Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. শেষ যুদ্ধ

    অধ্যায় ১৩. শেষ যুদ্ধ

    ভারতের পশ্চিম উপকূলে মুম্বাই শহরের দক্ষিণে মালাবার পাহাড়ের উপরে দাঁড়িয়ে বাইনোকুলারে চোখে রাখলে, অগণিত গাছের সারির উপর মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো হাস্যময় পাথরের একটি স্তম্ভ নজরে পড়তে পারে পর্যটকদের। সেই পাহাড়ে উঠে স্তম্ভটির নিকটে যাওয়া তাদের নিজেদের জন্য নিষিদ্ধ, কিন্তু যদি তারা কোনো ড্রোন ব্যবহার করে ছবি তুলতে পারেন, তাহলে দেখবেন এই স্তম্ভটির একটি সমতল ছাদ আছে, যার প্রান্তসীমা ঘিরে রেখেছে অল্প উচ্চতার একটি প্রাচীর। এবং ছাদটি বিভক্ত করা হয়েছে তিনটি এককেন্দ্রিক বৃত্তে। ক্যামেরা হয়তো শবদেহ-খাদক কোনো পাখিকে সেখানে ব্যস্ত থাকতে দেখতে পারে, যারা সেখানে প্রথম বৃত্তে পুরুষ, দ্বিতীয় বৃত্তে নারী এবং তৃতীয় বৃত্তে সাজিয়ে রাখা ছোট মৃতদেহগুলো সব গোগ্রাসে গিলছে।

    ড্রোন এখানে যা উন্মোচন করছে, সেটি কিন্তু মৃতদের প্রতি প্রদর্শিত নিস্পৃহ নির্বিকার কোনো আচরণ নয়, বরং এটি হচ্ছে গভীর শ্রদ্ধাপূর্ণ একটি ধর্মীয় আচরণ, পার্সিদের প্রাচীন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আচার, যারা বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। পার্সিরা বিশ্বাস করেন, মৃতদেহ হচ্ছে অপবিত্র, সুতরাং যদি তারা সেটি কবর দেয়, তাহলে সেই শরীরটি পৃথিবীকেও দূষিত করবে, যা এটিকে গ্রহণ করবে, এবং যদি তারা সেটি দাহ করেন, তাহলে সেটি সেই আগুনকে দূষিত করবে, যা এটি দাহন করবে। এছাড়াও তারা মৃতদেহ খেয়ে বেঁচে থাকা প্রাণীদের প্রতি সদয় আচরণ করার ওপর বিশ্বাস রাখেন, যারা কিনা মৃতদেহ খেয়ে পৃথিবীকে পরিষ্কার রাখে; সে-কারণে তারা এইসব টাওয়ার অব সাইলেন্স’ (ডাখমা) নির্মাণ করেছিলেন, যেখানে তারা তাদের মৃতদেহগুলোকে তীব্র সূর্যের আলোয় কাক আর শকুনের ঠোঁটের কাছে নিবেদন করেন। একবার এই স্তম্ভের উপর মৃতদেহ রাখলে সেগুলো মাংসহীন হাড়ের স্তূপে পরিণত হতে বেশি সময় লাগে না, এরপর শুষ্কতা আর সূর্যের আলোয় এই কংকালগুলো বর্ণহীন আর ক্রমশ ভাঙতে শুরু করে, যতক্ষণ-না সেগুলো স্তম্ভের কেন্দ্রে একটি হাড়ের কক্ষে জমা হয়, যেখানে তারা ধীরে ধীরে ধুলায় পরিণত হয়, মাটি দ্বারা পরিস্রাবিত হয়ে সমুদ্রে ভেসে চলে যায়। সুতরাং মৃত্যুর সময় হারানো দেহটি জীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে সেই প্রাণীদের জন্যে খাদ্যে পরিণত হয়। সবকিছুই প্রকৃতিতে ফিরে যায়। কিছুই অপচয় হয় না।

    যদিও বহু শতাব্দী ধরেই পার্সিরা, যারা এইসব টাওয়ার অব সাইলেন্স’ নির্মাণ করেছিলেন, ভারতে বসবাস করছেন, কিন্তু তারা মূলত এসেছিলেন পারস্য থেকে, বিষয়টি তাদের নামই ইঙ্গিত করছে। ভারতের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি ভূখণ্ড, ইরান, এই ইরানকে গ্রিকরা যে নাম দিয়েছিল সেটি হচ্ছে পারসিয়া (বা পারস্য)। পার্সিরা যে ধর্মের অনুসরণ করেন তার নাম জোরায়াস্টিয়ানিজম বা জরথুস্ত্রবাদ, যার উদ্ভব হয়েছিল ইরানে, ইজরায়েলাইটদের ব্যাবিলন নির্বাসনের সমসাময়িক কোনো একটি সময়ে, কমন এরা শুরু হবার ছয় শতাব্দী আগে (খ্রিস্টপূর্ব)। ভারতের পার্সিরা ছাড়া আজ পৃথিবীতে জরথুস্ত্রবাদের খুব বেশি অনুসারী নেই, কিন্তু তাদের ধর্মটি ইহুদিদের ধর্মটি সহ অন্য ধর্মবিশ্বাসগুলোর ওপর গভীর একটি প্রভাব ফেলেছিল। এবং যেহেতু ইহুদিবাদই খ্রিস্টধর্ম আর ইসলামের জন্ম দিয়েছিল, পৃথিবীতে বর্তমানে যা এখন সবচয়ে জনবহুল ধর্ম, সে-কারণে আমরা জরথুস্ত্রবাদের প্রতিষ্ঠাতা জরথুস্ত্রকে ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ধর্মীয় ব্যক্তি হিসাবে বর্ণনা করতে পারি। যদিও তারিখগুলো সম্বন্ধে সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়, বিশেষ করে যখন তারিখগুলো এমন একটি সময়ের, যখন খুব সামান্য তথ্যই লিপিবদ্ধ করে রাখা হতো, কিন্তু মনে করা হয় খুব সম্ভবত ৬২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জরথুস্ত্র জন্মগ্রহণ করেছিলেন, এবং একজন প্রতিদ্বন্দ্বী পুরোহিত তাকে ৫৫১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে হত্যা করেছিলেন।

    জরথুস্ত্র যে তার মতোই একজন পুরোহিতের হাতে খুন হয়েছিলেন এই তথ্যটি ধর্মের অন্যতম শক্তিশালী একটি বৈশিষ্ট্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় : এর সহিংস মতানৈক্য সৃষ্টি করার ক্ষমতা। এর কারণ ধর্মের চূড়ান্ত উৎসটি এমন একটি জায়গায়, যা আমরা জরিপ করতে পারি না, বিতর্ক নিরসনে ঠিক যেভাবে কোনো দূরবর্তী দ্বীপ হয়তো আমরা জরিপ করতে পারি। ধর্মের উৎস পৃথিবীর বাইরে এবং এমন একটি বাস্তবতায় যা এই পৃথিবীর বাস্তবতা নয়। এর গোপন তথ্যগুলো আমাদের কাছে প্রকাশ করেন নবীরা, যারা দাবি করেন এর রহস্যময়তায় তারা প্রবেশ করতে পেরেছেন। সেই কণ্ঠস্বরগুলো যা তাদের বলেছে সেটি তারা ঘোষণা করেন এবং একটি নতুন ধর্মের জন্ম হয়। আর প্রতিটি নতুন ধর্মকে যেহেতু পুরনো ধর্মের ওপর একটি প্রতি-আক্রমণ হিসাবে দেখা হয়, তাই বিস্ময়কর নয়, পুরনো ধর্মের পুরোহিতরা সবসময়ই দলবেঁধে নতুন ধর্মের নবীদের উপর আক্রমণ করেছে। আর সে-কারণেই ধর্মীয় ইতিহাসে সেরা চরিত্রগুলো বলেছেন, নবীদের সবসময়ই কষ্টভোগ করতে হয়, এবং তাদের সেই স্বর্গীয় অন্তর্দৃষ্টি পাবার দণ্ড দিতে হয় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে। জরথুস্ত্র পুরনো ধর্মের একজন পুরোহিত ছিলেন, যিনি নতুন ধর্মের নবী হয়েছিলেন, সুতরাং তিনি-যে সমস্যায় পড়বেন সেটি নিশ্চিত ছিল।

    বোঝার জন্যে সবচেয়ে সহজ ধর্মীয় বিতর্কটি বহুঈশ্বরবাদ আর একেশ্বরবাদের মধ্যে, যারা বিশ্বাস করেন মহাবিশ্ব বহু দেবতায় পূর্ণ আর যারা বিশ্বাস করেন শুধুমাত্র একজনই ঈশ্বর আছেন, তাদের মধ্যে বিতর্ক। আব্রাহাম ছিলেন প্রথম একেশ্বরবাদী। এবং জরথুস্ত্র অবশ্যই তার পাশে দাঁড়াবার অধিকার রাখেন। কিন্তু যা কিছু তিনি দিব্যদৃষ্টিতে দেখেছিলেন আর শুনেছিলেন, সেটি আব্রাহামের কাছে যা উন্মোচিত হয়েছিল, তারচেয়ে অনেক বেশি জটিল ছিল। এর কারণ, বহু ধর্মীয় স্বপ্নদ্রষ্টার মতো জরথুস্ত্র একটি বিশেষ সমস্যা নিয়ে ধ্যানমগ্ন ছিলেন।

    একেশ্বরবাদ হয়তো বহু লক্ষ পরস্পর প্রতিদ্বন্দ্বী দেবতাদের বিশৃঙ্খলাটি পরিষ্কার করেছিল, কিন্তু এটি এর নিজস্ব কিছু সমস্যা নিয়েও এসেছিল। যেমন, আমরা দেখছি, ইজরায়েলের সমস্যাটি ছিল তাদের নিরন্তর দুর্দশা এবং কষ্ট, পুরো ইতিহাস জুড়েই যার অভিজ্ঞতা তাদের হয়েছিল। কিন্তু ঈশ্বরের জাতি হিসাবে নির্বাচিত হওয়া বিষয়টি কেন তাদের বিরতিহীন দুঃখের কারণ হয়েছিল? তবে জরথুস্ত্রের জন্যে সমস্যাটি ছিল আরো গভীর আর বিশ্বজনীন। যন্ত্রণায় ক্লিষ্ট মানুষ তাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, ভালো মানুষের সাথে কেন এই খারাপ জিনিসগুলো ঘটে। জরথুস্ত্র আরো গভীরে প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন, এবং খুঁজে বের করতে চেয়েছিলেন, কীভাবে ভালো আর খারাপ এই পৃথিবীতে প্রথমে প্রবেশ করেছিল। মানুষের জন্যে জীবনটা বেঁচে থাকার জন্যে যুদ্ধ, আর সেই যুদ্ধটি শুধুমাত্র প্রকৃতির সাথেই না, স্বজাতির বিরুদ্ধেও তাদের যুদ্ধ করে বাঁচতে হয়, যাদের অনেকেই খুবই নিষ্ঠুর আর অন্যদের ওপর তাদের আরোপিত দুঃখগুলোর প্রতি যারা উদাসীন। আর এই অশুভ জিনিসটি আসছে কোথা থেকে? আর যারা এটি সহ্য করছেন, তারা কি কোনোদিনও এর জন্য ক্ষতিপূরণ পাবেন, আর যারা এই কাজগুলোর জন্যে দায়ী তারা কি কখনো শাস্তি পাবেন?

    এই প্রশ্নগুলোই জরথুস্ত্রকে পারস্যের প্রাচীন বহুঈশ্বরবাদী ধর্মের পুরোহিত হিসাবে তার শান্তিপূর্ণ জীবন থেকে টেনে বের করে এনেছিল। অতীতের বহু আধ্যাত্মিক অনুসন্ধানকারীর মতো, অশুভের প্রকৃতি নিয়ে ধ্যান করে বেশকিছু বছর কাটাতে এটি তাকে প্ররোচিত করেছিল। তারপর একটি সমাধান তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন। ধারাবাহিক কিছু স্বর্গীয় অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে সত্যটি তার কাছে উন্মোচিত হয়েছিল: ভালো আর খারাপের এই যুদ্ধটি মানব-ইতিহাসের চেয়েও প্রাচীন। এটির সূচনা হয়েছে একেবারে ঈশ্বরের হৃদয়ে। আসলেই একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর আছেন, যাকে তিনি ডেকেছিলেন ‘আহুরা মাজদা’ (জ্ঞানী প্রভু বা সর্বজ্ঞানস্বামী) নামে, কিন্তু সেই একজন ঈশ্বরের জীবনেও তিনি জটিলতা আবিষ্কার করেছিলেন। একেবারে শুরুতে আহুরা মাজদা দুটি ভিন্ন যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন, এবং তিনি তাদের দুজনকেই তাদের নিজস্ব পথ বেছে নেবার অনুমতি দিয়েছিলেন। একজন ভালোত্বকে আর অন্যজন এর বিপরীত অশুভকে নির্বাচিত করেছিলেন। একজন সত্যকে, আর অন্যজন মিথ্যাকে বেছে নিয়েছিলেন। সুতরাং এই পৃথিবী, এখানে বাস করা প্রতিটি সত্তার অন্তর, ভালো আর খারাপের মধ্যে সেই সংগ্রামের রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল, যেখানে আহুরা মাজদার পুত্ররা পরস্পরের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, এবং তারা দুজনেই আমাদেরকে স্বপক্ষে টেনে এনে জয়ী হতে চেষ্টা করে। এবং আহুরা মাজদার পুত্রদের মতো আমাদেরও সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা কাকে সমর্থন করব।

    ভালো আর খারাপের এই দ্বন্দ্বটি ঈশ্বরের জীবনের কেন্দ্রে নিয়ে যাবার মাধ্যমে জরথুস্ত্র আসলেই যে-সমস্যাটির উত্তর খুঁজতে এতদিন সংগ্রাম করেছিলেন, সেটি সমাধান করতে পারেননি। পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যার জন্যে দরকার ছিল আহুরা মাজদার একটি বক্তব্য, যেখানে তিনি বলবেন, কী কারণে তিনি আদৌ অশুভ জিনিসটির সৃষ্টি করেছিলেন এবং তার সন্তানদের এর শিকার হবার সুযোগ করে দিয়ে এর দয়ার ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু জরথুস্ত্র যা করেছিলেন সেটি হচ্ছে, অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তিনি সেই পরিস্থিতিটির নাটকীয় একটি মাত্রা দিয়েছিলেন, যে-পরিস্থিতিতে আমরা প্রায়শই আমাদের নিজেদের আবিষ্কার করি। প্রতিভাবান ঔপন্যাসিকের মতে, তিনি মানুষের জীবনকে বর্ণনা করেছিলেন ধারাবাহিকভাবে ঘটমান যুদ্ধের একটি সমষ্টি হিসাবে। এবং আমাদের নৈতিক সংগ্রামটি এখানে যুদ্ধের মাত্রা পেয়েছিল। আমরা আমাদের আসক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করি, আমরা প্রলোভনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করি। এই ব্যাখ্যায় এমনকি আসলেই একটি অশুভ শক্তির ধারণাও সেখানে অর্থবহ হয়ে ওঠে। অনেক ধারণা আছে যা মানুষের মনকে ভাইরাসের মতো সংক্রমণ করতে পারে, এবং ভয়ানক সব কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারে যা অনুপ্রাণিত করতে পারে। বর্ণবাদ যেমন সবচেয়ে সুস্পষ্ট একটি উদহারণ, কিন্তু আরো অনেক উদাহরণই আছে।

    কিন্তু জরথুস্ত্র একজন নাট্যকারের চেয়ে অনেক বেশিকিছু ছিলেন, যিনি মানব অভিজ্ঞতার সামনে একটি আয়না তুলে ধরেছিলেন। ডানিয়েলের মতো তিনিও একজন ‘অ্যাপোক্যালিপটিক’ বা মহাপ্রলয়ের আগাম বার্তাবাহক ছিলেন, যিনি ইতিহাসের সীমানা ছাড়িয়ে সেই সময়টি দেখেছিলেন, যখন ঈশ্বর এই পৃথিবীর কাহিনিটির উপসংহার টানবেন। ভালো বইগুলোর একটি চূড়ান্ত অধ্যায় থাকা দরকার, যেখানে অমীমাংসিত বিষয়গুলো বোধগম্য করে তোলা হয় এবং একটি সন্তোষজনক পরিণতি অর্জন করা সম্ভব হয়। এই তাগাদা সব ধর্মেই প্রবল, যেগুলো ইতিহাসকে একটি চক্র নয় বরং ধনুক থেকে ছুটে চলা একটি তীর হিসাবে দেখেছে : একটি কাহিনি যার একটি শুরু আছে, একটি মধ্যমপর্ব আর একটি শেষ আছে, কোনো চাকা নয়, যা চিরন্তন আবর্তনশীল।

    জরথুস্ত্র বিশ্বাস করতেন, ভালো আর খারাপ চিরকালই চূড়ান্ত একটি যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়া থেকে এড়িয়ে থাকতে পারবে না। একটি শেষ বোঝাপড়া হবেই। আহুরা মাজদার এই ভালো আর খারাপ সৃষ্টি পরিকল্পিত হয়েছে নিজেদের নিয়তি নির্ধারণের ক্ষেত্রে আমাদের স্বাধীনতা আর সময় দেবার জন্যে, যেন আমরা সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে পারি। আর আমরা কী নির্বাচন করি সেটির প্রতি তিনি উদাসীন নন। যারা অশুভ আর খারাপ কোনোকিছুকে নির্বাচন করেন, সেই মানুষগুলোর ট্র্যাজেডি হচ্ছে তারা তাদের কাজের পরিণতি কী হতে পারে সেই বিষয়ে খুব বেশি দূরদৃষ্টির পরিচয় দেন না। প্রতিটি নির্বাচন আর সিদ্ধান্ত তাদের চরিত্রটি গড়তে সহায়তা করে এবং পরিশেষে নিজেদের তারা যে-ধরনের মানুষে পরিণত করেছেন তার ভিত্তিতেই তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। মৃত্যুর পর প্রতি আত্মাকে ‘চিনভাত’ সেতু (বা হিসাব-নিকাশের সেতু) পার হতে হবে সেই নিয়তিতে প্রবেশ করার জন্যে, যা এটি এর নিজের জন্যে তৈরি করেছে। এই সেতুটি ক্ষুরের ধারালো প্রান্তের মতো সংকীর্ণ। এর অপরপ্রান্তে আছে স্বর্গ, কিন্তু এর নিচে আছে নরক। যা ঘটে তা হচ্ছে, হয় আত্মা নিজেকে অশুভ বিষয় দিয়ে এতটাই ভারী করে ফেলবে যে, এর ওজন এটিকে নরকের দিকে টেনে নিয়ে যাবে, অথবা এতটাই হালকা থাকে শুভশক্তিতে, যা এটি খুব অনায়াসেই সেই সেতু পেরিয়ে স্বর্গে প্রবেশ করে।

    এমনকি এটাও জরথুস্ত্রের সেই শেষ-সংক্রান্ত অন্তদৃষ্টিতে সবচেয়ে নাটকীয় উপাদান ছিল না। অশুভ কোনোকিছুর অস্তিত্বের সমস্যাটিকে সমাধান করতে হবে, সেই অশুভ শক্তি, যা সেতু-অতিক্রমরত কোনো আত্মাকে নরকে টেনে নিয়ে যায়। জরথুস্ত্রের সমাধান এসেছিল সেখানে, যাকে তিনি বলেছেন সৃষ্টির শেষ পর্যায়। যখন আহুরা মাজদা অবশেষে দুষ্ট যমজটিকে ধ্বংস করবেন, অশুভের যে মূল উৎস। পৃথিবী পুর্নবায়িত হবে এবং কল্যাণময়তা আর ন্যায়বিচার অবশেষে রাজত্ব করবে। এবং একজন ত্রাণকর্তা, একজন ‘সাওশয়ন্ত’ অথবা যিনি তাদের জন্যে উপকার নিয়ে আসবেন, আবির্ভূত হবেন। তার মাধ্যমে অশুভ পরিশেষে পরাজিত হবে এবং এর পরেই পৃথিবীর পুনর্নবায়ন ঘটবে।

    জীবন্ত এবং ভীতিকর হওয়া ছাড়াও জরথুস্ত্রের শিক্ষা খুবই প্রভাবশালী ছিল। এবং পৃথিবীর ধর্মগুলোয় এটি বেশকিছু নতুন ধারণা যুক্ত করেছিল। এখানেই আমরা একক ব্যক্তির পুনর্জন্মের ধারণা পাই, যা হতে পারে স্বর্গের পরমানন্দে অথবা নরকের অনন্ত নির্যাতনে। এবং এখানেই আমরা প্রথম খুঁজে পাই সেই শেষ মহাযুদ্ধের ধারণাটিকে, সময়ের শেষে যে-যুদ্ধে অশুভ শক্তিকে ধ্বংস করে ন্যায়বিচার আর নৈতিকতার একটি পৃথিবী পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে ঈশ্বর একজন ত্রাণকর্তাকে পাঠাবেন। আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি কীভাবে ডানিয়েল এইসব একই ধরনের কিছু ধারণা দুর্দশায় আক্রান্ত ইসরায়েলকে সান্ত্বনা দেবার প্রচেষ্টায় ব্যবহার করেছিলেন। যে-ধারণাগুলো হয়তো ইহুদিরা আত্তীকৃত করেছিলেন পারস্যে তাদের নির্বাসনের সময়। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় ধর্মগুলো পরস্পর থেকে চূড়ান্তভাবে বিচ্ছিন্ন ছিল না এবং যথেষ্ট পরিমাণ পারস্পরিক নিষিক্তকরণ সেখানে ঘটেছিল।

    জরথুস্ত্র বিরোধিতার মুখে পড়েছিলেন কিন্তু একই সাথে তিনি সমর্থন এবং সফলতাও অর্জন করেছিলেন। তার শিক্ষাগুলো একত্র করে একটি পবিত্র ধর্মশাস্ত্র সংকলিত করা হয়েছিল, সেটির নাম ‘আবেস্তা’। এবং সেই প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ভিন্নমতটি মূলধারার বিশ্বাসে রূপান্তরিত হবার প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছিল। জরথুস্ত্রের অনুসারীরা সবসময়ই যে- কোনো ধরনের ছবি অবিশ্বাস করে এসেছেন, কিন্তু তাদের প্রভু সর্বজ্ঞানস্বামী বা আহুরা মাজদার জন্যে তাদের নিজস্ব প্রতীক আছে–আগুন। তাদের মন্দিরে তারা এই পবিত্র আগুন সবসময় জ্বালিয়ে রাখেন, আর সে-কারণে ভ্রান্তভাবে তাদের অগ্নি-উপাসক হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। আগুন অবশ্যই তাদের কাছে পবিত্র, কিন্তু শুধুমাত্র সর্বজ্ঞানস্বামী মাজদার একটি প্রতীক হিসাবে।

    যখন তারা বেঁচে আছেন, এর অনুসারীদের ভালো চিন্তা, ভালো শব্দ উচ্চারণ এবং ভালো কর্ম করার উপদেশ দেওয়া হয়, যেন ‘চিনভাত’ সেতুর উপর দিয়ে দ্রুত তাদের আত্মা অতিক্রম করতে পারে, যখন তারা মারা যাবেন এবং তাদের শবদেহ টাওয়ার অব সাইলেন্সের (ডাখমা বা চিলঘর) ছাদের উপর ছড়িয়ে রাখা হবে আকাশের পাখিদের জন্যে একটি উপহার হিসাবে। এখনো এই টাওয়ার অব সাইলেন্সগুলো ইরানে পাহাড়ের উপর দেখা যায়, যা অতীতের স্মারকচিহ্ন হয়ে আছে সেই দেশে, যে-দেশে এটাই একসময় প্রধান ধর্ম ছিল। কিন্তু জরথুস্ত্রের মতবাদ একই নিয়মের শিকার হয়েছিল, যে-নিয়মে এটি একদিন পূর্বতন অন্য একটি ধর্মবিশ্বাসকে প্রতিস্থাপিত করেছিল। এবং সময়ের সাথে এর সমাপ্তিও নিকটবর্তী হয়ে উঠেছিল। বহু শতাব্দী ধরে এটি এর জন্মস্থান ইরানে টিকে ছিল, কিন্তু ১৩০০ বছর আগে এটিকে প্রতিস্থাপিত করে আরো দৃঢ়প্রত্যয়ী একটি নতুন ধর্ম, ইসলাম। এই সময় জরথুস্ত্রীয়রা ভারত-অভিমুখে একটি দীর্ঘ অভিপ্রয়াণ শুরু করেছিলেন, যেখানে পবিত্র আগুন জ্বালানো, টাওয়ার অব সাইলেন্স (ডাখমা) নির্মাণ এবং ভালো চিন্তা, শব্দ আর কর্ম সম্পাদন করার স্বাধীনতা আবার ফিরে পেয়েছিলেন। এবং সেখানে, যদিও সংখ্যায় কম, তারা এখনো বসবাস করছেন।

    নতুন একটি অধ্যায় শুরু করার আগে, এতক্ষণ আমরা যা কিছু শিখলাম সেখান থেকে কিছু উপসংহারে পৌঁছানোর আগে, আমি পেছনের দিকে একটু দৃষ্টি ফেরাতে চাই, সেই সময়ের দিকে, যার বিবরণ আমি এতক্ষণ দিয়েছি। হাতি আর অন্ধ মানুষদের নিয়ে সেই জৈনদের নীতিগর্ভ রূপক কাহিনিটি এই আলোচনা শুরু করার একটি আদর্শ জায়গা হবে। এর বার্তাটি ছিল, সীমাবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে চূড়ান্ত বাস্তবতা সম্বন্ধে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান অর্জন করতে মানুষ অক্ষম, সুতরাং তারা যেসব ধর্মীয় দাবিগুলো করে থাকেন সেই বিষয়ে তাদের আরো বি আর সহিষ্ণু হওয়া উচিত।

    এই সতর্কবাণী সত্ত্বেও, ধর্মের নবী ও সাধু ব্যক্তিরা তাদের বিশ্বাস নিয়ে কদাচিৎ সন্দেহ পোষণ করে থাকেন, কারণ মানুষ আর চূড়ান্ত সেই বাস্তবতার মাঝখানে ঝুলে থাকা সেই পর্দার নেপথ্যে কী আছে, তারা সেটি দেখেছেন এবং ‘শুনেছেন বলে তারা দাবি করে থাকেন। আমি সতর্কসূচক কমা দিয়ে ‘দেখেছেন’ আর ‘শুনেছেন’ ক্রিয়াপদগুলো চিহ্নিত করেছি স্মরণ করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যে, আমাদের নিজেদেরই সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কীভাবে সেই অভিজ্ঞতাগুলো নিয়ে তাদের প্রস্তাবিত দাবির প্রতি আমরা প্রতিক্রিয়া দেখাব। কারণ তারা সবাই ভিন্ন ভিন্ন জিনিস দেখেছিলেন অথবা একই জিনিস ভিন্নভাবে দেখেছিলেন!

    হিন্দু ঋষিরা কার্মার সেই চক্রের ঘূর্ণন এবং পুনর্জন্ম আর সময়ের অনন্ত আবর্তন দেখেছিলেন। এবং এই ধারণাগুলোই ভারতীয় এই ধর্মটির কেন্দ্রীয় মতবাদে রূপান্তরিত হয়েছিল।

    ইহুদি নবীরা শুধুমাত্র একজন সত্যিকারের ঈশ্বরকে দেখেছিলেন, যিনি যখন সময় হবে, তার মেসাইয়াকে প্রেরণ করবেন এই পুরো ইতিহাসটির সমাপ্তি করতে, যে-আশা আজো বহু বিশ্বাসী ইহুদিকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

    জরথুস্ত্র সময়ের শেষে ভালো আর খারাপের মধ্যে একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ দেখেছিলেন, যে যুদ্ধ ভালোর জয় হবে।

    যদিও প্রত্যেকেই এটি ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন, এইসব ধর্মের প্রতিষ্ঠাতারা বর্তমানের এই সময়ে কী ঘটছে তার চেয়ে বরং ইতিহাসের অন্যপ্রান্তে যা কিছু ঘটতে তারা দেখেছিলেন সেই বিষয়ে খুব বেশি আগ্রহী ছিলেন।

    কিন্তু আমাদের পরের যাত্রাবিরতিতে যখন আমরা চীনের দিকে তাকাব, আমরা আবিষ্কার করব যে, এই দেশটির সাধুরা মৃত্যুপরবর্তী জীবনের চেয়ে বরং কীভাবে এই জীবনটি আরো ভালো জীবন কাটানো যায়, সেটি নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহী ছিলেন। সুতরাং এবারে আসুন পূর্বদিকে যাওয়া যাক, পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন আর দীর্ঘতম বাণিজ্যপথ, দ্য সিল্ক রোড ধরে, আরো বেশিকিছু জানতে। এটি আমাদের নিয়ে যাবে সুদূর চীন অবধি, এবং জীবন সম্বন্ধে কনফুসিয়ানিজম নামে একটি কৌতূহলোদ্দীপক দৃষ্টিভঙ্গির কাছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }