Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য রেড ফিঙ্গার – কেইগো হিগাশিনো

    কেইগো হিগাশিনো এক পাতা গল্প226 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রেড ফিঙ্গার – ৯

    অধ্যায় ৯

    ট্যাক্সিতে চেপে ক্রাইম সিনে যাওয়ার সময় মাতসুমিয়ার একটু কেমন যেন লাগছে। ঠিক ভাষায় প্রকাশ করতে পারবে না অনুভূতিটা। টোকিও মেট্রোপলিটন পুলিশে যোগ দেয়ার পর এটা ওর দ্বিতীয় খুনের কেস। প্রথম কেসটায় এক গৃহিনীর খুনীকে খুঁজে বের করতে হয়েছিল। সেক্ষেত্রে কেবল সিনিয়র অফিসারের পেছন পেছন ঘুরেছে ও, আর কিছু না।

    “সকাল সকাল একটা বাচ্চা মেয়ে খুন হয়েছে শুনলে কেমন লাগে, বলো? বয়স্ক কেউও তো হতে পারত,” পাশে বসে থাকা সাকাগামি বললো।

    “সবার জন্যেই কঠিন এই ব্যাপারটা হজম করা। বিশেষ করে মেয়েটার বাবা-মা’র।”

    “তা তো বটেই। কিন্তু আমি আসলে বোঝাতে চাইছিলাম এই ধাঁচের কেসগুলো একটু জটিল প্রকৃতির হয়। ভিক্টিম বয়স্ক কেউ হলে সহজেই তার শত্রুদের চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করতে পারি আমরা। মোটিভ খুঁজে পেতেও খুব বেশি সময় লাগে না বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। কিন্তু ভিক্টিম একটা বাচ্চা হলে সেটা সম্ভব না। যদি ওই এলাকায় এসব কুকর্মের জন্যে পরিচিত কেউ থাকে, তাহলে আলাদা কথা।”

    “কোন পুরনো শিকারীর কাজ বলতে চাইছো?”

    “হতেও পারে, বলা যায় না। অথবা এমন কেউও হতে পারে যে হয়তো লম্বা সময় ধরে চোখে চোখে রেখেছিল মেয়েটাকে। যা-ই হোক না কেন, কাজটা যে করেছে তার মাথার ঠিক নেই। হয়তো তার পাগলামি স্বাভাবিক দৃষ্টিতে চোখে পড়বে না। বড়রা যেরকম কাউকে দেখলেই ধারণা করতে পারে কিছু একটা ঠিক নেই, বাচ্চারা তো সেটা পারে না। ওদের ধোঁকা দেয়া অনেক সহজ।

    সাকাগামির বয়স পয়ত্রিশ ছুই ছুই। কিন্তু টোকিও মেট্রোপলিটন পুলিশে প্রায় দশ বছর ধরে আছে সে। এরকম কেসের অভিজ্ঞতা আগেও হয়েছে তার।

    “নারিমা থানার ভেতরে পড়েছে জায়গাটা। ওদের ওখানে আবার নতুন এক ডিটেকটিভ এসেছে। যে কোন রহস্য উদ্ঘাটনে তার আগ্রহের কোন কমতি নেই। অতি উৎসাহী বলতে পার।”

    কথাটা শুনে প্রায় নিঃশব্দে লম্বা একটা শ্বাস ফেলল মাতসুমিয়া। ও যে এরকম গ্যাট হয়ে বসে আছে, সেটার কারণ যে কেবলমাত্র অপরাধটার ধরণ, তা নয়। জায়গাটা নারিমা থানার অধীনে, এটা জানার পর থেকেই হৃৎপিণ্ডটা যেন গলার কাছে এসে লাফাচ্ছে। ওর খুব পরিচিত একজন চাকরি করে সেই থানায়।

    কিছুদিন আগে দেখে আসা তাকামাসা’র হলুদাভ চেহারাটা ভেসে উঠলো ওর মনের পর্দায়। এই নতুন তদন্তটার কাজ যে ওর ঘাড়ে এসেই বর্তেছে, এটার পেছনে নিশ্চয়ই নিয়তির যোগসাজশ আছে।

    একটা উচ্চ মধ্যবিত্ত আবাসিক এলাকা দিয়ে যাচ্ছে এখন ট্যাক্সিটা। এখানকার অধিবাসীরা লম্বা সময় ধরে থাকছে একই রকম দেখতে বাড়িগুলোয়।

    কিছুটা সামনে মানুষের জটলা দেখা যাচ্ছে। বেশ কয়েকটা পুলিশের গাড়ি পার্ক করে রাখা আশপাশে। ইউনিফর্ম পরিহিত এক পুলিশ অফিসার গাড়ির গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করছে।

    “এখানেই নামিয়ে দিন আমাদের,” ড্রাইভারের উদ্দেশ্যে বললো সাকাগামি। ট্যাক্সি থেকে নেমে জটলার দিকে এগোলো দু’জনে। গেটের কাছে দাঁড়ানো অফিসার স্যালুট জানালো ওদের। লোকজন সরিয়ে জায়গা করে দিল।

    মাতসুমিয়া জানে যে গিঙ্কগো পার্কটার টয়লেটে পাওয়া গেছে মেয়েটার লাশ। তবে এটা এখনও জানা যায়নি যে তাকে ওখানেই খুন করা হয়েছে কিনা। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে সহিংসতার স্বীকার মেয়েটা।

    পার্কে আসার সবগুলো রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। প্রবেশপথের একটু সামনে ঝানু পুলিশ লেফটেন্যান্ট কোবায়াশিকে চোখে পড়লো মাতসুমিয়ার।

    “তুমি দেখি তাড়াতাড়িই এসে পড়েছ!” সাকাগামি বলে।

    “এই কেবলই এলাম। ভেতরে উঁকি দেইনি এখনো, কিন্তু এখানকার লোকেরা ব্রিফ করেছে আমাকে,” কোবায়াশির এক হাতে সিগারেট। আরেক হাতে ছোট একটা পোর্টেবল অ্যাশট্রে ধরে আছে। মাতসুমিয়ার সেকশনের অনেকেই ধূমপান ছেড়ে দিয়েছে সম্প্রতি। কিন্তু কোবায়াশি চেইন স্মোকার। উপরমহল থেকে যখন নির্দেশ এলো অফিসে ধূমপান করা যাবে না, ভীষণ রেগে গেছিল সে।

    “মৃতদেহটা খুঁজে পেয়েছে কে?’

    এই এলাকার বয়স্ক এক লোক। প্রতিদিন সকালে পার্কে আসে সে। বয়স্ক হওয়ায় মাঝে মাঝেই টয়লেটে যেতে হয়। যাইহোক, আজকে টয়লেটে যাওয়ার পর সে দেখে একটা দরজা অর্ধেকটা খোলা। তখন ভেতরে উঁকি দিয়ে মেয়েটাকে দেখতে পায়। দিনের কি চমৎকার শুরু! এই ঘটনায় লোকটাকেই শেষমেষ গ্রেফতার করতে হয় কিনা কে জানে!” জিহ্বা দিয়ে একবার শব্দ করে বললো কোবায়াশি, এটা তার একটা মুদ্রাদোষ।

    “মৃতদেহ সনাক্ত করেছে কেউ?”

    “খুব সম্ভবত পুলিশ ষ্টেশনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এখন। ফরেনসিক কর্মীদের মতে, দশ ঘন্টা আগে কোন এক সময়ে মারা গেছে মেয়েটা। প্রাথমিক তদন্ত দল এখানকার দাগী আসামীদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখছে কালকে ওই সময়ে তারা কোথায় আছে। তবে এভাবে কিছু খুঁজে পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না।”

    চারপাশে নজর বুলাতে বুলাতে দুই উর্ধ্বতন অফিসারের কথোপকথন শুনছে মাতসুমিয়া। পার্কে একপাশে দোলনা আর একটা স্লাইড চোখে পড়লো। মাঝে বেশ বড় একটা মাঠের মতন জায়গা। ফুটবল খেলা যাবে ওখানটায়। পার্কের অন্যপাশে ঘন ঝোপঝাড়ে পূর্ণ জায়গাটায় তল্লাশি চালাচ্ছে ফরেনসিক টেকনিশিয়ানরা।

    “এখনও পার্কে ঢুকতে পারব না আমরা,” মাতসুমিয়ার দৃষ্টি অনুসরণ করে বললো কোবায়াশি। “টেকনিশিয়ানরা কিছু একটা খুঁজছে।”

    “খুনের হাতিয়ার?”

    “ওরকম কিছু নেই খুব সম্ভবত,” মাতসুমিয়ার প্রশ্নের জবাবে হাত দিয়ে গলা চেপে ধরার ভঙ্গি করে বলে কোবায়াশি।

    “তাহলে কি খুঁজছে?”

    “ময়লার ব্যাগ, কার্ডবোর্ডের বাক্স বা অরকম কিছু একটা। যেটায় করে মৃতদেহটা নিয়ে আসা হয়েছে এখানে।”

    “বাচ্চাটাকে তাহলে এখানে খুন করা হয়নি?

    মাথা নেড়ে সায় দিল কোবায়াশি।

    “খুব সম্ভবত।”

    “মেয়েটাকে নিপীড়নের উদ্দেশ্যে বাথরুমটায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, এই সম্ভাবনা তাহলে বাদ?”

    পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাকাগামি দীর্ঘশ্বাস ফেলল এসময়।

    “মাথার কয়েকটা স্ক্রু ঢিলা, এরকম লোকেও কোন বাচ্চাকে পাবলিক টয়লেটে নিয়ে নিপীড়নের চেষ্টা করবে না।”

    “রাতে তো করতে পারে।”

    “তোমার কি ধারণা, বাচ্চারা রাতের বেলা ঘুরে বেড়ায় এরকম একটা জায়গায়? খুব সম্ভবত মেয়েটাকে অন্য কোথাও অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।”

    চুপ হয়ে গেল মাতসুমিয়া। যুক্তি আছে কথাটায়। ক্রাইম সিনের অবস্থান দেখেই সাকাগামি আর কোবায়াশি দু’জন ধারণা করছে খুনের ঘটনাটা এখানে ঘটেনি।

    “নারিমা থানা থেকে লোক এসেছে,” ঘাড় নেড়ে মাতসুমিয়ার পেছনে ইঙ্গিত করে বললো কোবায়াশি।

    পেছনে ঘুরে ধূসর স্যুট পরিহিত একটা লোককে দেখতে পেল ও, চুল পরিপাটি করে আঁচড়ানো তার। দেখে মনে হচ্ছে পুলিশ নয়, কোন নামী দামী কোম্পানির এক্সিকিউটিভ অফিসার বুঝি। ওদের দিকে হেঁটে এলো সে। নিজের নাম বললো মাকিমুরা।

    “ভিক্টিমের পরিচয় পাওয়া গেছে?” কোবায়াশি জিজ্ঞেস করলো তাকে। কপালে ভাঁজ পড়লো মাকিমুরার।

    “হ্যাঁ, পাওয়া গেছে। ভিক্টিমের মা এখন কথা বলার মত অবস্থায় নেই, কিন্তু মেয়েটার বাবা বলেছে তদন্তে যে কোন প্রকার সাহায্যের জন্যে রাজি সে।”

    “শুনলাম গত রাতে নাকি থানায় রিপোর্ট করা হয়েছিল মেয়েটার ব্যাপারে?”

    “আটটার একটু পরে ভদ্রলোক তার স্ত্রী’কে নিয়ে নারিমা থানায় আসেন। বাস স্টেশনের পাশের রাস্তাটায় থাকে তারা। মেয়েটার বাবা একটা কোম্পানিতে চাকরি করে,” পকেট থেকে নোটবুক বের করে দেখে বললো মাকিমুরা। “বাচ্চা মেয়েটার নাম ইউনা কাসুগাই।”

    তার কাছ থেকে বানান শুনে মেয়েটার নাম লিখে নিল মাতসুমিয়া। ইউনার বাবার নাম তাদাহিকো আর মায়ের নাম নাতসুকো।

    “বাচ্চাটা এলিমেন্টারি স্কুলের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। স্কুলটা বাসা থেকে দশ মিনিটের দূরত্বে। স্কুল শেষে চারটার দিকে কালকে বাসায় ফেরে সে। এরপর মা’কে কিছু না বলেই বেরিয়ে যায়। মেয়েটার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, সেটা জানার পরেই আমাদের থানার সবাই খুঁজতে বেরিয়ে পড়ে। স্টেশন থেকে স্কুল পর্যন্ত সবখানে খুঁজে দেখা হয়, কিন্তু পাওয়া যায়নি। আশপাশের লোকদের মেয়েটার চেহারা বর্ণনা দিয়ে কেবল এটুকু জানা যায় যে বিকাল পাঁচটার দিকে একটা আইসক্রিমের দোকান থেকে আইসক্রিম কেনে সে। বিক্রেতাকে ছোট্ট ইউনার ছবি দেখাই আমরা, কিন্তু সে শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলতে পারেনি।

    “আইসক্রিম,” বিড়বিড় করে বললো কোবায়াশি। “আইসক্রিম কেনার জন্যে বাসা থেকে বেরিয়েছিল?’

    কারো উদ্দেশ্যে প্রশ্নটা করেনি সে, তাই কেউ জবাব দিল না প্রথমে।

    “হতে পারে। বেশ চটপটে স্বভাবের ছিল মেয়েটা, কিছু একটা করতে ইচ্ছে হলে করেই ছাড়তো নাকি।”

    মাথা নাড়ল কোবায়াশি।

    “ইউনার বাবা কি আমাদের সাথে কথা বলার জন্যে তৈরি?”

    “হ্যাঁ। আপনাদের যা যা বললাম সব কিছু তার কাছ থেকেই শোনা।“

    “আমাদের চিফ এখনো আসেননি, কিন্তু তার সাথে এখন কথা বলে ফেললেই ভালো হয়। তোমরা দু’জন আসো আমার সাথে,” মাতসুমিয়া আর সাকাগামির উদ্দেশ্যে বললো কোবায়াশি।

    খুনের কেসগুলোর ক্ষেত্রে প্রাথমিক তদন্ত ও খোঁজখবর নেয়ার দায়িত্বটা স্থানীয় থানার কর্মীদের ঘাড়েই বর্তায়। কিন্তু যেসকল কেসের তদন্তভার টোকিও মেট্রোপলিটন পুলিশের, সেসব ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষদর্শী এবং সাক্ষীদের সাথে পুনরায় কথা বলে ওরা। ফলে ভিক্টিমের পরিবারের লোকজনকে একই কথার কয়েকবার পুনরাবৃত্তি করতে হয়। নিজের প্রথম কেসেই বিষয়টা বুঝতে পারে মাতসুমিয়া। একটু অমানবিক লাগে ওর কাছে ব্যাপারটা। কিন্তু কিছু করার নেই, তদন্ত এভাবেই চলে।

    দোতলা একটা বিল্ডিংয়ের নিচতলায় ওদের নিয়ে গেল মাকিমুরা। বিল্ডিংটার অবস্থা খুব একটা সুবিধার নয়। মালিক বিক্রির নোটিশ টাঙ্গিয়ে রেখেছে বাইরে। ভাড়া দেয়ার চাইতে বিক্রি করে দেয়াটার তার জন্যে বেশি লাভজনক খুব সম্ভবত।

    ভেতরে ঢুকতেই ছাতাপড়া একটা গন্ধ নাকে এসে লাগলো। হালকা নীল রঙের একটা সোয়েটার পরে তাতামি রুমের মেঝেতে বসে আছে একটা লোক। মাথা নিচু করে রেখেছে। ওদের পদশব্দ নিশ্চয়ই কানে গেছে তার, কিন্তু মূর্তির মতন একদম স্থির সে। নড়াচড়ার সামান্যতম শক্তিটাও যেন হারিয়ে ফেলেছে।

    “মি. কাসুগাই!”

    মাকিমুরা ডাক দেয়ার পর মাথা তুললো সে। ফ্যাকাসে চেহারায় চোখজোড়া কোটরাগত। কপালে বিন্দু বিন্দু সেদকণা আলোয় চিকচিক করছে।

    “টোকিও মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট থেকে আমার সহকর্মীরা এসেছেন। প্রথমেই মাফ চেয়ে নিচ্ছি, কিন্তু পুরো ঘটনাটা তাদের কাছে আরেকবার বয়ান করতে হবে আপনাকে।“

    শূন্য দৃষ্টিতে মাতসুমিয়া এবং তার সহকর্মীদের দিকে তাকালো কাসুগাই। এতক্ষণ কাঁদছিল সে।

    “যতবার প্রয়োজন পড়ে, বলতে রাজি আছি আমি।”

    “যা ঘটে গেছে, সেজন্যে আমাদের সমবেদনা জানবেন,” একবার বাউ করে বললো কোবায়াশি। “ভিক্টিমের বাবা-মা’র সাথে কথা বলাটা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব অপরাধীকে গ্রেফতার করতে।”

    “কোত্থেকে শুরু করবো?” ম্রিয় কন্ঠে জানতে চাইলো কাসুগাই। কথা শুনেই বোঝা যাচ্ছে ভেতরে ভেতরে শোকে ন্যুব্জ লোকটা।

    “শুনেছি আপনারা গতকাল রাত আটটায় থানায় রিপোর্ট করতে গিয়েছিলেন ইউনার নিখোঁজ হবার ব্যাপারে, কিন্তু আপনারা ঠিক কখন বুঝতে পারলেন যে ও বাড়িতে নেই?”

    “আমার স্ত্রী’র মতে ছ’টার আশপাশে কোন একটা সময়ে। রাতের খাবার রান্নার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ও তখন। ইউনাকে ডাক দেয়, কিন্তু ঘর থেকে বের হয় না আমার মেয়ে। ওকে না জানিয়েই বাইরে বের হয়ে গেছে কখন যেন। অফিস থেকে ফেরার পথে ওর কাছ থেকে ফোন পাই। বলে, ইউনা স্টেশনের কাছ থাকতে পারে। গত বছর এরকম একবার করেছিল ইউনা। আমার জন্যে স্টেশনের কাছে এসে দাঁড়িয়ে ছিল। আমরা বকা দিয়ে বলেছিলাম এরকমটা আর কখনো না করতে। করেনি ও…“

    স্টেশনটা ইউনাদের বাসা থেকে আধা ঘন্টার দূরত্বে। বাবাকে খুশি করার জন্যে নিশ্চয়ই সেদিন একা একাই বাইরে বেরিয়েছিল ছোট্ট মেয়েটা, ভাবে মাতসুমিয়া।

    “আপনার স্ত্রী তাহলে খুব একটা চিন্তিত ছিলেন না তখন?“

    “না, না, ছিল। আমারও চিন্তিত হচ্ছিল। কিন্তু ও একা স্টেশনে আসতে চাইছিল না কারণ ইউনা যদি বাসায় ফিরে কাউকে না দেখে তাহলে ভয় পাবে।”

    কাসুগাইয়ের কথা শুনে মাতসুমিয়া বুঝতে পারল ইউনা বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান।

    “আমি সাড়ে ছ’টা নাগাদ বাসায় পৌছি। ইউনা তখনও ফেরেনি। এবারে দুশ্চিন্তা একদম জেঁকে বসে মাথায়। বাসার চাবি প্রতিবেশীদের কাছে রেখে ইউনার মা’কে নিয়ে ওকে খুঁজতে বের হই। স্টেশনের কাছে গিয়ে সবাইকে ইউনার ছবি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করি ওকে চোখে পড়েছে কিনা। স্টেশন বাদেও অন্য সব জায়গায় খোঁজ নিয়েছি। এখানেও এসেছিলাম। কিন্তু টয়লেটগুলোর কথা মাথায় আসেনি…” কেঁপে উঠলো কাসুগাইয়ের কণ্ঠস্বর।

    নোটবুকে তথ্যগুলো টুকে নেয়ার সময় মাতসুমিয়া চেষ্টা করছে যেন লোকটার দিকে না তাকাতে হয়। তার মনের অবস্থা বোঝার জন্যে কাউকে গণক হতে হবে না।

    নোটবুকের পাতা ওল্টাবে, এসময় একটা ক্ষীণ শব্দ কানে আসায় মাথা তুললো মাতসুমিয়া। পার্টিশনের অন্য পাশ থেকে এসেছে শব্দটা।

    “আমার স্ত্রী,” নিচু স্বরে বললো কাসুগাই।

    “ওহ!” কিছুটা অবাক হয়েছে মাতসুমিয়া।

    “পেছনের ঘরে শুয়ে আছে ও।”

    শব্দটা আবারো শুনতে পেল ওরা। কাঁদছে ইউনার মা, এবারে বুঝতে পারল মাতসুমিয়া। কিন্তু লম্বা সময় ধরে কান্নার কারণে এখন আর কোন শব্দ বেরুচ্ছে না ভদ্রমহিলার গলা দিয়ে।

    পিন পতন নীরবতা নেমে এলো গোটা ঘরটায়।

    মাতসুমিয়ার ইচ্ছে করছে ছুটে পালাতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো
    Next Article দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    Related Articles

    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো

    January 6, 2026
    কেইগো হিগাশিনো

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    ম্যালিস – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }