Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ১৫

    অধ্যায় পনেরো

    বেশিক্ষণ ঘুমাইনি। যখন ঘুম থেকে উঠি তখন প্রায় সকাল দশটার মতো বাজে। ঘুম থেকে উঠে সিগারেট ধরাতেই প্রচণ্ড ক্ষুধা লাগলো। ব্রোসার্ড আর অ্যাকলির সাথে অ্যাগারস্টাউনে মুভি দেখার সময় যে দুটো হ্যামবার্গার খেয়েছিলাম, তারপর থেকে আর কিছুই খাইনি। কিন্তু সেটা তো অনেক আগের ঘটনা। আমার কাছে মনে হচ্ছিল যেন ওটা পঞ্চাশ বছর আগের ঘটনা। পাশেই ফোন ছিল। ভাবছিলাম ফোন করে নিচ থেকে রুমে খাবার পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলবো। কিন্তু ভয় লাগছিল যে তারা হয়তো খাবার দিতে মরিসকে পাঠাবে মরিসের চেহারা আরেকবার দেখার খুব একটা ইচ্ছা ছিল না আমার। তাই ফোন না করে বিছানায় শুয়েই আরেকটা সিগারেট ধরালাম। ভাবছিলাম জেনকে ফোন দেবো, ফোন দিয়ে জানতে চাইবো সে বাসায় এসেছে কি না, তবে কেন যেন ওকে ফোন দেওয়ার মুড ছিল না।

    শেষমেশ স্যালি হায়েসকে ফোন দিলাম। জানি সে বাসায় আছে, কারণ কয়েক সপ্তাহ আগে আমাকে চিঠি লিখে এটাই জানিয়েছিল ও। তাকে নিয়ে আমার যে খুব একটা আগ্রহ ছিল না, তবে তাকে অনেক লম্বা সময় ধরে চিনি একসময় তাকে অনেক বুদ্ধিমান মনে করতাম, ওটা আমার অজ্ঞতা ছিল। আমি তাকে জ্ঞানী ভাবতাম কারণ তার থিয়েটার, মঞ্চনাটক এবং সাহিত্য নিয়ে বেশ জানাশোনা ছিল। কারো যদি এসব বিষয়ে আগ্রহ থাকে তখন সে আসলেই চালাক না গর্দভ সেটা বুঝতে প্রচুর সময় লেগে যায়। আর স্যালির ক্ষেত্রে এটা বুঝতে আমার কয়েক বছর লেগেছিল। তার সাথে যদি আমি ডেট না করতাম তাহলে হয়তো এটা আরো অনেক আগে বুঝে যেতাম। আমার বড়ো সমস্যা এটাই, কারো সাথে ডেট করলে তাকে প্রচুর জ্ঞানী ব্যক্তি মনে করি। ব্যাপারটা এমন না যে আমার সাথে ডেট করে বলেই তারা চালাক, তবে আমি কেন যেন এমনটাই ভাবতাম।

    যাই হোক তাকে ফোন দিলাম। প্রথমে তাদের কাজের লোক ফোন ধরল। তারপর তার বাবা। এরপর স্যালি। ‘স্যালি?’ সে ফোনে আসার পর বললাম।

    ‘হ্যা—কে বলছেন?’ স্যালি বলল। স্যালির কণ্ঠে সবসময়ই কৃত্রিমতার ছাপ থাকত। সে ফোনে আসার আগে তার বাবাকে কিন্তু ঠিকই বলেছিলাম আমি কে।

    ‘হোল্ডেন কলফিল্ড। কেমন আছো তুমি?’

    ‘হোল্ডেন! আমি ভালোই আছি। তুমি কেমন আছো?’

    ‘ভালো। শুনো, এমনিতে কেমন আছো তুমি? মানে স্কুলের দিক দিয়ে?’

    ‘ভালোই,’ সে বলল। ‘মানে—তুমি তো জানোই।

    ‘ভালো। আচ্ছা, শুনো, আমি চিন্তা করছিলাম তুমি আজকে ফ্রি আছো কি না। আজকে রবিবার। তবে রবিবারেও তো একটা-দুটো ম্যাটিনি শো চলে। তুমি কি যাবে আমার সাথে?’

    ‘অবশ্যই। চমৎকার।’

    চমৎকার। আমি যদি কোনো শব্দ ঘৃণা করে থাকি, তাহলে সেই শব্দটা হলো চমৎকার। শব্দটা শুনলেই কৃত্রিম মনে হয়। এক মুহূর্তের জন্য আমার মনে হচ্ছিল যে তাকে ম্যাটিনিতে আসতে মানা করে দিই। তারপরও আরো কিছুক্ষণ কথা বললাম আমরা। মানে স্যালি কথা বলল আর কী। প্ৰথমে সে বলল এক হার্ভার্ডের ছেলের কথা—সম্ভবত ফ্রেশম্যান ইয়ারের ছেলে। তবে স্বাভাবিকভাবেই সেটা সে নির্দিষ্ট করে বলেনি। এটাই বলেছে, ছেলেটা নাকি তার সাথে সিরিয়াস রিলেশন গড়ার জন্য খুব তাড়াহুড়ো করছে। সবসময়ই নাকি তাকে ফোন দেয়, রাত-দিন কোনো সময়ই ক্ষান্ত দেয় না। ব্যাপারটা বেশি ভালো লাগলো না আমার যদিও। এরপর সে বলা শুরু করল ওয়েস্ট পয়েন্ট ক্যাডেটের আরেকটা ছেলেকে নিয়ে। ঐ ছেলেটাও নাকি তার জন্য খুব পাগল হয়ে আছে। স্যালির কাছে এগুলো খুবই বড়ো বিষয়। যাইহোক, শেষমেশ তাকে বললাম দুপুর দুইটার দিকে বাল্টিমোরের ঘড়ির নিচে আমার সাথে দেখা করতে। আর আসতে যেন সে দেরি না করে, কারণ শো শুরু হওয়ার কথা আড়াইটার দিকে। স্যালির একটা বদঅভ্যাস হলো সে সবসময়ই দেরি করে। কথা শেষ করে ফোন রেখে দিলাম। মেয়েটা খুবই যন্ত্রণাদায়ক, তবে দেখতে বেশ সুন্দরী ও।

    স্যালির সাথে ডেট ফিক্সড করার পর বিছানা থেকে নেমে কাপড় পরে ব্যাগটা গুছিয়ে নিলাম। রুম থেকে বেরুনোর আগে জানালা দিয়ে নিচের দিকে তাকালাম দুঃশ্চরিত্র লোকগুলো কী করছে দেখতে। তবে তারা তখন ভদ্রতার মুখোশের আড়ালে ছিল। সকালটা তাদের কৃত্রিম ভদ্রতার আলোতে মুখরিত হয়েছিল। যাইহোক, কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে রুম থেকে বেরিয়ে এলিভেটরের দিকে গেলাম। চারপাশে একবার তাকিয়ে দেখলাম মরিস আছে কি না। যদিও তার সাথে আরেকবার দেখা হওয়ার কোনো ইচ্ছা আমার ছিল না।

    হোটেল থেকে বেরিয়ে একটা ট্যাক্সি ক্যাবে উঠলাম। যদিও আমার বিন্দুমাত্রও ধারণা ছিল না যে কোথায় যাব। আমার যাওয়ার মতো কোনো গন্তব্য ছিল না। ওটা মাত্র রবিবার। বুধবারের আগে বাসায় ফেরা সম্ভব না, আগেভাগে গেলেও হয়তো মঙ্গলবারের আগে যাওয়া যাবে না। আর নিশ্চিতভাবেই আমার অন্য কোনো হোটেলে উঠে আরেকবার মার খাওয়ার কোনো ইচ্ছা ছিল না। তাই ড্রাইভারকে বললাম আমাকে গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল স্টেশনে নিয়ে যেতে। জায়গাটা বাল্টিমোরের খুব কাছেই। ভাবলাম যে ওখানে নেমে ওখানের নিরাপদ বাক্সগুলোতে ব্যাগগুলো রেখে নাস্তা করে নেবো। প্রচণ্ড ক্ষুধা লেগেছিল। ক্যাবের ভেতর বসে ওয়ালেটটা বের করে টাকাগুলো গুনে নিলাম একবার। ঠিক মনে ছিল না এর আগে ওয়ালেটে ঠিক কত টাকা ছিল, তবে এটা আসলে ভালো কিছু ছিল না। গত দুই সপ্তাহে আমি প্রচুর টাকা খরচ করেছি। আসলেই প্রচুর টাকা। আমার খরচের হাত অনেক লম্বা। আর যেসব টাকা খরচ না করি, সেগুলো হারিয়ে ফেলি। বেশির ভাগ সময়ই হোটেল, রেস্টুরেন্ট, নাইট ক্লাবে গেলে আমি খুচরা টাকা ফেরত নেই না। এতে আমার বাবা-মা আমার ওপর প্রচুর বিরক্ত হয়। তাদেরকে অবশ্য দোষ দেওয়ার উপায় নেই। যদিও আমার বাবার টাকার কোনো অভাব নেই। আমি নিজেও জানি না বাবা ঠিক কত টাকা উপার্জন করে। বাবা কখনোই আমার সাথে এসব নিয়ে আলোচনা করে না। তবে আমার ধারণা বাবার উপার্জন অনেক বেশি। বাবা একজন আইনজীবি। এই পেশায় টাকার কোনো অভাব নেই। তবে বাবার যে প্রচুর টাকা আছে সেটা বুঝার আরেকটা কারণ হলো বাবা সবসময়ই ব্রডওয়ে শোতে টাকা ইনভেস্ট করে। যদিও শোগুলো সবসময়ই ফ্লপ খায়। বাবার এই অভ্যাসটা মা খুব একটা পছন্দ করে না। আমার ভাই এলি মারা যাওয়ার শোকটা মা খুব একটা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। সবসময়ই একটা উদ্বেগ কাজ করে মায়ের মধ্যে। আমি আরেকটা স্কুল থেকে বহিষ্কার হয়েছি শুনলে মায়ের অবস্থা কী হবে ভেবে নিজের ওপরই নিজের ঘৃণা হচ্ছিল তখন।

    স্টেশনের বাক্সগুলোর একটায় আমার ব্যাগগুলো রেখে একটা স্যান্ডউইচ বার অ্যান্ড বেড ব্রেকফাস্টে ঢুকলাম নাস্তা করার জন্য। নাস্তায় প্রচুর খাবার খেলাম, অন্তত আমার জন্য পরিমাণটা প্রচুরই ছিল—অরেঞ্জ জুস, বেকন, ডিম, টোস্ট, কফি। সাধারণত আমি নাস্তায় শুধু অরেঞ্জ জুসই খাই। আমি খাই খুবই কম। আসলেই খুব কম খাই। সেজন্যই তো আমি এমন কাঠির মতো শুকনা। আমার জন্য নির্ধারিত ডায়েট হলো প্রচুর পরিমাণ স্টার্চ আর হাবিজাবি খাবার, যাতে আমার শরীরের ওজন কিছুটা বাড়ে। কিন্তু আমি কখনোই সেই ডায়েট মেনে চলি না। বাইরে গেলে বেশির ভাগ সময়ই সুইস চিজ স্যান্ডউইচ আর শিরা মেশানো দুধ খাই। খাবার খুব একটা ভারি না, তবে দুধ থেকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন পাওয়া যায়। এইচ ভি কলফিল্ড—হোল্ডেন ভিটামিন কলফিল্ড।

    ডিম খাওয়ার সময় দেখলাম দুই নান স্যুটকেস নিয়ে এসে কাউন্টারে আমার পাশে বসলো। আন্দাজ করলাম তারা হয়তো এক উপসনালয় থেকে আরেক উপসনালয়ে যাচ্ছে আর ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছে। কাউন্টারে এসেই তারা বিপাকে পড়ে গেল স্যুটকেস নিয়ে কী করবে তা ভেবে। তাই আমি তাদেরকে সাহায্য করলাম স্যুটকেসগুলো ভালোমতো রাখাতে। তাদের স্যুটকেসগুলো ছিল খুবই কমদামি। আমি জানি এটা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ কিছু না, তবে কারো সাথে কমদামি স্যুটকেস দেখাটা আমি সহ্য করতে পারি না। জানি এটা শুনতে খারাপ শোনাচ্ছে, তবে এমনকি ঐসব মানুষকে ঘৃণাও করে বসি তাদের সাথে কমদামি স্যুটকেস আছে দেখলে। এমনটা আগেও একবার হয়েছিল। এল্কটন হিলসে পড়াকালে স্বল্প সময়ের জন্য ডিক স্ল্যাগল নামের একটা ছেলে আমার রুমমেট ছিল। তার স্যুটকেসগুলো ছিল খুবই সস্তা। সে ওগুলো তাকে রাখার বদলে সবসময়ই রাখতো বিছানার নিচে, যাতে কেউই আমার স্যুটকেসের পাশে তার স্যুটকেসগুলো দেখতে না পারে। ব্যাপারটা আমাকে খুবই হতাশ করত, মাঝেমধ্যে আমার ইচ্ছা করত ওগুলো বের করে এনে আমারগুলোর সাথে বদল করে দিই। আমার স্যুটকেসগুলো মার্ক ক্রসের, গরুর আসল চামড়ায় তৈরি। আমার মনে হয় এগুলোর দামও প্রচুর। যাই হোক, ব্যাপারটা বেশ মজার ছিল। কী ঘটেছিল সেটা বলছি। স্ল্যাগলের দেখাদেখি একদিন থেকে আমি আমার স্যুটকেসগুলো তাকে রাখার বদলে খাটের নিচে রাখতে শুরু করলাম। আমি এই কাজটা করেছিলাম যাতে স্ল্যাগল নিজেকে ছোটো না ভাবে। তবে এরপর সে কী করল? আমি খাটের নিচে রাখা শুরুর পর থেকে সে তার স্যুটকেসগুলো বের করে রাখা শুরু করল তাকের ওপর। তার এমনটা করার কারণ বুঝতে বেশ সময় লেগেছিল আমার। সে এই কাজটা করেছিল যাতে মানুষ তার ব্যাগগুলোকে আমার ব্যাগ মনে করে। আসলেই তার উদ্দেশ্য ছিল এটা। খুবই অদ্ভুত একটা ছেলে ছিল ও। সে সবসময়ই আমার স্যুটকেসগুলোর ব্যাপারে ক্ষুব্ধ ক্ষুব্ধ মন্তব্য করত। সবসময়ই বলত আমার ব্যাগগুলো নাকি অনেক বেশি নতুন আর মধ্যম শ্রেণির। শব্দটা তার খুবই প্রিয় ছিল। সে হয়তো কোথাও ঐ শব্দটা পড়েছিল নয়তো শুনেছিল। আমার কাছে থাকা সব জিনিসই নাকি মধ্যম শ্রেণির ছিল। এমনকি আমার ফাউন্টেন পেনটাও নাকি মধ্যম শ্রেণির ছিল। যদিও সে সবসময়ই ওটা ধার নিতো আমার থেকে, তারপরও ওটা মধ্যম শ্রেণির ছিল। আমরা মাত্র দুইমাস এক রুমে ছিলাম। এরপর দুইজনই অন্য রুমে সরে যাওয়ার আবেদন করেছিলাম। মজার ব্যাপারটা হলো, রুম থেকে সরে আসার পর আমি তাকে কিছুটা মিস করতাম। কারণ তার সেন্স অব হিউমার বেশ ভালো ছিল, আর মাঝেমধ্যে আমরা বেশ মজাও করতাম। হয়তো সেও আমাকে মিস করত। এটাতে আমার অবাক হওয়ার কিছু নেই। প্রথম দিকে সে মজা করার জন্য মধ্যম শ্রেণির শব্দটা বলত, আর আমিও তাতে পাত্তা দিতাম না। এটা আসলেই বেশ মজার ছিল। তবে একটা সময় তার কণ্ঠে আর বিদ্রুপের স্বরটা ছিল না। আসলে ব্যাপারটা হলো, নিজের সাথে কারো থেকে ভালো মানের দামি স্যুটকেস থাকে তাহলে তাদের রুমমেট হওয়াটা বেশ কঠিন ব্যাপার। মানুষ মনে করে কেউ যদি জ্ঞানী হয় এবং ভালো সেন্স অব হিউমার থাকে, তাহলে তারা হয়তো অন্য কারো স্যুটকেস কেমন সেটা নিয়ে খুব একটা ভাবে না। কিন্তু আসলে ব্যাপারটা হলো তারা ওটা নিয়ে ভাবে, প্রচুর পরিমাণ ভাবে। স্ট্র্যাডলেটারের মতো হারামজাদাকে আমার রুমমেট হিসেবে বেছে নেওয়ার একটা মূল কারণও এটা। তার স্যুটকেসগুলোও আমার মতোই ভালো মানের।

    যাইহোক, পাশে বসা দুই নানের সাথে আমার কথাবার্তা বেশ ভালোই জমে উঠেছিল। আমার ঠিক পাশেই বসা নানের হাতে ছিল খড়ের তৈরি একটি ঝুড়ি। ক্রিসমাসের সময়ে নান এবং স্যালভেশন আর্মির মেয়েদের সাধারণত এসব নিয়েই টাকা সংগ্রহ করতে দেখা যায়। রাস্তায় বেরুলেই দেখা যায় ওদের। বেশি দেখা যায় ফিফথ অ্যাভিনিউয়ের বড়ো বড়ো ডিপার্টমেন্ট স্টোরের সামনে। যাই হোক, আমার পাশে বসা মহিলার হাত থেকে বাস্কেটটা একসময় নিচে পড়ে গিয়েছিল। আমি ওটা নিচ থেকে তুলে আবার মহিলার হাতে দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম তারাও কি কোনো দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য টাকা সংগ্রহ করছে কি না। মহিলা জানালো যে না, তারা টাকা সংগ্রহ করছে না। স্যুটকেসে এই ঝুড়িটা রাখার কোনো জায়গা ছিল না বলেই এটা হাতে করে নিয়ে ঘুরছে। কথা বলার সময় মহিলার মুখে ফুঁটে উঠা হাসিটা বেশ সুন্দর ছিল। নাকটা বেশ বড়ো ছিল মহিলার, আয়রন রিমের একটা চশমাও ছিল মহিলার চোখে। চশমাটা যদিও আকর্ষণীয় ছিল না, তবে মহিলার চেহারাটা ছিল খুবই মিষ্টি। ‘আমি ভেবেছিলাম আপনারা কালেকশন করছেন,’ বললাম। ‘আমি আসলে একটা ছোটোখাটো ডোনেশন দিতে চাচ্ছিলাম। কালেকশন শুরু করলে আপনারা আমার অংশটা ওটার সাথে যুক্ত করে দিতে পারেন।’

    ‘খুবই মহৎ ইচ্ছা,’ মহিলা বলল। আমার কথা শুনে চশমাপরা মহিলার পাশে থাকা অন্য নানও তাকালো আমার দিকে। ঐ নানটা তখন কালো ছোটো একটা বই পড়ছিল আর কফি খাচ্ছিল। বইটাকে দেখে বাইবেলের মতোই লাগছিল, তবে ওটা অনেক চিকন ছিল। যদিও বইটা বাইবেলের মতোই একটা বই ছিল। তারা দুইজন নাস্তায় শুধু টোস্ট আর কফিই খাচ্ছিল। ব্যাপারটা বেশ খারাপ লাগছিল আমার কাছে। বিশেষ করে আমি যেখানে তাদের সাথে বসেই খাচ্ছিলাম বেকন আর ডিম।

    অনেক জোরাজুরি করে দশ ডলার ডোনেট করলাম। নান দুইজন বারবারই জিজ্ঞেস করছিল যে এতো টাকা দিয়ে দেওয়ার পর আমি কি নিজের খরচ সামলাতে পারবো কি না। তাদেরকে বলেছিলাম যে আমার সাথে যথেষ্ট পরিমাণ টাকাই আছে, তবে তারা এটা খুব একটা বিশ্বাস করতে পারেনি। যাইহোক, শেষমেশ টাকাটা তারা গ্রহণ করেছিল। তারা দুইজনই আমাকে প্রচুর ধন্যবাদ দিল। এতো ধন্যবাদ দিচ্ছিল যে নিজের কাছেই খুব লজ্জা লাগছিল। ব্যাপারটা চাপা দেওয়ার জন্য আমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম যে তারা কোথায় যাচ্ছে। জবাবে জানালো, তারা স্কুল টিচার, কিছুক্ষণ আগেই শিকাগো থেকে এসেছে ওখানে ওয়ান সিক্সটি-এইটথ বা ওয়ান এইটি-সিক্সথ স্ট্রিটের একটা স্কুলে জয়েন করার জন্য। আমার পাশে বসা মানে চশমাপরা নান আমাকে বলল সে ইংরেজির শিক্ষক আর অন্যজন পড়ায় ইতিহাস এবং আমেরিকান সরকার নিয়ে। এরপর আমার মাথায় একটা অদ্ভুত ভাবনা খেলে গেল। মহিলা একজন নান, আবার ইংরেজিও পড়ায়। স্বাভাবিকভাবে এরজন্য মহিলাকে প্রচুর ইংরেজি বই পড়া লাগে। বইগুলোর সবগুলোতেই যে যৌন উত্তেজনাকর বিষয় থাকে তা নয়, কিন্তু প্রেমময় অনেক কিছুই থাকে বইগুলোতে। এই যেমন থমাস হার্ডির দ্য রিটার্ন অব দ্য নেটিভ বইয়ের ইউস্টেসিয়া ভাইয়ের কথাই ধরা যাক। ইউস্টেসিয়া খুব একটা আবেদনময়ী বা এমন কিছু ছিল না, কিন্তু তারপরও ভেবে কুল পাচ্ছিলাম না ইউস্টেসিয়াকে নিয়ে পড়ার সময় একজন নানের ভাবনা কী হতে পারে। যদিও আমি এটা নিয়ে মহিলাকে কিছু জিজ্ঞেস করিনি। স্বাভাবিকভাবেই, এমন কিছু জিজ্ঞেস করা ঠিক না। শুধু প্রত্যুত্তরে বললাম যে ইংরেজিটা আমার সবচেয়ে প্রিয় সাবজেক্ট।

    ‘ওহ, তাই? শুনে খুবই ভালো লাগছে।’ বলল চশমাপরা ইংরেজির শিক্ষিকা নান। ‘এই বছর কী পড়েছো তুমি? জানতে বেশ আগ্রহ হচ্ছে।’ মহিলা আসলেই খুব ভালো ছিল।

    ‘বেশির ভাগ সময়ই আমরা কাটিয়েছি অ্যাঙলো-স্যাক্সন নিয়ে। এছাড়াও বেউলফ, গ্রেন্ডেল, লর্ড র‍্যান্ডাল মাই সন পড়েছি। এক্সট্রা ক্রেডিটের জন্য সিলেবাসের বাইরের কিছু বইও পড়েছি। থমাস হার্ডির দ্য রিটার্ন অব দ্য নেটিভ, রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট আর জুলিয়াস—’

    ‘ওহ, রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট! চমৎকার! এটাই কি সবচেয়ে বেশি ভালো লাগেনি তোমার?’ মহিলাকে নিশ্চিতভাবেই তখন আর নানের মতো শোনাচ্ছিল না।

    ‘হ্যাঁ। বেশ ভালো লেগেছে। অনেক পছন্দের একটা বই। বইয়ের কিছু কিছু ব্যাপার আমার তেমন ভালো লাগেনি, তবে হ্যাঁ, সামগ্রিকভাবে বইটা খুবই ভালো।’

    ‘কোন ব্যাপারগুলো ভালো লাগেনি তোমার? বলতে পারবে আমাকে?’ সত্যি বলতে ঐ নান মহিলার সাথে রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট নিয়ে কথাটা বলতে বেশ লজ্জা লাগছিল। মানে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ঐ নাটকটা অনেকটাই যৌন উদ্রেককর। তারপরও যেহেতু মহিলা জিজ্ঞেস করেছিল, তাই আমি কিছুক্ষণ আলোচনা করলাম ওটা নিয়ে। ‘আসলে, রোমিও আর জুলিয়েটের খুব একটা বড়ো ফ্যান না আমি,’ বললাম। ‘আমি তাদেরকে পছন্দ করি ঠিকই, তবে—ঠিক বলতে পারবো না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা যথেষ্ট বিরক্তিকর। মানে রোমিও-জুলিয়েটের মৃত্যুর থেকে মার্কুশিওর মৃত্যুতেই বেশি দুঃখ পেয়েছি আমি। ব্যাপারটা হলো মার্কুশিওকে জুলিয়েটের কাজিন—কী যেন নাম—ছুরিকাঘাত করার পর থেকে রোমিওকে আমার খুব একটা ভালো লাগেনি।

    ‘টাইব্যাল্ট।’

    ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, টাইব্যাল্ট,’ আমি বললাম—সবসময়ই ঐ লোকটার নাম ভুলে যাই। ‘দোষটা রোমিও’র ছিল। মানে নাটকে আমার সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র মার্কুশিও। মার্কুশিও’র ব্যাপারে ব্যাখ্যা করাটা বেশ কঠিন। চরিত্রটা খুবই বুদ্ধিমান এবং বিনোদনদায়ক ছিল। এমন কোনো চরিত্র মারা গেলে আমার খুবই রাগ লাগে—বিশেষ করে তাদের মৃত্যুটা যদি হয় অন্য কারো দোষে। অন্ততপক্ষে রোমিও-জুলিয়েট তো মরেছিল তাদের নিজের দোষেই।’

    ‘কোন স্কুলে পড়ো তুমি?’ মহিলা জিজ্ঞেস করল আমাকে। সম্ভবত রোমিও- জুলিয়েট নিয়ে আমার সাথে আর বেশি কথা বলার ইচ্ছা ছিল না মহিলার।

    বললাম পেন্সিতে পড়ি। শুনে মহিলা বলল তিনি আগেও এই স্কুলটার নাম শুনেছে এবং স্কুলটা খুবই ভালো একটা স্কুল। যাই হোক, এটা শুনে আর কিছু বললাম না। তখন অন্যজন মানে ইতিহাস ও আমেরিকান সরকারের শিক্ষিকা বলল যে তাদের বেরিয়ে যেতে হবে। আমি তাদের বিলটা দিয়ে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তারা তা করতে দেয়নি। চশমাপরা নানই আমাকে বিলটা দিতে দেয়নি।

    ‘তুমি অনেক ভদ্র এবং অমায়িক ছেলে,’ মহিলা বলল। ‘খুবই ভালো ছেলে তুমি।’ মহিলা আসলেই খুবই আদুরে ছিল। মহিলার আচরণ আমার কাছে অনেকটাই ট্রেনে পরিচয় হওয়া আর্নেস্ট মোরোর মায়ের মতো লাগছিল। বিশেষ করে হাসিটা একই রকম প্রায়। ‘তোমার সাথে কথা বলে খুবই ভালো লেগেছে আমাদের।’

    আমারও তাদের সাথে কথা বলে খুব ভালো লেগেছিল। আসলেই ভালো লেগেছিল। আমি আলাপচারিতাটা আরো বেশি উপভোগ করতাম যদি না পুরোটা সময় একটা ভয়ের মধ্যে না থাকতাম। ভয়টা ছিল তারা কি হুট করে জানতে চাইবে কি না আমি ক্যাথলিক না অন্য ধর্মের অনুসারী। ক্যাথলিকরা সবসময়ই তাদের সাথে কথা বলা মানুষটা ক্যাথলিক কি না তা জানতে চায়। আমার ক্ষেত্রে এটা অনেক বেশিই হয়। আমি জানি আমার নামের শেষ অংশটা আইরিশ হওয়াতেই এটা বেশি হয়। আইরিশ বংশোদ্ভূত বেশির ভাগ মানুষই সাধারণত ক্যাথলিক হয়। সত্যি বলতে আমার বাবাও একসময় ক্যাথলিক ছিল। মায়ের সাথে বিয়ে হওয়ার পর বাবা ধর্ম ছেড়ে দিয়েছিল। তবে ক্যাথলিকরা সবসময়ই অন্য মানুষও ক্যাথলিক কি না তা জানতে চায়, এমনকি শেষ নাম না জানলেও। হুটন স্কুলে লুইজ শেনি নামের একটা ক্যাথলিক ছেলেকে চিনতাম আমি। স্কুলে গিয়ে ঐ ছেলেটার সাথে প্রথম দেখা হয়েছিল আমার। স্কুল খোলার দিন ফিজিক্যালের জন্য আমরা দুজনই ইনফার্মারির বাইরে রাখা সামনের চেয়ার দুটোতে বসেছিলাম। বসে থাকা অবস্থায় টেনিস নিয়ে আলাপ করছিলাম আমরা। তার টেনিসের প্রতি ভালো আগ্রহ ছিল। আমিও টেনিসের ভক্ত। সে আমাকে বলেছিল প্রতি গ্রীষ্মেই সে ফরেস্ট হিলসের ন্যাশনালে টেনিস খেলে, আমি বললাম যে আমিও খেলি। তারপর দুইজনই বিখ্যাত ভালো ভালো টেনিস খেলোয়াড় নিয়ে আলোচনা করলাম কিছুক্ষণ। টেনিস নিয়ে তার জানাশোনা বেশ ভালোই ছিল, অন্তত তার বয়সের ছেলের তুলনায় অনেক বেশিই ছিল বলা যায়। এরপর হুট করেই সে জিজ্ঞেস করে বসলো, ‘শহরের ক্যাথলিক চার্চটা কোথায় তা কি জানো তুমি?’ তার প্রশ্ন শুনেই বুঝা যাচ্ছিল যে সে আসলে জানতে চায় আমি ক্যাথলিক কি না। তার উদ্দেশ্য এটাই ছিল। এমন না যে কুসংস্কারগ্রস্ত ছিল, তবে সে শুধু আমার ব্যাপারটা জানতে চাইছিল আর কী। টেনিস নিয়ে আলোচনাটা সে খুবই উপভোগ করছিল ঠিকই, তবে তাকে দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে আমি ক্যাথলিক হলে সে ঐ আলোচনাটা আরো ভালোভাবে উপভোগ করতে পারতো। এই বিষয়গুলো খুবই বিরক্তিকর লাগে আমার কাছে। আমি এটা বলছি না যে এই কারণে আমাদের আলোচনাটা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তা হয়নি—তবে এতে আলোচনায় কোনো উপকারও হয়নি। এজন্যই এই দুই নান আমি ক্যাথলিক কি না জিজ্ঞেস না করায় খুব সন্তুষ্ট ছিলাম। তারা এটা জিজ্ঞেস করলেও হয়তো কনভার্সেশনটা ভন্ডুল হয়ে যেত না, তবে তখন নিশ্চিতভাবেই আলোচনাটা অন্যরকম হয়ে যেত। আমি বলছি না যে আমি এরজন্য ক্যাথলিকদের দোষ দিচ্ছি। আমি আসলেই কোনো দোষ দিচ্ছি না। আমি ক্যাথলিক হলে তো আমিও এমনটা করতাম। আসলে এই ব্যাপারটা অনেকটা ঐ স্যুটকেসের ব্যাপারটার মতোই। আসলে বলতে চাচ্ছি যে ভালো একটা আলাপচারিতার জন্য এই প্রশ্নটার কোনো প্রয়োজনই নেই। এটাই বলতে চাচ্ছি শুধু।

    নান দুইজন যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ানোর পর স্টুপিডের মতো একটা কাজ করে বসলাম আমি। ব্যাপারটা বেশ লজ্জাজনকও। তাদের সাথে কথা বলার সময় আমি আসলে সিগারেট খাচ্ছিলাম। তারা উঠে দাঁড়ানোর পর তাদেরকে বিদায় বলতে যাবো, তখন ভুলে তাদের মুখের ওপর ধোঁয়া ছুড়ে দিয়েছিলাম। আমি আসলে এটা করতে চায়নি, ভুলে হয়ে গিয়েছিল। এরপর আমি তাদের কাছে অনেকবার ক্ষমা চেয়েছি। নান দুইজন আসলেই খুব ভদ্র আর দয়ালু ছিল, তবে ঘটনা আসলেই লজ্জাজনক ছিল।

    তারা চলে যাওয়ার পর আমার খারাপ লাগছিল এটা ভেবে যে আমি তাদের সংগ্রহে মাত্র দশ ডলার দিয়েছিলাম। তবে ব্যাপারটা হলো আমার তখনো স্যালি হায়েসের সাথে ম্যাটিনি ডেটটা বাকি ছিল। আর সেটার টিকিট, খাওয়া-দাওয়ার জন্য কিছু টাকা আমার পকেটে রাখা লাগতোই। তারপরও দুঃখই লাগছিল। হতচ্ছাড়া টাকা-পয়সা—এই বস্তুটা সবসময়ই মানুষকে দুঃখীই করে শুধু।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }