Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ২০

    অধ্যায় বিশ

    ওখানেই বসে রইলাম অনেকক্ষণ। ড্রিঙ্ক করছিলাম আর মাতাল হচ্ছিলাম। অপেক্ষা করছিলাম টিনা আর জেনিনের আরেকবার পারফর্ম্যান্স দেখার। তারা ঐদিন আর আসেনি। তাদের বদলে স্টেজে পিয়ানো বাজাতে এলো হোমোর মতো দেখতে এক লোক আর গান গাইতে এলো ভ্যালেন্সিয়া নামের এক নতুন মেয়ে। মেয়েটা গানের গলা তেমন ভালো ছিল না, তবে টিনা-জেনিনের থেকে অন্তত কয়েকগুণ ভালো ছিল। অন্ততপক্ষে মেয়েটা কিছু ভালো গান গাইতে পারতো। বারে আমি যেখানে বসেছিলাম তার ঠিক পাশে বসেই পিয়ানো বাজাচ্ছিল লোকটা। আর ভ্যালেন্সিয়া নামের মেয়েটা বলতে গেলে ঠিক আমার সাথে দাঁড়িয়েই গান গাইছিল। তাই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে চোখ টিপলাম, তবে মেয়েটা এমন ভাব করল যেন সে আমাকে দেখেইনি। আমি হয়তো এমনিতে অন্য সময় এমনটা করতাম না, তবে তখন প্রচণ্ড মাতাল ছিলাম। গান গাওয়া শেষে মেয়েটা এতো জলদি রুম থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল যে আমি তাকে আমার সাথে ড্রিংক করার আমন্ত্রণটাও জানাতে পারিনি। তাই হেডওয়েইটারকে ডেকে বললাম সে যেন ভ্যালেন্সিয়াকে জিজ্ঞেস করে সে আমার সাথে বসে ড্রিংক করতে রাজি আছে কি না। ওয়েইটার বলল সে মেসেজটা পৌঁছে দেবে, তবে সে সম্ভবত মেয়েটাকে আমার মেসেজটা কখনোই জানায়নি। মানুষ কখনোই কাউকে কারো মেসেজ জানায় না।

    রাত প্রায় একটা পর্যন্ত বারেই বসেছিলাম। ততক্ষণ মদ গিলতে গিলতে প্রচণ্ড মাতাল হয়ে পড়েছিলাম। আসলে ঠিকমতো চোখেও দেখতে পারছিলাম না। তবে আমি সতর্কভাবে চলার চেষ্টা করছিলাম, পাগলামি করে কারো নজরে পড়ার ইচ্ছা ছিল না। চাচ্ছিলাম না কেউ আমার আসল বয়সটা জেনে যাক। তাই যতটা সতর্ক ছিলাম। তবে মাতাল হওয়ার পর আবারও কল্পনা করছিলাম আমি গুলিবিদ্ধ হয়ে আছি। জ্যাকেটের নিচ দিয়ে পেটের ওপর চেপে ধরে রেখেছিলাম যেন বারে কোথাও রক্তের ফোঁটা না পড়ে। কাউকে জানতে দিতে চাচ্ছিলাম না যে আমার পেটে গুলি লেগেছে। এভাবেই পেটের জখমে হাত চেপে ধরে রেখে ইচ্ছা করল জেনকে আরেকবার ফোন দেওয়ার। ছুটিতে সে বাসায় এসে পৌঁছেছে কি না সেটা জানতে ইচ্ছা করছিল। তাই বিল পরিশোধ করে বার থেকে বেরিয়ে টেলিফোনগুলোর কাছে গেলাম। হেঁটে যাওয়ার সময় হাত দিয়ে আমার পেট চেপে ধরে রেখেছিলাম। খোদা, আসলেই অনেক মাতাল হয়ে গিয়েছিলাম ঐদিন।

    তবে ফোনবুথে যাওয়ার পর কেন যেন জেনকে ফোন করার কোনো মুড হচ্ছিল না আমার। হয়তো প্রচণ্ড মাতাল হয়েছিলাম বলেই মুড হচ্ছিল না। তাই তাকে কল না করে কল করলাম স্যালি হায়েসকে।

    অতিরিক্ত মদ খাওয়ায় ঠিকমতো চোখেই দেখতে পাচ্ছিলাম না। সেজন্য কোনোভাবেই সঠিক নম্বরটা টাইপ করতে পারছিলাম না। শেষমেশ বিশবারের মাথায় সঠিক নম্বরটায় ফোন করতে সফল হলাম।

    ‘হ্যালো,’ ফোনটা ধরার সাথে সাথেই বলে উঠলাম। বলতে গেলে প্ৰায় চেঁচিয়ে উঠেছিলাম।

    ‘কে বলছেন?’ এক মহিলার রুক্ষ কণ্ঠ ভেসে এলো ফোনের ওপাশ থেকে। ‘আমি, হোল্ডেন কলফিল্ড। স্যালিকে ডাকুন প্লিজ।’

    ‘স্যালি ঘুমাচ্ছে। আমি স্যালির দাদী বলছি। এতো রাতে ফোন করেছো কেন, হোল্ডেন? তুমি কি জানো এখন কয়টা বাজে?’

    ‘হ্যাঁ। স্যালির সাথে কথা বলা দরকার আমার। খুবই গুরুত্বপূর্ণ কথা। তাকে ডাকুন।’

    ‘স্যালি ঘুমাচ্ছে, বাছা। কাল ফোন করে কথা বলো ওর সাথে। গুড নাইট।’

    ডেকে তুলুন তাকে। ডেকে তুলুন, এখনই।

    জবাবে তখন ভিন্ন একটা কণ্ঠস্বর ভেসে এলো ফোনের ওপাশ থেকে। ‘হোল্ডেন, আমি বলছি।’ স্যালির কণ্ঠ ওটা। ‘কী হয়েছে?’

    ‘স্যালি? তুমি?’

    ‘হ্যাঁ। চেঁচিয়ো না তো। তুমি কি মাতাল নাকি?’

    ‘হ্যাঁ। শুনো, শুনো। আমি ক্রিসমাস ইভে আসবো, ঠিক আছে? তোমার গাছ ট্রিম করার জন্য, ওকে? ঠিক আছে, স্যালি?’

    ‘হ্যাঁ। তুমি তো প্রচণ্ড ড্রাংক। ঘুমাও এখন। আছো কোথায় তুমি? সাথে কে আছে?’

    ‘স্যালি? আমি এসে তোমার গাছ ট্রিম করতে সাহায্য করবো, ঠিক আছে?’

    ‘হ্যাঁ। ঘুমাও এখন। কোথায় তুমি? সাথে কে?

    ‘কেউ না। আমার সাথে আমি আর আমিই আছি।’ খোদা, আসলেই ভয়ংকর রকমের মাতাল হয়েছিলাম তখন। এমনকি তখনো হাত চেপে পেট ধরে রেখেছিলাম। ‘তারা আমাকে ধরে ফেলেছে। রকির গুন্ডা খুঁজে বের করে ফেলেছে আমাকে। তুমি জানো এটা? তুমি জানো এটা, স্যালি?’

    ‘তোমার কথা শুনতে পাচ্ছি না। এখন ঘুমাতে যাও। আমাকেও ঘুমাতে হবে। কাল ফোন করো।’

    ‘হেই, স্যালি! তুমি কি চাও আমি গাছ ট্রিম করি? তুমি কি এটাই চাও?’

    ‘হ্যাঁ। গুড নাইট। এখন বাসায় গিয়ে ঘুমাও।’

    বলে ফোন রেখে দিলো স্যালি।

    ‘গুডনাইট’, গুডনাইট, স্যালি বেবি, স্যালি সুইটহার্ট ডার্লিং,’ বললাম। ভাবতে পারছেন কতটা মাতাল ছিলাম তখন? আমিও ফোন রেখে দিয়েছিলাম। ধরে নিয়েছিলাম সে হয়তো কিছুক্ষণ আগেই ডেট থেকে বাসায় ফিরে এসেছে। কল্পনা করছিলাম সে কোথাও লান্টসের শো দেখছিল আর তার সাথে ছিল অ্যান্ডোভারের সেই হারামজাদাটা। কল্পনা করছিলাম তারা হয়তো চায়ের কাপ হাতে নিয়ে মার্জিত থাকার ভান ধরে মেকি কথাবার্তা বলছিল। খোদা, ঐ দৃশ্যগুলো কল্পনা করতেই মনে হলো যে তাকে ফোন না দিলেই হয়তো ভালো হতো। আসলে আমি মাতাল হলে একদম পাগল হয়ে যাই।

    বেশ কিছুক্ষণ ফোনবুথেই ছিলাম। যেন জ্ঞান না হারাই সেজন্য ফোনটা কোনোরকমে হাতে আঁকড়ে রেখেছিলাম। সত্যি বলতে আমার তখন খুব একটা বেশি ভালোও লাগছিল না। শেষমেশ কোনোরকমে ফোন বুথ থেকে মাতালের মতো দুলতে দুলতে বাথরুমে গিয়ে একটা ওয়াশবোল পানিতে ভরে নিলাম ওয়াশবোলটা পানিতে ভরার পর মাথা ডুবিয়ে দিলাম, একদম কান পর্যন্ত। বেশ কিছুক্ষণ মাথা ডুবিয়ে রাখলাম পানিতেই। পানি থেকে মাথা তোলার পর মাথা মুছতেও কোনো ইচ্ছা করছিল না আমার। প্রচুর পানির ফোঁটা পড়ছিল মাথা থেকে আর আমি ফোঁটাগুলো পড়তে দিচ্ছিলাম। এরপর এগিয়ে গিয়ে বসলাম জানালার কাছে থাকা রেডিয়েটরের নিচে। রেডিয়েটর বেশ আরামদায়ক ও উষ্ণ ছিল। আমার বেশ ভালোই লাগছিল, কারণ আমার শরীর তখন প্রচণ্ডরকমভাবে কাঁপছিল। ব্যাপারটা বেশ হাস্যকর, মাতাল অবস্থায় সবসময়ই আমি প্রচণ্ডরকম কাঁপাকাঁপি শুরু করি।

    আমার তখন কিছুই করার ছিল না, তাই রেডিয়েটরের নিচে বসে মেঝেতে থাকা বর্গাকার সাদা টাইলগুলো গুনছিলাম। যত সময় গড়াচ্ছিল, ততই ভিজছিলাম। ঘাড় থেকে গ্যালন পরিমাণ পানি ঝরছিল তখন। কলার, টাই, পোশাক সবই ভিজে প্রায় চুপচুপে হয়ে গিয়েছিল। তখন এতই মাতাল ছিলাম যে ভিজে যাওয়াটাকে তেমন পাত্তাই দিচ্ছিলাম না। এরপর তখন হুট করেই ভ্যালেন্সিয়ার জন্য পিয়ানো বাজানো হোমোদের মতো দেখতে লোকটা বাথ রুমে এলো তার সোনালি চুলের গোছাটা আঁচড়ানোর জন্য। চুল আঁচড়ানোর সময় লোকটার সাথে বেশ ভালোই আলাপচারিতায় জড়িয়ে গিয়েছিলাম, তবে ব্যাপারটা হলো লোকটা অতটা বন্ধুবৎসল ছিল না।

    ‘হেই, এখান থেকে বারে ফিরে যাওয়ার পর কি ভ্যালেন্সিয়ার সাথে দেখা করবেন আপনি?’ জিজ্ঞেস করলাম।

    ‘হ্যাঁ, এটার সম্ভাবনাই বেশি,’ লোকটা বলল। বেশ রসিক ছিল লোকটা। আমার সবসময় রসিক লোকদের সাথেই কথা হয়।

    ‘শুনুন, তাকে আমার প্রশংসা জানাবেন। জিজ্ঞেস করবেন, ওয়েটার তাকে আমার মেসেজটা জানিয়েছিল কি না, ঠিক আছে?’

    ‘বাসায় যাচ্ছেন না কেন? আর আপনার বয়সই বা কত?’

    ‘আমার বয়স ছিয়াশি। শুনুন, মেয়েটাকে আমার প্রশংসা জানাবেন, ঠিক আছে?’

    ‘বাসায় যাচ্ছেন না কেন?’

    ‘আমার কথা বাদ দেন। আপনি কিন্তু খুবই ভালো পিয়ানো বাজান,’ বললাম। আমি আসলে তখন লোকটাকে তেল মারছিলাম শুধু। সত্য বলতে লোকটার পিয়ানো বাজানো ছিল খুবই বাজে। ‘আপনার রেডিওর জন্য বাজানো উচিৎ,’ বললাম। ‘আপনার মতো সুদর্শন একজনকে কে না লুফে নেবে? সেই সাথে সোনালি চুলের গোছা — ম্যানেজার দরকার আপনার?’

    ‘বাসায় যান, ভাই। আপনাকে দেখে ভালো পরিবারের ছেলেই মনে হচ্ছে। বাসায় গিয়ে ঘুমান।’

    ‘যাওয়ার মতো কোনো ঠিকানা নেই আমার। আর মজা করছি না—আপনার কি ম্যানেজার দরকার?’

    লোকটা কোনো উত্তর না দিয়েই বেরিয়ে গেল বাথরুম থেকে। আসলে চুল আঁচড়ানো শেষ হওয়ার পর আর এক সেকেন্ডও দাঁড়িয়ে থাকেনি লোকটা। হ্যান্ডসাম লোকেরা আসলে এমনই, স্ট্র্যাডলেটারের মতো। তাদের চুল আঁচড়ানো শেষ হলে তারা কাউকে পাত্তাই দেয় না।

    রেডিয়েটর থেকে উঠে শেষমেশ যখন আমি চেক-ইন রুমে এলাম তখন প্রচণ্ড কাঁদছিলাম। জানি না কেন, তবে কাঁদছিলাম। সম্ভবত তখন খুব হতাশ আর একাকীত্ব অনুভব করছিলাম বলেই কাঁদছিলাম। যাই হোক, চেকরুমে গিয়ে টিকেটটাই খুঁজে পাচ্ছিলাম না। তবে চেকরুমের দায়িত্বে থাকা মেয়েটা খুবই ভালো ছিল। টিকেট ছাড়াই আমার কোটটা দিয়েছিল। ‘লিটল শার্লি বিনস’র রেকর্ডটা তখনো কোটের পকেটেই ছিল। টিকেট ছাড়াই কোট দেওয়ায় আমি মেয়েটাকে কিছু টাকা দিতে চাইলাম, তবে মেয়েটা তা নেয়নি। মেয়েটা আসলেই খুব ভালো ছিল। সে বারবারই আমাকে বলছিল বাসায় ফিরে গিয়ে ঘুমাতে। তারপরও আমি তার সাথে ডেট ফিক্সড করার চেষ্টা করেছিলাম। বলেছিলাম যে কাজ শেষে সে আমার সাথে ড্রিংক করার জন্য যেতে পারবে কি না। তবে মেয়েটা মানা করে দিয়েছিল। বলেছিল, তার বয়স নাকি আমার মায়ের সমান প্রায়। এটা শুনে আমি মেয়েটাকে আমার ধূসর চুল কয়টা দেখিয়ে বললাম যে আমার বয়স বিয়াল্লিশ বছর। আসলে তখন মজা করছিলাম শুধু। তবে মেয়েটা ভালো ছিল—এসবে কিছু মনে করেনি। আমি তাকে আমার লাল হান্টিং টুপিটা ও দেখালাম। সে টুপিটা বেশ পছন্দ করেছিল। বেরিয়ে যাওয়ার আগে সে নিজ হাতে মাথায় টুপি পরিয়েও দিয়েছিল, কারণ আমার মাথা তখনো অনেকটা ভেজা ছিল। মানুষটা আসলেই ভালো ছিল।

    বাইরে বেরুতেই আমার আর নিজেকে মাতাল মনে হচ্ছিল না, তবে সময় গড়ানোর সাথে সাথে ঠান্ডা লাগার পরিমাণটাও বাড়ছিল। দাঁতে দাঁত বাড়ি খাচ্ছিল তখন। কোনোভাবেই থামাতে পারছিলাম না কাঁপাকাঁপি। এভাবেই ম্যাডিসন অ্যাভিনিউ পর্যন্ত হেঁটে বাস আসার অপেক্ষা করছিলাম। আমার কাছে তখন তেমন টাকা ছিল না, তাই তখন প্রচুর খরচ করে ক্যাবে যাওয়ার মতো অবস্থা ছিল না। তবে বাসেও উঠতে একদমই ইচ্ছা করছিল না। তাছাড়া আমি তো জানতামও না যে কোথায় যাবো। তাই ভাবলাম দাঁড়িয়ে না থেকে পার্কের দিকে হাঁটা শুরু করবো, লেকের পাড়ে গিয়ে দেখবো হাঁসগুলো কী করছে, হাঁসগুলো তখনো ওখানে আছে কি না। আমি তখনো জানতাম না যে শীতের সময় হাঁসগুলো কী করে। পার্কটা খুব বেশি দূরে ছিল না আর আমারও যাওয়ার মতো বিশেষ কোনো গন্তব্য ছিল না—আমি এমনকি এটাও জানতাম না যে রাতে কোথায় ঘুমাবো—তাই হাঁটা শুরু করলাম। খুব একটা ক্লান্ত বা অবস্বাদগ্রস্তও ছিলাম না তখন। আমার শুধু তখন প্রচণ্ড মন খারাপ লাগছিল।

    পার্কে যাওয়ার পথেই ঘটলো বাজে ব্যাপারটা। হুট করে হাত থেকে ফিবির রেকর্ড পড়ে গিয়েছিল। মাটিতে পড়ার সাথে সাথেই ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছিল রেকর্ডটা। ওটা একটা বড়ো খামের ভেতরেই ছিল, তারপরও ভেঙে গুড়ো গুড়ো হয়ে গিয়েছিল। আমার এতো খারাপ লেগেছিল যে প্রায় কেঁদেই দিয়েছিলাম। আমি জানি রেকর্ডটা তখন আর কোনো কাজের ছিল না, তারপরও আমার ওটা ফেলে দিতে ইচ্ছা করছিল না। তাই খাম থেকে টুকরোগুলো বের করে কোটের পকেটে রাখলাম। এরপর গিয়ে পৌঁছুলাম পার্কে। খোদা, প্ৰচণ্ড অন্ধকার গ্রাস করে রেখেছিল তখন পার্কটাকে।

    আমি আমার পুরোটা জীবনই কাঁটিয়েছি নিউইয়র্কে। সেন্ট্রাল পার্কটা হাতের উলটো পিঠের মতো ভালোভাবেই চিনি। ছোটোবেলা ঐ পার্কটাতেই রোলার- স্কেট করেছি সবসময়, সাইকেল চালিয়েছি। তবে তারপরও ঐ অন্ধকারে লেকটা খুঁজে পেতে প্রচুর সমস্যা হচ্ছিল আমার। জানতাম লেকটা কোথায়—লেকটা সেন্ট্রাল পার্কের দক্ষিণ দিকে—কিন্তু তারপরও কোনোভাবেই খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আমি হয়তো তখন স্বাভাবিকের থেকেও অনেক বেশি মাতাল ছিলাম। শুধু হাঁটছিলাম আর হেঁটেই যাচ্ছিলাম আর পার্কটাও আরো অন্ধকার ও ভূতুড়ে হচ্ছিল। ঐ সময়টায় আমি পার্কে একটা মানুষকেও দেখিনি। অবশ্য এতে খুশিই ছিলাম। পার্কে তখন কোনো মানুষ থাকলে হয়তো আমি তাদের থেকে মাইলখানেক দূরে থাকতাম। শেষমেশ লেকটা খুঁজে পেলাম। লেকের পানি আংশিক বরফে জমে যাচ্ছিল, আর বাকি অর্ধেকে তখনো পানি টলটল করছিল। তবে তাতে কোনো হাঁস দেখতে পেলাম না। পুরো লেকের পাড় দিয়ে কিছুক্ষণ হাঁটলাম—হাঁটতে গিয়ে একবার পড়েও যেতে নিয়েছিলাম আসলে—তবে একটা হাঁসও দেখতে পেলাম না। ভাবছিলাম তারা যদি এখনো এখানে থেকে থাকে তাহলে হয়তো ঘুমাচ্ছে নয়তো পানির একদম কিনারে ঘাসের ভেতরে লুকিয়ে আছে। তাদেরকে ওভাবে খুঁজতে গিয়েই প্রায় পড়তে বসেছিলাম আমি। তবে তাদেরকে কোথাও খুঁজে পেলাম না।

    শেষমেশ কোনো হাঁস খুঁজে না পেয়ে একটা বেঞ্চে গিয়ে বসলাম। খোদা, প্রচণ্ড কাঁপছিলাম তখন। কোনোভাবেই কাঁপুনি বন্ধ করতে পারছিলাম না। যদিও আমি আমার হান্টিং টুপিটা পরে রেখেছিলাম তারপরও আমার মাথার পিছনের দিক চুলগুলো ঠান্ডায় জমে বরফের টুকরো হয়ে গিয়েছিল। দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। ভাবছিলাম আমি হয়তো নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাবো। কল্পনা করছিলাম হাজার হাজার হারামজাদা আমি মারা যাওয়ার পর ফিউনেরালে এসেছে। ডেট্রোয়েট থেকে আমার দাদা, প্রায় পঞ্চাশজনের মতো আন্টি আর আমার সব হারামি কাজিনদের সবাই ওই ফিউনেরালে এসে ভিড় করে রেখেছে। এলি মারা যাওয়ার পরও তারা সবাই এসেছিল। ডি.বি. আমাকে বলেছিল ফিউনেরালে আমার এক আন্টি—যার মুখ সবসময়ই দুর্গন্ধে ভরা থাকে—বারবারই বলছিল কফিনে নাকি এলি খুব শান্তভাবে শুয়েছিল। আমি ফিউনেরালে ছিলাম না। আমি তখনো হাসপাতালে ছিলাম। হাতে ব্যথা পাওয়ায় আমাকে তখন হাসপাতালে যেতে হয়েছিল। যাইহোক, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার দুঃশ্চিন্তা করে আমার বাবা-মায়ের জন্য প্রচণ্ড খারাপ লাগছিল আমার। বিশেষ করে আমার মায়ের জন্য, মা তখনো এলির শোকটা কাঁটিয়ে উঠতে পারেনি। কল্পনা করছিলাম আমি মারা যাওয়ার পর মা সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না আমার স্যুট আর অ্যাথলেটিকের সরঞ্জামগুলোর কী করবে। তবে একটা ভালো ব্যাপার হলো মা কখনো ফিবিকে আমার ফিউনেরালে নিয়ে আসবে না, কারণ ফিবি তো বাচ্চা একটা মেয়ে মাত্র। এটাই একমাত্র ভালো দিক। এরপর কল্পনা করলাম আমার আত্মীয়স্বজনের দল পুরোটা মিলে আমাকে কবরে ঢুকিয়ে রেখে ওপরে মাটি ঢালছে, আর কবরের মাথার কাছে আমার নাম লেখা একটা ফলক লাগাচ্ছে। তারপর চলে যাচ্ছে আমাকে ওখানেই অন্যান্য সব মৃতদের সাথে রেখে। খোদা, অন্যান্য মৃতদের সাথে রাখার থেকে আমি আশা করছি তারা যেন আমাকে কোনো নদী বা কোথাও পুঁতে রাখে। অন্তত ওই অভিশপ্ত কবরখানা থেকে তো এটা ভালো। কবরখানায় মানুষজন শুধু রবিবার এসে ফুল রেখে যায়, এছাড়া তারা আর কখনো ওখানে যায়ই না। আর মারা যাওয়ার পর কে ফুল পাওয়া নিয়ে ভাবে? কেউই না।

    আবহাওয়া ভালো থাকলে আমার বাবা-মা প্রায়ই কবরস্থানে গিয়ে এলির কবরে ফুল রেখে আসে। আমিও তাদের সাথে কয়েকবার গিয়েছিলাম। তবে পরে আর যায়নি। প্রথমত, চারপাশে ছড়িয়ে থাকা কবর, কবরের ফলক দেখতে আমার কখনোই তেমন ভালো লাগে না। অবশ্য সূর্য উঠলে অতটা খারাপও লাগতো না, তবে দুইবার আমরা যাওয়ার পর বৃষ্টি পড়া শুরু হয়েছিল। ব্যাপারটা খুবই বাজে ছিল। কবরের ফলকে পড়ছিল বৃষ্টির পানি, মাটিতে পড়ছিল, মাটিতে পড়া পানিগুল চুয়ে চুয়ে পড়ছিল কবরের ভেতর থাকা এলির বুকে। পুরো জায়গাটা জুড়েই বৃষ্টি পড়ছিল। বৃষ্টি শুরু হতেই গোরস্থানে থাকা দর্শনার্থীদের সবাই পাগলের মতো দৌড়ে ছুটে গিয়েছিল তাদের গাড়িতে। এই একটা জিনিসই আমাকে রাগিয়ে তুলেছিল। কবর দেখতে যাওয়া সবাইই বৃষ্টি শুরু হলে তাদের গাড়িতে দৌড়ে এসে রেডিও চালু করে বসতে পারে, তারপর হয়তো কোথাও ডিনার করার জন্যও যেতে পারে—কিন্তু এলিকে পড়ে থাকতে হয় ঐ কবরস্থানেই। আমি এটাই সহ্য করতে পারি না। আমি জানি ওই কবরে শুধু তার শরীরটাই আছে, আর আত্মা ঘুরে বেড়াচ্ছে স্বর্গে—কিন্তু তারপরও আমি এটা সহ্য করতে পারি না। আমি শুধু চাই সে যেন ঐ কবরে না থাকে। এলিকে কেউ চিনে থাকলে সে ঠিকই বুঝবে আমি আসলে কী বুঝাতে চাচ্ছি। আমি জানি সূর্য উঠলে কবরস্থান অতটা খারাপ না, কিন্তু সূর্য তো উঠে তার মর্জি মতো। আর বেশিরভাগ দিনেই সূর্য দেখা দেওয়ার প্রয়োজনও মনে করে না।

    বেশ কিছুক্ষণ ওসব নিয়ে ভাবার পর মাথা থেকে নিউমোনিয়ার ভূত তাড়ানোর জন্য পার্কে থাকা ফালতু স্ট্রিট ল্যাম্পের আলোতে টাকা বের করে গোনা শুরু করলাম। আমার কাছে তখন তিনটা সিঙ্গেল, পাঁচ কোয়ার্টার আর একটা নিকেলই ছিল শুধু। খোদা, পেন্সি থেকে বেরিয়ে আসার পর প্রচুর টাকা খরচ করে ফেলেছিলাম আমি। এরপর বেঞ্চ থেকে উঠে লেকের বরফ জমে যাওয়া অংশটার কাছে গিয়ে কোয়ার্টারগুলো আর নিকেলটা ছুড়ে মারলাম। জানি না কেন ঐ কাজটা করেছিলাম, মনে হয় মাথা থেকে নিউমোনিয়ার ভাবনাটা তাড়ানোর জন্যই। তবে এতেও নিউমোনিয়ার দুঃশ্চিন্তাটা মাথা থেকে সরেনি।

    ভাবতে শুরু করলাম আমি নিউমোনিয়ায় ভুগে মারা গেলে ফিবির কেমন লাগবে। জানি ওটা বাচ্চাদের মতো একটা ভাবনা, তারপরও ভাবনাটা মাথা থেকে সরাতে পারছিলাম না। যদি এমন কিছু তাহলে নিশ্চিতভাবেই তার খুব খারাপ লাগবে। সে আমাকে অনেক পছন্দ করে। মানে সে আমার অনেক বড়ো ভক্ত। আসলেই। যাইহোক, যেহেতু ওসব ভাবনা মাথা থেকে দূর করতেই পারছিলাম না, তাই ভাবলাম লুকিয়ে লুকিয়ে বাসায় গিয়ে ফিবিকে একবার দেখে আসবো। বাসার চাবির একটা কপি আমার সাথেই ছিল, তাই ভাবলাম খুব চুপে-চাপে, নিঃশব্দে অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকে ফিবির সাথে কিছুক্ষণ গল্প করে আসবো। তবে ফ্রন্টডোরটা নিয়ে আমার দুঃশ্চিন্তা লাগছিল। দরজাটা খোলার সময় প্রচুর ক্যাচক্যাচ শব্দ করে। অ্যাপার্টমেন্টটা বেশ পুরোনো আর আমাদের বিল্ডিং সুপারিন্টেনডেন্টও প্রচুর অলস। বাসার সব কিছু ক্যাঁচ ক্যাঁচ করে। আমার ভয় লাগছিল লুকিয়ে বাসায় ঢোকার সময় হয়তো দরজার শব্দের কারণে ধরা পড়ে যাব। তবে তারপরও বাসায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।

    তাই পার্কের বেঞ্চ থেকে উঠে রওনা করলাম বাসার দিকে। পুরোটা রাস্তা হেঁটেই গিয়েছি। বাসাটা বেশি দূরে ছিল না। আমিও তখন আর অতটা মদ্যপ ছিলাম না। বাইরের পরিবেশটা ছিল খুবই ঠান্ডা তখন, তাই রাস্তাটাও খালিই ছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }