খেঁকিয়ে উঠত। কিন্তু ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটাতে আসার পর থেকে কেন যেন তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যায় কুকুরটা। সন্ধ্যার পর থেকেই কেমন যেন ঝিমিয়ে পড়ে, ডাকলেও উত্তর দিতে চায় না। জর্জ যখন নৌকা রাখার ছাউনিটা দেখতে আসে, বেশিরভাগ সময়ই হ্যারি উঠে না। একবার তো ডাক দিয়ে ওর ঘুম ভাঙিয়েছিল জর্জ।

    ***

    বড়োদিনের পরের সকালের কথা এখনও স্পষ্ট মনে আছে জর্জের। ওটার ছিল জিমির বিয়ের দিন। মারাত্মক ডায়রিয়াতে আক্রান্ত হয়েছিল সেদিন সে। রাতের বেলা নৌকা রাখার ছাউনি থেকে ঘরে আসার পথেই পেট ব্যথা শুরু হয় ওর, প্রথম দিকে ব্যথাটা এতই অসহ্য ছিল যে জর্জের মনে হচ্ছিল ওর পেটে কেউ রীতিমতো ছুরি চালাচ্ছে! প্রচণ্ড বমি আসতে লাগল, রীতিমতো ভয় পেয়ে গেল সে। পেট ব্যথা ততক্ষণে বদলে গেছে মলত্যাগের চাপে। বাড়িতে ঢুকেই একতলার বাথরুমটার দিকে দৌড় দিলো সে।

    বাথরুম থেকে বেরোতেই আবার মলত্যাগের চাপ! এভাবেই ভোরের আলো ফোটা পর্যন্ত অসংখ্যবার বাথরুমে যেতে হলো তাকে। অবশেষে পেট কিছুটা শান্ত হলো, খানিকটা কুনকুনে ব্যথা যদিও রয়ে গেল। শ্রান্ত শরীরটাকে বিছানায় এলিয়ে দিলো জর্জ, সাথে সাথে ঘুম। অল্প একটু পরেই ওকে ডেকে তুলল ক্যাথি, “মনে আছে তো জর্জ? আজ জিমির বিয়ে। সকালে ও বন্ধু-বান্ধবদের সাথে আড্ডা দেবে আর সন্ধ্যায় আমরা যাব। ও নিজেই আমাদের নিতে আসবে। তার আগে অনেক কাজ বাকি রয়েছে। আমি চুলটা ঠিক করে নিই, জামা-কাপড় বের করারও ব্যাপার আছে… রান্নাও আছে… গেলাম। তুমি থাকো, কেমন?”

    “হুম,” আধো ঘুম চোখে গজগজ করে উঠল জর্জ।

    নাস্তা বানাতে যাওয়ার আগে ক্যাথি একবার তিন তলায় বাচ্চাদের খেলাঘরটা দেখতে গেল। দরজা খোলার সাথে সাথে হিমশীতল বাতাসে রীতিমতো কেঁপে উঠল ক্যাথি… ঘরটা এখনও ঠান্ডা আছে, তবে গতরাতের মতো নয়। জর্জ উঠলে ওকে বলতে হবে এই ঘরের রেডিয়েটরটা একবার পরীক্ষা করে দেখতে। কী যে হয়েছে জর্জের… ফায়ারপ্লেসের সামনে থেকে নড়তেই চায় না। ক্যাথি নিজেই দেখল রেডিয়েটরটা…আরে ওটা তো চলছে! কিন্তু তারপরেও ঘরে কোনো তাপ নেই।

    নাহ, এই স্যাঁতসেঁতে ঠান্ডা ঘরে বাচ্চারা আজ খেলতে পারবে না। কিন্তু আজ ওরা ঘরে থাকলেও সমস্যা। মন দিয়ে কি আর ক্যাথিকে সাজগোজ করতে দেবে? তার চেয়ে ওরা বরং বাইরেই খেলুক, ততক্ষণে তৈরি হয়ে নেবে ক্যাথি, তারপর ওদের ডেকে একে একে জামা-কাপড় পরিয়ে দেবে। জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল সে, জমে থাকা তুষার গলে থকথকে তরলের মতো হয়ে আছে চারদিকে! নাহ, তাহলে আজ বাচ্চারা বাইরেও যেতে পারবে না। তার চেয়ে ওরা ওদের শোবার ঘরেই খেলুক আজ।

    ***

    খাওয়া শেষে মায়ের কথামতো নিজের ঘরের দিকে যেতে লাগল মিসি। ক্যাথি ওকে মনে করিয়ে দিলো, কোনোভাবেই যেন সেলাইঘরে না যায়, এমনকি দরজাও যেন না খোলে।

    “ঠিক আছে মা,” হাসল মিসি, “জোডি আজকে আমার ঘরেই খেলতে চাইছে।”

    “আহা সোনা মেয়ে আমার,” মুচকি হাসল ক্যাথি, “যাও, গিয়ে বন্ধুর সাথে খেলো।” ওদিকে বাড়ির ভেতর খেলা নিয়ে বেজায় নারাজ ড্যানি আর ক্রিস। বড়োদিনের ছুটি তো মাত্র ক’টা দিন, তারপরেই আবার নতুন স্কুলে ভর্তি হবে ওরা… তখন কি এভাবে খেলার সুযোগ পাবে? মায়ের সাথে রীতিমতো তর্কাতর্কি শুরু করল ওরা। অবাক হয়ে গেল ক্যাথি, ওরা এমন ছিল না! নতুন বাড়িতে আসার পর থেকে দুই ছেলেই কেমন বদলে গেছে।

    কিন্তু ক্যাথি এটা ভুলে যাচ্ছিল যে সে-ও কিন্তু এই বাড়িতে এসে বদলে গেছে। আগের চেয়ে অনেক অস্থির হয়ে গেছে, সেই সাথে মেজাজটাও বেশ খিটখিটে হয়েছে।

    “হয়েছে, অনেক ন্যাকামো হয়েছে,” ধমকে উঠল ক্যাথি, “আরেকবার মার না খেলে হচ্ছে না? তাই না? আর একটাও কথা নয়। যা বলছি তা-ই করো, সোজা তিন তলায় নিজেদের ঘরে চলে যাও। আর আমি ডাকা না পর্যন্ত নামবে না।

    মুখ গোমড়া করে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে লাগল ড্যানি আর ক্রিস। মাঝপথে জর্জের সাথে দেখা হয়ে গেল তাদের। পাশ কাটিয়ে নেমে গেল জর্জ, যেন বাচ্চাদুটোকে দেখতেই পায়নি। ওরা দু’জনেও জর্জকে ‘সুপ্রভাত’ জানাল না!

    খাবার টেবিলে বসে কফির কাপে চুমুক দিতেই জর্জের পেটে আবার কামড় শুরু হলো। রীতিমতো পেট খামচে ধরে ওপরতলায় ছুটল সে। “শোনো জর্জ, আজকে কিন্তু তোমাকে দাড়ি কামিয়ে গোসল করতে হবে, কোনো অজুহাত শুনব না,” চেঁচিয়ে উঠল ক্যাথি। তাড়াহুড়ো করে ওপর তলায় উঠে বাথরুমের দিকে ছুটল জর্জ, ওদিকে মাথায় হাত দিয়ে ক্যাথি ভাবতে লাগল, “জর্জ কি আমার কথা শুনেছে?”

    এক কাপ কফি শেষ করে রান্নাঘরে বসে বাজারের ফর্দ বানাতে লাগল ক্যাথি। বাচ্চাদের জামাকাপড় কিনতে হবে; ফ্রিজটাও একটু আগে খুলে দেখেছে সে, খাওয়ার অনেক জিনিসই কিনতে হবে। রুটি আর আটাও প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। ক্যাথি জানে, এসব ওকে নিজেই গিয়ে কিনে আনতে হবে। জর্জের ভরসায় থেকে লাভ নেই। ডিফেওদের যে বড়ো ডিপ ফ্রিজটা ওরা বিনামূল্যে পেয়েছিল ওটা এবার কাজে লাগবে। বেসমেন্টে ওটা রেখেছে জর্জ। ওতে বেশ খানিকটা মাংস আর অনেকগুলো খাবারের কৌটা এঁটে যাবে। বাথরুম পরিষ্কার করার জিনিসপত্রও শেষ। টানা কয়েকদিন ধরে কমোডের বেসিনগুলো ঘষেছে সে, কালো দাগগুলো এখন আর নেই-ই বলতে গেলে।

    ক্যাথি ঠিক করল যে পরেরদিন, মানে শনিবার সকালে ও অ্যামিটিভিল সুপারমার্কেটে যাবে। বাচ্চারা কমলার জুস অনেক পছন্দ করে, ওটার কথা লিখতে ভুলে গেছিল ক্যাথি। তাড়াতাড়ি লিখে ফেলল ও… আর ঠিক তখনই ওর মনে হলো রান্নাঘরে সে ছাড়াও আর কেউ আছে! গট গট করে কে যেন হেঁটে গেল ওর পাশ দিয়ে। ক্যাথির হুট করেই মনে পড়ে গেল সেই ‘অদৃশ্য আলিঙ্গন’র কথা! সংসারের নানান ঝামেলায় ব্যাপারটা রীতিমতো ভুলতে বসেছিল সে! ভয়ে রীতিমতো জমে গেল ও… ভয়ে ভয়ে পিছে তাকাল ও। নাহ, কেউ নেই। কিন্তু আরেকজনের উপস্থিতি টের পাচ্ছে সে! ঠিক ওর পিছে এসে যেন দাঁড়িয়েছে কেউ… মিষ্টি একটা গন্ধ পেল, কোনো অজানা পারফিউমের গন্ধ! গন্ধটা চিনতে বেশি সময় লাগল না ক্যাথির, চার দিন আগে শোবার ঘরে এই গন্ধটাই পেয়েছিল সে!

    সহসা আঁতকে উঠল ক্যাথি! অদৃশ্য দুটো হাত যেন ওর কোমর জড়িয়ে ধরছে। খুব আলতো সে স্পর্শ, কোনো মহিলা যেন আদর করে ধরেছে ওকে… খানিকটা ঘোরের মধ্যে চলে গেল ক্যাথি। কেন যেন ওর মনে হচ্ছে, ওই অদৃশ্য মানুষটা কোনো ক্ষতি করবে না। গন্ধটা ধীরে ধীরে বেড়ে চলল, যেন বাতাসে পাক খেয়ে বারবার ফিরে আসছে ওটা। ক্যাথির মাথাটা ঝিমঝিম করছে… নিজেকে সেই অদৃশ্য হাতদুটো থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করল সে, কিন্তু সাথে সাথে ও-দুটো যেন আরও শক্ত করে চেপে বসল! ক্যাথির মনে হলো ফিসফিস করে ওকে কেউ কিছু বলতে চাইছে… ঘোর লাগা ভাবটা ততক্ষণে কেটে গেছে। এখান থেকে পালাতে হবে, যেভাবেই হোক।

    “নাআআআ,” চেঁচিয়ে উঠল সে, “ছাড়ো… ছাড়ো আমাকে, ঈশ্বরের দোহাই লাগে!” মরিয়া হয়ে হাত-পা ছুড়তে লাগল। কিন্তু অদৃশ্য হাতদুটো আরও জোরে চেপে ধরল ওর কোমর। তখনই কাঁধের ওপর আরেকটা হাতের স্পর্শ অনুভব করল ক্যাথি। যেন কোনো মহিলা পরম মমতায় ওকে বোঝাতে চেষ্টা করছে, “কোনো ভয় নেই মেয়ে, কিচ্ছু হবে না তোমার!” একদম সেদিনের মতো!

    তারপরেই সব ঠিকঠাক! কেউ ক্যাথির কোমর ধরে নেই… ওর কাঁধেও হাত দিয়ে নেই। রয়ে গেল শুধু সেই সস্তা পারফিউমের গন্ধটা। চেয়ারে গা এলিয়ে দিলো ক্যাথি, নিজেকে বড্ড অসহায় লাগছে ওর। চোখ বুজে কাঁদতে শুরু করল মেয়েটা, এ কীসের মধ্যে এসে পড়ল সে? এসব কী হচ্ছে? ঠিক তখনই একটা হাত ওর কাঁধ স্পর্শ করল।

    “হে ঈশ্বর! না না… আবার না,” রীতিমতো লাফিয়ে উঠল ক্যাথি।

    মিসি দাঁড়িয়েছিল পাশে, হাতটা ও-ই রেখেছিল।

    “আরে মিসি,” মেয়েটাকে কাছে টেনে নিল ক্যাথি।

    “মা, তুমি কেঁদো না,” ওর কাঁধে চাপড় মেরে বলল মিসি। তারপর ঘাড় ঘুরিয়ে রান্নাঘরের দরজার দিকে তাকাল, ক্যাথিও তাকাল সেদিকে। জায়গাটা ফাঁকা।

    “জোড়ি তোমাকে কাঁদতে মানা করেছে,” হাসল মিসি, “ও বলেছে খুব তাড়াতাড়ি সব ঠিক হয়ে যাবে!”

    ***

    সেদিন সকাল নয়টায় সেক্রেড হার্ট রেক্টরিতে ফাদার ম্যানকুসোর ঘুম ভাঙল। থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর মাপলেন তিনি, তাপমাত্রা এখনও একশ তিন ডিগ্রি! বেলা এগারোটার দিকে হুট করেই শরীরটা ভালো হয়ে গেল ফাদারের। পেটে আর ব্যথা নেই, মাথাটাও আর ঝিমঝিম করছে না। তাড়াতাড়ি জিভের নিচে থার্মোমিটার লাগিয়ে দেখলেন তিনি, তাপমাত্রা- ৯৮.৬ ডিগ্রি। আর জ্বর নেই!

    খুব খিদে পেয়েছে ফাদারের। মনে হচ্ছে একটা আস্ত খাসির বাচ্চাও খেয়ে ফেলতে পারবেন তিনি। না না, এই অবস্থায় মাংস খাওয়া চলবে না, নিরামিষই খেতে হবে। তাছাড়া জ্বর সেরে যাওয়ার পর বেশি খাওয়া ঠিক নয়। রান্নাঘরে চা আর টোস্ট বানাতে বানাতে ফাদার ভাবতে লাগলেন গির্জার বাকি কাজগুলোর কথা, আজ বেজায় চাপ যাবে ওনার ওপর। জর্জ লুজের কথা একবারও মনে এলো না তার।

    ***

    ওদিকে জর্জেরও ফাদার ম্যানকুসোর কথা ভাবার সময় নেই। শুধু কী তাই? ক্যাথি কিংবা ওর নিজের শালার বিয়ে নিয়েও ভাবতে পারছে কই সে? বেলা এগারোটা বাজতে বাজতে তাকে প্রায় দশবার বাথরুমে যেতে হয়েছে।

    বেশ শক্ত রকমের ডায়রিয়া হয়েছে।

    কুইন্সের অ্যাসটোরিয়া ম্যানরে জিমির বিয়ে এবং বিয়ে পরবর্তী প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় পঞ্চাশ জন দম্পতি আসবে অনুষ্ঠানে। নিতবর হিসেবে জর্জের অনেক কাজ রয়েছে, কিন্তু সেসব নিয়ে ভাবার সময় কোথায়? কোনোমতে ফায়ারপ্লেসের সামনে রাখা চেয়ারটায় গিয়ে বসল সে।

    তখনই ক্যাথি এসে বলল, “জর্জ তোমার সিয়োসেটের অফিস থেকে একজন ফোন দিয়েছে। লোকটা জানতে চাচ্ছে কবে থেকে তুমি আবার অফিসে যাবে? তোমাকে ছাড়া কিছু ভূমি জরিপের কাজে সমস্যা হচ্ছে, ওরা না-কি ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না। আর কিছু ভবনের ঠিকাদাররাও না-কি নালিশ করেছে। আরেকটা কথা বলার ছিল তোমাকে…”

    “থামো, এখন আর কিছু শুনতে ইচ্ছা করছে না, যাও রান্নাঘরে যাও, “ হাত নাড়ল জর্জ।

    রান্নাঘরে সকালে ঘটে যাওয়া ঘটনাটা বলতে চাচ্ছিল ক্যাথি। কিন্তু জর্জ তো শুনতেই চায় না। মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল ক্যাথির। জর্জকে এই ক’দিনে পুরো আলাদা মানুষ মনে হচ্ছে! ঠিক তখনই তিন তলার ঘর থেকে ড্যানি আর ক্রিসের চিৎকারের শব্দ এলো… আবার মারামারি লাগিয়েছে ছেলেদুটো। নাহ, এভাবে চলতে দেওয়া যায় না, দু’জনকেই আচ্ছা করে বকে দিতে হবে… সিঁড়ির দিকে পা বাড়াল ক্যাথি, তখনই ওকে পাশ কাটিয়ে দ্রুত উঠে গেল জর্জ। অবাক হয়ে ক্যাথি খেয়াল করল যে জর্জ একবারে দুটো করে ধাপ টপকাচ্ছে… এভাবে তো কখনোই ওপরে উঠে না ও!

    ওর পিছে পিছে যেতে আর সাহস হলো না ক্যাথির। চুপচাপ সিঁড়ির সামনে দাঁড়িয়ে রইল সে। কিছুক্ষণ পরেই হুংকার দিয়ে উঠল জর্জ… আবার মন খারাপ হয়ে গেল ক্যাথির। এভাবে বাচ্চাদের আগে কখনও বকেনি জর্জ। কয়েক মিনিট এভাবেই চলল, তারপর সব চুপচাপ। ড্যানিদের শোবার ঘরের দরজা দড়াম করে বন্ধ হবার শব্দ হলো। সিঁড়ি দিয়ে জর্জের নেমে আসার শব্দ হচ্ছে, মাঝামাঝি আসতেই ক্যাথির সাথে চোখাচোখি হলো ওর। অবাক দৃষ্টিতে দু’জন দু’জনকে দেখতে লাগল… কিন্তু কারও মুখে কোনো কথা নেই। ঘুরে দোতালার শোবার ঘরটায় চলে গেল জর্জ, এটার দরজাও বেশ জোরে লাগিয়ে দিলো সে।

    আধা ঘণ্টা পর নিচে নেমে এলো জর্জ। নয় দিনের মধ্যে এই প্রথম সে দাড়ি কামিয়ে গোসল করেছে, পরনেও পরিষ্কার জামা-কাপড়। রান্নাঘরের দিকে এগিয়ে সে। ওখানে তখন ক্যাথি বসেছিল মিসির সাথে। চুপচাপ দুপুরের খাবার খাচ্ছিল মিসি।

    “ক্যাথি, তুমি মিসি আর দুই ছেলেকে বিকাল পাঁচটার মধ্যে জামা-কাপড় পরিয়ে তৈরি রাখবে,” এই বলে ক্যাথি কোনো জবাব দেওয়ার আগেই সেখান থেকে চলে গেল সে।

    বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে জিমি সবাইকে নিতে এলো।

    “জিমি, এলে তবে তুমি? আমি ভেবেছিলাম আসবে না,” মজা করল ক্যাথি। “আরে কী বলো। দুলাভাই না নিতবর? ওনাকে ছাড়া চলে?” হেসে উঠল জিমি। সাতটার মধ্যে ওদের অ্যাস্টোরিয়া ম্যানরে পৌঁছতেই হবে। অ্যামিটিভিল থেকে কুইন্সে যাওয়ার সবচেয়ে ভালো রাস্তা হলো সানরাইজ হাইওয়ে। ওখান দিয়ে অ্যাস্টোরিয়া ম্যানরে যেতে বড়োজোর একঘণ্টা লাগে। কিন্তু বরফে ভরতি রাস্তার কারণে দেরি হতেই পারে… আর তাছাড়া শুক্রবার রাতে হাইওয়েতে প্রচুর ভিড় হয়। তাই জিমি একটু আগেভাগেই চলে এসেছে, বিয়ে বলে কথা!

    মিলিটারি পোশাকে বেজায় চমৎকার দেখাচ্ছে জিমিকে, খুশিতে মুখটা উজ্জ্বল হয়ে আছে ওর।

    “আহারে আমার ভাইটা, একদম বর বর দেখাচ্ছে,” এই বলে আহ্লাদে ভাইয়ের কপালে একটা চুমু খেলো ক্যাথি, তারপর বলল, “রান্নাঘরে বসো, জর্জ ওপরে কাপড় পরছে… কিছুক্ষণের মধ্যেই নামবে। “

    রেইনকোটটা খুলে রাখল জিমি, তারপর ওটার পকেট থেকে একটা খাম বের করল, “এতে পনেরশ ডলার আছে, অ্যাস্টোরিয়া ম্যানরের বাকি ভাড়াটা। বেশিরভাগ টাকা তো কয়েকমাস আগেই দিয়ে দিয়েছি, বুঝলে? এটুকুই বাকি ছিল। আজ ব্যাংক থেকে তুলে আনলাম। অ্যাকাউন্টে বলতে গেলে আর টাকাই নেই! যা-ই হোক… বিয়েটা শেষ করি, তারপর ভাবা যাবে এসব নিয়ে।”

    টাকাগুলো বের করে ক্যাথিকে দেখাল সে, তারপর সেগুলোকে আবার খামে ভরে খামটাকে রেইনকোর্টের পকেটে রেখে ওটাকে পাশের চেয়ারের ওপর রেখে দিলো।

    অবশেষে জর্জ নামল। টাক্সেডোতে বেশ মানিয়েছে ওকে। বহুদিন পর গোসল আর দাড়ি কামানোর জন্য আরও অসাধারণ লাগছে দেখতে, যদিও ডায়রিয়ার কারণে মুখটা একটু ফ্যাকাশে হয়ে আছে। জিমিকে নিয়ে বসার ঘরে ঢুকল জর্জ। ফায়ারপ্লেসটা ভালো করে পরীক্ষা করল সে, একটু আগে দেওয়া শেষ গুঁড়িটা পুড়ে গেছে। তারপরেও দেখতে লাগল যে ছাইয়ের আড়ালে কোনো কাঠ পড়ে আছে না-কি!

    ওর এমন আচরণে একটু অবাকই হলো জিমি, কিন্তু কিছু বলল না।

    বাচ্চারাও ততক্ষণে তৈরি হয়ে চলে এসেছে। ক্যাথি ওপরে গেছে নিজের কোটটা আনতে। কিছুক্ষণ পরেই নিচে নেমে এলো সে। জিমি দ্রুত রান্নাঘরে চলে গেল রেইনকোনটা আনার জন্য।

    ওটা কাঁধে নিয়ে আবার বসারঘরে ফিরে এলো সে। তারপর পরে নিল।

    “তো? সবাই প্রস্তুত?” হাসল জর্জ।

    “আরে আমি তো অনেকক্ষণ আগে থেকেই তৈরি, আপনারাই না দেরি করলেন,” এই বলে নিজের অজান্তেই রেইনকোটের পকেটে চাপড় মারল জিমি। পরক্ষণেই যেন জমে গেল সে… তাড়াতাড়ি পকেটে হাত ঢোকাল… পকেট খালি! আরেকটা পকেটেও হাত দিলো সে, কিন্তু ওখানেও কিছু নেই! কোটটা খুলে ঝাঁকাল। তারপর নিজের মিলিটারি পোশাকের প্রতিটি পকেট ভালো করে দেখল ও… কিন্তু সেখানেও খামটা নেই!

    টাকাগুলো নেই!

    রান্নাঘরের দিকে দৌড় দিলো জিমি, ওর পিছে পিছে ক্যাথি আর জর্জ। তিন জন মিলে তন্ন-তন্ন করে খুঁজে দেখল জায়গাটা, এরপর বসার ঘর আর উঠানের প্রায় প্রতিটি ইঞ্চি চষে ফেলল তারা। কিন্তু কোথাও খামটা নেই। যেন জিমির পনেরশ ডলার একেবারে হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে!

    “জর্জ! এখন আমি কী করব!” রীতিমতো ভয় পেয়ে গেল জিমি।

    “আহা জিমি, অস্থির হয়ো না,” ওর কাঁধে হাত রাখলো জর্জ, “মাথা ঠান্ডা করো। টাকাটা বাড়িতেই কোথাও আছে… পাওয়া যাবেই, “ দরজার দিকে এগিয়ে গেল জর্জ, “চলো আমরা রওনা দিই, টাকা হয়তো বাড়ির কোনো কোনায় পড়ে আছে। বিয়ে খেয়ে আসার পর আমি ভালো করে খুঁজে দেখব।

    এমন আনন্দের দিনে হুট করেই সব তালগোল পাকিয়ে গেল! ব্যাপারটা আর নিতে পারল না ক্যাথি, ডুকরে কেঁদে উঠল সে। ওর দিকে তাকাতেই তীব্র অপরাধবোধ পেয়ে বসল জর্জকে। এই বাড়িতে আসার পর থেকেই কী যেন একটা হয়েছে ওর… গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ক্যাথিকে একটুও আদর করেনি সে! রাতের বেলা কাছেও টেনে নেয়নি! ওর সঙ্গ না পেয়ে মেয়েটা একেবারে ভেঙে পড়েছে। জিমি না থাকলে এখনই ও ক্যাথিকে শোবার ঘরে নিয়ে যেত… আচ্ছা রাতে ফিরে এসে দেখা যাবে। ডায়রিয়ার কারণে শরীরটা দুর্বল, তারপরেও ও সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে ক্যাথিকে খুশি করার। ওশান অ্যাভিনিউয়ের ১১২ নম্বর বাড়িটা যেন জাদু করেছিল ওর ওপর… এখানে আসার পর বউকে বলতে গেলে ছুঁয়েও দেখেনি সে!

    “সোনা, চলো রওনা হই,” ক্যাথির পিঠে চাপড় মারল সে, “সব ঠিক হয়ে যাবে, আগে বিয়েটা খেয়ে আসি।”

    জিমির গাড়িতে উঠল ওরা সবাই। জর্জ, ক্যাথি আর জিমি বসল সামনে, পিছনে বাচ্চারা। দরজা লাগিয়ে দিয়ে আবার গাড়ি থেকে নেমে পড়ল জর্জ, “এক মিনিট দাঁড়াও আমি একটু হ্যারিকে দেখে আসি।”

    হাঁটতে হাঁটতে বাড়ির পিছনদিকে চলে এলো জর্জ। শীতের সন্ধ্যা, অন্ধকার ধীরে ধীরে বাড়ছে। “হ্যারি, শুনতে পাচ্ছ? আমরা বাইরে যাচ্ছি, তুমি জেগে থেকো, হ্যারি?”

    জবাবে হ্যারির ডাক ভেসে এলো না। উঠানের তারের বেড়ার কাছে এসে পড়ল জর্জ, “হ্যারি? তুমি কোথায়?”

    পাশের বাড়িতে জ্বালানো একটা বাল্বের আলো খানিকটা এসে পড়েছে উঠানে। সেই আলোতে জর্জ দেখতে পেল যে হ্যারি ওর ঘরের মধ্যেই আছে। কাছে এসে ঝুঁকল জর্জ, “কী ব্যাপার হ্যারি? তোমার শরীর খারাপ?”

    কোনো উত্তর নেই। আরেকটু এগুলো জর্জ, সাথে সাথে নাক ডাকার শব্দ এলো তার কানে! সন্ধ্যা ছ’টা বাজে মাত্র… আর এখনই হ্যারি ঘুমিয়ে পড়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়
    Next Article দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }