Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের উৎস সন্ধানে – ভবানীপ্রসাদ সাহু

    ভবানীপ্রসাদ সাহু এক পাতা গল্প215 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শিখধর্ম

    পালি ভাষায় ‘শিক্‌খ’ বা সংস্কৃত ‘শিষ্য’ শব্দ থেকে এসেছে ‘শিখ’ কথাটি,—যার অর্থ অনুগামী। একদিকে ব্রাহ্মণ্য আধিপত্য ও হিন্দুধর্মের আচার-সর্বস্বতা, অন্যদিকে ইসলামের আগ্রাসী অনুপ্রবেশ,—এই উভয়ের প্রতিবাদী হিসেবে সামাজিক প্রয়োজনে গড়ে উঠেছিল শিখধর্ম,—এই ভারতীয় ভূখন্ডেই। পরবর্তীকালে সামরিক ক্ষমতা আর গোষ্ঠীগত স্বাধীনতা-স্বাতন্ত্র্য রক্ষার প্রচেষ্টাও এর সঙ্গে মিশে যায়।

    শিখধর্মের ইতিহাস পাঁচশত বছরেরও কম। হিন্দুধর্মের একটি রূপান্তর মূলত ভক্তি আন্দোলনের ঐতিহাসিক বিকাশের ফলেই এই ধর্মের সৃষ্টি। দক্ষিণভারতে এই আন্দোলন সৃষ্টি হয় ও রামানুজ (১০১৭-১১৩৭ খ্রীস্টাব্দ) একে উত্তরভারতে প্রচার করেন,—সিন্ধু ও গাঙ্গেয় উপত্যকায় ভক্তি আন্দোলন এর ফলে ছড়িয়ে পড়ে। জাতিভেদ প্রথার ও ধর্মানুষ্ঠানের উপর শুধুমাত্র ব্রাহ্মণদের কর্তৃত্বের প্রতিবাদী ছিল এই আন্দোলন। এ আন্দোলনের মুখ্য কথা হলো,—ভগবান নানা নামের হলেও আসলে এক এবং ব্যক্তিগত ভক্তি ও প্রচেষ্টায় তাঁর সঙ্গে মিলিত হওয়া যায় (অর্থাৎ এর জন্য ব্রাহ্মণ-পুরোহিত ইত্যাদির প্রয়োজন নেই)-এ-ধরনের কথাবার্তা; সবই মায়া-এ জাতীয় তথাকথিত দর্শন এবং ঈশ্বরের নাম-গান মাহাত্ম্য (যার একটি রূপান্তরিত পর্যায় হচ্ছে কীর্তন)। এর পরে রহস্যবাদী, ধর্মীয় কবি কবির (১৪৪০-১৫১৮ খ্রীস্টাব্দ) এই ভক্তি আন্দোলনের সঙ্গে ইসলামের একটি বিভাজন, সুফি মতবাদের ঐক্য সাধন করেন এবং অনেক মানবতাবাদী মতবাদ প্রচার করেন। তিনি শুধু ধর্মীয় পরিবর্তন নয়— সমাজ পরিবর্তনের কথাও বলতেন। তিনি হিন্দু-ইসলাম দুই ধর্মের ঈশ্বরের কথাই বলেছেন। এর ফলে হিন্দু অ-হিন্দু, মুসলিম অ-মুসলিম বহু ব্যক্তিই তাঁর অনুসারী হন। কবিরপন্থা ও শিখধর্মে সরল জীবনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। কারিগর ও কৃষকদের মধ্যে এই উভয় মতবাদই জনপ্রিয় হয়। বর্ণাশ্রম ও জাতপাতকে এরা কেউই স্বীকার করে না। উলেমা ও ব্রাহ্মণ কেউই এদের সুনজরে দেখে নি।

    শিখধর্মের সৃষ্টির মধ্যে ভক্তি আন্দোলন ও সুফি মতবাদ,—উভয়েরই প্রভাব পড়েছে। তবে শিখধর্মের মধ্যে নাম-জপ, ঈশ্বরের নাম-গান-মাহাত্ম্য ইত্যাদির উপর এমন জোর দেওয়া হয় যে একে ‘নামমার্গ’ হিসেবেও অনেকে অভিহিত করেন। এই ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নানকের কথা বলা হয়। ইনি শিখদের দশ জন গুরুর প্রথম গুরু।

    নানক ১৪৬৯ খ্রীস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মস্থান বর্তমানের পাকিস্তানে—লাহোর থেকে ৪০ মাইল দূরে রাইভোই তালবন্দি গ্রামে। তাঁর বাবার কাজ ছিল খাজনা আদায় করা (রেভিনিউ কালেক্টার)। এঁরা ছিলেন বেদী বা বৈদিক হিন্দু, ক্ষত্রিয়দের মধ্যেকার একটি তথাকথিত নিচু জাত। নানক তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে ছেড়ে একসময় সুফীদের দলে যোগ দেন এবং পরে তাঁদেরও ছেড়ে নানা স্থানে ঘোরেন। নানক তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন সুলতানপুরে, এক আফগান শাসকের হিসাবরক্ষক হিসেবে। এখানে মদানা নামের এক মুসলিম ছিলেন তাঁর চাকর। রেবেক (rebec) নামে এক তারের বাজনা বাজানোয় ইনি ছিলেন বিশেষ পারদর্শী।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা গল্প
    বাংলা লাইব্রেরী
    Books
    বাংলা ইসলামিক বই
    ই-বই ডাউনলোড
    নতুন বই
    বাংলা অডিওবুক
    Library
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    এঁরা দুজনে মিলে একটি ক্যান্টিন গড়ে তোলেন, যেখানে হিন্দু-মুসলমান একসঙ্গে খেতে পারে। নানক হিন্দু-মুসলিম সমন্বয়ের উপর ও অন্যান্য বিষয়ে নানা আধ্যাত্মিক গান রচনা করতেন, মর্দানা তাতে সুর দিয়ে গাইতেন। এই সুলতানপুরেই নাকি নানকের ঈশ্বর দর্শন ঘটে। একদিন নদীতে স্নান করতে করতে কোথায় উধাও হয়ে যান। তিন দিন পরে এসে তিনি তাঁর বক্তব্য রাখতে শুরু করেন। তিনি বলেন, হিন্দু মুসলিম এইভাবে মানুষের ভাগ করা উচিত নয়, সব মানুষ সমান, ইত্যাদি এবং এইভাবে আরেক গোষ্ঠী শিখদের সৃষ্টি করেন। মানবপ্রেম ও তাঁর নতুনতর ‘বৈপ্লবিক’ ধৰ্মীয় মতামত প্রচার করতে তিনি নাকি আসাম, সিংহল, লাদাখ, তিব্বত, মক্কা-মদিনাতেও গিয়েছিলেন।

    তাঁর শেষজীবন কাটে এখনকার পাকিস্তানের করতারপুরে। এখানে তিনি প্রথম শিখ মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৫৩৯ খ্রীষ্টাব্দে মারা যান। মৃত্যুর আগে তিনি শিখদের দ্বিতীয় হিসেবে মনোনীত করে যান অঙ্গদকে (তাঁর গুরু পদের সময়কাল ১৫৩৯-৫২ খ্রীস্টাব্দ)।

    ৪র্থ গুরু হন অঙ্গদের জামাই রামদাস সোধি (১৫৭৪-৮১)। এরপর শুধু এই সোধি পরিবার থেকেই গুরু হতে থাকেন। পরের গুরু রামদাসের ছেলে অর্জুনমল (১৫৮১-১৬০৬), তারপর হরগোবিন্দ (১৬০৬-৪৪), এরপর এঁর নাতি হররাই (১৬৪৪-৬১)। হররাই ৮ম গুরু মনোনীত করেন তাঁর ৫ বছরের ছেলে হরিকৃষেণকে (১৬৬১-১৬৬৪)—মাত্র ৮ বছর বয়সে এই শিশু গুটিবসন্তে মারা যায়। নবম গুরু হন হরগোবিন্দের ছেলে তেগবাহাদুর (১৬৬৪-৭৫)। ১৬৭৫-এর নভেম্বর মাসে দিল্লিতে মোগলরা তাঁকে হত্যা করে। মোগল রাজশক্তির বিরুদ্ধে শিখরা সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত হন। দশম গুরু গোবিন্দরাই (১৬৭৫-১৭০৮) এই সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন ও আন্দোলনকে সুসংগঠিত রূপ দেন। ১৬৯৯-এর ১৩ এপ্রিল ( নববর্ষের দিন) গুরু গোবিন্দরাই শিখদের এই সশস্ত্র সংগ্রামকে ধর্মীয় আন্দোলনে রূপান্তরিত করেন। পাঁচজন শিখকে এই নতুনতর ধর্মে দীক্ষিত করেন এবং তাঁদের নাম দেন খালসা। পার্সি শব্দ ‘খালেস’-এর অর্থ পবিত্র। তিনি খালসা পুরুষদের সাধারণ পদবি দেন ‘সিং’ (অর্থাৎ সিংহ) এবং মহিলাদের ‘কাউর’ (অর্থাৎ সিংহী)। খালসাদের জন্য পাঁচ ‘ক’-এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক ধর্মীয় আচার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হলো। এগুলি হলো- কেশ (না কাটা চুল-যে চুল কাটবে সে পতিত হবে), কাঙ্গা (অর্থাৎ ছোট চিরুনী), কিরপান, কছ (বিশেষ অন্তবাস) এবং কাড়া (হাতের বালা, যেটি শয়তানের বিরুদ্ধে গুরুর মন্ত্রপুত অস্ত্র হিসেবে গণ্য করা হয়; এটি খালসাদের মধ্যে তথা শিখদের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্বেরও প্রতীক এবং হিন্দুদের রাখী-র একটি পরিবর্তিত রূপ)। অবশ্য গোবিন্দরাই (অর্থাৎ গুরু গোবিন্দ সিং)-এর আগেও শিখদের মধ্যে এগুলির কোন কোনটির কিছু প্রচলন ছিল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    বই পড়ুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বিনামূল্যে বই
    নতুন বই
    ই-বই ডাউনলোড

     

    শিখধর্মে হিন্দু ধর্মের কিছু কিছু ছাপ পড়েছে। যেমন বৈদিক রহস্যময়, অর্থহীন শব্দ ‘ওঁ’-কে গ্রহণ করা হয় এবং সৃষ্টিকর্তা (বা ‘কার’)-এর মাহাত্ম্য সম্ভ্রমের সঙ্গে উল্লেখ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। “ইক ওঁ কার’-সেই একমেবাদ্বিতীয়ম সৃষ্টিকর্তাকে বোঝায় এবং শিখদের মধ্যে ব্যবহৃত স্থানীয় ভাষা পাঞ্জাবীতে এটি একটি বিশেষ শ্রদ্ধেয় অক্ষরের রূপ পায়। অন্যদিকে শিখধর্মেও ইসলাম ধর্মের মত একেশ্বরবাদ স্বীকৃত, ঈশ্বরের কোনো ছবি বা মূর্তি নিষিদ্ধ, পুতুল পূজাও নিষিদ্ধ সূর্য, চন্দ্র ইত্যাদির পূজা, গঙ্গাজলকে পবিত্র ভাবা,—এসব বন্ধ করা হলো। হিন্দুদের বেদ সব হিন্দু পড়তে পারে না, কিন্তু মুসলিমদের কোরান সবাই পড়তে পারে। শিখদের ধর্মগ্রন্থ আদিগ্রন্থ-ও সবার কাছে উন্মুক্ত—প্ৰতি শিখই তা পড়তে পারে। পঞ্চমগুরু অর্জুন এই আদি গ্রন্থ রচনা করেন— নানকের মৃত্যুর অনেক পরে। এই আদিগ্রন্থকে পরবর্তীকালে দেবতার আসনে বসিয়ে পূজা শুরু হয় এবং গ্রন্থসাহেব (The Granth Personified) নাম দেওয়া হয়। ১৭০৪ সালে গুরু গোবিন্দ সিং এর কিছু পরিমার্জনা করেন। তবে গুরু গোবিন্দ ‘দশম’ নামে আরেকটি ধর্মপুস্তক রচনা করেন— সব শিখ এটি গ্রহণ করেন নি। খালসাদের আচার, শৃঙ্খলা, ঐতিহ্য ইত্যাদি সম্বলিত বই-এর নাম ‘রহতনামা’। এছাড়া আছে ‘সৌশাখি’ (একশ গল্প) নামে আরেকটি নীতিশিক্ষামূলক ধর্মগ্রন্থ।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বই পড়ুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ভাষা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বইয়ের
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    গুরু গোবিন্দ সিং-এর সামরিক জীবন খুব একটা সফল হয় নি। তাঁর অধিকাংশ অনুগামী আর চার পুত্র মুসলিম শাসকদের (মোগল) সঙ্গে যুদ্ধে মারা যান। তিনি পাঞ্জাব ত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং ১৭০৮ খ্রীস্টাব্দের ৭ অক্টোবর মহারাষ্ট্রের নানদেদ-এ তাকে হত্যা করা হয়। মৃত্যুর আগে তিনি ঘোষণা করে যান যে, তাঁর পরে আর কেউ গুরু হবে না! অর্থাৎ তিনিই শিখদের শেষ গুরু।

    মোগলদের বিরুদ্ধে নিজেদের স্বাতন্ত্র ও স্বাধীনতার যুদ্ধের নেতৃত্ব এরপর দেন বান্দা সিং বাহাদুর (জীবৎকাল ১৬৭০-১৭১৬)। আট বছর ধরে বান্দা মুসলিম শাসকদের প্রতিহত করে রাখেন, কিন্তু অবশেষে ৭০০ অনুচর সহ বন্দী হন এবং ১৭১৬-এর গ্রীষ্মকালে দিল্লীতে তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

    এরপর খালসারা পাহাড়ী এলাকায় আত্মগোপন করেন। ১৭৩৮-৩৯ খ্রীস্টাব্দ সময়কালে পারস্যের নাদির শাহ্ ভারত আক্রমণ করার পর মোগলদের নিয়ন্ত্রণ শিথিল ও মোগল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। এই সুযোগে খালসারা সমতল এলাকায় নেমে আসেন এবং ‘মিস্‌’ নাম নিয়ে নিজেদের সংগঠিত করেন। এঁরা শহর ও গ্রামের লোকেদের কাছ থেকে সুরক্ষার নাম করে অর্থ আদায় করতেও শুরু করেন। (পার্সি শব্দ ‘মেসাল’-এর অর্থ উদাহরণ ও সমান—উভয়ই)।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    Library
    অনলাইন বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    Books
    বাংলা ই-বুক রিডার
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    ১৭৪৭-১৭৬৯ খ্রীস্টাব্দ সময়কালে আহমদ শাহ দুরানির ক্রমাগত আক্রমণে মোগল সাম্রাজ্য আরো দুর্বল হয়ে পড়ে। ১৭৬১ সালের তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধে মারাঠারা আফগানদের হাতে পরাজিত হন। এর ফলে ঐ এলাকায় শাসন ক্ষমতায় যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়, তাকে কাজে লাগিয়ে শিখরা পাঞ্জাবের বিস্তীর্ণ এলাকার এলাকার শাসন ক্ষমতা লাভ করে।

    মুসলিমদের মত শিখরাও শেষ অব্দি ধর্মের সঙ্গে সামরিক ক্ষমতা ও নিজেদের স্বাধীনতাকে সম্পৃক্ত করে ফেলেন। শিখধর্মে সর্বধর্মের সমন্বয়ের কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে নিজেই অন্য ধর্ম থেকে পৃথক একটি ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নানক যে গোঁড়ামি ও ধর্মীয় সংকীর্ণতার বেড়া ভাঙার সামাজিক প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন ঐ ধরনের বেড়ায় নিজেরাও আবদ্ধ হয়ে পড়েন। হিন্দুদের মতো জাতপাত না থাকলেও বা ‘গুরু কা লঙ্গর’-এর মতো জায়গায় সবাই একসঙ্গে খাওয়ার প্রথা থাকলেও শিখধর্মেও নিজ ধর্মাবলম্বী লোকেদের মধ্যেই বিভাজন রয়েছে। এ ধরনের তিন শ্রেণীর মানুষ আছে শিখদের মধ্যে—জাঠ (মূলত কৃষিজীবী), অজাঠ (ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় বৈশ্য), মাজাহাবি (অস্পৃশ্য, যাদের একটু নিচু চোখে দেখা হয়, বিশেষত গ্রামাঞ্চলে।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    বাংলা গল্প
    বাংলা ই-বুক রিডার
    PDF
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ইসলামিক বই
    Books
    অনলাইন বুক
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    অন্য সব ধর্মের মতো শিখধর্মও কিছু ব্যক্তি, বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্টি করেছিলেন। অন্য সব ধর্মের মতো শিখধর্মেও বিভিন্ন সময়ে বিভাজন ঘটেছে। নানকের বড় ছেলে শ্রীচাঁদ প্রথম এ ধরনের একটি উপদলের সৃষ্টি করেন ‘উদাসী’ নাম দিয়ে। এঁর অনুগামীরা সন্ন্যাসীদের মতো জীবনযাপন করেন ও ‘মহন্ত’ নাম নিয়ে গুরুদ্বারার নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন। ১৯২৫ সালে শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি (SGPC) তৈরী হওয়ার পর এই মহন্তদের ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। সপ্তম গুরু হররাই অষ্টম গুরু হিসেবে নিতান্তই শিশু, তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র হরিকৃষেণকে মনোনীত করার ফলে, তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র রামরাই কিছু শিখকে ভাঙিয়ে আলাদা গোষ্ঠী গড়েন; দেরাদুনে এঁদের প্রধান কার্যালয় এখনো আছে।

    খালসারাও পরে নানা উপদলে বিভক্ত হন। বান্দা বাহাদুর সিং-এর প্রত্যক্ষ অনুগামী ‘বান্দাই খালসা’ এখন আর প্রায় নেই। কিন্তু অন্য বিভাগ, যেমন নামধারী ও নিরংকারী-রা এখনো আছেন এবং তাঁরা নিজেদের জীবন্ত গুরুকে দেবতা জ্ঞানে পূজা করেন।

    শিখদের আরাধনার স্থান, মন্দিরের সমগোত্রীয় প্রতিষ্ঠানকে প্রথমে ধর্মশালা বলা হতো যার অর্থ ‘বিশ্বাসের স্থান’—পরে এর নাম দেওয়া হয় ‘গুরুদ্বারা’, যেটি নাকি ‘গুরুর কাছে পৌঁছনোর পথ।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা গল্প
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    নতুন বই
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন বই

     

    অন্য প্রায় সব প্রচলিত ধর্মের অনুগামীদের মতো শিখরাও কিছু আচার-অনুষ্ঠানকে অবশ্যপালনীয় বলে মনে করেন। যেমন বাচ্চা জন্মালে তার কয়েক দিন পরে তাকে গুরুদ্বারায় এনে আদিগ্রন্থ খোলা হয় এবং বাঁ দিকের পাতার প্রথম লাইনের প্রথম অক্ষর অনুযায়ী তার নাম রাখা হয়। বয়ঃসন্ধিকালে তার ‘পাহুল’ অনুষ্ঠান (baptize) করে ‘অমৃত’ দেওয়া হয় এবং খালসায় রূপান্তরিত করা হয়। বিয়ের সময় (আনন্দ করজ) বর-বৌকে আদিগ্রন্থের চারপাশে চারপাক ঘুরতে হয়। মৃত্যুর পরে পোড়ানোর আগে অব্দি বিরামহীন ভাবে আদিগ্রন্থ পড়া হয়। আর মৃতের দেহভস্ম বিপাসা বা গঙ্গায় ফেলা হয়। এছাড়া তো আছে পাঁচ ‘ক’। এইভাবেই নানা সংস্কারের স্বাতন্ত্র্যে শিখরা নিজেদের অন্য ধর্মাবলম্বী মানুষদের থেকে আলাদা করে রাখেন—যা শুরুতে গুরু নানক ভাঙতে চেয়েছিলেন—এবং শুধু নানক বা কেন, তথাকথিত সব ধর্মগুরুরাই প্রায় এধরনের কথা বলেছিলেন। কিন্তু কখনোই এসব ধর্মমত সব মানুষের মিলনস্থল হয়নি। তার একটি বড় কারণ হয়ত অর্থনৈতিক ও সামাজিক দ্বন্দ্বগুলিকে দূর না করে নিছক কিছু আচার অনুষ্ঠানগত সংশোধন করার চেষ্টা, অন্যদিকে ঈশ্বর ও নানা প্রাসঙ্গিক বিশ্বাসকে টিকিয়ে রাখা।

    বর্তমান পৃথিবীর শতকরা ০.৩ ভাগ মানুষ শিখ ধর্মাবলম্বী। এঁরা ছড়িয়ে আছেন ২০টি দেশে। তবে সংখ্যাগত আনুপাতিক বিচারে মূলত ভারতে (জনসংখ্যার শতকরা ১.৯৭ ভাগ) ও কানাডায় (০.৩ ভাগ) এঁরা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় রয়েছেন।

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    অনলাইন বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা উপন্যাস অনলাইন
    বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    ✩ ✩ ✩

    এইভাবে ইহুদি (Judaism), হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রীস্ট, ইসলাম বা শিখ— পৃথিবীর সব বড় বড় ধর্মকে মানুষই তার নিজের মতো করে তৈরি করেছে। সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষা, সামাজিক সংস্কার সাধন করা, কিছু প্রাসঙ্গিক মূল্যবোধ ইত্যাদি সমস্ত ধর্মেরই একটি বড় দিক। আরেকটি দিক হচ্ছে ঈশ্বর ও অতিপ্রাকৃতিক শক্তি সম্পর্কে মানুষের মিথ্যা বিশ্বাস, কল্পনা আর আস্থা টিকিয়ে রাখা। বিশেষ সময়ে বিশেষ শাসকগোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি এসব ধর্মকে নিজেদের কাজে লাগিয়েছে, পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।

    বর্তমানে, (১৯৯২-এর মাঝামাঝি) পৃথিবীতে এই সাতটি ধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা মোট পৃথিবীবাসীর শতকরা ৭০.৯ ভাগ। এছাড়া শতকরা ২০.৪ জন আছেন যাঁরা কোনো তথাকথিত ধর্মে বিশ্বাস করেন না—নাস্তিক বা ধর্মপরিচয় মুক্ত; তাঁদের একমাত্র ‘ধর্ম’ মনুষ্যত্বের ধর্ম, প্রধান পরিচয় মানুষ হিসেবে। বাকি শতকরা ৮.৭ ভাগ পৃথিবীবাসীর মধ্যে আরো অজস্র ছোটোবড় ধর্মমত প্রচলিত। এদের কোনো কোনোটির ইতিহাস অতি প্রাচীন, কোনো কোনোটি আবার নিতান্তই হাল আমলের। কোনো কোনোটি প্রায় লুপ্ত হয়ে যাওয়ার মুখে, এখন আর অনুগামী নেই বললেই চলে। সামাজিক প্রয়োজন কমে গেলে বা ফুরিয়ে গেলে ঐসব ধর্মমতও পরিমার্জিত হয়েছে, রূপান্তরিত হয়েছে বা লুপ্ত হয়ে গেছে, চিরন্তন হয়ে থাকতে পারেনি।

     

    আরও দেখুন
    Books
    গ্রন্থাগার
    বাংলা গল্প
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ভাষা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা উপন্যাস
    বই পড়ুন

     

    মেক্সিকোর অ্যাজটেক, গুয়াতেমালার মায়া, কলম্বিয়ার চিবচান বা পেরুর ইনকা—এসব প্রাচীন সভ্যতার দেবদেবী ও ধর্মাচরণ এখন অর্ধলুপ্ত বা প্রায় সম্পূর্ণ লুপ্ত। কোয়েতজাল কোল (সর্পদেবতা), তেজকাতলিপোকা (সূর্যদেবতা), পাচাকামাক ও পাচামামা (উর্বরতার দেবদেবী)—ইত্যাদি ধরনের যে সমস্ত দেবতারা আমেরিকার আদি অধিবাসীদের আরাধ্য ছিল, তারা এখন মানব সভ্যতারা যাদুঘরে ঠাঁই পেয়েছে। আর্যরা ভারত ভূখণ্ডে ঢোকার আগে মোঅনজোদারো বা হরপ্পায় যে-সব দেবদেবীর পূজা করা হতো, তার অনেকগুলিই এখন আর মানুষের মনে জায়গা পায় না। আবার মাথায় শিংওয়ালা, তিনমুণ্ডওয়ালা (?) যে পুরুষটির (দেবতার) ছবি সিন্ধু সভ্যতার মুদ্রা ইত্যাদিতে পাওয়া যায়, সেটি পরবর্তীকালে তথাকথিত হিন্দুদের ব্রহ্মা বা শিবের মতো দেবতার কল্পিত মূর্তিতে ছাপ ফেলেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবুদ্ধ অথবা কার্ল মার্কস – ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    Next Article মৌলবাদের উৎস সন্ধানে – ভবানীপ্রসাদ সাহু

    Related Articles

    ভবানীপ্রসাদ সাহু

    মৌলবাদের উৎস সন্ধানে – ভবানীপ্রসাদ সাহু

    November 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }