Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প157 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ম্যান হু লাফস – ২

    ২

    সমুদ্র চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে দেশটাকে। নাম তার ইংল্যান্ড। আসলে প্রকাণ্ড একটা দ্বীপ। এ দেশের আবহাওয়া বড় বিচিত্র, বেশির ভাগ সময় কুয়াশায় ঢাকা থাকে। দেশটার ভেতর দিকে, কিঞ্চার্লি ও পেমব্রোক এলাকায়, এক অভিজাত জমিদারের প্রাসাদ আছে। গ্রাম্য এলাকা, কিন্তু প্রাসাদটা বিশাল। আর্ল হলো জমিদারের উপাধি। বিজয়ী বীর উইলিয়ামের আমল থেকেই ব্রিটিশ অভিজাত সমাজে অন্যতম শ্রেষ্ঠ পরিবার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে আসছেন তাঁরা।

    তবে পেমব্রোক পরিবারে আপাতত কোনো আর্ল নেই। সাবেক আর্লের একটা ছেলে হয়েছিল বটে, ছোট থাকতেই হারিয়ে গেছে। ইংল্যান্ডের পুলিশ বাহিনী অত্যন্ত দক্ষ, কিন্তু তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করেও শিশুটিকে খুঁজে বের করতে পারেনি। সন্তানকে হারিয়ে সবচেয়ে বড় আঘাত পেলেন জননী, অর্থাৎ আর্লের স্ত্রী। শোকে ও হতাশায় মুষড়ে পড়লেন তিনি। কিছুকাল পর ভাঙা মন নিয়ে মারা গেলেন।

    সময় ফুরিয়ে এল আর্ল গুস্তাভেরও। প্রথমে হারালেন একমাত্র শিশুসন্তানকে, তারপর জীবনসঙ্গিনী কাউন্টেসও তাঁকে ছেড়ে চিরবিদায় নিলেন, ফলে জীবনের প্রতি তাঁর আর কোনো মায়া বা মোহ থাকল না। অযত্ন আর অবহেলায় স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ল তাঁর। ভদ্রলোক উপলব্ধি করলেন, পৃথিবী নামক রঙ্গমঞ্চে জীবন নামক নাটকে এত দিন যে অভিনয় তিনি করেছেন, এবার তার সমাপ্তি ঘটতে চলেছে। অনেক তো হলো, আর ভালো লাগে না। এখন বিদায় নিতে পারলেই খুশি হন।

    নিঃসন্তান তিনি। তিন কুলে আপনজন বলতেও কেউ নেই। তিনি মারা গেলে তাঁর বিপুল সয়সম্পত্তির মালিক হবে এক জ্ঞাতি কন্যা। সেই কন্যাও আবার নিতান্ত শিশু। আর্লের নিখোঁজ সন্তানের চেয়েও বয়সে দুই বছরের ছোট

    সে। নাম অ্যামেলিয়া। বংশ ও পরিবারের প্রতি কর্তব্য আছে আর্লের, সেটা তাঁকে অবশ্যই পালন করতে হবে। মেয়েটিকে নিজের প্রাসাদে আনালেন তিনি। এখন থেকে এখানেই সে মানুষ হবে।

    অ্যামেলিয়ার সঙ্গে তার মা-ও এল। বাবা বেঁচে নেই। মেয়েটিরও কপাল, প্রাসাদে আসার কিছুদিন পরই তার মা মারা গেল। আর্ল গুস্তাভ তখনো বেঁচে রয়েছেন।

    আর্লের ঘনিষ্ঠ বন্ধু একজন বিখ্যাত আইনজীবী। নাম রাসেল। উইলে এই আইনজীবী রাসেলকেই অ্যামেলিয়ার অভিভাবক করা হলো। উইলে আরও বলা হলো, জমিদারির সমস্ত সম্পত্তিও রাসেল দেখাশোনা করবেন। এর কিছুদিন পর আর্ল গুস্তাভও দেহ ত্যাগ করলেন।

    আরও দেখুন
    ই-বুক রিডার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    পিডিএফ
    Books
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    অনলাইন বুক
    বাংলা ভাষা

    শোক বা দুঃখ করার তেমন কেউ নেই। আইনজীবী রাসেলের তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনায় বিশাল পেমব্রোক জমিদারির একচ্ছত্র অধিকারিণী হলো অ্যামেলিয়া। অথচ তার বয়স মাত্র দশ বছর।

    আর্ল গুস্তাভ এক মহিলাকে দায়িত্ব দিয়ে গেছেন, তিনিই অ্যামেলিয়াকে দেখেশুনে রাখবেন, লেখাপড়া শিখিয়ে তাকে সম্ভ্রান্ত সমাজে চলাফেরার উপযোগী করে তুলবেন। মহিলা খুব যোগ্য, সবাই তাঁর প্রখর দায়িত্ববোধের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অ্যামেলিয়াও তাঁকে খুব পছন্দ করে।

    কিন্তু এই মহিলা প্রাসাদে বেশি দিন টিকতে পারলেন না। তাঁর বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হলো। অদৃশ্য হাত কলকাঠি নাড়ছে, মহিলার নামে মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে। দিনে দিনে অত্যাচার সীমা ছাড়িয়ে গেল। বাধ্য হয়ে নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে একদিন পেমব্রোক ছেড়ে চলে গেলেন তিনি। যাওয়ার সময় নিজে তো কাঁদলেনই, তাঁকে হারিয়ে অ্যামেলিয়াও কাঁদতে লাগল।

    আরেক মহিলা এলেন, নতুন তত্ত্বাবধায়িকা। নাম রাচেল। রাচেল নিজেও অভিজাত পরিবারের ঘরনি। স্বামীর উপাধি লর্ড। তবে সম্পত্তি বা টাকাপয়সা কিছুই লর্ডের ছিল না। লর্ড মারা গেছেন। মারা গেছেন একটা পুত্রসন্তান রেখে

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    PDF
    বাংলা কবিতা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন বই
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    নতুন উপন্যাস

    রাচেলের এই ছেলের নাম ডেভিড। বাপের লর্ড উপাধি ছিল, সেই সূত্রে ছেলে ডেভিডও লর্ড হিসেবে পরিচিতি পায়। লোকজন তাকে লর্ড ডেভিড বলেই ডাকে।

    কেউ কিন্তু জানল না কোন সূত্র ধরে জমিহীনা এই জমিদারনি অ্যামেলিয়ার তত্ত্বাবধায়িকা হিসেবে আবির্ভূত হলেন। লোকজন অবশ্য নানা রকম কথা রটাতে শুরু করল। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি জড়ালো একটা গুজব—রাসেল আইনজীবী হিসেবে বিচক্ষণ ও অভিভাবক হিসেবে দায়িত্বসচেতন হলেও, তাঁর চরিত্রে একটা দুর্বলতা আছে। সে দুর্বলতা ডেভিডের মা ওই রাচেলকে ঘিরেই। রাচেল তাঁর এই দুর্বলতার সুযোগ পুরোপুরিই গ্রহণ করেছেন। রাসেলকে পটিয়ে-পাটিয়ে পেমব্রোক প্রাসাদে নিজের ও ছেলের স্বার্থে নিরাপদ ও আরামদায়ক চাকরিটা বাগিয়ে নিয়েছেন মহিলা।

    অ্যামেলিয়াকে শিক্ষা দিয়ে মানুষ করবেন, সে যোগ্যতা রাচেলের নেই। তাঁর নিজের লেখাপড়াই খুব বেশি নয়। তবে আদব-কায়দা ভালোই শেখাতে পারবেন। কীভাবে সমাজে চলাফেরা করতে হয়, অভিজ্ঞতা থেকে সেটা তাঁর জানা আছে। প্রসাধন ব্যবহারের পদ্ধতি, কোন অনুষ্ঠানে কী রকম সাজগোজ করতে হবে, কাকে কী বলে সম্মান দেখাতে হয় ইত্যাদি দ্রুত শিখে ফেলল অ্যামেলিয়া। রাচেল তাকে গানবাজনা, লেখাপড়া বা চারুকলা শেখানোর কোনো চেষ্টাই করলেন না। সে যোগ্যতা তাঁর নেই।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    Library
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন বই
    বাংলা ই-বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

    উপযুক্ত শিক্ষার অভাব অ্যামেলিয়াকে করে তুলল খেয়ালি, বিলাসিনী ও দায়িত্বহীনা এক কিশোরী। দুনিয়ার ভালো কিছুর ওপর তার আকর্ষণ নেই। ভোগবিলাসের জন্য যেটা প্রয়োজন, সেটাই শুধু টানে তাকে। তার ভেতরে না সৃষ্টি হলো নীতিজ্ঞান, না তৈরি হলো শালীনতার গণ্ডি সম্পর্কে সচেতনতা। কাউন্টেস অ্যামেলিয়া হয়ে উঠল অদ্ভুত এক চরিত্র।

    ওদিকে ডেভিডেরও বয়স বাড়ছে। অ্যামেলিয়ার চেয়ে দু-তিন বছরের বড় সে। এই যুবক অসম্ভব স্বার্থপর, নিজের ভালোটা ছাড়া আর কিছু বুঝতে চায় না। সে অসম্ভব সুদর্শন আর শৌখিনও বটে। বিনা বাধায় যতক্ষণ খুশি অ্যামেলিয়ার সঙ্গে মেলামেশা করার সুযোগ আছে তার, সে সুযোগের সদ্ব্যবহারও করে পুরো মাত্রায়। তার মন্দ রুচি আর মায়ের প্ররোচনা, অ্যামেলিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলতে উৎসাহ দেয় তাকে। ছেলের কানে ফিসফিস করেন মা রাচেল, ‘তুই তো নিঃস্ব, এক কানাকড়িও নেই তোর। কিন্তু অ্যামেলিয়া বিপুল ধন-সম্পদের মালিক। তার মুঠোয় রাজার ঐশ্বর্য। অ্যামেলিয়া আর তার ধন-সম্পদ দখল করার সুযোগ একা শুধু তোরই আছে। সে সুযোগ কাজে লাগা। আমি মা, তোর ভালো চাই—আমার কথামতো না চললে তোর কপালে খারাবি আছে।’

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    Books
    গ্রন্থাগার
    PDF
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

    মনে মনে মায়ের কথা ষোলো আনা সমর্থন করে ডেভিড। অ্যামেলিয়ার মন জয় করার কাজটা আরও জোরেশোরে শুরু করে সে। নিজেকে অ্যামেলিয়ার কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার কোনো চেষ্টাই বাদ দেয় না। স্বার্থ উদ্ধার হবে জানলে লোকের রুচিতে বাধে এমন কাজও আগ্রহ নিয়ে করে, এ ক্ষেত্রে ডেভিডের আগ্রহ কয়েক গুণ বেশি, কারণ স্বার্থ উদ্ধারের পাশাপাশি অ্যামেলিয়াকে নিয়ে ফুর্তি করারও সুযোগ রয়েছে তার।

    দিনে দিনে ওদের বয়স বাড়তে লাগল, সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রীতি ও ঘনিষ্ঠতার মাত্রাও। ব্যাপারটা সবাই লক্ষ করে। একপর্যায়ে তারা ধরে নিল, সাবালক হওয়ামাত্র পরস্পরকে বিয়ে করবে ওরা। তার আর খুব বেশি দেরিও নেই। মাত্র এক বছর পরই আঠারোয় পা দেবে অ্যামেলিয়া, ডেভিড পা দেবে একুশে।

    বিয়ে হতে এক বছর দেরি থাকলেও, সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যে পেমব্রোকের ভাবী আর্ল হিসেবে ডেভিডকে একরকম মেনেই নিয়েছে। সব ঠিকঠাকমতোই চলছে। মাঝেমধ্যে শুধু অ্যামেলিয়ার অভিভাবক আইনজীবী রাসেল লেডি রাচেলকে আভাসে একটা কথা বলে সতর্ক করে দেন। তা হলো, কী যেন একটা ঝামেলা আছে আর্ল গুস্তাভের উইলে। ঝামেলা মানে, অসুবিধাজনক একটা শর্ত। লেডি রাচেল শর্তটা সম্পর্কে বিশদ জানতে চান। কিন্তু রাসেল এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ‘না না, বিচলিত হওয়ার মতো কিছু নয়। যে পরিস্থিতিতে শর্ত পূরণের প্রশ্নটা উঠবে, সে পরিস্থিতি দেখা দেওয়ার কোনো সম্ভাবনাই এই মুহূর্তে দেখা যাচ্ছে না।’

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা কুইজ গেম
    বুক শেল্ফ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    অনলাইন বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ইসলামিক বই

    রাসেল সব সময় লেডি রাচেলের মন জুগিয়ে চলেন। শুধু এই একটি বিষয়ে তিনি মন খুলে কথা বলতে রাজি নন। কেন, কী কারণ? ভদ্রলোক কি এত দিন পর বিবেকের দংশন অনুভব করছেন? বাইরে থেকে সবাই দেখছে, বন্ধু আর্ল গুস্তাভ বিশ্বাস করে যে দায়িত্ব তাঁকে দিয়ে গেছেন, সে বিশ্বাসের মর্যাদা পুরোপুরি রক্ষা করেছেন তিনি। দীর্ঘ কয়েক বছর হয়ে গেল জমিদারির ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ রেখেছেন, কোনো রকম ক্ষতি হতে দেননি। একমাত্র উত্তরাধিকারিণী অ্যামেলিয়ার ওপরও তাঁর খেয়াল আছে, লক্ষ রেখেছেন কোনো অমঙ্গল যেন তাকে স্পর্শ না করে। এই তো সেদিনই পেমব্রোকে গিয়েছিলেন তিনি, অ্যামেলিয়া কেমন আছে দেখে এসেছেন।

    চেরিগাছের মতো সতেজ ও ঋজু, কিশোরী অ্যামেলিয়া সত্যি মুগ্ধ করেছে বৃদ্ধ রাসেলকে। মেয়েটি ভারি ছটফটে, দেখতেও যেন ডানাকাটা পরি। কিন্তু প্রাণচাঞ্চল্য আর রূপ-সৌন্দর্যই সব নয়। বিশেষ করে, একজন কাউন্টেসের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তার শিক্ষাদীক্ষা। অথচ অ্যামেলিয়ার মধ্যে সুশিক্ষার কোনো প্রতিফলনই তিনি দেখতে পাননি। বরং তার আচরণে অশিক্ষার যে পরিচয় পেয়েছেন, লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে গেছে তাঁর। মনে মনে নিজেকে অপরাধী ভেবেছেন। বন্ধু গুস্তাভের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়ে গেল না তো?

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    Library
    বাংলা ই-বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

    একা অ্যামেলিয়াকে নয়, ডেভিডকেও দেখে এসেছেন রাসেল। ডেভিডের মা লেডি রাচেল ছেলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ছেলের গুণের বর্ণনা দেওয়ার সময় গর্বে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল তাঁর চোখ-মুখ। কিন্তু বৃদ্ধ রাসেল ডেভিডের আচরণে খুশি হতে পারেননি। স্থুল হাসি-তামাশা আর ভোগবিলাসে যার সময় কাটে, সে হবে পেমব্রোকের আর্ল? ঠেকানোর কোনো পথ নেই, হবেই বলে মনে হচ্ছে। লেডি রাচেল কয়েক বছর ধরে ভিত তৈরি করেছেন। সে ভিতের ওপর এখন ওই নড়বড়ে ইমারত ছাড়া অন্য কিছু তৈরি করার চেষ্টা সফল হবে না। সে চেষ্টা করা হলে তিক্ততাই শুধু বাড়বে।

    বৃদ্ধ রাসেল ভয় পাচ্ছেন, বন্ধু আর্ল গুস্তাভ পরলোক থেকে তাঁকে অভিশাপ দিচ্ছেন না তো? মন বলছে, অবশ্যই দিচ্ছেন। এই অভিশাপ তো তাঁর প্রাপ্যই। অ্যামেলিয়ার উপযুক্ত শিক্ষা না পাওয়ার জন্য তিনিই তো দায়ী। আল গুস্তাভ যে শিক্ষিকাকে রেখে গিয়েছিলেন, রাসেল তাঁকে বিদায় করে না দিলে, প্রাসাদে ডেকে এনে অ্যামেলিয়ার দায়িত্ব রাচেলের হাতে তুলে না দিলে মেয়েটি এরকম অপদার্থ হতে পারত না।

    আরেক অপদার্থ ওই ডেভিড। লেডি রাচেলকে তিনি পেমব্রোক প্রাসাদে আশ্রয় দিয়েছিলেন বলেই ডেভিড আজ অ্যামেলিয়ার স্বামী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু তাকে কি কোনো অর্থেই সুপাত্র বলা যায়? অসম্ভব, প্ৰশ্নই ওঠে না। জমিদারি হাতে পেতে যা দেরি, দুদিনেই সমস্ত ধন-সম্পদ আর বিষয়- আশয় ধ্বংস করে ফেলবে। ডেভিডের হাতে পড়লে অ্যামেলিয়ারও দুঃখ- কষ্টের কোনো সীমা থাকবে না।

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন বুক
    বইয়ের
    অনলাইন বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

    ডেভিড আর অ্যামেলিয়া নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা ইউরোপে বেড়াতে যাবে। ওদের যুক্তি হলো, সম্ভ্রান্ত ধনী পরিবারের সন্তানেরা যদি মহাদেশের সব কটা রাজধানী আর বিলাসবহুল পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় বেড়িয়ে না আসে, তাহলে তাদের শিক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মাত্র এক বছর পর বিয়ে হবে ওদের, হানিমুন উপলক্ষে তখন তো বিদেশে কোথাও যেতেই হবে, তাই না? তখন কোথায় যাওয়াটা ঠিক হবে, সরেজমিনে দেখে এখনই তা স্থির করার সময়। বার্লিন, নাকি প্যারিস? আল্পসের সানুদেশ, নাকি রাইনের তীর? লেক লুসার্ন, নাকি মন্টিকার্লো? প্রতিটি জায়গাকেই তো পর্যটকদের স্বর্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এখন দেখতে হবে এগুলোর মধ্যে কোন স্বর্গটি ডেভিড ও অ্যামেলিয়ার সবচেয়ে বেশি পছন্দ হয়। সময় থাকতে পরখ করে দেখে আসার মধ্যে কোনো ক্ষতি নেই।

    লেডি রাচেলকে প্রস্তাব দিল ডেভিড। অনুমোদন পেতে কোনো সমস্যা হলো না। ছেলের সব বিলাসিতাতেই সমর্থন আছে মায়ের, বিশেষ করে তা যদি হয় অ্যামেলিয়াকে ঘিরে। তবে প্রস্তাবে তিনি একটা সংশোধনী আনলেন। একটা ছেলে আর একটা মেয়ে কোনো অভিভাবক ছাড়াই বিদেশে বেড়াতে যাবে, এটা তিনি মেনে নিতে পারেন না। বললেন, তিনিও ওদের সঙ্গে থাকবেন। আসল কথা, এই সুযোগে বেড়ানোর আনন্দ থেকে লেডি রাচেল নিজেকে বঞ্চিত করতে রাজি নন।

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ইসলামিক বই
    Library
    বাংলা বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা কবিতা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন বুক
    বাংলা ভাষা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

    বাকি থাকল জমিদারির তত্ত্বাবধায়ক রাসেলের অনুমতি আদায়। প্রস্তাব শুনে তিনি আপত্তি করলেন না। বেড়াতে যাওয়ার মধ্যে দোষের কিছু নেই। তবে যা কেউ ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি, লেডি রাচেলের মতো তিনিও একটা শর্ত জুড়ে দিলেন। শর্তটা হলো, ওদের সঙ্গে তিনিও যাবেন। না, অভিভাবক হিসেবে নয়; সঙ্গী হিসেবে। নিজের যেতে চাওয়ার পেছনে আইনজীবী ভদ্রলোকের যুক্তি হলো, সারাটা জীবন মক্কেলদের স্বার্থ দেখতে গিয়ে সমস্ত জীবনীশক্তি ক্ষয় করে ফেলেছেন। জীবন হয়ে উঠেছে বৈচিত্র্যহীন। নিত্যদিনের একঘেয়ে কাজ ফেলে কয়েকটা দিন দূরে সরে থাকতে পারলে জীবনযুদ্ধে লড়াই করার নতুন শক্তি ফিরে পাবেন। শরীর আর মনের এই উপকার করার সুযোগ ছাড়বেন কেন। অবশ্যই যাবেন, তবে নিজের খরচে। জমিদারি তো অ্যামেলিয়ার, সেখান থেকে একটা পয়সাও নেবেন না। তাতে বিবেকের অনুমোদন নেই।

    সঙ্গে উকিলও যাবেন, শুনে ডেভিডের আনন্দ অর্ধেকটাই মাটি হয়ে গেল। উৎসাহে রীতিমতো ভাটা পড়ল তার। জননী লেডি রাচেল উকিল রাসেলের প্রশংসায় যতই পঞ্চমুখ হন না কেন, ডেভিড কিন্তু ভদ্রলোককে সহ্য করতে পারে না। মনে মনে সে ভেবেই রেখেছে, সুযোগ ও সময়মতো অ্যামেলিয়ার এই অভিভাবককে ছেঁড়া জুতার মতোই ছুড়ে ফেলে দেবে। তবে সে দূরদর্শী, মগজে ঘিলুও আছে। মনে মনে যা-ই ভেবে থাকুক, কথাটা কাউকে জানায়নি। অ্যামেলিয়াকে তো নয়ই, এমনকি জননীকেও নয়।

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা গল্প
    বাংলা কমিকস
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

    বৃদ্ধ রাসেলের বিরুদ্ধে কিছু করা বা বলার সময় এখনো আসেনি, এটা ভালোই বোঝে ডেভিড। অগত্যা সে চুপ করে থাকল। শুরু হলো ইউরোপ ভ্রমণের প্রস্তুতি। সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন করে একদিন তারা বেরিয়ে পড়ল। দুজন প্রবীণ, দুজন তরুণ। প্রত্যেকের সঙ্গে থাকছে একজন করে দাস বা দাসী। আগেই ঠিক করা হয়েছে, প্যারিসে পৌঁছালেই অ্যামেলিয়াকে নাচ- গান শেখানোর জন্য এক ফরাসি মহিলা দলে যোগ দেবে। ডেভিডেরও খুব ইচ্ছা তলোয়ার চালানো শিখবে। তাই তার জন্যও অসিবিদ্যায় পারদর্শী একজন শিক্ষকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সে-ও তো অদূর ভবিষ্যতে পেমব্রোকের আর্ল হতে যাচ্ছে, তাই না? কাজেই তলোয়ার চালানো না শিখলে তার চলবে কেন? অভিজাত পরিবারের তরুণদের তো ডুয়েল লড়ার প্রয়োজন প্রায়ই হয়।

    রওনা হওয়ার শুরুতে দলে লোকসংখ্যা আট থাকলেও প্যারিসে পৌছানোর পর সেটা বেড়ে দাঁড়াল দশে। লন্ডন ত্যাগ করার আগেই কাগজে বিজ্ঞাপন ছাপার ব্যবস্থা করেছিলেন রাসেল। প্যারিসের যে হোটেলে তাঁরা উঠলেন, সেখানেই নির্দিষ্ট একটা দিনে ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা হলো। তাতে দুই ঘণ্টা সময় লাগল। মাদমোয়াজেল বিয়াঁকা ও মসিয়ে আঁদ্রে শিক্ষিকা ও শিক্ষক হিসেবে চাকরি পেল। এরা ফরাসি হলেও কাজ চালানোর মতো ইংরেজি জানে। তবে ইংরেজি বলার সময় প্রচুর ফরাসি শব্দ ব্যবহার করে, তা না হলে মনের ভাব ঠিকমতো প্রকাশ করতে পারে না।

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    Library
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা গল্প
    বাংলা ইসলামিক বই

    ওঁরা উঠেছেন হোটেল বোর্বোয়। পর্যটকেরা এখানে রাজকীয় বিলাসিতা উপভোগ করছেন। অ্যামেলিয়া বা ডেভিড, এর আগে কেউই প্যারিসে আসেনি। তবে জানে, ইউরোপীয় সংস্কৃতির তীর্থভূমি প্যারিসকেই বলা হয়। বেশ কিছুদিন থাকা হবে এখানে। ঠিক হলো, সময়ের অপচয় না করে আজ থেকেই অ্যামেলিয়া নাচ-গান আর ডেভিড অস্ত্র চালনা শিখবে। সিদ্ধান্ত হলো, বিয়াঁকা ও আঁদ্রে কালবিলম্ব না করে হোটেল বোর্রোতেই ঠাঁই নেবে।

    যেকোনো জিনিস শিখতে হলে খাটতে হয়। অ্যামেলিয়া আর ডেভিডের বেলায় সমস্যা দেখা দিল, একটু পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে উঠছে তারা। বিয়াঁকা আর আঁদ্রে চিন্তা করল, ছাত্রছাত্রীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বেশি খাটালে তার পরিণতি ভালো না-ও হতে পারে। ওরাই তো বেতন দেওয়ার মালিক, শেখার জন্য বেশি চাপ দিলে চাকরি নট হয়ে যাওয়ার ভয় আছে।

    ফলে খুব অল্প অল্প শিখছে ওরা। অবশ্য অন্যদিকে খুব দ্রুত উন্নতি ঘটছে। সম্ভ্রান্ত সমাজে মেলামেশা পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে। প্রতিদিনই ঘুরে ঘুরে দেখা হচ্ছে অপেরা ও সার্কাস। তারই ফাঁকে এদিক-সেদিক বেড়ানোও চলছে। রাতগুলো ওদের জন্য দারুণ রোমাঞ্চকর হয়ে উঠল। নাইট পার্টিতে যেতে না পারলে সারা দিন ধরে উপভোগ করা সমস্ত মজা তুচ্ছ ও নগণ্য বলে মনে হয়। সেখানে অভিজাত সমাজের তরুণ-তরুণীরা সমবেত নৃত্যানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে, নাচ না জেনেও তাদের সঙ্গে তাল মেলাতে যাওয়া চাই অ্যামেলিয়া আর ডেভিডের।

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ই-বুক রিডার

    ওদের আবার একজন করে উপদেষ্টা জুটেছে। অ্যামেলিয়ার বিয়াঁকা, ডেভিডের আঁদ্রে। আনন্দের সন্ধানে সবাই যে সব সময় দল বেঁধে বেরোয়, তা নয়। কখনো হয়তো অ্যামেলিয়াকে নিয়ে বেরোয় বিয়াঁকা, আর ডেভিডকে নিয়ে আঁদ্রে। শিক্ষক-শিক্ষিকার সঙ্গে ছাত্রছাত্রীর বয়সের ব্যবধান খুব বেশি নয়, কাজেই ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব গড়ে উঠতে কোনো বাধা নেই। জুটি দুটো বেশ অন্তরঙ্গ হয়ে উঠেছে এরই মধ্যে।

    লেডি রাচেল আর উকিল মহোদয়? আজকাল তাঁরাও একসঙ্গে বেড়াতে বেরোচ্ছেন। সাধারণত পার্কেই যান, সেখানে বসে সম্ভবত ফেলে আসা দিনগুলোর মধুর স্মৃতি রোমন্থন করেন। অন্তত এটুকু বলা যায় যে তাঁদেরও সময় ভালোই কাটছে।

    ওদের একটানা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে হঠাৎ একটা ছন্দপতন ঘটল। আঁদ্রের সঙ্গে বেরিয়েছে ডেভিড, ইচ্ছা, একটা সন্ধ্যাকালীন জলসায় ঘণ্টা কয়েক কাটাবে। বেরোনোর আগে অ্যামেলিয়ার সম্মতি নিয়েছে ডেভিড। অ্যামেলিয়া আপত্তি করেনি, কারণ বিয়াকার সঙ্গে তারও প্রমোদভ্রমণে যাওয়ার কথা ঠিক হয়ে আছে।

    ডেভিড আর আঁদ্রে বিখ্যাত ক্যাসিনো ভ্যালয়ে ঢুকল। এখানে মনোরঞ্জনের এত সব ব্যবস্থা আছে যে কোথা দিয়ে সময় কেটে যাবে ঠাওর করা মুশকিল। ডেভিডের আজই প্রথম কোনো ক্যাসিনোয় প্রবেশ। আর আঁদ্রে প্যারিসের বাসিন্দা হলেও আর্থিক সচ্ছলতার অভাবে ক্যাসিনোর মতো ব্যয়বহুল আড্ডায় সে-ও আগে কখনো ঢোকেনি। অর্থাৎ, দুজনের জন্যই ক্যাসিনোর এই নৈশ আসর নতুন অভিজ্ঞতা। মঞ্চে নৃত্যানুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর সময় সম্পর্কে ওদের কোনো হুঁশজ্ঞান থাকল না।

    আজকের মতো অনুষ্ঠান শেষ হতে ওদের সংবিৎ ফিরল। ইতিমধ্যে মাঝরাত পার হয়ে গেছে। প্রশ্ন হলো, এত রাতে হোটেলে ফেরা যায় কীভাবে? আঁদ্রে বলল, ‘হেঁটে ফেরা নিরাপদ নয়। রাস্তায় পুলিশ টহল দিলেও সংখ্যায় তারা খুব কম। এমন কোনো রাত নেই, রাহাজানি বা খুনখারাবি হচ্ছে না। তা ছাড়া ডেভিড, তুমি বিদেশি—গুন্ডা-মস্তানেরা কীভাবে যেন দূর থেকে বিদেশি ট্যুরিস্টদের গন্ধ পেয়ে যায়।’

    ডেভিড বলল, ‘কিন্তু গাড়ির তো কোনো অভাব দেখছি না। চলুন, একটায় উঠে বসি। হোটেল বোর্বো কাছে নয়, হাঁটতে হলে রাত কাবার হয়ে যাবে।’ দ্বিধা সত্ত্বেও একটা গাড়িতে চলল আঁদ্রে। কোচম্যানকে ঠিকানা বলল, হোটেল বোবো।’ কোচম্যান লোকটা এমন পাশ ফিরে বসেছে যে তার চেহারা দেখা যাচ্ছে না, গাঢ় ছায়ায় ঢাকা। তবে হোটেলের নাম শুনে মাথা ঝাঁকাল সে।

    আঁদ্রে বা ডেভিড মঞ্চে উঠে নাচেনি। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা উঁচু মঞ্চের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকাও কম ক্লান্তিকর নয়। গাড়িতে বসেই চোখ বুজল তারা। বোর্বো নামকরা হোটেল, কোচম্যান রাস্তা চিনে সেখানে পৌঁছাতে পারবে না, এ প্রায় অসম্ভব। তা ছাড়া লোকটা তো হোটেলের নাম শুনে মাথা ঝাঁকিয়েছে।

    দুজনই চোখ বুজে ঝিমাচ্ছিল, তা না হলে ঠিকই বুঝতে পারত যে গাড়ি হোটেলের দিকে যাচ্ছে না। হোটেল বোর্বো থেকে ক্যাসিনো ভ্যালয়ে যাওয়ার প্রথম রাস্তা হলো অ্যাভিনিউ গ্রাঁ মনার্ক, ওটা পার হয়ে পেলস দ্য লা কনকর্ডে আসতে হবে, তারপর ডান দিকে বাঁক নিলে পাওয়া যাবে রু দ্য লা হেনরি কোয়েত। ব্যস, সব মিলিয়ে এই তো মাত্র তিনটে রাস্তা। প্রতিটি রাস্তাই ঝকঝক করছে, আয়নার মতো মসৃণ, গাড়ি যেন বরফের ওপর হড়কে যায়। কিন্তু এই গাড়ি এমন করছে কেন? এত ঝাঁকি খাওয়ার কী কারণ? কোচম্যান কি মদ খেয়ে মাতাল হয়ে পড়েছে? প্রতিটি ল্যাম্পপোস্টকে একটুর জন্য এড়িয়ে যাচ্ছে ওরা, ভাগ্যের জোরে সংঘর্ষ ঘটছে না। আঁদ্রে একবার চোখ খুলে ভাবল, কোচম্যানকে জিজ্ঞেস করে। কিন্তু পরমুহূর্তে তন্দ্রায় আবার আচ্ছন্ন হয়ে পড়ল সে। ডেভিডেরও ইচ্ছা হলো, কোচম্যানকে কড়া ধমক লাগায়। কিন্তু তারপর আর কিছু মনে থাকল না। দুজনই ঘুমিয়ে পড়েছে। গাড়ি আগের মতোই ঝাঁকি খেতে খেতে এগোচ্ছে।

    রাস্তাটা সরু। চারদিকে আবর্জনা। এখানে-সেখানে ছোট-বড় গর্ত। ওরা একবার চোখ মেলে ভালো করে তাকালেই বুঝতে পারত কোচম্যান হোটেলের দিকে যাচ্ছে না।

    পরদিন হোটেল বোর্বোর নাশতার টেবিলে ডেভিডের জন্য অপেক্ষা করছে অ্যামেলিয়া। কিন্তু কোথায় ডেভিড? এ নিয়ে দু-একটা রসিকতা করল বিয়াঁকা, ‘হয়তো অনেক রাতে ফিরেছে—ওই আঁদ্রে আর ডেভিড। শিক্ষক তো নয়, একটা শনি; মহামান্য আর্লকে কোন বিপথে নিয়ে যাচ্ছে, কে জানে!’ অ্যামেলিয়াকে খুশি করার জন্য ডেভিডকে এরই মধ্যে আর্ল বলে সম্বোধন করে সে, তোষামোদ করতে খুবই পটু।

    .

    ভুরু নাচিয়ে অ্যামেলিয়া জবাব দিল, ‘আর আমি যে শিক্ষিকাকে পেয়েছি, তাকে দেবদূতী বললেই হয়, তাই না? মাত্র এই কদিনে সাত-সাতটা স্বৰ্গ দেখিয়ে এনেছে আমাকে—অলিম্পাস, ভালহাল্লা, বৈকুণ্ঠ, বেহেশত আর…ইডেন, হেভেন? প্যারাডাইস?’

    খিলখিল করে হেসে উঠে কিছু বলতে যাচ্ছিল বিয়াঁকা, তাকে বাধা দিয়ে উকিল সাহেব রাসেল বললেন, ‘ফিরতে যতই রাত হোক, এত বেলা পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকার তো কথা নয়। আমার নির্দেশে চাকরটা একবার ওদের দরজায় নক করেও এসেছে…’

    লেডি রাচেলকে উদ্বিগ্ন দেখাল। ‘আমি না হয় ডেভিডের ঘরে নিজেই একবার যাই। ভাবছি, অসুখবিসুখ করল না তো?’

    ‘দুজনেরই?’ রাসেলের গলায় অবিশ্বাস, খানিকটা বিদ্রূপও।

    হালকা ব্যঙ্গটুকু লেডি রাচেল গায়ে মাখলেন না। শান্ত পদক্ষেপে করিডরে বেরিয়ে গেলেন তিনি।

    চাকর ছেলেটা, চার্লি, তার মনিব রাসেলের পেছনে এসে দাঁড়াল। ঝুঁকল সে, মনিবের কানে ফিসফিস করল, এক লোক আপনাকে চাইছে। চিনি না। বলছে, চিঠি আছে।

    ‘চিঠি আছে? চিঠি আছে তো নিয়ে এসো!’

    চার্লি বলল, ‘আমার হাতে দেবে না। বলছে, আপনাকে ছাড়া অন্য কাউকে দেওয়া মানা।

    ‘ঠিক আছে, তাকে ড্রয়িংরুমে বসাও।’

    চার্লি চলে যাওয়ার পর চেয়ার ছাড়লেন রাসেল। অ্যামেলিয়াকে বললেন, ‘এখুনি আসছি।’ চিন্তিতভাবে কামরা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তিনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস
    Next Article টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }