Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের উৎস সন্ধানে – ভবানীপ্রসাদ সাহু

    ভবানীপ্রসাদ সাহু এক পাতা গল্প215 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ধর্ম চিন্তার স্তরভাগ

    মানুষ যেভাবে ধর্মচিন্তার বিকাশ ঘটিয়েছে তার স্তরভাগ করলে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট ধাপ দেখা যায়, যেমন- আদিম (primitive), প্রাচীন (archaic), ঐতিহাসিক (historic), প্রাক্ আধুনিক ( early modern) ও আধুনিক (modern)। আধুনিক ‘ধর্ম’ এখনো পরিপূর্ণভাবে সৃষ্টি হয় নি, কিন্তু সৃষ্টি হওয়ার পথে, -যেটি বিজ্ঞানের সত্য, তথ্য ও যুক্তিবোধের সঙ্গে উপযোগী হয়ে, মানবিকতার সমস্ত সৎ মূল্যবোধ নিয়ে গড়ে উঠতে পারে; কিন্তু এটি এখনো সম্ভাবনা এবং কিভাবে, কবে হবে তা সুনিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। এবং এই ‘ধর্ম’ আদিম চিন্তার ধারাবাহিকতায় সৃষ্টি হওয়া ঈশ্বর ও অতিপ্রাকৃতিক শক্তির কল্পনা থেকে মুক্ত হয়েই সৃষ্টি হবে,—অন্তত ইতিহাসের গতিপ্রকৃতি তাই। এখনকার প্রচলিত ধর্মবিশ্বাসের থেকে তা হবে গুণগতভাবেও পৃথক। অন্ধবিশ্বাস, অনড় অচল আনুষ্ঠানিক পদ্ধতি তথা ধর্ম সম্পর্কিত প্রচলিত সমস্ত ধারণা থেকেই তা মুক্ত হবে। কিন্তু এটি ভিন্ন প্রসঙ্গ। এ প্রসঙ্গে এটুকু বলা যায় মানুষ তার অভিজ্ঞতা ও গবেষণায় এ সত্য জানতে পারছে যে ঈশ্বর বিশ্বাস, অতিপ্রাকৃতিক ও অলৌকিক শক্তিতে বিশ্বাস তথা প্রচলিত সংশ্লিষ্ট সব ধর্মমতই তাদের পূর্বসূরীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা, স্থূল গবেষণা, অনুসন্ধিৎসা, প্রয়োজন ইত্যাদির তাগিদে সৃষ্টি করেছে এবং মানুষের সমাজ-সংস্কৃতি-অর্থনীতির বিকাশের ইতিহাসে ক্রমশ আধুনিকতর ‘ধর্ম’ সৃষ্টির পথ সুগম করেছে।

    পুরা-প্রস্তর যুগের মানুষের সমাজ জীবনের আদিম অবস্থার সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই কিভাবে ধর্মচিন্তার আদিম রূপটি মানুষের কল্পনা ও বিশ্বাসে পল্লবিত হয়েছে তার একটি আভাস আগে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে প্রায় দশ হাজার বছর আগে শেষ হওয়া পুরা-প্রস্তর যুগের শেষের দিকেই এটি একটি সংহত রূপ পায়। এখনকার গবেষকরা যাকে সর্বপ্রাণবাদ (animism, animatism) নামে অভিহিত করছেন, ঐ চিন্তাগত পদ্ধতি তখন সুপ্রতিষ্ঠিত। জড় বস্তুর মধ্যে কোনো শক্তি বা প্রাণের কল্পনা করাকে জড়াত্মবাদ (animatism) বলা যায়। একটি পাথরকে বা মাটির মূর্তিকে অলৌকিক শক্তির প্রতীক হিসেবে পূজা করার তথা সন্তুষ্ট করার যে পদ্ধতি এখনো চালু আছে এটি এরই একটি বিকশিত রূপ। এ ধরনের পাথর ইত্যাদিকে fetish নামে অভিহিত করা হয়। আদিম মানুষ প্রায় সব জড় বস্তুতেই এ-ধরনের কোনো একটি শক্তির কল্পনা করেছে, তার বাস্তব ভিত্তিও ছিল, যদিও তার থেকে সিদ্ধান্তটা ছিল ভ্রান্ত। একটি পাহাড়ের আড়ালে থাকা জনগোষ্ঠী দেখেছে, ঝড়-ঝঞ্ঝা থেকে পাহাড় তাদের রক্ষা করে, আবার পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়া পাথর বা ধ্বস তাদের ধ্বংসও করে। তাই পাহাড় তার কাছে নিশ্চয়ই একটি শক্তি হিসাবে গণ্য হয়েছে, তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য নানা পদ্ধতিরও ‘আবিষ্কার’ করেছে আদিম মানুষ। বজ্র, বিদ্যুৎ, সমুদ্র, জল,—প্রকৃতির সব কিছুর মধ্যেই সে এ ধরনের একটি শক্তির কল্পনা করেছে, যে পদ্ধতিকে এখন সর্বপ্রাণবাদ (animism) হিসেবে বলা যায়। সর্বব্যাপী, রহস্যময়, ধরা ছোঁয়ার বাইরে কোন একটি অলৌকিক শক্তির এই কল্পনাপদ্ধতিই পরবর্তীকালে বিভিন্ন জনগোষ্ঠিতে বিভিন্ন নাম গ্রহণ করেছে-যেমন সংস্কৃতে ব্রহ্ম, প্রাচীন জার্মানিতে হামিঞ্জা, সিয়ক্স-এ ওয়াকান্ডা, মেলানেশিয়ায় মানা ইত্যাদি-কিন্তু সে অনেক পরের ব্যাপার।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বাইবেল
    বিজ্ঞানের
    বাংলা বই
    নতুন বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বইয়ের
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা উপন্যাস

     

    স্যার এডওয়ার্ড বার্নেট টাইলরের মতে এই সর্বপ্রাণবাদই ধর্মের সবচেয়ে আদিম রূপ। এমিল ডার্কহাইম দেখিয়েছেন, ধর্ম টোটেমবাদ (totemism) থেকে পরে সৃষ্টি হয়েছে (টোটেমবাদের সামান্য পরিচয় আগে দেওয়া হয়েছে), কিন্তু আদিম মানুষের জীবনে এই টোটেমবাদ ছিল সর্বপ্রাণবাদী চিন্তাধারাই। স্যার জেমস ফ্রেজার দেখিয়েছেন, রহস্যময় ক্রিয়াকান্ড করার শিল্প, যে-শিল্প দিয়ে নানা অদ্ভুত ক্রিয়া করা যায় এবং অলৌকিক, অতিপ্রাকৃতিক শক্তিকে সন্তুষ্ট করা যায় বলে ভাবা হয়েছিল, ঐ ম্যাজিক শিল্প (ম্যাজিক আর্ট) অপবিজ্ঞান (pseudoscience) বা আদিম বিজ্ঞান হিসেবে বিকশিত হয়েছিল এবং ধর্ম সৃষ্টি হওয়ার আগেই যথাসম্ভব সর্বজনীনতা লাভ করেছিল, এবং মানুষের মনে এ-সম্পর্কে বিশ্বাস দৃঢ়তর ছিল। অর্থাৎ আদিম মানুষ (এ সব ক্ষেত্রেই পুরা-প্রস্তরযুগের মানুষ) তার বাস্তব দৈনন্দিন জীবনের স্বাচ্ছন্দ্যের স্বার্থে এ-ধরনের ম্যাজিক তথা তথাকথিত অলৌকিক ক্রিয়াকান্ডের ক্ষমতায় বিশ্বাস করেছে এবং তার নিজের প্রশেজনে কাজে লাগিয়েছে, অন্তত সে মনে করেছে এর ফলে তার উদ্দেশ্য সিদ্ধ হবে অর্থাৎ রহস্যময়, বিপদ সৃষ্টিকারী অদ্ভুত শক্তিগুলিকে সন্তুষ্ট করা যাবে বা বশ করা যাবে। পৃথিবীর ঐসব ম্যাজিশিয়ানদের কাজকর্মে বিভ্রান্ত হয়ে, মানুষ এমন একজনের কল্পনা করেছে যার ক্রিয়াকান্ডে (অর্থাৎ প্রকৃতির কোনো শক্তিকে বশ করার ক্ষেত্রে তার ক্ষমতায়) কোনো ভুল হয় না। এই চরম ক্ষমতাধর, অভ্রান্ত, সর্বশক্তিমান একজনই ঈশ্বর-গড-আল্লা হিসেবে নানা ভাষায় পরবর্তীকালে অভিহিত হয়েছে। ফ্রেজারের মতে, ম্যাজিক হচ্ছে মনুষ্যকেন্দ্রিক ধর্ম এবং ধর্ম হচ্ছে এই ঈশ্বর-কেন্দ্রিক ম্যাজিক। তিনি মানুষের চেতনা বিকাশের স্তর সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেছেন, আগে সৃষ্টি হয় ম্যাজিক, তারপর ধর্ম, তারপর বিজ্ঞান।

     

    আরও দেখুন
    বাইবেল
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    Library
    বইয়ের
    বই পড়ুন

     

    আদিম কালেই মানুষ বাস্তব-অবাস্তব নানা বিধিনিষেধ সৃষ্টি করেছে, ও মেনে এসেছে। কোনো বিশেষ ফল খেলে শরীর খারাপ করে, এটি সে অভিজ্ঞতায় দেখেছে। আবার সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণের ভীতিপ্রদ, অস্বাভাবিক ঘটনায় সে নিজেই কিছু আচরণবিধি ঠিক করেছে। শত শত বছর ধরে গড়ে ওঠা এ-ধরনের নানা আচরণবিধিকে (taboo) ফ্রয়েড বলেছেন, ধর্মের আদি রূপ। বিভিন্ন গবেষকের সিদ্ধান্ত সমূহ থেকে একটি জিনিস স্বতঃসিদ্ধ যে, ধর্ম মানুষের সভ্যতার বিকাশে, মানুষের নিজেরই তৈরি করা একটি পদ্ধতি।

    প্রচলিত ধর্মমতের তিনটি দিক রয়েছে—বিশ্বাস (belief), অনুষ্ঠানাদি (worship) ও সংগঠন (organisation )। এই বিশ্বাসের ধারাটি সৃষ্টি হয়েছে ও সংবদ্ধ হয়েছে পুরা-প্রস্তরযুগে— যদিও তার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল নিয়ানডার্থাল মানুষদের আমলেই। পুরা-প্রস্তরযুগের শেষ ২০,০০০ বছরে কি সামাজিক-সাংস্কৃতিক-অর্থনৈতিক অবস্থা, কি তথাকথিত আদিম ধর্মবিশ্বাস অতি দ্রুত বিকশিত হয়েছে। মানুষ যেমন তার পাথরের অস্ত্র-শস্ত্র কিছুটা উন্নত করেছে, তেমনি ম্যাজিক ও অন্যান্য নানা অনুষ্ঠানাদিও নিয়মিত অনুসরণ করতে শুরু করেছে,—যদিও তা আদিমভাবে। বিচিত্র অঙ্গভঙ্গি করে, নানা ধরনের ছবি এঁকে, বিচিত্র শব্দ করে ইত্যাদি নানাবিধভাবে সে রহস্যময় প্রাকৃতিক শক্তি ও কল্পিত শক্তিসমূহকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করেছে। এই সব ক্রিয়াকান্ড পুরুষানুক্রমে করতে করতে সে তাতে অভ্যস্ত যেমন হয়ে উঠেছে, তেমনি তাদের মধ্যে সে পেয়েছে দৈনন্দিন সমস্যাসঙ্কুল জীবনে বৈচিত্র্য ও আনন্দ। আরো পরে এগুলিই বিকশিত হয়ে নৃত্যকলা, অঙ্কনশিল্প, সঙ্গীত শিল্পে রূপান্তরিত হয়েছে,—ধর্মানুষ্ঠানের অঙ্গীভূতও হয়েছে। স্বপ্ন দেখার মতো অদ্ভুত একটি অভিজ্ঞতা আদিম মানুষের মনে আত্মা সম্পর্কিত বিশ্বাসের সৃষ্টি ও স্থায়িত্বকে সুনিশ্চিত করেছে। এই টোটেম-ট্যাবু-আত্মা ইত্যাদি বহু বিশ্বাস ক্রমশ তার মনে দৃঢ়মূল হয়ে গেছে। কিন্তু ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি তখনো ছিল আদিম অবস্থায়, ধর্মীয় সংগঠন তো ছিল না বললেই চলে।

     

    আরও দেখুন
    বাইবেল
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    অনলাইন বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    গ্রন্থাগার
    বাংলা লাইব্রেরী
    বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

     

    নব্যপ্রস্তরযুগে মানুষের জীবনযাত্রা দ্রুত আমূল পরিবর্তিত হয়। প্রায় ১০ হাজার বছর আগে এর সূচনা এবং ৬ হাজার বছর আগে পূর্ণভাবে বিকশিত। মানুষ নিছক খাদ্য সংগ্রাহক নয়, খাদ্য উৎপাদক হয়ে উঠল। কৃষিকর্ম, পশুপালন, মৃৎশিল্প, কাপড় বোনা, উন্নততর বাড়ি তৈরি করা ও বিশেষ করে হ্রদের উপর বাড়ি বানানোর মতো যুগান্তকারী আবিষ্কার সে করেছে। এ-সবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যাদুবিদ্যা তথা দেবদেবী ও দুষ্ট ‘আত্মাদের’ বশে রাখা ও সন্তুষ্ট করার প্রক্রিয়া অর্থাৎ ‘ধর্মীয়’ অনুষ্ঠানাদিরও আমূল পরিবর্তন সে ঘটাতে থাকে নিত্য-নতুন প্রয়োজনে। মাটির উর্বরতা বাড়ানো, বেশি ফসল ফলানো, অনাবৃষ্টি-অতিবৃষ্টি আটকানো, পশুর মড়ক আটকানো ইত্যাদি ধরনের নানা বিচিত্র উদ্দেশ্যে নানাবিধ আচার-অনুষ্ঠান, সংস্কার ও বিশ্বাসের জন্ম হতে থাকে, -বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্নভাবে। (অথর্ববেদে যেমন পরবর্তিকালে এরই ধারাবাহিকতায় বৃষ্টি কামনা, শত্রু-নিবারণ, পশুপোষণ, গাভীর রোগ উপশম থেকে শুরু করে পলায়নপর স্ত্রীর নিবারণ, স্বামী ও স্ত্রীর পরস্পরের ক্রোধ অপনয়ন, জ্বরের চিকিৎসা, কৃমির চিকিৎসা, যক্ষ্মা ও কুষ্ঠের চিকিৎসা ইত্যাদি নানা উদ্দেশ্যে বৈদিক মন্ত্র উল্লেখ করা আছে। কোন নিষ্ঠাবান হিন্দুও এখন আর এসব অনুসরণ করেন না। কিন্তু আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে বুশম্যানদের মত আদিম অধিবাসীরা এখনো এ ধরনের মন্ত্র-তন্ত্র প্রার্থনায় বিশ্বাসী; তাঁদের একটি মন্ত্র বাংলায় এরকম- ‘হে চাঁদ! কাল আমি যেন একটি বারশিঙা হরিণ মারতে পারি তুমি ঐ উঁচু থেকেই তার ব্যবস্থা কোরো। ঐ হরিণের মাংস আমাকে খেতে দাও। আমার তীর দিয়ে ঐ হরিণকে আমায় মারতে দাও। … আমি মাটি খুঁড়ছি পিঁপড়ের জন্য। আমাকে খেতে দাও।’ এ কথাগুলিকেই সুললিত সংস্কৃতে অনুবাদ করলে হুবহু একটি বৈদিক মন্ত্র হিসেবে চালিয়ে দেওয়া যায়।)

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বিজ্ঞান
    বাইবেল
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    নতুন বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    কল্পিত শক্তিকে সন্তুষ্ট করা বা অপশক্তিকে দূরে রাখার জন্য এ-ধরনের নানা অনুষ্ঠান বা পূজার (worship) জন্ম হয় এবং যার অনেকটাই বিকাশ ঘটেছে বিগত হাজার বছর ধরে। এ ধরনের অনুষ্ঠান কয়েক ধরনের হতে পারে-

    ক. আনুষ্ঠানিক নাটক,

    খ. প্রার্থনা, -এটি আবার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন কিছু পাওয়ার জন্য আবেদন, কোনো অপরাধের স্বীকারোক্তি, প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানানো (thanks giving), ‘তাঁর’ সঙ্গে মিলনের আকাঙ্ক্ষা, ভক্তি প্রকাশ করা, ঐশ্বরিক অলৌকিক শক্তির সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করা। হিন্দুদের বেদ-উপনিষদ, মুসলিমদের কোরান, খ্রীষ্টানদের বাইবেল-টেস্টামেন্ট সহ সব ধর্মগ্রন্থেই এসবের ধারাবাহিকতার ভূরি ভূরি উদাহরণ রয়েছে। এসব কথা যে ঐ নব্যপ্রস্তরযুগীয় প্রার্থনা পদ্ধতির বিকশিত, সূত্রবদ্ধ রূপ তা স্পষ্ট। ধর্মচেতনার প্রাচীনতম বহিঃপ্রকাশের একটি হলো প্রার্থনা।

    গ. নাচ,

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বাইবেল
    বিজ্ঞানের
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বইয়ের
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    ঘ. বিশেষভাবে কথাবার্তা বলা (বিভিন্ন ভাষার শ্লোক বা মন্ত্র),

    ঙ. ব্যক্তি বা বস্তুকে পূজা করা,

    চ. ধর্মোপদেশ,

    ছ. নীরবে ধ্যান,

    জ. ধর্মীয় গান-বাজনা

    ঝ. শরীরকে বিশেষ ভঙ্গিমায় নিয়ে যাওয়া,

    ঞ. আনুষ্ঠানিক অঙ্গভঙ্গি,

    ট. অঞ্জলি, উৎসর্গ, বলি দেওয়া,

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বাইবেল
    বিজ্ঞান
    বাংলা ভাষা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বই
    Library
    অনলাইন বুক
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    ঠ. দেবতার উদ্দেশ্যে বিশেষ কিছুকে সাজানো।

    এখনকার প্রচলিত নানা ধর্ম ও লোকাচার থেকে এসবের প্রত্যেকটির উদাহরণ পাওয়া যাবে। কিন্তু এর ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল নব্য-প্রস্তরযুগে। তাই ঐ সময়কার ধর্মকে আদিম ও ঐতিহাসিক ধর্মের মাঝামাঝি প্রাচীন ধর্ম নামে চিহ্নিত করা যায়। এখনো বহু আদিবাসী গোষ্ঠী, এমনকি তথাকথিত শিক্ষিত মানুষের মধ্যেও, এই আদিম ও প্রাচীন ধর্মবিশ্বাসের নানা কিছু অবশিষ্ট আছে।

    তথ্যের স্বার্থে এটি জানা দরকার যে, পুরা-ও নব্য-প্রস্তরযুগের মাঝামাঝি মধ্য-প্রস্তরযুগ (mesolithic period) নামে একটি সাংস্কৃতিক বিকাশের স্তর পৃথিবীতে শুধুমাত্র উত্তর পশ্চিম ইয়োরোপে দেখা গিয়েছিল। পুরা প্রস্তরযুগের কাটা পাথর (chipped stone) ও নব্য-প্রস্তরযুগের মসৃণ করা পাথর (polished stone)-এর মধ্যবর্তী স্তরটি ছিল পাথরের ক্ষুদ্র অস্ত্রাদি (microlith) আবিষ্কারের সময়। খ্রীষ্টপূর্ব ৮০০০-২৭০০ বছর সময়কাল ব্যাপী এই তথাকথিত মধ্যপ্রস্তরযুগে ধর্মীয় চেতনার বিকাশ, নব্য-প্রস্তরযুগ থেকে গুণগতভাবে পৃথক কিছু ছিল না। তবে স্বাভাবিকভাবেই পুরনো ধ্যানধারণার পরিমার্জনা ঘটেছে।

     

    আরও দেখুন
    বাইবেল
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ই-বই
    অনলাইন বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    কিন্তু নব্য-প্রস্তরযুগে কি সমাজে, কি ধর্মীয় বিশ্বাসে একটি গুণগত বিকাশ ঘটে। সেটি হলো ব্যক্তিগত সম্পত্তির সৃষ্টি এবং বিশেষ ব্যক্তির স্বার্থে ধর্মীয় বিশ্বাস ও পূজাপদ্ধতিকে ব্যবহার করা। মানুষ খাদ্য উৎপাদক হয়ে উঠেছে, নিজের পরিবেশের উপর আধিপত্য করার ও পরিবেশকে পাল্টানোর ক্ষমতা ধীরে ধীরে অর্জন করেছে, মোটামুটি স্থায়ী গ্রাম সৃষ্টি করেছে এবং ছোট ছোট সুনির্দিষ্ট গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই গোষ্ঠীরই স্বার্থে বিশেষ এক একজনের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গোষ্ঠীর নিরাপত্তা রক্ষা, খাদ্যোৎপাদন ইত্যাদির নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য। তিনি বা তাঁর অনুমোদিত ব্যক্তি কল্পিত অলৌকিক শক্তিসমূহকে সন্তুষ্ট করা, দূরে রাখা বা বশীভূত করার জন্য অনুষ্ঠানাদি করার দায়িত্ব পেলেন। সুনির্দিষ্টভাবে সৃষ্টি হলো এখনকার পুরুতঠাকুর, মোল্লাসাহেব বা যাজকবাবাজিদের পূর্বসূরীর। গোষ্ঠিরই স্বার্থে তাঁরা ধর্মানুষ্ঠানকে ব্যবহার করতেন, বিভিন্ন বিধিনিষেধ নিয়মকানুন পালন করতেন। কিন্তু পাশাপাশি সমাজের এই গোষ্ঠীপত্নি ও ধর্মগুরুরা ছিলেন অতি সম্মানিত ব্যক্তি, তাঁদের সুযোগ-সুবিধাও ছিল বেশি। এই সময়কার কবরখানায় এই শ্রেণীগত পার্থক্যও পরিলক্ষিত হয়। কয়েকজনের কবরে প্রচুর হাঁড়ি-কুড়ি, পাথরের অস্ত্র এবং এমনকি অন্য কঙ্কালও পাওয়া গেছে। অন্যদিকে বহুজনের কবরই নেহাতই অনাড়ম্বর, সাদামাঠা।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞানের
    বাইবেল
    বিজ্ঞান
    বাংলা কবিতা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    PDF
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা গল্প

     

    অবশ্য নব্য-প্রস্তরযুগে শবদাহপদ্ধতিও আবিষ্কৃত হয়। পৃথিবীর নানা প্রান্তে এর নিদর্শন পাওয়া যায়, -কোথাও ব্যাপকভাবে, কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে। কোনো কোনো এলাকায় খুবই কম। যেমন ইউরোপের উত্তর ফ্রান্স অঞ্চলে এর প্রমাণ পাওয়া গেলেও বৃহত্তর ইউরোপে যথাসম্ভব এটি জানা ছিল না। মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেললে, কল্পিত ঐ আত্মা হয়তো নিশ্চিতভাবে দেহমুক্ত হতে পারবে এ-রকম ধারণা বোধহয় করা হয়েছিল। অথবা বাস্তব প্রয়োজনে (যেমন পচন আটকানো ইত্যাদি) হয়তো দাহপদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, পরে তাতে আত্মাসংশ্লিষ্ট উপরোক্ত ব্যাখ্যার সংযোজন করা হয়। ঠিক কি ধারণা হয়েছিল, তা এখনো বিতর্কিত, তবে এই দাহপদ্ধতির সঙ্গেও নানা অনুষ্ঠানাদি করা হতো, কবর দেওয়ার মতোই, যাতে দেহমুক্ত আত্মা ‘সুখে থাকতে’ পারে এবং জীবিতদের ক্ষতি না করে।

    ***

    পৃথিবীতে নাস্তিক ও অধার্মিকের সংখ্যা

    ঈশ্বর বা কোনো ধর্মে মতি না থাকলে অর্থাৎ বিশ্বাস না করলে ‘ইহকাল পরকাল ঝরঝরে’ এরকম ভাবার কারণ নেই। এ বিশ্বাস অত্যাবশ্যকও নয়। বর্তমানে পৃথিবীতে বহু ব্যক্তি রয়েছেন যাঁরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না অর্থাৎ তথাকথিত নাস্তিক (atheist) কিংবা কোনো ধর্মে বিশ্বাস করেন না, কোনো ধর্মমত অনুসরণ করেন না অর্থাং ধর্মপরিচয়মুক্ত বা তথাকথিত অধার্মিক (nonreligious)। সব সময়েই এরকম মানুষ কমবেশি ছিলেন। সমাজের একজন মানুষ হিসেবেই এঁরা নিজেদের গণ্য করেন। কিন্তু কয়েক দশক আগেও এঁদের সরকারি পরিসংখ্যান ছিল না। পরের পাতায় পৃথিবীর মুষ্টিমেয় যে কয়েকটি দেশে এ ধরনের পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে তা দেওয়া হলো। অবশ্য নানা অপকৌশলে এসব দেশের মানুষের মধ্যে কাল্পনিক ঐ ঈশ্বরে বা প্রাচীন ধর্মে মোহ সৃষ্টির প্রচেষ্টাও চলছে। আবার অন্য দেশেও, সরকারি হিসেবে না থাকলেও, এমন মানুষ বিরল নয়। যেমন ভারতে সরকারি হিসেবে নাস্তিক ও ধর্মপরিচয়মুক্ত ব্যক্তিদের না দেখানো হলেও, এমন মানুষ যে অনেক আছেন তা আমরা জানি। এ ধরনের ব্যক্তিদের উচিত, আদমসুমারিতে সরকারিভাবে এঁদের এই দিকটিকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। স্পষ্টতই তথাকথিত কম্যুনিস্ট বা সমাজতান্ত্রিক দেশে শুধু নয়, ননকম্যুনিস্ট বা অ-সমাজতান্ত্রিক দেশেও এমন ব্যক্তি যথেষ্ট রয়েছেন। উভয়দেশেই বিশেষ ধর্মমতে বিশ্বাসী ব্যক্তিও প্রচুর রয়েছেন, যেমন চীনে লৌকিক ধর্মে বিশ্বাসীর সংখ্যা ২২ কোটি ৫২ লক্ষ, বৌদ্ধ ৬ কোটি ৭২ লক্ষ ইত্যাদি। যে-সব দেশের শুধু নাস্তিকের বা শুধু অ-ধার্মিকের সংখ্যা দেওয়া হয়েছে, সেক্ষেত্রে এমনটি নয় যে, অধার্মিকেরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন বা নাস্তিকেরা ধর্মে বিশ্বাস করেন; আসলে আদম সুমারির পদ্ধতি ও নিজেরা নিজেদের যেভাবে পরিচিত করান ঐ হিসেবেই পরিসংখ্যানটি করা হয়েছে। যেমন অস্ট্রেলিয়ায় ১৯৮১ সালের আদমসুমারিতে যে যার নিজের ধর্ম বা বিশ্বাসের কথা জানিয়েছিলেন। এছাড়াও দেখা গেছে, বিভিন্ন দেশের যে বিপুল সংখ্যক মানুষ বিশেষ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচিত, তাঁদের মাত্র প্রায় শতকরা ১০ ভাগ ধর্মাচরণ করেন।

     

    আরও দেখুন
    বাইবেল
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    গ্রন্থাগার সেবা
    বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    নতুন বই

     

    ***

    পৃথিবীর মোট ২৭০টি দেশের মধ্যে ২৩৬টি দেশে নাস্তিক-ধর্মপরিচয়মুক্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন। এখানে কয়েকটি দেশে ১৯৯২-এর মাঝামাঝি তাঁদের সংখ্যা দেওয়া হল।

    নাস্তিক-ধর্মপরিচয়মুক্ত ব্যক্তিরা

    এইভাবেই ধীরে ধীরে তথাকথিত নানা ধর্মবিশ্বাসের নানাবিধ দিক যুক্ত হতে থাকে অর্থাৎ এখনকার প্রচলিত ধর্মের নানা চিন্তাগত ও ব্যবহারগত পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে। আদিম ও প্রাচীন ধর্ম-বিশ্বাসে বিশ্বাস ও পূজাঅর্চনাদির ব্যাপারটি প্রতিষ্ঠিত হলেও, এখনকার অর্থে সাংগঠনিক রূপটি সে পায় নি। অবশ্য টোটেম ধারণার উত্তরসূরী হিসেবে বিভিন্ন গোষ্ঠী নিজেদের স্বাতন্ত্র্য সুনির্দিষ্ট করতে শুরু করেছিল। এর ধারাবাহিকতা এখনো আদিবাসিগোষ্ঠীদের মধ্যে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। যেমন, ভারতে বিরহোড়দের মধ্যে ৩৭টি গোষ্ঠীর সন্ধান পাওয়া যায়, যার মধ্যে ১২টি জন্তু জানোয়ারের নামে, ১০টি গাছের নামে, ৮টি পরবর্তীকালে প্রক্ষিপ্ত হিন্দুধর্মের জাতপাত বা এলাকার নামে এবং বাকি ৭টি নানা বস্তুর নামে। এই ধরনের কিছু কিছু সাংগঠনিক স্বাতন্ত্র্যের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হলেও, তার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তখনো দৃঢ় হয় নি, -যা হয়েছে তা পরে, ধর্মবিকাশের ঐতিহাসিক স্তরে, যখন বিশেষ নামের সুসংহত ধর্ম সৃষ্টি হয়েছে এবং নানা অঞ্চলে নানাবিধ নাম পরিগ্রহণ করেছে।

     

    আরও দেখুন
    বাইবেল
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    PDF
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ইসলামিক বই
    ই-বই ডাউনলোড

     

    ***

    বিপুলা প্রকৃতি ও রহস্যময় পরিবেশের তুলনার মানুষের আপাত ক্ষুদ্রতা, শক্তিহীনতা ও অসহায়তার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আদিম মানুষের মনে তথাকথিত ধর্মচিন্তার উন্মেষ ঘটে। ঈশ্বর ও অতিপ্রাকৃতিক শক্তির কল্পনা এবং তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য আরো বিকশিত কল্পনার সাহায্যে সৃষ্টি করা নানাবিধ আচার অনুষ্ঠানের সঙ্গে নিজেদের প্রয়োজন ও স্বার্থসিদ্ধি করার প্রাথমিক ইচ্ছাও মিশেছিল এই ধর্ম উদ্ভবের প্রক্রিয়ার।

    ***

    নব্য-প্রস্তরযুগের শেষের দিকেই কীভাবে মানুষের মধ্যে প্রাথমিক শ্রেণীবিভাগ সৃষ্টি হয় এবং মুষ্টিমের গোষ্ঠীনেতার স্বার্থে জনসাধারণের ঐ ঐশ্বরিক, অলৌকিক, বিশ্বাসকে কীভাবে কাজে লাগানো শুরু হয়, তাও এখন জানা গেছে। এখন থেকে প্রায় ৫০০০ বছর আগে নব্য-প্রস্তর যুগ শেষ হয়। এর শেষ দু-হাজার বছরে মানুষ একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করে প্রয়োগ ও অভিজ্ঞতায়, নিজের শ্রম ও মস্তিষ্কের বলে। মানুষের সভ্যতার বিকাশে, তার সাংস্কৃতিক চেতনার রূপান্তরে এই প্রতিটি আবিষ্কারই অবশ্যম্ভাবী ছাপ ফেলেছিল। একই ছাপ পড়েছে ওতপ্রোতভাব মিশে থাকা তার ধর্মচিন্তার বিকাশ ও পল্লবিত হওয়ার প্রক্রিয়াতেও। মাটির জিনিস তৈরী করা, ধাতুর আবিষ্কার ও ব্যবহার (প্রথমে সোনা, তারপর তামা, ব্রোঞ্জ, পিতল-এবং সবশেষে লোহা*), কৃত্রিম সেচব্যবস্থা, নদীকে পোষ মানানো, চাকার আবিষ্কার, পাল তোলা নৌকার ব্যবহার, লাঙলের ব্যবহার, চাষের কাজে গবাদি পশুর ব্যবহার, আদিম পঞ্জিকার উদ্ভাবন, সংখ্যার ব্যবহার, ইট আবিষ্কার করে তা দিয়ে ঘরবাড়ি বানানো, লেখার পদ্ধতি,-একের পর এক বৈপ্লবিক আবিষ্কার মানুষের সমাজ, সভ্যতা, চিন্তাভাবনা সব কিছুকে প্রভাবিত করতে থাকে।

     

    আরও দেখুন
    বিজ্ঞান
    বিজ্ঞানের
    বাইবেল
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী
    বুক শেল্ফ
    Library
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    [*লোহা অবশ্য নব্য-প্রস্তর যুগের আবিষ্কার নয়, এ যুগ শেষ হয়ে ঐতিহাসিক সময় শুরু হওয়ারও দেড়-দু-হাজার বছর পরে লৌহ যুগের আবির্ভাব ঘটে। তবে সর্বত্র একই ধারাবাহিকতায় হয় নি। যেমন আফ্রিকার বেশিরভাগ অংশেই প্রস্তর যুগের পরেই লৌহ যুগ শুরু হয়েছে।]

    এসবের ফলে মানুষের উৎপাদিকা শক্তি অভূতপূর্ব পরিমাণে বাড়তে থাকে। একজনের অধীনে নিজ প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ জমা হতে থাকে। আগের মতো সবাইকে খাদ্য উৎপাদনে ব্যস্ত থাকার প্রয়োজন আর থাকে না। ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, সম্পদের লেনদেনের নিয়মকানুন ও নিয়ন্ত্রণ করার তথা নেতৃত্বদায়ী শক্তির প্রয়োজন হতে থাকে। নব্য-প্রস্তর যুগের শেষের দিকেই সমাজ ব্যবস্থার এই রূপান্তর আভাসিত হয়। কিন্তু তার পরবর্তী ঐতিহাসিক কাল যখন শুরু হয়, তার মধ্যেই এই নেতৃত্ব একটি প্রয়োজনীয় শক্তিশালী শাসনকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। নব্য-প্রস্তর যুগের ছোট ছোট গ্রামের তুলনায় বড় বড় জনপদের জন্ম হয়। মানুষ খাদ্য সংগ্রাহক না থেকে খাদ্য উৎপাদক হয়ে উঠার ফলে এবং অন্যান্য উৎপাদন বাড়ানোর কৌশল আয়ত্ত করার ফলে কিছু মানুষের হাতে বাড়তি সময় জুটে যায়। এই মানুষেরা সংখ্যায় কম হলেও তারা উৎপাদন ছাড়া অন্যান্য কাজকর্মে সময় দিতে সক্ষম হয়। এদের বুদ্ধি-বিচার-বিবেচনাও তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল- এরা রাজা, পুরোহিত, আইন-প্রণেতা, গোষ্ঠীপতির ভূমিকা নেয় এবং এদের অনুগত হিসেবে কিছুজন শাসন প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্ব পায়। ব্যাপকতর জনগোষ্ঠী এই মুষ্টিমেয় গোষ্ঠীর অধীনস্থ হয়। শুরুর দিকে এ প্রক্রিয়া প্রয়োজন আকারে এসেছে, সঠিক নেতৃত্ব, সঠিক নির্দেশ ও শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে। এই প্রয়োজনের স্বার্থেই নানা নিয়মকানুন, বিধিনিষেধ, আইন ও শৃঙ্খলার প্রচলন করতে হয়। এসবগুলিতেই মানুষের কল্পনার ঈশ্বর আর অতিপ্রাকৃতিক ভীতিপ্রদ, অলৌকিক শক্তিতে বিশ্বাসও সম্পৃক্তভাবে মিশেছিল। আর এভাবেই ঐতিহাসিক পর্যায়ের ধর্মের উদ্ভব।

    নব্যপ্রস্তর যুগের মানুষ তুলনামূলকভাবে দরিদ্র থাকলেও, সে কারোর দাস ছিল না, দাসত্ব কেবল ছিল তার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কাছে, কল্পিত ভয়াবহ পরমশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে, -কিন্তু কোন মানুষের কাছে নয়। তাই তখনকার ধর্মচিন্তায় বিশেষ কোন ব্যক্তিকে ঈশ্বরের প্রতিভূর আসনে বসানো হয় নি, বিশেষ ব্যক্তিকেন্দ্রিক ধর্মাচরণ পদ্ধতি ও ধর্মীয় অনুশাসন তখন ছিল অনুপস্থিত; এগুলি এসেছে পরে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবুদ্ধ অথবা কার্ল মার্কস – ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    Next Article মৌলবাদের উৎস সন্ধানে – ভবানীপ্রসাদ সাহু

    Related Articles

    ভবানীপ্রসাদ সাহু

    মৌলবাদের উৎস সন্ধানে – ভবানীপ্রসাদ সাহু

    November 7, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }