Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. নবীরা

    অধ্যায় ১০. নবীরা

    নবীরা ভবিষ্যদ্বক্তা নন, তারা প্রকাশ বা প্রচার করেন। ঈশ্বরের কাছ থেকে তারা যা কিছু শোনেন সেটি যতটা তার প্রকাশ ও প্রচার করে থাকেন, সেভাবে তারা। ভবিষ্যতে কী হবে সেটি নিয়ে কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করেন না। তারা এমন কিছু প্রচার করেন, যা শুধুমাত্র ঐশী প্রত্যাদেশের মাধ্যমে জানা সম্ভব। তারা ঈশ্বরের নির্দেশ ও উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন। তারা ঈশ্বরের সত্যকে এমনভাবে সবাইকে জানান যা মূলত শ্রোতাদের প্রভাবিত করার জন্যেই পূর্বপরিকল্পিত। ভবিষ্যৎ নিয়ে পূর্বধারণা তারা অবশ্য করতে পারেন, যদি সেভাবেই তারা সেটি ঈশ্বরের কাছ থেকে শোনেন। মেসোপটেমিয়ানদের মূর্তি দেবতাদের উপহাস করা ঈশ্বরের কণ্ঠ আব্রাহাম শুনেছিলেন। মোজেস শুনেছিলেন সেটি তাকে মিশরে ইজরায়েলাইটদের ত্রাণকর্তা হতে নির্দেশ দিচ্ছে, যেন তিনি পথ দেখিয়ে তাদের ঈশ্বর-প্রতিশ্রুত দেশে নিয়ে যেতে পারেন। যখন ইজরায়েলের সন্তানরা আবার কানানে তাদের বসতি গড়েছিলেন এবং রাজারা তাদের শাসন করেছিলেন, তখনো ঈশ্বরের কণ্ঠ নীরব হয়ে যায়নি। আর এটি শুনেছিলেন খুব সাধারণ কিছু মানুষ, যারা তাদের সাধারণ জগৎ থেকে বেরিয়ে এসে, পবিত্র পর্বতে মোজেসকে দেওয়া ঈশ্বরের আইনগুলো রক্ষা করতে শক্তিশালীদের ব্যর্থতাকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। নবীরা ছিলেন প্ররোচিত করার মতো বক্তা, সাধারণ মানুষকে তাদের বার্তাগুলো বোঝাতে যারা গল্প ব্যবহার করতেন। এবং এমনকি রাজারাও তাদের নজরের বাইরে থাকতেন না। যেমন, একটি গল্পে আমরা দেখি, কীভাবে একজন নবী ইজরায়েলের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা ডেভিডকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। যার সাথে আমরা এর আগে পরিচিত হয়েছিলাম, গুলতি ব্যবহার করে, পাথর ছুঁড়ে যিনি দানব গলাইয়াথকে হত্যা করেছিলেন।

    ডেভিড ইজরায়েলের সিংহাসনে বসেছিলেন কমন এরা শুরু হবার ১০০০ বছর আগে। তার রাজধানী জেরুজালেম (শান্তির নগরী) প্রতিষ্ঠা করার জন্যে তিনি একটি দুর্গসংরক্ষিত পাহাড়, মাউন্ট জাইওনকে নির্বাচন করেছিলেন। সুন্দর, যে-শহরটি বহু মিলিয়ন মানুষের কাছে এখনো পবিত্র একটি শহর। যদিও ডেভিড সাহসী যোদ্ধা আর আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের একজন নেতা ছিলেন, কিন্তু তিনি কোনোভাবেই ক্রটিমুক্ত একজন মানুষ ছিলেন না। একদিন নাথান নামের একজন নবী এসে তাকে সাম্প্রতিক একটি ঘৃণ্য ঘটনার বিবরণ দিয়েছিলেন : গ্রামের একজন ধনী ব্যক্তি, যার বহু হাজার মেষ ও গবাদি পশু ছিল এবং কোনোকিছুরই অভাব ছিল না। তার একজন ভাড়াটে ছিল, যে খুবই দরিদ্র একজন ব্যক্তি, তার একটি ভেড়া ছাড়া আর কিছুই ছিল না, যাকে তিনি তার নিজের মেয়ের মতোই ভালোবাসতেন। একবার যখন অপ্রত্যাশিতভাবে একজন অতিথি সেই ধনী ব্যক্তির বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন, তিনি তার নিজের হাজার ভেড়া বাদ দিয়ে অতিথি আপ্যায়ন করতে সেই গরিবের ভেড়াটিকেই বেছে নিয়েছিলেন।

    যখন রাজা ডেভিড এই গল্পটি শুনেছিলেন, তিনি দ্রুত দাঁড়িয়ে উঠে দাবি করেছিলেন, এই অশুভ দানবটা কে? নাথান উত্তর দিয়েছিল, আপনিই হচ্ছেন সেই ব্যক্তি’। নাথান জানতেন, ডেভিড ইউরাইয়া’র স্ত্রী বাথশেবার সাথে রাত কাটিয়েছেন, যিনি ছিলেন তার সেনাবাহিনীর একজন অনুগত সৈন্য, এবং একটি সেনা-অভিযানে তখন তিনি ঘরের বাইরে ছিলেন। তার এই অপরাধ গোপন রাখতে তিনি ইউরাইয়াকে যুদ্ধক্ষেত্রেই হত্যা করার ব্যবস্থা করেন। তারপর তিনি বাথসেবাকে বিয়ে করেছিলেন গোপনে। নাথানের চ্যালেঞ্জের কারণে ডেভিড তার অপরাধ স্বীকার করেন এবং প্রায়শ্চিত্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। নবীরা জানতেন, গল্পের শক্তি কারো জীবনে মোড়পরিবর্তন করানোর ক্ষমতা রাখে। কিন্তু সব গল্পই তাদেরকে ঈশ্বরের অসন্তুষ্টির মুখোমুখি করার জন্যে পরিকল্পিত নয়। কখনো তিরস্কার বা সমালোচনা ছাড়াও, এগুলো সান্ত্বনা আর ভবিষ্যতের জন্যে আশার জোগান দেয়। যেমন আরেকটি গল্প –

    ডেভিডের মৃত্যুর প্রায় চারশো বছর পরে, যখন ইজরায়েলাইটরা ব্যাবিলনে নির্বাসিত এবং হতাশা নিয়ে তারা তাদের প্রিয় জেরুসালেমকে স্মরণ করেছিলেন, তখন নির্বাসিতদের একজন তাদের জন্যে একটি বার্তা নিয়ে এসেছিলেন। বার্তাটি তিনি তাদের ঈশ্বরের কাছ থেকে পেয়েছিলেন। তার নাম ছিল ইজেকিয়েল। প্রথমে তিনি তাদের অতীতের জন্য গালমন্দ করেছিলেন। ঈশ্বর তাদের একদিন মিশরের দাসত্ব থেকে মুক্ত করে প্রতিশ্রুত-দেশে এই কারণে নিয়ে আসেননি যে, তারা অন্যসব জাতির মতো একটি জাতিতে পরিণত হবে। অন্য জাতিগুলো বৈষয়িকভাবে সফল আর ধনী হতে চেয়েছিল এবং বিশ্বমঞ্চে দম্ভের সাথে তারা তাদের বিত্ত প্রদর্শন করতে চেয়েছিল। আর সেই অবস্থানে পৌঁছাতে তাদের সাহায্য করার জন্যে তারা দেবতাদের ব্যবহার করেছিল। ধর্ম তাদের জন্যে রাজনীতিরই একটি শাখা ছিল।

    বেশ, ইসরায়েলের ঈশ্বর কোনো মূর্তি ছিলেন না, যা-কিনা রাজনীতিবিদরা ক্ষমতার খেলায় নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারতেন। একইভাবে অন্য কোনো জাতির মতো জাতি হবার কথাও ছিল না তাদের। কথা ছিল তাদের একটি পবিত্র জাতি হতে হবে, তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হবে এই পৃথিবীতে তাদের ঈশ্বরের সেবা করা। কিন্তু স্থানীয় রাজনীতির ক্ষমতা দখলের খেলায় তারা নিজেদের জড়িয়ে ফেলেছিলেন। সুতরাং ব্যাবিলনে তাদের নির্বাসন দেবার মাধ্যমে ঈশ্বর তাদের শাস্তি দিয়েছিলেন।

    ইজরায়েলাইটদের এই নির্বাসনের কারণ হিসাবে ইজরায়েলের ‘পাপ’ দায়ী, ইজেকিয়েলের এই ব্যাখ্যাটি ধর্মের ইতিহাসের আরেকটি কৌতূহলোদ্দীপক ধারণা যুক্ত করেছিল। যখনই ইজরায়েলের জনগণ এলাকার ক্ষমতার সংগ্রামের কারণে দুর্দশায় পতিত হয়েছে, নবীরা তাদের সেই দুঃখের জন্যে তাদের উপর নির্যাতন করা শক্ৰ-সেনাদের দায়ী করেননি বরং ঈশ্বরের প্রতি তাদের বিশ্বাসের দুর্বলতা অথবা বিশ্বাসহীনতাকে দায়ী করেছিলেন। সেই ধারণাটির জন্ম হয়েছিল, যদি আপনার সাথে খারাপ কিছু ঘটে, সেটি ভাগ্যের খেলা নয়, এটি আপনার পাপের শাস্তি। আর যেহেতু ইজরায়েলের সাথে ক্রমাগতভাবেই খারাপ কিছু ঘটা অব্যাহত ছিল, সারাক্ষণই তারা তাদের পাপাচারের জন্যে নবীদের তিরস্কারও শুনেছিলেন। কিন্তু এমন সময়ও ছিল যখন ঈশ্বর এই তিরস্কার করা বন্ধ করে ইজরায়েলবাসীকে আশ্বস্ত করেছিলেন। এবং সান্ত্বনার সবচেয়ে মর্মস্পর্শী বার্তাগুলোর একটি তাদের কাছে এসেছিল ইজেকিয়েলের মাধ্যমে।

    ইজেকিয়েল শুধুমাত্র কণ্ঠস্বরই শোনেননি, তিনি তার মনশ্চক্ষে নানা দৃশ্যও দেখেছিলেন। এবং এভাবে দেখা তার দৃশ্যগুলোর একটি বন্দি ইজরায়েলের জন্য একটি আশার বার্তা বহন করে এনেছিল। তার দেখা সেই দৃশ্যে তিনি একটি পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে প্রশস্ত একটি উপত্যকার দিকে তাকিয়ে ছিলেন, যে উপত্যকাটি শুষ্ক হাড় দিয়ে পূর্ণ ছিল। সেই কণ্ঠস্বরটি অস্থিগুলোকে উদ্দেশ্য করে একটি ভবিষ্যদ্বাণী করতে বলেছিল, যেন তিনি তাদের বলেন, তাদের মধ্যে নিশ্বাস প্রবেশ করবে, মাংশপেশি আবার তাদের আচ্ছাদিত করবে এবং তারা আবার একটি জীবন পাবেন। নির্দেশমতোই তিনি সেটি করেছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবেই সব অস্থিগুলো পরস্পরের সাথে যুক্ত হবার শব্দ শুনতে পেলেন তিনি এবং মানুষের কঙ্কালে পূর্ণ হয়ে উঠেছিল উপত্যকাটি। এরপর সন্ধি, মাংসপেশি আর চামড়া সেই কঙ্কালগুলো আচ্ছাদিত করতে শুরু করেছিল, আর মৃত শরীরগুলো পূর্ণ করেছিল সেই উপত্যকা। একেবারে শেষে নিশ্বাস শরীরগুলোর মধ্যে প্রবেশ করেছিল আর তারা উঠে দাঁড়িয়েছিল। যেন প্রাণবন্ত সেনাদের একটি বিশাল দল পুরো উপত্যকাটিকে পূর্ণ করে রেখেছে। সেই কণ্ঠস্বরটি ইজেকিয়েলকে বলেছিল, এই অস্থিগুলো ইজরায়েলের সন্তানদের, যারা ভেবেছিল তাদের জীবন শেষ হয়ে গেছে। এবং তারা মৃত এবং ব্যাবিলনে তাদের সমাহিত করা হয়েছে। কিন্তু ঈশ্বর খুব শীঘ্রই তাদের নিজেদের প্রিয় জীবনে পুনরায় স্থাপন করবেন এবং তাদের প্রিয় ইজরায়েলে তিনি তাদের ফিরিয়ে নিয়ে আসবেন।

    আর ঠিক সেটাই ঘটেছিল, কমন এরা শুরু হবার ৫৩৯ বছর আগে (খ্রিস্টপূর্বাব্দে)। পারস্যবাসীরা আসিরীয়দের পরাজিত করেছিল এবং পারস্যবাসীদের রাজা সাইরাস নির্বাসিতদের ইজরায়েলে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিলেন এবং আসিরীয় বাহিনীদের ধ্বংস করা মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ এবং তাদের ধর্মীয় ঐতিহ্য পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে বলেছিলেন। এরপর দুইশো বছর ইজরায়েলাইটরা তাদের নিজেদের ধর্মীয় প্রথা কোনো বাধা ছাড়াই পালন করতে পেরেছিলেন। অবশেষে, তারা তাদের দেশের সেই নামকরণের মর্যাদা রাখতে পেরেছিলেন, যেখানে শুধুমাত্র ঈশ্বরই রাজত্ব করেন। অন্য কোনো জাতির মতো তারা নিজেদেরকে শুধুমাত্র মানব কোনো নেতার নেতৃত্ব দেওয়া একটি জাতি হিসাবে ভাবেননি বরং তারা তাদের দেশটি শাসন করেছিলেন একটি ধর্মীয় সমাজ হিসাবে, যেখানে ঈশ্বরই রাজা, একটি ধর্মতন্ত্র বা থিওক্রেসি। এবং তারা তাদের সেই মন্দিরটি পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন, যে-মন্দিরটি ছিল তাদের মধ্যে ঈশ্বরের উপস্থিতির একটি প্রতীক। তাদের অস্তিত্বের প্রাণকেন্দ্র। মন্দিরটির নির্মাণশেষে তারা সেটি ৫১৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে নিবেদন করেছিলেন।

    ইজরায়েলের আর কোনো রাজা ছিল না, সুতরাং মন্দিরের প্রধান পুরোহিতই দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। পৃথিবীতে ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসাবেই তাকে বিবেচনা করা হয়েছে। আর দেশটির নিজেকে সুসংহত করার এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় কিছু জিনিস হারিয়েও গিয়েছিল, আব্রাহামের সময় থেকেই, যা তাদের। ইতিহাসেরই অংশ ছিল। সবধরনের ভবিষ্যদ্বাণীর সমাপ্তি ঘটেছিল, নবীদের সেই কণ্ঠ শোনাও শেষ হয়েছিল। এখন জীবন্ত নবীরা, যারা ইজরায়েলাইটদের কাছে নিরন্তর ঈশ্বরের নতুন বার্তার বিস্ময় বহন করে আনতেন, তাদের প্রতিস্থাপিত করতে ধর্মীয় বইগুলোর সংকলন করা হয়েছিল, যে-বইগুলো তাদের ঈশ্বর নির্দেশিত ইতিহাসের সব কাহিনি এবং তাদের জীবন-পরিচালনাকারী আইনগুলোকে একত্র করেছিল।

    এই বইগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণটি ছিল বাইবেলের প্রথম পাঁচটি বই, যাদের বলা হয়, ‘পেন্টাটিউখ’ বা ‘ফাইভ স্ক্রলস’। প্যাপিরাসের স্ক্রল বা গোল করে প্যাচানো শুকনো প্যাপিরাসের পাতার উপর কালি দিয়ে প্রাচীন লিপিকারকরা লিখতেন। আর নির্বাসন থেকে ফিরে আসার পর, এই শান্তিপূর্ণ পর্বটিতে ঈশ্বরের সাথে ইজরায়েলের দীর্ঘ সম্পর্কটির কথা অবশেষে কাগজে-কলমে লিপিবদ্ধ করা শেষ হয়েছিল। এবং ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শোনা জাতি থেকে তারা একটি পবিত্র গ্রন্থের জাতিতে পরিণত হয়েছিলেন।

    শুরুর দিকে ইজরায়েলবাসীদের এই ধর্মটিকে নিয়ে নানা পরীক্ষানিরীক্ষা করার প্রবণতা ছিল। আমরা এমনকি এটিকে একটি ফ্রিল্যান্স বা স্বাধীনভাবে পালিতধর্ম হিসাবেও বর্ণনা করতে পারি। তখনো এটি পেশাজীবী ধর্মযাজকদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং পরিচালিত হয়নি, বরং সেই কাজটি করেছিলেন প্রতিভাবান অপেশাজীবীরা, যারা সরাসরি তাদের মাধ্যমে ঈশ্বরকে কথা বলতে শুনেছিলেন। আর এভাবেই সব ধর্মের সূচনা হয়ে থাকে। এগুলো শুরু হয় বিশেষ গুণাবলির কিছু মানুষদের মাধ্যমে, যাদের আমরা নবী বা সাধু বলি, তারা ঈশ্বরের কণ্ঠ শোনেন বা কোনো স্বর্গীয় দৃশ্য দেখার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন। আর তারা কী দেখেছেন বা কী শুনেছেন সেটি তারা অন্যদের বলেন। যারা এধরনের কোনো দৃশ্য দেখেননি বা কোনো কণ্ঠ শোনেননি, বিশ্বাসের মাধ্যমে তারা সেই। ধারণাগুলোকে তাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত করেন, অর্থাৎ তাদের যা কিছু বলা হয়েছে সেগুলো তারা বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন। এবং এভাবে ধর্মীয় কাঠামো গড়ে ওঠে।

    এইসব কাঠামো যখন আরো বিস্তারিত হয়, নতুন একধরনের নেতার তখন প্রয়োজন হয়। আর এটি সৌখিন অপেশাদারিত্ব থেকে বিস্তারিত জটিল পেশাদারিত্বের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। একত্রে সংকলিত করা গল্পগুলোকে ব্যাখ্যা করার জন্যে শিক্ষকের দরকার হয়। পুরোহিত আর যাজকদের দরকার পড়ে পবিত্র বইতে লিপিবদ্ধ নানা উৎসব পরিচালনা আর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো উদযাপন করতে। মন্দিরের দরকার হয়, যেখানে এই কর্মকাণ্ডগুলোর সিংহভাগই সংঘটিত হয়। এবং যখন এই দীর্ঘ প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হয়, পৃথিবী এর ধর্মের ভাণ্ডারে পূর্ণমাত্রার একটি ধর্ম পায়।

    এই প্রক্রিয়ায় চিরতরে কিছু উপাদান হারিয়ে গেছে এমন একটি অনুভূতি অবশিষ্ট থেকে যায়। আর সে-কারণে ধর্ম সবসময়ই অতীতে তাদের শুরুর দিনগুলোর দিকে অনুশোচনা-মিশ্রিত একটি কামনা নিয়ে ফিরে তাকায়। সেই দম্পত্তির মতো, যারা পরস্পরের সাথে দীর্ঘদিন থাকার কারণে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, যখন তাদের ভালোবাসা জীবনের সেই শুরুর দিনগুলোর আবেগ হারিয়ে যায়। তারা অতীতের দিকে সেই কামনাসহ ফিরে তাকান, যখন তাদের সম্পর্কে সেই আবেগের সহজ প্রবাহ ছিল। আর সে-কারণে ধর্ম এই আদি মূল তীব্র ভালোবাসাটিকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টায় প্রচুর সময় ব্যয় করে। কিন্তু বিষয়টি সহজ হয় না, কারণ স্বর্গীয় সেই প্রেমিকের কণ্ঠস্বর নীরব হয়ে গেছে, যা বাকি থাকে সেগুলো তার শব্দমালা।

    অথবা, এমন কি হতে পারে, যারা ধর্মের ক্ষমতা গ্রহণ করেছেন, ঈশ্বর যখন তাদের ফোন করেন, তারা আর ফোন ধরেন না, কারণ তাদের নিয়ন্ত্রিত এই প্রতিষ্ঠিত কাঠামো আর পদ্ধতির ভারসাম্য ঈশ্বর যেন নষ্ট না করতে পারেন, এটাই তাদের একান্ত কাম্য হয়ে ওঠে? সংঘটিত ধর্ম থেকে এই টানাপড়েনটি কখনোই দূরে ছিল না, যেমন, ইতিহাস আপনাদের সেটি দেখাবে। ব্যাবিলেনের নির্বাসন থেকে ফেরার পরপরই ইজরায়েল এর অবস্থান ক্রমশ আরো দৃঢ়তর করতে শুরু করেছিল ঠিক এভাবে। সেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা এর অস্থিগুলো বাড়ি ফিরেছিল আবার একত্রে যুক্ত হয়ে। এর পরের দুই শতাব্দীর সেই মধ্যবর্তী বিরতির পর্বটি এসেছিল, যখন এটি শান্তি খুঁজে পেয়েছিল, যা এটি হাজার বছর ধরে খুঁজেছিল। এই সময়ে ইজরায়েল শাসন করেছিল সেই সাম্রাজ্যগুলো, যার নেতারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তারা তাদের প্রজাদের ধর্মীয় আচারে কোনো হস্তক্ষেপ করবেন না। কিন্তু এটি বেশিদিন স্থায়ী হতে পারেনি।

    কমন এরা শুরু হবার ৩৩৩ বছর আগে গ্রিক সম্রাট আলেক্সান্ডার যখন মানুষের জানা পৃথিবীর অধিকাংশ এলাকাটি শাসন করতেন, তখন পরিবর্তনের আরেকটি চক্র শুরু হয়েছিল ইজরায়েলে। আলেক্সান্ডার ইজরায়েলাইটদের তাদের নিজেদের ধর্ম পালন করতে অনুমতি দিয়েছিলেন এবং এই বিষয়ে তিনি হস্তক্ষেপ করেননি। যখন তিনি মারা যান, তার রাজ্যের অংশগুলো, যা আমরা আজ চিনি আফগানিস্তান, ইরান, ইরাক, সিরিয়া, লেবানন আর প্যালেস্টাইন নামে, সেগুলোর ক্ষমতা নিয়েছিলেন অন্য নেতারা, আর তাদের শাসনপদ্ধতিও ছিল ভিন্ন। তারা তাদের নিজস্ব সংস্করণের ধর্ম তাদের প্রজাদের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। সুতরাং ইসরায়েলের হিংস্র হিংসুটে ঈশ্বরের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার ছিল। যে রাজা এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন তিনি ছিলেন চতুর্থ অ্যান্টাইওকাস। বংশানুক্রমে একজন গ্রিক, এলাকার সাম্রাজ্যের রাজনীতিতে নিজের অবস্থান আরো বৃদ্ধি করার উচ্চাকাঙ্ক্ষায় হতাশ হয়ে তিনি তার ইহুদি প্রজাদের তাদের আধিপত্যপ্রবণ ঈশ্বরের কাছ থেকে টেনে বের করে আনার চেষ্টা করেছিলেন, এবং তিনি তাদের ওপর গ্রিকধর্ম আর সংস্কৃতির অভিজাত আর সূক্ষ্ম আচারগুলো চাপিয়ে দিয়েছিলেন।

    কমন এরা শুরু হবার ১৬৭ বছর (খ্রিস্টপূর্বাব্দ) আগে তিনি জেরুজালেমের মন্দিরটিকে গ্রিকদেবতা জিউসের একটি মন্দিরে রূপান্তরিত করেছিলেন, এবং সারা ইসরায়েল জুড়ে তিনি তার পেটোয়াবাহিনী পাঠিয়েছিলেন নিশ্চিত করতে, ইহুদিরা যেন অবশ্যই দেবতা জিউসের উপাসনা করেন। যখন তাদের একজন জেরুজালেমের কাছে একটি গ্রাম মডিনে এসে পৌঁছিলেন, তিনি গ্রামের যাজক, বৃদ্ধ মাত্তাথিয়াসকে রাজার নির্দেশ মান্য করে বিসর্জন দিতে অথবা মৃত্যুকে বরণ করতে বলেছিলেন। মাত্তাথিয়াস এর উত্তরে বিসর্জনের জন্য প্রস্তুত মেষের শরীরে ছুরি না ঢুকিয়ে, রাজার নির্দেশ নিয়ে আসা প্রহরীর শরীরে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন, তাকে বিসর্জনে পরিণত করেছিলেন। তিনি ও তার ছেলেরা তাদের নিষ্ঠুর রাজার বিরুদ্ধে তিন বছরব্যাপী যুদ্ধ করেছিলেন। রাজার বিরুদ্ধে তিনটি যুদ্ধে তারা জয়লাভ করেছিলেন এবং তাদের কলুষিত করা মন্দিরও তারা আবার দখল করতে পেরেছিল। ১৬৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দের ১৪ ডিসেম্বর, তারা আবার সেটি পবিত্রকরণ, সংস্কার আর পুনরায় ঈশ্বরকে নিবেদন করা শুরু করেছিলেন। এটি করতে তাদের আটদিন সময় লেগেছিল। এই পর্বটি ‘ফেস্টিভাল অব লাইটস’ বা হানুকা নামে ইহুদিরা উদ্যাপন করেন। হানুকার সময় প্রতিটি দিন তাদের আটটি বাহুর মোমদানি বা মেনোরায় একটি করে মোমবাতি জ্বালান, রাজা অ্যান্টিওকাসের দ্বারা কলুষিত জেরুজালেমের মন্দিরটি সংস্কারে পুনর্নির্মাণের কথা স্মরণ করতে।

    অ্যান্টিওকাস ১৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মারা যান এবং ইসরায়েলের জন্যে জীবন আবার অপেক্ষাকৃত সহজতর হয়ে উঠেছিল। আশঙ্কাজনক একটি স্বাধীনতার পরিস্থিতিতে এটি নিজেকে টিকিয়ে রেখেছিল আরো এক শতাব্দী, এরপর ৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোম এটির দখল নিয়েছিল। এবং খেলার চূড়ান্তপর্বটি শুরু হয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }