Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য রেড ফিঙ্গার – কেইগো হিগাশিনো

    কেইগো হিগাশিনো এক পাতা গল্প226 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রেড ফিঙ্গার – ২৪

    অধ্যায় ২৪

    পুলিশের লোক দু’জন বাইরে গিয়ে কোন ব্যাপারে আলোচনা করছে সেটা ভাবছে আকিও। বাগানে তো এই মুহূর্তে খুঁজে পাওয়ার মত আর কিছু নেই। পুলিশের কাছে কি বলবে সেটা নিয়ে লম্বা সময় ধরে আলোচনা করেছে ও আর ইয়াইকো, যাতে ওদের কথায় অসামঞ্জস্যতা না থাকে, কোন ফাঁক ফোকর না থাকে। তদুপরি, ইয়াইকো কেবল একটা বিষয় বাদে বাকি কথাগুলো সত্যই বলেছে। কেবল খুনীর নামটা মাসায়ে না হয়ে নাওমি হবে।

    “বাগানে কি এত আলাপ করছে দু’জন?” ইয়াইকো ওর মনের প্রশ্নটাই করলো।

    “জানি না,” মাসায়ের দিকে তাকিয়ে জবাব দেয় আকিও।

    এই মুহূর্তে ওদের দিকে পিঠ দিয়ে মূর্তির মত স্থাণু হয়ে বসে আছে সে।

    আমাদের হাতে আর কোন উপায় ছিল না, আরো একবার নিজেকে প্ৰবোধ দেয় আকিও।

    কাজটা যে কতটা গর্হিত হয়েছে, সেই ব্যাপারে ধারণা আছে ওর। কিছুদিন আগেও কেউ যদি বলতো ওর পক্ষে এরকম কিছু একটা করা সম্ভব, তাহলে হয়তো বিশ্বাস করতো না তাদের কথা। কিন্তু পরিস্থিতি মানুষকে এমন কিছু কাজ করতে বাধ্য করে যা অবিশ্বাস্য, অকল্পনীয়। ছেলেকে বাঁচানোর জন্যে নিজের মা’কে কেউ আগে দোষারোপ করেছে কিনা, সেই ব্যাপারে সন্দেহ আছে। নরক বলে যদি সত্যি কিছু থেকে থাকে, তাহলে আমার জায়গা সেখানেই, ভাবে ও।

    কিন্তু এছাড়া ওদের হাতে আর কোন উপায়ও ছিল না। স্মৃতিভ্রংশের রোগী ওর মা’কে যদি মূল কালপ্রিট হিসেবে উপস্থাপন করা যায় তাহলে সমাজের মানুষজন ওদের ততটাও বাঁকা চোখে দেখবে না। এমনকি ওদের পরিকল্পনা সফল হলে সবার করুণাও পাওয়া যাবে। নাওমির ভবিষ্যত সেক্ষেত্রে অতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

    আর একবার যদি একথা ছড়িয়ে পড়ে নাওমিই আসল খুনী তাহলে পুরো জীবন তাকে একজন হত্যা মামলার আসামী হিসেবে কাটাতে হবে। ছেলে মানুষ করতে পারেনি বলে আকিও আর ইয়াইকো’কেও ছাড়বে না কেউ। ওরা যেখানেই যাবে, লোকে মুখ ফিরিয়ে নিবে, ওদের একঘরে করে রাখবে।

    ও জানে যে মায়ের সাথে কাজটা ঠিক করা হচ্ছে না। কিন্তু সে নিশ্চয়ই বুঝছে না তার সাথে কি করা হচ্ছে। তাছাড়া স্মৃতিভ্রংশে ভুগছে এমন কাউকে আদালত থেকে শাস্তি দেয়া যাবে কিনা সেই ব্যাপারেও সন্দেহ আছে ওর। নাওমি বা অন্য কোন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তি যে শাস্তি পেত, মাসায়ের শাস্তি নিশ্চয়ই তার চেয়ে কম হবে। কোথায় যেন শুনেছিল ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ ব্যক্তিদের শাস্তির ধরণ আলাদা। আর ওর মা’র মানসিক ভারসাম্য যে ঠিক নেই, তা যে কেউ বুঝতে পারবে।

    তাছাড়া, মাসায়ে নিজেও নিশ্চয়ই নাতিকে বাঁচানোর জন্যে নিজের কাঁধে দোষ টেনে নিতে রাজি হতো। তবে সেজন্যে তাকে পুরো পরিস্থিতিটা বুঝতে হতো।

    সামনের দরজাটা খুলে যাওয়ার শব্দ কানে এলো এসময়। হলওয়ে থেকে পদশব্দ শোনা যাচ্ছে।

    “আপনাদের এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর জন্যে দুঃখিত,” ঘরটায় ঢুকে বললো মাতসুমিয়া।

    কাগা নেই তার সাথে।

    “আপনার সহকর্মী কোথায়?”

    “উনি একটা কাজে বেরিয়েছেন, এসে পড়বেন কিছুক্ষণের মধ্যে। আমি… আসলে জানতে চাইছিলাম আপনারা যা যা বললেন, সেই ব্যাপারে অন্য কেউ জানে কিনা।“

    এই প্রশ্নটার জন্যে তৈরিই ছিল আকিও। মনে মনে উত্তরও ঠিক করে রেখেছে।

    “না, আমরা দু’জন বাদে এই ব্যাপারে আর কেউ জানে না।“

    “আপনাদের ছেলে?“

    “আমার ছেলে…” আকিও সর্বাত্মক চেষ্টা করছে নিজেকে স্বাভাবিক রাখার। “ও কিছু জানে না। আমরা শুরু থেকেই খেয়াল রেখেছি যেন ও কিছু না বুঝতে পারে।”

    “কিছুই জানবে না, এটা কি করে সম্ভব? আপনারা এত কিছু করলেন লাশটা সরানোর জন্যে আর সে কিছু খেয়াল করেনি, এটা হতেই পারে না।”

    এই প্রথম সরাসরি ওর কোন কথার বিরুদ্ধে কিছু বললো মাতসুমিয়া। শুরু হলো তাহলে, ভাবে আকিও।

    “না, আমার ছেলে আসলেই কিছু জানতো না। আপনারা আসার আগে ওকে কিছু ঘটনা বলেছি কেবল, তাও পুরোটা নয়। শুক্রবার বাসায় ফেরার আগে বাইরে কি করেছে ও, সেই ব্যাপারে আসলেও কিছু জানি না আমি। ও আসার আগেই মেয়েটার লাশ পড়ে ছিল বাগানে। একটা কালো প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে ঢেকে রেখেছিলাম আমরা; তাই কিছু খেয়াল করেনি।“

    “আর,” এবারে ইয়াইকো মুখ খুললো। “ও আসলে বাসায় ফিরে নিজের ঘর থেকে খুব একটা বের হয় না। টয়লেটে যাওয়ার সময় কিংবা খেতে ডাকলে নিচে নামে কেবল। পুরো ব্যাপারটাই ওর জন্যে ভীষণ অপ্রত্যাশিত, আসলে

    বয়স কম তো। আপনাদের কাছে অনুরোধ, দয়া করে ওকে এসবের মধ্যে টানবেন না।”

    “অপরিচিত কারো সাথে খুব সহজে মিশতে বা কথা বলতে পারে না, লাজুক স্বভাবের একটু। আপনাদের কোন সাহায্য করতে পারবে বলেও মনে হয় না,” স্ত্রী’র সাথে তাল মেলায় আকিও।

    ওরা কোনমতেই চায় না নাওমির দিকে বিন্দুমাত্র মনোযোগ দিক পুলিশের লোকেরা। এটাই এখন ওদের একমাত্র লক্ষ্য।

    সামনে দাঁড়ানো দম্পতির দিকে এক একে করে তাকালো মাতসুমিয়া।

    “আপনাদের ছেলের সাথে একবার হলেও কথা বলতে হবে আমাদের,” বললো সে কিছুক্ষণ পর। “হয়তো ওর চোখে এমন কিছু পড়েছে, যেটা আর কারো চোখে পড়েনি। আর সেটা আমাদের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ হতেও পারে। তাছাড়া খুনের তদন্তে সম্পৃক্ত সবার সাথে কথা বলাটা নিয়মের মধ্যেই পড়ে…..”

    “সম্পৃক্ত সবাই….” মাতসুমিয়ার কথার পুনরাবৃত্তি করে ইয়াইকো।

    “আপনাদের ছেলে যেহেতু এই বাসাতেই থাকে, সুতরাং তাকে ‘সম্পৃক্ত’ ব্যক্তিদের মধ্যেই গণ্য করা হবে,” মাতসুমিয়া বলে।

    আকিও আর ইয়াইকো দু’জনেই জানে পুলিশের লোকেরা নাওমির সাথে কথা বলবেই। কিন্তু তারা এটা স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিতে চাইছিল যে নাওমি প্রাপ্তবয়স্ক নয়।

    “ওর ঘর কি উপর তলায়? আমি যদি গিয়ে দেখা করি, কোন সমস্যা হবে?”

    মাতসুমিয়ার অনুরোধ শুনে হৃৎস্পন্দন দ্রুত হয়ে গেল আকিও’র। এটা যে কোন মূল্যে এড়াতে চাইছিল ও। নাওমির সাথে কোন পুলিশ অফিসার একা একা কথা বললে ঝামেলা বাড়বে বৈ কমবে না। ইয়াইকো-ও তার সাথে এই বিষয়ে একমত।

    “আমি নিয়ে আসছি ওকে,” ইয়াইকো দ্রুত বলে ওঠে এসময়। স্বামীর মনে কি চলছে এটা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছে সে।

    “ইয়ে মানে…” আকিও বললো। “আমরা অন্য কোন ঘরে গিয়ে বসলে ভালো হতো না? এখানে একটু কেমন যেন লাগছে।” মা’র দিকে তাকালো ও।

    কিছুক্ষণ ভেবে রাজি হয়ে গেল মাতসুমিয়া। তিনজনে ডাইনিং রুমে চলে এলো এবারে। আগের তুলনায় কিছুটা স্বস্তিবোধ হচ্ছে আকিওর। ও ভয় পাচ্ছিল নাওমি যখন শুনবে তার বদলে দাদীকে সবকিছুর জন্যে দোষারোপ করা হচ্ছে, তখন বেঁকে বসতে পারে।

    “আচ্ছা,” বসতে বসতে বলে মাতসুমিয়া। “আপনার মা কি এর আগে কখনো কারো উপরে চড়াও হয়েছিল?“

    “এরকম ঘটনা যে আগে ঘটেনি, তা বলবো না আমি,” আকিও বলে। “আসলে কোন কিছুই তো বুঝে-শুনে করে না। এক-আধটু ঝামেলায় পড়তে হয়েছে আমাদের। এই যেমন হাতের কাছে কিছু পেলে সেটা ছুড়ে মারা। “

    “কিন্তু আপনার বোন তো বলেছে কখনো এরকম কিছু করেননি তিনি।”

    “ও সামনে থাকলে কিছু করে না, এজন্যে বলেছে আর কি।” আকিও’র জবাব শুনে অবাক না হয়ে পারল না তরুণ ডিটেকটিভ।

    সিঁড়ি বেয়ে কারো নেমে আসার শব্দ ভেসে এলো এসময়।

    খানিক বাদে ছেলেকে সাথে নিয়ে ভেতরে ঢুকলো ইয়াইকো। টিশার্টের উপরে একটা হুডি আর একটা সোয়েটপ্যান্ট পরনে ছেলেটার। দুই হাত পকেটে ঢুকিয়ে রেখেছে উদ্ধত ভঙ্গিতে। দেখেই বোঝা যায় কাঁধ ঝুঁকিয়ে হাঁটার অভ্যাস।

    “এই যে নাওমি, ওর কথা বলছিলাম আপনাকে,” ইয়াইকো বললো। “নাওমি, এই ভদ্রলোক একজন গোয়েন্দা।”

    মা’র আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকা শুকনো মতন ছেলেটা একবার মাথা তুলে দেখলও না মাতসুমিয়াকে।

    “দয়া করে একটু সামনে আসবে? তোমার সাথে একটু কথা ছিল,” একটা চেয়ার দেখিয়ে মাতসুমিয়া বলে।

    তার কথা শুনে আড়াআড়ি একটা চেয়ারে বসে ছেলেটা। যেন পণ করেছে পুলিশ অফিসারের দিকে তাকাবে না আজ।

    “তুমি কি জান কি ঘটেছে?“

    আলতো করে মাথা নাড়ে নাওমি। জানে সে।

    “কখন জানলে?”

    “কেবলই।”

    “আরেকটু ভেঙ্গে বলবে?

    ঘড়ির দিকে তাকানোর আগে একবার মা’র দিকে তাকালো নাওমি।

    “আটটার দিকে।”

    “কিভাবে জানলে?”

    এবারে জবাব দিল না নাওমি। পুলিশ অফিসারের কথা সে শুনতে পেয়েছে কিনা তা বুঝতে পারছে না আকিও।

    “আমাকে এসব প্রশ্ন করা হচ্ছে কেন?” এসময় ওর দিকে তাকিয়ে গোমড়া স্বরে বলে নাওমি।

    মাতসুমিয়ার মনে হয় ছেলেটার সাথে আসলেও বোধহয় এসবের সম্পৃক্ততা নেই, সেজন্যেই বিরক্ত হচ্ছে। অন্যদিকে আকিও ভালো করেই জানে ছেলের অপরাধ সম্পর্কে। প্রচণ্ড রাগ হচ্ছে ওর। কিন্তু মুহূর্তে বকাও যাবে না।

    “স্যার আমাদের পরিবারের সাথে কথা বলতে চেয়েছেন। দয়া করে তার প্রশ্নের জবাব দাও।”

    বিরক্তিভাব আরো প্রকট হলো নাওমির চেহারায়। আকিওর ইচ্ছে করছে ঠাস করে গাল বরাবর একটা চড় বসিয়ে দিতে, নিদেনপক্ষে একটা ধমক দিতে। কোনটাই সম্ভব না।

    প্রশ্নের ধরণ পাল্টালো মাতসুমিয়া

    “কার কাছ থেকে জেনেছ ঘটনাটার ব্যাপারে?”

    “মা আর বাবা, পরে…”

    “তারা তোমাকে কি বলেছে, সেটা আমাকে বলতে পারবে?”

    নাওমিকে দেখে মনে হচ্ছে ভয় পাচ্ছে সে। ভুলভাল বললে নিজে ফেঁসে যাবে, এটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছে।

    “বলেছে, দাদি নাকি একটা মেয়েকে মেরে ফেলেছে….”

    “আর এরপর?” ছেলেটার দিক থেকে নজর সরালো না মাতসুমিয়া।

    “এরপর বাবা মেয়েটাকে পার্কে ফেলে রেখে এসেছে। গিঙ্কগো পার্কে। “তারপর?”

    “সবকিছু পুলিশকে জানানোর সিদ্ধান্ত নেয় কারণ এত বড় একটা ঘটনা ধামাচাপা দেয়া সম্ভব না।”

    “এটুকুই?”

    আবারো বিরক্তি ভর করলো নাওমির চেহারায়। মা-বাবার দিকে তাকালো সে। মুখ একবার খুলছে আবার বন্ধ করছে। এই মুহূর্তে ছেলেকে একটা তৃষ্ণার্ত কুকুরের মত দেখাচ্ছে আকিওর কাছে। সাধারণত ভুলভাল কিছু করার পর প্রশ্ন করা হলে এরকম আচরণ করে নাওমি। ছোট্ট মেয়েটাকে খুনের ব্যাপারে তার বক্তব্য হচ্ছে, সে দোষের কিছু করেনি। পুলিশের লোকটা এত প্রশ্ন করছে দেখে এখন নিশ্চয়ই মা-বাবা’র প্রতি রাগ হচ্ছে তার।

    “আর কিছু বলার আছে তোমার?” মাতসুমিয়া জিজ্ঞেস করে।

    “না,” জবাবে বলে নাওমি। “আর কি বলবো!”

    একবার মাথা নেড়ে বুকের ওপর হাত বাঁধে তরুণ অফিসার। মুখে হাসির আভাস। মনের মধ্যে দুশ্চিন্তা আরো প্রগাঢ় হয় আকিও’র। মাতসুমিয়ার মনে কি চলছে তা বুঝতে পারছে না সে।

    “পুরোটা শুনে কি মনে হয় তোমার?”

    “অবাক হয়েছিলাম। “

    “হওয়ারই কথা। কিন্তু তোমার কি ধারণা? তোমার দাদীর পক্ষে এরকম কিছু করা সম্ভব?”

    “দাদী যেহেতু পাগল হয়ে গেছে, তাই কখন কি করছে সেটা বুঝতে পারে না,” মুখ না তুলেই জবাব দেয় নাওমি।

    “এর আগে কখনো কি এরকম কোন কিছু করেছে?“

    “করতেও পারে। আমি ঠিক জানি না। বাসায় সাধারণত দেরি করে ফিরি আমি।”

    “আচ্ছা। শুক্রবারেও বোধহয় দেরি করে ফিরেছিলে, না?”

    জবাব দেয় না নাওমি। আকিওর মতে এবারে সবচেয়ে বিপজ্জনক প্রশ্নটা করেছে মাতসুমিয়া।

    “কোথায় ছিলে সেটাও বলো।”

    “আচ্ছা, শুনুন…” আর চুপ থাকতে পারল না আকিও। “এর সাথে তো কেসটার কোন সম্পর্ক নেই।”

    “দুঃখিত, আপনার কথার সাথে একমত হতে পারছি না। এসব প্রশ্নের জবাব জানতে হবে আমাদের, নতুবা পরে সমস্যা হবে।” শান্ত কিন্তু দৃঢ় স্বরে কথাগুলো বললো মাতসুমিয়া।

    মাথা নেড়ে সায় দেয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই আকিওর।

    “কোথায় ছিলে সেদিন?”

    মুখ খুলেই শব্দ করে শ্বাস টানল নাওমি। “একটা ভিডিও গেইম আর্কেডে গিয়েছিলাম, এরপর একটা কনভিনিয়েন্স স্টোরে,” দূর্বল কন্ঠে বলে সে।

    “একাই ছিলে পুরোটা সময়?”

    “হ্যাঁ।”

    “কোন আর্কেডে? আর কোন কনভিনিয়েন্স স্টোরে? সেটা বলতে পারবে?”

    নোটপ্যাড আর কলম বের করলো তরুণ অফিসার। এবারে আসলেও ভয় করছে আকিওর। মাতসুমিয়ার চেহারায় এটা স্পষ্ট যে প্রশ্নটার জবাব চাইই চাই তার।

    কিছুক্ষণ ইতস্তত করার পর ঠিকানা দু’টো বললো নাওমি। এই বিষয়ে আগেই কথা হয়েছিল ওদের। যে গেইম আর্কেডটার নাম বললো নাওমি, সেটায় প্রায়ই যায় সে। ওখানে ওর পরিচিত কেউ নেই। কনভিনিয়েন্স স্টোরটায় অবশ্য খুব বেশি একটা যায় না। গেলেই বরং কর্মীরা চিনতে পারত। পুলিশের পক্ষে তখন এটা বের করা কষ্টকর হতো না যে নাওমি ওখানে যায়নি।

    “কনভিনিয়েন্স স্টোরটা থেকে কিছু কিনেছিলে?’

    “না, শুধু ম্যাগাজিন পড়েছি।”

    “আর আর্কেডে কোন গেইমটা খেলেছিলে?”

    চমকে উঠলো আকিও। এত কিছু নিয়ে আলাপ হয়নি ওদের। এরকম একটা প্রশ্ন যে করা হতে পারে তা মাথাতেই আসেনি ওদের। ছেলের দিকে তাকিয়ে মনে মনে প্রার্থনা করতে লাগল যে উপযুক্ত একটা জবাব দেয় সে।

    “ড্রাম ম্যানিয়া, ভার্চুয়াল ফাইটার, থ্রিল ড্রাইভ…” অনিশ্চিত স্বরে নামগুলো বললো নাওমি। “আর কয়েকটা স্লট মেশিন গেইম।”

    ছেলের বলা কথাগুলোর শেষটুকু কেবল বুঝল আকিওর। অন্যগুলো কি সেটা জানে না। খুব সম্ভব্য নাওমি যে গেইমগুলো খেলে, সেগুলোর নাম।

    “বাসায় ফিরেছিলে কখন?”

    “আটটা কি ন’টার দিকে। ঘড়ি দেখিনি।“

    “আর স্কুল থেকে বের হয়েছিলে কখন?”

    “চারটার দিকে বোধহয়। “

    “বন্ধু-বান্ধব কেউ ছিল তোমার সাথে? “না, একাই।”

    “সবসময় কি বাসায় একাই ফেরো?”

    “হ্যাঁ।”

    এবারে নাওমির কথা বলার ধরণে বিরক্তিভাব স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এসব থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকার ইচ্ছে তার। তাছাড়া মাতসুমিয়া এমন কিছু প্রশ্ন করছে, যা শুনে তার খারাপ লাগার সম্ভাবনাই বেশি।

    নাওমির কোন বন্ধু নেই। এলিমেন্টারি স্কুলেও ছিল না। বিভিন্ন গেইমিং আর্কেড আর কনভিনিয়েন্স স্টোরে একাই যায় সে। যদি আসলেও কোন বন্ধুবান্ধব থাকতো, তাহলে আজকে হয়তো এরকম পরিস্থিতিতে পড়তে হতো না ওদের।

    “স্কুল থেকে যদি চারটার দিকে বের হও, তাহলে চার ঘন্টা একাই ছিলে?” ফিসফিস করে বলে মাতসুমিয়া, যেন নিজের সাথেই কথা বলছে।

    “এরকমটা প্রায়ই করে ও,” ইয়াইকো বললো। “আমি সবসময় বলি তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরতে, কিন্তু কথা শোনে না।”

    “এখনকার ছেলেমেয়েরা এরকমই,” বলে নাওমির দিকে তাকায় মাতসুমিয়া। “স্কুল থেকে বের হয়ে বাসায় আসার আগ পর্যন্ত পরিচিত কারো সাথে কি দেখা হয়েছিল তোমার সেদিন?”

    “না,” সাথে সাথে জবাব দেয় ছেলেটা।

    “আর্কেড বা কনভিনিয়েন্স স্টোরটায় এমন কিছু ঘটেছিল যেটা তোমার মনে আছে? এই যেমন কোন মেশিন নষ্ট হয়ে যাওয়া বা কারো ঝগড়া?“

    মাথা ঝাঁকিয়ে মানা করে দিল নাওমি। “ঠিক মনে নেই, ওরকম কিছু ঘটেনি খুব সম্ভবত।”

    “বেশ।”

    “ইয়ে….” আকিও বলে এবারে, “ও যে ওসব জায়গায় গেছে, এটা প্রমাণ না করতে পারলে কি অসুবিধে হবে?”

    “না, আমি আসলে সেজন্যে প্রশ্নগুলো করিনি। তবে প্রমাণ থাকলে ভালো হতো।”

    “কেন?”

    “তখন ওকে আর কোন প্রশ্ন করতে হতো না আমাদের। কিন্তু এমনটা হলে আবারো প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে আপনার ছেলেকে।”

    ““ওর সাথে এসবের কোন সম্পর্ক নেই, বিশ্বাস করুন আমার কথা। ক্ষমা প্রার্থনার ভঙ্গিতে মাথা নাড়ে মাতসুমিয়া। “বলতে খারাপ লাগছে, কিন্তু এসব ক্ষেত্রে মা-বাবা বাদেও তৃতীয় একজন প্রত্যক্ষদর্শী থাকতে হয়।”

    “আমরা মিথ্যে বলছি না। পুরো ঘটনার সাথে আমাদের ছেলের কোন সম্পর্ক নেই। ওকে তো ইতিমধ্যে যা যা প্রশ্ন করার, করেই ফেলেছেন।”

    “ও যদি সত্য কথা বলে থাকে, তাহলে আমরা সেটার প্রমাণ কোন না কোন আবে পাবই। কনভিনিয়েন্স স্টোরগুলোতে ক্যামেরা থাকে সাধারণত। আর্কেডগুলোতেও থাকে ইদানিং। এত লম্বা সময় ওখান থাকলে কোন কোন ক্যামেরাতে ধরা পড়ার কথা।”

    কথাটা শুনে থমকে গেল আকিও। এই ভাবনাটাও মাথায় আসেনি ওর।

    নাওমির দিকে ফিরল মাতসুমিয়া।

    “ভিডিও গেইম খেলতে তাহলে ভালো লাগে তোমার?

    মাথা নেড়ে সায় দেয় আকিও।

    “কম্পিউটারেও খেল?”

    এবারে জবাব দিল না নাওমি। ছেলের এই গোয়ার্তুমি এখন অসহ্য ঠেকছে আকিওর। খুনের সাথে সম্পর্কিত নয়, এরকম প্রশ্নের জবাব স্বাভাবিক দিলে কি সমস্যা নাওমির তা বুঝতে পারছে না।

    “হ্যাঁ, কম্পিউটারেও খেলে ও,“ ছেলের হয়ে জবাব দেয় ইয়াইকো।

    “ওর কি নিজের কম্পিউটার আছে?“

    “নিজের বলতে পুরনো একটা কম্পিউটার। আমাদের পরিচিত একজন কয়েক বছর ব্যবহারের পর দিয়ে দিয়েছে, তার আর দরকার নেই।”

    “বাহ, ভাল তো। এখনকার বাচ্চারা ভাগ্যবান, বলতেই হবে,” নাওমির দিকে তাকিয়ে বলে মাতসুমিয়া। “আমার প্রশ্নগুলোর জবাব দেয়ার জন্যে তোমাকে ধন্যবাদ। এখন রুমে যেতে পার।”

    কিছু না বলে উঠে দাঁড়িয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল নাওমি। কিছুক্ষণ পর তার ঘরের দরজা বন্ধের শব্দ কানে এলো ওদের।

    আকিও এক প্রকার নিশ্চিত যে পুলিশ অফিসার ওর ছেলের কথা বিশ্বাস করেনি, কিন্তু সন্দেহের কারণটাও ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না। হয়তো নাওমির কোন অ্যালিবাই নেই, এটাই মূল কারণ

    স্ত্রী’র দিকে তাকালো ও। তার চোখেও একটা মরিয়া ভাব। দু’জনের মাথায় আসলে একই চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে। কিছু একটা করতে হবে ওকে। আলতো করে একবার মাথা নাড়ল আকিও। মাথার চাকাগুলো ঘুরছে বনবন করে।

    পুলিশের লোকটা নাওমিকে হয়তো সন্দেহ করেছে, কিন্তু তাদের কাছে কোন প্রমাণ নেই। ওরা তিনজনই যদি মুখ বন্ধ রাখে, তাহলে কিছুই করতে পারবে না পুলিশ। আর আকিও যেহেতু বলেই দিয়েছে যে খুনটা ওর মা করেছে, তাই না বিশ্বাস করার মত কিছু নেই। কোন সার্ভেইলেন্স ক্যামেরায় নাওমির ভিডিও না পাওয়া গেলেও এটা প্রমাণ হয় না যে মিথ্যে বলেছে। আর মিথ্যে বললেও সে খুনী হয়ে যায় না।

    কোন অবস্থাতেই এখন বক্তব্য পাল্টানো চলবে না ওদের। আকিও এসব ভাবছে এমন সময় কলিংবেল বেজে উঠলো।

    “এই সময়ে আবার কে এলো?” না বলে পারল না ও।

    “কোন ডেলিভারি বয় হয়তো,” ইন্টারকমের দিকে এগিয়ে বলে ইয়াইকো।

    “এখন দরজা খোলার কোন দরকার নেই। বলে দাও পরে আসতে।”

    হ্যান্ডসেট উঠিয়ে গেটের বাইরে থাকা ব্যক্তির সাথে কিছুক্ষণ কথা বললো ইয়াইকো, এরপর তাকাল স্বামীর দিকে। লজ্জা ভর করেছে তার চোখমুখে।

    “তোমার বোন…”

    “আমার বোন?” হারুমি এই মুহূর্তে কেন এলো তা বোধগম্য হলো না আকিওর।

    “উনি আমার সহকর্মীর সাথে এসেছেন। ভেতরে ঢুকতে দিন, প্লিজ,“ মাতসুমিয়া বললো ওদের উদ্দেশ্যে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো
    Next Article দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    Related Articles

    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো

    January 6, 2026
    কেইগো হিগাশিনো

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    ম্যালিস – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }