Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ১৮

    অধ্যায় আঠারো

    স্কেটিং রিং থেকে বের হয়ে টের পেলাম যে প্রচণ্ড ক্ষুধা পেয়েছে আমার। তাই একটা ড্রাগস্টোরে ঢুকে সুইস চিজ স্যান্ডউইচ খেয়ে নিলাম। তারপর গেলাম ফোন বুথে। ভাবছিলাম জেনের বাসায় ফোন করে জানতে চাইবো সে বাসায় এসে পৌঁছেছে কি না। মানে তখন আমার পুরো সন্ধ্যাটা একদম ফ্রিই ছিল। জেন যদি বাসায় এসে থাকে তাহলে তাকে জিজ্ঞেস করবো যে সে কি আমার সাথে কোথাও ড্যান্সিং-এ যেতে পারবে কি না। তাকে অনেকদিন ধরে চিনলেও তার সাথে কখনো ড্যান্স করা হয়নি। যদিও ফোর্থ অব জুলাইয়ে একটা ক্লাবে তাকে একবার নাচতে দেখেছি। ঐদিন দেখে তাকে খুবই ভালো ড্যান্সার বলে মনে হয়েছিল আমার। ঐসময়টায় তাকে খুব একটা ভালো করে চিনতাম না, তাই আর ঐদিন নাচের সময় তার ডেটের কাছে থেকে তাকে ছিনিয়ে নেইনি। সে তখন শোয়্যাটের আল পাইক নামের একজনের সাথে ডেট করছিল। ছেলেটাকে আমি অতটা ভালো করে চিনতাম না, তবে ছেলেটা সবসময়ই সুইমিং পুলের মধ্যে পড়ে থাকত। তার পরনেও থাকত ল্যাস্টেক্সের সুইম স্যুট, সবসময়ই হাই ডাইভ দিতো ছেলেটা। সারাদিন জুড়েই এক জাতের হাফ গেইনার ডাইভ দিতো ও। সে আসলে ঐ এক জাতের ডাইভই পারতো, তবে তার ভাবটা এমন ছিল যে ঐটা খুবই কঠিন একটা কাজ। ছেলেটার শুধু পেশিবহুল শরীরই ছিল, কিন্তু কোনো মগজ ছিল না। যাই হোক, ঐ রাতে আল পাইকই ছিল জেনের ডেট। আমি আসলে কিছুতেই ব্যাপারটা হজম করতে পারছিলাম না। আসলে সত্যি বলতে বুঝতেই পারছিলাম না। জেনের সাথে সম্পর্ক কিছুটা ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে সে কীভাবে আল পাইকের মতো আত্মহংকারী শো-অফ করা হারামজাদার সাথে ডেট করতে রাজি হয়েছিল। জবাবে সে বলেছিল ছেলেটা নাকি শো-অফ করে না। তার মতে ছেলেটা নাকি হীনমন্যতায় ভুগছিল। জেনের ভাবটা এমন ছিল যে ছেলেটার জন্য প্রচুর মায়া তার। জেন নাকি এই মায়াতেই তার সাথে ডেটে গিয়েছিল। মেয়েদের এই ব্যাপারটা আমার কাছে খুব হাস্যকর লাগে। যখনই কেউ তাদেরকে বলে কোনো ছেলে খুবই রুক্ষ বা দাম্ভিক, তখন মেয়েরা বলে উঠে যে ছেলেটার নাকি হীনমন্যতার সমস্য রয়েছে। হয়তো আল পাইক আসলেই হীনমন্যতায় ভুগছিল, তবে তারপরও সে কিন্তু হারামি স্বভাবেরই ছিল। অন্তত আমার কাছে এমনটাই লেগেছে। আর মেয়েরা, হাহ! তারা যে কখন কী ভাবে সেটা কখনোই আন্দাজ করা যায় না। আমি একবার রবার্তা ওয়ালশের রুমমেটের সাথে আমার এক বন্ধুর ডেট ফিক্সড করে দিয়েছিলাম। ছেলেটার নাম বব রবিনসন আর ওর আসলেই হীনমন্যতার সমস্যা ছিল। তাকে দেখেই বুঝা যেতো যে সে তার বাবা-মাকে নিয়ে খুবই লজ্জিত কারণ তারা সঠিকভাবে কথাবার্তা বলতে পারে না এবং তারা খুব একটা ধনীও ছিল না। তবে ছেলেটা হারামী টাইপের ছিল না। বব ছিল খুবই ভালো একটা ছেলে। কিন্তু রবার্তা ওয়ালশের রুমমেট ববকে একদমই পছন্দ করেনি। মেয়েটা রবার্তাকে বলেছিল যে বব নাকি খুবই দাম্ভিক প্রকৃতির, আর তার কাছে এটা মনে হয়েছে কারণ বব নাকি মেয়েটাকে বলেছিল যে সে বিতর্ক দলের ক্যাপ্টেন। শুধু এই একটা কথাই, আর এতেই মেয়েটা তাকে দাম্ভিক উপাধি দিয়ে দিয়েছিল। মেয়েদের একটা সমস্যা হলো, তারা যদি কোনো ছেলেকে পছন্দ করে তাহলে তারা যতই হারামজাদা প্রকৃতির হোক না কেন তারা তাদেরকে হীনমন্যতায় ভুগছে বলে রায় দিয়ে দেবে। আর যদি তাদের কোনো ছেলেকে ভালো না লাগে, তাহলে ছেলেটা যতই ভালো হোক না কেন বা যতই হীনতায় ভুগতে থাকুক না কেন তারা তাদেরকে দাম্ভিক-আত্মাভিমানী প্রকৃতির বলে ঘোষণা করে বসবে। এমনকি বুদ্ধিমতী মেয়েরাও এই কাজটা করে।

    যাইহোক, আমি আরেকবার ফোন দিলাম জেনকে, তবে কেউ ফোনের জবাব দিচ্ছিল না, তাই ফোনটা রেখে দিলাম। তারপর আমার অ্যাড্রেস বুকের নামগুলো দেখলাম একবার। এই নামগুলোর মধ্যে সন্ধ্যায় কে ফ্রি থাকতে পারে ভাবছিলাম। সমস্যাটা হলো আমার অ্যাড্রেস বুকে মাত্র তিনটা নামই ছিল। জেন, এল্কটন হিলসের টিচার মি. অ্যান্টোলিনি আর আমার বাবার অফিসের নম্বর। অ্যাড্রেস বুকটায় কারো নাম্বার লিখতে কখনোই মনে থাকে না আমার। যাইহোক, শেষমেশ কার্ল লুসকে ফোন দিলাম। আমি চলে আসার পর হুটন স্কুল থেকে পাশ করে বেরিয়েছে কার্ল। বয়সে আমার থেকে প্রায় তিন বছরের বড়ো কার্ল। কার্ল ছিল হুটন স্কুলের সবচেয়ে ভালো আইকিউ’র ছেলে। তাই আমি ভাবলাম যে ডিনারের সময় তাকে ডেকে তার সাথে বসে বুদ্ধিদীপ্ত আলোচনা করা যাবে। মাঝেমধ্যে কার্ল খুবই জ্ঞানীদের মতো কথা বলতে পারে। তাই তাকে ফোন দিলাম। স্কুল থেকে পাশ করার পর সে কলাম্বিয়ায় চলে গিয়েছিল, তবে সে থাকত সিক্সটি ফিফথ স্ট্রিটে। আমি জানতাম যে সে বাসাতেই আছে। ফোনে তাই তাকে পেতে কোনো সমস্যাই হলো না। ফোন ধরে কার্ল জানালো যে সে ডিনারের জন্য সময় করতে পারবে না, তবে রাত দশটার দিকে ড্রিঙ্কের জন্য ফিফটি ফোর্থ স্ট্রিটের উইকার বারে দেখা করতে পারবে আমার সাথে। আমার কাছে মনে হয় সে আমার ফোন পেয়ে বেশ চমকে গিয়েছিল। স্কুলে পড়ার সময় আমি একবার তাকে মোটকা হারামজাদা বলে গালি দিয়েছিলাম।

    রাত দশটার আগে অনেক সময় ছিল আমার হাতে। তাই মুভি দেখার জন্য রেডিও সিটিতে চলে গেলাম আবার। জানি আমার হয়তো মুভিতে যাওয়াটা উচিৎ হয়নি, কিন্তু আমার ওখান থেকে রেডিও সিটিটাই ছিল কাছে, আর মাথায়ও অন্য কিছুর কথা আসছিল না।

    যখন রেডিও সিটিতে গিয়ে পৌছাই তখন স্টেজ শো চলছিল। দ্য রকেটস তাদের একজন আরেকজনের কোমড়ে হাত পেঁচিয়ে ধরার পারফম্যান্সে দর্শকদের মন মাতিয়ে রেখেছিল। দর্শকরা পাগলের মতো করতালি বাজাচ্ছিল তখন। আমার পিছনে থাকা এক লোক তো বারবারই স্ত্রীকে বলছিল, ‘জানো এটা কী? এটা হচ্ছে নিখুঁত পারফম্যান্স।’ বিরক্তিকর ছিল লোকটা। দ্য রকেটস যাওয়ার পর রোলার স্কেট পরে মঞ্চে এলো টাক্সিডো পরা এক লোক। মঞ্চে এসে একটার পর ছোটো ছোটো টেবিলের নিচ দিয়ে স্কেট করছিল লোকটা আর কৌতুক বলছিল। লোকটা খুবই ভালো স্কেটার ছিল, তবে আমি তাকে খুব একটা উপভোগ করতে পারিনি। কারণ আমি কল্পনা করছিলাম লোকটা স্টেজে কীভাবে রোলার স্কেটে করে চলতে হয় সেটার প্র্যাক্টিস করছে। তার পারফম্যান্স খুবই স্টুপিড লাগছিল আমার কাছে। হয়তো আমার আসলে তখন ওসব উপভোগ করার মুডই ছিল না। সে যাওয়ার পর শুরু হলো ক্রিসমাসের থিমের নাটক। রেডিও সিটি প্রতিবারই এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মঞ্চের পুরোটা জুড়েই ছিল অনেক বাক্স, আর বাক্সগুলো থেকে একের পর এক দেবদূত বেরিয়ে আসছিল। পুরোটা মঞ্চ জুড়েই মানুষজন দৌড়াচ্ছিল ক্রুশ নিয়ে, আর কয়েকজন মিলে সম্মিলিত গলায় পাগলের মতো গাচ্ছিল—আসলে কয়েকজন না, কয়েক হাজার জন—’কাম অল ইউ ফেইথফুল!’ আহ, কী অনুষ্ঠান। আমি জানি ঐ অভিনয়টার মূল উদ্দেশ্য ছিল দর্শকদের মুগ্ধ করা আর ধর্মের মাধুর্যতা ছড়িয়ে দেওয়া। কিন্তু স্টেজের ওপর দিয়ে অভিনেতাদেরকে ক্রুশ নিয়ে দৌড়ানো দেখাটা আমার কাছে অতটা মুগ্ধ করার মতো কিছু বা ধর্মের মাধুর্যতা ছড়ানোর মতো কিছু মনে হচ্ছিল না। অভিনয় শেষে অভিনেতারা আবার যখন বাক্সে ঢুকছিল তখন তাদেরকে দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে তারা মঞ্চ থেকেই নেমেই প্রথমে সিগারেট টানবে। আগের বছর আমি এই নাটকটা দেখেছিলাম স্যালি হায়েসের সাথে। সে নাটকটা দেখে বারবারই বলছিল নাটকটা খুবই চমৎকার, কস্টিউমগুলো খুবই সুন্দর। আমি তখন তাকে বলেছিলাম যে যীশু যদি এইসব দামী দামী কস্টিউম দেখতো তাহলে হয়তো বমি করে দিতো। স্যালি তখন বলেছিল আমি নাকি পাষাণ হৃদয়ের এক নাস্তিক। হয়তো আমি আসলেই ওরকম। আমার কাছে মনে হয় যীশু হয়তো এই নাটকের অর্কেস্ট্রায় কেটল ড্রাম বাজানো লোকটাকেই একমাত্র পছন্দ করত। আট বছর বয়স থেকেই আমি ঐ লোকটাকে ড্রাম বাজাতে দেখছি। বাবা-মায়ের সাথে এলে আমি আর আমার ভাই এলি আমার সিট সরিয়ে লোকটাকে কাছ থেকে দেখার জন্য মঞ্চের আরো কাছে চলে যেতাম। আমার দেখা সেরা ড্রামার ঐ লোকটা। পুরো নাটকের সময় লোকটার আসলে ড্রাম বাজানোর সুযোগ পায় খুবই কম সময়, তারপরও লোকটার মধ্যে কোনো বিরক্তভাব দেখিনি আমি। আর যখন ড্রামে বাড়ি দেওয়ার সময় হতো তখন লোকটা উদ্বেগভরা চেহারায় খুবই শান্ত ও মিষ্টভাবে আঘাত করত ড্রামে। একবার বাবার ওয়াশিংটনে গিয়েছিলাম আমরা, তখন এলি লোকটার উদ্দেশ্যে একটা পোস্টকার্ড পাঠিয়েছিল। তবে আমার সন্দেহ আছে লোকটা ঐ পোস্টকার্ড কখনো পেয়েছিল কি না। আমরা আসলে লোকটার ঠিকানার ব্যাপারে অতটা নিশ্চিত ছিলাম না।

    ক্রিসমাসের নাটকটা শেষ হওয়ার পর শুরু হলো মুভি। মুভিটা এতো বাজে ছিল যে ঠিকমতো চোখই রাখতে পারছিলাম না পর্দায়। মুভিটা ছিল এক ইংরেজ লোককে নিয়ে। অ্যালেক কী যেন নাম ছিল লোকটার। যুদ্ধে গিয়ে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে হাসপাতালে পড়েছিল লোকটা। বেশ কিছুদিন হাসপাতালে থাকার পর ছাড়া পেয়ে লাঠিতে ভর করে পুরো লন্ডন জুড়ে ঘোরা শুরু করে লোকটা। নিজের পরিচয় না জেনেই পুরো লন্ডন জুড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল লোকটা। লোকটা আসলে একজন ডিউক ছিল, কিন্তু যুদ্ধে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলায় সে আর ওটা জানতো না। এভাবেই হুট করে একদিন বাসে উঠতে গিয়ে এক চমৎকার মেয়ের সাথে দেখা হয় তার। বাসে উঠার সময় মেয়েটার মাথা থেকে টুপিটা উড়ে গিয়েছিল, আর অ্যালেক সেই টুপিটা তুলে এনে আবার ফিরিয়ে দেয় মেয়েটাকে। ওটাই তাদের পরিচয়। এরপর তারা বাসে উঠে সিটে বসে আলাপ শুরু করে চার্লস ডিকেন্সকে নিয়ে। তাদের দুইজনেরই প্রিয় লেখক চার্লস ডিকেন্স। অ্যালেকের সাথে এমনকি অলিভার টুইস্ট-এর একটা কপিও ছিল তখন, মেয়েটার সাথেও ছিল। কাহিনি দেখে আমার প্রায় বমি করার দশা হয়েছিল। যাই হোক, একসময় একে-অপরের প্রেমে পড়ে যায় তারা দু’জন। তাদের প্রেমে পড়ার মূল কারণ তারা দুজনই চার্লস ডিকেন্সের অন্ধভক্ত এবং অ্যালেক মেয়েটাকে তার প্রকাশনার ব্যবসা চালানোয় সাহায্য করছিল। মেয়েটা আসলে একজন প্রকাশক। তার ব্যবসার অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। মেয়েটার মাতাল ভাই তাদের সব টাকা-পয়সা অযথাই উড়িয়ে নষ্ট করে ফেলেছিল। ঐ ভাইটা খুবই রুক্ষ স্বভাবের ছিল। যুদ্ধের সময় মেয়েটার ভাই ডাক্তার ছিল, তবে যুদ্ধে লোকটার নার্ভে গুলি লাগায় তার পক্ষে আর ডাক্তারি অপারেশন করা সম্ভব ছিল না। সেজন্যই দুঃখে সারাদিন ধরে শুধু মদ খেতো লোকটা। তবে লোকটা বেশ রসিক ছিল। যাইহোক, অ্যালেক একসময় একটা বই লেখে আর মেয়েটা সেই বই ছাপায়। ঐ বই থেকে প্রচুর পরিমাণ টাকা আয় করে ওরা। ততদিনে অ্যালেক আর মেয়েটার সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে গেছে, তারা বিয়ে করবে বলেও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে—ঠিক তখনই মার্সিয়া নামের একজন এসে হাজির হয় দৃশ্যপটে। স্মৃতি হারানোর আগে মার্সিয়া ছিল অ্যালেকের বাগদত্তা। এক দোকানে অ্যালেককে বইয়ে অটোগ্রাফ দেওয়ার সময় তাকে চিনে ফেলে মার্সিয়া। সে এসে অ্যালেককে বলে যে অ্যালেক আসলে একজন ডিউক, তবে অ্যালেক তার কোনো কথাই বিশ্বাস করেনি, এমনকি মার্সিয়ার কথামতো তার মাকেও দেখতে যেতে রাজি হয়নি। অ্যালেকের মা ছিল অন্ধ। তবে অন্য মেয়েটা মানে প্রকাশক মেয়েটা অ্যালেককে রাজি করায়। মেয়েটা আসলেই খুব ভালো ছিল। মেয়েটার কথামতো অ্যালেক তার মাকে দেখতে যায়। মাকে দেখেও অ্যালেকের স্মৃতি ফিরে আসেনি, এমনকি তার পুরোনো গ্রেট ডেন কুকুরটা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেও তার স্মৃতি ফিরে আসেনি। তার মা অনেকবার অ্যালেকের মুখ হাতিয়ে আদর করেও স্মৃতি ফেরাতে পারেনি। এমনকি পারেনি অ্যালেকের ছোটোবেলার সবচেয়ে প্রিয় খেলনা টেডি বিয়ারটাও। তারপর একদিন অ্যালেক লনে বসে বাচ্চাদের ক্রিকেট খেলা দেখছিল। তখন হুট করে ক্রিকেট বল এসে আঘাত করে তার মাথায়। সাথে সাথেই স্মৃতি ফিরে আসে অ্যালেকের। স্মৃতি ফিরে পেয়েই সে ছুটে যায় তার মাকে জড়িয়ে ধরতে। এরপর আবারো ডিউক হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে অ্যালেক। ঐসময় প্রকাশক মেয়েটার কথা অ্যালেক ভুলেই গিয়েছিল একদম। এরপরের কাহিনিটাও বলতে পারি, তবে বললে হয়তো আমি নিজেই বমি করে দিতে পারি। এমন না যে কাহিনি স্পয়েল করে দিচ্ছি বা এমন কিছু। আসলে স্পয়েল করার মতো কোনো কাহিনিই তো না এটা। যাই হোক, মুভির শেষে অ্যালেক আর প্রকাশক মেয়েটার বিয়ে হয়, মেয়েটার ভাইয়ের নার্ভও ঠিক হয়ে যায়, নার্ভ ঠিক হওয়ার পর অপারেশন করে সে অ্যালেকের মায়ের দৃষ্টিশক্তিও ফিরিয়ে আনে। ততদিনে মার্সিয়ার সাথেও সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হয়। মুভির শেষ দৃশ্যে তারা সবাই এক লম্বা ডিনার টেবিলে বসে গ্রেট ডেনকে একগুচ্ছ কুকুরছানা নিয়ে ঢুকতে দেখে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছিল। আমার মনে হয় তারা সবাই ঐ কুকুরটাকে পুরুষ কুকুর বা এরকম কিছু ভেবেছিল। যাই হোক, আমি এটুকুই বলতে পারি যে ঐ মুভি দেখে কারো বমি আটকে রাখাটা খুবই কঠিন হবে।

    তবে একটা অদ্ভুত ব্যাপার হলো, আমার পাশের সিটে বসা মহিলাই এই মুভি দেখে বাচ্চা মেয়েদের মতো কাঁদতে কাঁদতে নিজেকে ভাসিয়ে ফেলেছিল। মুভির কাহিনি যতই ফালতুর দিকে গড়িয়েছে ততই কান্নার গতি বেড়েছে মহিলার। শুনে মনে হতে পারে মহিলা হয়তো খুবই নরম, দয়ালু হৃদয়ের। তবে আমি তো মহিলার পাশের সিটেই ছিলাম, মহিলা কোনোভাবেই দয়ালু হৃদয়ের না। মহিলার সাথে থাকা বাচ্চাটা মুভি দেখে আমার মতোই বিরক্ত হয়ে বাথরুমে যেতে চেয়েছিল, কিন্তু মহিলা তাকে নিয়ে যেতে রাজি হয়নি। মহিলা বারবারই বাচ্চাটাকে বলছিল যেন সে তার সিটে শান্ত হয়ে বসে থাকে। ঐ মহিলার হৃদয় আসলে বুনো নেকড়ের মতোই নরম ছিল। আসলে যেইসব মানুষ ফালতু মুভি দেখে হলে বসে কাঁদতে কাঁদতে ভাসিয়ে দেয়, বেশির ভাগ সময় সেইসব মানুষ আসলে খুবই হারামি টাইপের হয়। আসলেই, মজা করছি না, এটা সত্য।

    মুভি শেষ হওয়ার পর উইকার বারের দিকে হাঁটা শুরু করলাম। কার্ল লুসের সাথে ওখানেই দেখা করার কথা আমার। হাঁটার সময় যুদ্ধ নিয়ে ভাবছিলাম। যুদ্ধের কোনো মুভি দেখার পর আমার মাথায় প্রতিবারই এসব ভাবনা ঢুকে যায়। মনে হয় না যুদ্ধে গেলে আমি টিকে থাকত পারবো। আসলেই যুদ্ধে গেলে টিকতে পারবো না। ব্যাপারটা এমন না যে শত্রুপক্ষ আমাকে ধরে নিয়ে যাবে বা গুলি করে মেরে ফেলবে, এমনটা হলে বরং আমার জন্য ভালোই হবে। আমার আসলে যুদ্ধের সময় লম্বা সময় আর্মিতে থাকা লাগবে ভেবেই মরে যেতে ইচ্ছা করে। এটাই হলো মূল সমস্যা। আমার ভাই ডি.বি. চার বছর আর্মিতে ছিল। যুদ্ধেও গিয়েছিল সে। তবে মনে হয় সে যুদ্ধের থেকেও আর্মিকে বেশি ঘৃণা করে। ঐ সময়টায় আমি বলতে গেলে প্রায় বাচ্চাই ছিলাম, তবে এখনো মনে আছে যুদ্ধের সময় মাঝেমধ্যে ডি.বি. ছুটি নিয়ে বাসায় এলে শুধু তার বিছানাতেই শুয়ে থাকত। এমনকি লিভিং রুমেও আসতো না অতটা। ছুটি শেষে আবার বিদেশে যুদ্ধে ফিরে গেলেও সে কখনো কাউকে গুলি করত না বা নিজেও আহত হতো না। যুদ্ধে তার কাজ ছিল শুধু কয়েকজন জেনারেলকে নিয়ে সারাদিন কমান্ড গাড়ি চালানো। সে একবার আমাকে আর এলিকে বলেছিল যে, তাকে যদি যুদ্ধে বন্দুক দেওয়া হতো, তাহলে সে নিশ্চিত হতে পারতো না কাকে আগে মারবে। সে বলেছিল আর্মির সেনারা নাৎসিদের মতোই অনেক বড়ো হারামি। আমার মনে আছে এলি একবার তাকে জিজ্ঞেস করেছিল যুদ্ধে যাওয়ায় তার কোনো উপকার হয়েছে কি না—যেহেতু সে লেখালেখি করে, যুদ্ধের অভিজ্ঞতা নিশ্চয় তাকে লেখালেখির অনেক উপকরণই দিয়েছে। ডি.বি. তখন এলিকে দিয়ে তার বেসবল গ্লাভস আনিয়ে জিগেস করেছিল সবচেয়ে সেরা রণ কবিতা কে লেখে, রুপার্ট ব্রুক নাকি এমিলি ডিকিনস। এলি জবাবে বলেছিল এমিলি ডিকিনসনের কথা। আমি আসলে ওসব ব্যাপারে খুব একটা ভালো জানি না, আমি তেমন একটা কবিতা পড়ি না। তবে এটা জানি যে আমাকে যদি আর্মিতে যোগ দিয়ে অ্যাকলি, স্ট্র্যাডলেটার, মরিসের সাথে সবসময় মার্চ করা লাগে, তাহলে আমি পাগল হয়ে যাব। একবার এক সপ্তাহের জন্য বয় স্কাউটের সাথে ছিলাম। ঐসময়টায় কখনোই আমার সামনে দাঁড়ানো ছেলেটার ঘাড়ের দিকে তাকাতে পারিনি। তারা আমাকে সবসময় বলেছে চোখ তুলে আমার সামনের জনের ঘাড়ের দিকে তাকাতে, কিন্তু আমি পারিনি। সত্য বলছি, আবার যদি কখনো যুদ্ধ হয় তাহলে তারা চাইলে আমাকে ধরে-বেঁধে ফায়ারিং স্কোয়াডের সামনে ঠেলে দিতে পারবে—এতে আমার কোনো আপত্তিও নেই। ডি.বি.’র যে ব্যাপারটা আমার অদ্ভুত লাগে সেটা হলো সে যুদ্ধকে খুব ঘৃণা করলেও গত গ্রীষ্মে আমাকে অ্যা ফেয়ারওয়েল টু আর্মস পড়ার জন্য এনে দিয়েছিল। বলেছিল বইটা নাকি খুবই চমৎকার। আমি এটাই বুঝতে পারিনি। বইয়ে লেফটেন্যান্ট হেনরি নামের একটা লোক ছিল যে আচার-আচরণে খুবই ভালো। আমি আসলে এটাই বুঝতে পারিনি যে ডি.বি. যুদ্ধ আর আর্মিকে এতো ঘৃণা করলেও কীভাবে ঐ বইয়ের মতো ফালতু একটা বই পছন্দ করতে পারে। মানে উদাহরণস্বরূপ, সে কীভাবে একই সাথে ঐ ধরনের বাজে একটা বইয়ের সাথে সাথে রিং গার্ডনারের বইগুলো বা দ্য গ্রেট গ্যাটসবি’র মতো বই পছন্দ করতে পারে। দ্য গ্রেট গ্যাটসবি বইটা তো তার সবচেয়ে প্রিয় বই। আমি এটা বলার পর ডি.বি. বেশ মন খারাপ করে বলেছিল যে আমার বয়স কম বলে আমি নাকি এটা বুঝতে পারবো না। তবে আমার এরকমটা মনে হয় না। তাকে বলেছিলাম আমার রিং গার্ডনার এবং দ্য গ্রেট গ্যাটসবি বেশি পছন্দ। আসলেই ওগুলো আমার অনেক পছন্দের। বিশেষ করে দ্য গ্রেট গ্যাটসবি। ওহ্, গ্যাটসবি, ওল্ড স্পোর্ট। এটা আমি কখনো বুঝতে পারিনি। যাই হোক, পারমাণবিক বোমা আবিষ্কার হওয়ায় আমি অনেক খুশি। যদি আরেকবার কখনো যুদ্ধ হয়, তাহলে আমি নিজে ঐ বোমার ওপরে চড়ে ঐ যুদ্ধে যাবো। সত্য বলছি, আমি নিজে ওটার স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করবো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }