Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ৪

    অধ্যায় চার

    আমার তেমন কিছু করার ছিল না, তাই আমিও টয়েলেটে গেলাম শরীরে পানি দিতে, আর স্ট্র্যাডলেটার তখন শেভ করছিল। টয়েলেটে তখন আমরা দুইজনই ছিলাম, কারণ বাকিদের সবাই তখনো খেলার মাঠে। টয়েলেটের ভেতরে প্রচণ্ড গরম ছিল, জানালাগুলোও বাষ্পায়িত হয়েছিল। ওখানে প্রায় দশটার মতো ওয়াশবোল, প্রতিটাই লাগানো ছিল দেওয়ালের সাথে। স্ট্র্যাডলেটার দাঁড়িয়ে ছিল মাঝেরটায়। আমি তার পাশের ওয়াশবোলটাতে গিয়ে বসলাম এবং ঠান্ডা পানির নব ঘুরাতে শুরু করলাম। একবার নব ঘুরিয়ে পানি ছাড়ছি, আরেকবার বন্ধ করছি। নার্ভাসে থাকলে আমি এই কাজটাই করি। আর স্ট্র্যাডলেটার ওদিকে ‘সং অব ইন্ডিয়া’ গানটার শিস কাটতে কাটতে শেভ করছিল। স্ট্র্যাডলেটারের শিসের ধ্বনিটা একটু বেশিই তীক্ষ্ণ ছিল, আর শিসটা কখনোই সুরের সাথে মিলতো না। শিস দেওয়ার জন্য সে সবসময়ই এমন কিছু গান বাছাই করত যেগুলো ভালো শিসদাতাদের জন্যও শিস দিয়ে সুর তোলা কষ্টকর। যেমন ‘সং অব ইন্ডিয়া’ বা ‘স্লটার অন টেনথ অ্যাভিনিউ’। গানের প্রায় বারোটা বাজিয়ে দিতো ও।

    মনে আছে, অ্যাকলির ব্যাপারে বলেছিলাম সে কিছুটা নোংরা প্রকৃতির? আসলে স্ট্র্যাডলেটারও কিছুটা নোংরা স্বভাবের। তবে সেটা একটু অন্যধরনের ছিল। স্ট্র্যাডলেটারের অভ্যাসটা আসলে তেমন কেউ জানতো না। তাকে দেখতে সবসময়ই ভালো দেখাতো, তবে যদি কেউ কখনো তার দাড়ি কামানোর রেজারটা হাতে নিতো, তাহলে দেখতো পেতো যে ওটা মরিচা পরা, অনেক ময়লা আর লোম লেগে আছে ওটাতে। সে কখনোই রেজার বা কিছু পরিষ্কার করত না। তবে দাড়ি কামানোর পর তাকে দেখতে সবসময়ই ভালো দেখাতো। তবে আড়ালে আবডালে কিন্তু সেও নোংরা স্বভাবেরই। অন্তত কাছ থেকে দেখায় আমি সেটা খুব ভালো করেই জানি। স্ট্র্যাডলেটার আসলে নিজেই নিজের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিল। মানে নার্সিসিস্টিক স্বভাবের অনেকটা। এই কারণেই সে তার বাহ্যিক আবরণকে সবসময় খুব ফিটফাট করে রাখতো। সে ভাবতো পশ্চিম গোলার্ধ্বে সে-ই সবচেয়ে সুদর্শন ছেলে। সত্যি বলতে, সে আসলেই অনেক সুদর্শন ছিল। তবে সে ছিল এমন প্রকারের সুদর্শন, যার ইয়ার বুকের ছবি দেখে যে কারো বাবা-মা-ই প্রথমে জিজ্ঞেস করবে, ‘এই ছেলেটা কে?’ মানে সে আসলে ইয়ার বুকের ছবির জন্য সুদর্শন ছিল। পেন্সিতেই আমি আরো অনেককে জানতাম যারা স্ট্র্যাডলেটারের থেকেও বেশি সুদর্শন ছিল, কিন্তু ইয়ার বুকের ছবিতে তাদেরকে এতটা সুদর্শন দেখাতো না। ছবিতে হয় তাদের নাক বড়ো দেখাতো, নয়তো কানগুলোকে হাতির কানের মতো লাগতো। প্রায়ই এটা খেয়াল করে দেখেছি আমি।

    যাই হোক, আমি ওয়াশবোলে বসেছিলাম, আর স্ট্র্যাডলেটার আমার পাশেরটায় দাঁড়িয়ে শেভ করছিল। ওয়াশবোলে বসে পানি ছাড়ছিলাম-বন্ধ করছিলাম আর হ্যাটের ঝুঁটিটা নাড়ছিলাম। টুপিটা তখনো আমার মাথাতেই ছিল, ঝুঁটিটা বেঁকেছিল পিছনের দিকে। ওটা নিয়ে খেলতে বেশ ভালোই লাগছিল। আসলেই ঐ টুপিটা কিনে অনেক তৃপ্তি পেয়েছিলাম।

    ‘হেই,’ স্ট্র্যাডলেটার বলল। ‘আমার একটা বড়ো উপকার করতে পারবে?’

    ‘কী?’ জানতে চাইলাম। খুব একটা আগ্রহ দেখাইনি আমি। সে সবসময়ই বড়ো কোনো উপকার করার অনুরোধ করত। আসলে সুদর্শন লোকরা বা যেসব মানুষ নিজেদেরকে অনেক হোমড়া-চোমড়া ভাবে—তারা সবসময়ই তাদেরকে বড়ো কোনো উপকার করে দেওয়ার অনুরোধ করে। কারণ তাদের আগ্রহ থাকে শুধু নিজেদের নিয়েই, আর তারা ভাবে অন্য মানুষের আগ্রহও বোধহয় তাদের নিয়েই এবং অন্যরা তাদের কোনো উপকার করে দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। একদিক দিয়ে ভাবলে, ব্যাপারটা কিন্তু বেশ মজার।

    ‘তুমি কি রাতে বেরুবে-টেরুবে নাকি?’ সে বলল।

    ‘বেরুতেও পারি। আবার নাও পারি। ঠিক জানি না। কেন?’

    ‘সোমবারের জন্য আমাকে প্রায় ১০০ পাতার মতো ইতিহাস পড়তে হবে, ‘ সে বলল। ‘তুমি কি আমাকে ইংরেজির জন্য একটা কম্পোজিশন লিখতে দিতে পারবে? সোমবারের মধ্যে ওটা জমা না দিতে পারলে বিরাট বিপদে পড়ে যাবো। সেজন্যই তোমাকে অনুরোধ করছি। পারবে?’

    ব্যাপারটা বেশ হাস্যকর ছিল। আসলেই অনেক হাস্যকর।

    ‘পড়ালেখায় ফাঁকি দেওয়ার জন্য আমাকেই কিন্তু এখান থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, আর তুমি কি না আমাকেই কম্পোজিশন লিখে দিতে বলছো?’ আমি বললাম।

    ‘হ্যাঁ, আমি জানি সেটা। তবে ব্যাপারটা হলো আমার জন্য লেখাটা বেশ কঠিন হয়ে যাবে। আর ঐ লেখাটা না দিতে পারলে আমাকে বড়ো বিপদে পড়া লাগবে। বন্ধু হিসেবে অনুরোধ করছি। লিখে দিতে পারবে?’

    সাথে সাথেই কোনো উত্তর দিলাম না। স্ট্র্যাডলেটারের মতো মানুষদেরকে মাঝেমধ্যে অপেক্ষায় রাখাটাই বেশি শ্ৰেয়।

    ‘কিসের ওপর লিখতে হবে?’ জিজ্ঞেস করলাম।

    ‘যেকোনো একটা হলেই হবে। বর্ণনামূলক যেকোনো কিছু। একটা রুম বা বাড়ি বা তুমি থেকেছো এমন কোনো জায়গা—একটা হলেই হবে। শুধু লেখাটা বর্ণনামূলক হলেই হবে।’ বলে বড়ো একটা হাই দিয়ে উঠলো। বড়ো কোনো উপকার করে দিতে বলার সময় কেউ হাই দিয়ে উঠলে আমার প্রচণ্ড বিরক্তি লাগতো। ‘তবে খুব বেশি ভালো লিখে ফেলো না আবার,’ আবার বলল স্ট্র্যাডলেটার। ‘ঐ হারামি হার্টফেল ভাবে তুমি ইংরেজিতে অনেক দক্ষ আর সে জানে তুমি আমার রুমমেট। তাই সব দাড়ি-কমাই ঠিক জায়গায় বসিয়ো না, কিছু ভুল থাকলেই বরং ভালো।’

    এই ব্যাপারটাও আমাকে প্রচণ্ড বিরক্ত করত। মানে আমি কম্পোজিশন লেখায় ভালো। কিন্তু কেউ এটা নিয়ে কথা বলে না, বলে দাড়ি-কমা কোন জায়গায় বসাচ্ছি তা নিয়ে। স্ট্র্যাডলেটার সবসময়ই এই কাজটা করত। সে ভাবতো, দাড়ি-কমা ঠিক জায়গামতো বসাতে না পারার কারণে তার কম্পোজিশনগুলো ভালো হয় না। এই দিক দিয়ে সে অনেকটা অ্যাকলির মতোই। অ্যাকলির পাশে বসে আমি একবার বাস্কেটবল ম্যাচ দেখেছিলাম। আমাদের টিমে হাওয়ি কোয়েল নামে খুবই ভালো একজন খেলোয়াড় ছিল। ফ্লোর থেকে দাঁড়িয়েই বাস্কেটে বল ছুড়ে মারতো সে। এমনকি তার ব্যাকবোর্ডে ধরা বা লাফানোও লাগতো না। আর অ্যাকলি ঐ ম্যাচের পুরোটা সময়ই আমার কানের কাছে প্যানপ্যান করেছে বাস্কেটবলের জন্য কোয়েলের শরীর কতটা নিখুঁত তা নিয়ে। সে জানতো আমি ওসব নিয়ে কথা বলা অপছন্দ করি, তারপরও সে ঐটা নিয়ে বকবক করে গেছে।

    অনেকক্ষণ ওয়াশবোলে বসে থাকায় বিরক্তি ধরে গিয়েছিল আমার। তাই কয়েক পা পিছিয়ে ট্যাপ-ড্যান্স করতে শুরু করলাম। কোনো কারণে না, এমনিতেই নিজের বিরক্তি কাটানোর জন্য নাচ শুরু করেছিলাম। আমি কিন্তু আসলে ট্যাপ-ড্যান্স করতেই পারতাম না। তবে টয়লেটের পাথুরে মেঝেটা ট্যাপ-ড্যান্সের জন্য পারফেক্ট ছিল। নাচতে নাচতে মুভি অ্যাক্টরদের একজনের অনুকরণ করতে শুরু করলাম। মিউজিক্যাল টাইপ মুভির এক অ্যাক্টরের মতো। যদিও মুভি জিনিসটা আমি দুই চোখে সহ্য করতে পারি না, তবে ওগুলোর অনুকরণ করতে অনেক মজা লাগে আমার।

    শেভ করার সময় স্ট্র্যাডলেটারের চোখেও আমার নাচটা ধরা পড়লো। আমি আসলে তার চোখেই পড়তে চাচ্ছিলাম, সত্যি বলতে একজন দর্শক চাচ্ছিলাম। আমি অনেকটা এক্সিবিশনিস্ট টাইপের। ‘আমি গভর্নরের ছেলে,’ বলে উঠলাম বলতে বলতে পা ঠুকছিলাম মেঝেতে। পুরো মেঝে জুড়েই লাফাচ্ছিলাম বলা যায়। ‘তবে আমার বাবা আমাকে ট্যাপ-ড্যান্সার হতে দিতে চায় না। বাবা চায় আমি যেন অক্সফোর্ডে যাই। কিন্তু এই ট্যাপ-ড্যান্সিং আমার রক্তের সাথে মিশে আছে।’ শুনে হাসতে শুরু করল স্ট্র্যাডলেটার। তার সেন্স-অব-হিউমার খুব একটা খারাপ ছিল না। ‘আজ রাতে জিগফিল্ড ফলিজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।’ বলতে বলতে হাঁপিয়ে উঠলাম। শরীরে দম বলতে কিছুই আর বাকি ছিল না আমার। ‘কিন্তু অনুষ্ঠানের লিডিং ম্যান যেতে পারবে না সেখানে। মদ খেয়ে পাড় মাতাল হয়ে আছে লোকটা। ঐ লোকের জায়গায় তারা কাকে ডেকে পাঠিয়েছে জানো? আমাকে। গভর্নরের ছেলেকে।’

    ‘ঐ টুপিটা কোথায় পেয়েছো?’ স্ট্র্যাডলেটার জিজ্ঞেস করল। শিকারি টুপিটার কথা বলছিল ও। সে ওটা আগে কখনো দেখেনি।

    এমনিতেই আমার শ্বাস ধরে গিয়েছিল, তাই ইচ্ছামতো পাগলামি করছিলাম। সে জিজ্ঞেস করার পর নবমবারের মতো টুপিটা হাতে নিয়ে দেখলাম। ‘আজ সকালে নিউইয়র্ক থেকে কিনেছি। এক ডলার দিয়ে। তোমার ভালো লেগেছে এটা?’

    মাথা ঝাঁকালো স্ট্র্যাডলেটার। ‘জিনিসটা খুব চমৎকার,’ সে বলল। অবশ্য সে কথাটা বলেছিল শুধু তেল মারার জন্যই, কারণ এরপরই তার কথাটা ছিল, ‘শুনো, তুমি কি আমাকে কম্পোজিশনটা লিখে দিতে পারবে? ভালোভাবে বলে দাও।’

    ‘যদি সময় পাই, তাহলে করে দেবো। সময় না পেলে করতে পারবো না,’ বললাম। বলে আবার গিয়ে বসলাম তার পাশের ওয়াশবোলটায়। ‘তোমার ডেট কে?’ জিজ্ঞেস করলাম। ‘ফিটজেরাল্ড?’

    ‘আরে নাহ! আমি তো বলেছিই তোমাকে, ঐ শয়তানির সাথে আমার সম্পর্ক শেষ।’

    ‘হ্যাঁ? তাহলে আমাকে দিয়ে দাও। মজা করছি না। ও কিন্তু আমার টাইপেরই।’

    ‘নিয়ে নাও… তবে সে কিন্তু তোমার থেকে অনেক বড়ো।’

    হঠাৎ করেই আমার মনে হলো ওয়াশবোল থেকে তেড়ে গিয়ে স্ট্র্যাডলেটারকে হাফ নেলসনে চেপে ধরি। যদিও আমি আসলে মজা করার মুডেই ছিলাম। হাফ নেলসন আসলে একটা রেসলিং মুভ, মানে রেসলিংয়ের মার। অনেকেরই অজানা থাকতে পারে এটা। এই মুভটাতে আক্রমণকারী শিকারের পিছ থেকে হাত পেঁচিয়ে গলা চেঁপে ধরে। তাই করলাম আমি। প্রায় প্যান্থারের মতো ক্ষীপ্রগতিতে লাফিয়ে উঠে স্ট্র্যাডলেটারের ওপর চেপে বসলাম।

    ‘ছাড়ো আমাকে, হোল্ডেন। ওহ খোদা!’ স্ট্র্যাডলেটার বলল। তার আসলে খেলা করার কোনো মুড ছিল না। হাজার হোক, ও তো শেভ করছিল তখন। ‘তুমি আসলে কী করতে চাচ্ছো—মাথা ছিঁড়ে ফেলবে নাকি আমার?

    যদিও আমি ছাড়লাম না। ওকে ভালোভাবেই চেপে ধরেছিলাম। ‘আমার শক্ত কবল থেকে নিজেই নিজেকে ছুটিয়ে নাও,’ বললাম।

    ‘ওহ, খোদা!’ বলে রেজারটা নামিয়ে রেখে জোরে হাত ঝাড়া দিলো। সাথে সাথেই আমার কবল থেকে মুক্ত হয়ে গেল। সে আসলে খুবই শক্তিশালী ছিল। আর আমি ছিলাম অনেক দুর্বল। ‘এখন, খেলা বাদ দাও,’ বলল ও। বলে আবারও শেভ করা শুরু করল। সে সবসময়ই দুইবার করে শেভ করত, নিজেকে সুদর্শন দেখানোর জন্য। অবশ্যই তার রেজারই তো ছিল ভোঁতা, মরচি পরা। দুইবার না করলে তো শেভই হতো না ঠিকমতো

    ‘ফিটজেরাল্ড না হলে তোমার ডেট কে?’ জিজ্ঞেস করলাম। আবারও ফিরে গিয়ে ওয়াশবোলে বসলাম। ‘ফিলিস স্মিথ নাকি?’

    ‘না। ওই হওয়ার কথা ছিল, তবে প্যাঁচ লেগে গেছে ওটা নিয়ে। এখন ডেটে যাবো বাড থ’র রুমমেটের সাথে… ওহ, আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম। ও তো তোমাকে চেনে। ‘

    ‘কে চেনে?’ জানতে চাইলাম।

    ‘আমার ডেট।’

    ‘তাই?’ আমি বললাম। ‘নাম কি ওর?’ কিছুটা আগ্রহী ছিলাম।

    ‘একটু ভাবতে দাও… আহ, জেন গ্যালাহার।’

    তার থেকে নামটা শুনে প্রায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম আমি।

    ‘জেন গ্যালাহার,’ আমি বললাম। এমনকি নামটা শুনে আমি ওয়াশবোল উঠে দাঁড়িয়েও পড়েছিলাম। ‘হ্যাঁ, আসলেই আমি তাকে চিনি। বলতে গেলে গত গ্রীষ্মের আগের গ্রীষ্মে আমরা তো প্রতিবেশিই ছিলাম। তার একটা বড়োসড়ো ডোবারম্যান পিনশার ছিল। ওভাবেই তার সাথে পরিচয় হয়েছিল আমার। তার কুকুরটা প্রায়ই চলে আসতো আমাদের…’

    ‘ওহ খোদা, হোল্ডেন, তুমি এখন ঠিকঠাক আমার আলোর সামনে দাঁড়িয়ে আছো,’ স্ট্র্যাডলেটার বলল। ‘তোমাকে কি ওখানেই দাঁড়ানো লাগবে?’

    খোদা, বেশি উত্তেজনায় ব্যাপারটা খেয়ালই করিনি। আসলেই অনেক বেশি উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম তখন।

    ‘ও কোথায় এখন?’ জিজ্ঞেস করলাম তাকে। ‘আমার গিয়ে তাকে হাই- হ্যালো কিছু একটা তো বলা উচিৎ। সে কোথায়? অ্যানেক্সে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘আমার কথা কীভাবে উঠলো? সে কি এখন বি.এম.-এ পড়ে? ও বলেছিল তার ওখানে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। শিপলিতে যাওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলেছিল। আমি ভেবেছি সে শিপলিতেই গেছে। আমার কথা কী প্রসঙ্গে বলল ও?’ আমি আসলেই উত্তেজনায় অনেক অস্থির হয়েছিলাম তখন।

    ‘আমি জানি না, হোল্ডেন। খোদা, একটু কি উঠবে তুমি? আমার তোয়ালের ওপর বসে আছো তো,’ স্ট্র্যাডলেটার বলল। আমি তার তোয়ালের ওপর বসেছিলাম।

    ‘জেন গ্যালাহার,’ আমি বললাম। কোনোভাবেই নিজেকে শান্ত করতে পারছিলাম না। ‘জিসাস ক্রাইস্ট!’

    স্ট্র্যাডলেটার তার চুলে জেল মাখছিল তখন। আমার জেল।

    ‘ওর নাচ বেশ পছন্দ,’ বললাম। ‘ব্যালে নৃত্যে বেশ ভালো ও। প্রচণ্ড গরমের সময়টায় প্রতিদিন আমার সাথে দুই ঘণ্টা করে প্র্যাক্টিস করত ও। তার দুঃশ্চিন্তা ছিল গরমে নাকি তার পা অনেক খারাপ হয়ে যাবে—মানে ফুলে-টুলে যাবে আর কী। তার সাথে সবসময়ই চেকার্স খেলতাম আমি।’

    ‘তার সাথে তুমি সবসময় কী খেলতে?’

    ‘চেকার্স।’

    ‘চেকার্স, ওহ আচ্ছা।’

    ‘হ্যাঁ। সে কখনোই তার রাজাদের কোনোটাকেই সরাতো না। কখনো রাজা পেলে সে কখনোই ওটাকে সরাতো না। পিছনের সারিতে ওভাবেই ফেলে রাখতো ওটাকে। কখনোই ওগুলো ব্যবহার করত না। পিছনের সারিতে সাজিয়ে রাখতেই বেশি পছন্দ করত ও।’

    শুনে স্ট্র্যাডলেটার কোনো প্রতিক্রিয়াই দেখালো না। আসলে ঐ ধরনের কথাবার্তায় কখনোই মানুষ আগ্রহ পায় না।

    ‘আমরা যে গলফ ক্লাবের সদস্য ছিলাম তার মা-ও সেই ক্লাবের সদস্য ছিল,’ বললাম। ‘টাকার দরকার হলে আমি মাঝেমধ্যেই সেখানে ক্যাডির কাজ করতাম। তার মায়ের হয়েও কয়েকবার ক্যাডি ছিলাম। নয় হোল শেষে মহিলার স্কোর হতো প্রায় একশো সত্তরের মতো।’

    স্ট্র্যাডলেটার আসলে আমার কথা শুনছিলই না। সে তার নিজের চুলগুলোকে আকর্ষণীয় করাতেই বেশি মনোযোগী ছিল।

    ‘আমার ওখানে ওকে একবার হ্যালো বলে আসা উচিৎ,’ বললাম।

    ‘যাও, যেতে মানা করেছে কে?’

    ‘যাবো একটুপর।’

    স্ট্র্যাডলেটার ওদিকে আবার তার চুলগুলোকে এলোমেলো করতে শুরু করেছে। চুল আঁচড়াতে তার কমপক্ষে হলেও আধ-ঘণ্টার মতো লাগতো।

    ‘তার বাবা-মায়ের ডিভোর্স হয়ে গেছে। তার মা অবশ্য পরে এক মাতালকে বিয়ে করেছিল আবার,’ বললাম। ‘লোকটা ছিল শুকনো, পাগুলো ছিল লোমশ। লোকটাকে মনে আছে আমার। লোকটা সবসময়ই শর্টস পরে থাকত। জেন বলেছিল লোকটা নাকি নাট্যকার না কী যেন, তবে সবসময়ই লোকটাকে মদ খেতেই দেখেছি। মদ খেতো আর রেডিওতে প্রচার হওয়া সব মিস্ট্রি প্রোগ্রামগুলো শুনতো। আর উলঙ্গ হয়ে সারাবাড়ি ঘুরে বেড়াতো। এমনকি জেন থাকলেও।’

    ‘তাই?’ স্ট্র্যাডলেটার বলল। শেষ কথাটায় বেশ আগ্রহ পেয়েছিল সে। এক মদখোর উলঙ্গ হয়ে সারাবাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাও আবার জেনের সামনেই। স্ট্র্যাডলেটার প্রচুর সেক্স পাগল ছিল।

    ‘জেনের শৈশবটা খুবই খারাপ ছিল। মজা করছি না, সত্যিই।’

    ঐ কথায় অবশ্য স্ট্র্যাডলেটার খুব একটা আগ্রহ পায়নি। যৌনতা সম্পর্কিত ব্যাপারগুলোতেই তার আগ্রহ বেশি ছিল।

    ‘খোদা! জেন গ্যালাহার!’ কোনোভাবেই মেয়েটাকে মন থেকে দূর করতে পারছিলাম না আমি। ‘আমার গিয়ে অন্ততপক্ষে তাকে একবার হ্যালো বলে আসা উচিৎ।’

    ‘তাহলে বাবা থেমে আছো কোন কারণে? বারবার একই কথা না বলে গিয়ে বলেই এসো!’ স্ট্র্যাডলেটার বলল।

    হেঁটে জানালা পর্যন্ত গেলাম। তবে জানালা দিয়ে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। টয়লেটের গরমে কাচগুলো ধূমায়িত হয়েছিল। ‘আমার এখন আসলে ওরকম মুড নেই,’ বললাম। আসলেই মুড ছিল না। ওরকম কিছু করার জন্য মুড থাকা খুব জরুরি। ‘আমি ভেবেছিলাম সে শিপলিতে পড়ে। আমি শপথ করেই বলতে পারবো যে সে শিপলিতেই পড়তে গিয়েছিল।’ বলে টয়লেটের ভেতরে পায়চারি দেওয়া শুরু করলাম। পায়চারি করা ছাড়া আমার অন্য কিছু করারও ছিল না। ‘সে কি খেলাটা উপভোগ করেছে?’ জানতে চাইলাম।

    ‘হ্যাঁ, মনে হয়। ঠিক জানি না।’

    ‘সে কি তোমাকে বলেছে আগে আমরা সবসময়ই একসাথে চেকার্স খেলতাম বা এমন কিছু?’

    ‘আরে বাবা, আমি জানি না। তার সাথে তো আমার পরিচয় হয়েছে মাত্র, ‘ বলল স্ট্র্যাডলেটার। চুল গোছানোর কাজ শেষ হয়েছে তার।

    ‘হেই, তাকে আমার শুভেচ্ছা জানিয়ো, ওকে?

    ‘ওকে,’ স্ট্র্যাডলেটার বলল, তবে আমি জানি সে জানাবে না। স্ট্র্যাডলেটারের মতো লোকেরা আসলে কাউকেই কারো শুভেচ্ছা জানায় না।

    নিজেকে সুদর্শন দেখানোর মিশন শেষে আবারো রুমে ফিরে গেল ও। তবে আমি আরো কিছুক্ষণ টয়লেটের ভেতরেই রয়ে গেলাম। জেনের কথা ভাবছিলাম শুধু। তারপর আমিও একসময় রুমে ফিরে গেলাম।

    স্ট্র্যাডলেটার তখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তার টাই বাঁধছিল। সে তার জীবনের অর্ধেকটা আয়নার সামনেই কাঁটিয়েছে। আমি আমার চেয়ারটাতে বসে চুপ করে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম তার দিকে।

    ‘হেই,’ কিছুক্ষণ পর বললাম। ‘তাকে আমার বহিষ্কার হওয়ার কথাটা বলো না।

    ‘আচ্ছা!’

    স্ট্র্যাডলেটারের এই গুণটা বেশ ভালো ছিল। অ্যাকলির মতো তাকে সবকিছুর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া লাগতো না। আমার ধারণা, ওসব ব্যাপারে তার আগ্রহ থাকত না বলেই জানতে চাইতো না কিছু। তবে অ্যাকলি অন্যরকম ছিল। সব ব্যাপারেই নাক গলাতে পছন্দ করত।

    ততক্ষণে স্ট্র্যাডলেটার আমার হাউন্ড-টুথ জ্যাকেটটা গায়ে জড়িয়ে নিয়েছে। ‘দয়া করে, জ্যাকেটটা টেনে ঢিল করে ফেলো না,’ বললাম। তখন পর্যন্ত আমি মাত্র দুইবার গায়ে জড়িয়েছিলাম ওটা।

    ‘ঢিল করবো না। আমার সিগারেটগুলো কই?’

    ডেস্কের ওপরে।’ সে কখনোই কোথায় কোন জিনিস রেখেছে সেটা মনে রাখতে পারতো না। ‘তোমার মাফলারের নিচে।’ মাফলারের নিচ থেকে বের করে তার কোটের পকেটে রাখলো সিগারেটগুলো। মানে আমার কোটের পকেটে।

    হঠাৎ করেই আমার হ্যাটের ঝুঁটিটা সামনের দিকে টেনে আনতে শুরু করলাম। হঠাৎ করেই প্রচণ্ড নার্ভাস লাগছিল আমার। আমি আসলে একটু নার্ভাস প্রকৃতিরই। ‘আচ্ছা, তার সাথে কোথায় ডেট তোমার, কোথায় যাবে?’ জিজ্ঞেস করলাম। ‘ঠিক করেছো কিছু?’

    ‘ঠিক জানি না কই যাবো। সময় থাকলে নিউইয়র্কের দিকে যেতে পারি। সে তো মাত্র সাড়ে নয়টা পর্যন্ত থাকবে বলেছে।’

    স্ট্র্যাডলেটারের কথার ধরণটা আমার ঠিক ভালো লাগেনি। ‘সে তো আর জানে না তুমি কতটা সুদর্শন, আকর্ষণীয় যুবক। এই জন্যই হয়তো সাড়ে নয়টা পর্যন্ত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদি সে জানতো তাহলে দেখতে সাড়ে নয়টার বদলে পরদিন সকাল পর্যন্তই থাকত।’

    ‘ঠিকই বলেছো,’ স্ট্র্যাডলেটার বলল। তাকে আসলে খুব সহজে রাগানোও যেতো না। অতিরিক্ত দাম্ভিক ছিল ও। ‘যাই হোক, ওসব বাদ দাও। আমার জন্য কম্পোজিশনটা করে রেখো,’ সে বলল। বেরিয়ে পড়ার জন্য একদম প্রস্তুত ও। ‘ওটা নিয়ে খুব বেশি পরিশ্রম করার দরকার নেই, তবে যত বেশি সম্ভব বর্ণনামূলক করার চেষ্টা করবে? ওকে?’

    আমি তাকে কোনো উত্তর দিইনি। অবশ্য উত্তর দেওয়ার মানসিকতাও ছিল না তখন। শুধু বললাম, ‘তাকে জিজ্ঞেস করো তো সে এখনো তার রাজাগুলোকে পিছনের সারিতে সাজিয়ে রাখে কি না।’

    ‘আচ্ছা,’ স্ট্র্যাডলেটার বলল ঠিকই, তবে আমি জানি সে ওটা কখনোই জেনকে বলবে না। ‘এখন, শান্ত করো নিজেকে।’ বলে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো।

    সে চলে যাওয়ার পর আরো আধ-ঘণ্টা বসে রইলাম ওভাবে। কোনো কাজ ছাড়াই চেয়ারে বসেছিলাম শুধু। শুধু ভাবছিলাম জেনের কথা, স্ট্র্যাডলেটারের সাথে তার ডেটে যাওয়ার কথাটা। ভাবনাটা আমাকে এতোই নার্ভাস করে তুলেছিল যে প্রায় পাগলই হয়ে যেতে বসেছিলাম। আগেই তো বলেছি স্ট্র্যাডলেটার কতটা সেক্স পাগল।

    হঠাৎ করেই আবার রুমে এসে ঢুকলো অ্যাকলি। বরবারের মতোই শাওয়ারের পর্দার ফাঁক দিয়ে এসেছিল। জীবনে ঐ একবারই মনে হয় তাকে দেখে আমি খুশি হয়েছিলাম। সে আমার ভাবনাগুলোকে অন্যদিকে নিয়ে সরিয়ে নিয়েছিল।

    প্রায় ডিনারের সময় পর্যন্ত রুমে ছিল ও। তার গালের বড়ো ব্রণ চিমটাতে চিমটাতে বলছিল সে পেন্সিতে যেসব ছেলেদের সাহসিকতাকে ঘৃণা করে তাদের কথা। কোনো রুমাল ছাড়াই ব্রণটা চিমটাচ্ছিল ও। হারামজাদাটার আসলে কোনো রুমাল ছিল কি না তা নিয়েও সন্দেহ আছে আমার। কখনোই তাকে রুমাল ব্যবহার করতে দেখিনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }