Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ১৯

    অধ্যায় উনিশ

    উইকার বারটা নিউইয়র্কের অন্যতম বিলাসবহুল সেটন হোটেলে অবস্থিত। আগে প্রায়ই যেতাম ওখানে, তবে পরে আর যাইনি বেশি। ধীরে ধীরে যাওয়া কমিয়ে দিয়েছিলাম। এটা এমন একটা জায়গা যেখানে খুবই মার্জিত পরিবেশ বিরাজমান থাকে, কিন্তু চারপাশ জুড়ে পুরোটাতেই ছড়িয়ে থাকে ধাপ্পাবাজ হারামজাদারা। তাদের ওখানে টিনা ও জেনিন নামের দুই ফ্ৰেঞ্চ মেয়ে কাজ করত। প্রতিরাতে তারা তিনবার করে পিয়ানো বাজিয়ে গান গাইতো। এদের একজন পিয়ানো বাজাতো, আরেকজন গান গাইতো। তাদের গানগুলোর অর্ধেকই থাকত অশ্লীল আর অর্ধেক ফ্রেঞ্চ ভাষার। পিয়ানো বাজানো মেয়েটা ছিল খুবই ফালতু। আর যে মেয়েটা গান গাইতো, মানে জেনিন সে সবসময়ই গান শুরুর আগে মাইক্রোফোনে ফিসফিস করে বলত, ‘আমরা আপনাদের মাঝে আমাদের প্রিয় ফ্রান্সের মুগ্ধতা ছড়িয়ে দিতে এসেছি। এটা একটা কম বয়সী ফ্রেঞ্চ মেয়ের গল্প যে ফ্রান্স থেকে বড়ো শহর নিউইয়র্কে এসে ব্রুকলিনের এক ছেলের প্রেমে পড়েছিল।’ ফিসফিস করে ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে কথা বলে কিউট সেজে এরপর গাইতো ফালতু গান, যার অর্ধেক থাকত ইংরেজিতে, বাকি অর্ধেক ফরাসিতে। তবে তার এই গান শুনেই বারের সব হারামিরা একদম আনন্দে উল্লসিত হয়ে যেত। যদি কেউ ওখানে বসে লম্বা সময় ওইসব ধাপ্পাবাজের তালি বাজানো শুনে, তাহলে সে নিশ্চিতভাবেই পৃথিবীর সব মানুষকে ঘৃণা করা শুরু করবে। আমি কসম খেয়ে বলছি এটা। ওখানের বারটেন্ডারটাও ছিল ফাজিল এক লোক। কেউকেটা বা সেলিব্রেটি গোত্রের কেউ না হলে সে কারো সাথে ঠিকমতো কথাই বলত না। কোনো কেউকেটা ধনী ব্যক্তি বা সেলিব্রেটি বারে গেলে তার ধাপ্পাবাজির পরিমাণ আরো কয়েকগুণ বেড়ে যেত। সে তখন বার থেকে বেরিয়ে এগিয়ে এমন মেকি আচরণে তাদের সাথে কথা বলত যেন সে তাদের অনেক দিনের পরিচিত বন্ধু। এই যেমন—’হেই, কানেটিকাট কেমন লাগলো?’ বা ‘ফ্লোরিডার কী অবস্থা?’ বারটা খুবই বাজে একটা জায়গা। মজা করছি না, আসলেই খুব বাজে একটা জায়গা। এজন্যই আমি ধীরে ধীরে ওখানে যাওয়া কমিয়ে দিয়েছিলাম।

    ওখানে অবশ্য ঐদিন কিছুটা আগেভাগেই চলে গিয়েছিলাম। জায়গাটাতে ও বেশ ভীড় ছিল। তাই বারে বসে কয়েকটা স্কচ আর সোডা অর্ডার করলাম। অর্ডার করার সময় উঠে দাঁড়িয়ে করেছিলাম যাতে তারা আমাকে লম্বা দেখে কম বয়সী হিসেবে ভেবে না বসে। তারপর ড্রিংক করতে করতে চারপাশের ধাপ্পাবাজদের ধাপ্পাবাজি দেখছিলাম। আমার ঠিক পাশেই থাকা ছেলেটা এক মেয়ের সাথে অনবরত গুল মেরে যাচ্ছিল। বারবার সে মেয়েটাকে বলছিল মেয়েটার হাত নাকি খানদানি হাত। খুবই হাস্যকর ছিল ব্যাপারটা। বারের শেষপ্রান্তের দিকে দলবেঁধে ছিল বেশ কিছু হোমো (সমকামী)। তাদেরকে দেখে যদিও হোমো মনে হচ্ছিল না—মানে তাদের চুলগুলো অতটা লম্বা ছিল না ঠিকই—তবে তাদেরকে দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে তারা হোমো। এরকম বেশ কিছুক্ষণ কেটে যাওয়ার পর অবশেষে এসে হাজির হলো লুস।

    কার্ল লুস। চমৎকার এক লোক। হুটনে আমার স্টুডেন্ট অ্যাডভাইজর হওয়ার কথা ছিল তার। তবে অ্যাডভাইজর হিসেবে সে আমাদের সাথে সেক্স নিয়েই বেশি আলাপ করেছে। প্রায়ই গভীর রাতে তার রুমে ছেলেদের আড্ডা জমতো তার থেকে এসব শোনার জন্য। সে আসলে সেক্স নিয়ে বেশ ভালোই জানতো, বিশেষ করে বিকৃত যৌনকামীদের ব্যাপারে। সে সবসময়ই আমাদের এমন কিছু বিকৃতমনাদের ব্যাপারে বলত যারা ভেড়ার সাথে সঙ্গম করত, যারা হ্যাটের লাইনিং ছিড়ে… মানে কী বুঝাতে চাচ্ছি বুঝতেই তো পারছেন। আর বলত হোমো এবং লেসবিয়ানদের নিয়ে। লুস যুক্তরাষ্ট্রের সব হোমো আর লেসবিয়ানকেই চিনতো। তাকে শুধু কারো নাম বলে দিলেই সে জানিয়ে দিতো যে ঐ মানুষটা হোমো বা লেসবিয়ান কি না। মাঝেমধ্যে তার কথা বিশ্বাস করা বেশ কঠিন। তার বলা হোমোদের তালিকায় অনেক মুভি অ্যাক্টরও ছিল, আবার অনেকেই ছিল বিবাহিত। অবিশ্বাসের সুরে তাকে প্রায়ই জিজ্ঞেস করা হতো, ‘জো ব্লোকে তুমি হোমো বলছো? জো ব্লো? মুভিতে গ্যাংস্টার বা কাউবয়ের অভিনয় করা বিশালদেহী লোকটা হোমো?’ সবসময়ই তাকে এই ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হতো। আর জবাবে সে বলত, ‘নিশ্চয়ই।’ সে সবসময়ই ‘নিশ্চয়ই’ শব্দটা বলে। সে বলেছিল বিবাহিত বা অবিবাহিত কোনো ফ্যাক্টরই না হোমোদের ক্ষেত্রে। তার মতে পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক বিবাহিত পুরুষই নাকি হোমো, এমনকি অনেকক্ষেত্রে তারা নিজেরাই নাকি এটা জানে না। সে বলেছিল নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যগুলো থাকলে নাকি যে কেউ রাতারাতি হোমো হয়ে যেতে পারবে। আমাদেরকে প্রচণ্ড ভয় পাইয়ে দিতো সে এইসব বলে। আমি নিজেই তো মনে করতাম আমি হোমো হয়ে যাচ্ছি। তবে লুসের ব্যাপারে মজার ব্যাপারটা হলো, আমি একসময় তাকে আংশিক হোমো বলে ভাবতাম। সে সবসময়ই বলত, ‘সাইজের জন্য এটা চেষ্টা করো,’ তারপর করিডোর ধরে যেতে থাকলে হুট করে লাফিয়ে উঠতো শরীরের ওপর। এমনকি সে টয়লেটে গেলেও দরজা খোলা রেখে যেত এবং ঐসময় বাইরে কেউ দাঁড়িয়ে ব্রাশ করতে থাকলে তার সাথে কথাও বলত। এগুলো আমার কাছে হোমোদের বৈশিষ্ট্যই মনে হয়। আসলেই। আমি যে স্কুলগুলোতে পড়েছি সেগুলোতে আসলেই সত্যিকারের কিছু হোমো ছিল, তারা সবসময়ই লুসের মতো ওসব করত। এজন্যই লুসের ব্যাপারে সবসময়ই আমার মনে একটা সন্দেহ রয়ে গেছে। তবে, যাই হোক, লুস খুবই বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের একজন। আসলেই।

    দেখা হলে সে কখনোই কাউকে হ্যালো বলে না। ঐদিনও বলেনি আমাকে। ঐদিন সে আমার পাশের সিটে বসে প্রথমেই বলেছিল যে সে মাত্র অল্প কয়েক মিনিট থাকতে পারবে আমার সাথে। তার নাকি পরে ডেট ছিল ঐদিন। তাই সে শুধু ড্রাই মার্টিনি অর্ডার দিল। বারটেন্ডারকে এটাও বলে দিয়েছিল যে তার ড্রিংকে যেন জলপাই না দেয়।

    ‘হেই, তোমার জন্য একটা হোমো দেখে রেখেছি,’ বললাম তাকে। ‘বারের শেষ মাথায়। এখন তাকিয়ো না। তোমার জন্য রেখে দিয়েছি তাকে।’

    ‘ভেরি ফানি,’ সে বলল। ‘এখনো দেখি আগের মতোই আছো, কলফিল্ড। বড়ো হবে কবে তুমি?’

    আমার কথায় সে বিরক্ত হতো কিছুটা। আসলেই আমি বিরক্ত করতাম তাকে। তবে সে ঠিকই মজা দিতো আমাকে। সে হলো এমন একজন লোক যার কথা শুনলে আমি মজা পাই।

    ‘তো সেক্স লাইফ কেমন চলছে তোমার?’ জিজ্ঞেস করলাম। সে এইসব প্রশ্ন খুব অপছন্দ করত।

    ‘রিল্যাক্স,’ সে বলল। ‘শান্ত হয়ে বসে ড্রিংক করো আগে।’

    ‘আমি রিল্যাক্সই আছি,’ বললাম। ‘কলাম্বিয়া কেমন? তোমার ভালো লাগে ওখানে?’

    ‘নিশ্চয়ই। আমার ভালো না লাগলে আমি কখনোই সেখানে যেতাম না,’ সে বলল। মাঝেমধ্যে সে কিছুটা বিরক্তকর আচরণ করত।

    ‘মজা করছ কী নিয়ে?’ জিজ্ঞেস করলাম। ‘বিকৃতমনা যৌনকামীদের নিয়ে?’

    ‘তুমি ঠাট্টা করার চেষ্টা করছ?’

    ‘আরে না। এমনিই মজা করছিলাম শুধু,’ বললাম। ‘আচ্ছা, শুনো, লুস। আমার দেখা সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষদের একজন তুমি। তোমার উপদেশ দরকার আমার। আমি খুবই বাজ…’

    আমার কথা শেষ হবার আগেই সে গুঙিয়ে উঠে বলল, ‘কলফিল্ড, তুমি যদি এখানে বসে শান্তি, নীরবে ড্রিংক করতে চাও আর শান্তশিষ্টভাবে আলাপ…’

    ‘আচ্ছা, আচ্ছা,’ বললাম। ‘রিলাক্স।’ তাকে দেখেই বুঝা যাচ্ছিল যে আমার সাথে কোনো সিরিয়াস বিষয়ে কথা বলার মুডে নেই। বুদ্ধিমান মানুষদের সাথে কথা বলার সমস্যা এই একটাই। তারা কখনোই নিজেদের ইচ্ছা না করলে কারো সাথে কোনো সিরিয়াস বিষয়ে আলাপ করতে চায় না। তাই আপাতত আমি সাধারণ ব্যাপারগুলো নিয়ে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিলাম। ‘মজা করছি না, তোমার সেক্স লাইফের কী অবস্থা?’ জিজ্ঞেস করলাম। ‘তুমি কি এখনো হুটনে থাকতে যে মেয়েটার সাথে ডেট করতে তার সাথেই আছো? ঐ যে ঐ মেয়েটা—’

    ‘আরে না,’ সে বলল।

    ‘কেন? কী হয়েছে তার?’

    ‘আমার বিন্দুমাত্র ধারণাও নেই। আমি শুধু এটুকু বলতে পারবো যে সে হয়তো এখন নিউ হ্যাম্পশায়ারের সবচেয়ে বড়ো পতিতায় পরিণত হয়েছে। তুমি জিজ্ঞেস করার পর মনে পড়লো ওর কথা।’

    ‘এটা তো ভালো কিছু না। সে যেহেতু তোমার সাথে তোমার পছন্দমতো সবকিছু করেছে, তাই তোমার অন্তত এখন তার ব্যাপারে এভাবে কথা বলা উচিৎ না।’

    ‘ওহ, খোদা!’ লুস বলল। ‘তো তুমি কি তোমার মতো এই গৎবাধা কথাই বলে যাবে? আমার এটা জানা দরকার।’

    ‘না,’ বললাম, ‘তবে এটা বলাটা ঠিক না। সে তো ভালোভাবেই তোমার সব চাহিদা— ‘

    ‘আমাদেরকে এখন জোর করে আগের ইতিহাস টানতেই হবে?’

    কিছু বললাম না। আসলে ভয় পাচ্ছিলাম যদি কিছু বলি তাহলে হয়তো সেখান থেকে উঠে চলে যাবে। তাই কিছু না বলে আরেকটা ড্রিংক অর্ডার করলাম শুধু। প্রচণ্ড মাতাল হওয়ার ইচ্ছা করছিল আমার তখন।

    ‘এখন কার সাথে আছো তাহলে?’ জিজ্ঞেস করলাম। ‘এটা তো বলা যাবে নাকি?’

    ‘তুমি চিনবে না।’

    ‘জানি, তবে কে? চিনলে চিনতেও তো পারি।

    ‘গ্রামে থাকে। ভাস্কর্য বানায়।’

    ‘তাই? বয়স কেমন? মজা করছি না, সিরিয়াস।’

    ‘আমি তাকে কখনো জিজ্ঞেস করিনি। এটা জিজ্ঞেস করা যায় নাকি?’

    ‘আচ্ছা, বয়স কত বলে মনে হয় তোমার?

    ‘আমি বললে বলবো বয়স ত্রিশের কোঠার শেষ দিকে,’ বলল লুস।

    ‘কী? ত্রিশের কোঠার শেষ দিকে?’ বললাম। ‘তুমি কি এতো বেশি বয়স্কদের পছন্দ করো?’ এটা জিজ্ঞেস করার কারণ সেক্সের ব্যাপারে লুসের জ্ঞান যথেষ্ট সমৃদ্ধ। সে তার ভার্জিনিটি হারিয়েছিল মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে নান্টাকেটে। আসলেই।

    ‘আমি পরিণত মানুষ পছন্দ করি, এটাই যদি তোমার প্রশ্ন হয়ে থাকে। নিশ্চয়ই পছন্দ করি।’

    ‘আসলেই? কেন? মজা করছি না, তারা সেক্সের জন্য ভালো?’

    ‘শুনো, একটা ব্যাপার পরিষ্কার করে বলে দিই, আমি কিন্তু তোমার এসব গত্বাঁধা প্রশ্নের আরো কোনো উত্তর দেবো না। তুমি আসলে কবে একটু বড়ো হবে?’

    কিছু বললাম না। পরের কয়েকটা মিনিট চুপ করে রইলাম। এরপর লুস আরেকটা মার্টিনি অর্ডার করল, বারটেন্ডারকে বলল এবারের ড্রিংকটা আরো বেশি ড্রাই করে দিতে।

    ‘তো, কতদিন ধরে এই মহিলা ভাস্করের সাথে আছো তুমি?’ জানতে চাইলাম। আমার আসলেই জানতে আগ্রহ হচ্ছিল। ‘হুটনে পড়ার সময় কি তাকে চিনতে?’

    ‘না। মাত্র কয়েকমাস আগেই সে এই দেশে এসেছে।’

    ‘তাই? কোথা থেকে এসেছে?’

    ‘সাংহাই থেকে খুব সম্ভবত।’

    ‘কী, আসলেই? মহিলা চাইনিজ?’

    ‘অবশ্যই।’

    ‘সিরিয়াসলি! তুমি এটা পছন্দ করো? মানে চাইনিজদের?’

    ‘অবশ্যই।’

    ‘কেন? আমার আসলে জানতে আগ্রহ হচ্ছে—সত্যিই।’

    ‘আমার আসলে পশ্চিমা দর্শন থেকে পূর্বের দর্শনটাকেই বেশি সন্তোষজনক মনে হয়।’

    ‘তাই? ‘দর্শন’ বলতে কী বুঝাচ্ছো তুমি? মানে সেক্সের কিছু? তুমি বলতে চাচ্ছো চীনের ধরণটা বেশি ভালো?’

    ‘আসলে ঠিক চীনের কথাই বলছি না, আমি বলছি পূর্বের অঞ্চলটার ব্যাপারে। তোমার কি এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলতেই হবে?’

    ‘আরে, আমি সিরিয়াস,’ বললাম। ‘মজা করছি না। পুবের দিকের দর্শনটা ভালো কেন?’

    ‘এটা বলতে গেলে অনেক বেশি বলা হয়ে যাবে,’ লুস বলল। ‘তারা আসলে সেক্সকে শারিরীক ও আত্মিক সন্তুষ্টি উভয় হিসেবেই বিবেচনা করে। তোমার যদি মনে হয় আম…‘

    ‘আমিও এটাই মনে করি। মানে শারীরিক ও আত্মিক উভয় সন্তুষ্টি হিসেবেই বিবেচনা করি। আসলেই। তবে এটা আসলে নির্ভর করছে আমি ওটা কার সাথে করছি। যদি ওটা এমন কারো সাথে করি যাকে আমি একদম চিনিই না—’

    ‘আরে, এতো জোরে না, আরো আস্তে আস্তে বলো, কলফিল্ড। তুমি যদি নিজেই তোমার গলার স্বর নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারো, তাহলে এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলাই বাদ—’

    ‘আচ্ছা, তবে শুনো,’ বললাম। আমি আসলে তখন একটু উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম, তাই জোরে জোরে কথা বলতে শুরু করেছিলাম। মাঝেমধ্যে উত্তেজনায় জোরেই কথা বলে ফেলি। ‘আমি কিন্তু এটাই বুঝাতে চেয়েছি,’ বললাম। ‘আমি জানি সন্তুষ্টির জন্য এটার অবশ্যই শারীরিক, আত্মিক এবং আর্টিস্টিক হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাচ্ছি সেটা হচ্ছে—প্রতিদিন তো এমনটা হওয়া সম্ভব না। সব মেয়ের থেকেই নিশ্চয় এই অভিজ্ঞতা পাওয়া সম্ভব না। তাই না?’

    ‘বাদ দাও তো,’ লুস বলল। ‘বাদ দিলে কি তোমার কোনো সমস্যা আছে?’

    ‘আচ্ছা। তোমার আর ঐ চাইনিজ মেয়েটার ব্যাপারেই বলো—তোমাদের দুজনের মধ্যে সবচেয়ে ভালো দিক কোনটা?’

    ‘বাদ দিতে বলেছি আমি।’

    বুঝতে পারছিলাম যে আমি আসলেই একটু বেশি ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা শুরু করেছিলাম। তবে লুসের সবচেয়ে বিরক্তিকর স্বভাব এটাই। হুটনে থাকতেও সে সবসময়ই তার সবচেয়ে ব্যক্তিগত ব্যাপারটা আমাদেরকে বর্ণনা করে বলত, আর এরপর ওসব তাকে কেউ প্রশ্ন করা শুরু করলেই সে ক্ষেপে যেত। এই বুদ্ধিমান লোকরা আসলে তাদের নিজেদের মর্জি মতো না হলে কারো সাথে বুদ্ধিদীপ্ত আলোচনা করতে চায় না। তারা সবসময়ই চায় তারা চুপ করলেই যেন বাকিরাও চুপ মেরে যায়; তারা রুমে ফিরে গেলেই যেন অন্যরাও তাদের রুমে ফিরে যায়। হুটনে থাকতে আমাদের সাথে সেক্স টক লুস তার রুমে ফিরে যাওয়ার পরও আমরা ঐসব নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতাম, অথবা অন্য কারো রুমে বসে আলাপ করতাম। লুস কিন্তু এই ব্যাপারটা অপছন্দ করত। তাকে দেখলেই বুঝা যেত যে সে তাকে ছাড়া কেউ ওসব নিয়ে আলোচনা করুক তা চায় না। সে সবসময়ই চাইতো সে আলোচনা শেষে রুমে ফিরে যাওয়া পর যেন অন্যরাও যে যার মতো রুমে গিয়ে চুপ করে বসে থাকে। সে ভয় পেতো কেউ হয়তো ওসব বিষয় তার থেকেও স্মার্ট কিছু বলে ফেলবে। তাকে নিয়ে ভাবলে আসলেই মজা লাগে আমার।

    ‘হয়তো আমার চীনে যাওয়া উচিৎ। আমার সেক্স লাইফ খুবই বাজে,‘ আমি বললাম।

    ‘এমনই হওয়ার কথা। তোমার মন তো খুবই ইম্যাচিউর।’

    ‘আসলেই। আমি জানি এটা,’ বললাম। ‘তুমি জানো আমার সমস্যাটা কী? আমি আসলে কখনো অতটা উত্তেজিত হতে পারি না—মানে কোনো মেয়ের সাথে আর কী। মানে আমার মনে হয় আমার ঐ মেয়েটাকে অনেক পছন্দ করতে হবে। যদি আমি অতটা পছন্দ করতে না পারি, তাহলে আমি ঐ মেয়ের ব্যাপারে আগ্রহ অনেকটাই হারিয়ে ফেলি। খোদা, এটা আসলেই আমার সেক্স লাইফকে পান্তাভাত করে দিয়েছে।’

    ‘স্বাভাবিকভাবেই। আমি তো তোমাকে আগেরবারই বলে দিয়েছি তোমার কী দরকার।’

    ‘মানে সাইকোঅ্যানালিস্টের কাছে যাওয়া?’ বললাম। সে আমাকে এটাই বলেছিল। তার বাবা একজন সাইকোঅ্যানালিস্ট।

    ‘এটা তোমার ব্যাপার, কলফিল্ড। তুমি তোমার লাইফ নিয়ে কী করবে সেটা তো আর আমি বলতে পারবো না।’

    কিছুক্ষণের চুপ করে রইলাম। ভাবছিলাম।

    ‘ধরো আমি তোমার বাবার কাছে সাইকোঅ্যানালাইজের জন্য গেলাম,’ বললাম। ‘তখন তিনি আমার কী করবেন? মানে তিনি আমার সাথে কী করবেন?’

    ‘বাবা তোমার সাথে কিছুই করবে না। বাবা শুধু তোমার সাথে কথা বলবে, আর তুমি কথা বলবে বাবার সাথে। আরেকটা ব্যাপার হলো, বাবা তোমার সাথে কথা বলে তোমার মনের চিন্তাভাবনার প্যাটার্নটা বলে দিতে পারবে।’

    ‘কী?’

    ‘তোমার মনের চিন্তাভাবনার প্যাটার্ন। মানে তোমার মনটা কীভাবে চলে—শুনো, আমি তোমাকে সাইকোঅ্যানালাইসিসের জ্ঞান দিতে পারবো না। যদি তোমার আগ্রহ থাকে, তাহলে বাবাকে কল দিয়ে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট নাও। যদি আগ্রহ না থাকে, তাহলেও আমার এতে কোনো সমস্যা নেই। তোমার ব্যাপার এটা।’

    তার কাঁধে হাত রাখলাম। আসলেই তার কথা অনেক ভালো লাগতো আমার। ‘তুমি আসলেই খুব ভালো একজন বন্ধু,’ বললাম। ‘তুমি জানো এটা?’

    সে তার ঘড়িতে সময় দেখলো একবার। বলল, ‘এখন জানলাম।’ এরপর উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘তোমার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগলো।’ তারপর বারটেন্ডারকে তার চেকটা দেওয়ার জন্য বলল।

    ‘হেই,’ কাউন্টার থেকে চলে যাওয়ার আগে ডাকলাম তাকে। ‘তোমার বাবা কি কখনো তোমার সাইকোঅ্যানালাইজ করেছে?’

    ‘আমার? এটা কেন জানতে চাচ্ছো?’

    ‘এমনি। তিনি কি তোমার অ্যানালাইজ করেছেন?’

    ‘ঠিক ওভাবে না। বাবা আমার চিন্তাধারার একটা প্যাটার্ন ধরিয়ে দিতে সাহায্য করেছে ঠিকই, পূর্ণ অ্যানালাইজ কখনো করেনি। কেন?’

    ‘এমনি। জানতে ইচ্ছা করছিল।’

    ‘আচ্ছা, শান্ত হও এখন,’ বলে কাউন্টারে টিপ রেখে চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়াতে যাচ্ছিল লুস।

    ‘আরেকটা ড্রিংকের জন্য থাকো,’ বললাম। ‘প্রচণ্ড একা লাগছে আমার। মজা করছি না, সত্যিই।’

    সে জানালো থাকতে পারবে না। এমনিতেই নাকি তার অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। তাই চলে গেল।

    আহ, লুস। সে সবসময়ই যন্ত্রণাদায়ক এক ছেলে, তবে তার শব্দের জ্ঞান অনেক ভালো। আমি পড়ার সময় হুটন স্কুলের ছেলেদের মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধ ভোকাবুলারি ছিল লুসের। আসলে এটা আমার মত না, স্কুল থেকে তারা আমাদের এই বিষয়ে পরীক্ষা নিয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }