Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প800 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. ৪০ তম প্রকাশনা বার্ষিকী সংস্করণের এপিলগ

    ৪০ তম প্রকাশনা বার্ষিকী সংস্করণের এপিলগ

    বিজ্ঞানীরা, রাজনীতিবিদদের ব্যতিক্রম, ভুল প্রমাণিত হবার মধ্যে আনন্দ অনুভব করতে পারেন। একজন রাজনীতিবিদ যিনি তার মন পরিবর্তন করেন, “ডিগবাজি দেয়া বা আদর্শের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করার অপরাধে তাকে অভিযুক্ত করা হয়। টনি ব্লেয়ার গর্ব করে বলেছিলেন, তার কোনো রিভার্স (বা পেছনে যাবার) গিয়ার নেই। মোটামুটিভাবে সব বিজ্ঞানী দেখতে চান যে তাদের ধারণা প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু মাঝেমধ্যে সেই ধারণার বিপৰ্যাস শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারে, বিশেষ করে যখন উদারতার সাথে সেটি স্বীকার করে নেয়া হয়। আমি এমন কোনো বিজ্ঞানীর নাম শুনিনি, মত পরিবর্তনের জন্যে যাকে কিনা বিদ্বিষ্ট হতে হয়েছে।

    আংশিকভাবে ‘দ্য সেলফিশ জিন’ বইটির কেন্দ্রীয় বার্তাটি প্রত্যাহার করে নিতে পারার একটি উপায় খুঁজে পেলে আমি হয়তো বেশ তৃপ্ত হতাম। জিনোমিক্সের জগতে এত বেশী সংখ্যক উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা খুব দ্রুততার সাথে ঘটা অব্যহত আছে যে, মনে হতে পারে প্রায় অবশ্যম্ভাবী, এমনকি লোভের উদ্রেক করে, কোনো একটি বই যার শিরোনামে কিনা ‘জিন’ শব্দটি আছে, এই চল্লিশ বছর পরে সেটি একেবারে পুরোপুরিভাবে বাতিল না করলেও, অন্ততপক্ষে সেখানে বেশ বড় মাপের পুনর্বিবেচনা আর সংশোধন প্রয়োজন আছে। আসলেই হয়তো সেটি করতে হতো, যদি না এই বইয়ে সেই ‘জিন’ শব্দটি একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহার করা না হতো, যা ঐণতত্ত্ব নয় বরং বিবর্তনের সাথে যথোপযুক্ত করে ব্যবহৃত হয়েছিল। আমার সংজ্ঞাটি ছিল জর্জ সি উইলিয়ামসের সেই সংজ্ঞা, এই বইটির স্বীকৃত বীরদের একজন, জন মেনার্ড স্মিথ এবং বিল হ্যামিলটনের মত যিনি এখন আর আমাদের সাথে নেই: ‘একটি জিনকে ক্রোমোজোম উপাদানের যেকোনো একটি অংশ হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, প্রাকৃতিক নির্বাচনের একক হিসাবে কাজ করার জন্যে যে অংশটির যথেষ্ট সংখ্যক প্রজন্ম টিকে থাকার সম্ভাবনা থাকে। আমি এটিকে আরো খানিকটা ঠাট্টাপূর্ণ একটি উপসংহারের দিকে ধাক্কা দিয়েছিলাম.. “খুব কঠোরভাবে বললে, এই বইটির নাম হওয়া উচিৎ, ক্রোমোজোমের খানিকটা স্বার্থপর বড় অংশ এবং এমনকি ক্রোমোজোমের আরো বেশী স্বার্থপর ছোটো অংশ। কিভাবে জিন ফিনোটাইপের কোনো ট্রেইট বা বৈশিষ্ট্যের বাহ্যিক প্রকাশ) উপর প্রভাব ফেলে সেই বিষয়ে ভ্রূণতত্ত্ববিদদের চিন্তার বিপরীতে, এখানে আমরা জনগোষ্ঠীতে সেই সত্তাগুলোর উপস্থিতির হার সংক্রান্ত নব্য ডারউইনীয় ভাবনাগুলো বর্ণনা করেছিলাম। এই সত্তাগুলো উইলিয়ামসের বর্ণিত অর্থে ‘জিন’ (পরে উইলিয়ামস সেই ধারণাটির নাম দিয়েছিলেন: কোডেক্স)। জিন গণনা করা যেতে পারে,এবং তাদের সংখ্যা তাদের সফলতারই পরিমাপসূচক। এই বইটির কেন্দ্রীয় বার্তাগুলোর একটি হচ্ছে এককভাবে কোনো জীব সদস্যের জিনদের মত এই বৈশিষ্ট্যটি থাকে না। কোনো একটি জীবের ক্ষেত্রে এই উপস্থিতির হার ‘এক’ আর সেকারণে ‘প্রাকৃতিক নির্বাচনের একক হিসাবে সেটি কাজ করতে পারেনা। আর যাই হোক, ‘অনুলিপনকারী’ অর্থে না। যদি কোনো জীব প্রাকৃতিক নির্বাচনের একক হয়, তবে সেটি জিন ‘বাহনের খুব ভিন্ন একটি অর্থে। এর সফলতার পরিমাপ হচ্ছে পরবর্তী প্রজন্মগুলোর মধ্যে এর জিনগুলোর উপস্থিতির হার, এবং যে সংখ্যাটি এটিকে সর্বোচ্চ পরিমানে বাড়ানোর প্রচেষ্টা করে, হ্যামিলটন ‘ইনক্লসিভ ফিটনেস হিসাবে যা সংজ্ঞায়িত করেছিলেন।

    একটি জিন জনগোষ্ঠীতে এর সংখ্যাসূচক সফলতা অর্জন করে একক শরীরের উপর এর (ফিনোটাইপিক) প্রভাবের মাধ্যমে। দীর্ঘ সময়ব্যাপী বহু শরীরের দ্বারা প্রতিনিধিত্ব হবে একটি সফল জিন। এটি ঐসব শরীরগুলোকে যথেষ্ট দীর্ঘ পরিমান সময় বেঁচে থাকতে সাহায্য করে যেন পরিবেশে এটি প্রজনন করতে পারে। কিন্তু পরিবেশ মানে শুধুমাত্র শরীরের বাইরের পরিবেশ নয়, মাঠ, পানি, শিকারী প্রাণী ইত্যাদি, বরং অভ্যন্তরীণ পরিবেশও, এবং বিশেষভাবে অন্য জিনগুলো, জনগোষ্ঠীর মধ্যে যাদের সাথে একটি স্বার্থপর জিন পর্যায়ক্রমে প্রজন্মান্তরে বেশ কিছু শরীর ভাগাভাগি করে নেয়। সুতরাং প্রাকৃতিক নির্বাচন আনুকূল্য দেয় সেই সব জিনগুলোকে, যা প্রজননক্ষম জনগোষ্ঠীর মধ্যে অন্য জিনের সাহচর্যে যে সফলভাবে। টিকে থাকে। জিনরা আসলেই এই অর্থে ‘স্বার্থপর, আর এই বইয়ে সেই ধারণাটিকে মূলত সংবর্ধিত করা হয়েছে। এই জিনগুলো অন্য জিনগুলোর সাথে সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ করে যাদের সাথে এটি শুধুমাত্র বর্তমানের নির্দিষ্ট শরীরটিকে ভাগ করে না, বরং সাধারণভাবে বহু শরীর, যা প্রজাতির জিনপুল দ্বারা সৃষ্টি হয়। যৌন প্রজননের মাধ্যমে প্রজনন করে এমন জনগোষ্ঠী পরস্পরের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, সহযোগী জিনদের একটি কার্টেল বা জোট : আজ তারা পরস্পরের সহযোগী, কারণ তারা পূর্বসূরি অতীতে বহু প্রজন্মে একই ধরনের শরীরের মধ্যে তারা সহযোগিতা করার মাধ্যমে সমৃদ্ধি লাভ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে বোঝা ( প্রায়শই যেটি ভুল বোঝা হয়) যে, এই সহযোগিতামূলক আচরণকে বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়, এর কারণ কিন্তু এমন নয় যে জিনদের একটি গ্রুপ সামগ্রিকভাবে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়, বরং একক জিনগুলো পৃথকভাবে নির্বাচিত হয় অন্য জিনগুলোর সেই প্রেক্ষাপট থেকে, যাদের একটি শরীরে সম্মিলন হবার বেশী সম্ভাবনা থাকে, এর মানে প্রজাতির জিনপুলে অন্য জিনগুলোর প্রেক্ষাপটে। এই পুল, মানে, যেখান থেকে যৌন প্রজনন করে এমন কোনো প্রজাতির প্রতিটি একক সদস্য নমুনা হিসাবে এর জিনগুলো নির্বাচন করে নেয়। প্রজাতির এই জিনগুলো ( কিন্তু অন্য প্রজাতির জিনগুলো নয়) ক্রমাগত পরস্পরের সাথে মিলিত হচ্ছে এবং পরস্পরের সাথে সহযোহিতাপূর্ণ আচরণ করছে, পর্যায়ক্রমে আসা শরীরগুলোর মধ্যে।

    যৌন প্রজননের উদ্ভব পরিচালিত করেছিল কি, সেটি এখনও আমরা আসলেই জানিনা। কিন্তু যৌন প্রজননের একটি পরিণতি হচ্ছে পারস্পরিক সঙ্গতিপূর্ণ জিনদের সহযোগিতাপূর্ণ কার্টেল বা জোটের বাসস্থান হিসাবে ‘প্রজাতি আবিষ্কার। “জিনের দীর্ঘ হাত’ শীর্ষক অধ্যায়ে (অধ্যায় ১৩) যেভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, সহযোগিতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে, প্রতিটি প্রজন্মে শরীরের সব জিন একই ‘বটোলনেক’ বা সংকীর্ণ বের হবার একটি পথ ভাগাভাগি করে, যার মধ্যে দিয়ে তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শরীরে প্রবেশ করার ‘চেষ্টা করে, আর সেটি হচ্ছে: শুক্রাণু অথবা ডিম্বাণু। সহযোগিতপূর্ণ বা দ্য কোঅপারেটিভ জিনও সমানভাবে যথার্থ শিরোনাম হতে পারতো এই বইটির, এবং বইটিতে আদৌ কোনো পরিবর্তনও করতে হতো না। আমার সন্দেহ বহু ভ্রান্ত-ধারণা প্রসূত সমালোচনাও হয়তো এর মাধ্যমে এড়ানো সম্ভব হতো।

    আরেকটি ভালো শিরোনাম হতে পারতো “দি ইমোর্টাল জিন’, ‘সেলফিশ’ শব্দটির চেয়ে অনেক বেশী কাব্যিক হওয়াসহ ইমোর্টাল (বা অমর) শব্দটি এই বইটির মূল যুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধারণ করতে পেরেছে। ডিএনএ অনুলিপন প্রক্রিয়ায় বিশ্বস্ততা– কারণ মিউটেশন দূর্লভ– প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তনের জন্যে অপরিহার্য। “হাই-ফিডেলিটি’ মানে জিনগুলো, সঠিক তথ্যবাহী অনুলিপি রুপে বহু মিলিয়ন বছর ধরে টিকে থাকতে পারে। সফল জিনগুলো, যদিও। অসফল জিনগুলো, সংজ্ঞানুযায়ী, সেটি করতে পারেনা। এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ হবে যদি এক টুকরো জিনগত তথ্যের সম্ভাব্য জীবনকাল খুব সংক্ষিপ্ত হয়ে থাকে, যাই হোক না কেন। অন্যভাবে যদি বিষয়টি দেখা যায়, জীবিত প্রতিটি সদস্য এর ভ্রূণবিকাশের সময় নির্মিত হয়েছে সেই জিনগুলো দ্বারা, যারা তাদের বংশঐতিহ্য অনুসরণ করতে পারবে বিশাল একটি সংখ্যার প্রজন্মান্তরে, বহু সংখ্যক একক জীবসদস্যদের মধ্যে। জীবিত প্রাণীরা উত্তরাধিকার সূত্রে সেই জিনগুলো পায় যা তাদের বহু সংখ্যক পূর্বসূরিদের বাঁচতে সহায়তা করেছিল। সেকারণে জীবিত প্রাণীদের সেটি আছে যা তাদের টিকে থাকতে এবং বংশ বিস্তারের জন্যে প্রজনন করতে সহায়তা করে। এর বিস্তারিত খুঁটিনাটি বিষয়গুলো প্রজাতি ভেদে ভিন্ন • শিকারী প্রাণী অথবা শিকার, পরজীবি অথবা পোষক, জলচর অথবা স্থলবাসী, মাটির নীচে অথবা জঙ্গলের ছাদ বা ক্যানোপিতে, কিন্তু সাধারণ নিয়মটি একই থাকে।

    এই বইটির একটি কেন্দ্রীয় ভাবনা মূলত গড়ে তুলেছিলেন আমার বন্ধু, বিখ্যাত জীববিজ্ঞানী ও তাত্ত্বিক বিল হ্যামিলটন, যা মৃত্যুতে আমি এখনও শোক অনুভব করি। প্রাণীরা নিজেদের সন্তানদের দেখাশুনা করবে শুধুমাত্র এমনটাই প্রত্যাশা করা হয় না, তারা তাদের জিনগত অন্য স্বজনদেরও দেখাশুনা করে। বিষয়টি প্রকাশ করার সরলতম একটি উপায়, আর যে উপায়টি আমার পছন্দের, সেটি হচ্ছে ‘হ্যামিলটনস’স রুল’: পার্থবাদের একটি জিন জনগোষ্ঠীতে ছড়িয়ে পড়বে যদি একজন পরার্থবাদীর এর জন্য এর মূল্য ‘C, উপকারগ্রহীতার কাছে মূল্য ‘B’ এর মূল্য মানের চেয়ে কম হয়, যা অবমূল্যায়িত হবে তাদের মধ্যে কো-এফিসিয়েন্ট অব রিলেটেডনেস বা দ্বারা। r হচ্ছে ০ থেকে ১ এর মধ্যে আনুপাতিক একটি অংশ; এর মান ১ হবে যদি তারা হুবহু জমজ হয়, ০.৫ হবে সন্তান আর আপন ভাইবোন হয়, ০.২৫ হবে নাতি, সৎ ভাইবোন, ভাইবোনের ছেলে মেয়ে, ০.১২৫ হবে দূরবর্তী কাজিনদের ক্ষেত্রে। কিন্তু যখন এটি ‘শূন্য’? এই স্কেলে ‘শূন্যের’ মানে কি? বেশ কঠিন বলা বিষয়টি, কিন্তু এটি গুরুত্বপূর্ণ আর ‘দ্য সেলফিশ জিনের প্রথম সংস্করণে এটি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি। ‘শূন্য’ মানে এই যে দুজন জীব সদস্যের মধ্যে কোনো সাধারণ জিন থাকবে না। আমরা সব মানুষই আমাদের জিনের ৯৯ শতাংশ ভাগাভাগি করি, ইঁদুরের সাথে ৯০ শতাংশের চেয়েও বেশী আর মাছের সাথে ৭৫ শতাংশ জিন আমরা ভাগাভাগি করি। শতাংশগুলোর এই উচ্চ পরিমান বহু মানুষকে ‘কিন সিলেকশন’ সম্বন্ধে ভ্রান্ত ধারণায় সংশয়াচ্ছন্ন করে তোলে, যার মধ্যে অনেক প্রখ্যাত বিজ্ঞানীরাও আছেন। কিন্তু এই সংখ্যাগুলো কিন্তু বলতে যা বোঝায় তা না। (ধরুন) যখন আমার ভাইয়ের জন্যে। হচ্ছে ০.৫, ‘এটি ০, জনগোষ্ঠীর অন্য যেকোনো একজন সদস্যদের সাথে, যাদের সাথে আমি হয়তো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। পরার্থবাদের বিবর্তন সম্বন্ধে কোনো তাত্ত্বিক প্রস্তাবনা করার ক্ষেত্রে, প্রথম কাজিনদের মধ্যে। হচ্ছে ০,১২৫, যখন তাদের কোনো রেফারেন্স ব্যাকগ্রাউন্ড জনগোষ্ঠীর সাথে তুলনা করা হয় (যেখানে r = 0), যা হচ্ছে বাকি জনগোষ্ঠী যাদের প্রতি পরার্থবাদ দেখানো যেতে পারে: স্থান এবং খাদ্যের জন্যে প্রতিদ্বন্দ্বী, সেই প্রজাতির পরিবেশে সেই সময়ে তাদের সহযাত্রী। এই ০.৫ (০.১২৫ ইত্যাদি) ব্যাকগ্রাউন্ড জনগোষ্ঠীর চেয়ে বেশী আত্মীয়তার ইঙ্গিত করবে, যাদের সাথে আত্মীয়তা শূন্যের নিকটবর্তী।

    উইলিয়ামসের ধারণায় জিনরা হচ্ছে সেই জিনিস যা আপনি প্রজন্মান্তরে গণনা করতে পারবেন, তাদের আণবিক প্রকৃতি যাই হোক না কেন, কোনো সমস্যা নেই। যেমন, কিছু যায় আসে না যে জিনরা ধারাবাহিকভাবে সাজানো ‘এক্সন’ ( প্রকাশ হয়) অংশে বিভক্ত, যার মধ্যে থাকে মূলত নিষ্ক্রিয় ইন্ট্রন ট্রান্সলেশন যন্ত্র যা। উপেক্ষা করে) অংশ। আণবিক জেনোমিক্স বেশ চমৎকার একটি বিষয়, যা খুব বেশী মাত্রায় বিবর্তনের জিনকন্দ্রীক দৃষ্টিভঙ্গির উপর নির্ভরশীল নয়, যা এই বইয়ের মূল ধারণা। অন্যভাবে বিষয়টি বললে, ‘দ্য সেলফিশ জিন’ খুব সম্ভবত এমনকি অন্য যে-কোনো গ্রহের জীবনেরও বৈধ একটি ব্যাখ্যা, এমনকি ঐসব গ্রহে জিনদের যদি ডিএনএ-র সাথে কোনো সম্পর্কও না থাকে। যাই হোক না কেন, বেশ কিছু উপায় আছে যেখানে আধুনিক আণবিক জিনতত্ত্বের বিস্তারিত বিষয়, ডিএনএর বিস্তারিত গবেষণা, তাদের একত্রে জড়ো করা যেতে পারে জিনকেন্দ্রীক দৃষ্টিভঙ্গিতে, এবং দেখা যেতে পারে সেগুলো এর উপর সন্দেহ আরোপ করার বদলে জীবনের সেই দৃষ্টিভঙ্গিটির যথার্থতা প্রদান করবে। আমি এই বিষয়ে পরে আলোচনায় আসছি, যা হয়তো মনে পারে প্রসঙ্গের রাতারাতি পরিবর্তন, যার শরু একটি নির্দিষ্ট প্রশ্ন দিয়ে, যা একই ধরনের বহু প্রশ্নের সমর্থনে দাঁড়িয়ে।

    রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সাথে আপনার আত্মীয়তা কতটা নিকটবর্তী। বাস্তবতা হচ্ছে, আমি জানি আমি তার ১৫তম কাজিন। দুই প্রজন্মের ব্যবধানসহ। আমাদের সাধারণ পূর্বসূরি হচ্ছে রিচার্ড প্লান্টাজেনেট, ইয়র্কের তৃতীয় ডিউক (১৪১২-১৪৬০)। রিচার্ডের ছেলেদের একজন ছিলেন রাজা চতুর্থ এডওয়ার্ড, যার বংশধারায় রানি এলিজাবেথ একজন উত্তরসূরি। অন্য একজন ছেলে জর্জ, ডিউক অব ক্লারেন্স, যার উত্তরসূরি আমি (বলা হয়ে থাকে যিনি মাল্মসে মদের পিপায় ডুবে মারা গিয়েছিলেন)। অপনি হয়তো জানেন না কিন্তু খুব সম্ভাবনা আছে আপনি রানির ১৫ তম কাজিনের চেয়ে নিকটাত্মীয়, যেমন আমিও তেমনি ঐ পোষ্টম্যানও। বহু বিচিত্র উপায় অন্য কারো দূরবর্তী কাজিন হওয়া সম্ভব। আমরা সবাই ঐসব উপায়গুলোর বহু উপায়ে পরস্পরের আত্মীয়। আমি জানি আমি আমার স্ত্রীর ১২ তম কাজিন দুই প্রজন্ম বাদ দিয়ে ( সাধারণ পূর্বসূরি জর্জ হাস্টিঙস, হান্টিঙডনের প্রথম আর্ল, ১৪৮৮-১৫৪৪)। কিন্তু খুবই সম্ভাবনা আছে আমি তার আরো নিকটবর্তী কাজিন বহু বিচিত্র অজানা উপায়ে (আমাদের দুজনেরই বংশধারায় নানা পথে), এবং এটি অবশ্যই নিশ্চিৎ যে, আমি এছাড়াও অজানা বহু উপায়ে তার আরো দূরবর্তী একজন কাজিন। আমরা সবাই তাই। আপনি এবং রানি হয়তো একই সাথে ছয় প্রজন্ম বাদে ৯ ম কাজিন অথবা চার প্রজন্ম বাদে ২০ তম কাজিন আর ৩০ তম কাজিন চার প্রজন্ম বাদে। আমরা সবাই, পৃথিবীর যেখানেই আমরা বাস করি না কেন, শুধু পরস্পরের কাজিন নই, আমরা বিভিন্ন উপায়ে পরস্পরেরর কাজিন। এটি শুধুমাত্র আরেকটি উপায়ে বলা যে, আমরা সবাই ব্যাকগ্রাউন্ড জনগোষ্ঠীর সদস্য যাদের মধ্যে, কো-এফিসিয়েন্ট অব রিলেটেডনেস শূন্যের কাছাকাছি। আমি আমার আর রানির মধ্যে এই r পরিমাপ করতে পারি একটি পথ দিয়ে যার জন্যে রেকর্ড বিদ্যমান। কিন্তু যেমন সংজ্ঞাটি বলছে এটি শূন্যর কাছাকাছি হবে, সুতরাং খুব একটা পার্থক্য করবে না।

    এই সব হতভম্ভ করে দেবার মত আত্মীয়তার কারণ হচ্ছে যৌন প্রজনন। আমাদের দুইজন বাবা-মা আছেন, চারজন পিতামহ/মহী, মাতামহ/মহী, আট জন প্রপিতামহ/মহী, প্রমাতামহ/মহী আছেন, এবং এভাবে ভাবুন, এটি চলতে থাকবে অতিমাত্রায় বিশাল একটি সংখ্যায়। আপনি যদি দুই দিয়ে গুণ করা অব্যাহত রাখেন উইলিয়াম দ্য কনকেররের সময় অবধি, তাহলে আপনার পূর্বসূরিদের সংখ্যা ( এবং আমার, রানির এবং পোষ্টম্যানের) দাঁড়াবে কমপক্ষে প্রায় এক বিলিয়ন, সেই সময়ে সারা পৃথিবীর জনসংখ্যার চেয়েও বেশী। এই হিসাব একাই প্রমাণ করে আপনি যেখান থেকেই আসুন না কেন, আমাদের বেশ কিছু পূর্বসূরি সাধারণ (চূড়ান্তভাবে সব, যদি আপনি যথেষ্ট পরিমানে অতীতে যান), এবং আমরা বহু উপায়ে বহু সংখ্যক বার পরস্পরের কাজিন।

    ঐসব জটিলতা অদৃশ্য হয়ে যায় যদি আপনি এই কাজিনশিপের দিকে জিনকেন্দ্রীক একটি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে থাকান (যে দৃষ্টিভঙ্গিটি এই বইয়ে পুরোটা জুড়ে বিভিন্ন উপায়ে সমর্থন করা হয়েছে), একক জীবের দৃষ্টিভঙ্গির বিপরীতে (যা জীববিজ্ঞানে সাধারণ প্রচলিত একটি ধারণা)। সুতরাং জিজ্ঞাসা করা বন্ধ করুন, আমি আমার স্ত্রী কি ধরনের কাজিন (পোষ্টম্যান বা রানি)? এর পরিবর্তে সেই প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করুন একটি একক জিনের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে: আমার নীল চোখের জিনের সাথে পোষ্টম্যানের নীল চোখের জিনের কি সম্পর্ক? পলিমরফিজম, যেমন, ABO রক্তের গ্রুপ ইতিহাসে অনেক গভীরে বিস্তৃত, এমনকি অন্য এইপ ও বানররাও যা ভাগাভাগি করে। মানুষের A জিন অন্য মানুষের B জিনের সাথে যতটা আত্মীয়তা খুঁজে পায়, শিম্পাঞ্জির মধ্যে সমতুল্য জিনের সাথে তার চেয়ে বেশী আত্মীয়তা খুঁজে পায়। Y ক্রোমোজোমে SRY জিনের ক্ষেত্রে, যা পুরুষের লিঙ্গ বৈশিষ্ট্যগুলো নির্ধারণ করে, আমার SRY জিন কোনো ক্যাঙারুর SRY জিনকে দেখে তাদের খুব নিকটবর্তী কাজিন হিসাবে।

    অথবা এই আত্মীয়তার বিষয়টি আমরা মাইটোকন্ড্রিয়া’র দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লক্ষ করতে পারি, আমাদের সব কোষে প্রচুর পরিমানে ছোট যে অঙ্গাণুটি থাকে, আমাদের বেঁচে থাকার জন্যে যারা অপরিহার্য। তারা প্রজনন করে অযৌন উপায়ে, তাদের নিজেদের জিনোমে অবশিষ্টাংশ তারা ধরে রাখে (বহুদিন আগে তারা স্বাধীনভাবে বাস করতো এমন ব্যাকটেরিয়ার উত্তরসূরি)। উইলিয়ামসের সংজ্ঞায়, একটি মাইটোকন্ড্রিয়ার জিনোমকে একটি একক ‘জিন’ হিসাবে ভাবা যেতে পারে। আমরা শুধুমাত্র আমাদের মায়েদের কাছ থেকে মাইটোকন্ড্রিয়া পাই। সুতরাং যদি আপনি এখন আমার কাছে জানতে চান রানির মাইটোকন্ড্রিয়ার সাথে আপনার মাইটোকন্ড্রিয়ার আত্মীয়তা কতটা নিকটবর্তী, তাহলে এর একটি একক উত্তর আছে। আমরা হয়তো জানতে পারবো না এর উত্তরটা, কিন্তু আমরা জানি আপনার আর রানির মাইটোক্রোন্ড্রিয়া একটি মাত্র উপায়ে কাজিন হতে পারে, বহু শত উপায়ে না যেমনটা ঘটে যদি আমরা পুরো শরীরের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিষয়টি দেখি। আপনার বংশধারার অতীত অনুসরণ করুন প্রজন্মান্তরে, কিন্তু শুধুমাত্র আপনার মায়ের বংশধারা ধরে। নিরন্তর শাখা প্রশাখায় বিভক্ত হওয়া পুরো জীবদের’ বংশধারার ব্যতিক্রম এখানে আপনি একটি সংকীর্ণ সুতা অনুসরণ করবেন (মাইটোকন্ড্রিয়াল)। রানির সাথে একই করতে হবে, তার মায়ের বংশধারার সংকীর্ণ সুতা বহু প্রজন্ম ধরে অতীতমুখী। কোনো না কোনো একসময় দুটি সুতো এক জায়গায় মিলবে এবং এখন, সেই দুটি সুতা ধরে প্রজন্মগুলো গণনা করে আপনি সহজেই রানির সাথে আপনার মাইটোকন্ড্রিয়াল আত্মীয়তা পরিমাপ করতে পারবেন।

    যা আপনি মাইটোকন্ড্রিয়া দিয়ে করতে পারবেন, নীতিগতভাবে সেটি আপনি যেকোনো জিনের সাথে করতে পারবেন, আর এটাই জিন দৃষ্টিভঙ্গি আর পুরো জীবের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে পার্থক্যটি প্রদর্শন করে। পুরো একটি জীবের দৃষ্টিকোণ থেকে আপনার একজন করে বাবা ও মা আছেন, চারজন পিতামহ/মহী, মাতামহ/মহী, আটজন প্রপিতামহ/মহী, প্রমাতামহ/মহী ইত্যাদি। কিন্তু, একটি মাইটোকন্ড্রিয়নের মতই প্রতিটি জিনের একজন বাবা অথবা মা, একজন পিতামহ/মহী বা মাতামহ/মহী, গ্রেট প্রপিতামহ/মহী বা প্রমাতামহ/মহী আছে এবং এভাবে চলতে থাকবে। যেমন, নীল চোখের জিন আমার আছে একটি, কিন্তু রানির আছে দুটি। নীতিগতভাবে আমরা বংশধারায় আগের প্রজন্মগুলো ধারাবাহিকতা লক্ষ করলে আমার নীল জিন আর রানির দুটি নীল জিনের প্রত্যেকটির সাথে আত্মীয়তা আবিষ্কার করতে পারি। এই দুটি জিনের সাধারণ পূর্বসূরিকে বলে ‘কোয়ালেসেন্স পয়েন্ট। কোয়ালেসেন্স অ্যানালাইসিস জিনতত্ত্বের খুবই দ্রুত বর্ধনশীল একটি শাখা এবং খুবই বিস্ময়কর। আপনি কি দেখতে পারছেন কিভাবে জিন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি এটি অনুকূল, যা এই পুরো বইটি সমর্থন করছে? আমরা আর পরার্থবাদ নিয়ে কোনো কথা বলছি না। জিন দৃষ্টিভঙ্গি অন্য সব দৃষ্টিভঙ্গির উপর তার প্রাধান্য প্রদর্শন করছে, এই ক্ষেত্রে অতীত বংশ ঐতিহ্যের দিকে তাকিয়ে।

    আপনি এমনকি একটি একক শরীরের মধ্যে ধারণ করা দুটি অ্যালিলের মধ্যে কোয়ালেসেন্স’ পয়েন্টও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। প্রিন্স চার্লস এর নীল চোখ আছে আর আমরা ধরে নিতে পারি, এক জোড়া নীল চোখের অ্যালিল পরস্পরের মুখোমুখি বসে আসে তার ক্রোমোজোম ১৫ র উপর। প্রিন্স চার্লসের দুই নীল চোখের জিন অ্যালিলগুলো পরস্পরেরর কতটা নিকটবর্তী, যার একটি তার বাবা, অন্যটি তার মায়ের কাছ থেকে পাওয়া? এই ক্ষেত্রে আমরা একটি সম্ভাব্য উত্তর জানি, আর সেটি আমরা জানি শুধুমাত্র তার কারণ রাজবংশলতিকা খুব সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করা হয়, যা অন্য কোনো বংশলতিকার সাথে সাধারণত করা হয়না। রানি ভিক্টোরিয়ার নীল চোখ ছিল, এবং প্রিন্স চার্লস দুটি উপায়ে রানি ভিক্টোরিয়ার উত্তরসূরি। তার মায়ের দিক থেকে রাজা সপ্তম এডওয়ার্ডের মাধ্যমে এবং প্রিন্স এলিস অব হেসের মাধ্যমে তার বাবার বংশ থেকে। সুতরাং ৫০ শতাংশ সম্ভাবনা আছে ভিক্টোরিয়ার নীল চোখের জিনের দুটি অনুলিপি আলাদা হয়েছিল পরস্পরের থেকে, তাদের একটি প্রবেশ করে সপ্তম এডওয়ার্ডের শরীরে, অন্যটি গিয়েছিল তার মেয়ে প্রিন্সেস এলিসের শরীরে। এই দুটি সহোদর জিনের আরো অনেক কপি রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ একদিকে আর অন্যদিকে প্রিন্স ফিলিপের বংশধারায় সহজেই এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে হস্তান্তরিত হয়েছিল, এবং তারপর তারা আবার একত্রিত হয় প্রিন্স চার্লসের শরীরে। এর মানে এই দুটি জিনের ‘কোয়ালেসেন্স পয়েন্ট ছিল ভিক্টোরিয়া। আমরা জানি না, আর জানতেও পারবো না, চার্লসের নীল চোখের জিনের জন্যে এটি সত্য কিনা। কিন্তু পরিসংখ্যানগতভাবে এটি সত্য হতে হবে যার বহু জোড়া জিনের কোয়ালেসেন্স পয়েন্ট ছিল ভিক্টোরিয়া। আর একইভাবে বিষয়টি প্রযোজ্য আপনার এবং আপনার জিনজোড়াদের সাথে। যদিও আমাদের প্রিন্স চার্লসের মত এত বিস্তারিত বংশলতিকা নেই যাচাই করার জন্যে, আপনার যেকোনো একজোড়া জিন নীতিগতভাবে, তাদের সাধারণ পূর্বসূরির বরাবর অনুসরণ করা যেতে পারে, সেই ‘কোয়ালেসন্স পয়েন্ট যেখানে এটি পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে একই প্যারেন্ট জিন থেকে।

    এখন, এখানে কৌতূহলোদ্দীপক বিষয়টি হচ্ছে, যদিও আমি আমার কোনো জিনের আলিল জোড়ার একেবারে সঠিক কোয়ালেসেন্স পয়েন্ট প্রতিষ্ঠা করতে পারবো না, কিন্তু জিনতত্ত্ববিদরা নীতিগতভাবে একজন একক ব্যক্তির শরীরের সব জিনে জোড়া অ্যালিলি নিয়ে অতীত অভিমূখে সম্ভাব্য সব পথ বিবেচনা করে ( আসলে সব সম্ভাব্য পথ ব্যবহার করে না, কারণ অনেক বেশী সংখ্যক পথ আছে, বরং সেগুলো থেকে পরিসংখ্যানমূলক একটি নমুনায়), পুরো জিনোম জুড়ে একটি কোয়ালেসেন্স প্যাটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন। হেঙ লি এবং রিচার্ড ডুরবিন, কেমব্রিজের স্যাঙ্গার ইন্সস্টিটিউটের এই দুই গবেষক একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় অনুধাবন করেছিলেন: কোনো একটি একক ব্যক্তির জিনোমের জিনজোড়াগুলোর মধ্যে কোয়ালেসেন্স প্যাটার্ন আমাদের একটি পুরো প্রজাতির প্রাগৈতিহাসের নির্দিষ্ট সময় পরিমাপযোগ্য মুহূর্তের একটি জনসংখ্যাতাত্ত্বিক বিবরণ পুনর্গঠন করার জন্যে যথেষ্ট পরিমান তথ্য দেয়।

    জিন জোড়গুলোর মধ্যে কোয়ালেসেন্স নিয়ে আমাদের আলোচনায়, যে জিন জোড়ার একটি এসেছে বাবা থেকে আর একটি মা থেকে; ‘জিন’ শব্দটির মানে, যেভাবে আণবিক জীববিজ্ঞানীরা শব্দটি ব্যবহার করেন তার চেয়ে খানিকটা নমনীয়। আসলেই আপনি হয়তো বলতে পারেন যে, কোয়ালেসেন্স জিনতত্ত্ববিদরা খানিকটা সেই পুরানো সংজ্ঞায় প্রত্যাবর্তন করেছেন, যা খানিকটা আমার সেই ‘ক্রোমোজোমের স্বার্থপর বড় টুকরো এবং ক্রোমোজোমের আরো বেশী স্বার্থপর ক্ষুদ্র টুকরো’ সংজ্ঞার মত। কোয়ালেসেন্স বিশ্লষণ ডিএনএর সেই টুকরোগুলো বিশ্লেষণ করে গবেষণা করছেন, যেগুলো হয়তো বড় এবং ছোটো হতে পারে আণবিক জীববিজ্ঞানীদের একটি একক জিন বলতে কি বোঝান তার থেকে, কিন্তু সেগুলো পরস্পরের আত্মীয় হতে পারে তা সত্ত্বেও, যারা ভাগ করে নেয়া একটি সাধারণ পূর্বসূরি থেকে পৃথক হয়েছে কোনো একটি সুনির্দিষ্ট সংখ্যক প্রজন্ম আগে।

    যখন একটি জিন (সেই অর্থে) এর দুটি কপি পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন করে দুটি সন্তানের প্রত্যেককে একটি করে দেয়, ঐ দুটি কপির উত্তরসূরিরা হয়তো, সময় অতিক্রান্ত হলে মিউটেশনের কারণে নিজেদের মধ্যে পার্থক্য পুঞ্জিভূত করে। এগুলো হয়তো ‘ধরা পড়ে না‘ কারণ ফিনোটাইপের পার্থক্যে সেগুলো দৃশ্যমান হয়না। মিউটেশনের কারণে সৃষ্ট পার্থক্যগুলো তাদের মধ্যে যা আমরা পাবো সেটি তাদের পৃথক হবার সেই সময়ের পর থেকে অতিক্রান্ত হওয়া সময়ের সমানুপাতিক, একটি বাস্তবতা যা জীববিজ্ঞানীরা নানা বিশ্লেষণে ব্যবহার করতে পারেন, আরো বেশী সময়ের পরিক্রমায়, তথাকথিত মলিকুলার ক্লকে (আণবিক ঘড়ি)। এছাড়াও, সেই জিনজোড়াগুলো যাদের আত্মীয়তা আমরা পরিমাপ করছি তাদের পরস্পরের মত একই ফিনোটাইপিক প্রভাব থাকার প্রয়োজন নেই। আমি আমার বাবার কাছ থেকে একটি নীল চোখের জিন পেয়েছি, একটি বাদামী চোখের জিন আমার মায়ের কাছ থেকে। যদিও এই জিনগুলো ভিন্ন, এমনকি তাদেরও অবশ্যই অতীতে একটি কোয়ালেসেন্ট পয়েন্ট ছিল: সেই মুহূর্ত যখন একটি সুনির্দিষ্ট জিন আমার বাবা-মার কোনো একটি সাধারণ পূর্বসূরির শরীরে পৃথক হয়ে একটি করে কপি দুটি সন্তানের মধ্যে প্রবেশ করেছিল। সেই কোয়ালেসেন্স (ভিক্টোরিয়ার দুই কপি নীল চোখের জিনের ব্যতিক্রম) ঘটেছিল বহু দিন আগে, এবং এই এক জোড়া জিন বহু সময় পেয়েছে পার্থক্য জমা করার জন্যে, বিশেষ করে তাদের মাধ্যমে সংকেত করা চোখের রঙের ভিন্নতা।

    আমি বলেছিলাম, একজন একক ব্যক্তির জিনোমে কোয়ালেসেন্স প্যাটার্ন নিয়ে অনুসন্ধানটিকে জনসংখ্যাতাত্ত্বিক প্রাগৈতিহাসের খুঁটিনাটি পুনর্গঠন করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। যেকোনো ব্যক্তির জিনোমই সেটি করতে পারে। বাস্তবে, আমি পৃথিবীর সেই মানুষগুলোর একজন, যাদের পুরো জিনোম অনুক্রম করা হয়েছে। এটি করা হয়েছিল ‘সেক্স, ডেথ অ্যান্ড দি মিনিং অব লাইফ’ শীর্ষক একটি টেলিভিশন প্রোগ্রামের জন্যে, যা ২০১২ সালে চ্যানেল ফোরের জন্যে আমি উপস্থাপনা করেছিলাম। ইয়ান ওং, ‘দ্য আনসেস্টর টেল’ এ আমার সহলেখক, যার কাছ থেকে কোয়ালেসেন্স তত্ত্ব এবং এছাড়া এ-সংক্রান্ত যা কিছু তার সবটাই শিখেছি, এই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছিলেন, এবং প্রয়োজনীয় বিশ্লেষণ করেছিলেন। আমার জিনোম ব্যবহার করে লি/ডারবিন সদৃশ হিসাব-নিকাশ করেছিলেন শুধুমাত্র আমার জিনোম নিয়ে মানব ইতিহাস সম্বন্ধে যুক্তিনির্ভর কিছু উপসংহারে পৌঁছাতে।

    প্রায় ৬০,০০০ আগে তিনি বহু সংখ্যক কোয়ালেসেন্স খুঁজে পেয়েছিলেন। এটি প্রস্তাব করে যে প্রজননশীল জনগোষ্ঠী, যার মধ্যে আমার পূর্বসূরিরা ছিলেন, সেটি ৬০,০০০ বছর আগে ছোট ছিল। তখন বেশী কেউ ছিল না, সুতরাং এক জোড়া আধুনিক জিনের একই পূর্বসূরির মধ্যে একাঙ্গীভূত হবার সম্ভাবনা ছিল অনেক বেশী। ৩০০,০০০ বছর আগে কোয়ালেসেন্স এর পরিমান ছিল কম, যা প্রস্তাব করছে কার্যকরী জনগোষ্ঠীর আকার ছিল অপেক্ষাকৃত বড়। এই সংখ্যাগুলো গ্রাফ হিসাবে সময়ের সাথে প্লট করা যায় একটি কার্যকর জনগোষ্ঠীর আকারের সাথে। এই প্যাটার্নটি তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন, এটি সেই একই প্যাটার্ন, এই টেকনিকটি যারা আবিষ্কার করেছিলেন, তারা কোনো ইউরোপিয় জিনোমে যা পাওয়ার প্রত্যাশা করতেন।

    ছবি ১: দ্য অ্যানসেস্টর টেল থেকে (২০০৬), দ্বিতীয় সংস্করণ, ছবি, ইয়ান ওং)

    কালো রেখাটি (ছবি ১ দেখুন) ইতিহাসের নানা সময়ে একটি কার্যকর জনগোষ্ঠীর সম্ভাব্য আকার দেখাচ্ছে আমার জিনোমের উপর ভিত্তি করে (আমার বাবা ও মায়ের জিনের কোয়ালেসেন্সের)। এটি দেখাচ্ছে যে প্রায় ৬০,০০০ বছর আগে আমার পূর্বসূরি জনগোষ্ঠীর মধ্যে কার্যকর জনগোষ্ঠীর আকার কমে গিয়েছিল। ধূসর রেখাটি একই সমতুল্য প্যাটার্ন, যার উৎস একজন নাইজেরিয়ীয় ব্যক্তির জিনোম। এটিও সেই একই সময়ে জনগোষ্ঠীর আকারে নিম্নমুখী পতন দেখাচ্ছে, কিন্তু অপেক্ষাকৃত কম নাটকীয়তায় মাত্রায়। হয়তো যে বিপর্যয় এই নিম্নমুখী পতনের জন্যে দায়ী সেটি ইউরেশিয়ায় চেয়ে আফ্রিকায় কম প্রভাব ফেলেছিল।

    আমার থেকে যতটা সে শিখেছিল, তার কাছে থেকে আমি আরো বেশী শিখতে শুরু করার আগে ঘটনাক্রমে ইয়ান, অক্সফোর্ডের নিউ কলেজে আমার আন্ডারগ্রাজুয়েট ছাত্র ছিল। এরপর সে অ্যালান গ্রাফেনের অধীনে গ্রাজুয়েট ছাত্র ছিল, অ্যালান গ্রাফেন আন্ডারগ্রাজুয়েট থাকাকালীন আমিও তার শিক্ষক ছিলাম, পরবর্তীতে যে আমার গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থী হয়েছিল এবং যার বিবরণ আমি দিয়েছি এখন আমার বৌদ্ধিক গুরু হিসাবে। সুতরাং ইয়ান একই সাথে স্টুডেন্ট এবং গ্রান্ডস্টুডেন্ট, একটি চমৎকার মিমগত সমরুপ উদাহরণ আমার ইতিপূর্বে উল্লেখিত বক্তব্যটির, যে আমারা বহু উপায়ে পরস্পরের আত্মীয়, যদি সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের দিক আরো বেশী জটিল, এই সাধারণ সরলীকরণ যা ইঙ্গিত দিচ্ছে তার চেয়ে।

    সারাংশ যদি করি, জীবনের জিনকেন্দ্রীক দৃষ্টিভঙ্গি, এই বইটির কেন্দ্রীয় প্রস্তাবনা, শুধুমাত্র পরার্থবাদিতা আর স্বার্থপরতা বিবর্তনের বিষয়টির উপরেই আলোকপাত করেনি, এর পূর্ববর্তী সংস্করণ যা ব্যাখ্যা করেছে। এটি গভীর একটি অতীতের উপর আলোকপাত করেছে এমন কিছু উপায়ে যখন আমি প্রথম ‘দ্য সেলফিশ জিন’ লিখেছিলাম, সে সম্বন্ধে আমার সাধারণ কোনো ধারণাই ছিলনা। যা ব্যাখ্যা করা হয়েছে আরো প্রাসঙ্গিক কিছু অনুচ্ছেদে ( সহলেখক হিসাবে ইয়ানের সাথে মূলত সেগুলো লেখা), দি অ্যানসেস্টর টেইলের দ্বিতীয় সংস্করণে। জিনকেন্দ্রীক দৃষ্টিভঙ্গি এতই শক্তিশালী, ঐতিহাসিক জনসংখ্যাতত্তেএকজন একক ব্যক্তির জিনোমই যথেষ্ট পরিমাপসূচক বিস্তারিত উপসংহারে উপনীত হতে পারে। এটি আর কি করতে সক্ষম? নাইজেরিয়ার তুলনামূলক উদাহরণের সাথে যার পুর্বাভাস পেয়েছি, পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার ব্যক্তিদের জিনোমে ভবিষ্যৎ বিশ্লেষণ অতীত থেকে আসা জনসংখ্যাতাত্ত্বিক সংকেতগুলোর একটি ভৌগলিক মাত্রা দিতে পারে।

    এই জিনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি দূর অতীতে হয়তো আরো অন্য উপায়ে কি প্রবেশ করতে পারে? আমার বেশ কিছু বই একটি ধারণা প্রতিপালন করেছে, যার নাম আমি দিয়েছিলাম, ‘দ্য জেনেটিক বুক অব দ্য ডেড। কোনো একটি প্রজাতি জিনপুল হচ্ছে পরস্পরের সাথে সহযোগিতাপূর্ণ জিনদের একটি সফল জোট, যা অতীতের কোনো একটি নির্দিষ্ট পরিবেশে বেঁচে ছিল, বহু অতীতে এবং বর্তমানে। আর এই বিষয়টি জিনপলটিকে ঐসব পরিবেশের একটি ‘নেগেটিভ’ ছাপের মত ভাবা সম্ভব হতে পারে। যথেষ্ট পরিমান জ্ঞানী কোনো জিনতাত্ত্বিকের পক্ষে কোনো একটি প্রাণীর জিনোম থেকে, তার পূর্বসূরিরা যে পরিবেশ বেঁচে ছিল সেটি পড়তে পারার দক্ষতা থাকা উচিৎ। নীতিগতভাবে, কোনো একটি মোলের (Talpa europaea) মধ্যে থাকা ডিএনএ মাটির নীচের একটি জগতের বিবরণে খুবই দক্ষ হওয়া উচিৎ, আর্দ্র, মাটির নীচের সেই অন্ধকার, কেঁচোদের, পচা-পাতা আর বীটল লার্ভাদের গন্ধ চারিদিকে। একটি উটের জিনোম (ড্রোমেডারি, Camelus Dromedarius), যদি আমরা জানি কিভাবে পড়তে হয়, এটি প্রাচীন পূর্বসূরিদের মরুভূমি, ঝুলোঝড়, বালিয়াড়ি, আর তৃষ্ণার একটি সাংকেতিক ব্যাখ্যা প্রকাশ করবে। সাধারণ বটল নোজ ডলফিনের (Tursiops truncatus) ডিএনএ প্রদর্শন করবে এমন ভাষায়, যা আমরা হয়তো একদিন মর্মোদ্ধার করতে পারবো, ‘উন্মুক্ত সাগর, দ্রুত মাছ ধরার জন্যে এর পিছু নাও, কিলার হোয়েল বা তিমিকে এড়িয়ে চলো’। কিন্তু সেই একই ডলফিনের ডিএনএ তে সেই অনুচ্ছেদও থাক, সেই প্রাচীনতর বিশ্বগুলোর কথা, যেখানে জিনগুলো টিকে ছিল:স্থলে পূর্বসূরিরা যখন টাইনোসর আর আলোসরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এড়িয়ে যথেষ্ট দীর্ঘ সময় অবধি বেঁচে থাকত হতো যেন তারা প্রজনন করতে পারে। তারপর, এরও আগে, ডিএনএ কিছু অংশ নিশ্চয়ই টিকে থাকার জন্যে এমনকি আরো আগের দক্ষতার বিবরণ দেয়, যখন সাগরে, পূর্বসূরিরা ছিল মাছ, যাদের আক্রমণ করতো হাঙ্গর, এমনটি ইউরাইপটেরিডরা (জায়ান্ট সি স্করপিয়ন)। অনাগত ভবিষ্যতে ‘দ্য জেনেটিক বুক অব দ্য ডেড’ নিয়ে সক্রিয় গবেষণার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি কি ‘দ্য সেলফিস জিনের’ পঞ্চাশত প্রকাশনা জয়ন্তীর এপিলোগকে প্রভাবিত করবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে
    Next Article দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }