Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প800 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. ভালোরা সফল হয়

    অধ্যায় ১২ : ভালোরা সফল হয়

    নাইস গাইস ফিনিশ লাস্ট (ভালো মানুষদের অসফল হবার প্রবণতা আছে) প্রবাদ বাক্যটি মনে হয় উদ্ভব হয়েছে বেসবল খেলার জগতে, যদিও কিছু কতৃপক্ষ এর একটি বিকল্প অর্থের অগ্রাধিকার দাবী করে আসছেন। আমেরিকার জীববিজ্ঞানী গ্যারেট হারডিন এটি ব্যবহার করেছিলেন সেই বিষয়টির সারাংশ হিসাবে প্রকাশ করতে, যে বিষয়টির শিরোনাম দেয়া যেতে পারে ‘সোসিওবায়োলজী অথবা ‘সেলফিশ জিনেরী। এই যথার্থতা খুব সহজেই দেখা যেতে পারে। যদি ‘নাইস গাই’ শব্দটির চলিত কথ্য ভাষার অর্থটি ডারউইনীয় সমার্থক শব্দার্থে অনুবাদ করি, একজন ‘নাইস’ গাই হচ্ছে সেই সদস্য, যে নিজে মূল্য পরিশোধ করার বিনিময়ে প্রজাতির অন্যান্য সদস্যদেরকে তাদের জিন পরবর্তী প্রজন্মে হস্তান্তরিত করতে সহায়তা করে। তাহলে নাইস গাইস বা এই সব ভালো সদস্যদের সংখ্যা প্রজাতির সদস্যদের মধ্যে কমে যেতে বাধ্য: এই পরোপকারীতা একটি ডারউইনীয় মৃত্যুর শিকার হয়। কিন্তু কথ্য ‘নাইস’ শব্দটির আরো একটি কারিগরী ব্যাখ্যা আছে। আমরা যদি সেই সংজ্ঞাটিকে গ্রহন করে নেই, যা শব্দটির কথ্য রুপের অর্থ থেকে খুব বেশী দূরে নয়, ‘নাইস গাইস ক্যান ফিনিস ফার্স্ট’ বা ভালো সদস্যরা সফল হতে পারে। এই আরো বেশী আশাবাদী উপসংহারটি হচ্ছে এই অধ্যায়ের মূল বিষয়।

    অধ্যায় ১০ এ উল্লেখিত ‘গ্রাজারদের কথা মনে করুন। এরা ছিল পাখি, যারা সাধারণত একে অপরকে সাহায্য করে আপাতদৃষ্টিতে একটি পরার্থবাদী উপায়ে, কিন্তু তারা সাহায্য করতে অস্বীকার করে– গ্রাজ কিংবা ক্ষোভ ধারণ করে তাদের বিরুদ্ধে– সেই সব সদস্যদের যারা এর আগে তাদেরকে সাহায্য করতে অস্বীকার করেছে। গ্রাজাররা জনগোষ্ঠীতে প্রাধান্য বিস্তার করে কারণ তারা যেকোনো ‘সাকার’ (যারা নির্বিচারে সবাইকে সাহায্য করে, এবং সেকারণে সবাই নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে তাদের ব্যবহার করতে পারে) অথবা “চিটদের’ (যারা সবাইকে তাদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে নিষ্ঠুরভাবে চেষ্টা করে, পরিণতিতে পরস্পরের ক্ষতি করে) তুলনায় অনেক বেশী জিন তাদের পরবর্তী প্রজন্মে হস্তান্তর করতে সফল হয়। গ্রাজারদের কাহিনী একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ মূলনীতিকে ব্যাখ্যা করে, রবার্ট ট্রিভার্স যার নাম দিয়েছিলেন ‘রেসিপ্রকোল আলট্রইজম’ বা পারস্পরিক পরার্থবাদিতা। আমরা যেমন ক্লিনার ফিশদের উদাহরণে দেখেছিলাম ( মূল বইয়ের পৃষ্ঠা ২৪৩-৪), পারস্পরিক পরার্থবাদীতা শুধুমাত্র একটি প্রজাতির সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি সব ধরনের সম্পর্কেই কাজ করে, যাদের বলা হয় সিমবায়োটিক (মিথোজীবি)– যেমন, পিপড়াদের তাদের এফিড ‘গবাদী’ থেকে দুধ সংগ্রহ করার আচরণ (মূল বইয়ের পৃষ্ঠা ২৩৫-৬)। অধ্যায় ১০ লেখা শেষ করার পরে, আমেরিকার রাষ্ট্রবিজ্ঞানী রবার্ট অ্যাক্সেলরড (যিনি ডাবলিউ, ডি, হ্যামিলটনের সাথে কাজ করেছিলেন, যার নাম এই বইয়ের বহু পাতায় আমরা দেখতে পাবো) এই রেসিপ্রোকাল অ্যালট্রইজিমের ধারণাটিকে একটি উত্তেজনাময় নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করেছিলেন। এবং অ্যাক্সেলরডই প্রথম ব্যাক্তি যিনি ‘নাইস’ শব্দটির একটি কারিগরী অর্থ প্রস্তাব করেছিলেন, আমি শুরুর অনুচ্ছেদে যে অর্থটির প্রতি তথ্য-নির্দেশ করেছি।

    অ্যাক্সেলরড, আরো অনেক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ এবং গণিতজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীর মত একটি সরল জুয়া খেলার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন, যা পরিচিত ‘প্রিজনার’স ডাইলেমা’ নামে। এটি এত সরল যে, আমি দেখেছি বুদ্ধিমান মানুষরা এটি পুরোপুরিভাবে ভুল বোঝেন, তারা ভাবেন নিশ্চয়ই এর মধ্যে আরো কিছু আছে। কিন্তু এর সরলতাই চোখকে আসলে ফাঁকি দেয়। এই ধাঁধা লাগানো খেলার নানা ধরনের বিশ্লেষণে নিবেদিত বই লাইব্রেরীর পুরো তাক জুড়ে দেখা যায়। অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি মনে করেন এর মধ্যেই আছে কৌশলগত প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের এটি ভালো করে পড়া উচিৎ। জীববিজ্ঞানী হিসাবে, আমি অ্যাক্সেলরড এবং হ্যামিলটনের সাথে একমত যে, বহু বন্য প্রাণী এবং উদ্ভিদ ‘প্রিজনার’স ডাইলেমা’র অন্তহীন খেলাগুলো নিয়েই নিরন্তরভাবেই ব্যস্ত, বিবর্তনীয় সময়ের প্রেক্ষাপটে যা তারা খেলে যাচ্ছে।

    মানব সংশ্লিষ্ট এর মূল সংস্করণে, এই খেলাটি যেভাবে খেলা হয়ে থাকে সেটি হচ্ছে একরম: একজন ‘ব্যাঙ্কার’ আছেন, যিনি বিচার করে সিদ্ধান্ত প্রদান করেন ও দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে খেলার অর্জিত লভ্যাংশ ভাগ করে দেন। মনে করুন, আমি আপনার বিরুদ্ধে খেলছি। (যদিও, আমরা পরে দেখবো, ‘বিরুদ্ধে’ হচ্ছে ঠিক সেই অবস্থান যে অবস্থানে আমাদের থাকার কোনো প্রয়োজন নেই)। আমাদের প্রত্যেকের হাতে কেবল দুটি কার্ড আছে, যেগুলো হচ্ছে– ‘কোঅপারেট’ বা সহযোগিতা এবং ‘ডিফেক্ট’ বা অসহযোগিতা বা বিশ্বাসঘাতকতা। খেলার জন্য, প্রত্যেককেই আমাদের হাতের এই দুটি কার্ডের থেকে যেকোনো একটি কার্ডকে বেছে নিতে হবে এবং সেটিকে উপুড় করে রাখতে হবে টেবিলের উপর। উপুড় করে কারণ, আমরা কেউ দেখবো না কার্ডটি কি, আমাদের দুজনের কেউই অন্যদের খেলা দ্বারা প্রভাবিত হবে না। কার্যত যা হচ্ছে আমরা যুগপৎভাবে এই দানটি খেলবো। এরপর আমরা আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করবো ব্যাঙ্কার যখন কার্ডটি সোজা করে দেখবেন। এই টানটান উত্তেজনার কারণ আমাদের লভ্যাংশ নির্ভর করবে শুধুমাত্র কোন কার্ড আমরা খেলেছি (যা আমরা দুজনেই পৃথকভাবেই জানি) তার উপরেই, বরং অন্য খেলোয়াড় কোন কার্ডটি খেললেন তার উপরেও ( সেটা আমরা জানিনা যতক্ষণ না ব্যাঙ্কার সেটি আমাদের সামনে তুলে ধরছেন)।

    যেহেতু ২ x ২ সংখ্যক কার্ড আছে, এখানে মোট চারটি সম্ভাব্য ফলাফল হতে পারে। প্রতিটি ফলাফলের জন্য, আমাদের লাভ হচ্ছে এরকম: (উত্তর আমেরিকায় খেলাটি আবিষ্কার হয়েছে, সেই কথা বিবেচনা করে ডলার হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে):

    আউটকাম ১: আমরা দুজনেই ‘কো-অপারেট’ কার্ড টি খেলেছি। ব্যাঙ্কার আমাদের দুজনকেই ৩০০ ডলার করে দেবে। এই সম্মানজনক পরিমান টাকাকে বলা হচ্ছে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য পুরষ্কার।

    আউটকাম ২: আমরা দুজনেই ‘ডিফেক্ট’ কার্ডটি খেলেছি। ব্যাঙ্কার আমাদের দুজনকে ১০ ডলার করে জরিমানা করে। এই পরিমান টাকাকে বলা হচ্ছে পারস্পরিক বিশ্বাসঘাতকতা বা অসহযোগিতার বা ডিফেক্টশনের জন্য শাস্তি।

    আউটকাম ৩: যদি আপনি কো-অপারেট’ কার্ডটি খেলেন এবং আমি ‘ডিফেক্ট’ কার্ডটি খেলে থাকি। ব্যাঙ্কার আমাকে ৫০০ ডলার দেবে (অসহযোগিতার করার প্রলোভন সাড়া দেবার জন্যে) এবং আপনাকে জরিমানা করে (সাকার’) ১০০ ডলার।

    আউটকাম ৪: যদি আপনি ‘ডিফেক্ট’ কার্ডটি খেলেন এবং আমি ‘কো-অপারেটিভ কার্ডটি খেলে থাকি। ব্যাঙ্কার আপনাকে ৫০০ ডলার দেবে (অসহযোগিতার করার প্রলোভনে সাড়া দেবার জন্যে। এবং আমাকে জরিমানা করা হবে (“সাকার’) ১০০ ডলার।

    আউটকাম ৩ ও ৪ অবশ্যই এক দৃশ্যের আয়না-প্রতিবিম্ব: একজন খেলোয়াড় খুবই ভালো করে, অন্যজন খুব খারাপ।

    আউটকাম ১ ও ২ এ আমরা দুজনেরই অর্জন সমপরিমান {১ এ মাথাপিছু ৩০০ ডলার, আর ২ এ মাথাপিছু ক্ষতি ১০ ডলার), কিন্তু আউটকাম ২ অপেক্ষা আউটকাম ১ আমাদের দুজনের জন্যই অপেক্ষাকৃত অনেক ভালো। সত্যিকার টাকার পরিমান এখানে আলোচ্য কিছু নয়, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ নয় তাদের মধ্যে কয়টি পজিটিভ (টাকা পরিশোধ) এবং তাদের মধ্যে কয়টি নেগেটিভ (জরিমানা)। এই খেলাটিকে একটি সত্যিকারের প্রিজনার’স ডাইলেমা হিসাবে যোগ্য হবার জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ, সেটি হচ্ছে তাদের র‍্যাঙ্ক অর্ডার বা আউটকামগুলোর ক্রমানুসরতা। পারস্পরিক সহযোগিতার করার মাধ্যমে অর্জিত পুরস্কারের তুলনায় অসহযোগিতা বা বিশ্বাসঘাতকতা করার প্রলোভন অবশ্যই উত্তম, যা অবশ্যই উত্তম পারস্পরিক অসহযোগিতা থেকে, যা অবশ্যই উত্তম সাকাররা যে পরিমান টাকা পায় তার চেয়েও (কঠোরভাবে বললে, এই খেলার আরো একটি শর্ত আছে, যা এটিকে সত্যিকার প্রিজনার’স ডাইলেমা হিসাবে যোগ্য করে তোলে: প্রলোভন এবং সাকারদের পরিশোধিত মূল্যের গড় অবশ্যই পুরস্কারের চেয়ে বেশী যেন না হয়। এই বাড়তি শর্তের কারণ পরবর্তীতে স্পষ্ট হবে।) চারটি ফলাফল বা আউটকামের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা আমরা নিচের ছবি ১ এ কে কত টাকা পেল সেই পে-অফ ম্যাট্রিক্সে দেখতে পাবো:

    ছবি ১: প্রিজনার’স ডাইলেমা খেলায় নানা ফলাফল থেকে আমার নিজের লাভ-ক্ষতির খতিয়ান।

    কিন্তু, ডাইলেমা বা উভয়সংকট’ কেন? এটি দেখতে হলে, উপরের পে-অফ ম্যাট্রিক্স বা লাভ-ক্ষতির ছকটি লক্ষ করুন এবং কল্পনা করুন সেই সব চিন্তাগুলো যা আমার মাথায় এসেছিল, যখন আমি আপনার বিরুদ্ধে খেলছিলাম। আমি জানি খেলার জন্য মাত্র দুটি কার্ড আছে, ‘কোঅপারেট’ এবং ‘ডিফেক্ট’। এবার তাদের পর্যায়ক্রমে বিবেচনা করা যাক। আপনি যদি ডিফেক্ট অসহযোগিতা কার্ড খেলে থাকেন (এর অর্থ হচ্ছে আমাদের উপরের ডানদিকের কলামটা লক্ষ করতে হবে)।

    সবচেয়ে ভালো যে কার্ডটা আমি খেলতে পারি সেটিও ডিফেক্ট অসহযোগিতা। স্বীকার করছি যে, আমি পারস্পরিক অসহযোগিতার কারণে প্রাপ্ত শাস্তির ভুক্তভোগী, কিন্তু যদি আমি সহযোগিতা করি আমি তাহলে ‘সাকার’ এর বিনিময় মূল্য পাবো যা কিনা আরো খারাপ (১০০ ডলার জরিমানা)। এবার তাহলে দেখুন আর কি আপনি করতে পারেন (বাম-দিকে কলামের দিকে তাকান), সহযোগিতার কার্ডটি খেলতে পারেন। আবারও ‘ডিফেক্ট’ বা অসহযোগিতা আমার জন্য সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ। যদি আমি সহযোগিতা করি, তাহলে আমরা দুজনেই বেশ বড় মাপের টাকা, মাথাপিছু ৩০০ ডলার করে পেতাম, কিন্তু আমি যদি অসহযোগিতা করি তাহলে আমি পাবো আরো বেশী :৫০০ ডলার। এর উপসংহার হচ্ছে, আপনি যে কার্ডটি খেলুন না কেন, আমার সেরা চালটি হবে ‘সবসময়ই অসহযোগিতা করা।

    সুতরাং আমি একটি নির্ভুল যুক্তি বের করেছি যে, আপনি যাই করুন কেন আমি অবশ্যই অসহযোগিতা করবো। এবং আপনিও কোনো অংশেই কম নির্ভুল নয় এমন যুক্তি দিয়ে ঠিক একই সিদ্ধান্ত নেবেন। সুতরাং যখন দুটি যুক্তিসম্পন্ন মানুষ মিলিত হয়, তারা দুজনেই অসহযোগিতার কার্ড খেলে, তারা দুজনেই হয় জরিমানার শাস্তি পায় অথবা কম পরিমান টাকা পায়। তারপরও দুজনেই খুব ভালো করে জানেন যে, যদি তারা দুজনে সহযোগিতা কার্ডটি খেলে থাকেন, তারা দুজনেই বেশ ভালো পরিমানে পুরষ্কার আদায় করতে পারতেন পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য (আমাদের উদাহরণে, ৩০০ ডলার); একারণে এই খেলাটিকে বলে একটি ডাইলেমা বা উভয় সংকট, কেন এটি এত বেশী পাগল করে দেবার মত ধাঁধা সৃষ্টি করে এবং কেন এমনকি প্রস্তাব করা হয়েছে এর বিরুদ্ধে একটি আইন থাকা উচিৎ।

    ‘প্রিজনার’ শব্দটি এসেছে আরো একটি বিশেষ কাল্পনিক উদাহরণ থেকে। এখানে বিনিময় হচ্ছে টাকা নয় বরং জেলে থাকার শাস্তির পরিমান। দুইজন ব্যক্তি– তাদের নাম যেমন ধরুন, পিটারসন এবং মরিয়ার্টি– বর্তমানে কারাগারে আটক, পুলিশের সন্দেহ সহযোগীরূপে তারা দুইজন একটি অপরাধ সংঘটন করেছে। দুইজন অবস্থান করছে কারাগারের পৃথক দুটি কক্ষে, এবং পৃথকভাবেই তারা দুইজন পুলিশের জেরার মুখোমুখি হয়, দুইজনকেই আলাদা করে অপরাধের অপর সহযোগীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা (ডিফেক্ট) করতে, এবং রাজসাক্ষী হবার জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়। যা ঘটে তা নির্ভর করবে এই দুইজন বন্দী কি করবে তার উপর, এবং কেউ জানেনা অন্যজন কি করেছে। যদি পিটারসন সব দোষ মরিয়ার্টির উপর চাপিয়ে দেয় এবং মরিয়ার্টি সেই কাহিনীটিকে সত্য হবার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় চুপ থাকার মাধ্যমে (তার একসময়কার বন্ধু এবং যে কিনা দেখা গেল বিশ্বাসঘাতক বন্ধু)। মরিয়ার্টি দীর্ঘ মেয়াদী শাস্তি পায়, অন্যদিকে পিটারসন কোন শাস্তি ছাড়াই জেল থেকে মুক্তি পায়, যে “ডিফেক্ট’ বা অসহযোগিতা আর বিশ্বাসঘাতকতা করার প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার করে। যদি তারা দুজনেই দুজনের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতো, দুজনেই অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হতো, কিন্তু আরেকজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবার মাধ্যমে অপরাধের কিছু প্রমাণ দেবার কারণে খানিকটা ছাড় পেতো, এবং যদিও কঠোর, তবে খানিকটা হ্রাসকৃত সাজায় দণ্ডিত হতো, পারস্পরিক বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তি। যদি দুইজনই সহযোগিতা করতে ( একে অপরের সাথে, কর্তৃপক্ষের সাথে না), দুইজনের কেউ কোনো কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে, তাহলে তাদের মূল সেই অপরাধের জন্য সাজা দেবার জন্য কতৃপক্ষের হাতে যথেষ্ট পরিমান প্রমাণ ছিলনা। তারা বরং এর বদলে অপেক্ষাকৃত ছোট কোনো অপরাধের জন্য অল্প খানিকটা সাজা পেত, পারস্পরিক সহযোগিতার করার জন্য পুরষ্কার। যদিও, জেলখানার কোনো শাস্তিকে পুরষ্কার হিসাবে চিহ্নিত করা মনে হতে পারে বেশ অদ্ভুত একটি বিষয়, কিন্তু ঠিক সেভাবেই তারা সেটি দেখতো, যদি কারাগারে আরো দীর্ঘতর সময় আটক থাকা এর বিকল্প হতো। আপনি হয়তো লক্ষ করবেন, যদিও পে-অফ এখানে ডলারে হচ্ছে। না বরং কারাগারে বন্দী থাকার শাস্তি, কিন্তু খেলার অপরিহার্য বৈশিষ্ট্যগুলো সংরক্ষিত থাকে (পছন্দের ক্রমানুসারে চারটি আউটকাম বা ফলাফলের তালিকাটি লক্ষ করুন)। যদি আপনি আপনাকে প্রতিটি বন্দীর জায়গায় কল্পনা করেন, মনে করে নেন যে উভয়েই যৌক্তিক আত্মস্বার্থ রক্ষার জন্য প্ররোচিত হবে এবং যেহেতু জোট বাধার জন্য তারা পরস্পরের সাথে আগে কথা বলতে পারবে না, আমরা দেখবো অন্যের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা ছাড়া কারোই কোনো উপায় নেই, যার ফলে দুজনেই কঠোর শাস্তি পাবে।

    এই উভয় সংকট থেকে মুক্তি পাবার কি কোনো উপায় আছে? দুজন খেলোয়াড়ই জানেন যে তাদের প্রতিপক্ষ যাই করুক না কেন, তারা নিজেরা বিশ্বাসঘাতকতা বা অসহযোগিতা করার চেয়ে ভালো কিছু করতে পারবেন না। তারপরও দুজনের আরো যে বিষয়টি জানা আছে সেটি হচ্ছে, যদি তারা দুজনই পরস্পরকে সহযোগিতা করে, প্রত্যেকেই সুবিধাজনক একটি ফলাফল পাবে, শুধুমাত্র যদি, শুধুমাত্র যদি তারা সেটি করে .. শুধুমাত্র যদি তারা কোনো না কোনোভাবে ঐক্যমতে পৌঁছাতে পারতো, কোনো না কোনোভাবে দুজনই যদি একে অপরকে আশ্বস্ত করতে পারতো, তাদের কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করে স্বার্থপরের মত ভালো পুরস্কারটি কেড়ে নেবে না, এবং কোনোভাবে যদি এই চুক্তির উপর নজরদারী করা তারা নিশ্চিৎ করতে পারতো।

    প্রিজনার বা বন্দীদের এই উভয় সংকটের সরল খেলায়, এই পারস্পরিক বিশ্বাসকে নিশ্চিৎ করার কোনো উপায় নেই। যদি না কোনো একজন খেলোয়াড় সত্যিকারভাবে সাধুসদৃশ্য ‘সাকার’, যারা এই পৃথিবীর জন্য অতিরিক্ত ভালো, পুরো খেলাটা শেষ হবার সম্ভাবনা আছে পারস্পরিক বিশ্বাসঘাতকার মাধ্যমে, যা ফলাফল কাঙ্খিত ফলাফলের বিপরীত, দুজনের জন্য যা খারাপ পরিণতির কারণ হবে। কিন্তু এই খেলাটার আরো একটি সংস্করণ আছে। এটিকে বলে ‘পুনরাবৃত্তি হওয়া বন্দীদের উভয়সংকট বা আইটিরেটেড অথবা রিপিটেড প্রিজনার’স ডাইলেমা। পুনরাবৃত্তি হওয়া খেলাটি আরো বেশী জটিল এবং এই জটিলতার মধ্যেই আছে আশা।

    এই ‘পুনরাবৃত্তি হওয়া খেলাটি খুবই সাধারণ সেই একই খেলার মত, শুধুমাত্র যেটি একই খেলোয়াড়দের নিয়ে অনির্দিষ্টবারের জন্য পুনরাবৃত্তি হয়। আরো একবার আমি এবং আপনি মুখোমুখি হই, আমাদের মাঝে বসে থাকেন মিমাংসাকারী ব্যাঙ্কার। আবারো আমাদের হাতে দুটো করে কার্ড থাকে, একটি সহযোগিতা, আর আরেকটি অসহযোগিতা/বিশ্বাসঘাতকতা বা কোঅপারেট এবং ডিফেক্ট। আবারো খেলার দানে আমাদের দুজন এই দুটি কার্ডের যেকোনো একটি খেলবো, এবং উপরে বর্ণিত সেই খেলার নিয়মানুযায়ী ব্যাঙ্কার হয় টাকা দেবে, নয়তো জরিমানার শাস্তি প্রদান করবে। কিন্তু এখন, সেই খেলাটি একবার শেষ হবার বদলে, আমরা আবারও কার্ড হাতে তুলে নিয়ে নতুন খেলার দান শুরু করি। এভাবে একের পর এক খেলার চক্র আমাদের সুযোগ দেয় বিশ্বাস অথবা অবিশ্বাস সৃষ্টি করার জন্য, একে অপরের কাজের প্রতিদান অথবা তোষণ বা ক্ষমা বা প্রতিশোধ নেয়ার। একটি অনির্দিষ্ট সময়ব্যাপী চলমান দীর্ঘ খেলায়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যপারটি হচ্ছে, আমরা দুজনেই জিততে পারি ব্যাঙ্কারকে বোকা বানিয়ে, নিজেদের কোনো ক্ষতি না করে।

    এভাবে এই খেলার দশ রাউন্ড পর, তাত্ত্বিকভাবে আমি প্রায় ৫০০০ ডলার জয় করতে পারি, কিন্তু শুধুমাত্র যদি আপনি খুব বড় মাপের বোকা হয়ে থাকেন (বা মহাপুরুষ সাধুসুলভ হন) এবং সবসময়ই সহযোগিতার কার্ডটি খেলে থাকেন, এমনকি যখন আমি সবসময়ই অসহযোগিতার কার্ডটি খেলে যাচ্ছি। আরো বাস্তবসম্মতভাবে, আমাদের দুজনের জন্যই খুব সহজ হবে ব্যাঙ্কারের ৩০০০ ডলার হাতিয়ে নেয়া এই খেলার দশটির রাউন্ডের প্রতিটিতে দুজনেই সহযোগিতার কার্ডটি খেলে। এর জন্য আমাদের বিশেষভাবে সাধুসুলভ হতে হবে না, কারণ আমরা দুজনেই দেখতে পাচ্ছি, একে অপরের অতীতের দান থেকে, পরস্পরকে আমরা বিশ্বাস করতে পারবো। আমরা কার্যত একে অপরের আচরণের উপর নজরদারী করতে পারবো। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, এমনও সম্ভাবনা আছে। আমাদের কেউ একে অপরকে বিশ্বাস করতে পারবো না। আমরা দুজনেই ডিফেক্ট অসহযোগিতার কার্ডটি খেলছি পুরো দশ রাউন্ড জুড়ে এবং ব্যাঙ্কার আমাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০০ ডলার জরিমানা আদায় করে নেবেন। খুব সম্ভবত যেটা হবে আমরা একে অপরকে আংশিকভাবে বিশ্বাস করবো, এবং আমরা দুজনেই সহযোগিতা আর অসহযোগিতার একটি মিশ্র’ কৌশল ধারাবাহিকভাবে খেলে যাবো, মোটামুটি মাঝারী পরিমান টাকা আদায় করা সম্ভব হবে।

    অধ্যায় ১০ এর পাখিরা যারা একে অপরের মাথার উপরের পালক থেকে ছোট কীট বা টিক অপসারণ করতে সাহায্য করে তারাও একধরনের বহুবার পুনরাবৃত্তি হওয়া প্রিজনার’স ডাইলেমা বা উভয়সঙ্কট খেলাটি খেলে। কিভাবে তারা সেটি খেলে? আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে কোনো একটি পাখির পক্ষে তার নিজের পালক থেকে টিক অপসারণ করাটা জরুরী একটি ব্যাপার, কিন্তু সে তার নিজের মাথার উপরের জায়গাটি নিজে ঠোঁট দিয়ে খুটে পরিষ্কার করতে পারেনা, তার তখন অন্য সঙ্গীর দরকার হয়, যে সেই কাজটি তার হয়ে করে দেয়। এখানে স্পষ্টতই মনে হতে পারে খুব স্বাভাবিক ব্যপারটি হবে, সে পরে তার সঙ্গীর করা এই উপকারটির অবশ্যই প্রতিদান দেবে। কিন্তু এই প্রতিদান দিতে হলে পাখি হিসাবে তার সময় ও শক্তির খরচ হবে, যদিও খুব বেশী নয়। যদি কোনো পাখি, প্রতিদান না দিয়ে বা প্রতারণা করে পার পেয়ে যেতে পারে– মানে তার নিজের মাথার টিক পরিষ্কার করার পর, প্রতিদান দিতে অস্বীকার করে– সে মূল্য পরিশোধ না করেই লাভবান আউটকাম বা পরিণতিগুলোকে যদি আপনি পর্যায়ক্রমে সাজান এবং আপনি দেখবেন সত্যিকারের একটি প্রিজনার’স ডাইলেমা গেমই এখানে খেলা হচ্ছে। উভয়পক্ষই যেখানে সহযোগিতা করছে (একে অপরের মাথাকে টিক তুলে দেয়া) সেখানে পরিস্থিতি বেশ ভালো, কিন্তু তারপরও কোনো প্রতিদান ছাড়াই বা কোনো মূল্য পরিশোধ না। করেই উপকার নেবার মাধ্যমে আরো বেশী লাভ করার প্রলোভনও আছে।

    দুজনেই অসহযোগিতা করলে (একে অপরের মাথা থেকে টিক পরিষ্কার করতে অস্বীকার করলে) পরিস্থিতি দুজনের জন্যেই বেশ খারাপ হয়। কিন্তু এতটা খারাপ হয় না যেমন হতে পারে যখন কষ্ট করে কারো মাথা থেকে টিক পরিষ্কার করার পরেও নিজের শরীর টিক দ্বারা আক্রান্ত থেকে যায়। লাভ-ক্ষতির হিসাবের ছকটি আমরা দেখতে পারে ছবি ২ তে।

    ছবি ২: পাখির টিক অপসারণের খেলা: বিভিন্ন পরিণতির জন্যে আমার লাভ-ক্ষতির খতিয়ান।

    কিন্তু এটি শুধুমাত্র একটি উদাহরণ। আপনি বিষয়টি নিয়ে যত ভাববেন, তত বেশী আপনি অনুধাবন করতে পারবেন জীবন পূর্ণ হয়ে আছে বহুবার পুনরাবৃত্তি হওয়া প্রিজনার’স ডাইলেমা খেলায়, শুধু মানুষের জীবন না বরং প্রাণী এবং উদ্ভিদের জীবনেও। উদ্ভিদের জীবন? হ্যাঁ, কেন নয়? মনে রাখবেন আমরা সচেতনতার স্তরে নেয়া হয়েছে এমন কোনো সিদ্ধান্তের কথা বলছি না (যদিও মাঝে মাঝে আমরা সেটা করতে পারি), এই কৌশলগুলো আসলেই ‘মেনার্ড স্মিথের প্রস্তাবিত অর্থে’, সেই সব কৌশল জিনরা হয়তো যা আগে থেকেই প্রোগ্রাম করতে পারে। পরে আমরা কিছু উদ্ভিদ দেখবো, বেশ কিছু প্রাণী এবং এমনকি ব্যাকটেরিয়া, সবাই এই পুনরাবৃত্তি হতে থাকা প্রিজনার’স ডাইলেমা খেলাটি খেলছে। এখন তাহলে আসুন এই পুনরাবৃত্তি হবার বিষয়টি আসলেই কেন এত বেশী গুরুত্বপূর্ণ সেটি আরো গভীরভাবে অনুসন্ধান করার চেষ্টা করি।

    সাধারণ খেলার চেয়ে, যেখানে বরং আগে থেকেই ধারণা করা যেতে পারে, ‘অসহযোগিতা হচ্ছে একমাত্র ‘যৌক্তিক’ কৌশল। এই পুনরাবৃত্তি হওয়া সংস্করণটি খেলোয়াড়দের বহু সংখ্যক কৌশল ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। সাধারণ খেলায় শুধুমাত্র দুটি সম্ভাব্য কৌশল আছে: “সহযোগিতা এবং অসহযোগিতা। তবে পুনরাবৃত্তি, যদিও বহু সংখ্যক সম্ভাব্য কৌশলের সুযোগ করে দেয়, কিন্তু তাদের মধ্যে কোনটি সবচেয়ে সেরা কোনোভাবেই সেটি সুস্পষ্ট নয়। নীচে, যেমন, হাজারটি কৌশলের একটি: ‘বেশীরভাগ সময় সহযোগিতা করো, কিন্তু ১০ শতাংশ সময় র‍্যানডোমভাবে বিশ্বাসঘাতকতার খেলা খেল; অথবা কৌশল হতে পারে খেলার অতীত ইতিহাসের উপর শর্তাধীন। আমার গ্রাজার’ হচ্ছে এই ধরনের একটি উদাহরণ, কে কেমন এ বিষয়ে তাদের খুব ভালো স্মৃতি আছে এবং যদিও মৌলিকভাবে তারা পরস্পরের সহযোগিতা করে, তবে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করে, যদি অন্য খেলোয়াড় এর আগে কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করে থাকে। অন্য কোনো কৌশল হয়তো আরো বেশী ক্ষমাশীল হবে, অপেক্ষাকৃত স্বল্প মেয়াদী স্মৃতির জন্য।

    স্পষ্টতই পুনরাবৃত্তির খেলায় অনেক কৌশল আছে, শুধুমাত্র আমাদের উদ্ভাবনপটুতাই যার সীমাবদ্ধতা। আমরা কীভাবে কোনটি সবচেয়ে সেরা, সেটি চিহ্নিত করতে পারি? অ্যাক্সেলরড নিজেই এই কাজটি করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন। একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করার মত বেশ চমকপ্রদ একটি ধারণা হয়েছিল তার, তিনি ‘গেম-থিওরী’ বিশেষজ্ঞদের কাছে তাদের সেরা কৌশলগুলো জমা দেবার জন্যে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। কৌশল, এই অর্থে, কোনো কাজ করার পূর্বনির্ধারিত প্রোগ্রাম করা নিয়মকানুন, সুতরাং প্রতিযোগীদের জন্যে প্রযোজ্য ছিল যে, তাদের কৌশলগুলো কম্পিউটার প্রোগ্রামের ভাষায় জমা দিতে হবে। মোট চৌদ্দটি কৌশল জমা পড়েছিল, অ্যাক্সেলরড এর সাথে পনেরোতমটি যোগ করেন, যার নাম দেন ‘র্যানডোম’, যা এলোমেলোভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম না মেনেই শুধুমাত্র সহযোগিতা’ আর ‘অসহযোগিতা কার্ডটি খেলে যায় এবং এটাকে ধরে নেয়া হয়েছে এক ধরনের বেস লাইন বা শুরুর ‘নন-স্ট্র্যাটেজী’ হিসাবে, যদি কোনো কৌশল এই ‘র্যানডোম’ কৌশলের চেয়ে ভালো না করে, এটি অবশ্যই যথেষ্ট খারাপ একটি কৌশল।

    অ্যাক্সেলরড ১৫ টি কৌশলকেই অনুবাদ করেছিলেন একটি সাধারণ প্রোগ্রামিং-এর ভাষায় এবং এরপর এটিকে একটি বড় কম্পিউটারে ‘পুনরাবৃত্তি হওয়া প্রিজনার’স ডাইলেমা’ খেলার মাধ্যমে পরস্পরের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন (তার নিজের একটি কপির সাথেও)। যেহেতু ১৫ টি কৌশল ছিল, সুতরাং ১৫x১৫ বা ২২৫টি ভিন্ন ভিন্ন খেলা কম্পিউটারে চলেছিল। যখন প্রতিটি জোড়া খেলা মোট ২০০টি দান অতিক্রম করেছিল, মোট লভ্যাংশ যোগ করে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল।

    একটি বিশেষ প্রতিপক্ষের সাথে যুদ্ধে কোন কৌশলটি জয়লাভ করেছে তা নিয়ে আমরা আদৌ চিন্তিত নই। যা আমাদের চিন্তার বিষয় সেটি হচ্ছে কোন কৌশলটি সবচেয়ে বেশী পরিমান টাকা সঞ্চয় করতে পারে, যদি পনেরো জোড়ার সব কৌশল আমরা যোগ করি। টাকা মানে এখানে শুধু পয়েন্টস বা নম্বর যা বরাদ্দ করা হয়েছে। এভাবে: পরস্পর সহযোগিতা, ৩ পয়েন্ট, অসহযোগিতা করার প্রলোভন, ৫ পয়েন্ট, পারস্পরিক অসহযোগিতার জন্য ১ পয়েন্ট ( যা আগের খেলার মৃদু জরিমানার সমান), সাকারদের মূল্য পরিশোধ, ০ পয়েন্ট (যা আমাদের আগের খেলার বেশী পরিমান জরিমানার সমতুল্য)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে
    Next Article দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }