Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – জে ডি সালিঞ্জার, অনুবাদ – রাফায়েত রহমান রাতুল

    জে ডি সালিঞ্জার এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ক্যাচার ইন দ্য রাই – ৭

    অধ্যায় সাত

    শাওয়ার পর্দার আড়াল দিয়ে খুব ক্ষীর্ণ একটা আলো আসছিল। সম্ভবত আমাদের রুমের আলোর রশ্মিই ছিল ওটা। ঐ আলোতেই দেখলাম অ্যাকলি বিছানায় শুয়ে আছে। খুব ভালো করেই জানতাম যে সে জেগে আছে। তবুও জিজ্ঞেস করলাম, ‘অ্যাকলি? জেগে আছো?’

    ‘হ্যাঁ।’

    রুমটায় অনেক অন্ধকার ছিল। হাঁটতে গিয়ে মেঝেতে কারো জুতায় হোঁচট খেয়ে প্রায়ই পড়তেই বসেছিলাম। অ্যাকলি তখন বিছানায়া আধশোয়া অবস্থায় উঠে বসেছে। তার মুখে সাদা সাদা কী যেন লাগানো ছিল। সম্ভবত ব্রণের কোনো ওষুধ হবে। অন্ধকারে তাকে দেখতে অনেকটাই ভূতের মতো লাগছিল। ‘কী করছো তুমি?’ বললাম।

    ‘আমি কী করছি মানে? ঘুমানোর চেষ্টা করছিলাম। এরপরই তো তোমরা চেঁচামেচি শুরু করলে। কী নিয়ে তর্ক করছিলে?’

    ‘লাইটের সুইচটা কই?’ পুরো দেওয়াল হাতড়েও লাইটের সুইচটা খুঁজে পাচ্ছিলাম না।

    ‘লাইট দিয়ে কী করবে? …সুইচটা তোমার হাতের পাশেই।’

    শেষমেশ সুইচটা খুঁজে লাইট জ্বালালাম আমি। লাইট জ্বলতেই দেখি অ্যাকলি তার চোখ হাত দিয়ে ঢেকে রেখেছে।

    ‘খোদা!’ বলল ও। ‘তোমার হয়েছেটা কী?’ মুখের রক্ত দেখে বলল ও।

    ‘স্ট্র্যাডলেটারের সাথে একটু ঝামেলা হয়েছে,’ বলে মেঝেতে বসলাম আমি। তাদের রুমে কোনো চেয়ার ছিল না। তারা আসলে তাদের চেয়ারগুলোর কী করেছে সেটায় সবসময়ই কৌতুহল ছিল আমার। ‘শুনো,’ আমি বললাম। ‘তাস খেলার মুড আছে তোমার?’ সে আবার তাসের ভক্ত ছিল।

    ‘তোমার মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছে। আগে ওটার কিছু একটা করো।’

    ‘রক্ত এমনিই থেমে যাবে। তাস খেলার কি ইচ্ছা আছে তোমার?’

    ‘তাস, ওহ খোদা! তুমি কি জানো এখন রাত কয়টা বাজে?’

    ‘রাত তো খুব বেশি হয়নি। এগারো-সাড়ে এগারোটার মতো বাজে মাত্র।’

    ‘এটা মাত্র!’ অ্যাকলি বলে উঠলো। ‘শোনো, আমাকে কিন্তু সকালে ঘুম থেকে ওঠে আশ্রমে যেতে হবে। ঘুমাচ্ছিলাম আর তখনই তোমরা দুজনে চিৎকার-চেঁচামেচি… যাই হোক, ঝামেলা হয়েছে কী নিয়ে?’

    ‘অনেক কথা! ওসব বলে তোমাকে বিরক্ত করার কোনো ইচ্ছা নেই, অ্যাকলি। তোমার কাজে বাঁধা দিতে চাই না।’ বললাম তাকে। তার সাথে আমি কখনোই আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোনো আলোচনা করতাম না। অ্যাকলি স্ট্র্যাডলেটারের থেকেও বেশি স্টুপিড ছিল। তার সাথে তুলনা করলে স্ট্র্যাডলেটার জিনিয়াস লেভেলের বলা যায়। ‘আচ্ছা, আজ রাতে আমি অ্যালি’র বিছানায় ঘুমালে কি কোনো অসুবিধা হবে? সে তো কাল রাতের আগে আর ফিরছে না?’ আমি খুব ভালো করেই জানতাম অ্যালি ঐ রাতে আর ফিরবে না। অ্যালি প্রতি উইক-এন্ডেই বাসায় চলে যেতো।

    ‘আমি ঠিক জানি না সে কখন ফিরে আসবে,’ অ্যাকলি বলল।

    খোদা, মানুষ কতটা বিরক্তিকর হতে পারে। ‘তুমি জানো না মানে? সে তো কখনোই রবিবার রাতের আগে ফিরে আসে না।’

    ‘না, তবে আমি তো কাউকে চাইলেই বলতে পারি না যে সে অ্যালির বিছানায় ঘুমাতে পারবে।’

    উফফ, বিরক্তিকর। বসা থেকে একটু ওঠে তার কাঁধে আলতো একটা চাপড় দিলাম। বললাম, ‘তুমি খুব ভালো ছেলে, অ্যাকলি কিড। তুমি জানো এটা?’

    ‘না, আমার কথার অর্থ—আমি তো কাউকে এটা বলতে পারবো না…’

    ‘তুমি আসলেই খুব ভালো একটা ছেলে। তুমি একজন ভদ্রলোক এবং বিদ্বান,’ আমি বললাম। সে আসলেই ওরকম ছিল। ‘তোমার কাছে তো কোনো সিগারেট নেই, না?’

    ‘না, নেই। আর… তোমরা ঝগড়া করছিলে নিয়ে আসলে?’

    জবাবে কিছু বললাম না। মেঝে থেকে ওঠে দাঁড়িয়ে জানালার দিকে গেলাম। হঠাৎই কেমন যেন কী একাকীত্ব বোধ করছিলাম। আমার আসলেই তখন মরে যেতে ইচ্ছা করছিল।

    ‘কী নিয়ে ঝগড়া করছিলে তোমরা?’ বলতে গেলে প্রায় পঞ্চাশতম বারের মতো জিজ্ঞেস করল অ্যাকলি। সে আসলেই ব্যাপারটা নিয়ে অনেক আগ্রহী ছিল।

    ‘তোমাকে নিয়ে,’ বললাম।

    ‘আমাকে নিয়ে? আসলেই?’

    ‘হ্যাঁ। তোমাকে ডিফেন্ড করছিলাম। স্ট্র্যাডলেটার বলেছে তোমার ব্যক্তিত্ব নাকি খুবই ফালতু। আমি তো নিশ্চয় তাকে এরকম কিছু বলার পর ছেড়ে দিতে পারি না।’

    কথাটা শুনে খুবই উত্তেজিত হয়ে উঠলো অ্যাকলি। ‘সে আসলেই এটা বলেছে? মজা করছো না তো? সত্যিই?’

    তখন বললাম আমি শুধু মজা করছি। বলে এগিয়ে গেলাম অ্যালির বিছানার দিকে। খুবই বাজে অনুভূতি হচ্ছিল আমার তখন। নিজেকে প্রচণ্ড একা মনে হচ্ছিল।

    ‘রুমটায় প্রচুর দুর্গন্ধ,’ বললাম। ‘এতো দূর থেকে ঠিকই তোমার মোজার বাজে গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তুমি কি ওগুলো কখনো লন্ড্রিতে দাও না?

    ‘তোমার যদি এটা পছন্দ না হয়, তাহলে তোমার হাতে কী অপশন আছে তা তুমি জানো,’ অ্যাকলি বলল। খুব চটজলদি উত্তর দিতে পারতো ছেলেটা। ‘যাইহোক, লাইটটা কি এখন একটু নিভিয়ে দিতে পারবে?’

    যদিও সাথে সাথেই লাইটটা নিভালাম না আমি। কোনো জবাব না দিয়ে অ্যালির বিছানায় শুয়ে থাকলাম। শুয়ে ভাবছিলাম জেনের কথা। মোটকা এড ব্যাঙ্কির গাড়িতে তার আর স্ট্র্যাডলেটারের কথাটা ভাবতেই আবারো মাথায় রাগ চড়ে গেল। যতবারই এই কথাটা মাথায় আসছিল, ততবারই ইচ্ছা করছিল জানালা দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে। ব্যাপারটা হলো, স্ট্র্যাডলেটারকে আমি খুব ভালোভাবে চিনতাম। পেন্সিতে বেশির ভাগ ছেলেরাই সবসময় মেয়েদের সাথে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হওয়ার ব্যাপারটা আলাপ করত। এই যেমন অ্যাকলি। তার আগ্রহও ছিল এসব বিষয়ে আলাপ করা নিয়েই। তবে স্ট্র্যাডলেটার শুধু কথা বলাতেই আটকে থাকত না, সে আসলেই যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হতো। তার সাথে গভীর ভালোবাসায় ডুবেছে এমন দুইজন মেয়ের সাথে আমার পরিচয়ও ছিল। এটাই সত্য। এইজন্যই জেনের সাথে তার গাড়িতে ডেটের কথাটা ভাবলেই আমার রাগ উঠছিল শুধু।

    ‘তোমার ঘটনাবহুল জীবনের কাহিনি বলো আমাকে, অ্যাকলি কিড,’ আমি বললাম।

    ‘লাইটটা নেভাতে কি সমস্যা তোমার? আমার তো সকালে ঘুম থেকে উঠে আশ্রমে যেতে হবে।’

    বিছানা থেকে লাইটটা নিভালাম। এটাই যদি তাকে খুশি করতে পারে, তাহলে তাই করা উচিৎ আমার। তারপর আবারো গিয়ে শুয়ে পড়লাম অ্যালির বিছানায়।

    ‘অ্যালির বিছানায় কী করবে… ঘুমাবে?’ অ্যাকলি জিজ্ঞেস করল। খোদা, সে ছিল একদম পারফেক্ট অতিথিসেবক।

    ‘ঘুমাতেও পারি। নাও পারি। ওটা নিয়ে তোমার দুঃশ্চিন্তা করতে হবে না।’

    ‘আমি দুঃশ্চিন্তা করছি না। শুধু ভাবছি অ্যালি যদি ফিরে এসে দেখে তার বিছানায় কেউ একজন ঘুমাচ্ছে, তাহলে কিন্তু আমি…’

    ‘রিল্যাক্স! আমি এখানে ঘুমাবো না। তোমার অতিথিপরায়ণতার অপব্যবহার করবো না।’

    কয়েকমিনিট পর গভীরভাবে নাক ডাকতে শুরু করল অ্যাকলি। আর আমি শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম অন্ধকারের দিকে। চেষ্টা করছিলাম এড ব্যাঙ্কির গাড়িতে জেন আর স্ট্র্যাডলেটারের ডেটের ব্যাপারটা চিন্তা না করার। কিন্তু কাজটা খুবই অসম্ভব ছিল। সমস্যা হলো, আমি স্ট্র্যাডলেটারের কৌশলগুলো জানতাম। এটাই ভাবনাটাকে আরো খারাপ বানিয়ে দিচ্ছিল। তার সাথে এড ব্যাঙ্কির গাড়িতে একবার ডাবল-ডেটে গিয়েছিলাম আমি। স্ট্র্যাডলেটার তার ডেটকে নিয়ে পিছনের সিটে বসেছিল আর আমি আমার ডেটকে নিয়ে সামনের সিটে ছিলাম। ঐদিন তার কৌশলটা দেখেছি। ঐদিন সে প্রথমে তার ডেটের সাথে খুবই মোলায়েম, আন্তরিক গলায় কথা বলা শুরু করেছিল। মোলায়েম গলায় মেয়েটির প্রশংসা করছিল শুধু। মানে তার ভাবটা এমন ছিল যে সে শুধু সুদর্শন ছেলেই না, প্রচণ্ড আন্তরিক ও খাঁটি মনের মানুষও। তার কথা শুনতে শুনতে ঐদিন প্রায় বমিই করে দিতে নিয়েছিলাম। তার ডেট তখন শুধু বলছিল, ‘না, প্লিজ। প্লিজ, না। প্লিজ।’ তারপরও স্ট্র্যাডলেটার সেদিন আব্রাহাম লিঙ্কনের মতো মোলায়েম গলায় তেল মেরে যাচ্ছিল। শেষে একসময় গাড়িতে শুধু অস্বস্তিকর নীরবতা ছাড়া আর কিছুই ছিল না। ব্যাপারটা খুব লজ্জাজনক ছিল। আমার মনে হয় না ঐ রাতে সে মেয়েটাকে সেরা সময় দিতে পেরেছিল—তবে অনেক কাছে পৌঁছে গিয়েছিল ও। অনেক কাছে।

    শুয়ে শুয়ে জেনের সাথে ডেটের ব্যাপারটা যখন ভাবনা থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছিলাম সেসময়ই টয়লেট থেকে স্ট্র্যাডলেটারের রুমে ফিরে আসার শব্দ শুনতে পেলাম। সে আবার সতেজ বাতাসের ভক্ত। এর আরো কিছুক্ষণ পর দেখলাম রুমের লাইট নিভিয়ে দিয়েছে। হারামিটা একবারও খোঁজ করে দেখেনি আমি রুমে আছি নাকি নেই।

    রাস্তাটাও ঐদিন খুব বিষণ্ণ ছিল। রাস্তা দিয়ে যাওয়া কোনো গাড়ির শব্দও পাওয়া যাচ্ছিল না। আমার তখন এতটাই একা আর খারাপ লাগছিল যে একাকীত্ব কাটানোর জন্য অ্যাকলিকেই ঘুম থেকে জাগানোর ইচ্ছা জেগে উঠলো।

    ‘হেই, অ্যাকলি,’ শাওয়ার পর্দার ফাঁক দিয়ে স্ট্র্যাডলেটার যেন শুনতে না পায় সেজন্য ফিসফিসিয়ে ডাকলাম।

    অ্যাকলি যদিও আমার ডাক শুনতে পায়নি।

    ‘অ্যাকলি!’

    তখনও সে শুনতে পায়নি। কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমাচ্ছিল সে।

    ‘হেই, অ্যাকলি!’

    ঐ ডাকটা শুনতে পেল।

    ‘তোমার সমস্যাটা কী ভাই?’ বলে উঠলো। ‘আমি তো ঘুমাচ্ছিলাম।’

    ‘একটা প্রশ্ন ছিল। আশ্রমে জয়েন করার নিয়মটা কি জানো?’ জিজ্ঞেস করলাম। ভাবটা এমন যেন আমার আশ্রমে ঢোকার খুব ইচ্ছা আছে। ‘ক্যাথলিক না হলে কি ঢোকা যাবে না?’

    ‘তোমাকে অবশ্যই ক্যাথলিক হওয়া লাগবে। আর তুমি কি আমাকে এই সাধারণ একটা প্রশ্নের জন্য ঘুম থেকে ডেকে তুলে…’

    ‘হ্যাঁ, আবার ঘুমিয়ে যাও। আমার আসলে এমনিতেও কোনো আশ্রমে জয়েন করার ইচ্ছা নাই। আমার যেই ভাগ্য, তাতে খুব সম্ভবত এমন কোনোটাতে ঢুকবো যেটাতে সব বেজাত সন্যাসী থাকবে। সবগুলো হবে গবেট, মূর্খ।’

    ঐ কথাটা বলার সাথে সাথেই লাফিয়ে শোয়া থেকে উঠে বসলো অ্যাকলি। বলল, ‘শোনো, আমার ব্যাপারে তোমার বা অন্যদের ধারণা কী, সেটাকে আমি বিন্দুমাত্রও পাত্তা দিই না। তবে তুমি যদি এখন আমার ধর্ম নিয়ে কৌতুক করা শুরু করো, তাহলে…’

    ‘আহা, শান্ত হও,’ আমি বললাম। ‘কেউ তোমার ধর্ম নিয়ে কোনো কৌতুক করছে না।’ বলে অ্যালির বিছানা থেকে উঠে দরজার দিকে পা বাড়ালাম। ঐ বাজে গন্ধওয়ালা রুমে আমার আর একমুহূর্তও থাকতে ইচ্ছা করছিল না। তবে যাওয়ার সময় থেমে অ্যাকলির হাত টেনে তুলে তার সাথে মেলাতে কোনো ভুল করলাম না। যদিও পুরোটাই ন্যাকামি ছিল, তারপরও ভদ্রতা দেখানো বলে কথা। তবে অ্যাকলি নিজেই তার হাত নামিয়ে নিয়েছিল। ‘তোমার মাথায় আসলে কী চলছে?’ সে বলল।

    ‘কিছুই চলছে না। আমি শুধু তোমাকে পরিষ্কার মনের একজন মানুষ হওয়ার জন্য ধন্যবাদ দিতে চাচ্ছি,’ একদম মোলায়েম কণ্ঠে বললাম। ‘তুমি একজন খাটি মানুষ, অ্যাকলি কিড,’ বললাম। ‘তুমি জানো এটা?’

    ‘তুমি নিজেকে খুবই চালাক ভাবো। তবে সাবধানে থেকো। কোনো একদিন কেউ কিন্তু বিরক্ত হয়ে তোমার মাথা…’

    তার কথাটা শোনার প্রয়োজনও মনে করলাম না। দরজাটা লাগিয়ে দিয়ে করিডোরে বেরিয়ে এলাম।

    অনেকেই উইক-এন্ডে বাড়ি চলে গিয়েছিল, আর যারা উইংয়ে ছিল তারাও ঘুমিয়ে গেছে ততক্ষণে, তাই করিডোরটাও একদম নীরব ও শান্ত ছিল। লিহি আর হফম্যানের দরজার সামনে কলিনোস টুথপেস্টের একটা খালি বাক্স পড়েছিল। সিঁড়ির দিকে হেঁটে যাওয়ার সময় বক্সটায় লাথি দিয়ে দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমার পায়ে তখন স্লিপার পরা ছিল, তাই তেমন একটা শব্দ হচ্ছিল না। যাওয়ার সময় ভাবছিলাম, সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে মেল ব্রোসার্ডের সাথে দেখা করবো। তবে হঠাৎ কেন যেন দেখা করতে ইচ্ছা হলো না। হুট করেই সিদ্ধান্ত নিলাম আমি ঐ রাতেই পেন্সি থেকে চলে যাবো। মানে বুধবার পর্যন্ত আর অপেক্ষা করবো না। আর একটুও থাকতে ইচ্ছা করছিল না ওখানে। এতে করে আরো বেশি দুঃখ ও একাকীত্ব বোধ হচ্ছিল। তাই তখন সিদ্ধান্ত নিলাম যে পেন্সি থেকে বেরিয়ে নিউইয়র্কের সস্তা কোনো হোটেলের একটা রুম ভাড়া করবো আর বুধবারের আগ পর্যন্ত ওখানেই থাকবো। তারপর বুধবার বাসায় গিয়ে বিশ্রাম করবো। ধরে নিয়েছিলাম, আমাকে বের করে দেওয়া নিয়ে থার্মারের দেওয়া চিটিঠা আমার বাবা-মা খুব সম্ভবত মঙ্গল বা বুধবারের আগে হাতে পাবে না। আর আমারও তারা চিঠি পাওয়ার আগে বাসায় যাওয়ার কোনো ইচ্ছা ছিল না। তারা আগে চিটিঠা পাবে, ওটা নিয়ে বিস্তারিত ভাববে, তারপর বাসায় যাবো। চিটিঠা তারা হাতে পাওয়ার মুহূর্তটায় আমার তাদের সামনে থাকার কোনো ইচ্ছা ছিল না। আমার মা খুব বেশি হিস্টিরিয়াগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তবে কোনোকিছু নিয়ে পুঙ্খানুভাবে ভাবার পর মা আবার ঠিকই স্বাভাবিক হয়ে যায়। তাছাড়া আমার নিজেরও একটা হালকা ছুটি দরকার ছিল। আমার স্নায়ুর অবস্থা খুবই বাজে হয়েছিল তখন।

    যাইহোক, ওটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়ে রুমে ফিরে গিয়ে লাইট জ্বালালাম ব্যাগ-পত্র গোছানোর জন্য। অবশ্য এর আগেই কিছু জিনিস গুছিয়ে রেখেছিলাম। স্ট্র্যাডলেটারও ঘুমিয়েছিল তখন, আমার শব্দেও ঘুম ভাঙেনি তার। তাই একটা সিগারেট জ্বালিয়ে কাপড়-চোপড় পরে গ্ল্যাডস্টোনের স্যুটকেস দুটো গুছিয়ে নিলাম। সবমিলিয়ে মাত্র দুই মিনিট সময় লাগলো। ব্যাগ গোছাতে আমার কখনোই খুব বেশি সময় লাগতো না।

    ব্যাগ গোছানোর সময় আইস স্কেটগুলো ব্যাগে ঢুকানোর সময় খুব খারাপ লাগছিল। একদম নতুন ছিল আইস স্কেটগুলো। বহিষ্কৃত হওয়ার মাত্র অল্প কয়েকদিন আগে আমার মা ওগুলো পাঠিয়েছিল। চোখে ভাসছিল স্পন্ডিংয়ে গিয়ে মা দোকানিকে হাজারটা জেরা করে আমার জন্য এই স্কেটগুলো কিনছে, আর আমি কি না আরো একবার বহিষ্কার হয়ে ফিরে যাচ্ছি। ব্যাপারটায় খুব খারাপ লাগছিল। যদিও মা ভুল স্কেট কিনেছে—আমি চেয়েছিলাম রেসিং স্কেট আর মা কিনেছিল হকি স্কেট—তবে যাইহোক, ব্যাপারটা কল্পনা করে অনেক খারাপ লাগছিল। প্রায় সময়ই কেউ আমাকে কোনো উপহার দিলে, সেটা একসময় আমাকেই খারাপ লাগাতো।

    ব্যাগ গোছানোর পর আমার কাছে থাকা টাকাগুলো গুনে নিলাম একবার। এখন ঠিক মনে নেই ঐ সময় আমার কাছে ঠিক কত টাকা ছিল, তবে টাকার পরিমাণটা বেশ ভালোই ছিল। এর আগের সপ্তাহেই আমার দীদা আমাকে একটা বান্ডিল পাঠিয়েছিল। আমার দীদা আসলে টাকার অপচয় করে অনেক বেশি। বয়স অনেক বেশি হওয়ায় দীদার আসলে খুব একটা খরচ লাগতো না। সেজন্যই আমাদেরকে টাকা দিতো অনেক। আমার জন্মদিনের জন্য বছরে প্রায় চারবার টাকা পাঠাতো। যাই হোক, আমার পকেট বেশ ভরাই ছিল, তারপরও মনে হলো আরো কিছু টাকা থাকলে ভালো হয়। বলা তো যায় না কখন কোন দরকার লেগে যায়। তাই রুম থেকে বেরিয়ে ফ্রেডরিক উড্রাফের রুমে গেলাম। এই ছেলেটাই আমার টাইপরাইটার ধার নিয়েছিল। তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে জিজ্ঞেস করলাম, টাইপরাইটার তার কাছে বিক্রি করে দিলে আমাকে কত দিতে পারবে। সে যথেষ্ট ধনী পরিবারের ছেলে। সে বলল সে জানে না। তাছাড়া তার ওটা কেনারও কোনো ইচ্ছা ছিল না। তবে শেষমেশ সে ওটা কিনেছিল ঠিকই। টাইপরাইটারটার এমনিতে দাম ছিল নব্বই ডলারের মতো, তবে সে আমাকে দিয়েছিল মাত্র বিশ ডলার। হুটহাট ঘুম থেকে ডেকে তোলার জন্য আমার ওপর অনেক রেগেওছিল সে।

    সব গুছানোর পর ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। ব্যাগপত্র নিয়ে সিঁড়ির কাছে গিয়ে একবার থামলাম। থেমে শেষবারের মতো ফিরে তাকালাম করিডোরটার দিকে। কেন জানি তখন খুব কান্না পাচ্ছিল। যাই হোক, চোখ মুছে লাল শিকারি টুপিটা মাথায় লাগিয়ে গলা ফাটিয়ে চেঁচিয়ে বলে উঠলাম, ‘ভালোভাবে ঘুমা, হারামজাদা গর্দভরা!’ আমি নিশ্চিত চিৎকার শুনে ঐদিন পুরো ফ্লোরের সবারই ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। এরপর না দাঁড়িয়ে দ্রুত পায়ে দৌড় লাগালাম সিঁড়ি দিয়ে। কোন গবেট যেন পুরো সিঁড়ি জুড়েই বাদামের খোসা ফেলে রেখেছিল। আরেকটু হলেই ঘাড় ভাঙতে বসছিলাম বাদামের খোসায় পা হড়কে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য অ্যামিটিভিল হরর : অ্যা ট্রু স্টোরি – জে অ্যানসন
    Next Article হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস (৭) – জে. কে. রাওলিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }