Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ১৬

    অধ্যায় ষোলো

    নাস্তা করে বেরিয়ে দেখি তখন প্রায় দুপুর হওয়া শুরু করেছে। স্যালির সাথে দেখা করতে তখনো বেশ লম্বা সময় বাকি ছিল। তাই হাঁটতে শুরু করলাম। কোনোভাবেই ঐ দুই নানের কথা মাথা থেকে সরাতে পারছিলাম না। শুধু ভাবছিলাম পুরোনো রুক্ষ খড়ের ঝুড়িতে করে তাদের টাকা সংগ্ৰহ করার ব্যাপারটা। কল্পনা করছিলাম ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের সামনে এরকম পুরোনো খড়ের ঝুড়ি হাতে তাদের জায়গায় টাকা সংগ্রহ করছে আমার মা বা আমার আন্টি বা স্যালি হায়েসের মা। দৃশ্যটা কল্পনা করা বেশ কঠিন ছিল। আমার মায়ের ক্ষেত্রে দৃশ্যটা কঠিন ছিল না, তবে অন্য দুজনের ক্ষেত্রে খুবই কঠিন ছিল। আমার আন্টি অবশ্য যথেষ্ট দানশীল মহিলা। প্রায়ই রেডক্রসসহ নানান দাতব্য প্রতিষ্ঠানেই সাহায্য করে আন্টি। তবে দান করার সময় আন্টি সবসময়ই খুব দামি পোশাক, কড়া লিপস্টিকসহ প্রচুর মেক-আপ করে যায়। সেজন্যই লিপস্টিক ছাড়া কালো একটা পোশাকে আন্টিকে ঝুড়ি হাতে টাকা সংগ্রহের চিন্তা করাটা বেশ কঠিনই। আর স্যালি হায়েসের মায়ের কথা কী বলবো! খোদা! ঐ মহিলা ঝুড়ি হাতে টাকা সংগ্রহের জন্য একমাত্র তখনই দাঁড়াবে, যখন টাকা ঝুড়িতে দেওয়ার সময় সবাই তার হাতে চুমু খেয়ে যাবে। যদি শুধু ঝুড়িতে টাকা রেখে মহিলাকে এড়িয়ে চলে যায়, তাহলে ঐ মহিলা ঘণ্টাখানেকের ভেতরেই ঐ কাজের আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। বিরক্ত হয়ে ঝুড়ি ফেলে চলে যাবে কোনো বিলাসবহুল রেস্টুরেন্টে লাঞ্চ করার জন্য। ঐ নানদের এই ব্যাপারটাই বেশি ভালো লেগেছিল। তাদের দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে তারা কখনোই বিলাসবহুল লাঞ্চ করেনি। এটা ভেবে আমার আবার প্রচণ্ড খারাপ লাগছিল যে তারা কখনোই ভালো কোনো রেস্টুরেন্টে উচ্চদামী লাঞ্চ করতে পারবে না। আমি জানি এটা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল না, তারপরও খুব খারাপ লাগছিল আমার।

    ব্রডওয়ের দিকে হাঁটা শুরু করলাম। অনেক বছর ধরে ওদিকে যাওয়া হয়নি আমার। তাছাড়া রবিবার খোলা থাকে এমন একটা রেকর্ডের দোকানও খুঁজছিলাম। ফিবিকে ‘লিটল শার্লি বিনস’ নামের রেকর্ড দেওয়ার ইচ্ছা ছিল আমার। এই রেকর্ডটা পাওয়া খুবই কঠিন ব্যাপার। রেকর্ডটা ছিল একটা বাচ্চা মেয়েকে নিয়ে যে বাসা থেকে বেরুতে চাইতো না, কারণ তার সামনের পাটির দুটো দাঁত ছিল না এবং এটার জন্য বাচ্চাটা খুব লজ্জিত ছিল। পেন্সিতে থাকতে এটা শুনেছিলাম। আমার পাশের ফ্লোরেই থাকা একটা ছেলের কাছে এই রেকর্ডটা ছিল। ঐ ছেলেটার কাছ থেকে ঐ রেকর্ডটা কিনতেও চেয়েছিলাম ফিবির জন্য। আমি জানতাম যে এই রেকর্ডটা ফিবিকে প্রচণ্ড খুশি করবে। কিন্তু ছেলেটা রেকর্ডটা বিক্রি করেনি। রেকর্ডটা প্রায় বিশ বছর আগের। এস্টেল ফ্লেচার নামের অশ্বেতাঙ্গ শিল্পী গেয়েছিল গানটা। গানটা সে গেয়েছে ডিক্সিল্যান্ড মানে হট জ্যাজ মিউজিকের ধাঁচে এবং এটাতে আবেগপ্রবণতারও অতটা প্রভাব ছিল না। যদি এই গানটা কোনো শ্বেতাঙ্গ মেয়ে গাইতো, তাহলে সেটা শুনতে খুব কিউট শোনাতো। কিন্তু এস্টেল ফ্লেচার জানতো সে কী করছে, এবং এটা আমার শোনা সেরা রেকর্ডগুলোর একটি। আমি ভাবছিলাম রবিবার যদি কোনো খোলা দোকানে এই রেকর্ডটা পাই, তাহলে ওটা কিনে নিয়ে পার্কে চলে যাবো। প্রায় রবিবারেই ফিবি পার্কে রোলারস্কেট করতে আসে। সে কোন কোন জায়গায় বেশি সময় কাটায় সেটাও জানি আমি।

    দিনটা আগের দিনের মতো অতটা ঠান্ডা ছিল না, তবে তখনো সূর্য ভালো করে উঠেনি। আর দিনটা হাঁটার জন্য খুব একটা ভালোও ছিল না। তবে রাস্তায় মন ভালো করার মতো একটা উপাদান ছিল। আমার ঠিক সামনে দিয়েই বাবা, মা এবং ছয় বছর বয়সী বাচ্চা ছেলের একটা পরিবার হেঁটে যাচ্ছিল। তাদেরকে দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে তারা কোনো চার্চ থেকে বেরিয়ে এসেছে। যদিও তাদেরকে দেখে দরিদ্র পরিবার মনে হচ্ছিল। ছেলেটার বাবা মাথায় একটা ধূসর টুপি পরে রেখেছিল। গরীব লোকরা নিজেদের কেতাদুরস্ত ধনী দেখানোর জন্য সাধারণত এসব টুপিই পরে। লোকটা তার স্ত্রীর সাথে কথা বলতে বলতে হেঁটে যাচ্ছিল। ছেলেটার ওপর তাদের কারোরই কোনো নজর ছিল না। বাচ্চাটা অবশ্য খুব ভালো ছিল। সাইডওয়াকের বদলে রাস্তা ধরে হাঁটছিল ছেলেটা। তবে সাইডওয়াক থেকে খুব একটা দূরে ছিল না। সাইডওয়াকের পাশে থাকা বর্ডার লাইনটা ধরে হাঁটছিল ও। বাচ্চারা যেমনভাবে হাঁটে আর কী। আর হেঁটে যাওয়ার সময় পুরোটা রাস্তা জুড়েই গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে যাচ্ছিল ছেলেটা। ‘ইফ অ্যা বডি ক্যাচ অ্যা বডি কামিং থ্রু দ্য রাই,’ এই গানটা গাচ্ছিল। ছেলেটার কণ্ঠটাও বেশ মিষ্টি ছিল। তাকে দেখেই বুঝা যাচ্ছিল সে খুব আনন্দ নিয়ে গানটা গাচ্ছিল। গাড়ি পাশ কেঁটে যাচ্ছিল, রাস্তায় অনবরত ব্রেকের ক্যাচক্যাচ শব্দ ছিল—তারপরও ছেলেটার দিকে তার বাবা-মায়ের কোনো নজর ছিল না। তবে ছেলেটার তা নিয়ে ভাবতে বয়েই গেছে। সে তার মতো করেই সোৎসাহে ‘ইফ অ্যা বডি ক্যাচ অ্যা বডি কামিং থ্রু দ্য রাই’ গাইতে গাইতে যাচ্ছিল। ব্যাপারটা বেশ ভালো লেগেছিল আমার। এক উষ্ণতায় মন ভরে উঠেছিল। ঐ গানটা শোনার পর থেকে হতাশাও অনেকটা কেঁটে গিয়েছিল আমার।

    ব্রডওয়েতে ঐদিন প্রচুর ভীড় ছিল। দিনটা ছিল রবিবার, ঘড়িতে তখন বাজে মাত্র দুপুর বারোটার মতো কিন্তু ভীড়ের কোনো কমতি ছিল না তাতে। সবাইই ওখানে এসেছিল দেখতে। প্যারামাউন্ট, অ্যাস্টর, স্ট্র্যান্ড, ক্যাপিটাল সবগুলোই ছিল লোকে লোকারণ্য। রবিবার বলে প্রত্যেকেই আবার ভালো পোশাকও পরে এসেছিল। খুবই একটা বাজে ব্যাপার। তবে ওটার থেকেও বাজে ব্যাপারটা হলো ওরা প্রত্যেকেই প্রস্তুতি নিয়ে মুভি দেখতে এসেছে। যখন সময় কাটানোর কিছু থাকে না, তখন মুভি দেখতে আসাটা মানা যায়। তবে কেউ যখন নিজ ইচ্ছায় প্রস্তুতি নিয়ে মুভি দেখতে আসে তখন সেটা সহ্য করা খুবই কঠিন। বিশেষ করে মিলিয়নখানেক মানুষের লম্বা লাইনে ব্লক আটকে ধৈর্য্য ধরে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার দৃশ্যটা সহ্য করা প্রায় অসম্ভব। ব্রডওয়েতে যাওয়ার জন্য আর তর সইছিল না আমার। অবশ্য আমার কপাল বেশ ভালোই ছিল। প্রথম দোকানটাতেই ‘লিটল শার্লি বিনস’-এর রেকর্ড পেয়ে গিয়েছিলাম। যদিও দুষ্প্রাপ্য রেকর্ড হওয়ায় দোকানি ওটার জন্য দাম চেয়েছিল পাঁচ ডলার। তবে তাতে আমার কোনো সমস্যা ছিল না। রেকর্ডটা কিনে হটাৎই খুব আনন্দ লাগা শুরু করল আমার। পার্কে গিয়ে ফিবিকে রেকর্ডটা দেওয়ার জন্য আর তর সইছিল না।

    রেকর্ডের দোকান থেকে বেরিয়েই দেখি সামনে একটা ড্রাগস্টোর। ভাবলাম ওখানে জেনকে একটা ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করবো ছুটিতে সে বাসায় এসেছে কি না। স্টোরের ভেতরে ফোন দিলাম জেনের বাসায়। তবে ফোন ধরেছিল জেনের মা, তাই কোনো কথা না বলেই কেঁটে দিলাম ফোনটা। ঐ মহিলার সাথে লম্বা আলাপে জড়ানোর কোনো ইচ্ছা ছিল না আমার। তাছাড়া আমার মেয়েদের মায়ের সাথে কথা বলতে খুব একটা ভালোও লাগতো না। তবে অন্ততপক্ষে জেন বাসায় এসেছে কি না সেটা জিজ্ঞেস করা উচিৎ ছিল। এটা জিজ্ঞেস করলে কোনো ক্ষতি হতো না। তবে কেন যেন জিজ্ঞেস করতেও ইচ্ছা করছিল না। আসলে মুড না থাকলে ওসব কিছুর আগ্রহ পাওয়া যায় না।

    আমার তখনও টিকিট কেনা বাকি ছিল, তাই একটা পত্রিকা কিনে দেখে নিলাম কী কী শো চলছে। রবিবার ছিল বলে ঐদিন তিনটা শো চলছিল মাত্র। তাই আমি ‘আই নো মাই লাভ’র অর্কেস্ট্রাল সিটের দুটো টিকিট কিনে নিলাম। যদিও আমার ওটা দেখায় খুব একটা আগ্রহ ছিল না, তবে জানতাম যে কৃত্রিমতার রাণী স্যালি ঠিকই ওগুলো পছন্দ করবে কারণ ওটাতে লান্টসরা রয়েছে। হয়তো টিকিট দেখানোর পর তার মুখ থেকে লালাও ঝরা শুরু করতে পারে। যাই হোক, সত্যি বলতে আমার আসলে কোনো শো-ই তেমন একটা ভালো লাগে না। শোগুলো মুভির মতো অতটা খারাপ না, তবে খুব একটা ভালো লাগার মতোও কিছু না। প্রথমত, অভিনেতাদের ঘৃণা করি। তারা কখনোই মানুষের মতো আচরণ করে না। তারা শুধু ভাবে যে তারা মানুষের মতো আচরণ করতে পারে। অবশ্য বেশ কিছু ভালো অভিনেতারা মাঝেমধ্যে বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলতে পারে, তবে সেটা দেখতেও খুব একটা বেশি ভালো আগে না। আর যদি কোনো অভিনেতা ভালোও হয়ে থাকে, তাহলে তাকে দেখেই বুঝা যায় যে সে জানে সে ভালো অভিনেতা, আর এটাই অভিনয়টাকে নষ্ট করে দেয়। স্যার লরেন্স অলিভিয়েরের কথাই ধরা যাক। গত বছর হ্যামলেট-এ লোকটার অভিনয় দেখেছিলাম। আমার ভাই ডি.বি. আমাকে আর ফিবিকে হ্যামলেট দেখাতে নিয়ে গিয়েছিল। এর আগে সে আমাদের লাঞ্চ করিয়েছিল, তারপর নিয়ে গিয়েছিল শোতে। সে আগেও দেখেছিল শোটা। আর লাঞ্চের সময় সে যেভাবে ওটার বর্ণনা করছিল তাতে শো’টা দেখার জন্য আমার আগ্রহ প্রচুর বেড়ে গিয়েছিল। তবে শো’টা আমি খুব একটা উপভোগ করতে পারিনি। আমি আসলে বুঝতেই পারছিলাম না যে স্যার লরেন্স অলিভিয়ের কেনো অতটা বিখ্যাত! হ্যাঁ, লোকটার কণ্ঠস্বর খুবই ভালো এবং দেখতেও খুব সুদর্শন ছিল, এমনকি তাকে হাঁটতে বা লড়াই করতে দেখতেও খুব ভালো লাগতো। তবে ডি.বি. যেরকম বর্ণনা করেছিল, হ্যামলেট হিসেবে লোকটা আসলে খুব একটা ভালো ছিল না। তাকে দেখতে দুঃখী, ভাঙাচোড়া একজনের বদলে অনেকটা জেনারেলের মতো লাগে। পুরো ছবিতে একমাত্র ভালো লাগার জায়গা হলো যখন ওফেলিয়ার ভাইকে—যার সাথে শেষ অংশ হ্যামলেট লড়াই করে—বিদায়ের সময় যখন তার বাবা অনেকগুলো উপদেশ দেয়। যখন তার বাবা ভাইকে উপদেশ দিচ্ছিল, তখন ওফেলিয়া তার ভাইয়ের সাথে খেলায় ব্যস্ত ছিল। হোলস্টার থেকে ড্যাগার বের করে আনছিল, তার ভাইকে ক্ষেপাচ্ছিল—কিন্তু তার বাবা কী বলছে তাতে বিন্দুমাত্র আগ্রহও ছিল ওর। দৃশ্যটা বেশ ভালো ছিল। প্রচুর হাসি পেয়েছিল আমার দৃশ্যটা দেখে। তবে এমন দৃশ্য তো আর খুব একটা বেশি দেখা যায় না। ফিবির শুধু হ্যামলেটের কুকুরের মাথায় হাত বুলানোর দৃশ্যটাই বেশি ভালো লেগেছিল। তার কাছে ঐ দৃশ্যটা বেশি সুন্দর ও মজার মনে হয়েছিল। যাই হোক, শো-তে বসে আমাকে ঐ নাটকটা পড়তে হবে আর কী। সমস্যাটা হলো কোনো নাটকে গেলে সবসময়ই আমার নিজেকে ওটা পড়া লাগে। যদি অভিনেতারা অভিনয় করে দেখানোর চেষ্টাও করে, তারপরও আমি সেটায় মনোযোগ রাখতে পারি না। সবসময়ই একটা দুঃশ্চিন্তা থাকে যে তারা হয়তো যেকোনো সময় কোনো ধাপ্পাবাজি করে বসতে পারে।

    লান্টস’র শো’র টিকিট কেনার পর ক্যাবে করে পার্কে গেলাম। আমার আসলে সাবওয়েতে উঠা উচিৎ ছিল, কারণ পকেটের টাকার পরিমাণ কমে আসছিল। তবে আমার তখন শুধু ইচ্ছা করছিল যত দ্রুত সম্ভব ব্রডওয়ে থেকে দূরে সরে যেতে।

    পার্কটা খুবই ফালতু ছিল। দিনটা অতটা ঠান্ডা ছিল না, সূর্য তখনো উঠেনি পার্কটাতে কুকুরের বর্জ্য, বুড়োদের সিগারেটের উচ্ছিষ্টাংশ, এখানে সেখানে থুতু ছাড়া আর কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। বেঞ্চগুলো দেখে মনে হচ্ছিল যে ওগুলোতে বসলে শরীর ভিজে যাবে। খুবই হতাশাজনক দৃশ্য, আর অবস্থা আরো খারাপ করার জন্য হাঁটার সময় কিছুক্ষণ পরপরই কাঁটা দিয়ে উঠছিল শরীরে। পার্কটা দেখে বুঝার উপায়ই ছিল না যে কয়েকদিন পরই ক্রিসমাস। এমনকি সামনে কোনো ছোটোখাটো উৎসব আছে বলেও মনে হচ্ছিল না। যাই হোক, তারপরও পার্ক ধরে হেঁটে মলের দিকে যাওয়া শুরু করলাম। ফিবি পার্কে এলে সাধারণত ওখানেই যায় বেশির ভাগ সময়। ব্যান্ডস্ট্যান্ডের কাছে স্কেট পছন্দ করে ও। ব্যাপারটা বেশ মজার। ছোটোবেলায় আমিও ওখানে স্কেট করতে যেতাম।

    যদিও ওখানে গিয়ে কোথাও ফিবির দেখা পাওয়া গেল না। বেশ কিছু বাচ্চা স্কেট করছিল, দুটো ছেলে সফট বল দিয়ে খেলছিল, তবে ফিবি ছিল না কোথাও। তার বয়সী একটা মেয়েকে দেখলাম বেঞ্চে বসে তার স্কেটগুলো শক্ত করে বাঁধার চেষ্টা করছে। ভাবলাম সে হয়তো ফিবির পরিচিত হতে পারে, সে হয়তো বলতে পারবে ফিবি কোথায় আছে। তাই বেঞ্চে তার পাশে গিয়ে বসে জিজ্ঞেস করলাম, ‘তুমি কি ফিবি কলফিল্ডকে চেনো?’

    ‘কে?’ সে বলল। মেয়েটার পরনে একটা জিন্স আর বিশটার মতো সোয়েটার ছিল। সোয়েটারটা দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে ওটা তার মা তাকে বানিয়ে দিয়েছে। পোশাকটা প্রচুর ঢোলা তার জন্য।

    ‘ফিবি কলফিল্ড। সেভেন্টি-ফার্স্ট স্ট্রিটে থাকে। পড়ে ফোর্থ গ্রেডে—’

    ‘তুমি ফিবিকে চেনো?

    ‘হ্যাঁ, আমি তার ভাই। তুমি কি জানো সে কোথায় আছে?’

    ‘সে তো মিস ক্যালোনের ক্লাসের, তাই না?’ মেয়েটা জিজ্ঞেস করল।

    ‘জানি না ঠিক। মনে হয়।’

    ‘তাহলে হয়তো মিউজিয়ামে আছে। গত শনিবার মিউজিয়ামে গিয়েছিলাম আমারা,’ জবাব দিলো বাচ্চা মেয়েটা।

    ‘কোন মিউজিয়ামে?’ জিজ্ঞেস করলাম।

    অনিশ্চিত ভঙ্গিতে কাঁধ ঝাঁকালো মেয়েটা। ‘আমি জানি না,’ বলল ও। ‘মিউজিয়াম তো মিউজিয়ামই।’

    ‘আমি জানি, তবে সে কোনটায় গেছে? যেটাতে ছবি আছে সেটায়, নাকি যেটাতে ইন্ডিয়ানরা আছে ওটায়?’

    ‘যেটাতে ইন্ডিয়ানরা আছে ওটায়।’

    ‘অনেক ধন্যবাদ,’ বলে পা বাড়ানো শুরু করেছিলাম তখনই হঠাৎই মনে পড়লো যে ঐদিন তো রবিবার। ‘আজকে তো রবিবার,’ বললাম বাচ্চাটাকে।

    শুনে মেয়েটা চোখ তুলে তাকালো আমার দিকে। বলল, ‘ওহ, তাহলে সে ওখানে নেই।’

    স্কেটটা বাঁধতে প্রচুর সময় লাগছিল। মেয়েটার হাতে কোনো গ্লাভসও ছিল না। ঠান্ডায় হাতগুলো একদম লাল হয়ে গিয়েছিল। এটা দেখে আমিই তার স্কেটটা বেঁধে দিলাম। অনেক বছর স্কেটে হাত লাগাইনি। তারপরও ব্যাপারটা অদ্ভুত লাগল না। স্কেটে আমার এতোই ঝোঁক ছিল যে পঞ্চাশ বছর পরও স্কেটে হাত দিলে বলতে পারবো যে স্কেটটা কীভাবে বাঁধা লাগবে। এমনকি ঘুটঘুটে অন্ধকারেও কোনো সমস্যা হবে না আমার। যাই হোক, স্কেট বেঁধে দেওয়ায় আমাকে ধন্যবাদ জানালো মেয়েটা। মেয়েটা খুবই শান্ত ও ভদ্র ছিল। শান্ত ও ভদ্র বাচ্চাদের খুবই ভালো লাগে আমার। বেশির ভাগ বাচ্চারাই এমন হয়। আসলেই। তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম সে আমার সাথে বসে হট চকলেট বা এমন কিছু খাবে কি না। মেয়েটা মানা করেছিল। বলেছিল এক বন্ধুর সাথে ওখানে দেখা করবে ও। বাচ্চারা সবসময়ই তাদের বন্ধুদের সাথে দেখা করতে পছন্দ করে। ব্যাপারটা খুবই ভালো লাগে আমার।

    যদিও রবিবারে ফিবির কোনো মিউজিয়ামের ক্লাসে থাকার কথা ছিল না আর বাইরের পরিবেশটাও ছিল প্রচুর স্যাঁতস্যাঁতে, তারপরও পার্ক ধরে মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রির দিকে পা বাড়ালাম। স্কেটের ঐ মেয়েটা এই মিউজিয়ামের কথাই বুঝিয়েছিল। ঐ মিউজিয়ামটা আমি হাতের উল্টো পিঠের মতো চিনি। ফিবি যে স্কুলে পড়তো, আমিও ছোটোবেলায় ঐ স্কুলেই পড়তাম। ওখান থেকে প্রায়ই ন্যাচারাল হিস্ট্রির মিউজিয়ামটায় যেতাম। আমাদের শিক্ষিকা মিস অ্যাইগেল্টিঙ্গার প্রায় প্রতি শনিবারেই ওখানে নিয়ে যেত আমাদের। মাঝেমধ্যে আমরা বুনো প্রাণী দেখতে যেতাম, মাঝেমধ্যে যেতাম প্রাচীন সময় ইন্ডিয়ানদের বানানো বিভিন্ন সামগ্রী যেমন মাটির বাসন, খড়ের ঝুড়ি দেখতে। ওসবের কথা ভাবলে সবসময়ই মন খুশি হয়ে যেত আমার। এমনকি এখনো। আমার মনে আছে ইন্ডিয়ানদের সামগ্রী দেখার পর আমার বেশির ভাগ সময়ই বিশাল অডিটোরিয়ামে মুভি দেখতাম। কলাম্বাসের মুভি। ওটাতে সবসময়ই কলাম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কার, জাহাজ কেনার জন্য ফার্ডিনান্দ ও ইসাবেলার কলাম্বাসকে টাকা দেওয়া এবং তার সাথে নাবিকদের বিশ্বাসঘাতকতার দৃশ্যগুলো দেখানো হতো। যদিও কেউই কলাম্বাসের দিকে অতটা মনোযোগ দিতো না, তবে অডিটোরিয়ামে গেলে সবসময়ই হাত ভর্তি ক্যান্ডি, গাম, চকলেট পাওয়া যেত। আর অডিটোরিয়ামের ভেতরের ঘ্রাণটাও ছিল খুব সুন্দর। ঘ্রাণটা শুঁকে মনে হতো বাইরে হয়তো বৃষ্টি পড়ছে, এমনকি বৃষ্টি না পড়লেও ঘ্রাণটা একই রকম থাকত। মিউজিয়ামটা প্রচুর পছন্দ করতাম। আমার মনে আছে অডিটোরিয়ামে যেতে হলে ইন্ডিয়ান রুমটা পেরিয়ে যাওয়া লাগতো। রুমটা ছিল অনেক লম্বা। রুমটা পেরিয়ে যাওয়ার সময় কথাও বলা লাগতো ফিসফিস করে। শিক্ষকরা থাকত সবার সামনে, আর পিছনে থাকত ক্লাসের ছাত্ররা। ছাত্রদের যাওয়া লাগতো দুই সারি বেঁধে, আর সবার সাথে একজন করে পার্টনার থাকত। বেশির ভাগ সময়ই আমার পার্টনার হতো গারট্রুড লিভাইন নামের একটা মেয়ে। মেয়েটা সবসময়ই হাতে হাত ধরে রাখতে চাইতো, আর তার হাতগুলো সবসময়ই ঘেমে আঠালো হয়ে থাকত। মিউজিয়ামের মেঝেটা পুরো নিরেট পাথরের। কেউ ঐ মেঝেতে মার্বেল ছুড়ে মারলে মার্বেলটা এতো জোরে বাউন্স করত আর এতো কটকটে শব্দ করে উঠতো যে শিক্ষকরা পুরো ক্লাসকে থামিয়ে দেখতে আসতো কী হয়েছে। এরপর পেরিয়ে যাওয়া লাগতো ইন্ডিয়ানদের বিশাল বিশাল লম্বা এক রণতরী। সারিবদ্ধভাবে রাখা তিনটা ক্যাডিলাক গাড়ির সমান লম্বা ঐ রণতরীটা। ওটাতে প্রায় বিশজনের মতো ইন্ডিয়ান ছিল। কেউ কেউ বৈঠা বাইছিল, কেউ দাঁড়িয়েছিল মুখে রুক্ষ ভাব ফুঁটিয়ে আর বাকিরা দাঁড়িয়ে শুধু তাকিয়ে চারপাশ দেখছিল। তাদের প্রত্যেকের রং মাখানো ছিল, যুদ্ধের রং। বজরার পিছনের মুখোশ পরা বিশাল ভয়ঙ্কর একটা লোকও ছিল। ইন্ডিয়ানদের ওঝা ছিল লোকটা। লোকটাকে দেখলেই ভয় লাগতো আমার, তারপরও লোকটাকে অনেক পছন্দ করতাম। আরেকটা বিষয় হলো, হেঁটে যাওয়ার সময় কেউ যদি নৌকার বৈঠা বা কোনো কিছু স্পর্শ করত, তখন গার্ডদের একজন বলে উঠতো, ‘বাচ্চারা, এখানের কিছুতে হাত দিয়ো না।’ তবে লোকটা কথাটা বলত খুবই মৃদুভাবে, পুলিশের মতো কড়া গলায় কিছু বলত না। রণতরীর পরে ছিল বিশাল একটা কাচের বাক্স। বাক্সটার ভেতরে থাকা ইন্ডিয়ানদের কয়েকজন কাঠিতে কাঠি ঘষছিল আগুন জ্বালানোর জন্য, সেই সাথে কম্বল বুনন করা এক ইন্ডিয়ান মহিলাও ছিল। কম্বল বুনন করা ঐ মহিলাটা কিছুটা কুঁজো হয়ে থাকায় মহিলার বুকের অনেকটাই উন্মুক্ত হয়েছিল। আমরা সবাই ঐ বুক দেখার জন্য উঁকিঝুঁকি করতাম। এমনকি মেয়েরাও করত। ঐসময়টায় আমরা সবাইই বাচ্চা ছিলাম, আর তখন মেয়েদের বুকও আমাদের মতোই ছিল। যাই হোক, অডিটোরিয়ামে ঢোকার দরজার পাশেই ছিল তুষারাবৃত হ্রদের ধারে বসে মাছ ধরতে থাকা একটা এস্কিমো। ওই এস্কিমোর পাশে তার আগে ধরে রাখা দুটো মাছও ছিল। মিউজিয়ামের পুরোটা জুড়েই প্রচুর কাঁচের বাক্স ছিল। ওপরতলায় কাঁচের বাক্সের সংখ্যা আরো বেশি ছিল। ওপরতলায় ছিল পানির ফোয়ারা থেকে পানি খেতে থাকা একটা হরিণ আর শীতের সময় দক্ষিণে উড়ে যাওয়া অনেক পাখি। নিকটবর্তী তারে ঝুলানো পাখিগুলো ছিল স্টাফ করা আর পিছনের দিকের পাখিগুলো ছিল দেওয়ালে আঁকা। তবে তারা সবাইই উড়ে যাচ্ছিল দক্ষিণের দিকে। যদি কেউ মাথা কাৎ করে পাখিগুলোর দিকে তাকায় তাহলে সে দেখবে যে পাখিগুলো খুব তাড়াহুড়ো করে দক্ষিণের দিকে উড়ে যাচ্ছে। মিউজিয়ামের সবচেয়ে ভালো দিকটা ছিল, ওখানের সবকিছু সবসময় একটা জায়গাতেই থাকত। কেউই ওগুলোর স্থান পরিবর্তন করত না। হাজারবার ঐ মিউজিয়ামে গেলেও একই দৃশ্য দেখা যেত। এস্কিমো তার দুই মাছ নিয়ে বসে আছে, পাখিগুলো উড়ে যাচ্ছে দক্ষিণের দিকেই, হরিণরা তখনো পানি খাচ্ছে ফোয়ারা থেকে, এমনকি ঐ ইন্ডিয়ান মহিলা তখনো তার ঐ কম্বলটাই বুনছে। কোনো কিছুই বদলাতো না। শুধু বদলে যেতাম আমি। এমন না যে বয়সের ব্যবধান খুব বেশি বেড়ে যেত, এমন কিছু হতো না। আমিই বদলে যেতাম। কোনোসময় যেতাম ওভারকোট পরে, অথবা কোনোবার হয়তো সাথে আগেরবার সাথে থাকা পার্টনার সর্দিজ্বরের কারণে আমার সাথে থাকত না—পার্টনার করা লাগতো অন্য কাউকে, অথবা কোনোবার হয়তো মিস অ্যাইগেল্টিঙ্গারের বদলে কোনো শিক্ষক থাকত সাথে, অথবা কোনোবার হয়তো শোনা যেত বাথরুমে বাবা-মায়ের ঝগড়া করার শব্দ। মানে প্রতিবারই কোনো না কোনো উপায়ে আমিই বদলে যেতাম। আসলে ব্যাপারটা আমি ঠিক ব্যাখ্যা করে বলতে পারবো না। ব্যাখ্যা করে বললেও ঐ অনুভূতিটা ঠিকমতো বুঝাতে পারবো না।

    হেঁটে যাওয়ার সময় পকেট থেকে হান্টিং টুপিটা বের করে আবার মাথায় পরে নিলাম। জানতাম না যে ওখানে আমার পরিচিত কারো সাথে দেখা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই, আর পার্কের পরিবেশটা খুবই স্যাতস্যাতে ছিল। হেঁটে যেতে যেতে ভাবছিলাম ফিবিও কি প্রতি শনিবার আমার মতো করেই মিউজিয়ামটা দেখে কি না। ভাবছিলাম সেও কি আমার মতো প্রতিবার নিজের বদলে যাওয়াটা বুঝতে পারে কি না। ওটা ভাবতে আমার খুব একটা খারাপ লাগছিল না, তবে খুব একটা ভালোও লাগছিল না। কিছু কিছু জিনিসকে একভাবেই রেখে দেওয়া উচিৎ। মাঝেমধ্যে ইচ্ছা করে নিজেকে ঐ বড়ো কাঁচের বাক্সে আঁটকে রেখে দেই, যাতে আমাকে আর বদলানো না লাগে। জানি এটা অসম্ভব, তবে ব্যাপারটা কিন্তু খুব একটা খারাপও না। যাইহোক, এসব ভাবতে ভাবতেই এগিয়ে যাচ্ছিলাম।

    তখনই অদ্ভুত ব্যাপারটা ঘটলো। মিউজিয়ামের ভেতর ঢুকতে যাচ্ছি, ঠিক তখনই আর ঢুকতে ইচ্ছা করল না আমার। এমনকি লক্ষ টাকার বিনিময়েও মিউজিয়ামে ঢুকতে ইচ্ছা করছিল না। কেন যেন মিউজিয়ামটা আর আকর্ষণ করছিল না আমাকে। আর আমিই পুরো পার্ক ধরে কিন্তু হেঁটে গিয়েছিলাম ঐ মিউজিয়ামের জন্যই। ফিবি ভেতরে থাকলে হয়তো ভেতরে ঠিকই ঢুকতাম, কিন্তু সে তো ছিল না। তাই মিউজিয়ামের সামনে থেকেই ক্যাব নিয়ে রওনা করলাম বাল্টিমোরের দিকে। সেখানেও যেতে ইচ্ছা করছিল না, যদিও স্যালির সাথে আগেই ডেটটা ফিক্সড করে রেখেছিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }