Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প157 Mins Read0
    ⤶

    দ্য ম্যান হু লাফস – ৮

    ৮

    চুপ করে বসে নেই আঁদ্রে, ইংল্যান্ডে ফিরে এসে কলকাঠি যা নাড়ার সবই নাড়ছে।

    দুদিন পর ইংল্যান্ডে ফিরে রাসেল উপলব্ধি করলেন, পেমব্রোক জমিদারির বাসিন্দারা তাঁর অভিভাবকত্ব বিনা চ্যালেঞ্জে মেনে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    প্রতিপক্ষ দলের মূল বক্তা হিসেবে আবির্ভূত হলেন লেডি রাচেল। ‘সৃষ্টিছাড়া এসব তুমি কী শুরু করেছ, বলো তো! প্যারিসে আমাদের রেখে একা দেশে ফিরে এলে কেন? তারপর আমরা দেশে ফেরার আগেই দ্বিতীয়বার প্যারিসে গেলে কী মনে করে? এসবের মানে কী? ‘

    অনেক কষ্টে নিজেকে শান্ত রাখলেন রাসেল। ‘আর্ল গুস্তাভের উইলে বলা হয়নি যে আমাকে কারও কাছে জবাবদিহি করতে হবে।’

    ‘জবাবদিহি করতে হবে না বলেই তুমি চালচুলাহীন যাযাবরদের সঙ্গে চক্রান্ত করবে? অ্যামেলিয়ার বিরুদ্ধে দাবিদার খাড়া করবে? নেকড়ে-টানা গাড়ির মালিক কোনো এক যাযাবরের সঙ্গে কেন তুমি দেখা করতে গিয়েছিলে, অ্যামেলিয়া তা জানতে চাইছে। তুমি যদি সব কথা খুলে না বলো, অ্যামেলিয়া ধরে নেবে, তুমি তার শুভাকাঙ্ক্ষী নও। ওই খাতাটায় কী আছে, জানতে পারি? যেটা তুমি বিটকেল যাযাবরকে দেখিয়েছ?’

    এ কথা শুনে রাসেল তো একেবারে থ। মুখে কোনো কথা জোগাচ্ছে না। সন্দেহ নেই, তাঁর আর উর্সাসের ওপর নজর রেখেছিল কেউ। কোনো গুপ্তচর? তাঁর হাতে যখন আর্ল গুস্তাভের ডায়েরিটা ছিল, নিশ্চয় তখনই দেখেছে। কে হতে পারে সেই গুপ্তচর? লালচে দাড়িঅলা ঘোড়সওয়ার?

    হঠাৎ আঁদ্রের দিকে ফিরলেন রাসেল। কল্পনার চোখে দেখতে চেষ্টা করলেন আঁদ্রের মুখে চওড়া গোঁফ আর চাপদাড়ি লাগালে কেমন হবে চেহারাটা। একদৃষ্টে তাকিয়ে আছেন, তাঁর মনে হলো, ওই ঘোড়সওয়ার আঁদ্রে ছাড়া আর কেউ হতে পারে না।

    রাসেলের ইচ্ছা হলো, হাতের ছড়ি দিয়ে আঁদ্রের পিঠে বেশ কয়েক ঘা বসিয়ে দেন। অনেক কষ্টে নিজেকে সংযত রাখলেন তিনি। পেমব্রোক ছেড়ে তখুনি লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হয়ে গেলেন। এদের কাছাকাছি থাকা এখন আর নিরাপদ বলে মনে হচ্ছে না।

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা কবিতা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    পিডিএফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা গল্প

    আর্ল গুস্তাভের নিখোঁজ ছেলে আবার কোনো দিন ফিরে আসতে পারে, অন্তত অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ হয়তো আর্ল গুস্তাভের ছেলে বলে কাউকে সাজিয়ে আনতে পারে, এ ধরনের একটা ভয় যে সব সময় আছে, নানা প্রসঙ্গে রাসেলই ওদের বিভিন্ন সময়ে এ কথা বলেছিলেন। তখন তাঁর কথায় কেউ গুরুত্ব দেয়নি, হেসেই উড়িয়ে দিয়েছে। আজ রাসেলের রহস্যময় আচরণ দেখে ওদের মনে হলো, তিনি হয়তো সেই নিখোঁজ ছেলের সন্ধান পেয়েছেন বা পাওয়ার চেষ্টা করছেন। আবার এমনও হতে পারে, লোভে পড়ে নকল একজনকে গিয়েলুম হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন জমিদারির মালিক হওয়ার আশায়। ডেভিড মন্তব্য করল, এ ব্যাপারে দস্যু অ্যালারিকেরও মদদ থাকতে পারে। যেদিন মুক্তিপণ দেওয়া হলো, সেদিন সে আর আঁদ্রে হোটেলে ফিরে আসার পরও রাসেল ওই দস্যু সরদারের আস্তানায় অনেকক্ষণ ছিলেন। কেন? এই প্রশ্নের জবাব রাসেল কাউকে দেননি। তাঁর নীরবতা সন্দেহজনক।

    ওরা সবাই মিলে পরামর্শ করতে বসল। রাসেল যদি ওদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করেন, ওরা কি হাল ছেড়ে দিয়ে রাস্তায় গিয়ে আশ্রয় নেবে? ডেভিড বলল, ‘এ আমি কিছুতেই মেনে নেব না। আমি শেষ পর্যন্ত লড়ব।’

    তাকে সমর্থন করল আঁদ্রে।

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    Books
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা গল্প
    বাংলা বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার
    PDF

    লেডি রাচেলও সায় দিয়ে মাথা ঝাঁকালেন। তাঁর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, ডেভিড পেমব্রোকের আর্ল হবে। সে আশা পূরণ করার জন্য তিনিও শেষ পর্যন্ত লড়বেন।

    লেডি রাচেল তাঁর জীবনে একা শুধু রাসেলকেই বন্ধু হিসেবে পাননি, তাঁর আরও অনেক বন্ধু আছে। ছেলে আর্ল হবে, তিনি হবেন একজন আর্লের গর্বিত জননী, তারই ব্যবস্থাপনায় ব্যস্ত থাকার দরুন ইদানীং তাঁদের প্রতি খানিকটা অবহেলা করা হয়েছে। তবে সে এমন কোনো ত্রুটি নয় যে সংশোধন করা যাবে না। লেডি রাচেল বুদ্ধি করে তাঁর পুরোনো এক আইনজ্ঞ বন্ধুর কাছে গিয়ে ধরনা দিলেন।

    আইনজ্ঞ বন্ধু তাঁকে আশ্বস্ত করে বললেন, আগে দেখা যাক না মি. রাসেল কী করেন। আর্ল গুস্তাভের নিখোঁজ সন্তান সত্যি যদি ফিরেও আসে, আদালতে নিজের পরিচয় প্রমাণ করা তার জন্য খুব কঠিন হবে। প্রায় অসম্ভবই। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই অ্যামেলিয়ার পক্ষে লড়বেন বৈকি পুরোনো বন্ধু মি. আর্ভিং। খরচ? সে জন্য লেডি রাচেলকে ভাবতে হবে না—ভবিষ্যতে দ্বিগুণ ফিরে পাওয়ার শর্তে সব খরচ তিনিই করবেন। তবে কিনা এ ব্যাপারে লিখিত একটা দলিল থাকা চাই।

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    সাহিত্য পত্রিকা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    Books
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা কুইজ গেম
    পিডিএফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    ই-বই ডাউনলোড

    আর্ভিং ভুল কিছু বলেননি। আর্ল গুস্তাভ তাঁর ডায়েরিতে ছেলের হাতের ছাপ রেখে গেছেন, সে কথা তো আর তাঁর জানা নেই। মি. রাসেল এই মোক্ষম অস্ত্রটার কথা এখন পর্যন্ত প্রতিপক্ষদের কাউকে জানতে দেননি। তাই রোমাঞ্চকর এই মামলার কথা যে শুনছে, সে-ই নেতিবাচক ভঙ্গিতে মাথা নেড়ে বলছে, ‘এত কাল পর কি এরকম একটা জটিল মামলা দাঁড় করানো সম্ভব? মি. রাসেল প্রবীণ ও অভিজ্ঞ আইনজীবী, এরকম বোকামি করা তাঁকে মানায় না। কেন, অ্যামেলিয়া কাউন্টেস হলে ক্ষতি কী? ডেভিডকেও তো আর্ল হিসেবে বেশ মানাবে কি মানাবে না, এই একটাই চিন্তা তাদের। ন্যায়-অন্যায় নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নয় কেউ। সমাজে যেন বাইরের সৌন্দর্য-সৌষ্ঠবেরই যা কিছু মূল্য। হাজার গলদ থাকুক ভেতরে, বাইরে যেন তা প্রকাশ না পায়।

    .

    আইনজীবী রাসেল সত্যি সত্যি মামলা ঠুকে দিয়েছেন। ভদ্রলোক অ্যামেলিয়ার শুভানুধ্যায়ী ও অভিভাবক ছিলেন, মামলার সুবাদে হয়ে উঠেছেন প্রতিপক্ষ। তবে আর্ভিংয়ের মাধ্যমে একটা আপসরফার প্রস্তাবও পাঠিয়েছেন তিনি। নিজের নয়, এক অর্থে আর্ল গুস্তাভেরই প্রস্তাব। তাঁর রেখে যাওয়া উইলের শর্ত থেকে এই প্রস্তাব বেরিয়ে এসেছে। সেটার সারমর্ম ব্যাখ্যা করলেন আর্ভিং। আর্ল গুস্তাভের নিখোঁজ ছেলে যদি কোনো দিন ফিরে আসে, অ্যামেলিয়াকেই তার বিয়ে করতে হবে। সে বিয়েতে অ্যামেলিয়া যদি রাজি না হয়, পেমব্রোক জমিদারি থেকে একটি পয়সাও সে পাবে না। আর যদি গুস্তাভের ফিরে আসা ছেলে বিয়েতে অমত করে, তার স্বার্থেও আঘাত লাগবে। আর্ল উপাধি আর জমিদারির খানিকটা অংশ সে পাবে বটে, কিন্তু অর্ধেকটাই চলে যাবে অ্যামেলিয়ার নামে। তখন অ্যামেলিয়া যাকে খুশি তাকে বিয়ে করতে পারবে।

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন বুক
    বাংলা কমিকস
    বাংলা বই
    বাংলা লাইব্রেরী

    প্রস্তাবের সঙ্গে নিজের মন্তব্যও জুড়ে দিয়েছেন রাসেল—এখন অ্যামেলিয়া যদি গিয়েলুমকে বিয়ে করতে রাজি হয়, তাহলেই সব সমস্যার ইতি ঘটে। তাহলে আর মামলা লড়ারও কোনো প্রয়োজন থাকে না। উভয় পক্ষের সম্মতিতে পুরো জমিদারির মালিক হতে পারে গিয়েলুম, অ্যামেলিয়াকেও নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।

    এই ব্যবস্থায় একমাত্র ডেভিডই পথে বসে। অ্যামেলিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে না হলে স্রেফ রাস্তার ভিখারি হয়ে যাবে সে। বয়স খুব কম নয়, কিন্তু কোনো কাজই সে শেখেনি। নিজের আয় থেকে একটা দিন নিজের খরচ চালাবে, সে সামর্থ্য তার নেই। তার মানে অবশ্য এই নয় যে তার পকেটে টাকা থাকে না। টাকায় ভর্তিই থাকে পকেট, তবে সেসব আসে অ্যামেলিয়া আর লেডি রাচেলের কাছ থেকে। টাকা আসার এই দুটো উৎস শুকিয়ে গেলে না খেয়ে মরতে হবে ডেভিডকে।

    প্রস্তাবটা শোনামাত্র করুণ চেহারা নিয়ে অ্যামেলিয়ার কাছে ছুটে এল ডেভিড। তবে তাকে মুখ ফুটে কিছু বলতে হলো না। অ্যামেলিয়া নিজে থেকেই তাকে অভয় দিয়ে বলল, ‘আমার ওপর ভরসা রাখো, ডেভিড। আমি কি সেরকম মেয়ে যে এত দিন তোমাকে আশা দিয়ে আজ বিশ্বাসঘাতকতা করব? তোমাকে ত্যাগ করার কথা আমি তো ভাবতেই পারি না। তা ছাড়া গিয়েলুম কে? তাকে আমি চিনি না, চিনতে চাইও না। কী স্পর্ধা, বলে কিনা তাকে আমার বিয়ে করতে হবে! এরকম উদ্ভট প্রস্তাব মি. রাসেলের মতো উন্মাদের পক্ষেই শুধু দেওয়া সম্ভব!’

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা উপন্যাস

    অভয় পেয়ে নাচতে নাচতে আঁদ্রের কাছে ছুটে এল ডেভিড। আঁদ্রের বুদ্ধির তো বেজায় ধার! এ বয়সেই প্রতিটি বিষয়ের ভেতরের তাৎপর্য ধরে ফেলতে পারে সে। সব শুনে মাথা নেড়ে সংশয় প্রকাশ করল, বলল, ‘মামলার রায় কী হবে বলা যায় না। শেষ পর্যন্ত যদি দেখা যায় মি. রাসেল জিতে গেছেন, অ্যামেলিয়ার এখনকার চিন্তাভাবনা বদলে যাওয়া বিচিত্র নয়।’

    ডেভিডের মুখ ম্লান হয়ে গেল। ‘এখন তাহলে কী করব আমি?’

    আঁদ্রে বুদ্ধি দিল, বিয়াঁকার সাহায্য চাও। অ্যামেলিয়ার ওপর বিয়াকার প্রভাব দিনে দিনে বাড়ছে। এই বিয়াঁকা এরই মধ্যে অ্যামেলিয়াকে বুঝিয়েছে যে লেডি রাচেল ও ডেভিড নিজেদের স্বার্থের কথা ভেবে অ্যামেলিয়াকে সৎ পরামর্শ দেবে না। নিঃস্বার্থ উপদেশ পাওয়া যাবে, এই লোভে বিয়াঁকার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েছে অ্যামেলিয়া।

    কাজেই বিয়াঁকাকে দলে টানার জন্য আদাজল খেয়ে লাগল ডেভিড। আঁদ্রে চাইছে ডেভিড বাঁচুক, ডেভিড বাঁচলে সে-ও বাঁচবে। আর বিয়াঁকা ভাবছে, অ্যামেলিয়ার অবস্থা ভালো থাকলে তারও আয় বাড়বে। যে যার স্বার্থ খুঁজছে, তাতে অবাক হওয়ারও কিছু নেই।

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার সেবা
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    বিয়াকার বুদ্ধিতেই আর্ভিংকে খবর পাঠাল অ্যামেলিয়া, ‘আপাতত মামলা চলুক। যখন পরিষ্কার বোঝা যাবে যে আমরা হেরে যাচ্ছি, শুধু তখনই মি. রাসেলের প্রস্তাব গ্রহণ বা বর্জন করার কথা ভাবা হবে। আরেকটা কথা, আপনি দয়া করে ডেভিড বা লেডি রাচেলের সিদ্ধান্তকে আমার সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য করবেন না। তাঁদের স্বার্থ আর আমার স্বার্থ যে অভিন্ন নয়, আশা করি এটা অবশ্যই আপনি বুঝতে পারছেন

    অ্যামেলিয়ার খুব প্রশংসা করলেন আর্ভিং। নাবালিকা হলে কী হবে, ঘটের বুদ্ধি খুব পাকা! তাঁর অবশ্য জানার কথা নয় যে বুদ্ধিটা বিয়াঁকার মাথা থেকে বেরিয়েছে।

    মামলা তার নিজস্ব পথে চলতে লাগল। গিয়েলুম দরখাস্তকারী নয়, তাই আদালতে এখুনি তার উপস্থিত হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। পেমব্রোক জমিদারির তত্ত্বাবধায়ক এবং আর্ল গুস্তাভের রেখে যাওয়া উইলের সংরক্ষক হিসেবে মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী মি. রাসেল। একদিন অবশ্য গিয়েলুমকে আদালতে হাজির হতে হবেই। তবে তা আরও অনেক পরে।

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা উপন্যাস
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা কুইজ গেম
    অনলাইন বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    PDF

    দীর্ঘ দিন ধরে চলল মামলা। বছরের পর বছর পার হয়ে যাচ্ছে, শুনানি শেষ হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এই কয় বছরে একবারই মাত্ৰ আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য ইংল্যান্ডে এল গিয়েলুম। বিরাট আয়োজন করে প্যারিস থেকে লন্ডনে নিয়ে আসা হলো তাকে। লন্ডনে যে কদিন থাকল, তার নিরাপত্তার দিকে কড়া নজর রাখা হলো। হাজিরা দিয়ে প্যারিসে যখন ফিরে গেল, তখনো আয়োজনে কোনো ত্রুটি করা হলো না। সমস্ত খরচই বহন করল অ্যালারিক।

    মাত্র দুই দিনের জন্য ইংল্যান্ডে এসেছিল গিয়েলুম, কিন্তু তাতেই গোটা ইংল্যান্ড তার ওপর বিরূপ হয়ে উঠল। একি কদাকার চেহারা! এই চেহারার একটা প্রাণীকে কি মানুষ বলা যায়? এরকম বিকৃত চেহারা নিয়ে গিয়েলুম ইংল্যান্ডের লর্ডসভায় বসবে, এ কথা ভেবে ভয়ে আঁতকে উঠল রক্ষণশীল ইংরেজ জাতি। ঘৃণায় ছি ছি করতে লাগল তারা। এ ঘটনা যদি ঠেকানো না যায়, তাহলে বলতেই হবে যে দেশে কদর্যতার চর্চা শুরু হয়ে গেছে। ওর মুখের স্থায়ী হাসি কী বীভৎস! সেই হাসি মুহূর্তের জন্যও মুছে ফেলার সাধ্য ওর নেই। ওটা একটা পিশাচ। এখুনি ওকে দেশ থেকে ভাগাও!

    ইংল্যান্ডজুড়ে তোলপাড় শুরু হলো। সমাজপতিরা বিচলিত। রাসেলের দুর্নামে খবরের কাগজগুলো মুখর। আভাসে-ইঙ্গিতে সবাই বোঝাতে চাইছে, গোটা ব্যাপারটাই সাজানো, রাসেলের গভীর ষড়যন্ত্র। সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে অ্যামেলিয়ার প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে। গিয়েলুমের সঙ্গে সুন্দরী কিশোরীর বিয়ের প্রস্তাবটাকে ধিক্কার দিল সবাই, প্রত্যাখ্যান করল ঘৃণার সঙ্গে। আর্ভিং ফাঁস করে দেওয়ায় ইংল্যান্ডের সবাই এখন রাসেলের আপস প্রস্তাবের কথা জানে।

    আরও দেখুন
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বিনামূল্যে বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য

    সময় তার নিজস্ব গতিতে বয়ে চলেছে। পার হয়ে যাচ্ছে বছরের পর বছর। মামলা চলছে শম্বুকগতিতে। কিন্তু গিয়েলুম কী করছে? ফ্রান্সের বন- জঙ্গলে আর দুর্গম গ্রামগুলোয় ঘুরে বেড়াচ্ছে সে, উর্সাসের নেকড়ে-টানা গাড়িতে চড়ে। তবে না, সময়ের এতটুকু অপব্যয় করছে না গিয়েলুম। বিপুল আগ্রহ নিয়ে উর্সাসের কাছে নিয়মিত লেখাপড়া শিখছে সে। তার মাথা খুবই ভালো, অল্প দিনেই বিভিন্ন ভাষার ওপর দখল এসে গেল, তারপর শুরু হলো গোগ্রাসে বিদ্যা ও জ্ঞান আহরণের পালা। একই সঙ্গে ওষুধ তৈরি করাও শিখছে সে।

    এ এক বিচিত্র ও অবিশ্বাস্য কাহিনি। নিশ্চয়ই তার কোনো গভীর মর্মবেদনা ছিল, তা না হলে দেশবিখ্যাত একজন অধ্যাপক সমাজ ও সংসার ত্যাগ করে যাযাবরের জীবন বেছে নেবে কেন? তার অন্তর ছিল স্নেহ- ভালোবাসার বিশাল উৎস, কোনো কারণ ছাড়া নিশ্চয়ই সে সেই উৎসমুখ পাথরচাপা দিয়ে বন্ধ করে দেয়নি। যাযাবর জীবন বেছে নেওয়ার পর কেউ তাকে চিনতে পারেনি, চেনার পথ নিজেই সে খোলা রাখেনি। সবাই তাকে উদ্ভট মানুষ মনে করে, হাতুড়ে চিকিৎসক হিসেবে জানে, ধরে নেয় এই লোককে সম্মান না জানালেও চলে। সবার কাছে তাই সে অবহেলার পাত্র।

    কিন্তু পরিচয় গোপন করে থাকা মহৎপ্রাণ মানুষটি গিয়েলুম আর ডির সংস্পর্শে আসায় স্নেহ-ভালোবাসার সেই উৎসমুখ থেকে পাথরটা সরে গেছে, অন্তরের অন্তস্তল থেকে আবার উৎসারিত হতে শুরু করেছে স্নেহ- বাৎসল্যের অবিরাম ধারা। তবে যাযাবরই রয়ে গেছে উসাস, তার আসল পরিচয় কেউ কোনো দিন জানতে পারবে না।

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ভাষা
    ই-বুক রিডার

    গিয়েলুমের মেধার সত্যি বুঝি কোনো তুলনা হয় না। গত কয়েক বছরে ইতিহাস, অর্থনীতি, সমাজনীতি ও রাজনীতিতে অবিশ্বাস্য পাণ্ডিত্য অর্জন করেছে সে। উর্সাস মনে মনে দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করে, লর্ডসভায় দাঁড়িয়ে গিয়েলুম যেদিন বক্তৃতা দেবে, সেদিন তার জ্ঞানের গভীরতা দেখে স্তব্ধ হয়ে যাবে পৃথিবীর মানুষ।

    দেখতে দেখতে সাতটা বছর কেটে গেল। এত দিনে আদালতে অ্যালারিকের ডাক পড়ল। ডাক এল স্টিফেন ব্রুকের নামে। স্টিফেন ব্রুক, আর্ল গুস্তাভের ব্যক্তিগত বনভূমির সাবেক কর্মচারী। তাকেই চেনেন আদালত, অ্যালারিককে নয়।

    দীর্ঘ সাত বছর ধরে এই দিনটার অপেক্ষাতেই ছিল অ্যালারিক ও আইরিন। এ তাদের প্রায়শ্চিত্ত করার দিন। মানসিকভাবে তৈরিই ছিল ওরা, তবু যখন ডাক এল, পরস্পরের হাত ধরে মুখোমুখি বসল ওরা, নীরবে কিছুক্ষণ চোখের পানি ফেলল। আজই হয়তো তাদের শেষ দেখা। আদালত থেকে অ্যালারিককে সম্ভবত সরাসরি জেলখানায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। আর জেলখানা থেকে হয়তো সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে।

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    অনলাইন বই
    ই-বুক রিডার
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    Library
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    হোক ফাঁসি, তবু তারা প্রায়শ্চিত্ত করতে ভয় পাবে না। সময় নষ্ট না করে ইংল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হয়ে গেল ওরা। ওদের জন্য নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন বাসস্থানের ব্যবস্থা আগে থেকেই করে রেখেছেন রাসেল।

    কাঠগড়ায় সাক্ষী দিতে উঠল অ্যালারিক। প্রথমেই স্বীকার করল, সে-ই স্টিফেন ব্রুক। একসময় এই স্টিফেন ব্রুককে বিনা অপরাধে নির্দয়ভাবে চাবুক মেরেছিলেন পেমব্রোক জমিদার আর্ল গুস্তাভ। হ্যাঁ, মার খেয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার তীব্র ইচ্ছা জাগে তার। সে জন্যই গুস্তাভের একমাত্র সন্তান গুইনপেলন ওরফে গিয়েলুমকে নিয়ে ফ্রান্সে পালায় সে। ফ্রান্সে পৌঁছে শিশু গিয়েলুমের নাকে-মুখে ছুরি চালিয়ে অপারেশন করায়। সেই অপারেশনের ফলে তার মুখের আকার-আকৃতি সম্পূর্ণ বদলে যায়, মুখাবয়বে চিরস্থায়ী আসন পায় কুৎসিত একটা হাসি। না, নিজের হাতে ছুরি চালায়নি সে। এভাবে ছুরি চালাতে সে জানেও না। শিশু গিয়েলুমের মুখে অপারেশন চালায় পেশাদার একদল সার্জন। টাকার বিনিময়ে এই কাজ করতে অভ্যস্ত তারা। বলতে গেলে এটাই তাদের পেশা—অপারেশনের মাধ্যমে শিশুদের চেহারা ধ্বংস করা।

    সবশেষে স্টিফেন ব্রুক জানাল, আদালতে যাকে হাজির করা হয়েছে, সে-ই যে আর্ল গুস্তাভের সন্তান গুইনপেলন ওরফে গিয়েলুম, এ ব্যাপারে তার কোনো সন্দেহ নেই। বহু বছর ধরে এই ছেলে ফ্রান্সে রয়েছে, সে-ও ফ্রান্সে থাকে, তাই ওর দৈনন্দিন খবর নিতে তার কোনো অসুবিধা হয়নি। প্রথম কিছুদিন অবশ্য তার কাছেই ছিল সে, তারপর এক জাদুকর নিজের তাঁবুতে আশ্রয় দেয় তাকে, এখন আছে এক যাযাবর চিকিৎসকের কাছে। জাদুকর ও চিকিৎসক, দুজনই তার পরিচিত।

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা ভাষা
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বইয়ের
    পিডিএফ
    অনলাইন গ্রন্থাগার

    স্টিফেন ব্রুকের ওপর নির্দয় জেরা শুরু হলো। ফলে তার অতীত জীবনের অনেক গুরুতর অপরাধের কাহিনি ফাঁস হয়ে গেল। স্টিফেন ব্রুক ওরফে অ্যালারিক অবশ্য কিছুই গোপন রাখার চেষ্টা করেনি। প্রায়শ্চিত্ত করবে, এই সিদ্ধান্ত নিয়েই কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে সে।

    গিয়েলুম ওরফে গুইনপেলন সম্পর্কে স্টিফেন ব্রুক যে সত্যি কথা বলছে, এটা মেনে নিতে বাধ্য হলেন আদালত। মোক্ষম অস্ত্রটা সবশেষে ব্যবহার করলেন রাসেল। আর্ল গুস্তাভের ডায়েরি। হাতের সেই ছাপ। আদালতকে দেখানো হলো ডায়েরির শেষ পাতায় আর্ল গুস্তাভের নিজের হাতে লেখা। আঙুলের ছাপের নিচে স্পষ্ট অক্ষরে লিখে রেখে গেছেন তিনি : ‘এগুলো আমার ছেলে গুইনপেলনের তিন বছর বয়েসের আঙুলের ছাপ।’

    আদালত আর্ল গুস্তাভের হস্তাক্ষরের নমুনা চাইলেন। নমুনা মিলিয়ে দেখা গেল ডায়েরির ওই লেখা তাঁরই। পেশাদার পরীক্ষকেরা এ ব্যাপারে সবাই একমত হলেন। দুজন লোকের হাতের লেখা কখনোই একরকম দেখতে হয় না, এ তো সবাই জানে।

    সাত বছর মামলা চলার পর অবশেষে আদালত রায় ঘোষণা করলেন। রায়ে বলা হলো, চেহারা বদলে ফেলা হলেও আদালতে হাজির গিয়েলুমই আর্ল গুস্তাভের সন্তান গিয়েলুম। সে-ই পেমব্রোক জমিদারি ও আর্ল উপাধির নির্ভেজাল ও একমাত্র অধিকারী।

    মামলা চলার সময় ইংল্যান্ডেই দীর্ঘদিন থাকতে হলো অ্যালারিককে। তারপর তার অপরাধের স্বীকারোক্তি শোনার পর লন্ডন পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করল তাকে। আইনজীবী অবশ্য তার জামিনের ব্যবস্থা করলেন। তার আইনজীবী মি. রাসেল। বিচার চলছে। তারপর একসময় তারও রায় ঘোষণা করা হলো।

    ইংল্যান্ডে অ্যালারিকের একমাত্র অপরাধ, সে আর্ল গুস্তাভের ছেলেকে অপহরণ করেছিল। এই অপরাধে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলো তাকে। রায় ঘোষণার পর জেলে ঢুকল সে।

    অ্যালারিক ছাড়া পাবে, তারই অপেক্ষায় ইংল্যান্ডে রয়ে গেছে আইরিন। জেলখানার কাছাকাছি একটা বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকে সে, ওপরতলার জানালা দিয়ে সকাল-বিকেল জেলখানার মাঠে অ্যালারিককে হাঁটাচলা করতে দেখতে পায়। ঈশ্বর তাকে পরিত্যাগ করেননি, নিজেকে এই আশ্বাসবাণী শুনিয়ে সান্ত্বনা পাওয়ার চেষ্টা করে সে। তার বিশ্বাস, অনুতাপে দগ্ধ হলে ঈশ্বর অবশ্যই তার প্রতি সদয় হবেন।

    গুরুতর সব অপরাধই ফ্রান্সে করেছে অ্যালারিক। এমনকি গিয়েলুমের অপারেশনও। তার সেসব কুকর্মের বিচার করার অধিকার ব্রিটিশ সরকারের নেই। বিচার যদি করে তো ফ্রান্স সরকার করবে। কিন্তু দেখা গেল, ফ্রান্সের তরফ থেকে এমন কোনো অনুরোধ এল না, যাতে ব্রিটিশ সরকার ফ্রান্সে তাকে ফেরত পাঠাতে বাধ্য হয়। এর কারণ অনেকের কাছেই স্পষ্ট। ফ্রান্সের পুলিশ বিভাগে অ্যালারিকের অনেক বন্ধু আছে, তাদের চেষ্টাতেই ব্যাপারটা ধামাচাপা পড়ে গেছে। অর্থাৎ, অ্যালারিকের গুরুতর অপরাধের একটারও কোনো বিচার হলো না।

    পেমব্রোক জমিদারির কী অবস্থা? এখানকার সমস্যা ভারি জটিল। আৰ্ল গুস্তাভের নিখোঁজ ছেলে গিয়েলুম ফিরে এসে, মামলায় জিতে, নতুন আল হয়েছে। অ্যামেলিয়ারা এখনো পেমব্রোক ছেড়ে চলে যায়নি বটে, কিন্তু এখানে থাকার কোনো অধিকার তাদের আর নেই।

    অনেক দিক চিন্তা করে মি. রাসেল আবার প্রস্তাব পাঠালেন। এখনো সময় আছে, গিয়েলুমকে বিয়ে করুক অ্যামেলিয়া। আশ্চর্যই বলতে হবে, এবার অ্যামেলিয়া এককথায় রাজি হয়ে গেল।

    আর ডেভিড? তার কী হলো?

    ডেভিডকে অ্যামেলিয়া আশ্বাস দিল, ‘বিয়ের পরও তোমার সঙ্গে আমার আগের সম্পর্ক ঠিক থাকবে।’ সে যুক্তি দেখাল, এরকম নীতিহীন কাজ সমাজের ঘরে ঘরে দেখতে পাওয়া যায়। আজকাল এসবে কেউ কিছু মনে করে না।

    অ্যামেলিয়া তো গিয়েলুমকে বিয়ে করতে রাজি হলো, কিন্তু গিয়েলুম? ইতিমধ্যে তার কানে এসেছে, ডেভিড আর অ্যামেলিয়ার বিয়ে অনেক দিন আগেই স্থির হয়েছে। পুরোনো প্রেমিক ডেভিডকে ত্যাগ করে অ্যামেলিয়া তাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে শুনে গিয়েলুম খুশি হতে পারল না। মি. রাসেলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল সে।

    তাতে লাভই হলো অ্যামেলিয়ার। আর্ল গুস্তাভের উইলে বলা হয়েছে, অ্যামেলিয়াকে বিয়ে করতে রাজি না হলে সম্পত্তির অর্ধেকটা হারাবে গিয়েলুম, সেই অর্ধেক সম্পত্তি পাবে অ্যামেলিয়া।

    অ্যামেলিয়া সম্পত্তির অংশ পাওয়ামাত্র লেডি রাচেল ছেলের সঙ্গে তার বিয়েটা তাড়াতাড়ি সেরে ফেললেন। কিন্তু বেচারা ডেভিডের মনে না আছে শান্তি, না আছে আনন্দ। কাউন্টেস হওয়ার লোভে কদাকার একজনকে বিয়ে করতে আগ্রহী হয়েছিল অ্যামেলিয়া, সেই অ্যামেলিয়ার স্বামী হওয়ার মধ্যে কৃতিত্ব বা গৌরব কোনোটাই নেই। কিন্তু উপায় কী! বাধ্য হয়েই বিয়েটা করতে হয়েছে ডেভিডকে। কারণ, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর যোগ্যতা তার নেই। অ্যামেলিয়ার সাহায্য ছাড়া না খেতে পেয়ে মরতে হবে তাকে।

    সব দিক থেকে ঠকল একা শুধু আঁদ্রে। চোট খাওয়া মন নিয়ে নিজের দেশে ফিরে গেল সে। বিয়াঁকার ভাগ্যটা অবশ্য মন্দ নয়। অ্যামেলিয়া তাকে সহচরী হিসেবে নিজের কাছে রেখে দিয়েছে।

    তারপর একদিন লর্ডসভায় এসে মর্যাদার আসনে বসল গিয়েলুম। প্রথমে বোঝা গেল না কী ঘটতে চলেছে। লর্ডরা ফিসফাস শুরু করলেন। কেউ কেউ এত বিস্মিত হয়েছেন যে চোখের পাতা ফেলতে ভুলে গেছেন। দু- একজন হেসে ফেললেন। তাঁদের এই হাসিই সংক্রামক হয়ে ছড়িয়ে পড়ল বিশাল হলঘরে। কত রকম হাসিই না মানুষ হাসতে পারে। কারও হাসি শুনে মনে হলো বিড়াল ডাকছে। আবার কারও হাসি ঠিক যেন কুকুরের কান্না। এই হাসি বা ব্যঙ্গ মোরগের ডাক হলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। নীরবে বসে থাকল গিয়েলুম, তার যেন কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। তারপর বক্তৃতা দেওয়ার ডাক পেল সে।

    বক্তৃতা দিতে উঠে দাঁড়াল গিয়েলুম। সেই মুহূর্তে তার কদাকার চেহারায় এমন সৌম্য গাম্ভীর্য, মহত্ত্বের এমন স্বর্গীয় আভা ফুটে উঠল যে, থতমত খেয়ে গেল উপস্থিত শ্রোতারা। তারপর শুরু হলো তার জ্ঞানগর্ভ ভাষণ। ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে গেল কলগুঞ্জন, ফিসফাস পরিহাস। একটু আগে যারা কুকুর-বিড়াল-মোরগের ডাক ডেকেছেন, তাঁরাই মন্ত্রমুগ্ধের মতো গিয়েলুমের নতুন ভাব আর নতুন তত্ত্বের কথা গভীর মনোযোগ দিয়ে শুনছেন।

    কিন্তু তা বেশিক্ষণ নয়। বক্তৃতা থামতেই গিয়েলুমের কদাকার মুখের দিকে তাকিয়ে অট্টহাসিতে ফেটে পড়লেন সবাই। মাথা নিচু করল গিয়েলুম, সভাকক্ষ ছেড়ে নিঃশব্দে বেরিয়ে এল।

    সেই যে বেরিয়ে এল, জীবনে আর কখনো সেখানে ঢুকল না গিয়েলুম। ইংল্যান্ড ত্যাগ করল সে। প্রতিজ্ঞা করল আর কোনো দিন ফিরবে না। আবার সেই ফ্রান্স, সেই উর্সাসের কাছে ফিরে এল গিয়েলুম। ফিরে এল ডির কাছে, হোমোর কাছে। উসাস, ডি, হোমো—এরা তাকে দেখে ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নেয় না, ব্যঙ্গ করে হেসেও ওঠে না। এরাই তার আপনজন।

    এখানে গিয়েলুমের জীবন খুব সহজ ও আনন্দময়। হোমো গাড়ি টানে, ওরা এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যায়, এক বন থেকে আরেক বনে ঘোরে/লোকালয়ের পাশে গাড়ি থামিয়ে নিজের তৈরি ওষুধ বুড়ো-বুড়িদের মধ্যে বিলি করে গিয়েলুম। তার অবসর সময় কাটে নতুন কেনা রাজ্যের বই-পুস্তকে মুখ গুঁজে। উর্সাসের বইগুলো আগেই সব পড়া হয়ে গেছে, তবে সেগুলোও মাঝেমধ্যে নাড়াচাড়া করে সে। নিজে পড়ে গিয়েলুম, উসাসকেও পড়ে শোনায়। মাঝেমধ্যে ধর্ম ও সমাজতত্ত্বের জটিল বিষয় নিয়ে গুরু- শিষ্যে গভীর আলোচনা হয়। জমিদারি ত্যাগ করে গিয়েলুমের মনে কোনো দুঃখ নেই। এখানে সে বড় আরামে আছে। বড় স্বস্তিতে আছে।

    জমিদারির আয় কম নয়, তা থেকে নিয়মিত টাকা পাঠান রাসেল। গিয়েলুম সে টাকা ছোঁয় না, গরিব-দুঃখীদের মধ্যে দান করে দেয়। উসাস, গিয়েলুম, ডি আর হোমো খুব সুখে আছে। উসাস দিন গুনছে, কবে আরেকটু বড় হবে ডি। আদুরে সোনার পুতুলটা আরেকটু বড় হলেই গিয়েলুমের সঙ্গে তার বিয়ে দিতে পারে সে। ওদের এই বিয়েটাই হবে তার জীবনের শেষ কর্তব্য।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস
    Next Article টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }