Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ৬

    অধ্যায় ছয়

    কি ব্যাপার মনে করা বেশ কষ্টকর। এখন আমি ভাবছি জেনের সাথে ডেটের পর স্ট্র্যাডলেটারের ফিরে আসার কথাটা মনে নেই। মানে আমার এখন আসলে ঠিক মনে নেই করিডোরে স্ট্র্যাডলেটারের পদশব্দ শোনার সময় আমি আসলে কী করছিলাম। খুব সম্ভবত তখনো জানালা দিয়ে বাইরের দিকেই তাকিয়েছিলাম, কিন্তু ঠিকঠাক মনে নেই আমার। আমি আসলে তখন খুবই উদ্বিগ্ন হয়েছিলাম, সেজন্যই কিছু মনে নেই। আমি যখন কোনোকিছু নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় থাকি, তখন আসলে আমার অন্য কিছুর দিকে মনোযোগ থাকে না। দুঃশ্চিন্তা করার সময় কখনো কখনো আমার বাথরুমে যাওয়ার প্রয়োজন পড়লেও যাই না। আমি কখনো আমার উদ্বেগকে বাধা দিতে চাই না। কেউ যদি স্ট্র্যাডলেটারকে চিনে থাকে, তাহলে সেও আমার মতোই উদ্বেগে থাকত। ঐ হারামজাদার সাথে বেশ কয়েকবার ডাবলডেটে গিয়েছি আমি, তাই জানি আমি কী নিয়ে উদ্‌বিগ্ন ছিলাম। একদম নির্লজ্জ মানুষ ও। আসলেই নির্লজ্জ।

    যাই হোক, করিডোরটা ছিল লিনোলিয়ামের, আর ওটার ওপর দিয়ে স্ট্র্যাডলেটারের রুমের দিকে হেঁটে আসার শব্দটা একদম স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল। আমার আসলে মনেও নেই তখন আমি কোথায় বসেছিলাম—জানালার ধারে নাকি আমার চেয়ারে না তার চেয়ারে। সত্যি বলছি, আমার আসলেই মনে নেই।

    ঠান্ডাকে গালি দিতে দিতে রুমে এসে ঢুকলো স্ট্র্যাডলেটার। তারপর বলল, ‘মানুষজন সব কই গেছে? পুরো জায়গাটা তো প্রায় মর্গ হয়ে আছে দেখি।’ তাকে কোনো উত্তর দিলাম না। এমনিতেই ওটা ছিল শনিবার। শনিবার রাতে সবাই কী করে? হয় বাইরে কোথাও ঘুরতে যায় নয়তো ঘুমিয়ে পড়ে অথবা উইকএন্ডে বাসায় চলে যায়। এটা না বুঝার মতো স্টুপিড তো আর সে না। আর যদি স্টুপিড হয়েই থাকে, তাহলে তো তাকে উত্তর দিয়েও কোনো লাভ নেই। এরপর পোশাক খুলতে শুরু করল ও। রুমে ঢোকার পর একবারও সে জেনের ব্যাপারে কিছু বলেনি। একটা শব্দও না। আমিও কিছু বলিনি। আমি শুধু তাকে দেখছিলাম। সে শুধু তাকে কোটটা দেওয়ার জন্য একবার ধন্যবাদ জানালো। এরপর কোটটা হ্যাঙারে ঝুলিয়ে রেখে দিল ক্লজেটে।

    এরপর সে টাই খুলতে খুলতে আমাকে জিজ্ঞেস করল কম্পোজিশনটা লিখে শেষ করেছি কি না? ওটা তার বিছানার ওপর রাখা আছে, জানালাম। এগিয়ে গিয়ে কম্পোজিশনটা হাতে নিলো। শার্টের বোতাম খুলতে খুলতে কম্পোজিশনটা পড়ে দেখছে। কম্পোজিশনটা পড়ছে আর আঙুল দিয়ে তার উন্মুক্ত বুক আর পেটে টোকা দিচ্ছে। সে সবসময়ই এই কাজটা করত। নিজেকে নিয়ে খুবই পাগল ছিল ও।

    তারপর হঠাৎ করে সে বলে উঠলো, ‘ওহ খোদা, হোল্ডেন। এটা তো দেখি বেসবল গ্লাভস নিয়ে লেখা।’

    ‘তো কী হয়েছে?’ বললাম। একদম শীতল গলায়।

    ‘তো কী হয়েছে মানে? আমি তো তোমাকে বলেছিই যে লেখাটা হতে হবে রুম বা বাড়ি বা এমনকিছু নিয়ে।

    ‘তুমি আমাকে বলেছো বর্ণনামূলক করে লিখতে। তো সেই লেখাটা বেসবল গ্লাভস নিয়ে হলে সমস্যা কই?’

    ‘ধ্যাত্তোরি!’ প্রচণ্ড ক্ষেপে গেলো স্ট্র্যাডলেটার। আসলেই অনেক রেগে গিয়েছিল সে। ‘তুমি সবসময়ই ভুল কাজ করো,’ বলে তাকালো আমার দিকে। ‘এটা অবাক করা কিছু না যে তুমি এখন বহিষ্কৃত হচ্ছো। কোনো কিছুই তুমি ঠিকঠাক মতো করতে পারো না। আসলেই, একটা কাজও তুমি সঠিকভাবে করতে পারো না।

    ‘আচ্ছা, আচ্ছা, ওটা আমাকে দিয়ে দাও তাহলে,’ বলে তার হাত থেকে কম্পোজিশনটা কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেললাম।

    ‘ওটা ছিঁড়লে কেন এখন?’ বলল ও।

    তাকে কোনো উত্তর দিলাম না। কাগজের ছেঁড়া টুকরোগুলো ওয়েস্টবাস্কেটে ফেলে রাখলাম শুধু। তারপর গিয়ে শুয়ে পড়লাম আমার বিছানায়। দুইজনই অনেকক্ষণ কোনো কথা বললাম না। স্ট্র্যাডলেটারও ততক্ষণে শুধু শর্টস ছাড়া গায়ের সব পোশাকই খুলে ফেলেছে। বিছানায় শুয়ে একটা সিগারেট ধরালাম। ডর্মের ভেতরে সিগারেট টানার অনুমতি ছিল না। তবে গভীর রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে বা কেউ গন্ধ টের না পাওয়ার মতো অবস্থায় থাকলে সিগারেট টানা যেত। তাছাড়া আমি তখন সিগারেট ধরিয়েছিলাম শুধু স্ট্র্যাডলেটারকে বিরক্ত করার জন্য। নিয়ম ভাঙলে স্ট্র্যাডলেটার খুব ক্ষেপে যেতো। সে কখনো ডর্মে সিগারেট খায়নি। শুধু আমি খেতাম।

    তখন পর্যন্ত সে জেনকে নিয়ে একটা শব্দও উচ্চারণ করেনি। তাই শেষমেশ আমিই জিজ্ঞেস করলাম, ‘শুনেছিলাম তো জেন মাত্র সাড়ে নয়টা পর্যন্ত থাকবে। কিন্তু তুমি তো দেখি এর অনেক পরে ফিরেছো। তাকে কি দেরি করতে রাজি করতে পেরেছিলে?’

    স্ট্র্যাডলেটার তখন তার বিছানার ধারে বসে পায়ের নখ কাটছিল। আমার প্রশ্ন শুনে বলল, ‘হ্যাঁ, কয়েক মিনিট। শনিবার রাতে কোন পাগলটা মাত্র সাড়ে নয়টা পর্যন্ত বাইরে থাকতে চায় বলো!’ খোদা, কথা শুনে তার ওপর শুধু ঘৃণা লাগছিল আমার।

    ‘নিউইয়র্ক গিয়েছিলে?’ আমি বললাম।

    ‘পাগল নাকি তুমি? সাড়ে নয়টার মধ্যে কি নিউইয়র্কে গিয়ে ফিরে আসা সম্ভব?’

    ‘হুম, ব্যাপারটা বেশ কঠিন।’

    আমার দিকে চোখ তুলে তাকালো ও। ‘শুনো,’ সে বলল, ‘তোমার যদি রুমে সিগারেট খাওয়াই লাগে, তাহলে অন্তত টয়লেটে চলে যাও। তুমি হয়তো এখান থেকে চলে যাচ্ছো, তবে গ্রাজুয়েশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমাকে এখানেই থাকতে হবে।’

    তার কথাটা শুনেও না শোনার ভাব করলাম। বরং তার কথার পর সিগারেট টানা আরো বাড়িয়ে দিলাম। একপাশে ঘুরে তার দিকে তাকিয়েই সিগারেট টানছিলাম আর তার পায়ের নখ কাটা দেখছিলাম। কী এক অদ্ভুত স্কুল! ওখানে সবসময়ই কাউকে না কাউকে পায়ের নখ কাটতে বা ব্রণ চিমটাতে বা এমন কিছু একটা করতে দেখা লাগতো।

    জেনকে কি আমার শুভেচ্ছা জানিয়েছিলে?’ আমি জিজ্ঞেস করলাম।

    ‘হ্যাঁ!’

    জানিয়েছে না ছাই!

    ‘কী বলেছে সে?’ জিজ্ঞেস করলাম। ‘তাকে কি জিজ্ঞেস করেছো সে এখনো তার রাজাগুলোকে পিছনের সারিতে সাজিয়ে রাখে কি না?’

    ‘না, আমি তাকে জিজ্ঞেস করিনি। তোমার কি মনে হয় পুরোটা সময় আমরা চেকার্স খেলেছি?’

    তার কথার কোনো জবাবই দিলাম না। প্রচণ্ড ঘৃণা লাগছিল তার ওপর।

    ‘যদি নিউইয়র্কে না যাও, তাহলে কোথায় গিয়েছিলে তাকে নিয়ে?’ কিছুক্ষণ পর জিজ্ঞেস করলাম। কণ্ঠের কাঁপা কাঁপা ভাবটা কোনোভাবেই দূর করতে পারছিলাম না। খোদা, প্রচণ্ড নার্ভাস হয়েছিলাম। তখন শুধু মনে হচ্ছিল, আমার কোথাও কোনো একটা সমস্যা হয়েছে।

    স্ট্র্যাডলেটারের ততক্ষণে তার পায়ের নখ কাটা শেষ হয়ে গেছে। শর্ট পরা অবস্থাতেই বিছানা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ পায়চারি করল রুমে, তারপর হঠাৎ করেই আমার সাথে ফাজলামো করার শখ জেগে উঠলো ওর। আমার বিছানার দিকে এগিয়ে এসে আমার ওপর ঝুঁকে মোজা খুলে আমার কাঁধে রাখা শুরু করল। ‘ঐ, ফাজলামি করো না তো,’ বললাম। ‘নিউইয়র্ক না গেলে কোথায় গিয়েছিলে তার সাথে?’

    ‘কোথাও না। আমরা শুধু একটা গাড়িতেই বসেছিলাম।’ তারপর অন্য মোজাটাও খুলে রাখলো আমার কাঁধের ওপর।

    ‘বাদ দাও তো এসব,’ বললাম। ‘কার গাড়িতে?’

    ‘এড ব্যাঙ্কির।’

    এড ব্যাঙ্কি ছিল পেন্সির বাস্কেটবল কোচ। স্ট্র্যাডলেটার ছিল কোচের বেশ পছন্দের একজন। সে সবসময়ই তার টিমের সেন্টারে থাকত, আর সবসময়ই স্ট্র্যাডলেটারের যেকোনো প্রয়োজনে কোচ তাকে তার গাড়ি ধার দিতো। যদিও স্কুলের নিয়ম অনুযায়ী ফ্যাকাল্টির কারো থেকে ছাত্রদের গাড়ি ধার করার কোনো অনুমতি ছিল না, তবে খেলাধুলায় জড়িতরা সবসময়ই একসাথে আঠার মতো লেগে থাকত। তাই তাদের এসব নিয়ম ভাঙায় কোনো সমস্যা হতো না। আমি যতগুলো স্কুলে গিয়েছি সবগুলোতেই দেখেছি খেলাধূলায় জড়িতরা সবসময়ই একটি পাল হয়ে থাকে।

    স্ট্র্যাডলেটার তখনো খেলাচ্ছলে আমার কাঁধে ঘুষি মারার ভঙ্গি করে যাচ্ছিল। সেই সাথে টুথব্রাশও ঢুকিয়ে রেখেছিল তার মুখে। ‘তো কী করেছো তুমি?’ আমি বললাম। ‘এড ব্যাঙ্কির গাড়িতে কি তাকে সেরা সময়টাই দিয়েছো?’ আমার কণ্ঠস্বর তখন খুবই বাজেভাবে কাঁপতে শুরু করেছিল।

    ‘বাহ, কী এক প্রশ্ন! তুমি কি চাও আমি তোমার মুখ সাবান দিয়ে ধুয়ে দিই?’

    ‘দিয়েছো কী?’

    ‘বন্ধু, ওটা তো একটা সিক্রেট।’

    এরপরের ঘটনাটা আমার অতটা ভালোভাবে মনে নেই। শুধু মনে আছে আমি বিছানা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে খুব সম্ভবত টয়লেট বা কোথাও যাচ্ছিলাম, তারপর হুট করেই তাকে ঘুষি মেরে বসলাম। আমি চাচ্ছিলাম শরীরের সর্বশক্তিতে ঘুষি মেরে টুথব্রাশটা স্ট্র্যাডলেটারের গলার আরো ভেতরে ঢুকিয়ে দিই, যাতে তার কণ্ঠনালী ছিঁড়ে যায়। তবে আমার ঘুষিটা লক্ষ্যভেদ হয়নি। ঘুষিটা গিয়ে লেগেছিল তার মাথার বা কানের এক পাশে। ওটাতে সম্ভবত সে কিছুটা ব্যথাও পেয়েছিল, তবে আমি যতটা চাইছিলাম ঠিক ততটা পায়নি। হয়তো আরো বেশি ব্যথা পেতো ও, কিন্তু আমি ঘুষিটা মেরেছিলাম ডান হাতে। ডান হাতে আমি অতটা ভালো করে মুষ্টি পাকাতে পারি না। জানালা ভাঙতে গিয়ে হাত ভাঙার গল্পটা তো আগেই বলেছি আপনাদের।

    যাই হোক, এরপরের যে ব্যাপারটা আমার মনে আছে তা হলো, আমি পড়েছিলাম মেঝেতে আর স্ট্র্যাডলেটার বসেছিল আমার বুকের ওপর। পুরো মুখ লাল হয়েছিল তার। তার হাঁটু দিয়ে আমার বুকে চাপ দিয়ে রেখেছিল সে, মনে হচ্ছিল যেন আমার বুকের ওপর কয়েকটন ওজনের পাথর রেখে দিয়েছে কেউ। সেই সাথে আমার কবজিগুলোও ধরে রেখেছিল, যাতে আমি আর কোনো ঘুষি দিতে না পারি তাকে। অবশ্য ছেড়ে রাখলে আমি সম্ভবত তাকে মেরেই ফেলতাম।

    ‘সমস্যাটা কী তোমার?’ বারবার বলে যাচ্ছিল ও, আর তার মুখটাও লাল থেকে আরো তীব্র লাল হতে শুরু করেছিল।

    ‘আমার বুক থেকে পা সরাও তোমার,’ বললাম। প্রায় চেঁচাচ্ছিলাম বলা যায়। আসলেই। ‘পা সরা, হারামাজাদা। আমার ওপর থেকে পা নামা।’

    যদিও সে হাঁটু নামায়নি। আমার হাতের কবজিগুলোও আটকে রেখেছিল। তারপরও আমি শুধু তাকে শুয়োরের বাচ্চা, হারামজাদা এসব গালিই দিয়ে যাচ্ছিলাম অনেকক্ষণ ধরে। আমার আসলে ঠিক মনেও নেই যে তাকে কী কী বলেছিলাম। খুব সম্ভবত বলেছিলাম, সে নিজেকে কী ভাবে, সে যাকে চাইবে তাকেই সময় দিতে পারবে। আরো বলেছিলাম, একটা মেয়ে তার রাজাগুলো পিছনের সারিতে সাজিয়ে রাখে কি না সেটা নিয়েও তো কোনো পাত্তা দেয় না ও। আর সে ওসবে পাত্তা দিতো না কারণ সে একটা গর্দভ। তাকে কেউ গর্দভ বললে স্ট্র্যাডলেটার সেটা সহ্য করতে পারতো না। অবশ্য কোন গর্দভটাই বা নিজেকে গর্দভ ডাকলে সহ্য করতে পারে।

    ‘চুপ করো, হোল্ডেন,’ স্ট্র্যাডলেটার বলে উঠলো। ‘চুপ করো এখন।’

    ‘শালা গর্দভ, তুই তো মেয়েটার প্রথম নাম জেন না জিন সেটাও জানিস না!’

    ‘অনেক হয়েছে, হোল্ডেন, এখন চুপ করো। আমি সাবধান করে বলে দিচ্ছি,’ স্ট্র্যাডলেটার বলল। আসলেই তাকে প্রচুর ক্ষেপিয়ে দিয়েছিলাম। ‘তুমি যদি চুপ না করো, তাহলে কিন্তু আমি আচাড় মারবো তোমাকে।’

    ‘আমার বুক থেকে তোর পা নামা হারামি!’

    ‘আমি যদি পা নামাই, তাহলে কি তুমি তোমার মুখ বন্ধ রাখবে?’

    কোনো উত্তর দিলাম না।

    সে আবারো বলল, ‘হোল্ডেন, আমি যদি পা নামাই, তাহলে কি তুমি তোমার মুখ বন্ধ রাখবে?’

    ‘হ্যাঁ!’

    আমার ওপর থেকে সরে গেল ও, সাথে সাথে আমিও উঠে দাঁড়ালাম। তার হাঁটুর চাপে আমার বুকে ধাঁ ধাঁ করে ব্যথা করছিল তখন। ‘তুই একটা হারামি শুয়োরের বাচ্চা, গর্দভ,’ আমি বললাম।

    সাথে সাথেই প্রচণ্ড ক্ষেপে গেল স্ট্র্যাডলেটার। কড়া গলায় আঙুল তুলে আমাকে শাসিয়ে বলল, ‘হোল্ডেন, খোদার দোহাই লাগে, থামো। এই শেষবারের তোমাকে সতর্ক করছি। যদি তুমি তোমার মুখ বন্ধ না করো, তাহলে আমি—’

    ‘কেন মুখ বন্ধ রাখবো আমি?’ বললাম। বলতে গেলে তখন প্ৰায় চেঁচাচ্ছিলাম। ‘তোমাদের সব গর্দভদের সমস্যা এই একটাই। তোমরা কখনোই কিছু নিয়ে আলোচনা করতে চাও না। অবশ্য এই আচরণটা দেখেই স্টুপিডদের চেনা যায়। তারা কখনোই বুদ্ধিমানের মতো কিছু নিয়ে আলোচনা করতে চায় না- ‘

    এরপর সত্যি সত্যিই আমাকে মেরে বসলো ও। এরপর আমার যেটা মনে আছে, আমি আবারো মেঝেতে পড়েছিলাম। মনে নেই সে কি আমাকে মেরে অজ্ঞান করে ফেলেছিল কি না, তবে মনে হয় না আমি অজ্ঞান হয়েছিলাম। মারটা আসলে যে কাউকেই বেহুশ করে ফেলার মতো কড়া ছিল, অবশ্য মুভি- টুভির কথা আলাদা। আমার নাক ফেঁটে রক্ত পড়ছিল শুধু। স্ট্র্যাডলেটারের দিকে তাকাতেই দেখি সে আমার ওপর চড়ে বসে আছে। বগলের নিচে তার টয়লেট কিটও ছিল তখন। ‘আমি যখন চুপ করতে বললাম, তখন চুপ করোনি কেন?’ সে বলল। তাকে অনেকটা নার্ভাস শোনাচ্ছিল তখন। সে হয়তো ভয় পাচ্ছিল তার আঘাতে মেঝেতে পড়ার সময় আমার হয়তো মাথা-টাথা ফেটে গেছে। ইশশ, মাথাটা ফাটলেই ভালো হতো। ‘তুমি নিজেই এটা ডেকে এনেছো তোমার ওপর,’ বলল ও। তাকে প্রচণ্ড উদ্‌বিগ্ন দেখাচ্ছিল তখন।

    পড়ার পর আমি আর উঠে বসিনি। ওভাবেই বেশ কিছুক্ষণ মেঝেতে পড়েছিলাম, আর অনবরত গালি দিয়ে যাচ্ছিলাম স্ট্র্যাডলেটারকে। এতোটাই ক্ষীপ্ত ছিলাম যে বলতে গেলে প্রায় চেঁচাচ্ছিলাম তখন।

    ‘উঠো! উঠে বাথরুম থেকে মুখটা ধুয়ে আসো,’ স্ট্র্যাডলেটার বলল। ‘শুনতে পাচ্ছো আমার কথা?’

    জবাবে তাকেই বাথরুম থেকে তার স্টুপিড মুখটা ধুয়ে আসার কথা বললাম। যদিও কথাটা খুব ছেলেমানুসির মতো শোনাচ্ছে, তবে আমি তখন আসলেই অনেক রেগেছিলাম। তাকে এটাও বলেছিলাম যে টয়লেটে যাওয়ার সময় যেন সে থেমে মিসেস শ্মিটকেও সময় দিয়ে যায়। মিসেস শ্মিট ছিল আমাদের জ্যানিটরের স্ত্রী। মহিলার বয়স তখন ছিল প্রায় পয়ষট্টির কাছাকাছি।

    একসময় রুম থেকে বেরিয়ে করিডোর দিয়ে টয়লেটের দিকে পা বাড়ালো স্ট্র্যাডলেটার। সে বের হয়ে যাওয়ার পরও আরো কিছুক্ষণ মেঝেতে পড়েছিলাম। এরপর উঠে দাঁড়ালাম। উঠে দাঁড়িয়ে প্রথমে এদিক-ওদিক তাকালাম আমার হান্টিং টুপিটার জন্য। কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না টুপিটা। অবশেষে একসময় খুঁজে পেলাম। বিছানার নিচে ছিল টুপিটা। টুপিটা বের করে মাথায় লাগালাম, ঝুঁটিটা বাঁকিয়ে নিলাম পিছনের দিকে। ঝুঁটিটা আমি ওভাবে রাখতেই পছন্দ করতাম। আর তারপর আয়নার সামনে গিয়ে আমার স্টুপিড মুখটার দিকে তাকালাম একবার। পুরো মুখ, থুতনিজুড়েই রক্ত লেগেছিল তখন, এমনকি নাইটড্রেস, বাথরোবেও রক্ত লেগেছিল। আমার জীবনে আমি মাত্র দুইবারই মারামারি করেছি। দুইটার কোনোটাতেই জিততে পারিনি। আমি আসলে খুব একটা শক্তিশালী মানুষ না। যদি সত্যিটা জানতে চান, আমি আসলে একজন শান্তিপ্রিয় মানুষ।

    কী কারণে যেন আমার শুধু মনে হচ্ছিল যে অ্যাকলি তখনো ঘুমায়নি। খুব সম্ভবত আমাদের মারপিট-তর্কাতর্কির শব্দও সে শুনেছে। তাই সে কী করছে দেখার জন্য শাওয়ারের পর্দা সরিয়ে তার রুমে গেলাম। তার রুমে আসলে খুব একটা বেশি যেতাম না। তার রুমটাতে সবসময়ই একটা বাজে গন্ধ লেগে থাকত। তার নোংরামি স্বভাবটার জন্যই রুমে সবসময় বাজে গন্ধ থাকত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }