Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প157 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য ম্যান হু লাফস – ৬

    ৬

    ওদের ফেলে একা ইংল্যান্ডে ফিরে আসার পেছনে বিশেষ একটা উদ্দেশ্য আছে বৃদ্ধ রাসেলের। তাঁর ইচ্ছা, ওরা ফিরে আসার আগেই পেমব্রোক হলঘরটা একবার তন্নতন্ন করে খুঁজে দেখতে হবে।

    লন্ডনে না গিয়ে ডোভার থেকে সোজা তিনি পেমব্রোকে চলে এসেছেন। তাঁকে একা ফিরতে দেখে চাকরবাকরেরা অবাক হলেও প্রশ্ন করার তারা কে? আইনজীবীর ক্ষমতা সম্পর্কে তারা জানে, সব টাকা-কড়িই তো তাঁর হেফাজতে। যার হাতে টাকা থাকে, সে-ই ওই টাকার মালিক, চাকরবাকরেরা তাকেই মান্য করে ও ভয় পায়।

    কেউ কিছু জিজ্ঞেস না করলেও তাদের অনুচ্চারিত প্রশ্নের একটা দায়সারা গোছের জবাব নিজে থেকেই দিলেন রাসেল। ‘লর্ড ডেভিড হঠাৎ একটা দুর্ঘটনায় পড়ে যায় তো, তাই ওদের ফিরতে দু-একদিন দেরি হবে। ঈশ্বরের কৃপায় রক্ষা পেয়েছে ঠিকই, তবে মানসিক ধাক্কাটা খুব কাহিল করে ফেলেছে তাকে। এই অবস্থায় নতুন আরেকটা দেশে বেড়াতে যাওয়াটা উচিত নয়।

    চাকরবাকরদের বিদায় করে দিয়ে হলঘরের প্রকাণ্ড এক টেবিলের পেছনে এসে বসেছেন রাসেল। এই টেবিল সামনে নিয়ে, এই চেয়ারেই বসে পরলোকগত আর্ল গুস্তাভ জমিদারি-সম্পর্কিত লেখালেখির কাজ করতেন। পুরোনো দিনের স্মৃতি তাঁকে কষ্ট দিচ্ছে, প্রথম দশ মিনিট তিনি চুপচাপ মন খারাপ করে বসে থাকলেন। আর্ল গুস্তাভ শুধু যে তাঁর মক্কেল ছিলেন, তা নয়; পরস্পরের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধুও ছিলেন তাঁরা। গুস্তাভ যখন বেঁচে ছিলেন, মাঝখানে এই টেবিল রেখে কতবার মুখোমুখি বসেছেন তাঁরা, ব্যক্তিগত ও বৈষয়িক কত অসংখ্য বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

    গুস্তাভ মারা যাওয়ার পর প্রয়োজন না পড়ায় এই হলঘরে বড় একটা আসা হয়নি রাসেলের। জমিদারির খাজনা আদায়ের দায়িত্ব গোমস্তাদের ওপর, তারা নিয়মিত লন্ডনে গিয়ে আদায় করা টাকা জমা দেয়, খুঁটিনাটি প্রতিটি বিষয়ে তাঁর কাছ থেকে নিয়ে আসে প্রয়োজনীয় নির্দেশ। হলঘরের এই টেবিলের সঙ্গে জমিদারি পরিচালনার কোনো সম্পর্ক নেই, কাজেই রাসেল বা অন্য কারও এই ঘরে ঢোকার প্রয়োজন পড়ে না।

    তবে গুস্তাভ টেবিলের কোন দেরাজে কী কাগজ রাখতেন, তা স্পষ্ট মনে আছে রাসেলের। তাঁকে ধরে নিতে হবে, তিনি মারা যাওয়ার পর সেসব কেউ নাড়াচাড়া করার সুযোগ পায়নি। ঘরের ভেতর ঢোকাই তো সম্ভব নয়, কারণ দরজায় তালা মারা আছে। টেবিলেরও প্রতিটি দেরাজে তালা দেওয়া। ঘরের চাবি অবশ্য হেড বাটলারের কাছে থাকে, তবে দেরাজের চাবি এক রাসেল ছাড়া আর কারও কাছে নেই।

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন বুক
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    গ্রন্থাগার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বুক শেল্ফ

    হলঘরে ঢুকেই ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। চাকরদের আগেই বলে দিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই তাঁকে বিরক্ত করা যাবে না।

    দশ মিনিট চেয়ারে বসে থাকার পর শার্টের পকেট থেকে চামড়ার একটা পাউচ বের করলেন রাসেল। পাউচ থেকে বেরোল এক গোছা চাবি। প্রতিটি দেরাজ খুলতে আলাদা চাবি লাগে।

    দেরাজগুলোয় তল্লাশি চালিয়ে গোপন ও চমকপ্রদ কিছু পেয়ে যাবেন, এমনটি রাসেল আশা করছেন না। নিজের বিবেচনায় যেসব জিনিস গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছিলেন গুস্তাভ, তার সবই তিনি রাসেলের হাতে তুলে দিয়ে গেছেন। এখন এখানে শুধু পাওয়ার কথা গুস্তাভের দৃষ্টিতে অপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বহীন দু-একটা কাগজ। তবে পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছে, যার ফলে অপ্রয়োজনীয় হিসেবে পড়ে থাকা একটা কাগজও রাসেলের কাছে মূল্যবান বলে বিবেচিত হতে পারে।

    যেমন একটা ডায়েরি।

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন বই
    অনলাইন বুক
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য

    নিয়মিত বা ধারাবাহিক নিজের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা লিখে রাখবেন, অতটা ধৈর্য ও নিষ্ঠা আর্ল গুস্তাভের ছিল না। ডায়েরি লেখার কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে বলেও তিনি মনে করতেন না। মানুষটি ছিলেন অত্যন্ত আবেগপ্রবণ। অবশ্যই তিনি নিষ্ঠুর ছিলেন না, বরং দয়া ও ক্ষমা করার প্রবণতাই তাঁর চরিত্রের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল। অ্যালারিকের ওপর অন্যায় অত্যাচার করা হয়েছে, এই কাহিনি রাসেল অ্যালারিক ছাড়া অন্য কারও মুখে শুনলে অবশ্যই বিশ্বাস করতেন না যে তাঁর সদা হাস্যময় নম্র-ভদ্র ধর্মভীরু বন্ধুটি কারও পিঠে বিশ ঘা চামড়ার চাবুক মারার আদেশ দিতে পারেন। অভিযোগ যখন স্বয়ং ভুক্তভোগী অ্যালারিকের এবং তার কথা অবিশ্বাস করার কোনো কারণও যেহেতু খুঁজে পাননি, তখন অজুহাত হিসেবে নিজেই একটা ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছেন তিনি—নিশ্চয়ই কোনো অজ্ঞাত কারণে আর্ল গুস্তাভের মনে ভয়ানক একটা বিপর্যয় ঘটে গিয়েছিল, ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা সাময়িকভাবে হারিয়ে ফেলেছিলেন, তা না হলে অ্যালারিককে তিনি এতটা কঠিন শাস্তি দিতেন না।

    একের পর এক দেরাজ খুলছেন রাসেল।

    প্রথমটায় ঘোড়দৌড়ের একগাদা টিকিট। দ্বিতীয়টায় বাড়িঘরের কয়েকটা নকশা—শেষ জীবনে আর্ল গুস্তাভ প্রজাদের জন্য সস্তায় ভদ্রোচিত বাসগৃহ নির্মাণের একটা প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন, তবে কাজ শুরু করার আগেই মারা যান। আরেকটা দেরাজে পাওয়া গেল রাজ্যের নথিপত্র। পরেরটায় একগাদা চিঠি। এসব একসময় গুস্তাভের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কিন্তু রাসেলের জন্য এখন কোনোই গুরুত্ব বহন করে না।

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বুক রিডার
    বাংলা লাইব্রেরী
    Library
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    দশ নম্বর দেরাজে পাওয়া গেল লম্বা একটা খাতা। প্রথম সাত-আটটা পাতায় গুস্তাভের হাতের লেখা চিনতে পারলেন রাসেল, খাতার বাকি পাতা সব সাদা। ঠিক সাদা বলা চলে না, অনেক কালের পুরোনো হওয়ায় রং বদলে হলদেটে হয়ে গেছে কাগজে রং।

    রাসেল পড়তে শুরু করলেন। স্ত্রীর মৃত্যুতে গুস্তাভ শোকে কাতর হয়ে পড়েন। মনের দুঃখ প্রকাশ করবেন, এমন কাউকে হাতের কাছে পাননি, তাই এই খাতায় দু-চারটা কথা লিখেছিলেন।

    কয়েক পাতা পর নিজের সন্তান গিয়েলুমের কথা লিখেছেন আর্ল গুস্তাভ। গিয়েলুমকে তিনি যে কতটা ভালোবাসতেন, তার প্রমাণ পাওয়া গেল এই লেখায়। ছেলেকে তিনি ক্ষীরের পুতুল, আকাশের চাঁদ, নাইটিঙ্গেলের গান ইত্যাদির সঙ্গে তুলনা করেছেন, তার পরও সঠিক বর্ণনাটি দেওয়া গেল না বলে অতৃপ্তি প্রকাশ করেছেন। লিখেছেন, ‘পুত্র আমার অফুরন্ত আনন্দের উৎস, পুত্ৰ আমার স্বর্গীয় সংগীতের ঝংকার, আমার পতিত আত্মাকে উদ্ধারের জন্য অবতীর্ণ এ নতুন আরেক যিশু।

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা কবিতা
    অনলাইন বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    অনলাইন বুক
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    পাতা ওল্টাচ্ছেন রাসেল। লিখিত পাতাগুলো শেষ হয়ে এল। মনে মনে হতাশ তিনি, কাজে লাগার মতো কিছুই তো পাওয়া গেল না। এমনকি অস্পষ্ট কোনো সূত্রও কোথাও নেই। রাসেল অন্যমনস্ক হয়ে পড়লেন। পরের পাতাগুলোয় কিছু লেখা নেই, তবু খেয়ালের বশে উল্টে যাচ্ছেন। একসময় খাতা শেষ হয়ে এল। আরেকটা পাতা ওল্টালেন তিনি, এটাই বোধ হয় শেষ। আরে, একি! দুই পৃষ্ঠাজুড়ে এসব কিসের দাগ? মনে হচ্ছে কালি দিয়ে ছাপ দেওয়া হয়েছে!

    কালির দাগ ভালো করে পরীক্ষা করার আগে নিচের লেখাগুলো পড়লেন রাসেল। আর্ল গুস্তাভ স্পষ্ট অক্ষরে নিজের হাতে লিখেছেন, ‘এগুলো আমার ছেলে গুইনপেলেনের তিন বছর বয়সের আঙুলের ছাপ।’

    ওহ্, গড! গিয়েলুমের আঙুলের ছাপ! রাসেলের বুকে গরম রক্ত ছলকে উঠল। হ্যাঁ, তাই তো, আঙুলের ছাপই বটে। বাম দিকের পৃষ্ঠায় পাশাপাশি পাঁচটা আঙুল বাম হাতের। ডান দিকের পৃষ্ঠায় আরও পাঁচটা আঙুলের ছাপ ডান হাতের। পেয়েছেন! পেয়ে গেছেন! তাঁর পরিশ্রম সার্থক! গিয়েলুম যে আর্ল গুস্তাভেরই ছেলে, এর সপক্ষে অকাট্য প্রমাণ খুঁজছিলেন তিনি, ভাগ্যগুণে ঠিক সেটাই পেয়ে গেছেন। আর কোনো চিন্তা নেই। কদাকার চেহারার যে কিশোর উর্সাসের আশ্রয়ে রয়েছে, সে-ই আর্ল গুস্তাভের হারিয়ে যাওয়া ছেলে গিয়েলুম কি না, তা এখন প্রমাণ করা পানির মতো সহজ। বৃদ্ধ রাসেল এত খুশি হয়েছেন, তাঁর নাচতে ইচ্ছা করছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ইসলামিক বই
    অনলাইন বুক
    বইয়ের
    বাংলা বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ভাষা

    গিয়েলুমের এই ছাপের সঙ্গে যদি কদাকার চেহারার ছেলেটার আঙুলের ছাপ মিলে যায়, তাহলে নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হবে যে এই ছেলেটাই গিয়েলুম। সে ক্ষেত্রে ন্যায্য অধিকার থেকে কেউ তাকে বঞ্চিত করতে পারবে না। একেই কি তাহলে প্রকৃতির বিচার বলে? বাপের পাপে নিষ্পাপ শিশুর ভোগান্তি কম হয়নি। অ্যালারিক প্রতিশোধ নিতে গিয়ে তাকে শুধু অপহরণই করেনি, অপারেশন করে চেহারাটাও চিরকালের জন্য বিকৃত করে দিয়েছে। কিন্তু সেই অ্যালারিকই আবার রাসেলকে ডেকে পাঠিয়ে অতীতের সমস্ত রহস্য খুলে বলেছে। কাকতালীয়ই বটে, রাসেল অ্যালারিকের আস্তানায় উপস্থিত থাকার সময়ই সেখানে উদয় হয় উর্সাস। একটা ছেলের ওপর অন্যায় করা হয়েছে, তার চেহারা বদলে দেওয়া হয়েছে, তাই সুবিচার পাওয়ার আশায় অভিযোগ করতে এসেছে উসাস। অভিযোগ শুনে অ্যালারিক বুঝতে পারেনি, সে হাসবে নাকি কাঁদবে। যে অপরাধ করেছে, না বুঝে তার কাছেই অভিযোগ করতে এসেছে উসাস। সবই কাকতালীয়, কিন্তু মিলিয়ে দেখলে গোটা ব্যাপারটার মধ্যে প্রকৃতির হাত অবশ্যই দেখতে পাওয়া যাবে। গিয়েলুম ছিল শিশু, ফেরেশতা; সে কারও কোনো ক্ষতি করেনি। তার বাপ একটা অপরাধ করেছিলেন, তার শাস্তি একা শুধু বাপ নয়, ছেলেকেও ভোগ করতে হয়েছে। তবে সব শাস্তিরই একটা মেয়াদ থাকে। আল গুস্তাভ মারা গিয়ে শাস্তিটাকে সংক্ষিপ্ত করতে পেরেছেন। হতভাগা গিয়েলুম এত কষ্ট ভোগ করার পরও বেঁচে আছে, মারা যায়নি। তবে তার শাস্তি বা কষ্ট এত দিনে কমল। সামনে এখন তার সুখের দিন। আর তাকে বনে-বাদাড়ে ঘুরে বেড়াতে হবে না। নিজের কদাকার চেহারা দেখিয়ে লোকজনকে অবাক করতে হবে না। তার বিরতিহীন নিঃশব্দ হাসি দেখার জন্য জাদুকরের তাঁবুতে তারা ভিড় করবে না। সভ্য দুনিয়ার যেকোনো আদালত আঙুলের ছাপ মিলে গেছে দেখে রায় দেবেন যে হতভাগ্য এই ছেলেটাই আর্ল গুস্তাভের পুত্র গিয়েলুম।

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    ই-বুক রিডার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    অনলাইন বুক
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    কিন্তু যদি আঙুলের ছাপ না মেলে? সে ক্ষেত্রে প্রমাণিত হবে অ্যালারিক মিথ্যা কথা বলেছে, এ ছেলে গিয়েলুম নয়।

    রাসেল ভাবছেন, এখন তাঁর কী করণীয়? না, কোনো অস্পষ্টতা নেই, তিনি জানেন তাঁকে কী করতে হবে। মনে মনে তারই একটা ছক তৈরি করলেন। অ্যামেলিয়ারা নিজেদের সময়মতো ফিরে আসুক। ওদের অপেক্ষায় এখানে তিনি বসে থাকবেন না। বরং আপাতত ওদের মুখোমুখি না হওয়াটাই তাঁর জন্য ভালো। এরকম উত্তেজনা আর অনিশ্চয়তার মধ্যে আগের মতো নরম সুরে অ্যামেলিয়ার সঙ্গে কথা বলা প্রায় অসম্ভব।

    তাঁর প্রথম কর্তব্য গিয়েলুমের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করা। তাই আজই তিনি লন্ডনে যাবেন। গিয়েই খুঁজে বের করবেন একজন হস্তরেখাবিশারদ। ভদ্রলোককে সঙ্গে নিয়ে কাল বা পরশু আবার তিনি ফ্রান্সে ফিরে যাবেন। আর্ডেনের বাগিচায়, সেই উসাসের সঙ্গে দেখা করতে হবে তাঁকে।

    .

    দস্যু অ্যালারিকের আস্তানাতেই আর্ডেন উদ্যানের কথা শোনেন রাসেল। তখন তাঁর ধারণা হয়েছিল, উসাস সম্ভবত ওই বাগিচাতেই থাকে। কিন্তু প্যারিসে দ্বিতীয়বার এসে তাঁর সে ধারণা মিথ্যা প্রমাণিত হলো।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা গল্প
    বইয়ের
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন বই
    বাংলা উপন্যাস

    অ্যালারিক তাঁকে এক পুলিশ কর্মকর্তার ঠিকানা দিয়ে রেখেছে। তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে ওই কর্মকর্তার মাধ্যমে। অবশ্য অন্য কোনো সূত্র থেকেও রাসেল জেনে নিতে পারতেন আর্ডেন বাগিচা কোথায়, তবে তা জানতে চেষ্টা করলে অনেক কৌতূহলী মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে। লোকে তাঁর পরিচয় জানতে চাইবে। জিজ্ঞেস করবে, জনবিরল একটা জঙ্গলে কী কাজ তাঁর? এসব ঝামেলা এড়ানোর জন্য তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন অ্যালারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করাই সব দিক থেকে ভালো।

    দ্বিতীয়বার প্যারিসে এসেও সেই হোটেল বোর্বোতেই আবার উঠলেন রাসেল। হোটেলে একা শুধু আঁদ্রেকে পাওয়া গেল, অ্যামেলিয়ারা আজ সকালেই ইংল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হয়ে গেছে। আজকের দিনটার রুমভাড়া মিটিয়ে দিয়ে গেছে ডেভিড, তাই ইচ্ছা করলে অ্যামেলিয়ার সম্পূর্ণ স্যুইটটাই রাত বারোটা পর্যন্ত নিজের দখলে রাখতে পারে আঁদ্রে। বর্তমানে সে বেকার, যাওয়ার তেমন কোনো জায়গাও নেই। বিনা খরচায় যতক্ষণ থাকা যায়, থাকবে সে।

    রাসেল হোটেলে উঠলেন সন্ধের দিকে। তখনো তিনি জানেন না যে আগে ভাড়া করা স্যুইট এখনো তাঁদের দখলে আছে। নতুন একটা রুম ভাড়া করার জন্য হোটেলের রিসেপশনে ঢুকলেন তিনি। কাউন্টারের কেরানি তাঁকে দেখে যেন আকাশ থেকে পড়ল। ‘আপনি? আবার?’

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    পিডিএফ
    Books
    বাংলা ই-বই
    বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ই-বুক রিডার
    অনলাইন বুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

    ‘কাজ থাকলে আসতেই হয়। একটা রুম হবে তো?’

    ‘হ্যাঁ, কেন হবে না। কিন্তু আগের স্যুইট তো এখনো আপনাদের দখলেই রয়েছে। ওটা আপনারা খালি করে দেবেন রাত বারোটায়। ওরা সকাল আটটার দিকে গেলেন তো, তাই পুরো দিনটার ভাড়াই কেটে রাখতে হলো। আপনাদের একজন এখনো তো রয়েছেন। ইচ্ছা করলে আপনিও থাকতে পারেন। নতুন আরেকটা রুম ভাড়া করে কেন শুধু শুধু খরচ বাড়াবেন। অবশ্য কালও যদি থাকেন, তখন ভাড়া দিতে হবে।’

    খুশি হন রাসেল। দু’পয়সা বাঁচছে। কিন্তু কাল পর্যন্ত থাকবেন কি? না, সে সম্ভাবনা কম। আজ রাতেই যদি অ্যালারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়, আর্ডেন বাগিচার ঠিকানা জেনে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে হোটেল ছেড়ে বেরিয়ে পড়বেন তিনি।

    এখন তাঁর প্রথম কাজ পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে গিয়ে একটা চিঠি রেখে আসা। কিন্তু চিঠি রেখে ফিরে এলে কি কাজ হবে? ভদ্রলোক জবাব দিতে যদি দু-একদিন সময় নেন? তিনি তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চাইবেন বলেও মনে হয় না। দস্যু অ্যালারিকের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ রাখেন, স্বভাবতই এটা ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি তিনি নেবেন না। তবু সরাসরি দেখা করে অ্যালারিকের ঠিকানা চাইবেন রাসেল, যদি সম্ভব হয়।

    কিন্তু না, সম্ভব হলো না। ভদ্রলোক যে দেখা করতে রাজি হলেন না, তা নয়। বাড়িতেই নেই তিনি। সন্ধের দিকে টহলে বেরিয়েছেন, ফিরবেন সেই সকালে। আর কোনো উপায় না দেখে একটা চিঠি লিখে ডাকবাক্সে ফেলে দিলেন রাসেল। খামে অ্যালারিকের একটা ছদ্মনাম ব্যবহার করলেন।

    রাস্তায় পড়ল একটা রেস্তোরাঁ। রাতের খাবারটা ওখানে বসেই সেরে নিলেন তিনি। হোটেল বোর্রোতে ফিরতে রাত দশটা বেজে গেল।

    আর মাত্র দুই ঘণ্টা এই স্যুইটে থাকা যাবে। অর্থাৎ, রুম একটা ভাড়া না নিয়ে উপায় নেই। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, অন্তত দু-একদিন তো থাকতেই হবে প্যারিসে।

    রিসেপশনে আবার সেই কেরানির সঙ্গে কথা হলো। সে হেসে উঠে বলল, ‘এত ব্যস্ত হচ্ছেন কেন, বলুন তো! রাতটা কাটুক, কাল সকালে সিদ্ধান্ত নেবেন। কথা দিচ্ছি, রাতে আপনাকে স্যুইট খালি করতে বলা হবে না।

    একটু দেরিতে হলেও রাসেল বুঝতে পারলেন, কেরানি কিছু বকশিশ চায়। উপরি পাওনার লোভ যে সমাজের সব শ্রেণির মানুষের ভেতরই সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে আছে, উকিল হওয়ার সুবাদে সেটা খুব ভালো করেই জানেন তিনি। ছোট করে মাথা ঝাঁকিয়ে তিনি বোঝাতে চাইলেন, বকশিশ দিতে তাঁর আপত্তি নেই।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা কমিকস
    Books
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বই পড়ুন

    হাতব্যাগ নিয়ে পরিচিত স্যুইটে এসে ঢুকলেন রাসেল। মনটা কেমন বিষণ্ণ হয়ে আছে। স্যুইটের রুমগুলো যারা হইচই করে সরগরম করে রেখেছিল, তারা কেউ নেই। লেডি রাচেলের কথা মনে পড়ছে। মনে পড়ছে অ্যামেলিয়ার কথা। ওরা না থাকায় নিজেকে তাঁর নিঃসঙ্গ মনে হলো। আঁদ্রেটা আছে বটে, কিন্তু ওটা একটা মানুষ নাকি! ওর সঙ্গ তাঁকে বরং বিরক্তই করবে। রক্ষা এই যে, ওকে এড়িয়ে থাকা সম্ভব। রাত তো কম হয়নি, নিজের ঘরে ঢুকে শুয়ে পড়লে অভদ্রতা হবে না।

    তাকে দেখে একেবারে হকচকিয়ে গেল আঁদ্রে। হড়বড় করে কৈফিয়ত দিতে শুরু করল, কেন সে এখনো এখানে আছে। তারপর নিজেকে তার বোকা মনে হলো, ভাবল আগে তো মি. রাসেল ফিরে আসায় তার আনন্দ প্রকাশ করা উচিত! এরকম দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে একসময় চুপ মেরে গেল সে। রাসেল অবশ্য তার সঙ্গে গল্প জমানোর কোনো আগ্রহ দেখালেন না। শুধু ভদ্রতা দেখিয়ে বললেন, ‘থাকার অন্য কোনো ব্যবস্থা যদি না করে থাকেন, আজ পুরো রাতটাই এখানে আপনি থাকতে পারেন, বারোটার সময় চলে যাওয়ার দরকার নেই। আমি যখন থাকছি, আপনিও থাকতে পারেন।

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা লাইব্রেরী
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    গ্রন্থাগার

    তাঁকে অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাল আঁদ্রে। না, অন্য কোথাও থাকার ব্যবস্থা এখনো তার করা হয়ে ওঠেনি। যদিও মাত্র দুদিন চাকরি করেছে সে, তবু অ্যামেলিয়া তাকে পুরো মাসের বেতনই দিয়ে গেছে। চাকরিটা ছিল অস্ত্রবিদ্যায় ডেভিডকে পারদর্শী করে তোলার, কিন্তু সেদিকে ডেভিডের আগ্রহ না থাকায় তাকে নিয়ে শহরে ঘুরে বেড়ানোটাকেই কাজ বলে ধরে নিয়েছিল সে। মাত্র দুদিনেই সবার সঙ্গে মধুর একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে জন্যই অ্যামেলিয়া পুরো মাসের বেতন দিয়ে তার মস্ত উপকার করে গেছে। অবশ্য স্বীকার করতে হবে যে ডেভিডও সুপারিশ করেছিল। ওদের দুজনের উদারতা সে কোনো দিন ভুলবে না।

    এই মুহূর্তে আঁদ্রের পকেটে পঞ্চাশ পাউন্ড আছে ঠিকই, তবে টাকাপয়সার অভাব মানুষকে যে কী কষ্ট দেয়, তা তার চেয়ে ভালো আর কে জানে? ওই পঞ্চাশ পাউন্ডে হাত দিতে সাহস পাচ্ছে না সে। ভেবেছিল, বারোটার পর হোটেল ছেড়ে রাস্তায় বেরোবে, এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করে পার করে দেবে রাতটা। এরই মধ্যে মি. রাসেল তাকে এখানে রাতটা কাটিয়ে যেতে বলায় ভারি খুশি হয়েছে সে। বাইরে থেকে খেয়ে এসেছে, সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে ফ্লাস্কভর্তি কফি। রাসেলকে সে বলল, ‘যদি কিছু মনে না করেন, এক কাপ কফি খেতে অনুরোধ করব আপনাকে। রাতে শোয়ার আগে এক কাপ কফি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী, সে তো আপনি জানেনই। সত্যি কথাই বলি, মি. রাসেল, এই দুটো দিন আপনাদের আতিথেয়তায় কী আরামেই না কেটেছে! চাকরি হারানোয় কোনো দুঃখ নেই—কাজ জানা থাকলে চাকরি পাওয়া যায়। কিন্তু লর্ড ডেভিডের উদারতা আর কাউন্টেস অ্যামেলিয়ার আন্তরিকতা কোনো দিন আমি ভুলতে পারব না। দুদিনেই তারা একেবারে আপন করে নিয়েছিল আমাকে। বিশ্বাস করুন, ওরা চলে যাওয়ায় আপনজনকে হারানোর ব্যথা অনুভব করছি।

    কে জানে এ তার অন্তরের কথা কি না। কে জানে এ তার অভিনয় কি না। কিন্তু করুণ আবেদনভরা ভাষা আর ভেজা ভেজা চোখ দেখেও অবিশ্বাস আর বিদ্রূপ করতে হলে যে পরিমাণে অভদ্র আর নিষ্ঠুর হতে হয়, বৃদ্ধ রাসেল তা কোনো দিন হতে পারবেন না। সহানুভূতিসূচক মাথা ঝাঁকালেন তিনি।

    উৎসাহ পেয়ে গেল আঁদ্রে। বলল, ‘যদি কিছু মনে না করেন, একটা কথা জিজ্ঞেস করব?’ উত্তরের অপেক্ষায় থাকল না। আবার ফিরে এলেন যে? অবশ্য উকিল মানুষ, নানা কাজে আজ লন্ডন তো কাল প্যারিসে ছুটে যেতে হয়…’

    তাকে থামিয়ে দিয়ে রাসেল বললেন, ‘জরুরি একটা কাজেই ফিরে আসতে হয়েছে। তা, সত্যি কফি খাওয়াবেন?’

    দ্রুত হাতে কফি পরিবেশন করল আঁদ্রে।

    কাপটা হাতে নিয়ে দাঁড়ালেন রাসেল। ‘বড় ক্লান্ত বোধ করছি। কাপটা নিজের ঘরে বসেই খালি করি।’

    ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, ঠিক আছে। কাল সকালেও একবার আপনাকে ধন্যবাদ জানানোর সুযোগ পাব বলে আশা করি,’ বলতে বলতে আড়ষ্ট ভঙ্গিতে আঁদ্রেও চেয়ার ছাড়ল।

    রাসেল চলে গেলেন। একা বসে কফির কাপে চুমুক দিচ্ছে আঁদ্রে। বৃদ্ধ আইনজীবীর কথাই ভাবছে সে। ভদ্রলোককে কেমন যেন গম্ভীর মনে হলো। কোনো রহস্য আছে নাকি? দলের সবাইকে পেছনে ফেলে একা লন্ডনে পালিয়েছিলেন। সবাই চলে যাওয়ার পর আবার একা ফিরে এসেছেন। কী মনে করে? নিশ্চয়ই কোনো উদ্দেশ্য আছে। নাকি লন্ডনে তিনি যানাইনি?

    যতই ভাবছে আঁদ্রে, ততই দিশাহারা বোধ করছে। সন্দেহ প্রবল থেকে প্রবলতর হলো। বুড়ো উকিল দস্যু অ্যালারিকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করেননি তো? অ্যালারিকের হাতে বন্দী হলো ডেভিড, তাতে কি রাসেলের হাত ছিল? তিনিই হয়তো ডেভিডকে আটক করার অসৎ পরামর্শ দিয়েছিলেন অ্যালারিককে। সমাজে ভদ্রবেশী ব্ল্যাকমেলারের অভাব নেই। মুক্তিপণের অর্ধেক টাকা ঘুরপথে রাসেলের পকেটে এসে ঢোকেনি তো? হয়তো নিজের ভাগের টাকাটা অ্যালারিকের কাছ থেকে এখনো পাননি রাসেল, সেটা নিতেই প্যারিসে আবার ফিরে এসেছেন। এমনও হতে পারে যে লন্ডনে যানইনি, প্যারিসেই কোথাও গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন। লন্ডনে যাওয়ার কথা বলেছিলেন ওদের সবাইকে বোকা বানানোর জন্য। স্রেফ একটা ধাপ্পা দিয়েছেন। তিনি চলে গেছেন শুনে বাকি সবাইও যাতে প্যারিস ত্যাগ করে।

    যত ভাবছে আঁদ্রে, ততই জটিল লাগছে ব্যাপারটা। সেই জটিলতার মধ্যে লোভনীয় কী যেন একটা আছে। একসময় সে উত্তেজিত হয়ে পড়ল। মন থেকে কে যেন বলছে, তার জীবনে সুবর্ণ একটা সুযোগ এসেছে। ধরে নেওয়া যাক ধুরন্ধর উকিল একটা ষড়যন্ত্র করেছেন, এখন যদি তদন্ত চালিয়ে আঁদ্রে সেটা উদ্‌ঘাটন করতে পারে, তাহলেই তো কেল্লা ফতে–বিজয়ী বীর হিসেবে অ্যামেলিয়া ও ডেভিডের কাছে ফিরে যেতে পারবে সে। ওদের চাকরি সে করুক বা না করুক, আঁদ্রের প্রতি চিরকাল কৃতজ্ঞতা বোধ করবে ওরা। তা থেকে টাকা, প্রভাব-প্রতিপত্তি, সম্মান, এরকম আরও অনেক কিছুই তো আসতে পারে।

    কফিটুকু খেয়ে পা থেকে জুতা খুলে ফেলল আঁদ্রে। ঘর থেকে বেরিয়ে এল শুধু মোজা পায়ে। হাঁটছে কোনো শব্দ না করে। সামনেই রাসেলের কামরা। দরজার সামনে দাঁড়াল সে। উত্তেজনায় দম আটকে রেখেছে। কামরার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। মনে মনে হতাশ হলো আঁদ্রে। সে জানত, সাধারণত স্যুইটের প্রধান দরজাটাই বন্ধ রাখা হয়, বাকি সব দরজা রাতে শোয়ার সময় ভিড়িয়ে রাখা হয়। আঁদ্রের সন্দেহ আরও জোরালো হলো। যে ষড়যন্ত্র করে, তার মনে নানা ধরনের ভয় থাকে। রাসেল যেহেতু ষড়যন্ত্র করেছেন, নিজেকে তিনি নিরাপদ ভাবতে পারছেন না। তা না হলে ভেতর থেকে দরজায় তালা দেবেন কেন?

    কিহোলে চোখ রেখে কামরার ভেতরটা দেখার চেষ্টা করল আঁদ্রে। কিন্তু সেখানেও উকিলি প্যাচ কষে রেখেছেন রাসেল। কিহোলে চোখ রেখে ভেতরের কিছুই আঁদ্রে দেখতে পেল না। ভেতরের পর্দাটা টেনে দিয়েছেন রাসেল, ফলে কিহোলের ফুটোর সামনে ওই পর্দা একটা দেয়াল তৈরি করেছে।

    আঁদ্রে আরও উত্তেজিত হয়ে উঠল। রাসেল কি ভেতরে বসে গোপন কোনো কাজ করছেন? নিশ্চয় তা-ই, তা না হলে দরজা বন্ধ করার পর পর্দা টেনে দেওয়ার কী দরকার ছিল?

    দরজার গায়ে কান ঠেকাল আঁদ্রে। খসখসে একটা আওয়াজ হচ্ছে না? বুড়ো কি টাকা গুনছে? নাকি কাগজ ওল্টাচ্ছে? লন্ডনবাসী ঘাগু উকিল প্যারিসের হোটেলে বসে এত রাতে কী পড়ছেন?

    না, আর কোনো সন্দেহ নেই। রাসেল যে সোজা পথে চলছেন না, বড় ধরনের কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত, বাজি রেখে বলতে পারে আঁদ্রে। এখন তাহলে তার কী করা উচিত? বুড়োকে কড়া নজরে রাখা। তবে আড়াল থেকে। কারণ, রাসেল যদি বুঝতে পারেন যে তাঁকে সন্দেহ করা হচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গে সাবধান হয়ে যাবেন তিনি। সে ক্ষেত্রে আঁদ্রের প্ল্যান তো ব্যর্থ হবেই, এমনকি সে বিপদেও পড়তে পারে। যে লোক টাকার লোভে তাকে ও ডেভিডকে দস্যু অ্যালারিকের হাতে তুলে দিতে পারে, সে একা আঁদ্রেকে বিপদে ফেলতে পারবে না কেন?

    বিছানায় শুয়েও রহস্যটা নিয়ে অনেকক্ষণ মাথা ঘামাল আঁদ্রে। চোখে ঘুম নামতে ভোর হয়ে এল। সকালে তার জাগার কথা নয়, জাগলও না। স্যুইটের প্রধান দরজায় কড়া নেড়ে ঘুম ভাঙানো হলো তার। ঘড়মড় করে বিছানার ওপর উঠে বসে আঁদ্রে দেখে ঘড়িতে নয়টা বাজে। তাড়াতাড়ি দরজা খুলে দিল সে। সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে হোটেলের স্টুয়ার্ড।

    স্টুয়ার্ড কর্কশ সুরে বলল, ‘জানতে পারি, আপনি কেমন ভদ্রলোক? মি. রাসেলকে তো কিছু বলতে হয়নি, সেই ভোরবেলা স্যুইট ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। অন্য একদল বোর্ডারও সেই ভোরবেলাতেই এই স্যুইট ভাড়া করেছে। অথচ আপনি কী করছেন? না, নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন। এই যে আপনি স্যুইটটা দখল করে রেখেছেন, এর জন্য অন্য একদল ভদ্রলোককে কষ্ট পেতে হচ্ছে। আমাদের হোটেলেরও দুর্নাম হচ্ছে। আশা করি আপনি স্বীকার করবেন, কাজটা ভদ্রতাবিরুদ্ধ?’

    কী বলবে ভেবে পাচ্ছে না আঁদ্রে।

    ‘আপনার ভাগ্য ভালো যে এক দিনের ভাড়া আমরা আপনার কাছে চাইছি না, বোর্ডার পাওয়ায় বেঁচে গেছেন। সে যা-ই হোক, এখন দয়া করে পায়ে জুতা গলিয়ে আপনি যদি স্যুইট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন, ডালপালা গজানোর আগেই ঝামেলাটা আমরা সামলে নিতে পারব বলে মনে হয়। তা না হলে…’

    স্টুয়ার্ডের কথা শোনার জন্য ওখানে তখন আর দাঁড়িয়ে নেই আঁদ্রে। জুতাজোড়া পায়ে গলানোরও সময় দেয়নি নিজেকে, হাতে করে স্যুইট ছেড়ে বেরিয়ে পড়ল। করিডরে উবু হয়ে বসল সে, জুতা না পরে তো আর রাস্তায় বেরোনো যায় না। পায়ে ওগুলো গলানোর সময় দেখল ডাইনিংরুম থেকে তার দিকে সকৌতুকে তাকিয়ে রয়েছে নতুন বোর্ডাররা। কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো তাদের একজন আবার অযাচিতভাবে এগিয়ে এসে নরম গলায় অনুরোধ করল, ‘এত বেলায় খালি পেটে চলে যাবেন না। ব্রেকফাস্ট রেডি।’

    খিদে পেলেও ভদ্রলোকের আমন্ত্রণে সাড়া দিল না আঁদ্রে। তার আত্মমর্যাদায় বাধছে।

    রিসেপশনে ঢুকে কেরানির সামনে দাঁড়াল সে। দেরি করে স্যুইট ছাড়ার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করল, তারপর জিগ্যেস করল, ‘মি. রাসেল হোটেল ছেড়ে চলে গেছেন, নাকি অন্য কোনো রুম ভাড়া নিয়েছেন?

    ‘না, হোটেলেই আছেন তিনি,’ জবাব দিল কেরানি |

    ‘তাহলে তাঁর রুম নম্বরটা দিন আমাকে।’

    আঁদ্রেকে কেরানি চেনে, কাজেই রুম নম্বর দিতে আপত্তি করল না। হোটেল থেকে বেরিয়ে এসে একটা রেস্তোরাঁয় ঢুকে নাশতা খেল আঁদ্রে। তারপর এল এক মেকআপম্যানের দোকানে। আবার যখন হোটেল বোবোতে ফিরল সে, কার সাধ্য দেখে চিনতে পারে তাকে! সারা মুখে শোভা পাচ্ছে লালচে চাপদাড়ি। ঠোঁটের নিচে ঝুলছে ঘন ও চওড়া গোঁফ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস
    Next Article টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }