Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ২১

    অধ্যায় একুশ

    ওটাই আসলে আমার বাসায় ফেরা সবচেয়ে সেরা ছুটি ছিল। বিল্ডিং-এ ফিরেই দেখি সচরাচর রাতে এলিভেটরের দায়িত্বে থাকা পিট ঐদিন নেই। তার বদলে অন্য একটা ছেলে ছিল দায়িত্বে। তাই ধরে নিলাম যে কোনো সমস্যা সৃষ্টি না করলে আমি খুব সহজেই বাসায় গিয়ে ফিবির সাথে কিছুক্ষণ কথা বলে ফিরে আসলেও কেউ আমার বাসায় আসার ব্যাপারটা টেরই পাবে না। আসলেই ঐ ছুটিতে সুযোগটা অনেক বড়ো ছিল। এলিভেটরের দায়িত্বে থাকা ছেলেটাও ছিল একটু গর্দভ প্রকৃতির, যেটা সবকিছুকে আরো সহজ করে দিয়েছিল। আমি এগিয়ে গিয়ে তাকে খুবই সাধারণ গলায় বললাম আমাকে ডিকস্টাইন্সদের অ্যাপার্টমেন্টে নিয়ে যেতে। ডিকস্টাইন্সরা আমাদের ফ্লোরের অন্য অ্যাপার্টমেন্টটাতেই থাকে। নিজেকে যাতে সন্দেহমূলক না দেখায় সেজন্য লাল শিকারি টুপিটাও মাথা থেকে খুলে নিয়েছিলাম। তাকে বলে এমনভাবে এলিভেটরে ঢুকলাম যেন আমার অনেক তাড়া আছে।

    সেও ভেতরে ঢুকে এলিভেটরের দরজা লাগিয়ে আমাকে ওপরে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতই ছিল, ঠিক তখনই বলে উঠলো, ‘তারা তো বাসায় নেই। পনেরো তলার একটা পার্টিতে গেছে তারা।’

    ‘সমস্যা নেই ওতে,’ বললাম। ‘আমার তাদের জন্য অপেক্ষা করারই কথা ছিল। আমি তাদের ভাতিজা।’

    শুনে ছেলেটা স্টুপিডদের মতো সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকালো আমার দিকে। ‘আপনার বরং লবিতে বসে অপেক্ষা করাই ভালো হবে,’ বলল এরপর।

    ‘আমি লবিতেই বসতাম—আসলেই বসতাম,’ বললাম। ‘তবে আমার পায়ের অবস্থা খুব একটা ভালো না। পা’টা আমাকে খুবই নির্দিষ্ট অবস্থানে রাখা লাগে। আমার মনে হয় আমি তাদের দরজার বাইরে থাকা চেয়ারটাতেই ভালো করে বসতে পারবো।’

    সে আসলে বুঝতেই পারেনি যে আমি কী নিয়ে কথা বলছি। তাই কোনোরকমে বোঝার ভান ধরে ‘ওহ’ বলে এলিভেটরটা ওপরের দিকে উঠার সুইচে চাপলো। ঠিকঠাকেই চলছিল তখন সবকিছু। ব্যাপারটা অবশ্য বেশ মজার। কোনোভাবেই বুঝতে পারবে না এমন কিছু কাউকে বললে, সে না বুঝেও বুঝার ভান ধরে যা করতে বলা হয় সেটাই করে।

    কাঙ্ক্ষিত ফ্লোরে এসে পৌঁছানোর পর খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এলিভেটর থেকে বেরিয়ে আগানো শুরু করলাম ডিকস্টাইন্সদের দরজার দিকে। অবশ্য পিছন থেকে এলিভেটরের দরজা লাগানোর শব্দ শুনেই স্বাভাবিক পায়ে এগিয়ে গেলাম আমাদের বাসার দরজার দিকে। ততক্ষণ পর্যন্ত সবই ঠিকভাবে চলছিল। আমারও তখন নিজেকে মদ্যপ মাতাল মনে হচ্ছিল না। এরপর চাবি বের করে খুবই আস্তে আস্তে দরজাটা খুলে ঢুকলাম বাসার ভেতরে। একদমই নিঃশব্দে। আমি আসলে চোর হলে ভালোই নাম করতে পারতাম।

    বাসার বারান্দাটা ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই এতো রাতে অন্ধকারই থাকার কথা। আর স্বাভাবিকভাবেই আমিও কোনো আলো জ্বালতে পারছিলাম না। তাই খুবই সাবধানে একটু একটু করে এগুচ্ছিলাম যাতে কোনো কিছু হড়কে পড়ে হট্টগোল সৃষ্টি না করি। আমি তখন নিশ্চিতই ছিলাম যে আমি বাসায় পৌছে গেছি। আমাদের বারান্দটায় অদ্ভুত এক ধরনের ঘ্রাণ ছিল যেটা অন্য কোথাও পাওয়া যেত না। আমি নিজেও জানি না ঘ্রাণটা কিসের ওটা কলিফ্লাওয়ারের সুবাসও না, পারফিউমেরও না। আমি নিজেও জানি না কিসের—তবে ওটা শুঁকলেই বুঝা যায় যে আমি বাসায় চলে এসেছি। এগুতে এগুতে কোটটা খুলে চিন্তা করলাম বারান্দার ক্লজেটে রাখবো, তবে ক্লজেটে এতো পরিমাণ হ্যাঙার আছে যে ডালা খুললেই হ্যাঙারের শব্দে ঘর ভরে উঠবে। তাই চিন্তাটা বাদ দিলাম। তারপর আমি ধীর পায়ে নিঃশব্দে এগুনো শুরু করলাম ফিবির রুমের দিকে। আমি জানতাম যে আমাদের বাসার কাজের মহিলা শব্দ টের পাবে না। মহিলা আমাকে বলেছিল, ছোটোবেলায় তার ভাই নাকি তার কানে পাইপ ঢুকিয়ে দিয়েছিল। এরপর থেকে মহিলা শুধু এককানেই শুনতে পায়। মহিলা আসলেই বধির টাইপের ছিল। তবে আমার বাবা-মা, বিশেষ করে আমার মায়ের শ্রবণশক্তি ছিল ব্লাডহাউন্ডের মতো। তাই তাদের রুমের দরজা পার হওয়ার সময় আরো আস্তে আস্তে গেলাম। এমনকি তখন শ্বাস আঁটকে রেখেছিলাম। ঘুমানো অবস্থায় বাবাকে মাথায় চেয়ার দিয়ে আঘাত করলেও বাবা ঘুম থেকে উঠবে না। তবে আমার মার কথা আলাদা। সাইবেরিয়ায় কেউ হাঁচি দিলেও মা সেটা ঠিকই শুনে ফেলবে। মা আসলে প্রচুর নার্ভাস প্রকৃতির। বেশির ভাগ সময়ই মা সারারাত জেগে শুধু সিগারেট টানে 1

    অবশেষে প্রায় আধঘণ্টা পর ফিবির রুমে গিয়ে পৌছুলাম। যদিও সে রুমে ছিল না। আমি ভুলেই গিয়েছিলাম ওটা। ডি.বি. হলিউড বা কিছুর জন্য বাসার বাইরে থাকলে ফিবি সবসময়ই তার রুমে ঘুমায়। সে ঐ রুমটা পছন্দও করে কারণ ওটা বাসার সবচেয়ে বড়ো রুম। তাছাড়া ঐ রুমটায় রয়েছে এক বিশাল ডেস্ক—যেটা ডি.বি. ফিলাডেলফিয়ার এক মদ্যপ মহিলার থেকে কিনেছিল, আর ছিল দশ মাইলের মতো লম্বা-চওড়া এক বিশাল খাট। যাই হোক, ডি.বি. বাসায় না থাকলে ফিবি ঐ রুমেই ঘুমায়, আর ডি.বি.রও এতে কোনো আপত্তি নেই। ঐ টেবিলে বসে ফিবির হোমওয়ার্ক দৃশ্যটা আসলে সবারই দেখা উচিৎ। ডেস্কটা খাটের মতোই বিশাল। ওখানে বসে হোমওয়ার্ক করার সময় ফিবিকে আসলে বলতে গেলে দেখাই যায় না। ফিবি আসলে ঐধরনের জিনিসই পছন্দ করে। সে তার নিজের রুমটা অত পছন্দ করে না কারণ রুমটা নাকি অনেক ছোটো। তার মতে সে জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখতেই পছন্দ করে। বাচ্চা ফিবির আসলে ছড়িয়ে রাখার মতো জিনিসই বা কী আছে? কিছুই না।

    যাইহোক, যত নিঃশব্দে সম্ভব ডি.বি.র রুমে গিয়ে ডেস্কের ল্যাম্পটা জ্বালালাম। ফিবি তখনো ঘুমাচ্ছিল। লাইট জ্বালানোর পর আমি কতক্ষণ তাকিয়ে রইলাম। হালকা একটু কাৎ হয়ে শুয়েছিল ফিবি, ঘুমানোর সময় তার মুখটা হাঁ হয়েছিল। দৃশ্যটা খুবই কিউট। ব্যাপারটা বেশ হাস্যকর, বড়োদেরকে মুখ হাঁ করে ঘুমাতে দেখলে খুবই বিরক্তিকর লাগে, তবে বাচ্চাদেরকে লাগে কিউট। তাদেরকে সবকিছুতেই খুব সুন্দর লাগে।

    খুব নিঃশব্দে রুমের ভেতর হাঁটা শুরু করলাম। রুমের জিনিসগুলো দেখছিলাম। আমার বেশ ভালো লাগছিল তখন। আমার তখন মনে হচ্ছিল না যে আমি নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে মারা যাবো। আমার শুধু ভালো লাগছিল। বিছানার সাথে থাকা চেয়ারটাতে ফিবির কাপড়গুলো গুছিয়ে রাখা ছিল। ফিবি যথেষ্ট পরিচ্ছন্ন মেয়ে, অন্তত বাচ্চারা যতটুকু পরিচ্ছন্ন হতে পারে আর কী। মানে সে কখনোই তার কাপড়-চোপড় এখানে সেখানে ছুঁড়ে ফেলে রাখে না। ও অলস মেয়ে না। চেয়ারের মাথায় ঝুলিয়ে রেখেছিল কানাডা থেকে মায়ের কিনে দেওয়া তামাটে বর্ণের জ্যাকেটটা। আর তার জামা এবং অন্যান্য কাপড়গুলো গুছিয়ে রাখা ছিল চেয়ারের সিটে। চেয়ারের নিচে মেঝেতে তার জুতা আর মোজাগুলো। ঐ জুতাগুলো আগে কখনো দেখিনি। জুতাগুলো নতুন, গাঢ় বাদামী রঙের। কানাডা থেকে মায়ের কিনে দেওয়া জ্যাকেটটার সাথে খুবই মানানসই সেগুলো। আমার মায়ের কিছু জিনিস কেনার চোখ খুবই ভালো। মা কখনো ভালো আইসস্কেট বা এমনকিছু কিনতে পারে না, তবে পোশাকের ক্ষেত্রে মায়ের চোখ একদম নিখুঁত। মানে ফিবি সবসময়ই এমন এমন পোশাক পরে যেগুলো দেখলে অন্য যে কেউ হিংসা করতে পারে। বেশির ভাগ বাচ্চাদের পোশাকের অবস্থাই খারাপ থাকে, এমনকি তাদের বাবা-মা অনেক ধনী হলেও। এই দিক দিয়ে ফিবির কোনো চিন্তাই নেই।

    এগিয়ে গিয়ে ডি.বি.র ডেস্কে বসে ডেস্কের জিনিসগুলোর দিকে তাকালাম। ডেস্কের বেশির ভাগ জিনিসই ফিবির স্কুলের। বেশির ভাগই বই। সবার ওপরে থাকা বইটার নাম অ্যারিথম্যাটিক ইজ ফান! বইটা হাতে নিয়ে মলাটটা উলটে দেখলাম প্রথম পৃষ্ঠায় লেখা—

    ফিবি ওয়েদারফিল্ড কলফিল্ড
    ৪বি-১

    ব্যাপারটা বেশ হাস্যকর। ফিবির মধ্য নাম জোসেফিন, ওয়েদারফিল্ড না। যদিও সে জোসেফিন নামটা অতটা পছন্দ করে না। সে জন্য প্রতিবারই বাসায় এসে দেখি সে নতুন কোনো মধ্যনাম রেখে বসে আছে।

    অ্যারিথম্যাটিক বইটার নিচে ছিল জিওগ্রাফির বই, আর জিওগ্রাফির বইটার নিচে ছিল একটা স্পেলিং-এর বই। বানানে ফিবি খুবই ভালো। সে আসলে সব বিষয়েই ভালো, তবে স্পেলিং-এ সেরা। বানানের বইটার নিচে ছিল বেশ কয়েকটা নোটবুক। ফিবির আসলে কয়েক হাজার নোটবুক রয়েছে। আমার মনে হয় না অন্য কোনো বাচ্চার তার থেকে বেশি নোটবুক রয়েছে। ওপরে থাকা নোটবুকটা হাতে নিয়ে খুলে দেখি প্রথম পৃষ্ঠায় লেখা—

    বার্নিস ছুটিতে আমার সাথে দেখা করবে

    তোমার সাথে অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ আলাপ আছে আমার

    ঐ পৃষ্ঠায় শুধু ঐটুকুই লেখা ছিল।

    পরের পৃষ্ঠায় লেখা—

    দক্ষিণ পূর্ব আলাস্কায় এতো বেশি কৌটার ফ্যাক্টরি কেন?

    কারণ ওখানে প্রচুর পরিমাণ স্যামন আছে।

    ওখানে কেন বিশাল বন রয়েছে?

    কারণ ওখানে দুঃস্বপ্ন রয়েছে।

    আলাস্কার এস্কিমদের জীবনযাত্রা সহজ করার জন্য আমাদের সরকার কী করছে?

    আগামীদিনের জন্য ওটাকে দেখে রাখছে।

    ফিবি ওয়েদারফিল্ড কলফিল্ড

    ফিবি ওয়েদারফিল্ড কলফিল্ড

    ফিবি ওয়েদারফিল্ড কলফিল্ড

    ফিবি ডব্লিউ কলফিল্ড

    ফিবি ওয়েদারফিল্ড কলফিল্ড।

    প্লিজ শার্লিকে দাও এটা!

    শার্লি তুমি বলেছিলে তুমি ধনুরাশির কিন্তু তুমি তো বৃষরাশির, আমার বাসায় আসার সময় সাথে করে স্কেট নিয়ে আসবে।

    ডি.বি.র ডেস্কে বসেই পুরো নোটবুকটা পড়লাম। পড়তে বেশি সময় লাগেনি আমার। আসলে ফিবি বা অন্য কোনো বাচ্চার নোটবুক আমি সারা দিন-রাত ধরে পড়তেও আমার ক্লান্তি লাগবে না। বাচ্চাদের নোটবুক খুবই হাস্যকর। পড়া শেষে একটা সিগারেট ধরালাম। ওটাই আমার শেষ সিগারেট ছিল। ঐদিন সারাদিনে আমি প্রায় তিন কার্টুনের মতো সিগারেট টেনেছি। যাই হোক, সিগারেট শেষ করে অবশেষে ফিবিকে ডেকে তুললাম। মানে আমার পক্ষে তো সারাদিনই আর ডেস্কে বসে থাকা সম্ভব ছিল না। তাছাড়া যেকোনো সময় আমার বাবা-মায়েরও ঘুম থেকে জেগে উঠার শঙ্কা ছিল। আমি শুধু চাচ্ছিলাম ধরা পড়ে যাওয়ার আগে ফিবিকে শুধু একবার হ্যালো বলতে, যদি ধরা পড়ে যাই আর কী। সেজন্যই ফিবির ঘুম ভাঙিয়েছিলাম।

    তাকে ঘুম থেকে তোলাটা খুবই সহজ। মানে তাকে জাগানোর জন্য অত জোরে ডাকা লাগে না। বলতে গেলে শুধু তার মাথার পাশে বসে আস্তে করে, ‘উঠো, ফিবি’ বললেই সে ঘুম থেকে উঠে যায়।

    ‘হোল্ডেন!’ ঘুম থেকে জেগেই বলে আমাকে হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরলো ফিবি। সে খুবই আদুরে মেয়ে। মানে বাচ্চারা যতটুকু আদুরে হয় আর কী। আমি তাকে আলতো করে চুমু খেলাম। এরপর ফিবি বলল, ‘তুমি বাসায় এসেছো কখন?’ আমাকে দেখে প্রচণ্ড খুশি ছিল ও। তাকে দেখেই সেটা বুঝা যাচ্ছিল।

    ‘আস্তে বলো। মাত্রই এসেছি। কী অবস্থা তোমার?’

    ‘আমি ভালো আছি। তুমি আমার চিঠি পেয়েছিলে? আমি তোমাকে পাঁচ- পৃষ্ঠার — ‘

    ‘হ্যাঁ—এতো জোরে কথা বলো না। ধন্যবাদ চিঠির জন্য।

    ফিবি আমাকে একটা চিঠি পাঠিয়েছিল। যদিও আমি তাকে ওটার জবাব দেবার সুযোগ তখনো পাইনি। চিঠিতে সে তার স্কুলের একটা নাটক নিয়ে লিখেছিল। সে আমাকে বলেছিল আমি যেন শুক্রবারে কোনো ডেটে না গিয়ে বা কোনো কিছুতে ব্যস্ত না হয়ে তাদের নাটকটা দেখতে যাই।

    ‘নাটকের কী অবস্থা?’ জিজ্ঞেস করলাম। ‘ওটার নাম যেন কী বলেছিলে?’

    ‘অ্যা ক্রিসমাস প্যাজেন্ট ফর আমেরিকানস। নাটকটা খুবই বাজে, তবে আমি বেনেডিক্ট আর্নল্ড। নাটকের সবচেয়ে বড়ো পার্টটাই আমার,’ ও বলল। খোদা, সে ততক্ষণে আসলেই পূর্ণ সজাগ হয়ে গিয়েছিল। তার ব্যাপারে কিছু বলার সময় সে সবসময়ই খুব উত্তেজিত হয়ে থাকে। ‘আমি মরে যাচ্ছি—এই দৃশ্য দিয়েই শুরু হবে নাটক। তারপর ক্রিসমাসে ইভে এক গোস্ট এসে আমাকে জিজ্ঞেস করবে আমি কি লজ্জিত কি না। জানোই তো, মানে আমার দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করার জন্য আমি লজ্জিত কি না। তুমি কি আসবে নাটকটা দেখতে?’ সে ততক্ষণে শোয়া থেকে বিছানায় উঠে বসেছে। ‘আমি তোমাকে এটার ব্যাপারেই লিখে জানিয়েছি। তুমি আসবে?’

    ‘অবশ্যই আমি আসব। নিঃসন্দেহেই আসবো।’

    ‘বাবা যেতে পারবে না। বাবাকে ক্যালিফোর্নিয়ায় যেতে হবে,’ ও বলল। খোদা, সে আসলেই পূর্ণ সজাগ হয়ে গিয়েছিল। তার এভাবে পুরোপুরি সজাগ হতে দুই সেকেন্ডও লাগে না। সে বিছানায় হাঁটুতে বসে আমার হাতটা ধরে রেখেছিল। ‘শুনো, মা বলেছিল তুমি বুধবার বাসায় আসবে,’ সে বলল। ‘বুধবারের কথা বলেছিল।’

    ‘আমি আগেই চলে এসেছি। এখন বেশি জোরে কথা বলো না। এতো জোরে জোরে কথা বললে সবার ঘুম ভেঙে যাবে।’

    ‘কয়টা বাজে এখন? মা বলেছিল তাদের বাসায় আসতে অনেক রাত হবে। কানেটিকাটের নরওয়াকে একটা পার্টিতে গেছে বাবা-মা,’ ফিবি বলল। ‘বলো তো বিকেলে আমি কী করেছি? কোন মুভিটা দেখেছি? আন্দাজ করো।’

    ‘আমি জানি না—শুনো, তারা কোন সময় ফিরবে সেটা কি বলে— ‘

    ‘দ্য ডক্টর দেখেছি,’ ফিবি বলল। ‘লিস্টার ফাউন্ডেশনে তারা এই বিশেষ মুভিটা এনেছে। মাত্র একদিনের জন্য ছিল ওটা। আজকেই ছিল ঐ দিনটা। মুভিটা ছিল কেন্টাকির একটা ডাক্তারকে নিয়ে যে পঙ্গু ও হাঁটতে না পারা বাচ্চাকে কম্বল দিয়ে চেপে মেরে ফেলেছিল। তারপর এর জন্য কর্তৃপক্ষ তাকে জেলে নিয়ে যায়। মুভিটা খুব ভালো ছিল।’

    ‘একটু শুনো তো, তারা কি বলে যায়নি তারা কোন সময় ফির…’

    ‘পঙ্গু বাচ্চা মেয়েটার জন্য প্রচুর মায়া ছিল তার, মানে ডাক্তারটার। সে জন্যই সে মেয়েটা কম্বল দিয়ে চেপে মেরে ফেলেছিল। তারপর পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়, যাবজ্জীবনের সাজা হয় তার। তবে খুন করা ওই বাচ্চা মেয়েটা সবসময়ই তাকে জেলে এসে দেখে যেতো, তাকে ধন্যবাদ জানাতো তার উপকারের জন্য। ডাক্তারটা আসলে দয়ালু খুনি ছিল। সে জানতো তার জেলে থাকা উচিৎ কারণ ঈশ্বরের থেকে কাউকে ছিনিয়ে আনার কোনো অধিকার তার নেই। আমার ক্লাসের বন্ধু অ্যালিস হোমবোর্গের মা নিয়ে গিয়েছিল আমাদের। সে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। পুরো ক্লাসে মধ্যে সেই একমাত্র মেয়ে যে— ‘

    ‘একটু থামবে?’ বললাম। ‘আমি একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছি তোমাকে? বাবা-মা কি তোমাকে বলে গেছে তারা ঠিক কয়টায় ফিরবে?’

    ‘না, তবে অনেক রাতের আগে ফিরবে না। বাবা গাড়ি নিয়ে গেছে যাতে আসার সময় ট্রেন নিয়ে দুঃশ্চিন্তা না করা লাগে। আমাদের গাড়িতে এখন রেডিও আছে। তবে মা বলেছে রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় ওটা কেউ বাজাতে পারে না।’

    শুনে কিছুটা স্বস্তি পেলাম। মানে শেষমেশ ধরা পড়ার পর কি হবে এই শঙ্কাটা পুরোপুরি দূর হয়ে গিয়েছিল আমার মধ্য থেকে। তারা যদি আমাকে ধরেও ফেলে, ধরে ফেলুক, তাতে আর কিছু যাবে আসবে না।

    ফিবিকে তখন দেখতে খুবই সুন্দর লাগছিল। নীল রঙের একটার পাজামা মানে নাইট ড্রেস পরে রেখেছিল। ওটার কলারে লাল রঙের হাতির ছবি ছিল। হাতি খুব পছন্দ করত ফিবি।

    ‘তো, মুভিটা খুবই ভালো ছিল, তাই না?’ বললাম।

    ‘হ্যাঁ, তবে অ্যালিসের সর্দি লেগেছে, আর তার মা পুরোটা সময়ই তাকে জিজ্ঞেস করেছে যে তার জ্বর আসছে কি না। সেটাও আবার একদম মুভি চলার সময়ে। প্রতিবারই গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যগুলোর সময় তার মা আমার ওপর দিয়ে ঝুঁকে অ্যালিসকে জিজ্ঞেস করেছে তার জ্বর আসছে কি না। প্রায় রাগই উঠে গিয়েছিল আমার তখন।’

    এরপর তাকে রেকর্ডের ব্যাপারে বললাম। ‘তোমার জন্য একটা রেকর্ড কিনেছি। তবে বাসায় আসার সময় হাত থেকে পড়ে গিয়ে ওটা ভেঙে গেছে।’ আমার পকেট থেকে ভাঙা টুকরোগুলো বের করে ওকে দেখালাম। ‘আমি তখন ড্রাংক ছিলাম,’ বললাম।

    ‘টুকরোগুলো দাও আমাকে,’ সে বলল। ‘আমি ওগুলো জমিয়ে রাখবো।’ বলেই খপ করে আমার হাত থেকে টুকরোগুলো নিয়ে তার নাইট টেবিলের ড্রয়ারে রেখে দিলো। ও আসলেই খুব মজার মানুষ।

    ‘ডি.বি. কি ক্রিসমাসে আসবে?’ জিজ্ঞেস করলাম।

    ‘মা বলেছে, আসতেও পারে, নাও আসতে পারে। নিশ্চিত না। তার হয়তো হলিউডেই থাকা লাগতে পারে, অ্যানাপোলিস নিয়ে একটা মুভি লেখার কথা ওর।’

    ‘অ্যানাপোলিস, ওহ খোদা!’

    ‘এটা নাকি একটা লাভ স্টোরি। আন্দাজ করো তো ঐ মুভিতে কে আছে? কোন মুভি স্টার রয়েছে ওটাতে?’

    ‘আমার এটা নিয়ে আগ্রহও নেই। অ্যানাপোলিস। ডি.বি. অ্যানাপোলিস নিয়ে কতটুকু জানে? সে যে ধরনের গল্প লিখে তার সাথে এটার সম্পর্ক কী?’ বললাম। ব্যাপারটায় খুবই বিরক্ত হচ্ছিলাম। হারামি হলিউড! ‘তোমার হাতে কী হয়েছে?’ ফিবির হাতের কনুইয়ে লাগানো টেপটার দিকে নির্দেশ করে বললাম। তার নাইট ড্রেসের হাতার আড়ালে ছিল না বলেই ওটা চোখে পড়েছে আমার।

    ‘পার্কের সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় আমাদের ক্লাসের কার্টিস ওয়েইট্রব নামের এক ছেলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিল,’ ও বলল। ‘দেখবে কতটুকু ব্যথা পেয়েছি?’ কথা বলতে বলতেই সে হাত থেকে টেপ খোলা শুরু করে দিয়েছিল।

    ‘ওটা ওভাবেই রাখো। সে তোমাকে ধাক্কা দিয়েছিল কেন?’

    ‘আমি জানি না। মনে হয় সে আমাকে ঘৃণা করে,’ ফিবি বলল। ‘সেলমা অ্যাটারবুরি আর আমি দুইজন মিলে তার উন্ডব্রেকারে কালি লাগিয়ে দিয়ে এসেছি।’

    ‘এটা তো ভালো না। তুমি কি বাচ্চা নাকি?’

    ‘না, তবে প্রতিবারই পার্কে গেলে ছেলেটা আমাকে ফলো করে। সে সবসময়ই আমাকে ফলো করে। আমার খুবই ভয় লাগে ছেলেটাকে।

    ‘হয়তো সে তোমাকে পছন্দ করে। কালি লাগানোর কোনো কারণ ছিল না—’

    ‘আমি চাই না সে আমাকে পছন্দ করুক,’ বলে আমার দিকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকালো ফিবি। ‘হোল্ডেন,’ ও বলল, ‘তুমি বুধবারের আগে বাসায় আসলে কীভাবে?’

    ‘কী?’

    খোদা, ফিবি খুবই চালাক ছিল। তার থেকে কিছুই লুকানো সম্ভব না। যদি কেউ ভেবে থাকে তার কোনো বুদ্ধি নেই, তাহলে সে একটা পাগল।

    ‘তুমি বুধবারের আগে বাসায় আসলে কীভাবে?’ জিজ্ঞেস করল ফিবি। ‘তোমাকে স্কুল থেকে বেরটের করে দেয়নি তো?’

    ‘আমি তো তোমাকে বলেছিই। তারা আমাদেরকে আগে ছুটি দিয়েছে। তারা আমাদের পুরো স্কুল—’

    ‘তোমাকে বের করে দিয়েছে না?’ বলে আমার পায়ে ঘুষি মারলো। কেউ খারাপ কিছু করলে প্রচুর রাগ উঠে যায় ওর। ‘তোমাকে বের করে দিয়েছে, হোল্ডেন!’ বলে হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরলো। সে খুবই আবেগী এক মেয়ে।

    ‘কে বলেছে আমাকে বের করে দিয়েছে? কেউ তো বলেনি—’

    ‘তোমাকে বের করে দিয়েছে, আমি জানি,’ বলে আবারো আমাকে ঘুষি মারলো। কেউ যদি ভেবে থাকে ওর ঘুষিতে ব্যথা লাগে না, তাহলে সে কখনোই তার ঘুষি খায়নি। ‘বাবা তোমাকে মেরে ফেলবে।’ ও বলল। এরপর মাথায় বালিশ চাপা দিয়ে বিছানায় উলটো হয়ে শুয়ে পড়লো। সে প্রায়ই এই কাজটা করে। মাঝেমধ্যে আসলেই পাগলের মতো হয়ে যায়।

    ‘এই থামো তো এখন,’ বললাম। ‘কেউই আমাকে মারবে না। এমনকি কেউ আমাকে—এই ফিবি, মাথার ওপর থেকে বালিশ সরাও। কেউ মারবে না আমাকে।’

    তবে সে বালিশ সরালো না। আসলে সে নিজে থেকে না চাইলে তাকে দিয়ে কিছু করানো সম্ভব না। সে বারবারই বলে যাচ্ছিল, ‘বাবা তোমাকে মেরে ফেলবে।’ অবশ্য বালিশ চাপা দিয়ে রাখায় তার কথা অতটা ভালো ভাবে বুঝাও যাচ্ছিল না।

    ‘কেউই আমাকে মারবে না। কারণ প্রথমত আমি এখান থেকে চলে যাচ্ছি। ভালো করে শুনো, আমি হয়তো যেখানে সেখানে গিয়ে কোনো র‍্যাঞ্চে-ট্যাঞ্চে কাজ পেয়ে যাবো। আমি এক লোককে চিনি কলোরাডোতে যার দাদার একটা র‍্যাঞ্চ। আমি হয়তো সেখানে কাজ পেয়ে যাবো,’ বললাম। ‘যদি আমি যাই, তাহলে চলে যাওয়ার পরও তোমার সাথে যোগাযোগ রাখবো। মাথার ওপর থেকে ওটা সরাও। হেই, ফিব, প্লিজ?’

    সে তবুও সরালো না। টেনে বালিশটা সরানোর চেষ্টা করলাম। যতই চেষ্টা করছিলাম ততই শক্তি বাড়াচ্ছিল ও। তার সাথে লড়াই করে আসলে জেতা সম্ভব না। সে যদি মাথার ওপর বালিশ চাপা দিয়ে রাখতে চায়, তাহলে সে সেটা রাখবেই। ‘ফিবি, প্লিজ, শান্ত হও,’ ক্রমাগত বলেই যাচ্ছিলাম। ‘হেই, হেই, ওয়েদারফিল্ড, প্লিজ।’

    তারপরও সে সরালো না। মাঝেমধ্যে আসলে তাকে তেল মারলেও কোনো কাজ হয় না। শেষমেশ ওখান থেকে উঠে লিভিং রুমের টেবিলে থাকা বাক্সটা থেকে কয়েকটা সিগারেট নিয়ে পকেটে ভরে নিলাম। আমার সিগারেট একদম শেষ হয়ে গিয়েছিল তখন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }