Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ১২

    অধ্যায় বারো

    আমি যে ক্যাবটাতে করে গিয়েছিলাম সেটা খুবই পুরোনো ছিল। ক্যাবটার ভেতরে গন্ধ এমন ছিল যে মনে হচ্ছিল ভেতরে কেউ নষ্ট বিস্কুট ফেলে গেছে। গভীর রাতে বেরুলে আমাকে সবসময়ই এমন বাজে প্রকৃতির ক্যাবে উঠতে হতো। তবে এটাই সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার ছিল না। নীরবতা এবং একাকীত্ব পুরো সময়টাকেই আরো বিষণ্ন করে রেখেছিল। যদিও ঐদিন শনিবার রাত ছিল, তারপরও রাস্তায় তেমন কোনো মানুষের আনাগোনা ছিল না। অনেক সময় পর পর মাঝেমধ্যে এক-দুজন লোক চোখে পড়ছিল, মাঝেমধ্যে চোখে পড়ছিল কোমরে হাতগুঁজে রাস্তা পার হওয়া কিছু মেয়ের আর বুড়োগোছের ডেটের সাথে হায়েনার মতো হাসতে হাসতে হেঁটে যাওয়া কিছু ডেটরূপী পতিতার। হায়েনার মতো হাসতে থাকা মেয়েগুলো আসলে অযথাই হাসতো, এমনকি হাস্যকর কিছু না হলেও হাসতো। নিউইয়র্কে গভীর রাতে হাসির শব্দ শোনাটা আসলে খুবই বাজে একটা অভিজ্ঞতা। প্রায় মাইলখানেক ধরে শোনা যেত হাসির শব্দ। এতে নিজেকে আরো বেশি একাকী আর বিষণ্ণ লাগতো। তখন শুধু আমি প্রার্থনা করছিলাম আমি যদি বাসায় ফিরে গিয়ে পিচ্চি ফিবিকে সব কিছু খুলে বলতে পারতাম! যাই হোক, বেশ কিছুক্ষণ ক্যাবে করে চলার পর হঠাৎই কথা বলতে শুরু করলাম ক্যাব ড্রাইভার আর আমি। লোকটার নাম ছিল হরউইটজ। রাতের আগের ড্রাইভারটার তুলনায় লোকটা বেশ ভালো ছিল। যাই হোক, আমি ভেবেছিলাম এই লোকটা হয়তো হাঁসের ব্যাপারে কিছু জানতে পারে।

    ‘হেই, হরউইটজ,’ বললাম। ‘আপনি কি কখনো সেন্ট্রাল পার্কের লেগুনটার ওদিকে গেছেন? সেন্ট্রাল পার্ক সাউথের রাস্তা ধরে?

    ‘পার্কের কী?’

    ‘লেগুন। ছোটো একটা হ্রদ। ঐ যে অনেক হাঁস থাকে?’

    ‘হ্যাঁ। ওটার ব্যাপারে কী জানতে চান?’

    ‘আপনি তো নিশ্চয় জানেন হ্রদে হাঁসগুলো সাঁতার কাটে? বসন্তকালে? যাইহোক, আপনি কি কোনোভাবে জানেন শীতের মৌসুমে ঐ হাঁসগুলো কোথায় যায়?’

    ‘কী কোথায় যায়?’

    ‘হাঁসগুলো। আপনি কি জানেন এটা কোনোভাবে? মানে কেউ কি লেগুনের ওখানে ট্রাক নিয়ে এসে ওগুলোকে তুলে নিয়ে যায় নাকি ওরা নিজে থেকেই উড়ে দক্ষিণ বা ওরকম কোনো অঞ্চলে চলে যায়?’

    কথাটা শুনে মাথা ঘুরিয়ে আমার দিকে চোখ বড়ো বড়ো করে তাকালো লোকটা। লোকটার ধৈর্য শক্তি খুব কম ছিল, তবে আচরণ খুব খারাপ ছিল না। ‘আমি ওটা কীভাবে জানবো?’ লোকটা বলল। ‘আমি কীভাবে এই স্টুপিড হাঁসদের ব্যাপারে জানবো?’

    ‘আহা, আবেগাক্রান্ত হবেন না,’ বললাম। লোকটা তখন আসলেই প্রশ্নটায় বা কিছুতে বেশ আবেগাক্রান্ত হয়ে পড়েছিল।

    ‘কে আবেগাক্রান্ত? কেউই আবেগাক্রান্ত না।’

    তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিলাম। কেউ যদি এতো সেন্সিটিভ হয়ে থাকে তাহলে তার সাথে তো আর কথা বলা যায় না। তবে লোকটা নিজে থেকেই আবার কথা বলা শুরু করল। পুরো ব্যাপারটা নিয়েই অনর্থক কিছু মন্তব্য করে একসময় বলল, ‘মাছেরা কখনো কোনো জায়গায় যায় না। তারা যেখানে আছে সেখানেই থাকে, মানে মাছেরা। ঐ হ্রদেই আছে মাছগুলো।’

    ‘মাছ? এটা তো ভিন্ন প্রসঙ্গ। মাছ আসলেই ভিন্ন। আমি হাঁস নিয়ে বলছি,’ বললাম।

    ‘পার্থক্য কী এতে? কোনো পার্থক্যই তো নেই,’ হরউইজ বলল। প্রতিটা কথাতেই বুঝা যাচ্ছিল সে কোনো একটা বিষয়ে বেশ আবেগী বা চিন্তিত ছিল। ‘শীতে হাঁসদের থেকে তো মাছেদের সমস্যাটা আরো বেশি। মাথা খাটান, তাহলেই বুঝতে পারবেন।’

    মিনিট খানেকের মতো কিছু বললাম না। তারপর বললাম, ‘আচ্ছা, ঠিক আছে। তারা কী করে তাহলে, মানে মাছেরা? শীতে হ্রদের পানি শক্ত বরফে পরিণত হওয়ার পর মানুষ যখন ওটার ওপর দিয়ে আইস স্কেট করে তখন তারা কী করে?’

    হরউইটজ আরো একবার ফিরে তাকালো আমার দিকে। ‘তারা কী করে মানে? কী বুঝাতে চাচ্ছেন আপনি?’ লোকটা প্রায় চেঁচিয়ে উঠেছিল আমার দিকে। ‘তারা ঠিক ওখানেই থাকে, ওখান থেকে এক বিন্দুও সরে না।‘

    ‘তারা তো ঐ বরফটাকে ওভাবেই এড়িয়ে যেতে পারে না। কোনোভাবেই না।’

    ‘কে এড়াচ্ছে বরফ? কেউই বরফ এড়াচ্ছে না,’ হরউইটজ বলল। বলতে বলতে বেশ উত্তেজিতও হয়ে উঠেছিল সে। আমি তো ভয়ই পেয়ে গিয়েছিলাম উত্তেজিত হয়ে লোকটা না জানি কোনো ল্যাম্পপোস্টে গাড়ি ঠুকে দেয়। ‘তারা ঐ বরফেই বাস করে। এটাই তাদের প্রকৃতি। পুরো শীতেই তারা ঐ বরফে জমা হয়ে থাকে।’

    ‘তাই? তারা তখন কী খায় তাহলে? মানে তারা যদি জমে শক্ত হয়ে থাকে, তাহলে তো সাঁতার কেটে খাবারের কোনো খোঁজ করতে পারবে না।’

    ‘তাদের শরীর… আপনার সমস্যাটা কী আসলে? তাদের শরীরে পুষ্টি সঞ্চিত হয়ে থাকে, ঔ পুষ্টি থাকে জলজ-শৈবালে—যেটা তাদের সাথেই বরফে জমাট হয়ে থাকে। পুরোটা সময়ই তো তাদের শরীরের রন্ধ্র উন্মুক্ত হয়ে থাকে। এটাই তাদের প্রকৃতি। বুঝেছেন ব্যাপারটা?’ বলে আবার ঘুরে আমার দিকে তাকালো।

    ‘ওহ,’ বলে প্রসঙ্গটা বাদ দিলাম। ভয় পাচ্ছিলাম এই ক্যাবে চড়ে হয়তো দুর্ঘটনার শিকারও হয়ে পারি। তাছাড়া লোকটা খুবই ইমোশনাল ছিল। তার সাথে কোনো কিছু আলোচনা করাটা খুব আনন্দদায়ক ছিল না। ‘আপনি ড্রিংক করার জন্য কোথাও গাড়ি থামাতে পারবেন? ভাববেন না বিল আমিই দেব,’ বললাম।

    লোকটা কোনো জবাব দিলো না যদিও। আমার ধারণা সে প্রস্তাবটা নিয়ে ভাবছিল। তাই আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম। লোকটা আসলে একদিক থেকে বেশ ভালো। বেশ মজাদার প্রকৃতির।

    ‘আমার এখন মদ খাওয়ার মতো সময় নেই, বন্ধু,’ সে বলল। ‘আর এমনিতেও আপনার বয়সটাই বা কত? বিছানায় শুয়েও ড্রিংক করতে পারবেন আপনি?’

    ‘আমি শুয়ে পড়ার মতো ক্লান্ত এখনো না।’

    যাই হোক, আর্নি’জের সামনে নেমে ভাড়া মেটানোর সময় হরউইটজ আরো একবার মাছের প্রসঙ্গটা তুললো। নিঃসন্দেহেই ব্যাপারটা তার মাথায় শক্তভাবে গেঁথে গিয়েছিল। ‘শুনুন,’ সে বলল, ‘আপনি যদি কোনো মাছ হতেন, তাহলে এই প্রকৃতিই আপনার দেখভাল করত, তাই না? ঠিক বলেছি তো? আপনি নিশ্চয় এটা ভাবেন না যে শীতের সময় সব মাছেরা মরে যায়?’

    ‘না, তবে…’

    ‘আপনি ঠিক, আসলেই মাছেরা মরে না,’ বলে ক্যাব নিয়ে জায়গাটা থেকে মুহূর্তের মধ্যেই চলে গেল হরউইটজ। আমার দেখা সবচেয়ে ইমোশনাল মানুষ হরউইটজ। তাকে যেকোনো ব্যাপারে কিছু বললেই আবেগী হয়ে যেত।

    অনেক রাত হয়ে যাওয়ার পরও আর্নি’জ তখন কানায় কানায় পূর্ণ হয়েছিল। ওখানের বেশির ভাগই ছিল প্রেপ স্কুল এবং কলেজের ফাজিলগুলো। আমি যে স্কুলগুলোতে পড়েছি সেগুলো ছাড়া পৃথিবীর বাদ বাকি সব প্রতিষ্ঠানেই ক্রিসমাসের ছুটি আগেভাগে শুরু হয়ে যেত। জায়গাটায় তখন এতই ভীড় ছিল যে আমি যে আমার কোট খুলে কোথাও রাখবো সেই সুযোগটাও পাচ্ছিলাম না। যদিও জায়গাটা তখন বেশ নীরব ছিল, কারণ আর্নি তখন পিয়ানো বাজাচ্ছিল। পিয়ানো বাজানো শুরুর আগে সুরটা কোনো পবিত্রতার প্রতীক জাতীয় কিছু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কেউই তো আর অতটা ভালো বাদক হতে পারে না। আমার পাশে তখন আরো তিন দম্পতি ছিল, আমরা সবাই টেবিলের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। শুধু তাই না, পিয়ানো বাজানো অবস্থায় আর্নিকে এক পলক দেখার জন্য পিছন থেকে ঠেলাঠেলি ধাক্কাধাক্কির পরিমাণও কম ছিল না। আর্নি তার পিয়ানোর সামনে বিশাল একটা বড়ো আয়না রেখে দিয়েছিল, আর বড়ো একটা স্পটলাইট ছিল তার ওপর যাতে পিয়ানো বাজানোর সময় প্রত্যেকেই তার মুখটা দেখতে পায়। তবে বাজানোর সময় তার আঙুল দেখার কোনো উপায় ছিল না—শুধু তার মুখটাই দেখা যেত। আমি নিশ্চিত না তখন কোন সুরটা সে বাজাচ্ছিল, তবে সুরটা যেটাই হোক না কেন—সে খুবই বাজেভাবে বাজাচ্ছিল তখন। সে প্রতিটা হাই নোটের লহরীতেই শো-অফ করছিল, সেই সাথে আরো কিছু ট্রিক করছিল। ব্যাপারটা বেশ বিরক্ত লাগছিল আমার। তবে বাজানো শেষ করতেই জনতার ভীড়ের প্রতিক্রিয়া শুনেই বমি করে দেওয়ার ইচ্ছা হলো আমার। তারা প্রত্যেকেই পাগল হয়ে গিয়েছিল সুরে। ঐ জনতাগুলো আসলে ছিল মুভি থিয়েটারে হায়েনার মতো খিলখিল করে হাসা মানুষগুলো যারা মুভি ফানি না হলেও ঠিকই হাসতো। সত্যি বলছি আমি যদি কোনো পিয়ানোবাদক বা মুভি অ্যাক্টর বা এমন কিছু হতাম—তাহলে নিশ্চিত ঐ মূর্খ ফ্যানগুলোকে ঘৃণা করতাম। আমি হয়তো তাদেরকে আমার জন্য তালি বাজাতেই মানা করতাম। মানুষ সবসময়ই ভুল কিছুতে তালি দেয়। যদি আমি কোনো পিয়ানো বাদক হতাম, তাহলে আমি সেটা একদম নির্জনে বাজাতাম। যাইহোক, আর্নি বাজানো শেষ করার পর প্রত্যেকেই তালিতে মুখরিত করে তুলেছিল জায়গাটাকে, আর ঐ আর্নিও তালির শব্দ শুনে তার টোল থেকে উঠে দাঁড়িয়ে মেকি কুর্নিশ জানালো শ্রোতাদের। ব্যাপারটা পুরোপুরিই মেকি ছিল। মানে সে কী পরিমাণের বড়োসড়ো উন্মাসিক প্রকৃতির লোক সেটা ভাবলেই তো এটা সহজে বুঝা যায়। ব্যাপারটা অবশ্য মজারও। বাজানো শেষের পর লোকটার জন্য আমার বেশ দুঃখই লাগছিল। আমার মনে হয় সে নিজেও জানে যে সে কখন সঠিক সুর বাজাচ্ছে আর কখন ভুল বাজাচ্ছে। এটা অবশ্য তার কোনো দোষ না। আমি এর জন্য আংশিকভাবে দোষারোপ করবো তাকে তালি দেওয়া মূর্খগুলোকে। সুযোগ পেলে এই মূর্খগুলো যে কাউকেই নষ্ট করে দিতে পারে। যাই হোক, ব্যাপারটা আমাকে এতো বিষণ্ণ করে তুলেছিল যে আমার তখন ইচ্ছা করছিল কোটটা তুলে নিয়ে আবার হোটেল রুমে ফিরে যাই। তবে রাত তখনো খুব বেশি হয়নি, আর আমারও তখন ফিরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা করছিল না।

    শেষমেশ তারা আমাকে একটা পঁচা টেবিল দিয়েছিল। দেওয়ালের সাথের ঐ টেবিলটা ছিল থামের পিছনে। কিছুই দেখার উপায় ছিল না ঐ থামের পিছন থেকে। টেবিলটাও ছিল খুব ছোটো। ওটা আসলে এমন একটা টেবিল ছিল যেটাতে পাশের বড়ো টেবিলের লোকেরা উঠে চলে না যাওয়া পর্যন্ত বসে অপেক্ষা করার মতো। কিন্তু পাশের টেবিলের হারামিগুলো তো আর উঠে যাওয়ার মতো ছিল না। তাই কী আর করা—ওটাতেই বসা লাগলো। বসে একটা স্কচ আর সোডা অর্ডার করলাম। ফ্রোজেন ডাইকুইরিসের পর ওটাই আমার সবচেয়ে পছন্দের ড্রিংক ছিল। আর আর্নি’জে ছয় বছর বয়সের বেশি হলেই ড্রিংক দেওয়ার অনুমতি ছিল। জায়গাটা নিয়মের কোনো তোয়াক্কাই করত না। আর তাছাড়া তারা খেয়ালও করত না কার বয়স কত। এমনকি ওখানে গিয়ে মূর্খের মতো কিছু করলেও কেউ খেয়াল করত না।

    আমার আশেপাশের সবগুলোই গণ্ডমূর্খ ছিল। মজা করছি না, আসলেই এরকম ছিল অবস্থা। আমার ঠিক বামেই একটা টেবিল ছিল—সত্যি বলতে টেবিলটা আমার প্রায় কোলের ওপরই ছিল—যেটাতে বসেছিল এক আজব চেহারার লোক আর অদ্ভুত চেহারার মেয়ে। তাদের বয়স আমার সমানই ছিল, সম্ভবত আমার থেকে কিছুটা বেশিই ছিল। ব্যাপারটা বেশ মজার। ড্রিংক খাওয়ার সময় তারা এমন আচরণ করছিল যেন তারা নির্ধারিত সীমার থেকে বেশি খেয়ে না ফেলে। তাদের কথাবার্তা কিছুক্ষণ শুনেছিলাম আমি। আসলে আমার তখন করার মতো কোনো কাজ ছিল না, তাই তাদের কথাই শুনছিলাম। ছেলেটা বিকালে দেখা একটা প্রো-ফুটবল ম্যাচের কথা বলছিল। সে মেয়েটাকে পুরো ম্যাচের বিবরণই বলে দিয়েছিল। মজা করছি না, আসলেই সে পুরো ম্যাচের প্রতি সেকেন্ডের কথাই বলেছিল মেয়েটাকে। আমার শোনা সবচেয়ে বিরক্তিকর ছেলে ছিল ও। আর তাদের দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে মেয়েটার খেলার ব্যাপারে কোনো আগ্রহই ছিল না, তবে মেয়েটা দেখতে ছেলেটার থেকেও বেশি অদ্ভুত ছিল। মনে হয় মেয়েটার আসলে তখন বিবরণ শোনা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। কুৎসিত চেহারার মেয়ে হলে যা হয় আর কী। আমার আসলে মাঝেমধ্যে বেশ খারাপই লাগে ওদের জন্য। মাঝেমধ্যে তো আমি তাদের দিকে তাকাতেও পারি না, বিশেষ করে যখন ফালতু চেহারার ছেলেরা তাদেরকে ফুটবল খেলার বিবরণ দেয়। তবে আমার ডান পাশে চলা কথোপকথনটা আরো ফালতু ছিল। ডান পাশে ছিল ধূসর বর্ণের পশমী জ্যাকেট এবং উলের ভেস্ট পরা হোমড়া-চোমড়া ভাব ধরা এক লোক। আইভি লিগের সব হারামজাদাই আসলে দেখতে একরকম। আমার বাবাও চায় আমি যেন ইয়েল বা প্রিন্সটনে যাই, তবে আমার আইভি লিগের কলেজে পড়ার কোনো ইচ্ছাই নেই। যাই হোক, ঐ লোকটার সাথে চমৎকার-চেহারার এক মেয়ে বসেছিল। খোদা, মেয়েটা দেখতে আসলেই খুব সুন্দর ছিল। তবে তাদের কথাবার্তা শুনলে বুঝতে পারতেন। প্রথমত, তারা অনেকটাই মাতাল ছিল তখন। ছেলেটা টেবিলের নিচ দিয়ে মেয়েটাকে ফিল দিচ্ছিল, আর একই সাথে তাদের ডর্মের একজনের এক বোতল অ্যাসপ্রিন খেয়ে সুইসাইড করতে গিয়ে প্রায় মরতে বসা এক ছেলের গল্প ছিল। আর মেয়েটা তখন বলছিল শুধু, ‘ওহ, কী ভয়ঙ্কর… ওহ, ডার্লিং, প্লিজ, এখানে না। প্লিজ।’ একই সাথে কাউকে ফিল দেওয়া এবং সুইসাইড করতে যাওয়া এক ছেলের গল্প বলা পুরোই হাস্যকর ব্যাপার।

    ওখানে একা বসে থাকতে থাকতে আমার নিজেকে পুরোপুরি গর্দভ মনে হচ্ছিল। ওখানে আসলে স্মোক আর ড্রিঙ্ক করা ছাড়া কোনো কাজই ছিল না। তারপরও ওয়েটারকে একবার বলেছিলাম সে আর্নিকে গিয়ে আমার সাথে বসে ড্রিংক করার অফারটা দিতে পারবে কি না। সাথে এটাও জানালাম যে আমি ডি.বি.’র ভাই। অবশ্য আমার মনে হয় না সে আমার মেসেজটা আর্নিকে কখনো দিয়েছিল। ঐ হারামজাদা ওয়েটারগুলো কখনোই কাউকে কারো মেসেজ দেয় না।

    হঠাৎ করেই একটা মেয়ে আমার কাছে এসে বলে উঠলো, ‘হোল্ডেন কলফিল্ড!’ মেয়েটার নাম লিলিয়ান সিমন্স। আমার ভাই ডি.বি. একসময় মেয়েটার সাথে ডেট করত। মেয়েটার স্তনগুলো ছিল বিশাল বড়ো বড়ো।

    ‘হাই,’ বলে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলাম। এটাই তো সাধারণ ভদ্রতা। তবে ওরকম একটা জায়গায় উঠে দাঁড়ানোটা ছিল বিশাল কঠিন এক কাজ। লিলিয়ানের সাথে এক নেভি অফিসার, অবশ্য লোকটার চেহারা দেখে মনে হচ্ছিল যেন কেউ তার পশ্চাতদেশে অনবরত লাথি মারছে।

    ‘তোমাকে দেখে খুবই ভালো লাগছে,’ বলল লিলিয়ান সিমন্স 1 স্বাভাবিকভাবেই মিথ্যে একটা কথা। ‘তোমার ভাই কেমন আছে?’ হ্যাঁ, সে আসলেই এটা জানতে এসেছিল।

    ‘সে ভালোই আছে। হলিউডে আছে এখন।

    ‘হলিউডে! চমৎকার! কী কাজ করে ও?’

    ‘জানি না ঠিক, সম্ভবত লেখালেখি করে,’ বললাম। আমার আসলে তখন ওসব নিয়ে কথা বলার ইচ্ছা ছিল না। অবশ্য লিলিয়ানকে দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে হলিউডে কাজ করাটাকে সে অনেক বড়ো কিছু মনে করে। ডি.বি.র লেখা পড়েনি এমন বেশির ভাগ মানুষই এমন মনে করে। ব্যাপারটা খুব বিরক্ত লাগে আমার।

    ‘চমৎকার,’ লিলিয়ান বলল। এরপর সে নেভির লোকটার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো আমার। লোকটার নাম কমান্ডার ব্লপ না কী যেন ছিল। সে ছিল এমন জাতের লোক যারা মনে করে কারো সাথে হ্যান্ডশেকের সময় আঙুল ভেঙে ফেলার মতো জোরে চাপ না দিলে মানুষ তাদেরকে দুর্বল ভাববে। জিনিসটা খুবই বিরক্তিকর লাগে আমার কাছে। ‘তুমি কি একা?’ লিলিয়ান জিজ্ঞেস করল আমাকে। আমার সাথে কথা বলতে গিয়ে পুরো আইলটাই প্ৰায় আটকে ফেলেছিল ও। অবশ্য তাকে দেখেই বুঝা যাচ্ছিল সে এভাবে অন্যের রাস্তা আটকে দেওয়াটাকে বেশ পছন্দই করে। তার পিছনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করা ওয়েটারকে একসময় সরে অন্য পথ দিয়েই যেতে হয়েছিল, তবে লিলিয়ান ঐ লোককে একবার খেয়ালও করেনি। ব্যাপারটা বেশ মজার ছিল। বুঝাই যাচ্ছিল যে ওয়েটার এই ব্যাপারটা খুব একটা পছন্দ করেনি, এমনকি তার সাথে থাকা নেভির লোকটাও লিলিয়ানকে খুব একটা পছন্দ করে না, অবশ্য লোকটা তারপরও ঠিকই ডেট করে যাচ্ছে তার সাথে। আমিও লিলিয়ানকে খুব একটা পছন্দ করি না। সত্যি বলতেই কেউই করে না। একদিক দিয়ে ভাবলে তার জন্য কিছুটা খারাপই লাগে। ‘সাথে কি কোনো ডেট নেই তোমার?’ সে জিজ্ঞেস করল আমাকে। তখন পর্যন্ত আমি দাঁড়িয়েইছিলাম, লিলিয়ান আমাকে একবারও বসতেও বলেনি। সে আসলে এমন ধরনের মানুষ যারা তাদের জন্য অন্যদেরকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখতেই বেশি পছন্দ করে। ‘ও কি হ্যান্ডসাম না?’ নেভির লোকটাকে বলল ও। ‘হোল্ডেন, তুমি তো দেখি প্ৰতি মিনিটে মিনিটেই হ্যান্ডসাম হচ্ছো।’ নেভির লোকটা তখন তাকে ফিসফিস করে সরে যেতে বলল। বলল যে তারা অন্যদের হেঁটে যাওয়ার পথ আটকে দাঁড়িয়ে আছে। লিলিয়ানও তখন সায় দিয়ে আমাকে বলল, ‘হোল্ডেন, আমাদের সাথে আসো। ড্রিংক সাথে নিয়েই আসো।’

    ‘আমি আসলে এখন বেরুতে চাচ্ছিলাম,’ বললাম তাকে। ‘আমার আসলে একজনের সাথে দেখা করতে হবে।’ লিলিয়ানকে দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে সে আমার সাথে খাতির জমানোর চেষ্টা করছে। কারণটা তো জানাই আছে, সে আমার থেকে ডি.বি.র ব্যাপারে জানতে চাচ্ছে।

    ‘ওহ, বিদায় তাহলে। ভালো থেকো। আর তোমার ভাইয়ের সাথে দেখা হলে বলো যে আমি তাকে ঘৃণা করি।

    বলে লিলিয়ান চলে গেলো ওখান থেকে। এরপর আমি আর নেভির লোকটা একে অন্যের সাথে আবার হাতমিলিয়ে বললাম যে দেখা হয়ে ভালো লাগলো। ব্যাপারটা সবসময় আমাকে বেশ খোঁচায়। আমি সবসময় কারো সাথে দেখা হলে বলি ‘দেখা হয়ে ভালো লাগলো’। সত্যি বলতে আমার আসলে সাক্ষাৎ করে একদমই ভালো লাগে না। তবে এই দুনিয়ায় বাঁচতে হলে এসব বলা ছাড়া কোনো উপায়ও থাকে না।

    লিলিয়ানকে কারো সাথে দেখা করার অজুহাত দেওয়ার পর আমার আসলে ওখান থেকে বেরিয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো উপায়ই ছিল না। আর্নি কোনোরকমে ভালো কোনো গান বাজায় কি না সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করারও কোনো সুযোগ ছিল না। হ্যাঁ, জানি লিলিয়ান সিমন্স আর ঐ নেভির লোকটার সাথে বসলে আরো কিছুক্ষণ থাকা যাবে ক্লাবটাতে। তবে তাদের সাথে বসে বিরক্ত হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই আমার। তাই বেরিয়ে গেলাম ওখান থেকে। যদিও কোট পরে বেরুনোর সময় আমার বেশ রাগ লাগছিল। কিছু মানুষ সবসময়ই অন্যের মজা নষ্ট করে দেয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }