Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ১৩

    অধ্যায় তেরো

    হেঁটে আবার হোটেলে ফিরে গেলাম। পুরো একচল্লিশটা ব্লক হেঁটে গিয়েছিলাম। এমন না যে আমার তখন হাঁটতে ইচ্ছা করছিল বলে হেঁটে গিয়েছিলাম। আসলে তখন আমার আবার ট্যাক্সিক্যাবে চড়তে কোনো ইচ্ছা করছিল না। মাঝেমধ্যে ট্যাক্সিতে চড়তে খুব ক্লান্ত লাগে, ঠিক যেমনটা সবসময় এলিভেটরে চড়তে লাগে। মাঝেমধ্যে দূরত্ব যত বেশিই হোক না কেন অথবা যত উচ্চতায় যাওয়ারই দরকার লাগুক না কেন হাঁটাটাই ভালো। ছোটোবেলায় আমি প্রায়ই বারোতলায় থাকা আমাদের অ্যাপার্টমেন্টে হেঁটে উঠতাম।

    হাঁটার সময় বাইরে কোনো তুষার পড়ছিল কি না তা বুঝাও যায়নি। সাইডওয়াকে তুষার একদমই কম ছিল। তবে ঠান্ডা ছিল প্রচণ্ড। ঠান্ডার তীব্রতায় আমিও তখন পকেট থেকে আমার লাল হান্টিং টুপিটা বের করে এনে মাথায় পরে নিয়েছিলাম। টুপি পরে আমাকে কেমন দেখাচ্ছিল সেটা তখন মাথায়ও ছিল না। এমনকি কানের ঢাকনি নামিয়ে কানও ঢেকে নিয়েছিলাম। পেন্সির কে আমার হাতের গ্লাভসগুলো মেরে দিয়েছিল তা জানতে বেশ ইচ্ছা করছিল তখন। হাতগুলো বরফে জমে যাচ্ছিল প্রায়। এমন না যে কে নিয়েছে জানতে পারলে সেটা নিয়ে তেমন কিছু করতাম। আমি কাপুরুষ স্বভাবের ছেলে। যদিও এটা দেখানোর চেষ্টা করি না, তবে আমি খুবই ভীতু। পেন্সি থেকে কে আমার হাতমোজাগুলো মেরেছে জানতে পারলে আমি হয়তো ঐ চোরের রুমে গিয়ে জিজ্ঞেস করতাম, ‘আচ্ছা, তুমি দরকারেই নিয়েছিলে মানলাম, এখন আমার গ্লাভসগুলো ফেরত দিয়ে দাও।’ এরপর হয়তো ঐ চোর খুবই নিরীহ নিষ্পাপ কণ্ঠে বলত, ‘কীসের গ্লাভস?’ এরপর আমি হয়তো আর কিছু না বলে তার ক্লজেটের কাছে চলে যেতাম, তারপর ক্লজেট থেকে গ্লাভসগুলো খুঁজে বের করতাম। হয়তো কোনো পলিথিনের ব্যাগে থাকত ওগুলো। এরপর গ্লাভসগুলো বের করে এনে তার সামনে ধরে জিজ্ঞেস করতাম, ‘আমার মনে হয় এই গ্লাভসগুলো তোমার?’ তারপর চোরটা হয়তো মুখে খুবই নিরীহ ভাব ফুটিয়ে আমাকে বলত, ‘আমি আগে কখনো ওই গ্লাভসগুলো দেখিনি। ওগুলো যদি তোমার হয়ে থাকে, তাহলে নিয়ে যাও। ওগুলোর কোনো দরকার নেই আমার।’ এরপর আমি হয়তো গ্লাভসগুলো হাতে নিয়ে আরো পাঁচমিনিট দাঁড়িয়ে থাকতাম। আমার হয়তো ইচ্ছা করত চোরটার মুখে ঘুষি মেরে দাঁত ফেলে দিতে। তবে ওরকম কিছু করার সাহসটা পেতাম না। খুবই রাগান্বিত ভঙ্গিতে শুধু দাঁড়িয়ে থাকতাম ওখানে। ঘুষি মারার বদলে আমি হয়তো তাকে ক্ষেপিয়ে তোলার মতো কোনো কড়া কথা বলতাম। এরপর চোরটা ক্ষেপে গিয়ে আমার চোখে চোখ রেখে রাগান্বিত কণ্ঠে বলত, ‘কলফিল্ড, তুমি কি আমাকে চোর বলছো?’ এরপর আমি হয়তো বলতে চাইতাম, ‘হ্যাঁ, হারামজাদা, তুই একটা চোর!’ তবে এটা না বলে শুধু বলতাম, ‘না, তোমাকে চোর বলছি না। তবে গ্লাভসগুলো তো তোমার ক্লজেটেই পাওয়া গেছে।’ ঠিক তখনই চোরটা বুঝে যেত যে আমি তাকে কোনো ঘুষিটুষি দেবো না, তখন সে আমাকে বলত, ‘ব্যাপারটা পরিষ্কার করা যাক, তুমি কি আমাকে চোর মনে করছ, কলফিল্ড?’ তখন আমি হয়তো বলতাম, ‘এখানে কেউই কাউকে চোর বলছে না। ব্যাপারটা হলো আমার গ্লাভসগুলো তোমার ক্লজেটে পাওয়া গেছে।’ হয়তো এরকমই উত্যক্ত বাক্য বিনিময়ই চলতো কয়েক ঘণ্টা। অবশেষে চোরটাকে কোনো ঘুষিটুষি না মেরেই আমি হয়তো বেরিয়ে আসতাম তার রুম থেকে। চলে যেতাম টয়লেটে। টয়লেটে গিয়ে একটা সিগারেট ধরিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের রাগান্বিত চেহারাটা দেখতাম কিছুক্ষণ। যাই হোক, হোটেলে ফেরার সময় পুরোটা রাস্তাই এটা ভাবতে ভাবতে ফিরেছি ভীতু স্বভাবের হওয়াটা খুব একটা আনন্দের কিছু না। হয়তো আমি অতটা কাপুরুষ স্বভাবের ছেলেও না। আমি জানি না ঠিক। হয়তো আমি আংশিক ভীতু আর আংশিক বেখেয়ালি। আমার একটা সমস্যা হলো—কোনো কিছু হারিয়ে গেলে সেটা নিয়ে তেমন একটা মাথা ঘামাই না। ছোটোবেলা থেকেই আমার মা আমার এই স্বভাবটা সহ্য করতে পারে না। কোনো কিছু হারিয়ে গেলে অন্যান্য মানুষরা হয়তো কয়েকদিন ধরে ওটাকে খুঁজে, তবে হারানো জিনিস খোঁজায় আমার কখনোই তেমন একটা আগ্রহ হয় না। হয়তো এজন্যই আমি আংশিক ভীতু। এটা যদিও কোনো অজুহাত নয়। তবে খেয়াল রাখায় আমি খুব একটা ভালো নই। চোরটাকে মোজা দিয়ে মুখে ঝাপ্টা দেওয়ার বদলে আমি ধাক্কা দিয়ে জানালা দিয়ে ফেলে দেওয়া বা কুঠার দিয়ে মাথা কেটে ফেলাতেই বেশি আগ্রহী। হাতাহাতির লড়াই আমার খুব একটা পছন্দ না। মার খেতে আমি খুব একটা অপছন্দ করি না—তবে এটাতে আমার আগ্রহও খুব একটা বেশি নেই। এটাই স্বাভাবিক। তবে হাতাহাতির লড়াইয়ে আমার সবচেয়ে ভয় লাগে যার সাথে লড়ছি তার চেহারা। এটাই আমার সমস্যা। আমি অন্য লোকের মুখের দিকে অতটা তাকিয়ে থাকতে পারি না। লড়াইয়ে থাকা দুইজনের চোখই কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখলে কিন্তু অতটা মন্দ হয় না। ভাবতে গেলে আমার কাপুরুষতা আসলে কিছুটা হাস্যকর, তবে এটা কাপুরুষতাই। এটা সত্যিই বলছি।

    যতই আমার গ্লাভস আর কাপুরুষতা নিয়ে ভাবছিলাম ততই হতাশ হচ্ছিলাম। তাই হাঁটা অবস্থায়ই সিদ্ধান্ত নিলাম যে রাস্তায় থেমে কোথাও থেকে ড্রিঙ্ক করে যাবো। আর্নিতে আমি মাত্র তিনটা ড্রিঙ্কস নিয়েছিলাম। শেষের ড্রিঙ্কটা তো শেষও করতে পারিনি। আমার ড্রিঙ্কিং ক্ষমতা অসীম। যদি মুডে থাকি, তাহলে সারারাত ধরে ড্রিঙ্ক করলেও আমার মধ্যে এর কোনো ছাপই দেখা যায় না। হুটন স্কুলে থাকাকালে রেমন্ড গোল্ডফার্বের সাথে মিলে এক শনিবার রাতে চ্যাপেলে বসে এক পাঁইট স্কচ শেষ করেছিলাম। কেউই আমাদেরকে ড্রিঙ্ক করতে দেখেনি। রেমন্ড অবশ্য প্রচুর মাতাল হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু আমার মধ্যে এর কোনো ছাপই ছিল না। পুরোপুরি স্বাভাবিক ছিলাম। বিছানায় যাওয়ার আগে বমি করেছিলাম। তবে স্কচের প্রভাবে না, বমি করেছিলাম নিজেই জোর করে।

    যাই হোক, হোটেলে যাওয়ার আগে একটা জীর্ণশীর্ণ বারের দিকে পা বাড়ালাম। বারে ঢোকার আগেই দুইজন লোক বেরিয়ে এলো বার থেকে। দুইজনই বদ্ধ মাতাল। বেরিয়ে আমার কাছে সাবওয়েটা কোথায় জানতে চাচ্ছিল। দুইজনের মধ্যে একজন দেখতে কিউবান। লোকটার মুখ থেকে মদের বাজে গন্ধ বেরুচ্ছিল শুধু। কোনোরকমে গন্ধ সহ্য করে পথ দেখিয়ে দিলাম ওদেরকে। তবে ওদেরকে পথ দেখাতে গিয়ে আমার নিজেরই আর বারে যাওয়া হয়নি। তাই হোটেলেই ফিরে গেলাম।

    লবিটা পুরোপুরি খালি ছিল। পঞ্চাশ মিলিয়ন পোড়া সিগারের গন্ধ আসছিল শুধু। আসলেই। আমার তখনও ঘুম ধরেনি, তবে খুবই বাজে লাগছিল। প্রচণ্ড হতাশ হয়েছিলাম। মরে যাওয়ার প্রার্থনাই প্রায় করে বসেছিলাম তখন।

    তারপর হঠাৎ করেই বিশাল এক বিপদে পড়ে গেলাম।

    এলিভেটরের কাছে যেতেই এলিভেটরে থাকা লোকটা আমাকে বলে বসলো, ‘সময় কাটানোয় কি কোনো আগ্রহ আছে তোমার, বন্ধু? নাকি বেশি রাত হয়ে গেছে তোমার জন্য?’

    ‘কী বলতে চাচ্ছেন?’ জিজ্ঞেস করলাম। বুঝতে পারছিলাম না লোকটার কীসের দিকে ইঙ্গিত করছে বা করতে চাচ্ছে।

    ‘রাতে আনন্দ করায় কোনো আগ্রহ আছে?’

    ‘কার? আমার?’ বললাম। যেটা আসলেই খুবই গর্দভের মতো একটা উত্তর ছিল। তবে কেউ যদি নিজে থেকে এগিয়ে এসে কাউকে এই প্রশ্ন করে তখন এই উত্তরটা বেশ লজ্জাজনকও বটে।

    ‘বয়স কত তোমার বন্ধু?’ এলিভেটরের লোকটা জিজ্ঞেস করল।

    ‘কেন?’ আমি বললাম। ‘বাইশ।’

    ‘আচ্ছা। তাহলে সিদ্ধান্ত কী? আগ্রহ আছে? একবারের জন্য পাঁচ ডলার। পুরো রাতের জন্য পনেরো ডলার।’ বলে হাত ঘড়ির দিকে তাকালো লোকটা। ‘দুপুর পর্যন্ত। একবারের জন্য পাঁচ ডলার, দুপুর পর্যন্ত পনেরো ডলার।’

    ‘আচ্ছা,’ বললাম। ব্যাপারটা আমার নীতির বাইরে ছিল, তবে আমি খুবই হতাশ বোধ করছিলাম, আমি তখন কিছুই ভাবিনি। এটাই আসলে সমস্যাটা। হতাশবোধ করলে ঠিকমতো ভাবার মতোও আগ্রহ পাওয়া যায় না।

    ‘কী আচ্ছা? একবার নাকি দুপুর পর্যন্ত? আমার তো এটা জানা লাগবে।’

    ‘একবার শুধু।’

    ‘আচ্ছা, রুম কোনটা তোমার?’

    লাল রঙের চাবিতে থাকা নাম্বারটার দিকে একবার তাকালাম। বললাম, ‘বারোশো বাইশ।’ বলেই মনে হলো এভাবে গড়গড় করে সত্যিটা বলে দেওয়া ঠিক হয়নি। তবে তখন আর কিছুই করার ছিল না।

    ‘আচ্ছা। পনেরো মিনিটের মধ্যেই মেয়ে পাঠিয়ে দিচ্ছি।’ বলে এলিভেটরের দরজা খুলে বেরিয়ে এলো লোকটা।

    ‘মেয়েটা দেখতে ভালো?’ জিজ্ঞেস করলাম। ‘আমি কোনো বুড়ি চাই না।’

    ‘বুড়ো কাউকে পাঠাবো না। ওটা নিয়ে চিন্তা করো না, বন্ধু।’

    ‘টাকা কার কাছে দেবো?’

    ‘তাকেই দেবে,’ বলল লোকটা। ‘চলো তাহলে, বন্ধু।’ বলে দরজা লাগালো লোকটা, বলতে গেলে আমার মুখের ওপরই দরজা লাগিয়ে দিয়েছিল।

    রুমে গিয়ে মাথায় পানি দিয়ে চুলগুলো একটু ঠিক করে নিলাম। জটলাগা চুলে তো আর চিরুনি চালানো যায় না ঠিকমতো। এরপর চেক করলাম মুখে কোনো গন্ধ আছে কি না। আর্নিতে প্রচুর সিগারেট, স্কচ আর সোডা খেয়েছিলাম, গন্ধ থাকাটাই স্বাভাবিক। গন্ধ শোঁকার জন্য মুখের সামনে হাত ধরে নাকের দিকে শ্বাস ছাড়লেই হয়। শ্বাস ছেড়ে দেখলাম অতটা গন্ধ ছিল না, তারপরও দাঁত মেজে নিলাম। এরপর আরেকটা পরিষ্কার শার্ট পরে নিলাম। জানি পতিতার জন্য অতটা পরিপাটি হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই, তবে এতে তো অলস বসে থাকা লাগছিল না। কিছুটা নার্ভাসও ছিলাম তখন। হ্যাঁ, আমার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিল ঠিকই, তবে হালকা নার্ভাসনেস একটা লেগেই ছিল। আসলে সত্যটা হলো আমি ভার্জিন। সত্যিই আমি ভার্জিন। ভার্জিনিটি হারানোর সুযোগ যে আমি পাইনি তা নয়, কিন্তু কখনোই সুযোগগুলো কাজে লাগেনি। প্রতিবারই কিছু না কিছু একটা ঘটতোই। এই যেমন—মেয়ের বাসায় গেলে তার বাবা-মা ভুল সময়ে ফিরে আসতো বাসায়, বা আমারই ভয় লাগতো কখন তারা ফিরে আসে সেটা ভেবে। অথবা কারো গাড়ির ব্যাকসিটে থাকলে, সামনের সিটে বসা ছেলের ডেট মানে মেয়েটা সবসময়ই নিজের থেকে বেশি খেয়াল করত পুরো গাড়িতে কি হচ্ছে সেটা নিয়ে। মানে সামনের সিটে বসা মেয়েটা মাথা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আশেপাশে কী ঘটনা ঘটছে সেটার দিকেই খেয়াল রাখতো বেশি। যাই হোক, কিছু না কিছু ঘটতোই। যদিও বেশ কয়েকবার অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিলাম। একবারের কথা আমার মনে আছে। অবশ্য ঐদিন কিছু একটা সমস্যা হয়েছিল এর থেকে বেশি আর কিছু মনে নেই। ব্যাপারটা হলো বেশির ভাগ সময়ই যখন কেউ কোনো মেয়ের সাথে অনেকদূর পর্যন্ত এগিয়ে যায়—মানে পতিতা বা ভাড়াটে নয় এমনে মেয়েরা… তখন তারা ছেলেদেরকে বলে থামতে। আমার সমস্যাটা হলো, আমি বললে থেমে যাই—যেখানে অন্যান্য ছেলেরা থামে না। এখানে আমি আসলে নিরুপায়। ঐসময় তো আসলে নিশ্চিতভাবে বুঝার উপায় থাকে না মেয়েটা আসলেই থামতে বলছে, নাকি ধরা পড়ার প্রচণ্ড ভয় পেয়ে বলছে, নাকি থামতে বলার পরও এগিয়ে গেলে ধরা পড়লে তারা সম্পূর্ণ দোষটা আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দেবে। যাই হোক, আমি থেমেই যাই। সমস্যাটা হলো, আমার আসলে তাদের জন্যই খারাপ লাগে। মানে বেশির ভাগ মেয়েই বোকাসোকা ধরনের। কিছুক্ষণ চুমু খাওয়ার পরই দেখা যায় যে তারা তাদের সব জ্ঞানবুদ্ধি হারিয়ে পেলেছে। যখন কোনো মেয়ে আসলেই প্রচুর প্যাশনেট হয়ে উঠে, তখন বুঝাই যায় যে তার জ্ঞানবুদ্ধি লোপ পেয়ে গেছে। আমি আসলে জানি না ঠিক। তারা আমাকে থামতে বলত, তাই আমি থেমে যেতাম। যদিও তাদেরকে বাসায় ফিরিয়ে দেওয়ার পর আমি সবসময়ই আফসোস করতাম, না থামলেই হয়তো ভালো হতো, কিন্তু তারপরও আমি এই অভ্যাসটা ছাড়তে পারিনি।

    যাইহোক, পরিষ্কার শার্ট পরার সময় আমার মনে হলো যে এটা একদিক দিয়ে আমার জন্য অনেক বড়ো একটা সুযোগ। ভাবছিলাম মেয়েটা যদি পতিতাই হয়ে থাকে, তাহলে যদি কোনোদিন বিয়ে-টিয়ে করি তাহলে সেটার জন্য একটা প্র্যাক্টিস হবে। ওসব ব্যাপার নিয়ে মাঝেমধ্যেই বেশ দুঃশ্চিন্তা করি আমি। হুটন স্কুলে পড়ার সময় একটা বই পড়েছিলাম। বইটাতে খুবই মার্জিত, বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন এবং আকর্ষণীয় এক লোকের কথা লেখা ছিল। আমার এখনো মনে আছে লোকটার নাম ছিল মঁশিয়ে ব্ল্যাঞ্চার্ড। বইটা অবশ্য খুব একটা ভালো ছিল না, তবে ব্ল্যাঞ্চার্ড চরিত্রটা খুবই ভালো ছিল। লোকটা ইউরোপের রিভেরিয়ার এক বড়ো ম্যানশনে থাকত, আর লোকটা তার অবসর সময়ে একটা দন্ড দিয়ে মহিলাদের পেটাতো। লোকটা আসলেই খুবই লম্পট টাইপের ছিল, তবে সে ঠিকই মহিলাদের পটিয়ে ফেলতো। বইয়ের একটা অংশে সে বলেছিল, মহিলাদের শরীর হচ্ছে একটা ভায়োলিনের মতো এবং সেই ভায়োলিনটা সঠিকভাবে বাজানোর জন্য খুবই ভালো মিউজিশিয়ান হওয়া লাগে। বইটা একদমই বস্তাপচা মানের ছিল ঠিকই, তবে কখনোই মন থেকে ঐ ভায়োলিনের অংশটা দূর করতে পারিনি আমি। সত্যি বলতে ঐ কারণেই আমার প্র্যাক্টিসের ইচ্ছাটা ছিল। যদি কখনো বিয়ে করি তাহলে তা কাজে লাগানো যাবে। কলফিল্ড আর তার জাদু ভায়োলিন, আহ! আমি জানি ব্যাপারটা অনেকটা সেকেলে টাইপের, তবে ঠিক ততটাই সেকেলে নয় এটা। ঐ ব্যাপারটায় হালকা একটু দক্ষ হতে কোনো আপত্তি নেই আমার। সত্যি বলতে, কোনো মেয়ের সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় গেলে বেশির ভাগ সময়ই আমি যেটা চাচ্ছি সেটা খুঁজে বের করতেই বেশি সমস্যা হয়। মানে বুঝতেই তো পারছেন কী বুঝাতে চাচ্ছি। উদাহরণস্বরূপ, আগেই তো বলেছি একটা মেয়ের সাথে আমি সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্সের সুযোগটা মিস করেছিলাম। তখন আসলে মেয়েটার বুকের অন্তর্বাস খুলতেই প্রায় ঘণ্টাখানেক লেগেছিল আমার। যখন শেষমেশ সেটা খুলেছিলাম, তখন দেখি মেয়েটা আমার চোখের দিকে থুথু ছুড়ে মারছে।

    যাই হোক, রুমের মধ্যে পায়চারি করছিলাম তখন। অপেক্ষা করছিলাম পতিতা মেয়েটার আসার। আশা করছিলাম মেয়েটা দেখতে খুবই ভালো চেহারার হবে। এছাড়া অবশ্য আর কিছু নিয়ে তেমন একটা ভাবিনি। আমি আসলে কোনোরকমে কাজটা শুধু শেষ করে ফেলতে চাচ্ছিলাম। অনেকক্ষণ পর কেউ নক করল দরজায়। দরজা খোলার জন্য পা বাড়াতেই স্যুটকেসে হোঁচট খেয়ে উলটে পড়ে গেলাম। স্যুটকেসটা যে দরজার দিকে যাওয়ার পথে রেখে দিয়েছিলাম সেটা খেয়ালই ছিল না। আরেকটু হলে হাঁটু প্রায় ভাঙতে বসেছিল আমার। আমি সবসময় স্যুটকেস বা কোনো কিছুতে হোঁচট খেয়ে পড়ার জন্য দারুণ দারুণ কিছু সময় বেছে নিই।

    যখন দরজা খুললাম তখন দেখি পতিতা মেয়েটা দাঁড়িয়ে আছে দরজার সামনে। মেয়েটার গায়ে একটা পোলো কোট, কোনো টুপি ছিল না। মেয়েটা অনেকটা স্বর্ণকেশি, তবে তাকে দেখেই বুঝা যাচ্ছিল চুলগুলো রং করা। আর মেয়েটা কোনো বুড়ি-টুড়িও ছিল না। ‘কেমন আছো তুমি,’ জিজ্ঞেস করলাম, যতটা ভদ্রভাবে সম্ভব।

    ‘আপনিই কি মরিসের বলা লোকটা?’ জিজ্ঞেস করল মেয়েটা। মেয়েটাকে অতটা বন্ধুবৎসল দেখাচ্ছিল না।

    ‘মরিস কি এলিভেটরের ছেলেটা?’

    ‘হ্যাঁ,’ মেয়েটা বলল।

    ‘হ্যাঁ, আমার কথাই বলেছে। ভেতরে আসো?’ বললাম। যতই সময় যাচ্ছিল ততই আমি আরো বেশি নির্বিকার হচ্ছিলাম। আসলেই…।

    মেয়েটা ভেতরে ঢুকে প্রথমেই তার কোটটা খুলে ছুড়ে মারলো বিছানার ওপর। কোটের নিচে একটা সবুজ জামা পরে রেখেছিল। এরপর এগিয়ে গিয়ে রুমের ডেস্কের সামনে থাকা চেয়ারটায় আধপাশ হয়ে বসে পা ঝাড়া দেওয়া শুরু করল। এরপর পা ভাঁজ করে অন্য পাটাও ঝাড়া দিলো কিছুক্ষণ। পতিতা হলেও মেয়েটা প্রচুর নার্ভাস ছিল। আমার মনে হয় বয়স কম ছিল বলেই সে বেশি উদ্বেগে ছিল। মেয়েটার বয়স আমার সমানই হবে। আমি এগিয়ে তার পাশে থাকা বড়ো চেয়ারটায় বসে তাকে সিগারেট সাধলাম। ‘আমি ধুমপান করি না,’ মেয়েটা বলল। মেয়েটার কণ্ঠ অনেক বেশি চিকন, বলার সময় বলেও অনেকটা নাকি সুরে। তার কথা ভালোভাবে শোনাই বেশ কঠিন ছিল। অবশ্য মেয়েটাকে প্রত্যুত্তরে ধন্যবাদও বলেনি। স্বাভাবিকভাবে কাউকে কিছু সাধলে সেটা ফিরিয়ে দিলেও অন্তত ধন্যবাদ বলে সবাই। মনে হয় মেয়েটা এসব এতো ভালো করে জানতো না।

    ‘পরিচয়ই তো দেওয়া হয়নি আমার। আমার নাম জিম স্টিল,’ বললাম।

    ‘ঘড়ি আছে না আপনার কাছে?’ মেয়েটা বলল। আমার নাম কি সেটা নিয়ে তার তেমন কোনো চিন্তাই ছিল না। এটাই স্বাভাবিক। ‘যাইহোক, আপনার বয়স কত?’

    ‘আমার? বাইশ।’

    ‘বেশ মজার।’

    কথাটা শুনতে একটু আজব লাগলো আমার। কথা শুনেই মনে হচ্ছিল মেয়েটা বাচ্চাগোছের। পতিতারা সাধারণত ‘গুল মারবেন না’ বা ‘আসলটা বলুন’ জাতীয় কিছুই বলে ভাবে সবাই, কিন্তু ‘বেশ মজার’ কথাটা কেউ তেমন বলে না।

    ‘তোমার বয়স কত?’ জিজ্ঞেস করলাম।

    ‘জানার মতো যথেষ্ট বয়স হয়েছে,’ বলল মেয়েটা। বেশ বুদ্ধিমতি ছিল ও। ‘আপনার কাছে ঘড়ি আছে তো? সময় দেখেছেন?’ আবারও জিজ্ঞেস করল মেয়েটা। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে জামাটা খুলে ফেললো।

    মেয়েটা ওই কাজ করায় বেশ অদ্ভুত লাগলো আমার। মানে মেয়েটা হুট করেই জামা খুলে ফেলেছে। আমি জানি কেউ যখন উঠে দাঁড়িয়ে মাথা গলিয়ে তার পোশাক শরীর থেকে খুলে ফেলে তখন একধরনের উত্তেজনা অনুভব করার কথা। কিন্তু আমার তেমন কোনো উত্তেজনাই অনুভূত হচ্ছিল না। সত্যি বলতে উত্তেজনা অনুভবের বদলে আমার হতাশই লাগছিল বেশি।

    ‘হেই, ঘড়ি দেখেছেন তো আপনি?

    ‘না। না। দেখিনি,’ বললাম। খোদা, খুবই অদ্ভুত লাগছিল আমার। ‘নাম কি তোমার?’ জিজ্ঞেস করলাম। মেয়েটার শরীরে তখন গোলাপী অন্তর্বাস ছিল শুধু। ব্যাপারটা বেশ বিব্রতকর ছিল। আসলেই প্রচুর বিব্রতকর…।

    ‘সানি,’ সে বলল। ‘তো শুরু করুন।’

    ‘তোমার কি মনে হয় না আমাদের আগে কিছুটা কথা বলে নেওয়া উচিৎ?’ জিজ্ঞেস করলাম। কথাটা বেশ বাচ্চাসুলভ শোনালেও আমার খুবই অনুভূত হচ্ছিল তখন। ‘কোনো তাড়া আছে কি তোমার?’

    মেয়েটা আমার দিকে এমনভাবে তাকালো যেন আমি কোনো বদ্ধ পাগল। ‘কী নিয়ে কথা বলতে চান আপনি?’ সে বলল।

    ‘আমি জানি না। বিশেষ কিছু না। ভাবলাম তুমি হয়তো কিছুক্ষণ আলাপ করতে চাইবে।’

    সে আবারো ডেস্কের পাশে থাকা চেয়ারটায় বসে পড়লো। যদিও ব্যাপারটা ওর পছন্দ হয়নি, ওটা আচরণেই বুঝা যাচ্ছিল। বসে আবারো পা ঝাড়া দেওয়া শুরু করল ও। খোদা, মেয়েটা আসলেই খুব নার্ভাসগোছের ছিল।

    ‘এখন কি একটা সিগারেট খাবে?’ বললাম। ভুলেই গিয়েছিলাম যে মেয়েটা ধূমপান করে না।

    ‘আমি সিগারেট খাই না। শুনুন, আপনি যদি কথা বলতে চান, তাহলে তাই করুন। কিন্তু আমার কাজ অন্যটা।’

    আমার আসলে তখন বলার মতোও কিছু ছিল না। আমি ভাবছিলাম সে কীভাবে পতিতা ব্যবসায় এলো সেটা জিজ্ঞেস করবো, কিন্তু ভয় লাগছিল মেয়েটা আবার ক্ষেপে যায় কি না। জিজ্ঞেস করলে সে হয়তো উত্তরটা বলতও না।

    ‘তুমি তো নিউইয়র্ক থেকে আসোনি, তাই না?’ শেষমেশ বললাম। এটুকুই শুধু ভাবতে পারছিলাম তখন।

    ‘হলিউড থেকে এসেছি,’ সে বলল। এরপর সে উঠে দাঁড়িয়ে বিছানা থেকে তার জামাটা তুলে নিয়ে বলল, ‘আপনার কাছে কি হ্যাঙার আছে? আমি চাই না পোশাকটায় কোনো ভাঁজ পড়ুক। এটা ব্র্যান্ডের, আর পরিষ্কারও।’

    ‘অবশ্যই,’ সাথে সাথেই বললাম। আমার আসলে তখন উঠে দাঁড়িয়ে একটা কিছু করতে পারাতেই বেশি ভালো লাগছিল। নিজেই তার জামাটা নিয়ে হ্যাঙ্গারে লাগিয়ে ক্লজেটে রেখে দিলাম। ব্যাপারটা বেশ অদ্ভুত ছিল। তবে জামাটা ক্লজেটে ঝুলিয়ে রাখার সময় একটু খারাপ লাগছিল। কল্পনা করছিলাম মেয়েটা দোকান থেকে জামাটা কেনার সময় দোকানের কেউই হয়তো ভাবেনি যে সে একজন পতিতা। কেনার সময় দোকানদার হয়তো তাকে সাধারণ একটা মেয়েই ভেবেছিল। এতে আমার খুবই খারাপ লাগছিল। ঠিক জানি না কেন এতো খারাপ লাগছিল।

    রাখার পর আবারো বসে পুরোনো আলাপটা বাড়ানোর চেষ্টা করলাম। মেয়েটার কথোপকথনের স্কিল খুবই খারাপ ছিল। ‘তুমি কি প্রতি রাতেই কাজ করো?’ জিজ্ঞেস করলাম। প্রশ্নটা করার পর আমার নিজের কাছেই বাজে লাগছিল।

    ‘হ্যাঁ।’ বলে রুম জুড়ে হাঁটা শুরু করল মেয়েটা। হাঁটতে হাঁটতে ডেস্কের ওপরে থাকা মেন্যুটা পড়ছিল।

    ‘সারাদিন কী করো?’

    শুনে কাঁধ ঝাড়া দিয়ে উঠলো সানি। মেয়েটা দেখতে যথেষ্ট শুকনো। ‘ঘুমাই। শো দেখতে যাই।’ বলে মেন্যুটা নামিয়ে রেখে আমার দিকে তাকালো ও। ‘শুরু করা যাক। আমার হাতে পুরো রা…’

    ‘দেখো,’ আমি বললাম। ‘আমার আসলে আজ রাতে কিছু করার ইচ্ছা নেই। খুব বাজে একটা রাত কাটিয়েছি আমি। সত্যি কথা। আমি তোমাকে পুরো টাকাই দেব, তবে আমি যদি কাজটা না করি তাতে কি তুমি মাইন্ড করবে?’ ব্যাপারটা হলো, আমি আসলে বিছানায় শোয়ার কাজটা করতেই চাচ্ছিলাম না। আমার তখন যৌন উত্তেজনার থেকে হতাশই লাগছিল বেশি। এটাই সত্য কথা। আর মেয়েটা হতাশাজনক ছিল। তার সবুজ জামাটা ক্লজেটে ঝুলছিল। আর তাছাড়া আমার মনে হচ্ছিল না সারাদিন বসে স্টুপিড মুভি দেখা কারো সাথে আমি যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে পারবো। আমার আসলেই মনে হয় না যে আমি পারবো।

    আমার দিকে এগিয়ে এলো মেয়েটা। মেয়েটার মুখে অদ্ভুত একটা চাহনি ফুটে ছিল। চাহনিটা এমন যেন সে আমাকে বিশ্বাসই করতে পারছে না। ‘ঘটনা কী আসলে?’ সে জিজ্ঞেস করল।

    ‘কোনো কিছুই না।’ খোদা, প্রচণ্ড নার্ভাস লাগছিল আমার। ‘ব্যাপারট হলো কয়েকদিন আগেই আমার একটা অপারেশন হয়েছে।’

    ‘তাই? কোথায়?’

    ‘আমার… এটাকে কী বলা যায়—আমার ক্ল্যাভিকর্ডে।’

    ‘তাই? এটা আবার শরীরের কোন জায়গায়?’

    ‘ক্ল্যাভিকর্ড?’ আমি বললাম। ‘এটা আসলে স্পাইনাল ক্যানালে। মানে স্পাইনাল ক্যানালের গভীরে প্রায়।’

    ‘তাই?’ সে বলল। ‘বাজে অবস্থা তাহলে।’ বলে সে আমার কোলে চড়ে বসলো এরপর। ‘আপনি বেশ কিউট।’

    মেয়েটা আমাকে এত নার্ভাস করে তুলেছিল অনর্গল মিথ্যাই বলে যাচ্ছিলাম। ‘আমি এখন রোগ থেকে সেরে উঠছি মাত্র।’ বললাম।

    ‘আপনাকে দেখতে মুভির একটা নায়কের মতো লাগে। আপনি চেনেন তাকে। কি যেন নাম… আপনি জানেন আমি কাকে বুঝাচ্ছি। কী যেন নাম লোকটার?

    ‘আমি জানি না।’ বললাম। মেয়েটা তখনো আমার কোলেই বসেছিল।

    ‘অবশ্যই আপনি জানেন। মেল-ভাইন ডগলাসের সাথে পিচারে ছিল লোকটা। মেল-ভাইন ডগলাসের ছোটো ভাই। ঐ যে নৌকা থেকে পড়ে গিয়েছিল যে? আপনি জানেন আমি কাকে বুঝাচ্ছি।’

    ‘না। আমি জানি না। আমি খুবই কদাচিৎ মুভি দেখি। সত্যি বলতে যতটা পারি না দেখার চেষ্টা করি বলা যায়।’

    উত্তরটা শুনে একটু অদ্ভুত আচরণ করতে শুরু করল মেয়েটা। অনেকটা অসভ্য আচরণ প্রায়।

    ‘তুমি কি কাজটা বাদ দিতে পারবে?’ বললাম। ‘আমার মুডই নেই। মাত্ৰই বলেছি, কয়েকদিন আগেই একটা অপারেশন হয়েছে আমার।’

    কিন্তু মেয়েটা আমার ওপর থেকে উঠলো না। বরং এর বদলে কামুকে দৃষ্টিতে তাকালো আমার দিকে। ‘শুনুন,’ সে বলল, ‘ঐ পাগল মরিস ডেকে তোলার সময় আমি ঘুমাচ্ছিলাম। আপনি যদি ভাবেন আমি…’

    ‘আমি তো বলেছিই আসার জন্য তোমাকে পুরো টাকা দেবো। সত্যিই দেবো। আমার কাছে প্রচুর টাকা আছে। ব্যাপারটা আসলে আমি খুবই মারাত্মক একটা অপারেশন সেরে উঠ…’

    ‘তাহলে ঐ মরিসের কাছে আপনি কোন দুঃখে মেয়ে চেয়েছিলেন? আপনার যদি মাত্রই ক্ল্যাভিকর্ড না ফ্ল্যাভিকর্ডে অপারেশন হয়ে থাকে তাহলে মেয়ে ডেকেছিলেন কেন?’

    ‘আমি ভেবেছিলাম আমার হয়তো আরেকটু বেশি ভালো লাগার কথা। হিসেবে হালকা একটু ভুল হয়ে গেছে। মজা করছি না। আমি স্যরি। তুমি যদি আমার ওপর থেকে সরে বসতে, তাহলে ওয়ালেটটা বের করতে পারতাম। সত্যিই বলছি।’

    খুবই বিরক্ত হলো মেয়েটা, তবে আমার ওপর থেকে ঠিকই সরে গেল। আমিও ডেস্কের ড্রয়ার থেকে ওয়ালেট বের করে পাঁচ ডলার দিলাম মেয়েটার হাতে। ‘অনেক ধন্যবাদ তোমাকে,’ আমি বললাম। ‘অনেক অনেক ধন্যবাদ।’

    ‘এটা তো মাত্র পাঁচ ডলার। বিল তো দশ ডলারের।’

    আমি জানি মেয়েটা আমার সাথে খেলা করা শুরু করেছে। আমি এমন কিছু ঘটারই ভয় পাচ্ছিলাম।

    ‘মরিস বলেছিল পাঁচ,’ আমি বললাম তাকে। ‘সে বলেছিল দুপুর পর্যন্ত হলে পনেরো, আর একবারের জন্য হলে পাঁচ।’

    ‘একবারের জন্য দশ।’

    ‘সে বলেছিল পাঁচ ডলার। আমি স্যরি, আমি আসলেই স্যরি—তবে আমি তোমাকে শুধু এটুকুই দেবো।’

    শুনে হালকা কাঁধ ঝাড়া দিয়ে উঠলো ও, আগেও একবার এভাবে কাঁধ ঝাড়া দিয়েছিল। তারপর সে খুবই শীতল গলায় বলল, ‘আপনি কি দয়া করে আমার ফ্রকটা এনে দিতে পারবেন? নাকি এতেও কোনো সমস্যা হবে?’ মেয়েটা খুবই ভয়ানক টাইপের বাচ্চা ছিল। এমনকি ঐ ক্ষীণ চিকন স্বরেও তাকে শুনলে যে কেউই কিছুটা ভয়ও পেয়ে যেতে পারে। যদি মেয়েটা বুড়ো অভিজ্ঞ পতিতা হতো আর মুখে প্রচুর পরিমাণ মেকআপ লাগানো থাকত, তাহলে মনে হয় না সে এর অর্ধেকও ভয়ানক হতো।

    উঠে গিয়ে তার জামাটা এনে দিলাম। জামাটা পরে বিছানায় থাকা পোলো কোটটা তুলে নিলো এরপর। ‘গুড বাই, ভঙ্গুর ছেলে,’ মেয়েটা বলল।

    ‘গুড বাই,’ আমিও বললাম। বলে অবশ্য এবার আমি তাকে ধন্যবাদ বলিনি। ভাগ্য ভালো যে ধন্যবাদ বলিনি। সে এটার যোগ্য না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }