Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ২৩

    অধ্যায় তেইশ

    ফোনে বেশ তাড়াহুড়ো করে কথা বলছিলাম। ভয় পাচ্ছিলাম বাবা-মা হয়তো বাসায় ফিরে এসে আমাকে হাতেনাতে ধরে ফেলবে। তারা অবশ্য আসেনি যদিও। মি. অ্যান্টোলিনি খুবই ভালো মানুষ। তিনি আমাকে বলেছেন আমি চাইলে ঐ রাতেই তাঁর ওখানে যেতে পারবো আমি। আমার মনে হয় আমি ফোন করে তাদেরকে ঘুম থেকে ডেকে তুলেছি, কারণ ফোনটা ধরতে প্রচুর পরিমাণ সময় নিয়েছিল। ফোন ধরেই মি. অ্যান্টোলিনি আমাকে প্রথমে জিজ্ঞেস করলেন কোনো সমস্যা হয়েছে কি না। আমি না বললাম জবাবে। সাথে জানালাম যে পেন্সি থেকে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুনে তিনি বললেন, ‘ওহ খোদা।’ লোকটার সেন্স অব হিউমার খুব ভালো ছিল। তিনি জানালেন যে আমার ইচ্ছা করলে তখনই উনার ওখানে চলে যেতে পারবো।

    আমার দেখা সবচেয়ে সেরা শিক্ষক মি. অ্যান্টোলিনি। লোকটা বেশ তরুণ বয়সের ছিল। বয়স সম্ভবত আমার ভাই ডি.বি.র থেকে কয়েক বছর বেশি হবে। সেজন্যই তাঁর প্রতি সম্মান বজায় রেখেই যথেষ্ট পরিমাণ ফাজলামো করা যায় তাঁর সাথে। ঐদিন জেমস ক্যাসেল জানালা থেকে ঝাঁপ দেওয়ার পর তিনিই প্রথম লাশের কাছে ছুটে গিয়েছিলেন। জেমসের পালস চেক করে তার শরীরটা তিনিই ঢেকে দিয়েছিলেন। তিনিই লাশটা উঠিয়ে ইনফার্মারিতে নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি একবারও চিন্তা করেননি এই কাজটা করতে গিয়ে তাঁর স্যুটটা রক্তে ভরে যাচ্ছে কি না।

    যাইহোক, ফোন করা শেষে ডি.বি.র রুমে ফিরে এসে দেখি ফিবি রেডিও চালু করে রেখেছে। ড্যান্সিং মিউজিক চলছিল তখন রেডিওতে। যদিও সে কাজের মহিলার শোনার ভয়ে সাউন্ড কমিয়েই রেখেছিল। তাকে দেখে তখন বেশ হাসিই আসছিল আমার। সে তখন বিছানার ঠিক মাঝখানে যোগিদের মতো পা ভাঁজ করে বসে ছিল আর গান শুনছিল।

    ‘আসো,’ আমি বললাম। ‘নাচার ইচ্ছা আছে?’ সে আরো বাচ্চা থাকা অবস্থায়ই আমি তাকে নাচতে শিখিয়েছিলাম। সে খুবই ভালো ড্যান্সার। মানে আমি তাকে অল্প কয়টা মুভই শিখিয়েছিলাম, পরে বেশির ভাগই সে নিজে থেকে শিখেছে। আসলে কীভাবে নাচতে হবে সেটা তো আর কাউকে শেখানো যায় না।

    ‘তুমি তো জুতো পরে রেখেছো,’ সে বলল।

    ‘ওগুলো খুলে রাখবো আমি। আসো।’

    সাথে সাথেই প্রায় লাফিয়ে বিছানা থেকে নেমে এলো ফিবি। আমিও জুতো খুলে তার সাথে নাচতে শুরু করলাম। সে আসলেই ভালো ড্যান্সার। আমি সত্যি বলতে বাচ্চাদের সাথে নাচাটা খুব একটা পছন্দ করি না, কারণ তাদের নাচটা খুবই বাজে হয়। কোনো রেস্টুরেন্ট বা এমন কিছুতে গেলে প্রায়ই দেখা যায় পূর্ণ বয়স্ক কেউ বাচ্চাদের সাথে নাচছে। নাচ তো না, বয়স্করা নাচার বদলে বাচ্চাদেরকে একটু পরই পরই হেঁচকা টানে ওপরে তুলে ফেলে আর তখন বাচ্চাটাও আর নাচের তাল মিলাতে পারে না। আমিও কখনো বাইরে গেলে ফিবির সাথে নাচি না। আমাদের যত খেলা সব বাসার মধ্যেই। তাছাড়া তার সাথে ব্যাপারটা একটু আলাদাও। ফিবি অন্তত নাচতে জানে। এমনকি ড্যান্স পার্টনারের মুভও ফলো করতে পারে ও। মানে নাচার সময় যদি তাকে শরীরের খুব কাছে ধরে রাখা হয়—যাতে করে পায়ের দৈর্ঘ্যের পার্থক্যের কারণে নাচতে কোনো অসুবিধা নয়—তাহলে সে শরীরের কাছেই লেগে থাকে। এমনকি তার সাথে ট্যাঙ্গো ড্যান্স করলেও তার পজিশন একই রকম থাকে।

    আমরা চারটা গানে নেচেছিলাম ঐদিন। এক গান শেষে আরেক গান শুরুর মাঝখানের বিরতিটার সময়ও সে তার পজিশন ছেড়ে যায়নি। এমনকি কথাও বলেনি। নাচার সময় সবাইকেই পজিশনে ধরে রাখতে হয়, ঐভাবে থেকে অর্কেস্ট্রার আরেকবার মিউজিক বাজানো শুরুর অপেক্ষা করতে হয়। এটা আমার হাস্যকর লাগে। এই সময়ের মধ্যে কোনো কথাও বলা যায় না।

    যাই হোক, চারটা গানের সাথে নাচার পর রেডিওটা অফ করে দিলাম আমি। ফিবিও নাচ থামানোর সাথে সাথেই আবারো বিছানায় উঠে কম্বলের নিচে শুয়ে পড়লো আবার। ‘আমার নাচের উন্নতি হচ্ছে না?’ সে জিজ্ঞেস করল আমাকে।

    ‘হ্যাঁ, এবং কীভাবে হচ্ছে এটা?’ আমি বললাম। আবারো বিছানায় তার পাশে বসলাম আমি। আমার তখন শ্বাস ধরে গিয়েছিল। প্রচুর পরিমাণে সিগারেট খাওয়ায় শ্বাসই নিতে পারছিলাম না। তবে ফিবির শ্বাস টানায় কোনো সমস্যাই হচ্ছিল না।

    ‘আমার কপাল ধরে দেখো,’ হুট করে বলে উঠলো ফিবি।

    ‘কেন?’

    ‘ধরে দেখো আগে একবার।

    ধরে দেখলাম। যদিও ধরেও কিছু বুঝতে পারলাম না।

    ‘কপালটা কি একটু গরম? জ্বর উঠার মতো?’

    ‘না। জ্বর উঠার কথা নাকি?’

    ‘হ্যাঁ, আমি জ্বর উঠাচ্ছি। আবার ধরে দেখো।’

    আবারো ধরে দেখলাম আমি, এবারও কিছুই টের পেলাম না। তারপরও বললাম, ‘মনে হয় এখন আস্তে আস্তে গরম হওয়া শুরু করেছে।’ আমি আসলে তাকে সত্যি বলে কষ্ট দিতে চাইনি।

    মাথা ঝাঁকালো ও। ‘আমি জ্বর বাড়িয়ে থার্মোনিটারের মাত্রা পার করে ফেলতে পারবো।’

    ‘থার্মোমিটার। কে বলেছে তোমাকে এসব?’

    ‘অ্যালিস হোমবোর্গ। শ্বাস আঁটকে রেখে পা ভাঁজ করে বসে প্রচণ্ড গরম কিছুর মানে ধরো রেডিয়েটর বা এমনকিছুর চিন্তা করলেই জ্বর উঠে যাবে। এতো জ্বর উঠবে যে তখন কপালে কেউ হাত লাগালে তার হাতই পুড়ে যাবে।’

    ওটা শুনে প্রায় হাসিতে লুটিয়েই পড়েছিলাম আমি। তবে ওটা না করে মেকি ভয় পাওয়ার ভান করে ঝাঁকি দিয়ে হাতটা সরিয়ে নিলাম আমি। ‘আগেভাগে জানানোর জন্য ধন্যবাদ,’ বললাম।

    ‘ওহ, আমি তো তোমার হাত পোড়াবো না। পোড়ার অনেক আগেই হাত সরিয়ে দিতাম—শশশ!’ বলে চট করে বিছানায় উঠে বসলো ফিবি।

    হুট করে ওরকম করায় আমি তখন প্রচণ্ড ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। ‘কী হয়েছে?’

    ‘ফ্রন্ট ডোরের শব্দ!’ ফিসফিসিয়ে জানালো ফিবি। ‘বাবা-মা এসে গেছে।’

    শুনেই তাড়াতাড়ি করে বিছানা থেকে লাফিয়ে উঠে ডেস্কের ল্যাম্পটা নিভিয়ে ফেললাম। তারপর জুতোর মধ্য গুজে রাখা সিগারেটগুলো বের করে এনে রাখলাম পকেটে। সিগারেটের গন্ধ ও ধোঁয়া দূর করার জন্য হাত দিয়ে বাতাস করলাম কিছুক্ষণ—আমার আসলে বাসায় গিয়ে সিগারেট খাওয়াই উচিৎ হয়নি। তারপর জুতোগুলো হাতে নিয়ে গিয়ে লুকালাম ক্লজেটের ভেতর। খোদা, হার্ট তখন ধুকপুক ধুকপুক করছিল। এতো জোরে জোরে স্পন্দিত হচ্ছিল যে মনে হচ্ছিল ওই শব্দেই ধরা পড়ে যাবো।

    রুমে মায়ের আসার শব্দ শুনতে পেলাম ক্লজেটের ভেতর থেকে।

    ‘ফিবি?’ মা বলল। ‘অভিনয় করো না। আমি তোমার ঘরে লাইট জ্বলতে দেখেছি, ইয়াং লেডি।’

    ‘হ্যালো, মা!’ ফিবিকে বলতে শুনলাম। ‘আমি আসলে ঘুমাতে পারছিলাম না। সন্ধ্যা কেমন কাটলো তোমাদের?’

    ‘চমৎকার,’ মা বলল, যদিও আমি জানি মা কথাটা মনে থেকে বলেনি। মা বাইরে গেলে কখনোই ভালো সময় কাটাতে পারে না। ‘তুমি এখনো জেগে আছো কেন? ঘরে কি ঠান্ডা বেশি?’

    ‘না, ঠান্ডা ঠিকই আছে। আমার আসলে ঘুমই ধরছে না।’

    ‘ফিবি, তুমি কি সিগারেট টেনেছো এখানে? সত্য করে বলো, ইয়াং লেডি।’

    ‘কী?’ ফিবি বলল।

    ‘তুমি শুনেছো প্রশ্নটা।’

    ‘আমি শুধু এক সেকেন্ডের জন্য একটা ধরিয়েছিলাম। শুধু এক টানই দিয়েছি মাত্র। তারপর জানালা দিয়ে ফেলে দিয়েছি।’

    ‘এটা কেন করেছো জানতে পারি কি?’

    ‘ঘুম ধরছিল না, তাই।’

    ‘এই কাজটা আমার পছন্দ হয়নি, ফিবি। আমি এসব একদমই পছন্দ করি না,’ মা বলল। ‘তোমার কি আরেকটা কম্বল লাগবে?’

    ‘না, মা। গুডনাইট!’ ফিবি বলল। সে আসলে চাচ্ছিল মা যেন রুম থেকে বেরিয়ে যায়, তার কণ্ঠেই সেটার ছাপ ছিল।

    ‘মুভি কেমন ছিল?’ মা জিজ্ঞেস করল।

    ‘খুবই ভালো। তবে অ্যালিসের মা বিরক্ত করেছে প্রচুর। তার মা বারবারই আমার ওপর দিয়ে ঝুঁকে অ্যালিসকে জিজ্ঞেস করেছে তার জ্বর আসছে কিনা, পুরো মুভি জুড়েই এই কাজ করেছে। মুভি শেষে ট্যাক্সিতে করে বাসায় ফিরেছি আমরা।’

    দেখি তো তোমার কপালে হাত দিয়ে।’

    ‘আমার জ্বর-সর্দি লাগেনি। অ্যালিসের কোনো অসুখই হয়নি। তার মা অযথাই দুঃশ্চিন্তা করে মুভি দেখাটা নষ্ট করে দিয়েছে।’

    ‘আচ্ছা, এখন ঘুমানোর চেষ্টা করো। ডিনার কেমন ছিল তোমার?’

    ‘ফালতু,’ ফিবি বলল।

    ‘তোমার বাবা এসব শব্দ ব্যবহার করার ব্যাপারে কী বলেছে মনে আছে তোমার! আর ডিনারে ফালতুর কী ছিল? খুবই ভালো ল্যাম্ব চপ ছিল। আমি পুরো লেক্সিংটন অ্যাভিনিউ ঘুরে—’

    ‘ল্যাম্ব চপটা ভালোই ছিল, মা, তবে শার্লিন খাওয়ার পুরোটা সময় আমার মাথার ওপর দাঁড়িয়ে শ্বাস ছেড়েছে শুধু। তার শ্বাস পুরোটাই মিশে গিয়েছিল খাবারের সাথে। সে সবকিছুর ওপর শ্বাস ছাড়ে শুধু।’

    ‘আচ্ছা, এখন ঘুমাও। আগে মাকে একটা চুমু দিয়ে নাও। তোমার প্রার্থনা পাঠ করেছো?’

    ‘বাথরুম থেকেই করে এসেছি। গুডনাইট!’

    ‘গুডনাইট। এখন ঘুমাতে যাও। আমার প্রচণ্ড মাথাব্যথা করছে,’ মা বলল। মায়ের আসলে বেশির ভাগ সময়ই মাথা ব্যথা করে।

    ‘অ্যাস্পিরিন খেয়ে নিও,’ ফিবি বলল। ‘মা, হোল্ডেন তো বুধবার বাসায় আসবে, তাই না?’

    ‘আমি তো এমনটাই জানি। এখন কম্বলের নিচে ঢুকো। চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর চেষ্টা করো।’

    এরপর মাকে রুমের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যেতে শুনলাম। মা চলে যাওয়ার পরও আরো বেশ কয়েকমিনিট পর ক্লজেট থেকে বেরুলাম আমি। ক্লজেট থেকে বেরিয়ে ধাক্কা খেলাম ফিবির গায়ে। রুমটা এতো অন্ধকার ছিল যে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। আর মা চলে যাওয়ার পর ফিবিও বিছানা থেকে উঠে এসেছিল আমাকে জানানোর জন্য। ‘ব্যথা পেয়েছো?’ ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করলাম আমি। ‘আমার এখন যেতে হবে,’ বললাম। অন্ধকারের মাঝে হাতড়ে হাতড়ে বিছানার কোনায় বসে জুতা বাঁধতে শুরু করলাম আমি। আমি স্বীকার করছি, আমি তখন আসলেই প্রচুর নার্ভাস ছিলাম।

    ‘এখন যেও না,’ ফিবি ফিসফিস করে বলল। ‘বাবা-মা’র ঘুমানো না পর্যন্ত অপেক্ষা করো।‘

    ‘না, এখনই সবচেয়ে সেরা সময়,’ আমি বললাম। ‘মা এখন বাথরুমে থাকবে আর বাবা টিভিতে নিউজ দেখবে। এখন সবচেয়ে সেরা সুযোগ।’ তাড়াহুড়োয় জুতোটা খুব একটা ভালোভাবে বাঁধতেও পারিনি আমি। এমন না যে তারা আমাকে বাসায় দেখলে মেরে ফেলতো বা এমন কিছু, তবে ব্যাপারটা খুবই অস্বস্তিদায়ক হয়ে উঠতো। ‘কোথায় তুমি?’ ফিবিকে বললাম। অন্ধকারে আমি তাকে দেখতেও পাচ্ছিলাম না।

    ‘এখানে।’ সে আসলে বলতে গেলে আমার একদম পাশেই দাঁড়িয়েছিল।

    ‘আমি আমার ব্যাগ স্টেশনে রেখে এসেছি,’ আমি বললাম। ‘শুনো, তোমার কাছে কিছু টাকা হবে, ফিব? আমার টাকা পয়সা সব ফুরিয়ে গেছে।’

    ‘ক্রিসমাসের টাকা আছে শুধু, প্রেজেন্ট কেনার টাকা। আমি এখনো শপিং করিনি।’

    ‘ওহ,’ আমি আসলে তখন তার থেকে ক্রিসমাসের টাকা নিতে চাচ্ছিলাম না।

    ‘তোমার কিছু লাগবে?’ ফিবি জানতে চাইলো।

    ‘তোমার ক্রিসমাসের টাকা নিতে চাই না আমি।’

    তোমাকে ধার দিতে পারবো কিছু,’ সে বলল। এরপর শুনতে পেলাম সে ডি.বি.র ডেস্কের হাজার হাজার ড্রয়ারে অন্ধকারের মাঝে হাতড়াচ্ছে। রুমটার ভেতরে তখন ঘুটঘুটে কালো অন্ধকার হয়েছিল। ‘তুমি যদি চলে যাও তাহলে তো আমার নাটকটা দেখতে পারবে না,’ ফিবি বলল। কথাটা বলার সময় ফিবির কণ্ঠস্বর কেমন যেন অদ্ভুত শোনালো আমার কাছে।

    ‘অবশ্যই নাটক দেখতে আসবো আমি। নাটকের আগে আমি যাবো। তুমি কি ভেবেছে আমি ওটা মিস করবো?’ আমি বললাম। ‘আমি এখন গিয়ে হয়তো মি. অ্যান্টোলিনির বাসায় থাকবো মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত। তারপর বাসায় আসবো আবার। যদি সুযোগ পাই তাহলে অবশ্যই তোমাকে ফোন দিবো।’

    ‘এই নাও,’ ফিবি বলল। সে আসলে আমার হাতে টাকা তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছিল, কিন্তু অন্ধকারে আমার হাতই খুঁজে পাচ্ছিল না।

    ‘কোথায়?’

    এরপর সে আমার হাতে টাকাটা তুলে দিলো।

    ‘হেই, আমার পুরো টাকা লাগবে না,’ আমি বললাম। ‘শুধু দুই ডলার দাও, তাহলেই চলবে আমার। সত্যি বলছি। বাকিটা নিয়ে নাও,’ বলে তাকে টাকাগুলো দিয়ে দিতে চাইলেও সে নিলো না।

    ‘তুমি পুরোটাই নিয়ে যাও। পরে দিয়ে দেবে। নাটক দেখার সময়ই নাহয় নিয়ে এসো।’

    ‘কত আছে এখানে?’

    ‘আশি ডলার, পঁচাশি সেন্ট। উঁহু, পঁয়ষট্টি সেন্ট। আমি কিছু খরচ করে ফেলেছি।’

    তখন হুট করেই কাঁদতে শুরু করলাম। আসলে তখন আর নিজেকে থামাতে পারছিলাম না। যদিও এমনভাবে কাঁদছিলাম যাতে কেউ তা শুনতে না পায়, তারপরও কাঁদছিলাম ঠিকই। আমার কান্না দেখে ফিবি অবশ্য প্রচুর ভয় পেয়ে গিয়েছিল। আমার কাছে এসে আমার কান্না থামানোর চেষ্টা করেছে। তবে একবার কান্না শুরু করলে সেটা কি আর সহজে থামানো যায়! আমি তখনো বিছানার ধারে বসেছিলাম, ফিবি আমার কাছে এসে আমার ঘাড়ে হাত জড়িয়ে ধরেছিল। আমিও জড়িয়ে ধরেছিলাম তাকে, তবে লম্বা একটা সময় পর্যন্ত কান্না থামাতে পারিনি। আমার তখন মনে হচ্ছিল আমি হয়তো শ্বাস আঁটকে মারা যাচ্ছি। খোদা, আমি আসলেই ফিবিকে প্রচণ্ড ভয় পাইয়ে দিয়েছিলাম ঐদিন। ঘরের জানালাটাও তখন খোলা ছিল। টের পাচ্ছিলাম ফিবি তখন ঠান্ডায় কাঁপছিল, হাজার হোক তখন সে নাইটড্রেস পরা ছিল মাত্র। তাই তাকে বিছানায় কম্বলের নিচে শুইয়ে দিতে চাইলাম আমি, তবে সে রাজি হচ্ছিল না। শেষমেশ কান্না থামলো আমার। তবে ততক্ষণে অনেক অনেক লম্বা সময় পেরিয়ে গেছে। এরপর উঠে দাঁড়িয়ে কোটের বোতামগুলো লাগালাম, ফিবিকে বললাম যে আমি তার সাথে যোগাযোগ রাখবো। সে আমাকে বলল যে আমি চাইলে তার সাথে ঘুমাতে পারবো, তবে আমি মানা করলাম। বললাম যে আমার তখনই বেরিয়ে যাওয়া উচিৎ, মি. অ্যান্টোলিনি হয়তো আমার জন্য অপেক্ষা করছে। তারপর কোটের পকেট থেকে আমার হান্টিং টুপিটা বের করে দিলাম ফিবিকে। ও এসব টুপি অনেক পছন্দ করে। সে অবশ্য প্রথমে নিতে চায়নি, তবে আমি জোর করেই দিলাম তাকে। আমি নিশ্চিত সে ঐরাতে ঐ টুপি পরেই ঘুমিয়েছিল। সে আসলেই ওসব টুপি খুব পছন্দ করত। আমি তাকে আবারো সুযোগ পেলে ফোন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলাম।

    বাসা থেকে বেরুনোটা অবশ্য ঢোকার থেকে অনেক বেশি সহজ ছিল। এর কারণ প্রথমত, আমার আর তখন ধরা পড়ে যাওয়া নিয়ে কোনো ভয় ছিল না। বলতে একরকম আশাই করছিলাম যে তারা যেন আমাকে ধরে ফেলে।

    এলিভেটরের বদলে হেঁটে হেঁটে নিচতলায় নামলাম। পিছনের সিঁড়ি দিয়ে নেমেছিলাম। নামার সময় ময়লা-আবর্জনার স্তূপে হোঁচট খেয়ে আরেকটু হলেই ঘাড় ভাঙতে বসেছিলাম। তবে তেমন কিছুই হয়নি। এলিভেটরের ছেলেটাও আমাকে আর দেখেনি। সে হয়তো তখনো ভাবছিল আমি ডিকস্টাইনসদের বাসার সামনেই বসে আছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }