Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের উৎস সন্ধানে – ভবানীপ্রসাদ সাহু

    ভবানীপ্রসাদ সাহু এক পাতা গল্প215 Mins Read0
    ⤷

    ধর্মবিশ্বাসের সঙ্গে আপস, নাকি ধর্মবিশ্বাস থেকে মুক্তি?

    ১৯৯২ সালের মাঝামাঝি পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৪৮ কোটি ১০ হাজার। পৃথিবীর নানা অঞ্চলে, নানা ভৌগোলিক পরিবেশে ছড়িয়ে আছে এই মানুষ—নানাবিধ তাদের ভাষা, নানাবিধ তাদের আচার আচরণ, মূল্যবোধ, খাদ্যাভ্যাস, চেতনা ও ধর্মবিশ্বাস। এত বিপুল বৈচিত্র্য সত্ত্বেও, ধর্মবিশ্বাসের প্রসঙ্গে এটা বলা যায় যে, পরিভাষা বিভিন্ন হলেও এবং ধর্মাচরণের নানা ক্ষেত্রে পার্থক্য থাকলেও, প্রচলিত অর্থের নানা ধর্মে বিশ্বাসী সব মানুষই একটি অতি প্রাকৃতিক সর্বশক্তিমান শক্তি তথা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন। ধর্ম ও ঈশ্বর বিশ্বাস প্রায় অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত। এখানে আলোচনায় ধর্ম বলতে এই সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত ধর্মের কথাই বোঝানো হচ্ছে, যেমন হিন্দুধর্ম, ইসলাম ধর্ম, খ্রীস্টধর্ম, ইত্যাদি ইত্যাদি। অর্থাৎ ধর্ম কথাটির বৃহত্তর অর্থ, যেমন মনুষ্যত্বের ধর্ম,-এভাবে ধর্ম কথাটিকে এখনকার আলোচনায় আপাতত ধরা হচ্ছে না।

    প্রচলিত অর্থের এই ধর্মে যতজন বিশ্বাস রাখেন তাঁদের তুলনায় মনে প্রাণে এ-ধরনের কোন ধর্মে তথা ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করেন না, বা তাকে কৃত্রিম ও কল্পনা বলে জানেন-এমন ব্যক্তির সংখ্যা যথেষ্টই কম (অনুপাত প্রায় ৪:১)। ধর্মবিশ্বাসীরাই এখনো পৃথিবীতে সংখ্যাগত দিক থেকে অনেক বেশি বলীয়ান। ভাষাগত দিক থেকেও এঁরা সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন ঐতিহাসিক কারণেই। অবিশ্বাসীদের এঁরা চিহ্নিত করেন অধার্মিক, না-ধার্মিক, নিরীশ্বরবাদী, নাস্তিক ইত্যাদি নানাবিধ নেতিবাচক বিশেষণে। ধর্মকে যাঁরা মানুষের সত্যিকারের পরিচয় বলে মনে করেন না, সেই অবিশ্বাসীরাও নিজেদের এইভাবে পরিচিত করান; বরং বলা ভালো, উপযুক্ত পরিভাষার অভাবে এইভাবে নিজেদের পরিচিত করাতে এখনো বাধ্য হন।

    ধর্মবিশ্বাস বা ঈশ্বরবিশ্বাস ভাষাগত দিক থেকে এই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকার প্রধান কারণ, এই বিশ্বাস তথা কল্পনার সৃষ্টি আগে হয়েছে। এই বিশ্বাস যে মিথ্যা, এ যে নিছকই কল্পনা, -এমন সত্য মানুষ উপলব্ধি করেছে পরে, তার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে। একটি শিশু যখন জন্মায় তখন সে সহজাত কিছু প্রবৃত্তি ছাড়া, বিশেষ কোন জ্ঞান বা বিশ্বাস বা কল্পনা নিয়ে জন্মায় না। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে চারপাশের জিনিষ দেখতে থাকে। তার চেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিরা যেমন তাকে নানাকিছু শেখায় ও তার মনে নানা ধরনের ধারণা, বিশ্বাস, মূল্য বোধ ইত্যাদি ঢোকাতে থাকে, তেমনি তার নিজেরও কল্পনা করার ক্ষমতা উন্নত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেই নানা কিছুর ব্যাখ্যা করতে থাকে। একটি শিশু তার চারপাশের জিনিষকে নিজের সীমাবদ্ধ জ্ঞানের সাহায্যে নিজের মত করেই ব্যাখ্যা করে। আর এই ব্যাখ্যায় স্বাভাবিক কারণেই থাকে সীমাহীন অবাস্তব কিছু কল্পনা, মিথ্যা কিছু ধারণা।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    ই-বই ডাউনলোড
    বিনামূল্যে বই
    বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বইয়ের
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন বুক

     

    মনে আছে, ছোটবেলায় গ্রামে বিরল দর্শন মোটর গাড়ি দেখে আমরা ভাবতাম গাড়ীর ভেতর প্রবল শক্তিশালী কেউ একজন বসে আছে। সে ঐ ভারী গাড়ীটাকে প্রবল বেগে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে, ইচ্ছেমত বাঁকা রাস্তায় বা সোজা রাস্তায় নিয়ে যাচ্ছে। এবং শুধু ঐ মোটর গাড়ী নয়, একটি শিশু তার কল্পনায় নিজের অজ্ঞতা ও সার্বিক অসহায়তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে, তার চেয়েও শক্তিশালী, রহস্যময় কোন একজনের কথা ভেবে নিজের অনুসন্ধিৎসাকে তৃপ্ত করে। এটিই ক্রমশঃ পরিব্যাপ্তি লাভ করে।

    কিন্তু একসময় আরো বড় হলে, যদি সে মোটরগাড়ির কলা কৌশল জানতে পারে, তবে গাড়ির ভেতরে সে জড় ইঞ্জিনের অস্তিত্বই মেনে নেয়, ও তার মধ্যে প্রবল শক্তিমান মানুষের একমাত্র প্রবল অস্তিত্বকে মিথ্যা বলেই নিশ্চিত হয়। একইভাবে প্রকৃতির নানা রহস্যময়তার পেছনে বৈজ্ঞানিক তথ্য, তত্ত্ব ও ব্যাখ্যা জানার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলির পেছনে কোন রহস্যময় শক্তির অস্তিত্বের চেয়ে প্রাকৃতিক নিয়মাবলী ও সত্যকেই জানতে পারে। জানতে পারে, গাড়ীর চালকও ঈশ্বরের প্রতীক নয়, -তাঁর ভূমিকা ইঞ্জিনটাকে নিয়ন্ত্রণ করার তথা মানুষের বর্তমান জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা-পূরণকারীর

    এইভাবে একটি মানবশিশু তার জীবনের শুরুতে কল্পনাপ্রবণতা আর কল্পিত নানা কিছু সম্পর্কে বিশ্বাস ইত্যাদির জন্ম দেয়। এই সময় তার ভুত প্রেত, রাক্ষস খোক্কস, রহস্যময় অলৌকিক গা ছমছমে গল্প এসব খুব ভাল লাগে। যুক্তিবাদ, বাস্তব সম্মত চিন্তা ভাবনা, যুক্তি ভিত্তিক কল্পনা ও সিদ্ধান্ত করার ক্ষমতা, এগুলি মানুষ আয়ত্ত করে পরের দিকে, -শৈশব পেরিয়ে বয়স বাড়ার সঙ্গে, তার মস্তিষ্কের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বুক শেল্ফ
    নতুন বই
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    গ্রন্থাগার সেবা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    অনলাইন বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    আরো অনেক অনেক বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে মানব-সভ্যতা সম্পর্কেও এটি সত্য। মনুষ্যেতর প্রাণী থেকে ‘মানুষ’ যখন মানুষ হয়ে উঠতে থাকে, তখন তার মস্তিষ্কের বিকাশও ধীর গতিতে ঘটতে থাকে, চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা বাড়তে থাকে। কিন্তু প্রকৃতির কাছে সে ছিল শিশুর মত অসহায়, প্রকৃতি-বিজ্ঞান সম্পর্কে তার জ্ঞান ছিল শিশুর মতই অপ্রতুল। তবু অনুসন্ধিৎসা ও চিন্তা করার ক্ষমতার সে অধিকারী। এই অনুসন্ধিৎসাকে তৃপ্ত করতে সে আপাত যুক্তি গ্রাহ্য নানা কল্পনার জন্ম দেয়। প্রাকৃতিক নানা কিছুর পেছনে এক পরমশক্তির কল্পনা করে। এই কল্পনাই পরে ঈশ্বর তথা নানা ভাষায় নানা নামে অভিহিত হয়। কেটে যায় হাজার হাজার বছর। জ্ঞান ও পরীক্ষা-প্রমাণ-লব্ধ তথ্যাদি মানুষ ক্রমশঃ আহরণ করতে থাকে। আর এর ফলে পূর্বেকার কল্পনার বহু কিছুই সে জ্ঞানের আলোয় বিচার করে। তখন মানুষ তার পূর্বেকার, ঈশ্বর সম্পর্কিত কল্পনার ফাঁকি সম্পর্কেও সচেতন হতে থাকে।

    এভাবেই ‘ঈশ্বর’ তথা ঈশ্বর কেন্দ্রিক ধর্ম সৃষ্টি হয়েছে আগে—মানব সভ্যতার শৈশবলগ্নে। তাই ভাষাগত দিক থেকেও এগুলিই প্রথমে স্বীকৃতি পেয়েছে। পরে মানব সভ্যতা ক্রমশঃ পূর্ণতা লাভ করতে শুরু করলে কিছু মানুষ এ সবকে কল্পনা ও মনুষ্যসৃষ্ট বলে উপলব্ধি করেন। এই উপলব্ধিকে ভাষাগতভাবে প্রকাশ করার জন্য পূর্বেকার স্বীকৃতিকে তথা পরিচিতিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা সম্ভব নয়। কারণ তা বহু বছর ধরেই মানসিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত। তাই তার নেতিবাচক পরিচিতি-নাস্তিকতা, নিরীশ্বরবাদ, ধর্মহীনতা বা অধার্মিকতা। তবে দুঃখের বিষয়, যারা মিথ্যা কল্পনায় আচ্ছন্ন, তারা কিন্তু ‘নাস্তিক’ বা ‘অধার্মিক’ কথাগুলিকে গালাগালি হিসেবে ব্যবহার করে। এভাবে গালাগালি করার প্রধান উদ্দেশ্য, জন সমক্ষে তাঁদের হতমান করা, সাধারণ মানুষের কাছে তাঁদের নিন্দার্হ হিসেবে হাজির করা। বিপুল বিস্তারী মিথ্যার মধ্যে মুষ্টিমেয় যাঁরা সত্যকে তুলে ধরে বিপ্লবী ভূমিকা পালন করেছেন, তাঁদের প্রায় সবার ক্ষেত্রেই এটি সত্য।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    বাংলা ই-বই
    বিনামূল্যে বই
    Books
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বুক শেল্ফ

     

    অবশ্য ধর্মবিশ্বাস বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবন, সংস্কৃতি, আবেগ ও চেতনায় এমন গভীরভাবে জড়িয়ে আছে যে, যাঁরা ধর্মের অনড় অবস্থার বিরোধিতা করেন ও তার ভ্রান্তির কথা আলোচনা করেন, তাঁরা আগেভাগেই বলে রাখেন :— বিশেষ কোন ধর্মমতাবলম্বীদের বিন্দুমাত্র আঘাত করার কোন ইচ্ছা নেই ইত্যাদি; এবং তাঁদের বিরোধিতার প্রধান বিষয় থাকে ধর্মান্ধতা, উগ্র ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মীয় একগুঁয়েমি বা ধর্মীয় হিংস্রতা ইত্যাদি। এ ধরনের বক্তব্যের সাহায্যে এটি পরিষ্কার করা হয় যে, একপেশেভাবে, বিশেষ সংকীর্ণ উদ্দেশ্যে শুধু বিশেষ একটি ধর্মকে হতমান করা, তথা অন্য বিশেষ একটি ধর্মকে গরীয়ান করে দেখানো তাঁদের উদ্দেশ্য নয়, বরং ধর্ম নিয়ে গোঁড়ামি আর অযৌক্তিক একগুঁয়েমির বিরুদ্ধেই তাঁরা বক্তব্য রাখেন। একপেশেভাবে বিশেষ ধর্মের আহতুক নিন্দাবাদ করা অবশ্যই নিন্দনীয়, কিন্তু ধর্ম প্রসঙ্গে তথা ধর্মীয় গোঁড়ামি, ধর্মান্ধতা ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রকৃত সত্যকে তুলে ধরতে গেলে আঘাত না করে কি তা করা সম্ভব? মোটেই না। আঘাত একটা দিতেই হয়—যদিও তা তথ্য ও যুক্তির সাহায্যে, বাস্তব পরিস্থিতির বিচারেই করণীয়।

    বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে, ভারতবর্ষে রাম মন্দির-বাবরি মসজিদের ব্যপারটাকে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক স্বার্থরক্ষা ও রাজনৈতিক ফায়দা ওঠানোর জন্য যারা ব্যবহার করছে তাদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে খুবই নগণ্য। দেশের কোটি কোটি হিন্দু বা লক্ষ লক্ষ মুসলমান জনসাধারণের সঙ্গে তার প্রায় কোন প্রত্যক্ষ সংস্রব নেই। কিন্তু পরোক্ষ যোগাযোগ আছেই, যার উৎস এই সাধারণ ব্যক্তিদের মনের গভীরে থাকা গভীর ধর্মবিশ্বাস—যা এই ধরনের ধর্মভিত্তিক ‘আন্দোলনের’ ক্ষেত্র প্রস্তুত করে এবং যার ফলে মসজিদ ভাঙ্গার জন্য ও রাম মন্দির হলে বহু হিন্দুই মনে মনে খুশি হচ্ছেন এবং বহু মুসলমানই ক্রুদ্ধ হচ্ছেন—অনেকে প্রকাশ্যেও তাঁদের এই মনোভাব ব্যক্ত করেছেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    ই-বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ই-বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা কবিতা

     

    তাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানো, রাম মন্দির-বাবরি মসজিদের মতো অর্থহীন বিরোধে লিপ্ত হওয়ার বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বা প্রচার চালাতে যখন পোস্টার বা ব্যানার দেখা যায়,—‘ধর্মান্ধতা সাম্প্রদায়িকতাকে যারা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে তারা দেশের শত্রু’, ‘ধর্মনয়, ধর্মান্ধতার বিরোধিতা করুন’ ইত্যাদি কিংবা ‘সবধর্ম সমন্বয়,’ ‘সর্বধর্মে সমভাব’ তথা ধর্ম-নিরপেক্ষতা জাতীয় কথাবার্তা, তখন এটি বোঝা দরকার যে, এ ধরনের বক্তব্য মূল সমস্যার বিরুদ্ধে নিতান্তই আংশিক—এবং হয়তো বা আপসপন্থী—একটি বক্তব্য। এই আপস ধর্মের সঙ্গে, বৃহত্তর জনসংখ্যার ধর্মবিশ্বাসের সঙ্গে।

    ‘ধর্মনিরপেক্ষতা” বা ‘সর্ব ধর্ম সমন্বয়’—এ সব কথার মধ্যে ধর্মকে স্বীকার করে নেওয়ার কথাই বলা হয়। নানা ধর্ম আছে থাক, মানুষ বিভিন্ন ধর্মে বিশ্বাস করছে করুক, কিন্তু সব ধর্মবিশ্বাসী মানুষের ঐক্য হোক— এটাই যেন কাম্য; কিংবা ধর্মকে টিকিয়ে রেখেই সব ধর্মের প্রতি সম দৃষ্টিভঙ্গী পোষণ করাটাই যেন কামনা। কিন্তু শত শুভ ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও এ সব কামনা যেন ‘সোনার পাথরবাটি’ কামনা করার মত।

    একটি নিছক কল্পনা ও মিথ্যার উপর ভিত্তি করে যে বিশ্বাস গড়ে ওঠে তা কমবেশি অন্ধ হতে বাধ্য। যুক্তিহীন বিশ্বাস ও দ্বিধাহীন আনুগত্যই তার গোড়ার কথা। সঙ্গে মিশে থাকে গোষ্ঠীগত স্বাতন্ত্র, প্রাচীন ঐতিহ্য, সামাজিক  অনুশাসন ও নীতিবোধ ইত্যাদি নানা দিক সব মিলিয়ে, এ ধরনের বিশ্বাসীরা অন্য একটি গোষ্ঠীর প্রতি সমমনোভাবাপন্ন হবেন বা সর্বক্ষেত্রে তাঁদের সঙ্গে সমন্বিত হবেন—এমন আশা করা,—বাঞ্ছিত হলেও, আকাশ কুসুমের মত অসম্ভব। কিন্তু পাশাপাশি এটিও সত্য যে, বিপুল সংখ্যক মানুষের মন ও সমাজ থেকে ঈশ্বর ও ধর্ম সংক্রান্ত বিশ্বাসগুলি এখনি রাতারাতি দূর করা দুরূহ। তাই যতদিন এ বিশ্বাস থাকবে ততদিন তার মধ্যে উগ্রতা, হিংসা বা অসহিষ্ণুতাকে নিয়ন্ত্রণ করা অবশ্যই প্রয়োজন। তবু ধর্মীয় বিশ্বাস তথা ধর্মের উপরে মানসিক ভাবে নির্ভর করার প্রবণতা দূর করাটাই আসল প্রয়োজন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইন বুক
    অনলাইন বই
    Books
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা কবিতা

     

    এর অর্থ এ নয় যে ধর্মীয় বিভেদই মানুষে মানুষে বিভেদের একমাত্র বা প্রধানতম কারণ। প্রধান কারণ অবশ্যই অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য। আর ধর্মের সৃষ্টি সমাজে এই বৈষম্য সৃষ্টিরও আগে। পরবর্তীকালের সমাজ ও বিশেষ শ্রেণী নিজ স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করেছে মাত্র। কিন্তু সাধারণভাবে বিপুল সংখ্যক সধারণ মানুষই এই অর্থনৈতিক বৈষম্যের চেয়ে ধর্মীয় বৈষম্য সম্পর্কেই বেশি সচেতন। এর ফলে বিভেদ ও বৈষম্য ক্রমশঃ বেড়েই চলে—একদিকে ধর্ম-সম্পর্কে মিথ্যা বিশ্বাস ও অন্যদিকে অর্থনৈতিক বৈষম্য সম্পর্কে অসচেতনতা এই বেড়ে চলার জন্য প্রধানত দায়ী। এটি বোঝা দরকার যে ধর্মীয় বিভেদ কিছু কল্পনা ও মিথ্যা বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। অন্যদিকে অর্থনৈতিক বৈষম্যের পেছনে রয়েছে বাস্তব সামাজিক কারণ। পৃথিবীর সবাই যদি এ দিকটি সম্পর্কে প্রকৃতই সচেতন হন, তবে ধর্মের মত একটি কৃত্রিম বায়বীয় ব্যাপারকে কেন্দ্র করে সময়, শ্রম ও উদ্যম নষ্ট করা এবং পারস্পরিক সাম্প্রদায়িক হানাহানিতে লিপ্ত হওয়ার মত ব্যাপারগুলিকে বালখিল্যসুলভ কাজ বলে পরিহার করতে সমর্থ হবেন। সময়, শ্রম ও উদ্যম ব্যয় করতে পারবেন অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য ও দুরবস্থাকে দূর করার জন্য; তবে এই বৈষম্য টিকে থাকার কারণে মানুষের শ্রেণীতে শ্রেণীতে দ্বন্দ্ব ও লড়াই থাকবেই—ধর্মীয় বিভেদ যদি না-ও থাকে তাহলেও। কিন্তু ধর্ম-যুদ্ধ বা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার নেতিবাচক ছাড়া ইতিবাচক কোন ভূমিকা নেই; পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংগ্রাম মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনের উত্তরণ ঘটাতেই সাহায্য করবে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    বইয়ের
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বই
    বিনামূল্যে বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    নতুন উপন্যাস
    অনলাইন বুক
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    তাই ধর্মের প্রকৃত চরিত্র, ধর্মের সৃষ্টির পেছনকার প্রকৃত সত্যকে সাধারণ মানুষের সামনে ব্যাপকভাবে তুলে ধরা দরকার—যা সচেতন ব্যক্তিদের আরো আগে, আরো গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিকভাবে করার প্রয়োজন ছিল। তা না হওয়ার ফলে বাবরি মসজিদ-রামজন্মভূমি, সতীদাহ, ধর্মকেন্দ্রিক দাঙ্গা কিংবা তথাকথিত সমাজতান্ত্রিক দেশে চার্চ, ইসকনের মাধ্যমে কৃষ্ণ-চেতনা, বা ধর্মীয় পশ্চাদপসরণ কিংবা পৃথিবীর অন্যত্র আয়াতোল্লাতন্ত্রের মত নানা মৌলবাদী চিন্তার জন্ম হয়েছে ও হচ্ছে। আপাত ও সাময়িক জনসমর্থন হারানোর ভয়ে কিংবা ধর্মকে গণসংযোগের একটি উপায় হিসেবে ভেবে, যে সচেতন ব্যক্তিরা (এঁদের মধ্যে আমাদের দেশের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তিরাও আছেন) সুযোগ থাকলেও তা করেন নি, পরে তাঁদের তার মাশুল দিতে হচ্ছে, হবেও। এখানে এ-বিষয়ে প্রাথমিক কিছুটা আলোচনা করা হচ্ছে, তবে এ আলোচনা আরো পূর্ণাঙ্গ, আরো যথার্থ করে তোলা দরকার—আরো অনেকের অংশগ্রহণে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবুদ্ধ অথবা কার্ল মার্কস – ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    Next Article মৌলবাদের উৎস সন্ধানে – ভবানীপ্রসাদ সাহু

    Related Articles

    ভবানীপ্রসাদ সাহু

    মৌলবাদের উৎস সন্ধানে – ভবানীপ্রসাদ সাহু

    November 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }