Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ১০

    অধ্যায় দশ

    রাত তখনো খুব বেশি হয়নি। আমি জানতাম তখন ঠিক কয়টা বাজে, তবে খুব বেশি রাত হয়নি তখনো। আমারো খুব বেশি ক্লান্তি লাগছিল না। তাই শুয়ে পড়তেও ইচ্ছা করছিল না। ক্লান্তি না লাগলে বিছানায় শোয়াটা আমি খুব অপছন্দ করি। তাই স্যুটকেস খুলে একটা পরিষ্কার শার্ট বের করলাম। এরপর বাথরুমে গিয়ে শরীর ধুয়ে শার্টটা পাল্টে নিলাম। ভাবছিলাম নিচে নেমে ল্যাভেন্ডার রুমে গিয়ে দেখবো সেখানে কী চলছে। ল্যাভেন্ডার রুম ঐ হোটেলের নাইট ক্লাব।

    শার্ট পাল্টানোর সময় ছোটো বোনকে প্রায় ফোনই দিয়ে বসেছিলাম। নিশ্চিতভাবেই আমার তখন ফিবির মতো বুদ্ধিমান কারো সাথে কথা বলতে প্রচণ্ড ইচ্ছা করছিল। তবে ফোন করার সাহস পাচ্ছিলাম না। একে তো সে একটা ছোটো বাচ্চা মাত্র, তাছাড়া ঐ সময়ে সে ঘুমিয়েও পড়েছে। ফোন দিলে সে-ই ধরবে কি না সেটাও একটা ঝুঁকি ছিল। যদিও ভাবছিলাম বাবা-মা কেউ একজন ফোন ধরলে ফোনটা কেটে দেবো। তবে ওটাও কাজে লাগার মতো ছিল না। তারা ঠিকই বুঝে যেতো। আমার মা সবসময়ই কেমন করে যেন বুঝে যায়। আধ্যাত্মিক ক্ষমতা আছে মায়ের। তবে তখন ফিবির সাথে কথা বলার প্রচণ্ড ইচ্ছা করছিল আমার।

    ফিবির ব্যাপারে তো আগে বলিনি। আমার সারাজীবনে তার মতো সুন্দর এবং বুদ্ধিমতি কোনো বাচ্চা আমি দেখিনি। সে খুবই চৌকস ছিল। স্কুল শুরু করার পর থেকে সে প্রতিবারই পরীক্ষায় ‘এ’ পেয়ে এসেছে। সত্যি বলতে, আমার পরিবারে আমিই একমাত্র গর্দভ। আমার ভাই ডি.বি. লেখক। আরেক ভাই এলি—যার কথা আগেই বলেছি আমি… মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত সে আসলে জাদুকরের মতো ছিল। একমাত্র আমিই শুধু গর্দভ। তবে ফিবি ছিল অন্যরকম। তার চুলগুলো লালচে, অনেকটা এলির মতো। গরমের সময় চুলগুলো ছোটো করে রাখে। গ্রীষ্মের সময় সে তার চুলগুলোকে কানের পিছে আটকে রাখে। তার কানগুলোও খুব সুন্দর। আর শীতের সময় তার চুলগুলো থাকে লম্বা। মাঝেমধ্যে আমার মা তার চুল বেঁধে দেয়, আর মাঝেমধ্যে সে চুল খোলাই রাখে। সে খুবই ভালো। তার বয়স মাত্র দশ। আমার মতোই শুকনো গড়নের ও, তবে ভালো শুকনো। তাকে সবাই পছন্দ করে। মানে কেউ যদি ফিবিকে কিছু বলে, তাহলে সে তড়িৎমুহূর্তেই বুঝে যায় যে তার সাথে কী নিয়ে কথা বলা হচ্ছে। তাকে নিয়ে যেকোনো জায়গাতেও যাওয়া যায়। তাকে যদি ফালতু কোনো মুভি দেখাতে নিয়ে গেলে, তাহলে সে বুঝে যে ওটা ফালতু মুভি। ভালো মুভি দেখাতে নিয়ে গেলে বুঝে যে ওটা ভালো মুভি। ডি.বি. আর আমি মিলে তাকে একবার রাইমু অভিনীত ফরাসি মুভি ‘দ্য বেকার’স ওয়াইফ’ দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। মুভিটা খুবই ভালো লেগেছিল তার। অবশ্য তার পছন্দের মুভি রবার্ট ডোনাটের ‘দ্য থার্টিনাইন স্টেপস’। পুরো মুভিটাই তার মুখস্থ করা। আমি নিজেই তাকে দশবার এই মুভি দেখাতে নিয়ে গেছি। মুভির প্রতিটা সংলাপও তার মুখস্থ, কোন দৃশ্যের পর কোন দৃশ্য সেটাও শুধু শব্দ শুনলেই বলে দিতে পারে। খুবই ভালো একটা বাচ্চা ও। তবে তার একটা সমস্যা হলো সে মাঝেমধ্যে মায়াবী হয়ে পড়ে। বাচ্চা হলেও সে খুবই আবেগী। আসলেই। এছাড়া সে সবসময়ই বই লেখে। তবে লেখাগুলো কখনো শেষ করে না। তার সবগুলোই বই-ই হ্যাজেল ওয়েদারফিল্ড নামের এক বাচ্চাকে নিয়ে লেখা। যদিও ফিবি ওটার বানান লিখে ‘হাজেল’। ঐ হ্যাজেল ওয়েদারফিল্ড আসলে একজন মেয়ে গোয়েন্দা। ধরে নেওয়া হয় যে মেয়েটা অনাথ, তবে তার বাবা মাঝেমধ্যেই তার সাথে দেখা করতে আসে। আর তার বাবা থাকে সবসময়ই ‘এক লম্বা আকর্ষণীয় ২০ বছর বয়সের পুরুষ’। এটা প্রতিবারই হাসায় আমাকে। আহ, ফিবি। তাকে আসলে কেউ অপছন্দ করতে পারবে না। ছোটোবেলায়ও ফিবি খুবই বুদ্ধিমতি ছিল। ছোটোবেলায় আমি আর এলি তাকে নিয়ে পার্কে যেতাম, বিশেষ করে রবিবারগুলোতে। এলির একটা সেইলবোঁ ছিল, রবিবারগুলোতে সে ওটা নিয়ে খেলতে পছন্দ করত। তাই খেলতে যাওয়ার সময় পিচ্চি ফিবিকে সাথে নিয়ে যেতাম আমরা। ছোটো ছোটো সাদা গ্লাভস লাগিয়ে আমাদের দু’জনের মাঝখান দিয়ে হাঁটতো ও। হাঁটার ভঙ্গিও ছিল একদম পরিণত মহিলাদের মতো। আর যখন আমি আর এলি অন্যান্য সাধারণ বিষয়ে আলাপ শুরু করতাম, তখন ফিবি চুপ করে শুধু কথাগুলো শুনতো। মাঝমধ্যে আমরা ভুলেও যেতাম যে সে আমাদের সাথে আছে। তবে সে-ই মনে করিয়ে দিতো ভুলে গেলে। আমাদের কথায় বাঁধা দিতো। কোনো কোনো সময় আমাকে বা এলিকে ধাক্কা দিতো, আর বলত, ‘কে? কে বলেছে এটা? ববি না ঐ মহিলা?’ আর আমরা যখন তাকে বলতাম কে বলেছে, তখন সে ‘ওহ’ বলে আবার চুপ করে শোনায় ব্যস্ত হয়ে যেতো। এলিকে খুব পছন্দ করত ফিবি। এলিও ফিবিকে খুব আদর করত। ঐ ফিবির বয়স এখন দশ। এখন আর সেই ছোটো বাচ্চাটি নেই সে। তবে সে এখনো সবার আদর ঠিকই আদায় করে নিতে পারে। কার থেকে কীভাবে আদর নেওয়া লাগে সেটা খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারে।

    যাইহোক, ফিবি এমন একজন মানুষ যার সাথে মনখুলে ফোনে কথা বলা যায়। তবে আমি খুব ভয়ে ছিলাম আমার বাবা-মা ফোন ধরে ফেলে কি না তা নিয়ে। তারা ফোন ধরলে তো জেনে যেতো যে আমি নিউইয়র্কে ছিলাম এবং আমাকে পেন্সি থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে। তাই আর ফোন করিনি তখন। শার্ট পরা শেষে ভালোভাবে তৈরি হয়ে এলিভেটরে করে লবিতে নেমে গেলাম সেখানের কী অবস্থা দেখার জন্য।

    কয়েকজন দালালের মতো দেখতে পুরুষ আর পতিতার মতো দেখতে কিছু স্বর্ণকেশী মেয়ে ছাড়া লবিতে তেমন কেউই ছিল না। তবে ল্যাভেন্ডার রুম থেকে ব্যান্ডের মিউজিকের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। তাই সেখানেই গেলাম। ওখানেও তেমন ভীড় ছিল। ওখানে তারা আমাকে পিছনের দিকের একটা ফালতু টেবিল দিয়েছিল বসার জন্য। আমার আসলে উচিৎ ছিল হেড-ওয়েটারের নাকের সামনে কয়েকটা টাকা ধরা, তাহলেই ভালো টেবিল পাওয়া যেতো। মজা করছি না—নিউ ইয়র্কে টাকাই সব কথা বলে।

    ব্যান্ডটা খুবই ফালতু ছিল। বাড়ি সিঙ্গারও ছিল। প্রত্যেকেই পিঙ্গল বর্ণের পোশাকে ছিল, তবে ভালো পিঙ্গল ছিল না—ওটাও ফালতুই ছিল। জায়গাটাতে আমার সমবয়সী মানুষ খুব কমই। সত্যি বলতে আমার বয়সী কেউ ছিলই না ওখানে। ওখানের বেশির ভাগ মানুষই ছিল বুড়ো, লোক-দেখানো ধনী। সবাই সাথে করে ডেট নিয়ে এসেছিল আবার। অবশ্য আমার পাশের টেবিলের চিত্র অন্যরকম ছিল। আমার পাশের টেবিলে ছিল তিনজন মেয়ে, প্রত্যেকের বয়সই ত্রিশের কাছাকাছি। তারা তিনজনই দেখতে খুব কুৎসিত, আর এমন ধরনের টুপি পরেছিল যেটা দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে তারা নিউইয়র্কের বাসিন্দা না। তবে তাদের মধ্যে থাকা স্বর্ণকেশী মেয়েটা অতটা খারাপ ছিল না। মেয়েটা যথেষ্ট কিউট ছিল। তাই আমি মেয়েটার দিকে তাকিয়ে চোখ দিয়ে ইশারা করতে শুরু করলাম। ঠিক তখনই ওয়েটার চলে এলো অর্ডার নেওয়ার জন্য। স্কচ আর সোডা অর্ডার করলাম, আর তাকে বলে দিলাম যেন দুটো পানীয় একসাথে না মেশায়। কথাগুলো বেশ দ্রুত বলতে হয়েছিল আমাকে। এসব ক্ষেত্রে একটু তড়িঘড়ি করেই কথা বলা লাগে। আমতা আমতা করলেই তারা বুঝে যায় যে অর্ডারকারীর বয়স একুশ না এবং তাদের কাছে কোনো নেশাদায়ক পানীয়ও বিক্রি করে না। তবে তাতেও কোনো লাভ হয়নি। ঝামেলায় ঠিকই পড়তে হয়েছিল আমাকে। ‘স্যরি, স্যার,’ ওয়েটার বলল, ‘আপনার বয়স ভেরিফাই করার কোনো মাধ্যম আছে কী? আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স?’

    শুনে খুব শীতল দৃষ্টিতে লোকটার দিকে তাকালাম, ভাবটা এমন ছিল যেন সে আমাকে অনেক বড়ো অপমান করে ফেলেছে। ‘আমাকে দেখে কি বয়স একুশের কম মনে হয়?

    ‘স্যরি, স্যার, তবে আমাদের…’

    ‘আচ্ছা, আচ্ছা,’ বললাম। বুঝে গিয়েছিলাম যে কিছুতেই কোনো কাজ হবে না। ‘কোক নিয়ে আসুন তাহলে।’ অর্ডার নিয়ে যাওয়া শুরু করেছিল লোকটা, তখন আমি আবার পিছন থেকে ডেকে বললাম, ‘আপনি কি ওটাতে হালকা একটু রাম মিশিয়ে দিতে পারবেন?’ খুবই ভদ্রভাবে বলেছিলাম। ‘এরকম একটা জায়গায় তো একদম ড্রাংক না হয়ে বসে থাকা সম্ভব না। আপনি কি হালকা রাম দিতে পারবেন?’

    ‘স্যরি, স্যার…’ বলে চলে গেল লোকটা। আমিও আর কোনো তর্ক করলাম না। মাইনর বা কমবয়স্ক কাউকে নেশাদায়ক কিছু বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়লে তাদের চাকরি চলে যায়। খোদা, আমি মাইনর ছিলাম।

    এরপর আবারো পাশের টেবিলে থাকা তিন ডাইনির দিকে তাকিয়ে চোখের ইশারা দেওয়া শুরু করলাম। মানে ব্লন্ড মেয়েটাকে আর কী। অন্য দুজনের দিকে দৃষ্টিটা শুধু কামাতুরই ছিল না। তবে অতটা অসভ্য দৃষ্টিও ছিল না। শুধু শান্তভাবে তাকিয়ে চোখের ইশারা করছিলাম। আর তারা এটা দেখে কী করেছিল জানেন? মূর্খ-গবেটদের মতো খিলখিল করে হেসে উঠেছিল ডাইনিগুলো। সম্ভবত তারা আমাকে ওসব কিছুর জন্য বেশি কমবয়স্ক মনে করছিল। প্রচণ্ড বিরক্ত হয়েছিলাম তাদের ওপর। তাদের ভাব এমন ছিল যেন আমি তাদেরকে বিয়ে করতে চাইছি। ওভাবে হাসার পর আমার তাদের দিকে শীতল দৃষ্টিতে তাকানো উচিৎ ছিল, তবে সমস্যাটা হলো আমার তখন নাচতে ইচ্ছা করছিল খুব। মাঝেমধ্যেই আমার নাচতে বেশ ভালো লাগে, আর ঐ সময়টা ওরকমই একটা সময় ছিল। তাই হুট করে একটু ঝুঁকে বললাম, ‘তোমাদের মধ্যে কারো কি নাচার ইচ্ছা আছে আমার মতো?’ কোনো অসভ্য বা অশোভন ভঙ্গিতে কথাটা বলিনি। সত্যি বলতে খুব ভদ্রভাবে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তবে তারা ওটাকেও একটা কৌতুক ভেবেছিল। আরো জোরে জোরে হাসতে শুরু করেছিল ডাইনিগুলো। আসলেই গবেট ছিল ঐ মেয়েগুলো। ‘কাম’অন,’ বললাম। ‘আমি একবার একবার করে তিনজনের সাথেই নাচবো, ওকে? কাম’অন!’ আমার আসলেই তখন ড্যান্সিংয়ের মুড ছিল।

    শেষমেশ স্বর্ণকেশি মেয়েটা উঠে দাঁড়ালো আমার সাথে নাচার জন্য। কারণ আমি আসলে তার দিকে তাকিয়েই কথা বলছিলাম। তাকে নিয়ে ড্যান্স ফ্লোরে গেলাম। আর অন্য দুই ডাইনি তখন ঐ দৃশ্য দেখে হাসতে হাসতে প্রায় গড়াগড়ি খাচ্ছিল।

    তবে অপমানিত হলেও আমার সময়টা অপচয় হয়নি। স্বর্ণকেশি মেয়েটা বেশ ভালো ড্যান্সার ছিল। আমি যাদের সাথে নেচেছি তাদের মধ্যে সবচেয়ে সেরা ও। মজা করছি না, গবেট টাইপের মেয়েগুলোর মধ্যে কয়েকজন মাঝেমধ্যে ড্যান্সফ্লোরে অবাক করে দিতে পারে। বুদ্ধিমতি কারো সাথে নাচতে গেলে সে হয় অর্ধেকটা সময়ই কাটাবে কীভাবে নাচতে হবে সেটার ইন্সট্রাকশন দিয়ে নয়তো হবে খুবই বাজে ড্যান্সার। তাদের সাথে ক্লাবে গেলে নাচার বদলে টেবিলে বসে শুধু ড্রিংক করাই ভালো।

    ‘তুমি আসলেই অনেক ভালো নাচো,’ বললাম মেয়েটাকে। ‘তোমার প্রফেশনাল ড্যান্সার হওয়া উচিৎ। আসলেই। আমি আগেও একবার প্রফেশনালের সাথে নেচেছি, তবে তুমি তার থেকে কয়েকগুণ ভালো। কখনো কি মার্কো আর মিরান্ডার নাম শুনেছো?’

    ‘কী?’ মেয়েটা বলল। সে আসলে আমার কথা শুনছিলই না। পুরো ক্লাব জুড়েই তার চোখ ঘুরঘুর করছিল।

    ‘আমি বলেছিল কখনো মার্কো আর মিরান্ডার নাম শুনেছো কি না।’

    ‘জানি না। না। জানি না ঠিক।’

    ‘ড্যান্সার। সেই ড্যান্সার। যদিও সে খুব একটা হট না। যা যা করা দরকার সবই করে সে, তবে সে খুব একটা হট না। তুমি কি জানো একটা মেয়ে ঠিক কখন চমৎকার ড্যান্সার হয়?’

    ‘কী?’ বলল মেয়েটা। সে আসলে আমার কোনো কথাই শুনছিল না। তার মন ঘুরছিল পুরো জায়গাটার ওপর।

    ‘আমি বলেছি তুমি কি জানো একটা মেয়ে ঠিক কখন চমৎকার ড্যান্সার হয়?’

    ‘না।’

    ‘দেখো আমার হাতটা এখন তোমার পিঠে। যদি আমি ভাবতে পারি আমার হাতের নিচে কিছু নেই… মানে পায়ের পাতা, পা বা কিছুই নেই…তখনই মেয়েটা চমৎকার ড্যান্সারে পরিণত হয়।’

    যদিও মেয়েটা আমার কোনো কথাই শুনছিল না। তাই একটা সময় পর্যন্ত আমিও আর কোনো কথা বললাম না। শুধু ড্যান্স করছিলাম আমরা। আহ, মেয়েটা আসলেই খুব ভালো নাচতে পারতো। বাড়ি সিঙ্গার আর তার ফালতু ব্যান্ডটা তখন ‘জাস্ট ওয়ান অব দোজ থিংস’ বাজাচ্ছিল। তবে তারাও ওই গানটাকে পুরোপুরি ধ্বংস করতে পারেনি। গানটা বেশ ভালোই। নাচার সময় কোনো ট্রিক খেলারও চেষ্টা করিনি। নাচার সময় যারা প্রচুর ট্রিক দেখানোর চেষ্টা করে তাদেরকে অপছন্দ করি আমি। তবে ট্রিক না খাটালেও মেয়েটাকে অনেক ঘুরাচ্ছিলাম, আর মেয়েটাও আমার ঘুরানোর সাথে তাল দিচ্ছিল। মজার ব্যাপার হলো, আমি ভাবছিলাম মেয়েটাও আমার স্টাইল উপভোগ করছিল, তারপর হুট করেই মেয়েটা বোকার মতো বলে বসলো, ‘আমি আর আমার বান্ধবীরা কাল রাতে পিটার লরিকে দেখেছি। মুভি অ্যাক্টর পিটার লরি। সেটাও স্বশরীরে। লোকটা তখন নিউজপেপার কিনছিল। খুবই কিউট লোকটা।’

    ‘তোমার ভাগ্য বেশ ভালো,’ বললাম। ‘আসলেই তোমার ভাগ্য অনেক ভালো। তুমি জানো এটা?’ মেয়েটা আসলেই গবেট ছিল। তবে নাচতো খুবই ভালো। এমনকি নাচার একসময় আমি তার কপালে চুমু দেওয়া থেকে নিজেকে আটকে রাখতে পারিনি। কোন সময়টার কথা বলছি সেটা নিশ্চয় জানেনই আপনার। তবে চুমু দিতেই ক্ষেপে গেল মেয়েটা।

    ‘হেই! করতে চাচ্ছো কী তুমি?’

    ‘কিছু না। কিছুই করতে চাচ্ছি না। তুমি আসলেই ভালো নাচো,’ বললাম। ‘আমার একটা ছোটো বোন আছে, ফোর্থ গ্রেডে পড়ে ও। তুমি ঠিক ওর মতোই ভালো। আমার মতে আমার বোনই সবচেয়ে সেরা ড্যান্সার।

    ‘মুখ সামলে কথা বলো, যদি পারো।’

    কী মেয়েরে বাবা! নিজেকে রাণী ভাবে!

    ‘তোমরা বান্ধবীরা কোন জায়গা থেকে এসেছো?’ জিজ্ঞেস করলাম।

    যদিও মেয়েটা কোনো উত্তর দেয়নি আমাকে। মনে হয়, এদিক-ওদিক তাকিয়ে আবারো পিটার লরির দেখা পাওয়ার আশার ব্যস্ত ছিল ও।

    তাই আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমরা বান্ধবীরা কোথা থেকে এসেছো?’

    ‘কী?’ সে বলল।

    ‘তোমরা বান্ধবীরা কোথা থেকে এসেছো? বলার ইচ্ছা না থাকলে উত্তর দেওয়ার দরকার নেই। তোমাকে বিরক্ত করার কোনো ইচ্ছা নেই আমার।’

    ‘সিয়াটল, ওয়াশিংটন,’ বলল মেয়েটা। ভাবটা এমন ছিল যেন উত্তর দিয়ে আমার বড়ো উপকার করে ফেলেছে।

    ‘তুমি খুবই ভালো কনভার্সেশনালিস্ট,’ আমি বললাম। ‘তুমি জানো এটা?’

    ‘কী?’

    কথাটা আর দ্বিতীয়বার বললাম না। বললে সে বুঝতোও না। তাই বললাম, ‘হেই, তারা যদি ফাস্ট কোনো গান বাজায়, তাহলে কি তুমি আমার সাথে জিটারবাগ করতে পারবে? বাজেভাবে মানে লাফানো বা এমন জিটারবাগ না—সাধারণ ও সহজ জিটারবাগ? ফাস্ট গান বাজালে বুড়ো আর মোটকা লোকগুলো ছাড়া সবাইই বসে পড়বে, অনেক জায়গা পাবো আমরা। ওকে?’

    ‘এটা আমার জন্য অতটা গুরুত্বপূর্ণ না,’ মেয়েটা বলল। ‘আর তোমার বয়স কত আসলে?’

    প্রশ্নটায় কেন যেন বেশ বিরক্ত হয়েছিলাম। ‘ওহ, খোদা। এই প্রশ্ন করে মজাটা নষ্ট করে দিয়ো না,’ বললাম। ‘আমার বয়স বারো। বয়সের তুলনায় আমার শরীর বেশি বাড়ন্ত।’

    ‘শুনো, এটা নিয়ে আগেও একবার বলেছি আমি। তোমার কথাবার্তার ধরণ আমার পছন্দ না,’ মেয়েটা বলল, ‘আর তুমি যদি তারপরও ঐভাবেই কথা বলো, তাহলে তুমি আমার বান্ধবীদের সাথে গিয়ে বসে থাকো।’

    সাথে সাথেই কয়েকবার করে স্যরি বললাম। কারণ ব্যান্ড ফাস্ট গান বাজানো শুরু করে দিয়েছিল ততক্ষণে। মেয়েটা আমার সাথে জিটারবাগ করতে শুরু করল। বাজেভাবে না, বরং খুব সুন্দর এবং সুশ্রীভাবে। মেয়েটা আসলেই ভালো ছিল। আমার কাজ ছিল শুধু তাকে স্পর্শ করা। আর যখন সে ঘুরে আমার দিকে ফিরে তার পশ্চাৎভাগটা কাঁপালো… মেয়েটা আমাকে নক-আউট করে দিয়েছিল। আসলেই। নাচ শেষে টেবিলে ফিরে আসতে আসতে আমি প্রায় তার প্রেমেই পড়ে গিয়েছিলাম। মেয়েরা আসলে এমনই। যখন তারা ভালো কিছু করে—এমনকি মেয়েটা যদি দেখতে খুব ভালো নাও হয় বা তারা যদি স্টুপিডও হয়—তখনই তাদের প্রেমে পড়ে যাওয়া লাগে। এমনকি এরপর আমার অবস্থানটা সেটা নিজেও বুঝতে পারি না। খোদা, মেয়েজাতি। তারা যে কাউকেই পাগল করে দিতে পারে। আসলেই।

    অবশ্য মেয়েগুলো আমাকে তাদের টেবিলে বসতে বলার কোনো ভদ্রতা দেখায়নি। সম্ভবত তারা খুব বেশি মুর্খ ছিল বলেই দেখায়নি। যাই হোক আমি নিজে থেকেই তাদের টেবিলে বসলাম। স্বর্ণকেশী যে মেয়েটার সাথে আমি নেচেছিলাম তার নাম বার্নিস ক্র্যাবস না ক্রেবস কী যেন ছিল। আর কুৎসিত দুজনের নাম ছিল মার্টি আর ল্যাভার্ন। আমি তাদেরকে আমার নাম বলেছিলাম জিম স্টিল। মিথ্যা বলার কোনো কারণ ছিল না, তবে আমার মিথ্যা নাম বলতেই ইচ্ছা করছিল তখন। এরপর আমি তাদের সাথে কিছুক্ষণ বুদ্ধিদীপ্ত কোনো বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করলাম, তবে ব্যাপারটা একদম অসম্ভব ছিল। তাদের কারোরই আমার কথার দিকে মনোযোগ ছিল না, মনোযোগ ফেরানোর জন্য বারবার তাদের হাতে টোকা দিতে হচ্ছিল। তাদের তিনজনের মধ্যে কে সবচেয়ে বেশি স্টুপিড ছিল সেটা বলা খুব কঠিন। তাদের তিনজনের নজরই ছিল ফালতু রুমটার পুরোটা জুড়ে। ভাবটা এমন ছিল যেন তারা আশা করছিল তারা তাকিয়ে থাকলেই একঝাঁক মুভি অ্যাক্টর এসে হাজির হবে রুমে। সম্ভবত তাদের ধারণা ছিল মুভি অ্যাক্টররা নিউইয়র্কে আসলে স্টর্ক ক্লাব বা এল মরোক্কোতে না গিয়ে সবসময় ল্যাভেন্ডার রুমেই সময় কাটাতে আসে। যাই হোক, সিয়াটলে তারা তিনজন কী কাজ করে সেটা জানতে প্রায় আধঘণ্টার মতো লাগলো আমার। তারা তিনজনই একই ইনস্যুরেন্স অফিসে কাজ করে। আমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা তাদের কাজকে পছন্দ করে কি না, কিন্তু তিন গর্দভের থেকে কি আর ভালো কোনো উত্তর পাওয়া সম্ভব? আমি প্রথমে ভেবেছিলাম, কুৎসিত দুইজন মানে মার্টি আর ল্যাভার্ন মনে হয় আসলে বোন, তবে তাদের এটা জিজ্ঞেস করতেই বিরাট অপমানিত হলো তারা। তাদের দুইজনের কারোরই অন্যজনের মতো হওয়ার ইচ্ছা ছিল না, অবশ্য এজন্য তাদের দোষও দেওয়া যায় না। তবে ব্যাপারটা বেশ মজার ছিল।

    ঐ রাতে তিনজনের সাথেই নেচেছিলাম আমি। তিনজনের সাথেই আলাদা আলাদা করে। ল্যাভার্ন নামের মেয়েটা খুব একটা খারাপ ড্যান্সার ছিল না। তবে মার্টি, কী আর বলবো ওর কথা। ওর সাথে নাচতে গিয়ে আমার মনে হচ্ছিল যেন ড্যান্স ফ্লোরের ওপর দিয়ে স্ট্যাচু অব লিবার্টি টানছি। এতে আমি আনন্দ পেলাম যদি তাকে এভাবে ফ্লোর ধরে টেনে-হেঁচড়ে নেওয়াটায় বিন্দুমাত্র কোনো মজা থাকত। তাই আমি তাকে বলেছিলাম যে মুভি স্টার গ্যারি কুপার রয়েছে ফ্লোরের ঠিক অন্য পাশেই।

    ‘কোথায়?’ উত্তেজিত হয়ে বলে উঠলো মার্টি। ‘কোথায়?’

    ‘অহ, একটুর জন্য মিস করেছো। মাত্রই বেরিয়ে গেছে। আমি যখন বললাম তখনই তাকালে না কেন?’

    কথাটা শুনেই মার্টি নাচ থামিয়ে রুমের এদিক-ওদিকে তাকানো শুরু করল লোকটাকে দেখার আশায়। ‘ধুর!’ বলল ও। আমি বলতে গেলে তার হৃদয় ভেঙে দিয়েছিলাম ঐদিন। আসলেই দিয়েছিলাম। ওভাবে তার সাথে মজার করার জন্য বেশ খারাপই লাগছিল। কিছু মানুষের সাথে কখনোই ঠাট্টা করা উচিৎ নয়, এমনকি ঐ মানুষটা ঠাট্টার যোগ্য হলেও না।

    তবে মজার ব্যাপারটা ঘটেছিল আরেকটু পরে। টেবিলে ফিরে গিয়ে মার্টি অপর দুজনকে বলল যে গ্যারি কুপার কিছুক্ষণ আগেই ক্লাব থেকে বেরিয়ে গেছে। খোদা, কথাটা শুনে ল্যাভার্ন আর বার্নিসের তো প্রায় লাফিয়ে ওঠার অবস্থা হয়েছিল। প্রচণ্ড উত্তেজিত তারা মার্টির কাছে জানতে চাইলো সে লোকটাকে দেখতে পেয়েছিল কি না। জবাবে মার্টি জানালো সে একঝলক দেখেছে; কথাটা শুনে হাসিতে পেট ফেটে আসছিল আমার তখন।

    রাতের জন্য বার বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল তখন। তাই বার পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আগেই তাড়াতাড়ি করে আমি তাদের প্রত্যেকের জন্য দুই রাউন্ড ড্রিংক্স এবং আমার জন্য আরো দুটো কোক নিয়ে নিলাম। পুরো টেবিলটাই মদের গ্লাসে ভরেছিল তখন। কুৎসিৎ ল্যাভার্ন তখনো আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করে যাচ্ছিল কারণ আমি কোক খাচ্ছিলাম। বেশ ভালো সেন্স অব হিউমার ছিল তার। সে আর মার্টি শুধু টম কলিন্স ড্রিঙ্ক করছিল। ভাবা যায় এটা? মধ্য ডিসেম্বরে কেউ টম কলিন্স ড্রিংক করে? স্বর্ণকেশি বার্নিস অবশ্য বারবর্ন আর পানি খাচ্ছিল। আসলে লাস্ট রাউন্ড সে ঠিক খাচ্ছিলও না বলা যায়। পুরোটা সময় তারা তিনজনই অনেক চুপচাপ হয়েছিল, এমনকি নিজেদের সাথেও কথা বলছিল না। তাদের মধ্যে মার্টিই একটু বেশি কথা বলছিল। তবে তার কথাবার্তার বিষয়গুলো একদম বস্তাপচা আর বিরক্তিকর ছিল। টয়লেটকে সে বলছিল ‘লিটল গার্লস রুম’ এবং বাড়ি সিঙ্গারের সানাই বাদককে নিয়ে দাঁড়ানো দেখতে খুবই মারাত্মক লাগছিল তার কাছে। সে ঐ লোকের সানাইকে ডাকছিল ‘যষ্টিমধুর কাঠি’ বলে। কুৎসিত অন্যজন, অর্থাৎ ল্যাভার্ন নিজেকে অনেক রসিক ভাবতো। সে বারবারই আমাকে বলছিল আমার বাবাকে যেন ফোন করে জিজ্ঞেস করি বাবা ঐ রাতে কী করছে। বারবারই জিজ্ঞেস করছিল, আমার বাবার কি ঐ রাতে কোনো ডেট ছিল কি না। চারবার আমাকে এটা জিজ্ঞেস করেছিল—আসলেই খুব রসিক ছিল ও। আর স্বর্ণকেশী বার্নিস আসলে তেমন কোনো কথাই বলছিল না। বরং আমি যতবারই তাকে কিছু জিজ্ঞেস করেছি, ততবারই সে উত্তরে বলেছে, ‘কী?’ বারবার এরকম করলে একটা সময় মাথা গরম হওয়াটাই স্বাভাবিক।

    হঠাৎ করেই ড্রিংক শেষ করে তিনজনই একসাথে টেবিল ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো। আমাকে বলল তাদের ঘুমানো প্রয়োজন। পরদিন সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে রেডিও সিটি মিউজিক হলের ফার্স্ট শো ধরতে হবে তাদেরকে। আমি তাদেরকে আরো কিছুটা সময় থাকতে বলেছিলাম, তবে তারা রাজি হয়নি। তাই একসময় বাধ্য হয়েই বিদায় জানাতে হলো তাদের। বিদায়ের সময় তাদেরকে বলেছিলাম যে আমি যদি কখনো সিয়াটলে যাই, তাহলে তাদের সাথে দেখা করার চেষ্টা করবো। তবে আমার সন্দেহ গেলে কখনো কাজটা করবো কি না। মানে তাদের সাথে দেখা করার চেষ্টা করবো কি না।

    একটা সিগারেট জ্বালিয়ে চেকের জন্য বললাম ওয়েইটারকে। তেরো ডলারের মতো বিল হয়েছিল। আমি ভেবেছিলাম মেয়েগুলো হয়তো ভদ্রতার খাতিরে আমি আসার আগে তাদের নেওয়া ড্রিঙ্কগুলোর বিল পরিশোধ করার কথাটা অন্তত বলবে। স্বাভাবিকভাবেই আমি তাদেরকে মানা করতাম। তবে তারা কোনো ভদ্রতাই দেখায়নি। এটুক অন্তত দেখানো উচিৎ ছিল। যাই হোক, ব্যাপারটা খুব একটা পাত্তা দেইনি। মেয়েগুলো খুবই উদ্ধত ছিল, আর তাদের মাথায় ছিল আজব ধরনের ফালতু টুপি। আর সকালে ঘুম থেকে উঠে রেডিও সিটি মিউজিক হলে যাওয়ার কথাটা শুনে খুব হতাশ হয়েছিলাম। আপনারাই ভাবুন, একটা মেয়ে সিয়াটল, ওয়াশিংটন থেকে ফালতু একটা টুপি পরে নিউইয়র্কে এসেছে সকাল সকাল ঘুম থেকে রেডিও সিটি মিউজিক হলের ফার্স্ট শো দেখতে? ব্যাপারটায় খুব হতাশ ছিলাম আমি, এখনো ওটা মানতে পারি না। তারা যদি আমাকে ঐ কথাটা না বলত, তাহলে তাদেরকে একশো ড্রিঙ্ক কিনে দিতেও দ্বিধা করতাম না।

    তারা চলে যাওয়ার পরপর আমিও ল্যাভেন্ডার রুম থেকে বেরিয়ে গেলাম। আসলে রুমটারও বন্ধ হওয়ার সময় হয়ে গিয়েছিল তখন। ব্যান্ড চলে গিয়েছিল অনেক আগে। জায়গাটা এমনিতেও খুবই বাজে। যদি সাথে নাচার মতো কেউ থাকে, অথবা ওয়েইটার যদি কোকের বদলে সত্যিকারের ড্রিংক্স দেয়—তাহলে জায়গাটাকে খুব একটা খারাপ লাগবে না। পৃথিবীর কোনো নাইট ক্লাবেই ড্রিংক্স খেয়ে মাতাল না হলে খুব একটা বেশি সময় থাকতে দেয় না। নাহলে বেশি সময় থাকতে চাইলে সাথে অবশ্যই প্রচণ্ড সুন্দরী ও আকর্ষণীয়া মেয়ে বা ডেট থাকা লাগবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }