Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প157 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ম্যান হু লাফস – ৫

    ৫

    অ্যালারিকের আস্তানা থেকে রাসেল যেন সম্পূর্ণ নতুন এক মানুষ হয়ে ফিরে এসেছেন। তাঁর হাবভাব কারোরই ভালো ঠেকছে না। আচরণে ভদ্রতার কোনো অভাব না থাকলেও আন্তরিকতার অভাব ষোলো আনা। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মানুষটা যেন অনেক দূরে সরে গেছেন।

    খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে হাজারটা প্রশ্ন করলেন লেডি রাচেল। ডাকাতদলের আস্তানা সম্পর্কে ডেভিডের মুখে যে গল্প শুনেছেন, তার সঙ্গে রাসেলের বর্ণনা মেলে কি না দেখতে চান, এ স্রেফ তাঁর কৌতূহলই, অন্য কিছু নয়। কিন্তু তাঁর কৌতূহল মিটল না। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেন রাসেল, মাঝেমধ্যে শুধু ‘হুঁ-হ্যাঁ, উঁহুঁ-না’ করলেন। লেডি রাচেল চেপে ধরতে বললেন, ‘ডেভিড আর আঁদ্রের মুখে সবই তো শুনেছ, আমি আর নতুন কী বলব।’

    লেডি রাচেল বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘ওরা আমাকে তেমন কিছুই বলেনি। এক শুধু আইরিনের কথাই ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে বারবার শোনাচ্ছে। খুব নাকি সুন্দরী, খুব নাকি মিষ্টি গলা! অ্যামেলিয়া তো কানে তুলা গুঁজেছে, আইরিনের কথা শুনতে রাজি নয়। আচ্ছা, সত্যি করে বলো তো, মেয়েটি কি এতই ভালো? একটা ডাকাতনি এত ভালো হয় কী করে?

    রাসেলের জবাব শুনে লেডি রাচেলের মনে হলো, উনি হেঁয়ালি করছেন। ‘মানুষের নাম ভালুক হতে পারলে, বীভৎস চেহারা নিয়ে লর্ড হতে পারলে, ডাকাতনি কেন ভালো মানুষ হতে পারবে না?’

    জবাব শুনে হাঁ হয়ে গেলেন লেডি রাচেল। মাথা খাটিয়ে বোঝার চেষ্টা করেছেন কথাগুলোর মানে। হতাশ হয়ে আবার যখন প্রশ্ন করতে যাবেন, দেখেন কামরা ছেড়ে কখন যেন বেরিয়ে গেছেন রাসেল।

    রাসেল যখন নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন, সবাইকে নিয়ে একটা মিটিংয়ে বসলেন লেডি রাচেল। প্রথমে বক্তব্য রাখল অ্যামেলিয়া ‘বেড়ানোর খরচ হিসেবে যে পঞ্চাশ হাজার পাউন্ড সঙ্গে করে আনা হয়েছিল, সেটা তো বোকামির মাশুল দিতেই বেরিয়ে গেছে। দেশ থেকে আবার টাকা না আনালে তো চলে না।

    নামে শিক্ষিকা হলেও ইতিমধ্যে অ্যামেলিয়ার প্রিয় সখী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বিয়াঁকা। ডেভিড ডাকাতদের হাতে ধরা পড়ার পর অ্যামেলিয়াকে অভয় ও সান্ত্বনা দেওয়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেয় সে। দুই রমণীর সম্পর্ক তাতে আরও অন্তরঙ্গ হয়ে উঠেছে। তাই এই মুহূর্তে অ্যামেলিয়া যা বলছে তা সমর্থন করা তার কর্তব্য হয়ে দাঁড়াল। সে বলল, হ্যাঁ, অবশ্যই। ওই একই পরিমাণ টাকা, অর্থাৎ পঞ্চাশ হাজার পাউন্ডই আনানো দরকার। তবে এখানে আর এক দিনও থাকা উচিত হবে না আমাদের। কারণ, দেশ থেকে টাকা আনা হয়েছে শুনলে ওই অ্যালারিক ডাকাতটা আবার না ছোঁ মারে। গেলে এবার জার্মানিতে যাওয়াই ভালো, সেখানে ফ্রান্সের মতো ডাকাতির ভয় নেই। আমি আরেকটা জায়গার কথা ভাবছি। সেটা হলো ইতালি। লোকে বলে, ইতালিতে না গেলে ইউরোপ ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তবে কিনা, ওখানেও ডাকাতেরা খুব ঝামেলা করে। যাক, ইতালির কথা পরে চিন্তা করলেও চলবে। প্রথমে জার্মানি দেশটা দেখে আসি। দেখে অবাক হওয়ার মতো অনেক জিনিস আছে সেখানে। শুনেছি, প্রতিটি গ্রামে একটা করে কেল্লা আছে। বিশাল সব দৈত্যাকার দুর্গ। ওসব দেখলে বেড়াতে বেরোনোর কোনো মানেই হয় না।’

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    সাহিত্য পত্রিকা
    বিনামূল্যে বই
    বই পড়ুন
    বাংলা ভাষা
    ই-বুক রিডার
    বইয়ের

    ডেভিডের লজ্জা-শরমের কোনো বালাই নেই, অথচ তার ভুলেই পঞ্চাশ হাজার পাউন্ড আক্কেল সেলামি দিতে হয়েছে। সে মায়ের দিকে ফিরে দৃঢ় কণ্ঠে বলল, ‘অ্যামেলিয়াকে এত করে বলছি, কিন্তু সে রাজি হচ্ছে না। ওর অনুমতি পেলে ফ্রান্স সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠাতে চাই এই বলে যে আমাকে একদল সৈন্য দেওয়া হোক, আমি ওই ব্যাটা বজ্জাত দস্যু অ্যালারিককে তার পাতালপুরী থেকে হাত-পা বেঁধে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসি। তাতে দেশটাও নিরাপদ হয়, আমরা আমাদের টাকাও ফেরত পাই। আমি নিজের চোখে দেখেছি, একটা লোহার সিন্দুকে টাকাগুলো ভরে রেখেছে আইরিন। কি হে, আঁদ্রের দিকে তাকাল সে, ‘ঠিক বলছি না?’

    ‘হ্যাঁ, আমিও দেখেছি,’ গলা চড়িয়ে সায় দিল আঁদ্রে। ‘ডাকাত বলেই ওদের মনে ভয়-ডর নেই, আচরণে বেপরোয়া ভাব। তা না হলে আমাদের সামনেই টাকাগুলো সিন্দুকে রাখে! ভাবটা যেন পুলিশ বা সেনাবাহিনীকে থোড়াই কেয়ার করে!

    ‘এর একটাই অর্থ হতে পারে,’ বলল বিয়াঁকা। ‘তা হলো, পুলিশ বলো, সেনাবাহিনী বলো, সবাইকে ওরা কিনে রেখেছে। তা না হলে একদল অপরাধীর এত সাহস হয় কী করে? সরকারের লোকজন আদাজল খেয়ে নামলে অ্যালারিককে ঠিকই এত দিনে গ্রেপ্তার করতে পারত।’

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা গল্প
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কুইজ গেম
    অনলাইন বুক

    নিজের পদমর্যাদা সম্পর্কে যথেষ্ট সজাগ ও গর্বিত অ্যামেলিয়া। বয়সে কিশোরী হলে কি হবে, আশপাশের লোকগুলো যে তার দ্বারাই প্রতিপালিত হচ্ছে, এবং সে-ই যে ওদের কর্ত্রী, এটা সে কখনোই ভোলে না। সে অনুমতি না দেওয়ায় ডেভিড সৈন্য নিয়ে অ্যালারিকের আস্তানায় হামলা করতে যেতে পারছে না, ডেভিডের এই স্বীকৃতি পেয়ে তার গর্ব আরও বাড়ল। এর অর্থ হলো, ডেভিড প্রকাশ্যে ঘোষণা করছে, সে অ্যামেলিয়ার প্রতি অনুগত। শুধু গর্বিত নয়, মনে মনে ভারি খুশিও হলো সে। লেডি রাচেলকে সহাস্যে বলল, ‘আপনার একগুঁয়ে ছেলেকে নিয়ে আমি আর পারি না! চোর-ডাকাতকে

    সামলানো ফ্রান্স সরকারের কাজ, আমরা কেন ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে যাই? গুনে গুনে পঞ্চাশ হাজার পাউন্ড দিতে হলো ঠিকই, কিন্তু লন্ডনে ফিরে আমরা যদি পররাষ্ট্র দপ্তরকে দিয়ে এ বিষয়ে লেখালেখি করাই, ক্ষতিপূরণসহ টাকাটা ফেরত দিতে বাধ্য হবে ফ্রান্স সরকার। কাজেই আমি মনে করি না, আমাদের চিন্তা করার কিছু আছে। আপনি বরং মি. রাসেলকে গিয়ে বলুন, আমাদের লন্ডনের ব্যাংক থেকে কিছু টাকা যেন জার্মানিতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন তিনি। হামবুর্গ, বার্লিন, ফ্রাঙ্কফুর্ট-এই তিন শহরের যেকোনো বড় ব্যাংকে পাঠাতে হবে।’

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা কবিতা
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বুক শেল্ফ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সেবা প্রকাশনীর বই

    ‘কত টাকার কথা বলব?’ ম্লান সুরে জিজ্ঞেস করলেন রাচেল, একটু যেন দ্বিধায় পড়ে গেছেন। ‘পুরো পঞ্চাশ হাজারই?’ রাসেলের মন-মেজাজ ভালো নেই, সেটাই সম্ভবত তাঁর সংকোচবোধ করার কারণ। তাঁকে বিরক্ত করতে সায় দিচ্ছে না মন।

    ‘হ্যাঁ, যদি সম্ভব হয়,’ চেহারায় গাম্ভীর্য এনে নির্দেশদানের সুরে বলল অ্যামেলিয়া। ‘গোটা ইউরোপ বেড়াতে হলে ওই পরিমাণ টাকাই দরকার হবে আমাদের। তবে কথা আছে,’ থেমে সবার ওপর পালা করে চোখ বোলাল সে, ঠোঁটের কোণে সবজান্তার রহস্যময় একটু হাসি, ‘অত টাকা লন্ডন থেকে আনাতে না পারা গেলে আমি একটুও অবাক হব না। ব্যাংকে পঞ্চাশ হাজার পাউন্ড নেই. এ কথা আমি বলছি না। কিন্তু টাকা থাকলেই যে ওড়াতে হবে, এটা কোনো যুক্তির কথা নয়। তা ছাড়া, নগদ দুই লাখ পাউন্ড হাতের কাছে সব সময় জমা না রাখলে আমাদের মতো জমিদারের চলে না। কখন কী খাতে প্রয়োজন হয়। মি. রাসেলকে বলুন, যে পরিমাণ টাকা ব্যাংক থেকে তোলা নিরাপদ, তার বেশি যেন তোলা না হয়। মাথার ওপর গুরুজন যখন একজন রয়েছেন, কিছু কিছু ব্যাপারে তাঁর ওপর নির্ভর করাই ভালো।

    অ্যামেলিয়ার বুদ্ধি, বিবেচনা ও সহৃদয়তার প্রশংসা করতে লাগল সবাই। একবাক্যে স্বীকার করল, হ্যাঁ, তার দূরদৃষ্টি আছে বটে। এত বুদ্ধি নাকি আধুনিক মেয়েদের মধ্যে আজকাল একেবারেই দেখা যায় না। সবচেয়ে বেশি প্রশংসা করল বিয়াঁকা। সে বলল, ফ্রান্সের অতীত ইতিহাসে এমন দূরদৃষ্টি ও বিচক্ষণতা মহারানি ক্যাথারাইন দ্য মেডিচির মধ্যেই শুধু দেখা গিয়েছিল, আর এতকাল পর দেখা গেল অ্যামেলিয়ার মধ্যে। তার ভবিষ্যৎ যে খুবই উজ্জ্বল আর গৌরবময় হতে যাচ্ছে, এ ব্যাপারে বিয়াঁকার মনে নাকি বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    গ্রন্থাগার
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    পিডিএফ
    বাংলা বই
    Library
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা শিশু সাহিত্য

    দেখা যাচ্ছে, পেমব্রোক জমিদারবাড়িতে নিজের স্থান পাকাপোক্ত করার জন্য নির্লজ্জের মতো নির্জলা তোষামোদ করতেও বিয়াকার আপত্তি নেই। বেচারির দোষ কী, নামমাত্র কাজ করতে হয় এমন একটা চাকরির সন্ধানে ঘুরতে ঘুরতে সাতাশ বছর বয়সেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছে সে। এত দিনে তার মনের আশা পূরণ হয়েছে, চাকরির সুবাদে ভালো ভালো খেতে পাচ্ছে, দেশ- বিদেশে বেড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে, মনের সাধ মিটিয়ে কাপড়চোপড় তৈরি করাতে পারছে। এই চাকরিটা স্থায়ী করার বিনিময়ে ‘সম্ভাব্য সবকিছু’ করতে রাজি আছে বিয়াঁকা। তবে তার যে এত বয়স হয়েছে, সেটা ভুলেও কখনো জানতে দেয় না কাউকে। খুব বেশি হলে তেইশ বলে প্রমাণ হিসেবে জন্মতারিখও মুখস্থ করে রেখেছে।

    রাসেলের খোঁজে কামরা থেকে অলস পায়ে বেরিয়ে গেলেন লেডি রাচেল। মনে তাঁর উৎসাহ নেই, তাই পা চলছে না। রাসেল যে তাঁর ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে আছেন, এটা তিনি বেশ বুঝতে পারছেন। কারণটাও আন্দাজ করতে পারেন। তাঁর ছেলে ডেভিডের দোষেই তো পঞ্চাশ হাজার পাউন্ড পানিতে গেল। হ্যাঁ, ডেভিডই দায়ী। একে তো বিদেশ-বিভূঁই, তার ওপর গভীর রাত, কোন সাহসে রাজপথে বেরোতে গেল সে? আইনজীবী রাসেলের বন্ধুভক্তি প্রবল, সে জন্যই তিনি ডেভিডকে ক্ষমা করতে পারছেন না। এই বন্ধুভক্তি এখনো অটুট আছে বলেই নিজে হাতে করে টাকাটা দস্যু অ্যালারিকের আস্তানায় পৌঁছে দিয়ে এসেছেন তিনি, বন্ধুকন্যার স্বামীকে যাতে মুক্ত করা যায়। তবে ক্ষতির পরিমাণ যে খুব বেশি, এ মেনে নেওয়া সত্যি কঠিন, এ কথা প্রকাশ্যে বারবার বলতেও ছাড়ছেন না।

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ই-বই
    Books
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বই পড়ুন
    বাংলা কবিতা
    সাহিত্য পত্রিকা

    দরজা বন্ধ করে নিজের ঘরে বসে আছেন রাসেল। সামনে পড়ে আছে পোঁটলাটা, অ্যালারিকের সেই উপহার। এটা তাঁকে খুলে দেখতে হবে। ভবিষ্যতে কী পদক্ষেপ নেবেন, তা স্থির করতে হলে পরীক্ষা করে দেখা দরকার গিয়েলুমই যে পেমব্রোক জমিদারির উত্তরাধিকার, এটার সপক্ষে কী কী অকাট্য প্রমাণ আছে। গিয়েলুমের দাবি যে ন্যায়সংগত, সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত, ব্যক্তিগতভাবে তাতে রাসেলের কোনো সন্দেহই নেই। কিন্তু তাঁর কথাই শেষ কথা নয়। দেশে আইন আছে, আদালতে উত্তরাধিকার প্রমাণ করতে হবে। আদালত সে দাবি স্বীকার করে না নিলে কুৎসিতদর্শন গিয়েলুম বিশাল পেমব্রোক জমিদারির দখল নিতে পারবে না, লর্ডসভার অতি সম্মানিত আসনে বসার অধিকারও তার জন্মাবে না।

    পোঁটলাটা মাত্র খুলতে যাচ্ছেন রাসেল, দরজায় নক হলো। যতই বিরক্ত হন, রাগ প্রকাশ করা তাঁর স্বভাব নয়। এ নিশ্চয়ই রাচেল এসেছে, ভাবলেন তিনি। অন্য কেউ হলে কাজের কথা শেষ করে তাড়াতাড়ি কেটে পড়ত। রাচেল একবার ঘরে ঢুকলে সহজে আর বেরোনোর নাম করবে না। মুখে বলে বটে কাজ আছে, আসলে গল্প করে সময় কাটাতে আসে। যদি কখনো কাজের কথা তোলেও, সংক্ষেপে সেটা সারতে পারে না। অনেক কাল আগে, সুদূর অতীতে, লেডি রাচেলের সঙ্গে গল্প করতে ভালোই লাগত তাঁর। মহিলার কথা কানে যেন মধু বর্ষণ করত। কিন্তু সে দিন কি আর আছে! এখন রাসেলের বয়স হয়েছে—নিজে কম কথা বলেন, আশা করেন অন্যরাও তাঁর সঙ্গে অল্প কথায় কাজ সারবে।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই পড়ুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

    লেডি রাচেল হাসি হাসি মুখ করে জানতে চাইলেন, ‘খুব ব্যস্ত নাকি? ‘

    ‘খুব না হলেও, হ্যাঁ, ব্যস্ত। কিন্তু তুমি যখন এসেছ, তোমার কথাটাই আগে শুনতে হয়,’ বললেন রাসেল, স্বাভাবিক ভদ্রতা দেখাতে কখনোই তিনি কার্পণ্য করেন না।

    ‘কথাটা হলো…আসলে, অ্যামেলিয়াই আমাকে পাঠাল। সবারই একটা তিক্ত অভিজ্ঞতা হলো, তাই না? এই ঘটনার পর ওরা কেউ আর ফ্রান্সে থাকতে চাইছে না। তুমি ওদের কোথায় নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছ, কবে রওনা হওয়া যাবে, এসব জানতেই পাঠাল আমাকে।’

    ভুরুজোড়া কুঁচকে ঝাড়া এক মিনিট চুপ করে থাকলেন রাসেল। ভাবছেন অ্যামেলিয়ার প্রতি কঠিন হওয়ার এখনই সময় কি না। নানা দিক বিচার- বিবেচনায় রেখে জটিল কয়েকটা অঙ্ক কষে ফেললেন দ্রুত। গিয়েলুমের অধিকার ও দাবি যদি গ্রহণযোগ্য হয়, তাহলে তো অ্যামেলিয়ার পেছনে একটি পয়সাও খরচ করা চলে না তাঁর। এমনকি ঠিক এই মুহূর্তে গিয়েলুমের দাবি গ্রহণযোগ্য বলে মনে না হলেও অ্যামেলিয়াকে বাজে খরচ করার সুযোগ তিনি দিতে পারেন না। জানতে পাঠিয়েছে নতুন কোন দেশে বেড়াতে যাওয়া হবে। নতুন দেশ মানে নিশ্চয়ই জার্মানি, ইতালি বা স্পেন। যেখানেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত হোক, তার জন্য টাকা লাগবে। কম টাকায় বেড়ানো হয় না, বেশ মোটা টাকাই লাগবে। কিন্তু অত টাকা তিনি কোথায় পাবেন? পেমব্রোকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা আছে বটে, কিন্তু পরিমাণে তা এত বেশি নয় যে ভ্রমণ খাতে আরও বিশ বা ত্রিশ হাজার পাউন্ড খরচ করা যাবে। তা করা হলে একসময় তাঁকেই জবাবদিহি করতে হবে। অ্যামেলিয়ার শখ মেটানোর জন্য খরচ করা হলেও, হিসাব দেওয়ার দায়িত্ব পুরোটাই তাঁর ঘাড়ে। ডেভিডের মুক্তিপণ হিসেবে এই যে সাড়ে উনপঞ্চাশ হাজার পাউন্ড বেরিয়ে গেল, এটা মেনে না নিয়ে তার কাছে কৈফিয়ত চাইতে পারেন আদালত। প্রশ্ন উঠবে, টাকাটা তিনি কার জন্য খরচ করেছেন? অ্যামেলিয়ার জন্য হলে এ প্রশ্ন উঠত না। কিন্তু মুক্তিপণ দেওয়া হয়েছে ডেভিডের। কোথাকার পানি কোথায় গড়াবে, কেউ বলতে পারে না, শেষ পর্যন্ত যদি কোনো কারণে অ্যামেলিয়ার সঙ্গে ডেভিডের বিয়েটা না হয়, এই উনপঞ্চাশ হাজার পাউন্ড তাঁকে নিজের পকেট থেকে মাশুল দিতে হবে।

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা কমিকস
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা গল্প
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

    বিয়েটা হবে না? হবে কি না বলা সত্যি কঠিন। এই মুহূর্তে ওদের ঘনিষ্ঠতা দেখে সবাই অবশ্য বলবে যে এ বিয়ে ভাঙা কারও পক্ষেই এখন আর সম্ভব নয়। কিন্তু দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে রাসেল জানেন, আজ যেটাকে সম্ভব বলে মনে হয়, কাল ঠিক সেটাই অসম্ভব হয়ে দেখা দেয়।

    তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, অ্যামেলিয়ার লাগাম টানার এখনই সময়। মেয়েটার ঘাড়ের ওপর তলোয়ার ধরা হয়েছে—ওই পোঁটলাটা। আগে দেখতে হবে ওই তলোয়ার তার ঘাড়ে পড়ে কি না। এই ব্যাপারটা না মিটলে নতুন কোথাও বেড়াতে যাওয়ার কথা চিন্তা করা যাবে না।

    রাসেল চুপ করে আছেন এক মিনিটও হয়নি, কিন্তু রাচেলের মনে হলো অনন্তকাল অপেক্ষা করে আছেন তিনি। রাগ হচ্ছে তাঁর। এত কী চিন্তা করার আছে? ভাব দেখে মনে হচ্ছে টাকাগুলো যেন রাসেলেরই, তাই খরচ করতে খারাপ লাগছে। আরে বাপু, তুমি তো পরের ধনে পোদ্দারি করো। পেমব্রোক জমিদারির সব টাকার মালিক তো অ্যামেলিয়া, তুমি শুধু দেখেশুনে রাখো। যার টাকা সে খরচা করবে, তাতে তোমার কী? হ্যাঁ, এ কথা ঠিক যে আল গুস্তাভের উইলে বলা হয়েছে রাসেলই অ্যামেলিয়ার অভিভাবক এবং জমিদারির পরিচালক। কিন্তু তারও একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ আছে। সেই মেয়াদ যতই শেষ হয়ে আসছে, ততই মাতব্বরি ফলানোর চেষ্টা করছেন রাসেল। মরার আগে বুড়ো লোকদের সংসারের প্রতি টান বাড়ে, রাসেলের বেড়েছে টাকার প্রতি। তা-ও কথা ছিল এই টাকা যদি তাঁর নিজের হতো।

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    অনলাইন বুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বই পড়ুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    পিডিএফ

    অবশেষে মুখ খুললেন রাসেল। নরম সুরে, শান্ত ভঙ্গিতে বললেন, ‘বুঝলে রাচেল, সমস্যাটাকে ছোট করে দেখার উপায় নেই। আমাদের বেড়ানোটা বোধ হয় এখানেই শেষ করতে হলো।’

    হাত-পা ছড়িয়ে, আরামকেদারায় গা এলিয়ে দিয়েছিলেন রাচেল। আচমকা এক লাফে দাঁড়িয়ে পড়লেন। কর্কশ সুরে চিৎকার জুড়ে দিলেন তিনি। ‘কী বললে? বেড়ানো শেষ? তা কীভাবে হয়! একে একে ইউরোপের সবগুলো বড় শহর ঘুরব, এটাই তো আমাদের প্রোগ্রাম ছিল, নয় কি? আর এখন বলছ প্যারিসে এক চক্কর দিয়েই দেশে ফিরে যেতে হবে! এর মানে কী, বলো তো?’ মৃদু হেসে রাসেল বললেন, ‘কী আর করা, ওই এক চক্কর দিতেই তো সব টাকা ফুরিয়ে গেল।’

    লেডি রাচেল দপ করে জ্বলে উঠলেন। ফাটা বাঁশের মতো বেসুরো গলায় জিজ্ঞেস করলেন, ‘পেমব্রোক জমিদারির হাল কি এতই করুণ যে পঞ্চাশ হাজার পাউন্ডের বেশি খরচ করার সামর্থ্য নেই?’

    ‘রাচেল, ব্যাপারটা তুমি ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখছ না। জমিদারির খরচ কি একটা? আমার পরামর্শ হলো, জমিদারির যে মালিক, সেই অ্যামেলিয়াকে জিজ্ঞেস করে এসো সে কি চায় জমা টাকার শেষ পয়সাটি পর্যন্ত খরচ করে ফেলবে? যাও, সে কী বলে শুনে এসো।’

    আরও দেখুন
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা কমিকস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    অনলাইন বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা শিশু সাহিত্য

    ‘অ্যামেলিয়াই তো আমাকে পাঠিয়েছে, তাকে নতুন করে তো কিছু জিজ্ঞেস করার নেই,’ বললেন রাচেল। ‘সে দেশে ফেরার জন্য মোটেও প্রস্তুত নয়। সবাই জানে, তার বেড়ানোর শখ এখনো মেটেনি।’

    ‘তবু যাও, সে কী বলে শুনে এসো,’ বললেন রাসেল। ‘প্রশ্নটা কীভাবে করতে হবে বুঝতে পারছ তো? তাকে জিজ্ঞেস করতে হবে, সে কি চায় ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট খালি হয়ে যাক?’

    ‘উত্তরে যদি অ্যামেলিয়া বলে, খরচের কথা পরে ভাবা যাবে, আগে বেড়ানোর শখটা মিটুক, তখন কী হবে? তার কথা মেনে নেবে তুমি?’

    তখনকার কথা তখন ভাবা যাবে। সে কী বলে শোনা যাক আগে।’ কী আর করবেন লেডি রাচেল, দুপদাপ পায়ের আওয়াজ তুলে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন, যাচ্ছেন অ্যামেলিয়ার খাস কামরার দিকে I

    অ্যামেলিয়ার খাস কামরায় চার মাথা এক হয়েছে। ওরা চারজন গভীর মনোযোগের সঙ্গে একটা ম্যাপ দেখছে—অ্যামেলিয়া, ডেভিড, বিয়াঁকা ও আঁদ্রে। ম্যাপটা জার্মানির, তাতে ট্যুরিস্টদের সুবিধার জন্য দর্শনীয় স্থানগুলো চিহ্নিত করা আছে, কোথায় কোন পথে যাওয়া নিরাপদ ও সহজ, তা-ও উল্লেখ করা হয়েছে।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বইয়ের
    বাংলা ভাষা
    বইয়ের
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা কমিকস
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

    এক হওয়া চার মাথার ওপর বোমার মতো বিস্ফোরিত হলেন লেডি রাচেল। এতই রেগে গেছেন, মুখে কথা জড়িয়ে যাচ্ছে। কী কথার পর কী কথা বলছেন, খেই থাকছে না। আসল কথাটা কী বলতে চান, তা বুঝতে বেশ কষ্ট হলো অ্যামেলিয়ার।

    সারমর্মটুকু যখন বুঝতে পারল অ্যামেলিয়া, অভিমান আর অপমানে জ্ঞান হারিয়ে ফেলল বেচারি। কাউকে বলতে হলো না, কখন কী করা দরকার জানে বিয়াঁকা—সঙ্গে সঙ্গে অ্যামেলিয়ার শুশ্রূষা শুরু করে দিল সে। আর ডেভিড? সে বুক ফুলিয়ে মায়ের সামনে দাঁড়াল, স্বভাবসুলভ অনুমতি প্রার্থনাকাতর ভঙ্গিতে বলছে, ‘তুমি শুধু অনুমতি দাও, মা, তারপর দেখো বেইমান উকিলটাকে কী রকম শায়েস্তা করি আমি! তার এই অনধিকার চর্চা অবশ্যই আমি মেনে নেব না! তার বিরুদ্ধে আমি ফ্রান্সের আদালতে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ দায়ের করব। অ্যামেলিয়ার এত বড় অপমান! অপমান! মা, এ-ও তুমি আমাকে সহ্য করতে বলো?’

    আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আঁদ্রে তখন বাতাসে তলোয়ার চালানোর প্র্যাকটিস করছে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে যে আয়নায় নিজের প্রতিফলনই তার টার্গেট, যদিও আসলে তা নয়। একবার ডান পাঁজরে তলোয়ার হাঁকায় তো পরের বার বাম পাঁজরে। দু-একবার গলাকেও টার্গেট করল। গোটা আয়নাটাকেই জ্যান্ত মি. রাসেল হিসেবে কল্পনা করছে সে। বেয়াড়া বৃদ্ধ রাসেলকে শায়েস্তা করার এটাই একমাত্র উপায় বলে মনে হয়েছে অসিযোদ্ধা আঁদ্রের। চারজন টগবগে তরুণ-তরুণীর বহু দিনের লালিত স্বপ্ন নতুন নতুন দেশে ঘুরে বেড়াবে, হাতের ময়লা টাকার ঘাটতির কথা তুলে তাতে যে লোক বাদ সাধে, তার বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন বুক
    বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কমিকস

    তবে যা কিছু ঘটল, সবই বৃদ্ধ রাসেলের চোখের আড়ালে। তিনি যে খুব কঠিন একটা ভূমিকা নিয়েছেন, তাতে আর সন্দেহ কী। তাঁকে ঘাঁটাবে, এ সাহস কারও হলো না। রাচেলও অ্যামেলিয়ার জবাব নিয়ে তার কাছে ফিরে যেতে রাজি হলেন না।

    সবাই ধরে নিল, রাসেলই ওদের কাছে আসবেন। কিন্তু তিনি এলেন না। ডিনারের টেবিলেও তাঁকে অনুপস্থিত দেখা গেল। পরে জানা গেল, কিচেনে আগেই খবর পাঠিয়েছিলেন তিনি, বয়-বেয়ারারা সরাসরি তাঁর ঘরেই ডিনার পরিবেশন করছে। খবরটা শুনে পরস্পরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করল ওরা।

    পরদিন সকালে লেডি রাচেলকে একটা চিঠি দিল একজন বয়। রাসেলের চিঠি। তাতে তিনি লিখেছেন—

    ‘ডিয়ার লেডি রাচেল, হঠাৎ জরুরি কাজে ভোরের ট্রেন ধরে লন্ডনে ফিরে যেতে হচ্ছে আমাকে। বিদায় নেওয়ার জন্য তোমাদের ঘুম ভাঙাতে মন চাইল না। আশা করি, তুমি কিছু মনে করবে না। তোমাদের সঙ্গে লর্ড ডেভিড আছে, তার সাহায্য নিয়ে সম্ভব হলে কালই লন্ডনে ফিরে যেয়ো। কাল যদি একান্ত সম্ভব না হয়, পরশু অবশ্যই ফেরা চাই। কারণ, দেরি করলে হোটেলের বিল বাড়বে। আমার কাছে অতিরিক্ত কোনো টাকা নেই, যা ছিল তা কাল তোমাকে দিয়েছি। ইতি, রাসেল।

    কথাটা ঠিক, দস্যু অ্যালারিকের আস্তানার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে লেডি রাচেলকে পাঁচ শ পাউন্ড দিয়েছিলেন বটে রাসেল।

    লেডি রাচেল ভাবছেন, এ কি চিঠি, নাকি বিষাক্ত তির?

    দিনটা অ্যামেলিয়া আর ডেভিডের জন্য কঠিন শোক বয়ে আনল। দুজন হাত ধরাধরি করে নতুন নতুন দেশে বেড়াবে, তাদের এই স্বপ্ন-সাধ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে পালিয়ে গেছেন রাসেল। আর বিয়াঁকা ও আঁদ্রের জন্য দিনটা হতাশার অন্ধকারে ডুবে যাওয়ার। এই দুই ফ্রেঞ্চ তরুণ-তরুণী দীর্ঘ দিন সংসার নামক অকূল দরিয়ায় হাবুডুবু খাচ্ছিল, কোনো ঘাটেই ভিড়তে পারছিল না। নাবালিকা কাউন্টেস অ্যামেলিয়ার চাকরি ওদের নাগালের মধ্যে যেন স্বর্গ এনে দিয়েছিল। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, নিয়তি তাদের সঙ্গে নিষ্ঠুর এক খেলায় মেতেছে। কাউন্টেস অ্যামেলিয়ার পাষাণহৃদয় অভিভাবক যে ক্ষমতা দেখালেন, নিজের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে ওদের। অ্যামেলিয়া যে বৃদ্ধ রাসেলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল, তাতে আর কোনো সন্দেহ নেই। তাহলে ওই কিশোরীর ভরসায় দেশ ছেড়ে যাওয়াটা কি তাদের উচিত হবে? রাসেল যদি তাদের পছন্দ না করেন, এককথায় শেষ করে দিতে পারেন চাকরির মেয়াদ। তখন তারা কোথায় যাবে?

    নিজেদের মধ্যে আলোচনা করল ওরা। তবে একমত হতে পারল না। আঁদ্রে যুক্তি দেখাল, তলোয়ার খেলা শেখার লোক ইংল্যান্ডে খুব বেশি পাওয়া যাবে না। কেন, লর্ড ডেভিডই তো প্যারিসে আসার আগে খেলাটা শেখার কোনো গরজ অনুভব করেনি! এ থেকে কী বোঝা যায়? ইংল্যান্ডের অভিজাত সমাজে শাস্ত্রচর্চায় ভাটা পড়েছে, তাই না? কাজেই কিসের আশায় ওখানে যাবে আঁদ্রে? ডেভিডকে শেখানোর চাকরিটা বড় বেশি ঠুনকো, যেকোনো মুহূর্তে বিনা নোটিশে নট হয়ে যেতে পারে। কারণ, ডেভিড নয়, তাকে বেতন দেওয়ার মালিক ওই হাড়কিপটে বুড়ো রাসেল।

    না, প্যারিস ছেড়ে যাবে না সে। অন্তত এখুনি তো প্রশ্নই ওঠে না। ডেভিড যখন সাবালক হবে, বিয়ে করবে অ্যামেলিয়াকে, তখন না-হয় একবার চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে পুরোনো সম্পর্কটা নতুন করে ঝালাই করা সম্ভব কি না। সুযোগ-সুবিধা পেলে থেকে যাবে ইংল্যান্ডে, তা না হলে দেশের ছেলে দেশে ফিরে আসবে।

    বিয়াঁকা তার সঙ্গে একমত হলো না। গত সাত বছরে চৌদ্দ জায়গায় কাজ পেয়েছে সে, রাখতে পারেনি একটাও। চাকরি ধরে রাখার জন্য যেসব গুণ থাকা দরকার, তা তার নেই। এ দেশে যে সে সুবিধা করতে পারবে না, এটা পরিষ্কার। তার চেয়ে অ্যামেলিয়ার সঙ্গে যেতে পারলে অনেক লাভ। হাড়কিপটে বুড়োটা যদি কোনো অজুহাতে অ্যামেলিয়ার নাচ ও গান শেখা বন্ধও করে দেন, তাহলে সখী হিসেবেও তো অ্যামেলিয়া তাকে রেখে দিতে পারে। আর নিজের চেষ্টায় যদি সফল হয় সে, অর্থাৎ খেয়ালি কোনো মানুষকে যদি পটাতে পারে, তার সাহায্য নিয়ে লন্ডনের কোনো পাড়ায় নাচ- গানের স্কুল খোলাও সম্ভব। এরকম যদি সত্যি ঘটে, বিয়াকার আর চিন্তা কী! স্কুল যদি শিক্ষক বা শিক্ষয়িত্রীর নিজের হয়, সেখানে মাস্টারি করতে বিদ্যার প্রয়োজন হয় না।

    ওদের সিদ্ধান্ত পাকা হয়ে গেল। আঁদ্রে আপাতত যাবে না। বিয়াঁকা যাবে।

    আরও সিদ্ধান্ত হলো—লেডি রাচেল, অ্যামেলিয়া ও বিয়াঁকাকে নিয়ে কালই লন্ডনের ট্রেন ধরবে ডেভিড।

    পরদিন বিদায় নেওয়ার সময় আঁদ্রেকে ডেকে ডেভিড আশ্বাস দিল, এক বছর পর অ্যামেলিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হবে, আর বিয়েটা হওয়ামাত্র সে ডেকে পাঠাবে তাকে। ইংল্যান্ডের অভিজাত সমাজে আজকাল আর অস্ত্র চালানো শেখার আগ্রহ নেই তেমন, তা না থাকলেও কোনো ক্ষতি নেই, কারণ শিখতে ইচ্ছা না হলে ডেভিড তাকে তার জমিদারির ম্যানেজার করে হলেও নিজের কাছে রেখে দেবে।

    আর বৃদ্ধ রাসেলকে নিয়ে কী করবে ডেভিড? অ্যামেলিয়ার সঙ্গে আগে বিয়েটা তার হোক, ডেভিড তাকে পেমব্রোকের ধারেকাছেও ঘেঁষতে দেবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস
    Next Article টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }