Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প157 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ম্যান হু লাফস – ৪

    ৪

    ‘অ্যালারিক, আমি তোমার কাছে এসেছি ক্ষমার অযোগ্য একটা অন্যায়ের বিচার চাইতে!’

    উর্সাসের কথা শুনে বিচলিত হয়ে উঠলেন রাসেল। রহস্যময় এই হাতুড়ে ডাক্তার সম্পর্কে তাঁর কৌতূহল প্রবল, কিন্তু সে যখন অ্যালারিকের সঙ্গে ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলতে চাইছে, তখন এখানে তিনি উপস্থিত থাকেন কীভাবে!

    অথচ এই ঘর ছেড়ে চলে যাওয়ারও উপায় নেই। আক্ষরিক অর্থে অ্যালারিকের আস্তানায় তিনি বন্দী হয়তো নন, তবে নজরবন্দী নিশ্চয়ই I আসন ত্যাগ করে দস্যু সরদারের মনোযোগ আকর্ষণ করলেন তিনি, বোঝাতে চাইলেন এখানে থাকতে অস্বস্তি বোধ করছেন।

    অ্যালারিক কী বুঝল কে জানে, বলল, ‘আপনার সঙ্গে আরও কথা আছে আমার। আমি আমার জীবনদাতার সঙ্গে আলাপটা সেরে এখনি ফিরে আসছি। ততক্ষণ আপনি এখানেই অপেক্ষা করুন।’

    উর্সাসের হাত ধরল অ্যালারিক, তারপর পর্দা সরিয়ে অন্দরমহলের দিকে চলে গেল। একা বসে বসে অনেক কথা ভাবছেন রাসেল। ডেভিড ও আঁদ্রে এই আস্তানায় আছে, তার কোনো প্রমাণ এখনো তিনি পাননি। ওদের কি হোটেল বোবোতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে? ভোর হতে আর বেশি দেরি নেই, তার আগেই হোটেলে ফিরে যেতে পারলে সকল পক্ষের জন্যই সেটা ভালো হতো। দিনের আলোয় রাস্তায় বেরোলে লোকজনের চোখে পড়তে হবে, এমনকি পুলিশের নজরেও পড়তে হতে পারে। পুলিশ তো কোনো উপকারে আসবেই না, শুধু শুধু ঝামেলা সৃষ্টি করবে। আইনের দোহাই দিয়ে একের পর এক এমন সব প্যাচ কষবে, ফ্রান্স ত্যাগ করা অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে।

    চিন্তায় বাধা পড়ল পর্দা সরিয়ে আইরিন ভেতরে ঢুকতে। ছোট্ট এক শিশুকন্যার হাত ধরে আছে সে।

    রাসেলকে দেখে অপ্রস্তুত হলো আইরিন। ‘ও, আপনি এখনো আছেন! আমি ভেবেছিলাম ডেভিড আর আঁদ্রের সঙ্গে আপনিও বোধ হয় নিজেদের আস্তানায় ফিরে গেছেন।

    ‘ফিরে যেতে পারলে তো ভালোই হতো,’ ম্লান সুরে বললেন রাসেল। ‘তবে ডেভিড আর আঁদ্রে চলে গেছে শুনে খুশি হলাম।’

    ‘তারা বেশ কিছুক্ষণ আগেই রওনা হয়েছে। সঙ্গে সাবধানী লোকজন আছে, কাজেই চিন্তার কিছু নেই, নিরাপদেই হোটেলে পৌঁছে দিয়ে আসবে। মেয়েটি ভারি সুন্দর, তাই না?’

    আরও দেখুন
    বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ই-বুক রিডার
    PDF
    বাংলা কুইজ গেম

    মেয়েটিকে ভালো করে দেখলেন রাসেল। সত্যি অসাধারণ সুন্দরী। এমন রূপবতী মেয়ে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসেও খুব বেশি দেখা যায় না। একেবারেই শিশু, বছর দুয়েক বয়স হবে। খানিক আগে অ্যালারিক কি এই শিশুর কথাই বলছিল?

    শিশুটির পরনে মূল্যবান পোশাক। সন্দেহ নেই, কোনো ধনীর দুলালী। অনেকক্ষণ ধরে কান্নাকাটি করায় তার চোখ দুটো লাল হয়ে আছে। আইরিনের হাত ধরে টলমল পায়ে ভেতরে ঢুকেছে সে, চারদিকে ভয়ে ভয়ে তাকাচ্ছে। অভিমানে ফুলে আছে ঠোঁটজোড়া, গলা থেকে মাঝেমধ্যেই অস্ফুট আওয়াজ বেরোচ্ছে, ‘মা! মা!’

    ‘আমাদের এক্স লোকটার মাথায় গোবর ভরা। ছোট বাচ্চাদের আস্তানায় তুলে আনার কর্মসূচি যে বাতিল করা হয়েছে, এটা সে বেমালুম ভুলে বসে আছে। দেখুন তো দেখি এখন একে নিয়ে কী ঝামেলায় পড়লাম আমরা! এক্স বলছে, মেয়েটিকে একা রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখে তুলে এনেছে। ও কোথায় থাকে, ওর মা-বাপ কে, এসব কিছুই সে জানে না। কী ফ্যাসাদেই না পড়া গেল!’

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    Library
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    ই-বুক রিডার
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

    ‘ফ্যাসাদ মনে করলেই ফ্যাসাদ,’ একটু রসিকতা করলেন রাসেল। ‘মেয়েটিকে তো পরি বললেই হয়, আপনিই ওকে মানুষ করুন না!’

    আঁতকে উঠে আইরিন বলল, ‘অসম্ভব! আমরা ডাকাত, কোথায় কখন থাকি তার কি কোনো ঠিক আছে? নাহ্, মেয়ে পোষা আমাদের কাজ নয়। আগের দিন হলে সমস্যা হতো না, চাওয়ামাত্র বিক্রি হয়ে যেত। কিন্তু সে নিয়ম উঠে গেছে। অন্য কোনো উপায় নেই, রাস্তার মেয়েকে আবার রাস্তাতেই রেখে আসতে হবে।

    ‘বিক্রি করার নিয়ম উঠে গেল কেন?’ প্রশ্ন শুনে আইরিনের চেহারা ম্লান হয়ে গেল দেখে রাসেল বুঝতে পারলেন ভুল করে ফেলেছেন তিনি। অ্যালারিকের সেক্রেটারি না কেঁদেই ফেলে!

    ভুলটা কীভাবে সংশোধন করবেন বুঝতে পারছেন না রাসেল। তবে তিনি কিছু বলার আগে আইরিনই মুখ খুলল, ‘শুধু বিক্রি নয়, বাচ্চা ছেলেমেয়েকে ধরে আনার সমস্ত কর্মসূচিই বাতিল হয়ে গেছে—আমার সন্তানটি মারা যাওয়ার পর থেকে।‘

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা শিশু সাহিত্য

    রাসেল ভাবছেন, আইরিনের সন্তান মারা যাওয়ার সঙ্গে লাভজনক একটা ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার কী সম্পর্ক থাকতে পারে? আইরিনের কী এমন গুরুত্ব, সে তো দস্যু সরদার অ্যালারিকের সেক্রেটারি মাত্র! নাকি…

    রাসেলের সন্দেহ হচ্ছে। আইরিন হয়তো শুধু সেক্রেটারি নয়। অ্যালারিকের সঙ্গে তার হয়তো বিয়ে হয়েছে। ওরা হয়তো স্বামী-স্ত্রী। তা যদি হয়, আইরিনের সন্তান মানে অ্যালারিকেরও সন্তান। এভাবে চিন্তা করলে গোটা ব্যাপারটার যুক্তিসংগত একটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। আইরিনের সন্তান মারা গেছে, শোনার পর দুঃখ প্রকাশ না করাটা অমানবিক হয়ে যায়। ‘সত্যি শুনে খুব দুঃখ পেলাম।‘

    আইরিন শিশুটিকে নিয়ে ব্যস্ত। ইতিমধ্যে তাকে কোলে তুলে নিয়েছে সে। কোলের আরাম পেয়ে শিশুটি আরও দু-একবার মাকে ডাকল, তারপর হঠাৎ ঘুমিয়ে পড়ল।

    চোখাচোখি হতেই আড়ষ্ট ভঙ্গিতে ক্ষীণ একটু হাসল আইরিন। যে আইভরির তৈরি সিংহাসনে একটু আগে গা এলিয়ে বসে ছিল দস্যু সরদার অ্যালারিক, শিশুটিকে আলতোভাবে সেই সিংহাসনের নরম গদিতে শুইয়ে দিল সে, তারপর পাশে দাঁড়িয়ে নিশ্চলক চোখে তাকিয়ে থাকল লাবণ্যমাখা ঘুমন্ত মুখটির দিকে। শিশুমাত্রই ফেরেশতা, চেহারা থেকে স্বর্গীয় আলোর একটা আভা সারাক্ষণ বিচ্ছুরিত হয়। আইরিনের মনে হলো, প্রকাণ্ড একটা শ্বেতপদ্মের মতো লাগছে শিশুটিকে।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন বুক
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কমিকস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ভাষা

    কিছুক্ষণ পর আবার সেই উসাসের হাত ধরেই ফিরে এল অ্যালারিক। জীবনদাতাকে প্রায় জোর করেই একটা চেয়ারে বসিয়ে দিল সে, তারপর বলল, ‘শোনো আইরিন, মজার একটা ঘটনা বলি। ইনি আমার কাছে বিচার চাইতে এসেছেন। বেশ ভালো কথা। কিন্তু কার বিরুদ্ধে আন্দাজ করতে পারো? আমার বিরুদ্ধে!’ কৌতুক করার ভঙ্গিতে শুরু করলেও শেষ দিকে তার কণ্ঠস্বর আবেগে বুজে এল।

    চোখ তুলে তাকিয়ে থাকল আইরিন। অ্যালারিকের আবেগ লক্ষ করে সে যেন বোবা হয়ে গেছে।

    ‘উনি একটা ছেলেকে কুড়িয়ে পেয়েছেন,’ নিজেকে সামলে নিয়ে নিজেই ব্যাখ্যা দিল অ্যালারিক। ‘ছেলেটার মুখের ওপর নিষ্ঠুর অপারেশন করা হয়েছে। ওনার জানা ছিল না যে কুকীর্তিটি আমারই। অন্য কোনো শয়তান এর জন্য দায়ী ভেবে আমার কাছে এসেছেন উনি, আমি যাতে সেই শয়তানকে ধরে এনে বিচার করি, জেরা করে জেনে নিই হতভাগ্য ছেলেটির আসল পরিচয়।’

    অ্যালারিক এবার রাসেলের দিকে তাকাল। ‘ছেলেটার পরিচয় আমি জানি—ওঁকেও বলব, আপনাকেও বলব। বুঝতে পারছেন তো, মি. রাসেল, কোন ছেলের কথা বলছি আমি? খানিক আগে এর কথাই আপনাকে বলছিলাম—আর্ডেনের উদ্যানে জাদুকরের তাঁবুতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে গেছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    ই-বই ডাউনলোড
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    PDF
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

    ‘সে কি তবে…সে কি তবে….’ প্রবল উত্তেজনায় ও আবেগে প্রশ্নটা শেষ

    করতে পারলেন না রাসেল।

    অ্যালারিকের গম্ভীর কণ্ঠস্বর গমগম করে উঠল, ‘হ্যাঁ, সে-ই।’

    নিজের সিংহাসন শিশুর দখলে, অ্যালারিককে বসতে হলো একটা সোফায়। কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল সে, তারপর হঠাৎ শুরু করল, ‘অভিশপ্ত ওই পেমব্রোক বংশের কথা আমি একরকম ভুলেই গিয়েছিলাম। বড়াই করে অপদার্থ ডেভিডটা নিজের পরিচয় দিতে আবার সব মনে পড়ে গেল। ভাবলাম, এরকম একটা সুদর্শন ভাঁড়কে আর্লের উঁচু পদে তুলে না দিয়ে গুস্তাভের নিখোঁজ ছেলেটাকে বাপের আসনে বসালে সব দিক থেকে সেটাই হবে উত্তম কাজ। মি. রাসেল, সে জন্যই আপনাকে এখানে ডেকে আনা হয়েছে। খানিক আগে বলেছি বটে যে নিখোঁজ ছেলেটার সন্ধান দিন কয়েক আগে হলে দিতে পারতাম আপনাকে, আজ পারি না। কথাটা আমি ফিরিয়ে নিচ্ছি। এখন বলছি….

    ‘এখন আপনি বলছেন যে সেই ছেলেটা আপনার জীবনদাতা মি. উর্সাসের কাছে আছে, এই তো?’ অ্যালারিককে থামিয়ে দিয়ে বললেন রাসেল। ‘আপনি আরও বলতে চাইছেন, ছেলেটার নাক-মুখ-ঠোঁট কাটা, কিংবা ওগুলো হয়তো তার নেইই। এবং আপনি চাইছেন ছেলেটাকে আমি যেন পেমব্রোকের আর্ল হিসেবে অভিষিক্ত করি। এই দায়িত্ব আমাকে দিলে সত্যি আমি কৃতজ্ঞবোধ করব। মি. অ্যালারিক, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’ কথাগুলো বেশ গুছিয়ে বললেন তিনি, তবে বলার ভঙ্গিতে তিক্ততার সুর চাপা থাকল না।

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন বই
    বাংলা ভাষা
    Books
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Library
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস

    অ্যালারিকের ঠোঁটের কোণে ক্রূর একটু হাসি ফুটল। ‘ভেবে দেখুন তো, মি. রাসেল, এই সুখবরটা আগেই যদি শোনাতাম আপনাকে, আপনি কি তাহলে মুক্তিপণের টাকাটা আমাকে দিতেন?’

    রাসেল রীতিমতো চমকে উঠলেন। ব্যাপারটা এভাবে তিনি চিন্তা করে দেখেননি। কথাটা তো মিথ্যে নয়! এখন তো পেমব্রোকের সঙ্গে ডেভিডের কোনো সম্পর্কই নেই। নেই অ্যামেলিয়ারও কোনো সম্পর্ক। গিয়েলুম বেঁচে থাকায় ওদের আর কোনো গুরুত্বই রইল না। ইশ্, পেমব্রোক জমিদারির এক রাশ টাকা স্রেফ পানিতে ফেলা হলো!

    তাঁকে অ্যালারিকই সান্ত্বনা দিল। ‘আপনি ধরে নিন ডেভিডের মুক্তিপণ দেননি, দিয়েছেন গিয়েলুমের মুক্তিপণ, তাহলেই আপনার মনে আর কোনো খেদ থাকবে না।

    রাসেল গম্ভীর সুরে বললেন, ‘গিয়েলুমের এত বড় অপূরণীয় ক্ষতি করলেন, তারপর আবার মুক্তিপণ চান কীভাবে?’

    ‘কিন্তু আমার যে ক্ষতি আর্ল গুস্তাভ করেছিলেন, সেটা কি পূরণীয় ছিল, মি. রাসেল?’ হঠাৎ রেগে উঠে জিজ্ঞেস করল অ্যালারিক

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বিনামূল্যে বই

    অ্যালারিককে রাগিয়ে দেওয়া রাসেলের উদ্দেশ্য ছিল না। কারণ, এখনো তিনি অ্যালারিকের হাতে বন্দীই বলা যায়। দস্যু সরদারকে হঠাৎ এভাবে গর্জে উঠতে শুনে হতভম্ব হয়ে পড়লেন তিনি, প্রশ্নের জবাব দিতে না পেরে বোবা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলেন।

    তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এল উসাস। গলা চড়িয়ে নয়, ঠান্ডা নীরস স্বরে অ্যালারিককে সে বলল, ‘অন্যায় দিয়ে অন্যায়ের, অত্যাচার দিয়ে অত্যাচারের বিহিত হয় না। আর তা ছাড়া, কোনো শিশুর ওপর নির্যাতন করা হলে কেউ তা সমর্থন করবে না। বুঝলাম, তোমার ওপর অত্যাচার হয়েছিল। কিন্তু তা যতই ভয়ানক হোক, অপূরণীয় ছিল না। শার্ট খুলে দেখো, অস্পষ্ট কয়েকটা দাগ ছাড়া সে অত্যাচারের আর কোনো চিহ্ন তুমি খুঁজে পাবে না। আর বেচারা গিয়েলুমের কথা চিন্তা করো। তার ওপর এমন নির্যাতন তুমি করেছ, মানুষের সমাজে ফিরে যাওয়ার অবস্থাও রাখোনি। অথচ সে তোমার কোনো ক্ষতি করেনি। ক্ষতি যা করার করেছিল আর্ল গুস্তাভ, তার বাপ। বাপের অপরাধের শাস্তি ছেলে ভোগ করবে, এটা কোনো যুক্তির কথা নয়। আমার তো মনে হয় না, ঈশ্বর তোমার এই অপরাধ সহজে ক্ষমা করবেন।’

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা কুইজ গেম
    Library
    ই-বুক রিডার
    Books
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

    যে দস্যুর নাম শুনলে ফ্রান্সের লোকজন ভয়ে কাঁপতে থাকে, সেই অ্যালারিক দ্য গথ ধীরে ধীরে মাথা নত করল। একটা কথাও সে বলতে পারছে না। কে বলবে লজ্জায়, নাকি অনুতাপে।

    শুরু করার পর উসাস থামছে না। এতক্ষণে তার নজর পড়েছে সিংহাসনে ঘুমন্ত শিশুটির ওপর। ‘ওই দেখো, আরেকটা! অ্যালারিক, তুমি না জানিয়েছিলে বাচ্চাদের তুলে এনে বিক্রি করার ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছ? তাহলে এই শিশু এখানে কেন? অ্যালারিক! ওহ্, অ্যালারিক! সেবা-যত্ন ও চিকিৎসা দিয়ে তোমাকে সুস্থ করে তোলাটা তাহলে কি আমার ভুল হয়েছে? সত্যি আমার অনুতাপ হচ্ছে, অ্যালারিক!’

    উর্সাসের কথাগুলো চাবুকের চেয়েও যেন নির্মম। আঘাতে আঘাতে জর্জরিত হচ্ছে অ্যালারিক, কিন্তু এক চুল নড়ছে না। তার হয়ে কথা বলার জন্য এগিয়ে এল আইরিন। উর্সাসের পাশে এসে দাঁড়াল সে, হাত রাখল তার চেয়ারের পিঠে। গলাটা নরম, বলার ভঙ্গিতে মিনতিভরা আবেদন। ‘আমাদের সরদার আপনাকে সত্যি কথাই জানিয়েছিলেন। বাচ্চাদের নিয়ে ব্যবসা করা পাপ, তাই আমাদের দল এই ব্যবসা অনেক দিন আগেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু আমাদের এক বোকা সদস্য সেই নিষেধাজ্ঞার কথা বেমালুম ভুলে গিয়ে রাস্তায় একা কাঁদতে দেখে এই মেয়েটিকে আস্তানায় নিয়ে এসেছে। চুরি করে আনলে তাকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হতো। কিন্তু তা সে আনেনি। সে যা-ই হোক, এখন মেয়েটিকে নিয়ে আমরা কী করব…’

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    পিডিএফ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    অনেকক্ষণ পর অ্যালারিক মুখ খুলল। সে কথা বলছে হৃদয়ের গভীর থেকে। ‘আইরিন, এ নিয়ে তোমাকে কিছু ভাবতে হবে না। তোমাকেও না, আমাকেও না। বিশ্বাস করো, সব সমস্যার সমাধান পাওয়া গেছে। যিনি নিরাশ্রয়ের আশ্রয়, তিনি স্বয়ং যখন আমার আস্তানায় হাজির হয়েছেন, তখন আর চিন্তা কী। চাবুকের আঘাতে মুমূর্ষুকে যিনি আশ্রয় দেন, কুৎসিত হাসির ছাপমারা চেহারা নিয়ে পালানোর সময় কোনো ছেলেকে যিনি কোলে টেনে নেন, এই নিষ্পাপ শিশুটিও তাঁর কাছে নিরাপদে মানুষ হবে। আমি? আমার কথা তোলো না। একজন দস্যুর জীবনের নিশ্চয়তা কী? পুলিশের হাতে ধরা পড়লে আজই আমাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হতে পারে। তা ছাড়া দস্যুর প্রাণে স্নেহ কোথায়? স্নেহ ছাড়া কি একটা শিশু বাঁচতে পারে? মহৎ প্ৰাণ উসাস, মেয়েটিকে দয়া করে আপনিই সঙ্গে করে নিয়ে যান। আপনার গাড়িতে মানুষের সংখ্যা বেশি হয়ে যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু আর্ল গিয়েলুম কয়েক দিনের মধ্যেই ইংল্যান্ডে চলে যাবে জমিদারির দখল নেওয়ার জন্য, তখন আর কোনো অসুবিধা হবে না।

    .

    উর্সাসের গাড়ি রয়েছে আমেন্ডিয়ায়, একটা গোলাঘরে। গোলাঘরটির মালিক জ্যাকস। সে নানাভাবে উর্সাসের কাছে ঋণী। লোকটা উর্সাসের কোনো উপকার করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করে। উসাসের গাড়ির সঙ্গে গিয়েলুমও রয়েছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সাহিত্য
    ই-বুক রিডার
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    PDF
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    Library

    গিয়েলুমকে দেখে ভয় ও বিস্ময়ে পাথর হয়ে গিয়েছিল জ্যাকস। সে ভয় আর বিস্ময় এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তার বিশ্বাস, এমন কুৎসিত জীব কখনো মানুষ হতে পারে না। এ নিশ্চয়ই মানব ও দানব, উভয়ের সংমিশ্রণে তৈরি কোনো আজব প্রাণী। তার ধারণা হলো, এই বিদঘুটে প্রাণীর নিশ্চয়ই অলৌকিক অনেক গুণ বা শক্তি আছে।

    উর্সাসকে নিয়ে গোটা এলাকায় অনেক প্রশ্ন, অনেক রহস্য আছে। অনেকেই তাকে ভয় পায়। সামনে পড়ে গেলে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভোগে। তার পরিচয় সম্পর্কে কারোরই পরিষ্কার কোনো ধারণা নেই। কে লোকটা? কী কারণে সারা দেশ চষে বেড়ায়? স্থায়ী কোনো ঠিকানা নেই তার? আত্মীয়স্বজন, ছেলেপুলে, স্ত্রী—কিছুই কি নেই? এসব প্রশ্নের কোনো জবাব পাওয়া যায় না। ফলে উসাসকে ঘিরে রহস্য শুধু বাড়তেই থাকে। সেটা নতুন করে আরেক দফা বাড়ল উর্সাসের সঙ্গে গিয়েলুমকে দেখে। গিয়েলুম—যার মুখের চিরস্থায়ী হাসি নরকের রাজা লুসিফারের বীভৎস হাসির কথাই মানুষকে মনে করিয়ে দেয়।

    জ্যাকসের গোলাঘরটা বেশ বড়ই। গাড়ি রাখার পরও অনেকটা জায়গা খালি পড়ে আছে। গিয়েলুম অবশ্য গাড়ির ভেতরই শোয়। খাবার বলতে দুটো রুটি আর এক কলস পানি রেখে এসেছে উসাস, সঙ্গে অল্প কিছু ফলমূল।

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    ই-বুক রিডার
    বই
    বাংলা কুইজ গেম
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা গল্প
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বই
    অনলাইন বুক

    তবে হোমোর কথা আলাদা। তার মাংস না হলে চলবে না। সে ব্যবস্থাও করে রেখে গেছে উসাস।

    গাড়ি ছেড়ে কখনো কোথাও যায় না উর্সাস। এবার বাধ্য হয়েই প্যারিসে আসতে হয়েছে তাকে। গাড়ির সঙ্গে সবই ফেলে এসেছে সে, শুধু একটা জিনিস বাদে। এই জিনিসটার জন্যই চোরকে ভয় পায় উসাস। ছোট একটা পোঁটলা। পোঁটলায় আছে কিছু কাগজ আর কাপড়। কাপড়গুলো শিশুর পোশাক। আমেন্তিয়া থেকে প্যারিসের উদ্দেশে রওনা হওয়ার সময় গাড়ির গোপন খুপরি থেকে পোঁটলাটা বের করে বুকের কাছে লুকিয়ে রাখে সে।

    এবার অ্যালারিকের কাছ থেকে উর্সাসের বিদায় নেওয়ার পালা। বুকের কাছে লুকিয়ে রাখা পোঁটলাটা বের করল সে। ‘অ্যালারিক, স্মরণ করো। এই কাপড়ের কথা মনে পড়ে তোমার? বহু বছর আগে এগুলো আমার কাছে জমা রেখেছিলে তুমি।’

    পোঁটলাটা দেখেই কেমন যেন চমকে উঠল অ্যালারিক। তারপর ধীরে ধীরে হাসি ফুটে উঠল তার মুখে। ‘হ্যাঁ, কেন মনে পড়বে না! পুলিশের তাড়া খেয়ে কখন কোথায় পালাতে হয় তার ঠিক নেই, তাই ওগুলো আমার কাছে রাখা নিরাপদ নয় ভেবে আপনার হাতে তুলে দিয়েছিলাম। গিয়েলুম যে গুস্তাভেরই সন্তান, ওগুলো তারই প্রমাণ। তখন অবশ্য ভাবিনি গিয়েলুমের কাজে লাগাব। ওগুলো রেখেছিলাম ভবিষ্যতে মুক্তিপণ আদায়ে কাজে লাগবে ভেবে। কিন্তু তারপর গুস্তাভ মারা গেলেন, ফলে আমার আর মুক্তিপণ আদায় করা হলো না। মুক্তিপণ না পেয়ে ছেলেটার অঙ্গহানি ঘটিয়ে আমি আমার প্রতিহিংসা চরিতার্থ করলাম।’ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল সে। অ্যালারিক যে অপরাধবোধে কষ্ট পাচ্ছে, তা তার চেহারা দেখেই বোঝা গেল।

    ‘এগুলো কি এখনো আমার কাছে থাকবে?’ জানতে চাইল উসাস।

    ‘না। যার কাছে এই প্রমাণগুলো সবচেয়ে নিরাপদে থাকবে, ওগুলো যার কাছে সবচেয়ে বেশি মূল্যবান, নেহাত ভাগ্যগুণে তিনি নিজেই আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছেন। হ্যাঁ, আমি মি. রাসেলের কথাই বলছি। পোঁটলাটা ওঁর হাতে দিন। গিয়েলুমকে আর্ল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে ওগুলো তাঁর খুবই প্রয়োজন।’

    হাত বাড়িয়ে পোঁটলাটা নিলেন রাসেল। তাঁর চোখে-মুখে সন্দেহ। পোঁটলাটা উল্টেপাল্টে পরীক্ষা করছেন। তারপর তিনি থেমে থেমে বললেন, ‘অপ্রত্যাশিত ঘটনাগুলো এত দ্রুত ঘটছে যে আমি আমার বুদ্ধি আর বিচারশক্তি ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারছি না। এখন আমার কী করণীয়? করণীয় যখন স্থির করতে…’

    অ্যালারিক বাধা দিয়ে বলল, ‘আপনি সমস্যায় পড়ে দিশেহারা বোধ করছেন, এটা খুবই স্বাভাবিক। এরকম উল্টাপাল্টা ঘটনা ঘটলে কে-ই বা সুষ্ঠুভাবে চিন্তা করতে পারে! ডেভিড অপদার্থ হলে কি হবে, সে সুদর্শন। নাচ জানে, তলোয়ার চালানো শিখছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, অ্যামেলিয়া তাকে বিয়ে করতে রাজি। একবার তাকে যদি আর্ল হিসেবে ঘোষণা করা যায়, বেমানান হয়েছে বলে অভিযোগ করতে পারবে না কেউ। আর গিয়েলুম? তার ব্যাপারটা সম্পূর্ণ উল্টো। কুৎসিত, হাস্যকর, ভয়াবহ একটা মুখ। মানুষ বলে তাকে ভাবাই যায় না। লেখাপড়া? ডেভিডের তুলনায়ও কম জানে সে, আকাট মূর্খই বলতে হবে। জাদুকরের কাছে যখন ছিল, নাচ হয়তো শিখেছে, তবে শুধু বোধ হয় তারের ওপরই নাচতে পারে। কিন্তু ক্লাব, হোটেল বা পার্টিতে লর্ড আর লেডিরা যে নাচ নাচেন, তা তো আর তারের নাচ নয়! সবাই জানে, ডেভিডকে বাদ দিয়ে গিয়েলুমকে বিয়ে করতে কোনোভাবেই রাজি হবে না অ্যামেলিয়া। কাজেই যা সব দিক থেকে সুন্দর ও মানানসই, তা ঘটতে না দিয়ে উল্টোটা ঘটাতে হবে শুনে মি. রাসেল স্বভাবতই ঘাবড়ে গেছেন।

    এত কথা বলে অ্যালারিক যে তাঁকে খানিকটা বিদ্রূপ করল, রাসেল সেটা বুঝতে পারলেন। রাগ হলো তাঁর। পরিবেশ ভুলে তীব্র ভাষায় প্রতিবাদ করতে যাচ্ছিলেন, এই সময় তাঁর সাহায্যে এগিয়ে এল উসাস।

    কঠিন সুরে অ্যালারিককে সে বলল, ‘তোমার সত্যি লজ্জা হওয়া উচিত, অ্যালারিক। যে অপরাধ তুমি করেছ, তার ক্ষমা হয় না। নিষ্পাপ একটি শিশুর জীবন তুমি ধ্বংস করে দিয়েছ। সেই চুরমার হওয়া জীবনটাকে জোড়া লাগিয়ে আবার স্বাভাবিক করার দায়িত্ব নিতে যেকোনো মানুষ ভয় পাবে। মি. রাসেলের সন্দেহ আর দ্বিধার মধ্যে নিন্দনীয় আমি কিছু দেখি না। এসব তিনি ঝেড়ে ফেলে সততার পরিচয় দেবেন, তার চরিত্রে সে দৃঢ়তা আছে, এটা আমি বিশ্বাস করি বলেই প্রমাণগুলো তাঁর হাতে তুলে দিয়েছি। এরপর দেখা যাবে গিয়েলুমের ভাগ্যে কী আছে।’

    আর কারও কিছু বলার নেই। বিদায় নেওয়ার সময় রাসেল জানালেন, দু-একদিনের মধ্যে করণীয় স্থির করার পর অ্যালারিককে তিনি খবর দেবেন। একটা কাগজে বড় এক পুলিশ কর্মকর্তার নাম-ঠিকানা লিখল অ্যালারিক, কাগজটা রাসেলের হাতে গুঁজে দিয়ে বলল, এই ভদ্রলোকের মাধ্যমে খবর পাঠালে যথাসময়ে পেয়ে যাবে সে। তবে কর্মকর্তা ভদ্রলোকের নামে কোনো চিঠি লিখতে নিষেধ করে দিল। তার বাড়িতে ঝুড়িভর্তি উপহার পাঠালেই ভালো হয়, ঝুড়ির গায়ে এক টুকরো কাগজ সাঁটা থাকবে, তাতে লিখতে হবে : ‘সেইন্ট গিয়েলুমের আশীর্বাদ গ্রহণ করুন’। তাহলেই হবে। ঝুড়িটা ভদ্রলোক নিজের জন্য রাখবেন, কাগজটা পাঠাবেন অ্যালারিকের এক ইনফরমারের কাছে, এই ইনফরমার তথ্য সংগ্রহের জন্য রোজই একবার দেখা করে তাঁর সঙ্গে। কাগজটা অ্যালারিকের হাতে পৌঁছালে সে জানবে গিয়েলুমকে পেমব্রোকের আর্ল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব নিতে রাজি হয়েছেন রাসেল।

    ‘দায়িত্ব নিলেই যে খুব তাড়াতাড়ি সফল হব, সে আশা না করাই ভালো, ‘ বললেন রাসেল। ‘এ এক কঠিন সমস্যা। কাজে নামতে হবে আটঘাট বেঁধে, অত্যন্ত সাবধানে। মাঝখানের সময়টা গিয়েলুমকে নিরাপদে রাখার দায়িত্ব আপনারা নিন। আমি যত দিন না সবুজ সংকেত পাঠাই, ওর অস্তিত্ব বা ওর সম্পর্কে কোনো তথ্য বাইরে যেন প্রকাশ না পায়। লোকে যদি জানতে পারে গিয়েলুম ইংল্যান্ডের অতি সম্ভ্রান্ত ও অভিজাত বংশের সন্তান ও উত্তরাধিকার, তাহলে তাঁর জীবনের ওপর হামলাও হতে পারে।’

    অ্যালারিকের শিষ্য জেড চোখ বেঁধে আবার সেই শ্যেন নদীর তিন নম্বর ব্রিজের ওপর পৌঁছে দিল রাসেলকে।

    বিদায় নিল উসাসও, তাকে সুড়ঙ্গপথ পর্যন্ত পৌঁছে দিতে এল আইরিন। তার আসার কারণ হলো, উর্সাসের সঙ্গে সেই শিশুকন্যাটি রয়েছে। বিদায় দেওয়ার সময় নিজের মৃত কন্যার কথা মনে পড়ে যাওয়ায় চোখ ফেটে পানি বেরিয়ে এল তার।

    উর্সাসের কোলে তাজা ফুলের মতো সুন্দর শিশুটিকে দেখে গোলাঘরের মালিক লোকটা তো অবাক। শুধু যে বিস্মিত হলো তা নয়, আনন্দিতও হলো। জানতে চাইল, ‘এটাকে কোত্থেকে নিয়ে এলেন? এর নাম কী?

    ‘আপাতত আমি ওর নাম রেখেছি ডি। ডি মানে কী, জানো? দেবতা। আমাদের মধ্যে একজন পশু আছে, সে আমি—উসাস মানে ভালুক। একজন মানুষও আছে, সে হলো ওই নেকড়েটা–হোমো মানে মানুষ। আর দেবতা হলো এই মেয়েটি—ডি মানে দেবতা। কিন্তু তুমি? তুমি যে কী, এখনো তা আমার জানার সুযোগ হয়নি। হলে তোমারও একটা উপযুক্ত নাম ঠিক করব।‘

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস
    Next Article টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }