Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ১৪

    অধ্যায় চৌদ্দ

    সানি চলে যাওয়ার পর আরো বেশ কিছুক্ষণ চেয়ারে বসে সিগারেট টানলাম। বাইরে তখন দিনের আলো ফুটতে শুরু করেছিল। খোদা, প্রচণ্ড বিষণ্ণ লাগছিল আমার। কেউ কল্পনাও করতে পারবে না কতটা হতাশ লাগছিল। চেয়ারে বসে সিগারেট টানতে টানতে জোরে জোরে কথা বলছিলাম শুধু। এলির সাথে কথা বলছিলাম। খুব বেশি হতাশ লাগলে আমি প্রায়ই একা একা এলির সাথে কথা বলি। আমি তাকে বারবারই বলছিলাম বাসায় গিয়ে তার বাইক নিয়ে এসে ববি ফেলনের বাসার সামনে এসে আমার সাথে দেখা করতে। কয়েক বছর আগে মেইনে আমাদের বাসার খুব কাছেই থাকত ববি ফেলনরা। যাই হোক, একদিন ববি আর আমি বাইকে করে লেক সেডেবেগোতে যাচ্ছিলাম। সাথে করে লাঞ্চ আর বিবি গান মানে খেলনা বন্দুকও নিয়েছিলাম আমরা। ঐ বয়সে আমরা ভেবেছিলাম খেলনা বন্দুক দিয়ে হয়তো কোনো কিছু লক্ষ্য করে গুলি করতে পারবো। যাই হোক, এলি আমাদের যাওয়ার ব্যাপারটা শুনে ফেলেছিল, সেও যেতে চেয়েছিল আমাদের সাথে। তবে আমি তাকে নিতে চাচ্ছিলাম না। বলেছিলাম যে সে বাচ্চা ছেলে, আমাদের সাথে তার যাওয়া ঠিক হবে না। তবে সে যেতেই চাচ্ছিল আমাদের সাথে। সেজন্য প্রায়ই খুব বেশি হতাশ লাগলে এলিকে সেদিন সান্ত্বনা দিয়ে যা বলেছিলাম তা-ই বলতে থাকি, ‘আচ্ছা, বাসায় যাও, গিয়ে তোমার বাইক নিয়ে এসো। ববি ফেলনের বাসার সামনে পাবে আমাকে। জলদি করো।’ এমন না যে আমি কোথাও গেলে এলিকে সাথে করে নিয়ে যেতাম না। তাকে প্রায়ই আমার সাথে করে নিয়ে যেতাম। তবে ঐদিনটায় তাকে নিয়ে যাইনি। এলি অবশ্য এতে মন খারাপ করেনি। সে আসলে কখনোই কোনো কিছু নিয়ে মন খারাপ করত না। তারপরও খুব বেশি হতাশ লাগলে আমার প্রায় সবসময়ই ঐদিনের কথাটা মনে পড়ে।

    অনেকক্ষণ বসে থাকার পর অবশেষে কাপড়চোপড় ছেড়ে বিছানায় গেলাম। মনে হচ্ছিল বিছানায় শুয়ে আমার কোনো প্রার্থনা করা দরকার। তবে কোনো প্রার্থনাই করতে পারিনি। আসলে ইচ্ছা করলেই আমি সবসময় প্রার্থনা করতে পারি না। এর কারণ প্রথমত, আমি এক প্রকারের নাস্তিক। যীশুকে আমি পছন্দ করি ঠিকই, তবে বাইবেলের অন্যান্য অনেক কিছুই আমার তেমন একটা ভালো লাগে না। এই যেমন ডিসাইপেল, মানে যীশুর শিষ্যদের কথাই বলা যাক, আমি তাদেরকে সহ্যই করতে পারি না। সত্যি বলতে তাদেরকে বিরক্তি লাগে। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে যীশু মারা যাওয়ার পর ভালো কাজ করা শুরু করেছিল, তবে যীশু বেঁচে থাকার সময় তারা কোনো কাজেরই ছিল না। সত্যি বলতে বেশির ভাগ সময়ই যীশুকে খর্ব করত তারা। এই শিষ্যরা ছাড়া বাইবেলের প্রায় অন্য সব চরিত্রকেই পছন্দ করি আমি। যীশুর পর আমার সবচেয়ে বেশি পছন্দ সমাধিতে বাস করা এবং নিজেকে সর্বদা পাথর দিয়ে আঘাত করা পাগল লোকটা। শিষ্যদের থেকে ঐ পাগলটাকে দশগুণ বেশি পছন্দ করি আমি। হুটন স্কুলে পড়াকালে আর্থার চাইল্ডসের সাথে প্রায়ই আমার এটা নিয়ে অনেক তর্ক হতো। আমাদের করিডোরেই থাকত চাইল্ডস। ছেলেটা খুবই ধার্মিক গোছের, সবসময়ই বাইবেল পড়ে। আচার-আচরণও খুব ভালো ওর, ওকে বেশ পছন্দ করতাম। তবে বাইবেল নিয়ে আলোচনার সময় তার চোখে চোখ রেখে কথা বলা খুব কঠিন ছিল, বিশেষ শিষ্যদের নিয়ে আলোচনায়। সে আমাকে সবসময়ই বলত আমি যদি শিষ্যদের পছন্দ না করি, তাহলে আমি নাকি যীশুকেই পছন্দ করি না। কারণ যীশু নিজেই তার শিষ্যদের বেছে নিয়েছিল, সেজন্যই আমাদের অবশ্যই তাদেরকে পছন্দ করা উচিৎ। বলতাম আমি জানি যীশু নিজেই তার শিষ্যদের বেছে নিয়েছিল, তবে যীশু তো সব দিক বিবেচনা করে বেছে নেয়নি, সবার ব্যাপারে খুঁটিনাটি বিবেচনা করার মতো পর্যাপ্ত সময়ই ছিল না যীশুর এমন না যে আমি এটার জন্য যীশুকে দোষারোপ করছি। হাতে সময় না থাকাটা যীশুর কোনো দোষ না। আমার মনে আছে চাইল্ডসকে জিজ্ঞেস করেছিলাম সে কি মনে করে যীশুর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা জুডাস আত্মহত্যা করার পর নরকে গিয়েছিল কি না। চাইল্ডস বলেছিল, অবশ্যই জুডাস নরকে প্রেরিত হয়েছে। ঠিক এই জায়গাতেই আমার সমস্যাটা। আমি বলেছিলাম আমি হাজার টাকা বাজি ধরে বলতে পারি যীশু জুডাসকে নরককে পাঠায়নি। আমার কাছে এখন হাজার টাকা থাকলে আমি এখনো এই কথাই বলবো। আমার ধারণা শিষ্যদেরই কেউ তাকে নরকে পাঠিয়েছিল এবং দ্রুতই, পাঠিয়েছিল, তবে যীশু এই কাজটা করেইনি। এটা শুনে চাইল্ডস বলত চার্চ বা প্রার্থনালয়ে না যাওয়াটাই নাকি আমার সমস্যা। একদিক কথাটা ঠিকই। আমার বাবা-মা ছিল ভিন্ন ধর্মের, আর আমরা ভাই-বোনদের কেউই ধর্মে অতটা বিশ্বাসী না। সত্যি বলতে আমি ধর্ম যাজকদের সহ্য করতে পারি না। আমি যতগুলো স্কুলে পড়েছি সবগুলোতেই ধর্মযাজক ছিল। ধর্ম নিয়ে বক্তৃতা দেওয়ার এমন পবিত্র স্বরের ভানে কথা বলত যে, খোদা, আমি একদমই সহ্য করতে পারতাম না। আমি বুঝি না নিজেদের সাধারণ কণ্ঠে বক্তৃতা দিলে তাদের কী ক্ষতি হবে। পুরোটাই লোক দেখানো ধাপ্পাবাজি শুধু।

    যাইহোক, শুয়ে কোনো প্রকার প্রার্থনাই করতে পারছিলাম না। যতবারই কিছু নিয়ে প্রার্থনা শুরু করছিলাম, ততবারই শুধু সানির রুক্ষ আচরণটার কথা মনে পড়ছিল। শেষমেশ না পেরে উঠে বসে আরেকটা সিগারেট ধরালাম। সিগারেটটা বিস্বাদ লাগছিল। পেন্সি থেকে বেরুনোর পর প্রায় দুই প্যাকেটের মতো সিগারেট টেনেছি, সেজন্যই হয়তো তখন সিগারেটও ভালো লাগছিল না।

    হঠাৎ করেই সিগারেট টানা অবস্থায় দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ শুনতে পেলাম। আশা করছিলাম টোকাটা যেন আমার দরজায় না হয়, কিন্তু জানতাম যে আমার দরজাতেই কড়া নাড়ছে কেউ। জানি না যে কীভাবে জানতাম, তবে জানতাম ঠিকই। আমি এটাও জানতাম যে দরজায় কে কড়া নাড়ছে। আমি অনেকটা সাইকিক টাইপের।

    ‘কে?’ বললাম। প্রচণ্ড ভয় পাচ্ছিলাম। আমার কাপুরুষতার ব্যাপারে তো আগেই বলেছিল।

    দরজার ওপাশ থেকে আবারো কড়া নাড়ার শব্দ এলো, এবার আরো জোরে।

    শেষমেশ বিছানা থেকে নেমে দরজা খুললাম। তখন শুধু পায়জামাই পরে রেখেছিলাম। দরজা খোলার জন্য রুমের লাইট জ্বালানো লাগেনি আমার, তখন রীতিমতো দিনের আলোতেই আলোকিত হয়েছিল রুম। দরজা খুলেই দেখি সানি আর এলিভেটরের সেই দালাল মরিস দাঁড়িয়ে আছে দরজার সামনে।

    ‘কী ব্যাপার? কী চাও?’ বললাম। খোদা, আমার কণ্ঠস্বর তখন ভয়ে শুধু কাঁপছিল।

    ‘তেমন কিছুই না,’ মরিস বলল, ‘শুধু পাঁচ ডলার মাত্র।’ দুইজনের হয়ে একাই কথা বলছিল ও। সানি শুধু নীরবে দাঁড়িয়েছিল তার পাশে।

    ‘আমি টাকা দিয়ে দিয়েছি তাকে। পাঁচ ডলার দিয়েছি। জিজ্ঞেস করে দেখো ওকে,’ বললাম। আসলেই আমার গলা প্রচুর কাঁপছিল তখন।

    ‘খরচ তো দশ ডলার, বন্ধু। আমি তোমাকে আগেই বলেছি। একবারের জন্য দশ ডলার, দুপুর পর্যন্ত পনেরো। আমি তো বলেই দিয়েছিলাম।’

    ‘তুমি এটা বলোনি আমাকে। তুমি বলেছিলে একবারের জন্য পাঁচ ডলার, দুপুর পর্যন্ত পনেরো ডলার। আমার স্পষ্ট মনে আছে…’

    ‘দরজা খুলো, বন্ধু।‘

    ‘কিসের জন্য?’ জিজ্ঞেস করলাম। খোদা, ভয়ে আমার হৃৎপিন্ড রীতিমতো বেরিয়ে আসতে চাইছিল তখন। অন্ততপক্ষে কাপড়চোপড় পরা থাকলেও হতো, তখন এটাই ভাবছিলাম শুধু। এমন কিছু ঘটার সময় শুধু পায়জামা পরা থাকলে কোনোভাবেই সাহস দেখানো সম্ভব না।

    ‘টাকাটা দিয়ে দাও, বন্ধু,’ মরিস বলল। তারপর ধাক্কা দিয়ে দরজার সামনে থেকে সরিয়ে দিলো আমাকে। আরেকটু হলে প্রায় উল্টে পড়ে যেতে বসেছিলাম। মরিস লোকটা একটা আস্ত হারামজাদা ছিল। এরপর দেখলাম যে সে আর সানি দু’জনই আমার রুমে ঢুকে পড়েছে। রুমের ভেতরে এমনভাবে হাঁটে যেন তারা এই জায়গাটার মালিক। সানিকে দেখলাম জানালার পাশে গিয়ে বসতে, আর মরিসকে দেখলাম বড়ো চেয়ারটায় বসে তার কলার লুজ করছে। এলিভেটর অপারেটারের ইউনিফর্ম পরেই আমার রুমে এসেছিল মরিস। কিন্তু, আমার কেন যেন প্রচণ্ড নার্ভাস লাগছিল।

    ‘আচ্ছা, বন্ধু, টাকাটা দিয়ে দাও। আমাকে আবার কাজে ফিরে যেতে হবে।’

    ‘আমি তোমাকে প্রায় দশবার বলেছি যে আমার তোমাদের কাছে এক পয়সাও পাওনা নেই। আমি তাকে পুরো পাঁচ ডলারই দিয়ে…’

    ‘অযথা কথা বাদ দাও তো। টাকাটা দিয়ে দাও শুধু।’

    ‘আমি তাকে আরো পাঁচ ডলার দেবো কেন?’ বললাম। আমার গলার স্বর পুরোপুরিই কাঁপছিল তখন। ‘তুমি তো ডাকাতি করার চেষ্টা করছ।’

    মরিস ততক্ষণে ইউনিফর্ম কোটের কলারটা পুরোপুরিই খুলে ফেলেছে। কোটের নিচে একটা কমদামি শার্টের কলার ছিল শুধু, তবে কোনো শার্ট বা এরকম কিছু ছিল না। বিরাট ভুড়িওয়ালা লোমশ শরীর ছিল মরিসের।

    ‘কেউই তোমাকে ডাকাতি করার চেষ্টা করছে না,’ সে বলল। ‘টাকাটা দিয়ে দাও, বন্ধু।’

    ‘না।’

    আমি না বলতেই দেখলাম চেয়ার থেকে উঠে আমার দিকে এগিয়ে আসতে শুরু করেছে মরিস। তাকে দেখে মনে হচ্ছিল হয় সে খুবই ক্লান্ত হয়ে আছে অথবা সে খুব বিরক্ত হয়ে আছে। খোদা, প্রচণ্ড ভয় পাচ্ছিলাম তখন। শুধু মনে আছে কোনোরকমে হাত ভাঁজ করে রেখেছিলাম। আমার মনে হয় যদি তখন শুধু পায়জামা পরে না থাকতাম, তাহলে হয়তো অতটা ভয় পেলাম না। হয়তো মরিসও অতটা সাহস দেখাতো না।

    ‘টাকাটা দিয়ে দাও, বন্ধু,’ বলে আমার একদম সামনে এসে দাঁড়ালো মরিস। আর বারবার একটা কথাই বলছিল ও, ‘টাকা দিয়ে দাও।’ আসলেই একটা হারামজাদা ছিল ও।

    ‘না।’

    ‘বন্ধু, তোমার ওপর হাত তুলতে বাধ্য করো না আমাকে। আমি এই কাজটা করতে চাই না, কিন্তু তোমাকে দেখে তো মনে হচ্ছে ওটাই করা লাগবে,’ সে বলল। ‘যাই হোক, তোমার কাছে পাঁচ ডলার পাওনা আছে আমাদের।’

    ‘তোমরা আমার কাছে এক পয়সাও পাও না,’ আমি বললাম। ‘আর তুমি যদি আমার গায়ে হাত দাও, তাহলে আমি গলা ছেড়ে চেঁচানো শুরু করবো। চেঁচিয়ে পুরো হোটেলকে জাগিয়ে ফেলবো। পুলিশও কিন্তু আসবে তখন।’ বলছিলাম ঠিকই, তবে আমার গলার কাঁপুনি থামছিল না কোনোভাবেই।

    ‘আচ্ছা, চেঁচাও তাহলে। ডেকে তুলো সবাইকে,’ মরিস বলল। ‘চেঁচিয়ে কি তোমার বাবা-মাকে জানাতে চাও যে তুমি এক পতিতার সাথে রাত কাটিয়েছো? তোমার মতো উচ্চ-শ্রেণির পরিবারের ছেলে?’ হারামি হলেও মরিসের বুদ্ধি খুবই প্রখর ছিল। আসলেই।

    ‘আমাকে একা ছেড়ে দাও। তুমি যদি দশ ডলার বলতে তাহলে আলাদা কথা ছিল। কিন্তু তুমি স্পষ্ট…’

    ‘তুমি কি আমাদেরকে টাকাটা দেবে?’ বলে আমাকে প্রায় দরজায় ঠেকিয়ে ধরলো মরিস।

    ‘আমাকে একা ছেড়ে দাও। এক্ষুনি বেরিয়ে যাও আমার রুম থেকে,’ আমি বললাম। তখনো হাত ভাঁজ করে রেখেছিলাম। খোদা, খুবই কাপুরুষ গর্দভের মতো হয়েছিলাম তখন।

    তখন হুট করে কথা বলে উঠলো সানি। ‘হেই, মরিস, আমি কি তার ওয়ালেটটা নেব?’ সে বলল। ‘ড্রয়ারের ওপরই আছে ওটা।’

    ‘হ্যাঁ, নাও ওটা।’

    ‘আমার ওয়ালেটে হাত দেবে না।’

    ‘ইতোমধ্যেই হাত দিয়ে ফেলেছি,’ সানি বলল। এরপর আমাকে পাঁচ ডলার দেখিয়ে বলল, ‘দেখো, আমি শুধু আমার পাওনা পাঁচ ডলারই নিচ্ছি। আমি কোনো ডাকাত না।’

    তখন হঠাৎ করেই কাঁদতে শুরু করলাম। না কাঁদলে আমি তখন যেকোনো কিছুই করতে পারতাম, কিন্তু আমি কেঁদে দিয়েছিলাম। ‘না, তোমরা ডাকাত না, আমি বললাম, ‘কিন্তু তোমরা ঠিকই আমার থেকে পাঁচ ডলার চুরি কর..’

    ‘চুপ,’ মরিস বলে ধাক্কা দিলো আমাকে।

    ‘হেই মরিস, ছেড়ে দাও তো ওকে,’ সানি বলল। ‘আমরা আমাদের পাওনা টাকা পেয়ে গেছি। ছেড়ে দাও। চলো এখন, বেরিয়ে যাই।’

    ‘হ্যাঁ, আসছি,’ বলল মরিস, তবে সে বেরুলো না।

    ‘মরিস, যথেষ্ট হয়েছে, এখন চলো। ওকে মেরো টেরো না।’

    ‘কে কাকে মারবে?’ নিষ্পাপ কণ্ঠে বলল মরিস। তারপর হুট করেই তার হাত দিয়ে আমার পায়জামার ওপর মোচড় দিলো ও, আমি বলবো না ঠিক কোথায় মোচড় দিয়েছিল, তবে ব্যথায় প্রায় মরে যাওয়ার দশা হয়েছিল আমার। গুঙিয়ে উঠে তাকে হারামজাদা বলে গালি দিয়ে উঠলাম। সেটা শুনেও সে না শোনার ভান করে কানের ওপর হাত রেখে বলল, ‘কী? আমি কী?’

    আমি প্রায় কাঁদছিলাম তখন। প্রচণ্ড নার্ভাস আর ক্ষেপেছিলাম তখন। কোনোরকমে তাকে আবারো বললাম, ‘তুই একটা হারামজাদা। ডাকাত একটা তুই। বছর দুই পর তুই ঐ লোকদের একজন হবি যারা রাস্তা কফি খাওয়ার জন্য টাকা ভিক্ষা করে। তুই ভিক্ষা চাইবি, কিন্তু মানুষ শুধু থুতু ছিটাবে তোর গায়ে। আর তুই..’

    হুট করেই ঘুষি মারলো মরিস। আমি আসলে এটার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। বুঝার আগেই টের পেলাম যে পেটে প্রচণ্ড ব্যথা করছে আমার। আসলেই অনেক জোরে ঘুষি মেরেছিল মরিস।

    যদিও জ্ঞান হারাইনি, তবে ঘুষি খেয়ে ধপ করে মেঝেতে পড়ে গিয়েছিলাম। মেঝেতে পড়া অবস্থায়ই দেখলাম সানি আর মরিস রুম থেকে বেরিয়ে দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে গেছে। তারা বেরিয়ে যাওয়ার পরও লম্বা সময় ধরে মেঝেতে পড়েছিলাম। স্ট্র্যাডলেটার ঘুষি খেয়ে যেভাবে পড়েছিলাম, ঠিক সেভাবেই। মনে হচ্ছিল আমি তখন মারা যাচ্ছি। আসলেই এমন মনে হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল যেন আমি ডুবে যাচ্ছি। সমস্যাটা হলো আমি একদমই শ্বাস নিতে পারছিলাম না। অনেকক্ষণ পড়ে থাকার পর কোনোরকমে উঠে দাঁড়িয়ে পেটে হাত চেপে বাথরুমের দিকে এগোতে শুরু করলাম।

    আমি প্রচুর পাগলাটে স্বভাবের। আসলেই। বাথরুমে যাওয়ার সময়টায় কল্পনা করছিলাম আমার পেটে গুলি লেগেছে। মরিস গুলি করেছে আমাকে। আর তখন আমি বাথরুমে যাচ্ছিলাম এক ঢোক বারবন বা কোনো মদ খেয়ে নিজের স্নায়ুকে শান্ত করার জন্য। কল্পনা করছিলাম আমি বাথরুম থেকে বেরিয়ে পোশাক পরে পকেটে করে অটোমেটিক পিস্তলটা নিয়ে খোঁড়াতে খোঁড়াতে রুম থেকে বেরুচ্ছি। এলিভেটরের বদলে এভাবেই সিঁড়ির রেলিং ধরে হেঁটে হেঁটে নিচ তলায় যাচ্ছি, যাওয়ার সময় আমার ঠোটের কোণ থেকে রক্ত পড়ছে একটু একটু করে। এভাবেই পেট চেপে ধরে রেখে হোটেলের মেঝে রক্তে রাঙিয়ে কয়েক ফ্লোর নিচে নেমে এলিভেটরে বোতাম চাপ দিচ্ছি। আর এলিভেটরের দরজা খুলতেই মরিস দেখলো যে আমি একটা অটোমেটিক পিস্তল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। পালানোর কোনো জায়গা না থাকায় সে ভয়ার্ত গলায় আমার কাছে প্রাণভিক্ষা চাচ্ছিল, বলছিল ক্ষমা করে দিতে, কিন্তু আমি তারপরও ঠিকই গুলি করলাম তাকে। ম্যাগাজিনে থাকা ছয়টা বুলেটের ছয়টাই ঢুকিয়ে দিলাম তার লোমশ মোটা ভূড়িতে। তারপর পিস্তল থেকে আঙুলের ছাপ মুছে সেটা ফেলে দিলাম এলিভেটরের ভেতর। এরপর কোনোভাবে হামাগুড়ি দিয়ে ফিরে এলাম আমার রুমে, এসে ফোন করলাম জেনকে যেন সে এসে আমার পেটে ব্যান্ডেজ করে দেয়, যেন আমার সেবা-শুশ্রুষা করে। এমনকি আমি এটাও কল্পনা করছিলাম শরীর থেকে অনবরত রক্তক্ষরণের পরও সে আমার ঠোঁটে একটা সিগারেট ধরিয়ে দিয়েছে।

    খোদা, হতচ্ছাড়া মুভির বাচ্চা! ওগুলো আসলে মানুষের কল্পনা পুরোপুরিই নষ্ট করে দেয়। মজা করছি না, সত্যিই

    একঘণ্টা বাথরুমেই পড়েছিলাম, সাথে গোসলও সেরে নিয়েছিলাম। তারপর বেরিয়ে আবারও বিছানায়া শুয়ে পড়লাম। যদিও ঘুম আসতে আরো কিছুটা সময় লেগেছিল। আমি অতটা ক্লান্ত ছিলাম না। তবে শেষমেশ ঘুম এলো ঠিকই। আমার তখন সত্যিই ইচ্ছা করছিল সুইসাইড করতে। ইচ্ছা করছিল জানালার ধার থেকে ঝাঁপ দিতে। হয়তো তাই করতাম, যদি আমি নিচে পড়ার পরই আমার কাছে দৌড়ে আসার মতো কেউ থাকত। নিচে থেতলে পড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় স্টুপিড পোশাক পরা লোকদের বিনোদনের কোনো বস্তু হওয়ার ইচ্ছা ছিল না আমার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }