Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য রেড ফিঙ্গার – কেইগো হিগাশিনো

    কেইগো হিগাশিনো এক পাতা গল্প226 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রেড ফিঙ্গার – ১১

    অধ্যায় ১১

    প্রাথমিকভাবে নারিমা থানায় একত্রিত হয়েছে তদন্ত দলের সবাই। প্রথম মিটিংটা শুরু হলো দুপুর দু’টোর কিছুক্ষণ পর। টেবিলের একদম মাথার কাছে বসে থাকা এক সহকর্মীর দিকে আড়াল থেকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মাতসুমিয়া। প্রায় দশ বছর পর তাকে দেখল ও। চেহারা বা শারীরিক গঠনে সেরকম কোন পরিবর্তন আসেনি। লম্বা সময় ধরে কেন্দো অনুশীলনের কারণে এমনটা হতে পারে। পিঠ একদম সোজা করে বসে আছে।

    মাতসুমিয়াকে যখন এই কেসটার ব্যাপারে জানানো হলো, তখনই ওর মনে হয়েছিল এই সহকর্মীর সাথে দেখা হয়ে যেতে পারে। কিন্তু দেখাটা ঠিক কোন পরিস্থিতিতে হবে, তা ঠাওর করতে পারেনি ও। লোকটা হয়তো জানে যে মাতসুমিয়া পুলিশে চাকরি নিয়েছে, কিন্তু টোকিও মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে যে পোস্টিং হয়েছে সেটা খুব সম্ভবত জানা নেই।

    মাতসুমিয়া আসার আগেই সে থানায় এসেছে বিধায় ওকে দেখেনি এখনো। সঠিক সময়েই শুরু হয়ে গেল মিটিংটা। শব পরীক্ষক জানিয়েছেন গত দিন বিকাল পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা আটটার মধ্যবর্তী কোন একটা সময়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে ইউনাকে। গলায় শ্বাসরোধের চিহ্ন বাদে পুরো শরীরে আর কোন ক্ষত চিহ্ন নেই।

    পাকস্থলী পরীক্ষা করে জানা গেছে মৃত্যুর আগে আইসক্রিম খেয়েছিল মেয়েটা। এই তথ্য থেকে বলা যায় সেই আইসক্রিমের দোকানটা থেকে ইউনাই আইসক্রিম কিনেছিল সেদিন।

    কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী পার্কটার পাশে বেশ গাড়ি রাখা ছিল বলে জানিয়েছে। অনেকেই জায়গাটা পার্কিং স্পেস হিসেবে ব্যবহার করে। তবে রাতের বেলা কেউ কোন গাড়ি দেখেনি।

    খুনীর সাথে সম্পর্ক থাকতে পারে, এমন কিছু খুঁজে পায়নি পুলিশ। তবে ফরেনসিক টেকনিশিয়ানরা বেশ কিছু আগ্রোহদ্দীপক তথ্য দিয়েছে। ভিক্টিমের পোশাকে বেশ কিছু ঘাস খুঁজে পেয়েছে তারা, জাপানিজ জয়সিয়া জাতের। এখান থেকে অনুমান করা যায় ভিক্টিমের মৃতদেহ কোন একটা পর্যায়ে খুব বেশি যত্ন নেয়া হয় না এরকম কোন বাগানে রাখা ছিল। এছাড়াও ট্রিফলিয়াম রিপেনস (Trifolium repens) বা হোয়াইট ক্লোভার গাছের পাতা পাওয়া গেছে। টেকনিশিয়ানদের মতে জয়সিয়া ঘাসের মধ্যেই জন্মিয়েছে গাছটা।

    কাসুগাইরা যে অ্যাপার্টমেন্টে থাকে সেখানে কোন বাগান নেই। ছোট্ট ইউনা সচরাচর যে পার্কটায় খেলত, সেখানকার গ্লাস ভিন্ন জাতের। গিঙ্কগো পার্কটায় ঘাস জন্মানোর মত কোন জায়গা নেই। আরেকটা উল্লেখযোগ্য তত্য জানিয়েছে ফরেনসিক টেকনিশিয়ানরা। মেয়েটার পায়ের মোজাতেও ঘাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু তাকে পার্কে যখন পাওয়া যায়, তখন তার দুই পায়েই স্নিকার্স ছিল।

    বাচ্চারা মাঝে মাঝে ঘাসের মধ্যে খেলে, সেখানে শুয়েও থাকে। সেক্ষেত্রে জুতা খুলে ফেলাটা অস্বাভাবিক কিছ উনয়। কিন্তু গতকাল সকাল অবধি মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। আশপাশের সব উঠান একদম ভেজা থাকার কথা। তাই ওরকম পরিবেশে কারো জুতা খুলে খেলা বা ঘাসের মধ্যে শুয়ে থাকার কথা নয়। তাছাড়া ইউনার পায়ের স্নিকার্স জোড়ায় ফিতা আছে, সহজে খুলে আসবে না। সুতরাং, সে যে নিজ ইচ্ছায় ঘাসে শোয়নি, তা যে কেউ বুঝতে পারবে।

    এক্ষেত্রে প্রথমেই মাথায় আসবে, মৃত্যুর পর হয়তো ঘাসের উপরে ফেলে রাখা হয়েছিল তাকে; জনবহুল কোন জায়গায় যা একদমই সম্ভব না। আশপাশের সবার নজরে পড়তো ব্যাপারটা। সুতরাং, কোন বাড়ির ভেতরে রাখা হয়েছিল তাকে। খুব সম্ভবত কারো উঠানে।

    এই তথ্যগুলো জানতে খুব বেশি সময় লাগেনি বিধায় নারিমা থানার কর্মীরা আশপাশে কোন কোন বাড়িতে এরকম ঘাস আছে তা খুঁজতে বের হয়। জাপানিজ জয়সিয়া হচ্ছে গোটা জাপানে সবচেয়ে বেশি জন্মানো ঘাস; তাই সংখ্যাটা নেহায়েত কম নয়। আর অপরাধী যদি গাড়ি চালিয়ে অন্য কোথাও থেকে আসে, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে পুরো টোকিও’ই সম্ভাব্য অপরাধস্থল হতে পারে।

    মিটিংয়ে সবাই রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সেসব নিয়েই আলোচনা চলছে। মাতসুমিয়াকে অবাক করে দিয়ে সে যাকে এতক্ষণ লক্ষ্য করছিল, সে-ই কথা বলে উঠলো সবার প্রথমে।

    “আমার নাম কাগা, নারিমা থানায় আছি। এই ডিস্ট্রিক্টের ১ থেকে ৭ নম্বর সেক্টরে মোট চব্বিশটা বাসায় এমন বাগান আছে যেখানে ঘাস জন্মে। সেগুলোর মধ্যে মোট তেরোটা বাগানের ঘাস জাপানিজ জয়সিয়া জাতের। তবে এই তথ্যটা পুরোপুরি ঠিক না-ও হতে পারে। যারা আমাকে তথ্যগুলো দিয়েছে তাদেরও ভুল হওয়ার সম্ভাবনা আছে। বাকি এগারোটা বাড়ির ঘাস কোন জাতের তা এখনো আমরা জানি না। ভিক্টিমের ছবি সবাইকে দেখানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ইউনাকে চিনতে পেরেছে কেবল তিনজন। কিন্তু গত কয়েকদিনে তাদের কারো সাথে দেখা হয়নি মেয়েটার।”

    কাগার কথা শুনেই মাতসুমিয়া বুঝতে পারছে যে গিঙ্কগো পার্কে ইউনার মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া মাত্র কাজে লেগে পড়েছিল সে।

    এরপর অন্য তদন্ত কর্মকর্তারা যার যার রিপোর্ট পেশ করলো। কাগার রিপোর্টের সাথে মিলে গেল তাদের বেশিরভাগ তথ্য। কাজে লাগতে পারে, এরকম নতুন আর কিছু জানা যায়নি।

    সবশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ চিফ সবার উদ্দেশ্যে বললো কি কি করতে হবে সামনে। সবাইকে কাজ ভাগ করে দেয়ার পর শেষ হলো মিটিং। এখন অবধি যে তথ্য উপাত্ত হাতে আছে, সেখান থেকে বলা যাচ্ছে না যে মেয়েটাকে আগে থেকে চিনত কিনা খুনী। ইউনাকে কোনো গাড়িতে করে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এই সম্ভাবনাও প্রবল। মৃতদেহ কাসুগাইদের বাড়ির কাছে পার্কে পাওয়া গেছে, তার মানে এই নয় যে খুনীও একই এলাকার। তার ঠিকানা অন্য কোথাও-ও হতে পারে। কিন্তু ইউনাকে পার্কের টয়লেটে রেখে যাওয়া ইঙ্গিত করছে সে এই এলাকা ভালো করেই চেনে, এই বিষয়ে সবাই মোটামুটি একমত।

    মাতসুমিয়ার সেকশনের প্রধান, ইশিগাকি তার অধস্তন দুই অফিসারকে ডেকে কথা বললো কিছুক্ষণ। খানিক বাদে কাগাসহ স্থানীয় থানার অন্যান্য পুলিশ অফিসারদের সাথেও কথা বললো তিনজন। কি আলোচনা হচ্ছে সেটা জানতে ইচ্ছে করছে মাতসুমিয়ার, কিন্তু না ডাকলে যাওয়াটা অভদ্রতা।

    আলোচনাপর্ব শেষে মাতসুমিয়াদের কাছে ফিরে এলো কোবায়াশি।

    “গিঙ্কগো পার্কের আশপাশে তদন্তের দায়িত্ব আমাদের। কি করতে হবে, সেটা বুঝতেই পারছ নিশ্চয়ই? ঘটনার কোন প্রত্যক্ষদর্শী থাকলে তাকে খুঁজে বের করতে হবে। আর এটাও দেখতে হবে যে নিকট অতীতে পার্কে বা আশপাশে কারো সাথে ইউনার কোন সমস্যা হয়েছিল কিনা। ভিক্টিমের শরীরে যে ঘাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, তা আমাদের তদন্তে সাহায্য করবে। আর তোমাদের কারো চোখে যদি সন্দেহজনক কিছু পড়ে, অবশ্যই খতিয়ে দেখবে।”

    কোবায়াশি সবাইকে যার যার কাজ বুঝিয়ে দিল। “তুমি ডিটেকটিভ কাগার সাথে কাজ করবে।”

    নির্দেশটা শুনে অবাক না হয়ে পারল না মাতসুমিয়া। চেহারাতেও ছাপ পড়লো সেই বিস্ময়ের।

    “তোমার কানে নিশ্চয়ই গেছে যে কাগা কতটা দক্ষ একজন ডিটেকটিভ? আমি বেশ কয়েকবার কাজ করেছি ওর সাথে। খুব যে সহজ হবে, তা বলবো না। কিন্তু কাজ করলে অনেক কিছু শিখতে পারবে।’

    “হ্যাঁ, কিন্তু…”

    “কি?” মাতসুমিয়ার চোখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো কোবায়াশি।

    “নাহ…কিছু না,” মাতসুমিয়া বলে।

    “একসাথে কাজ করতে পারলে ভালোই লাগবে,” এসময় ওর পেছন থেকে বললো কেউ।

    পেছনে ফিরে দেখে কাগা তাকিয়ে আছে ওর দিকে। চোখে ইঙ্গিতপূর্ণ দৃষ্টি। “আমারো ভালো লাগবে,” বললো মাতসুমিয়া।

    কোবায়াশি আর অন্যান্যরা সরে গেল ওখান থেকে।

    “অনেক দিন পর,” মাতসুমিয়া বলে।

    “হ্যাঁ,” স্বভাবসুলভ ভাবালু কন্ঠে বলে কাগা। “লাঞ্চ করেছো?

    “না, এখনো করিনি।”

    “একসাথে করি তাহলে, চলো। ভালো একটা জায়গা চিনি আমি।”

    থানা থেকে বের হয়ে স্টেশনে উল্টোদিকে অবস্থিত শপিং ডিস্ট্রিক্টের দিকে হাঁটতে শুরু করলো ওরা।

    “কেমন লাগছে চাকরি?

    “শিখছি আস্তে আস্তে। সেতাগায়া ডিস্ট্রিক্টে এক গৃহিনী খুন হওয়ার কেসে কাজ করেছি। ওখান থেকে নতুন কিছু বিষয় জানতে পেরেছি, ধীরে ধীরে মানিয়ে নিচ্ছি খুনের ঘটনাগুলোর সাথে।”

    ইচ্ছে করেই এসব বললো মাতসুমিয়া যেন কাগা ওকে একদম নোভিস না ধরে নেয়।

    মুচকি হাসল কাগা।

    “কখনোই পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারবে না। বিশেষ করে তদন্ত করার সময়। ভিক্টিমের পরিবারের কান্না যদি কারো কাছে স্বাভাবিক মনে হয়, তাহলে তার সমস্যা আছে। আমি জানতে চাইছি, ডিটেকটিভের কাজের সাথে মানিয়ে নিতে পেরেছ কিনা। ইউনিফর্ম পরা আর না পরার মধ্যে একটা পাৰ্থক্য আছে, এটা নিশ্চয়ই বুঝে গেছ এতদিনে?“

    “হ্যাঁ।”

    “ভালো। যাইহোক, সময় যত যাবে, আরো উপভোগ করবে কাজ।”

    মূল রাস্তা থেকে কিছুটা ভেতরে একটা ছোট রেস্তোরাঁয় ওকে নিয়ে এলো কাগা। দরজার কাছের টেবিলটায় বসলো দু’জনে। রেস্তোরাঁ মালিকের ব্যবহার দেখে মনে হচ্ছে এখানে সম্ভবত প্রায়ই আসে কাগা।

    “‘এই রেস্তোরাঁর সব খাবার ভালো। গ্রিলড চিকেনের মেন্যুটা দেখতে পারো।”

    “আচ্ছা,” মাতসুমিয়া বলে।

    তবে শেষ পর্যন্ত মাছের একটা আইটেম নিল ও আর কাগা নিল জিঞ্জার গ্রিলড পর্ক!

    “সকালে যখন শুনলাম আমাদের এখানে আসতে, তখনই ভেবেছিলাম তোমার সাথে দেখা হয়ে যাবে হয়তো।”

    “বাহ।”

    “আমাকে দেখে নিশ্চয়ই অবাক হয়েছো?”

    “খুব একটা না। তোমাকে দেখেই মনে পড়েছিল এখন কোথায় তোমার পোস্টিং।”

    “আমি যে মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিপার্টমেন্টে, এটা আগে থেকে জানতে?”

    “হ্যাঁ।”

    “মামা বলেছে তোমাকে?”

    “না। হেডকোয়ার্টারে কি হয় না হয় সেসব নিয়ে অনেক কানাঘুষো চলে স্থানীয় থানাগুলোয়।”

    “ওহ।”

    কাগার পোস্টিং একসময় মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিপার্টমেন্টে ছিল। এখনও নিশ্চয়ই পরিচিত কেউ না কেউ আছে ওখানে।

    “আমাদের যে একসাথে কাজ করতে হবে, তা ভাবিনি। আমার বসের সাথে কথা হয়েছে তোমার?’

    “না। কেন? একসাথে কাজ করলে কোন সমস্যা?“

    “না, না। ওরকম কিছু না। একটু চিন্তা হচ্ছিল আরকি।”

    “শোনো, তুমি চাইলে কোবায়াশির সাথে কথা বলতে পারি আমি।”

    “বললাম তো, কোন সমস্যা নেই,” এবারে আগের তুলনায় তীক্ষ্ন স্বরে কথাটা বললো মাতসুমিয়া।

    টেবিলের উপরে হাত রাখলো কাগা।

    “আমরা যারা স্থানীয় থানায় আছি, তারা সবাই মেট্রোপলিটন পুলিশ থেকে যা যা নির্দেশ আসে, সেগুলো মেনে চলি কেবল। আমাদের একসাথে কাজ করা কাকতালীয় ব্যাপার বলতে পার বড়জোর। আর কিছু না।”

    “সেরকম কিছু কিন্তু বলিনি। আমিও আমার বসের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করি। তাছাড়া কাজের সময় আমরা তো কাজিন না, সহকর্মী।”

    “সেরকমটা হলেই ভালো,” নিস্পৃহ কন্ঠে বলে কাগা।

    ওদের খাবার চলে এলো এসময়। দু’টো ডিশই দেখে দারুণ মনে হচ্ছে। বাসার বাইরে সাধারণত এরকম ভারি খাবার-দাবার কমই খায় মাতসুমিয়া। মা’র রান্নাই ভালো লাগে ওর। কিন্তু কাগা একা থাকে। বিয়েশাদি করেনি; করার ইচ্ছেও নেই। তাই এরকম খাবারের জন্যে রেস্তোরাঁই ভরসা তার, ভাবে মাতসুমিয়া।

    “ফুপুর শরীর ভালো?” চপস্টিকস তুলে নিয়ে বলে কাগা।

    বিস্মিত দৃষ্টিতে তার দিকে তাকায় মাতসুমিয়া। পরমুহূর্তেই চোখ নামিয়ে নেয়। যথাসম্ভব চেষ্টা করছে যেন ওর ব্যবহারে কোন প্রকার ছেলেমানুষী না প্রকাশ পায়। কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর বললো, “হ্যাঁ, ভালো আছে। এখনও আগের মতনই বেশি কথা বলে। তোমার সাথে দেখা হলে খোঁজখবর নিতে বলেছিল, কিন্তু সেটা অনেক আগের কথা। তাছাড়া আমিও জানতাম না কবে আমাদের দেখা হবে।”

    “বুঝেছি।”

    খেতে শুরু করলো মাতসুমিয়া। কিন্তু মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকা চিন্তাগুলো খাবারটা উপভোগ করতে দিচ্ছে না।

    কাগারই খাওয়া শেষ হলো আগে। হাত মুছে পকেট থেকে ফোন বের করে একটা দেখল একবার।

    “কয়েকদিন আগে মামার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম আমি,” মাতসুমিয়া বললো এসময়।

    ফোন নামিয়ে রাখার আগ অবধি মুখ বন্ধ রাখলো কাগা। “ওহ, আচ্ছা,” এমন ভঙ্গিতে কথাটা বললো যেন এই বিষয়ে কোন আগ্রহ নেই।

    হাতের চপস্টিকগুলো নামিয়ে রাখলো মাতসুমিয়া।

    “তোমার নিজেরও যাওয়া উচিত। মামার শরীর এখন একদমই ভালো না। সত্যি বলতে, খুব বেশিদিন সময় আর নেই হাতে। আমি দেখতে গেলে বুঝতে দিতে চায় না, কিন্তু…“

    জবাবে কিছু না বলে চায়ের কাপে চুমুক দিল কাগা।

    “কিয়োচিরো…..

    “তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করো। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে ভাল লাগবে না খেতে। আমাদের কাজও আছে এরপর।”

    আবারো খাওয়ায় মনোযোগ দিল মাতসুমিয়া। পরিবারের ব্যাপারে আলাপ তো ও শুরু করেনি প্রথমে।

    ওর খাওয়া প্রায় শেষ, এমন সময় ফোন বেজে উঠলো পকেটে। কোবায়াশি কল করেছে।

    “ফরেনসিক টেকনিশিয়ানরা কিছু নতুন তথ্য দিয়েছে আমাদের। ভিক্টিমের কাপড়ে এক ধরণে সাদা ফাইবারের উপস্থিতি খুঁজে পেয়েছিল ওরা। ওটা কি সেটা জানা গেছে।”

    “কি? “পলিস্টাইরিন।”

    “ওহ…..” মাতসুমিয়া বলে। এই তথ্য জেনে কি লাভ হবে সেটা মাথায় ঢুকছে না ওর।

    “বাসাবাড়ির জিনিসপত্র রাখার জন্যে সাধারণত পলিস্টাইরিনের বাক্স ব্যবহার করা হয়। টেকনিশিয়ানদের মতে ফাইবারগুলো ওরকম কোথাও থেকে এসেছে।”

    “অৰ্থাৎ…”

    “খুনী খুব সম্ভবত কার্ডবোর্ডের বাক্সতে করে বহন করে এনেছে ভিক্টিমকে, কোবায়াশি ব্যাখা করে বলে। “সেটায় পলিস্টাইরিন ছিল, যেটা ভিক্টিমের কাপড়ে লেগে গেছে।”

    “বুঝতে পেরেছি।”

    “আমরা এখন খুঁজে দেখব পার্কের আশপাশে ওরকম কোন বাক্স খুঁজে পাই কিনা। কে জানে, কাজ শেষে খুনী হয়তো ফেলে দিয়েছে ওটা। তবে সেই সম্ভাবনা কম, বাসাতেই হয়তো নিয়ে গেছে। তোমরা যখন ঘাসের ব্যাপারে তদন্ত করতে বাড়িতে বাড়িতে যাবে, এই বিষয়টা মাথায় রেখো।”

    “ঠিক আছে,” বলে ফোন কেটে দিল মাতসুমিয়া। কাগাকে সব খুলে বললো। “খুব একটা লাভ হবে না,” শেষে যোগ করে দিল ও।

    “মানে?”

    “আমি যদি খুনি হতাম, তাহলে বাসা কাছে হলেও বাক্সটা বাড়িতে ফেরত নিয়ে যেতাম না। গাড়িতে করে নিয়ে দূরে কোথাও ফেলে আসতাম।”

    কাগার চেহারা দেখে বোঝা যাচ্ছে না ওর কথার সাথে একমত কিনা সে। থুতনি দুই হাতের উপরে রেখে ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো
    Next Article দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    Related Articles

    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো

    January 6, 2026
    কেইগো হিগাশিনো

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    ম্যালিস – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }