Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. পার্থিব ধর্ম

    অধ্যায় ১৪. পার্থিব ধর্ম

    ভারতের উত্তর সীমানা ধরে অগ্রসর হয়ে চীনের মধ্যে প্রবেশ করেছিল রেশম পথ, ‘দ্য সিল্ক রোড’ আর কমন এরা শুরু হবার প্রায় ২০৬ বছর আগে এটি তার জীবন শুরু করেছিল, যখন একজন চীনা সম্রাট তার দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি দ্রব্য রেশম ভারতীয়দের কাছে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে কিছু ব্যবসায়ীকে পশ্চিমে পাঠিয়েছিলেন। এবং একটি সময় এই সিল্ক রোড প্রায় চার হাজার মাইল দূরে ইউরোপের সীমানায় ভূমধ্যসাগরের উপকূল অবধি সম্প্রসারিত হয়েছিল। ঘোড়সওয়ারদের ক্যারাভানগুলো এই পথে যাতায়াত করত, পূর্ব থেকে পশ্চিমে নিয়ে যেত রেশম আর অন্য দ্রব্য, কাপড় আর উল নিয়ে সেগুলো পূর্বে ফিরে আসত। কিন্তু এই বিখ্যাত পথ ধরে শুধুমাত্র রেশম আর অন্যান্য পণ্যসামগ্রী বহন করেই পশ্চিমে নিয়ে যাওয়া হয়নি। ধারণাও হস্তান্তর হয়েছিল, ধর্মও আমদানি হয়েছিল। বৌদ্ধবাদকে ভারত থেকে চীনে নিয়ে এসেছিলেন ব্যবসায়ীরা, যা পরে তিনটি প্রধান চীনাধর্মের একটি হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।

    কিন্তু ধর্ম নিয়ে চীনের অধিবাসীদের নিজস্ব কিছু ভাবনাও ছিল, আর সেটি বর্ণনা করার সবচেয়ে প্রায়োগিক আর ব্যবহারিক শব্দ হচ্ছে ‘প্রাথম্যাটিক’, আরেকটি গ্রিকশব্দ যার সুস্পষ্ট একটি অর্থ আছে। এটি এসেছে সেই শব্দ থেকে, যার অর্থ হচ্ছে কোনো কর্ম বা কাজ, এখান থেকে ইংরেজি ‘প্র্যাকটিকাল’ শব্দটি এসেছে। এর অর্থ প্রায়োগিক আচরণ, তত্ত্ব নয়, এর বিপরীত এটি অনুশীলন, সেই কাজটি করা, সঠিক বিশ্বাস করার চেয়ে এখানে গুরুত্বপূর্ণ সঠিক কাজ করা।

    এমনকি চীনের আদি বহুঈশ্বরবাদও ছিল ব্যবহারিক এবং বাস্তবতাপূর্ণ একটি জীবনাচরণের সূত্র। প্রকৃতির শক্তিগুলো কিংবা আবহাওয়ার খামখেয়ালিগুলো চীনে দেবতাদের প্রতিনিধিত্ব করত। এবং তাদের আচার-অনুষ্ঠানে চীনারা তাদের দেবতাদের কাছে প্রার্থনা করতেন, অনুকূল পরিস্থিতি দিয়ে যেন তারা আশীর্বাদ করেন, এবং যা-কিছু তাদের ক্ষতি করতে পারে সেগুলো যেন তারা জীবন থেকে নির্মূল করেন। তাদের সবচেয়ে বড় দেবতা, স্বর্গের দেবতাদের যিনি দেবতা, বৃষ্টি পাঠাতেন, যা শস্যক্ষেতে পানি সরবরাহ করে এবং যা তাদের জীবনধারণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক। কিন্তু যখন বৃষ্টি হতো, তখন বন্যাও হয়। বন্যার জন্যে যে দেবতা দায়ী, তিনি ছিলেন ‘গং গং’। আর যেখানে মাঝে মাঝে বন্যা হয় সেখানে অনাবৃষ্টিও হয়। বা ছিলেন এই অনাবৃষ্টির দেবতা। আর মানুষের কাছে খাদ্যের চেয়ে আর কী এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যা তাদের বাঁচতে সহায়তা করত? মিলেট বা জওয়ারের দেবতা ‘হু জি’, যা ক্ষেতের শস্যবহনকারী ঘাসের গুরুত্ব ইঙ্গিত করত তাদের জীবনে।

    এইসব শক্তিগুলোকে একটি ভারসাম্যে ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এটি করাই বুদ্ধিমানের মতো ব্যবহারিক একটি কাজ। ধর্ম কোনো একটি মতবাদের ওপর বিশ্বাস করার বিষয় ছিল না বরং কিছু করার সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল। এইসব শক্তিগুলোকে ব্যবস্থাপনা করার জন্যে এটি যথেষ্ট বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন একটি উপায় ছিল, যেন সেই শক্তিগুলো মানবসমাজের জন্য ভালো কিছু দিতে পারে।

    প্রাকৃতিক শক্তিগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী এই দেবতাদের ব্যবস্থাপনা করা ছাড়াও, চীনারা একগুচ্ছ দুষ্ট আত্মার অস্তিত্বে বিশ্বাস করতেন, যাদের তারা এড়িয়ে থাকার চেষ্টা করতেন : ড্রাগন, দৈত্য, পরী, ভ্যাম্পায়ার, নোম, গবলিন ইত্যাদি। আর এইসব দুষ্ট আত্মাগুলোকে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেবার জন্যে তারা মূলত আতশবাজি আবিষ্কার করেছিলেন, আজও চীনদেশের মানুষরা চোখ-ধাঁধানো আতশবাজি পোড়ানোর প্রদর্শনী দেখতে ভালোবাসেন।

    এইসব অতিপ্রাকৃত শক্তিদের মোকাবেলা করার জন্যে চীনাদের হয়তো তাদের নিজস্ব ব্যবহারিক উপায় ছিল, কিন্তু সেই বহুঈশ্বরবাদে খুব অল্পকিছুই মৌলিক ছিল। তাদের ঈশ্বরগুলো মানবজাতির গভীর ইতিহাসের সাধারণ কল্পনারই অংশ ছিল, সেই মনগুলো যাদের একসময় কল্পনা করেছিল যে, মন অদ্ভুত বিস্ময়ে এই মহাবিশ্বের দিকে তাকিয়েছিল, যেখানে তারা নিজেদের আবিষ্কার করেছিল। কমন এরা শুরু হবার পরে, পঞ্চম আর ষষ্ঠ শতাব্দীতে এসে আমরা জীবনের প্রতি চীনাদের এই ব্যবহারিক দৃষ্টিভঙ্গিটিকে একটি নতুন স্পষ্টতা আর দিকনির্দেশনা অর্জন করতে দেখি। যে-সময়ে বৌদ্ধ আর জৈনরা ভারতীয় ধর্মের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করছিলেন এবং ব্যাবিলনে ইহুদি নির্বাসিতরা তাদের ঈশ্বরের প্রকৃতি নিয়ে আবার নতুন করে ভাবতে শুরু করেছিলেন, তখন চীনের চিন্তাবিদদের মধ্যে আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি মেজাজ লক্ষ করতে পারি। বর্তমানের এই পৃথিবীর সমস্যা সমাধানে চীনের প্রাজ্ঞ এই ঋষিরা তাদের সৃজনশীল মন ব্যবহার করেছিলেন। যে জীবনটি আসছে সেই মৃত্যুপরবর্তী জীবন নিয়ে তারা ভাবেননি। এইসব চিন্তাবিদদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিটিকে আমরা এখন কনফুসিয়াস নামে চিনি।

    কনফুসিয়াস নামটি হচ্ছে কং ফুজি বা মাস্টার বা দার্শনিক কং নামটির নতুন একটি সংস্করণ। এই কং ফুজি নামটি দেওয়া হয়েছিলে কং কিউ নামের একজন চিন্তাশীল কর্মকর্তাকে, যিনি সেই সময়ে চীনকে বহুবিভক্ত করা রাজ্যগুলোর কোনো একটি রাজ্যে সরকারি চাকরি করতেন। তার জীবন সম্বন্ধে খুব সামান্য কিছু আমাদের জানা আছে। কিন্তু তার লেখায় আমরা একজন প্রাজ্ঞ আর উদারমনা ব্যক্তির সাক্ষাৎ পাই, মৃত্যুর বহুদিন পরেও যিনি তার সর্বোচ্চ প্রভাব বজায় রেখেছেন। তার জন্ম হয়েছিল চীনের খুব বিশৃঙ্খল একটি সময়ে, কমন এরা শুরু হবার ৫৫১ বছর আগে। যখন প্রতিদ্বন্দ্বী রাজ্যগুলোর রাজারা পরস্পরের সাথে বিরতিহীন যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর চিন্তাবিদ আর রাজনীতিবিদরা যেমন এই সময়ে মানবতাকে সমস্যায় রাখা প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার সংগ্রাম করেন, তাদের সময়ে প্রাজ্ঞ ব্যক্তিরাও চীনের সমস্যা থেকে উত্তরণে বেশকিছু উপদেশ দিয়েছিলেন। আর যে-সমাধানগুলো তারা প্রস্তাব করেছিলেন সেগুলো আমাদের সময়ের রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে আমরা যা শুনি তার থেকে খুব-একটা ভিন্ন। কিছু নয়। সহিংসতার জবার দাও সহিংসতা দিয়ে, আগুনের উত্তর আগুন। শত্রুরা আমাদের যতটা তীব্রভাবে আঘাত করে, তার চেয়ে আরো তীব্রভাবে তাদের প্রতি আক্রমণ করো। আরো বড় বন্দুক আর প্রাণঘাতী বোমা বানাও। এবং কঠোর সাহসী নেতাদের খুঁজে বের করো, যারা খারাপ লোকগুলোকে শায়েস্তা করতে পারেন। পুরো ইতিহাস জুড়েই, রাজনৈতিক কৌশলগুলো সাধারণত পড়তে সাম্প্রতিক সময়ের হলিউড ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যের মতোই মনে হবে।

    কনফুসিয়াসের ভাবনা ছিল ভিন্ন। তিনি যুদ্ধবাজ রাজাদের বলেছিলেন, শুধুমাত্র জনগণের কল্যাণ করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। আর সেটি অর্জন করতে হলে তাদের সেই ধরনের মন্ত্রীদের নির্বাচন করতে হবে, যারা নৈতিকতায় শিক্ষিত এবং সহিংসতা পর্যন্ত যাওয়ার আগেই দ্বন্দ্ব নিরসনে দক্ষ। নেতারা তার কথা শুনেছিলেন এবং কনফুসিয়াসের প্রজ্ঞাকে সম্মান করেছিলেন, তার ভাবনাগুলোকে নীরবে সমর্থন করে। কিন্তু কেউই তার ধারণাগুলো বাস্তবে প্রয়োগ করতে প্রস্তুত ছিলেন না। কনফুসিয়াসের যেমন প্রজ্ঞা ছিল, তেমনি ছিল ধৈর্য। তিনি তার বাকি জীবনটি তার অনুসারীদের কাছে ধারণাগুলো ব্যাখ্যা করে ব্যয় করেছিলেন, এবং তিনি আশা করেছিলেন, একজন প্রকৃতভাবে শিক্ষিত শাসক এই সবকিছুই একদিন ব্যবহারিক স্তরে প্রয়োগ করবেন। তিনি ৪৭৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মারা যান। কিন্তু তার অনুসারীরা তার শিক্ষাকে বই হিসাবে সংকলিত করেছিলেন, সুতরাং তার ধারণাগুলো টিকে ছিল। আর সেই ধারণাগুলোর সময়ও একদিন এসেছিল। কমন এরা শুরু হবার ১০০ আগে একজন সম্রাটের আবির্ভাব হয়েছিল, যিনি এই ধারণাগুলো বাস্তবে প্রয়োগ করেছিলেন, এবং সেগুলোই চীনের প্রধান দর্শন ছিল, ১৯১২ সালে সাম্রাজ্যপ্রথার চূড়ান্ত বিলুপ্ত হবার আগ অবধি। এমনকি বর্তমানের চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে কনফুসিয়াসের মূলনীতিগুলোর শক্তিশালী একটি অবস্থান আছে।

    কনফুসিয়াসের মূল ধারণাটি ছিল কর্কশ ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদের বিরুদ্ধে অথবা একক স্বার্থপর মানুষগুলোর বিরুদ্ধে, যারা সমাজ ও এর বিধিনিষেধগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। কনফুসিয়াস শিখিয়েছিলেন, জন্মের মুহূর্ত থেকেই আমরা বহু সম্পর্কের জালে আটকে থাকি, আর আমরা এই সম্পর্কগুলো ছাড়া বেঁচে থাকতে অক্ষম। সমাজের জন্যে যা ভালো সেটি একক ব্যক্তির জন্যে ভালো। এমনকি কখনো এর অর্থ হচ্ছে, কোনো একক ব্যক্তির ব্যক্তিগত ইচ্ছাকে অস্বীকার করা। জীবন সম্বন্ধসূচক, সমাজ হচ্ছে একটি শরীর, আমরা প্রত্যেকেই এর সদস্য-অঙ্গ। একক কোনো অঙ্গ টিকে থাকতে পারে না, যদি শরীর থেকে সেটি পৃথক হয়ে যায়।

    এবং সহমর্মিতা হচ্ছে সেই আঠা, যা সবাইকে একসাথে যুক্ত করে রাখে। এই সহমর্মিতা মানে হচ্ছে ‘একত্রে দুঃখভোগ করা’। সহমর্মীরা অন্যদের অভিজ্ঞতার মধ্যে প্রবেশ করতে পারেন, তাদের নিজেদের অনুভূতি অনুসরণ এবং তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি দেখার চেষ্টা করে। কনফুসিয়াসের কাছ থেকেই। আমরা সেই অভিব্যক্তিটি, যা পরিচিত ‘গোল্ডেন রুল’ নামে, তার প্রাচীনতম প্রকাশটি পেয়েছিলাম। এটি ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক দুটি রূপেই আসতে পারে : অন্যদের সাথে ঠিক সেভাবেই আচরণ করুন, আপনি যেমন চান অন্যরা আপনার সাথে করুক; অথবা অন্যদের সাথে এমন কিছু করবেন না যা আপনি চাইবেন না কেউ আপনার সাথে করুক।

    অন্যদের প্রতি সহমর্মিতা আর সহানুভূতির সেই প্রাণশক্তির ধারণাটি বোঝাতে কনফুসিয়াস যে-শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন সেটি ছিল ‘রেন। চীনাদের প্রয়োগবাদী মূলনীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে তত্ত্ব হিসাবে রেনকে বোঝার চেষ্টা না করে বরং এটি কর্মে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। আপনি যদি অন্য কারো জীবন বাঁচাতে নিজের জীবন বিসর্জন দেন, আপনি তাহলে ‘রেন অনুশীলন করছেন। আপনি কোনো ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেট কিনতে দোকানে যাচ্ছেন, যা কেনার জন্যে আপনি বহু মাস ধরে সঞ্চয় করেছেন, এবং আপনি সেটি না-কিনে একজন শরণার্থী ব্যক্তিকে তা দান করে দিলেন, তখন আপনি ‘রেন’ অনুশীলন করছেন। ‘রেন’ হচ্ছে সবচেয়ে মহৎ আচরণ, যা কিনা কোনো মানুষের পক্ষে করা সম্ভব হতে পারে। এটি হচ্ছে নিজের আগে অন্যকে গুরুত্ব দেওয়া। এবং এই ‘রেন’ প্রাণশক্তিটি কনফুসিয়াস রাজনীতিবিদ আর নেতাদের মধ্যে খুঁজে পেতে চেয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন তারা যেন নিজেদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয় বরং জনগণের কল্যাণ কীভাবে হবে সেই বিষয়ের ওপর সর্বাগ্রে মনোযোগ দেন। এবং তিনি আশা করেছিলেন যে, সাধারণ নাগরিকরা সেই একই উদারতার প্রাণশক্তির উদাহরণ অনুসরণ করবেন, যখন তারা কোনো নেতাকে বিচার করবেন, যিনি খুব কঠিন সময়ে রাজ্য শাসন করার জন্যে সংগ্রাম করছেন।

    পারস্পরিক ভিন্নমত বা বিতর্ক আর সংঘর্ষ ব্যবস্থাপনায় কনফুসিয়াসের দৃষ্টিভঙ্গি শেখায় প্রতিপক্ষকে কীভাবে ধৈর্য আর সহমর্মিতার সাথে বিবেচনা করতে হয়। একারণে, প্রায়োগিক ক্ষেত্রে, এটি একটি সুনির্দিষ্ট শৈলীর শিষ্টাচারের সাথে সংশ্লিষ্ট। শিষ্টাচার আর ধৈর্য হচ্ছে এমন মনের পরিচয়, যা মানব সম্পর্কগুলোর জটিলতা এবং সেটি পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সতর্কতা বিষয়ে সচেতন। পাশ্চাত্যের ব্যস্ত মন অপেক্ষা আজও পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় শিষ্টাচার অনেক বেশি উপস্থিত ধৈর্যশীল কোনো প্রাচ্য মনে।

    কিন্তু কনফুসিয়াসের এই শিক্ষাগুলোকে কি একটি ধর্মের চেয়ে বরং একটি দর্শন হিসাবেই বোঝার জন্যে উত্তম ছিল না? এই দুটি শব্দের মধ্যে পার্থক্য সংজ্ঞায়িত করলে, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আমাদের সুবিধা হবে। ‘ফিলোসফি’, আরো একটি গ্রিক-শব্দ, এর মানে হচ্ছে জ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা, এর সব সম্ভাব্য রূপে। এবং যে-রূপটি নৈতিক দর্শন হিসাবে জানি, সেটি এই পৃথিবীতে বাস করার সেরা আর প্রাজ্ঞতম উপায় কী হতে পারে সেটি অধ্যয়ন করে। অন্যদিকে ধর্ম মূলত আগ্রহী এই পৃথিবীর ওপারে যে-জগৎ আছে সেই বিষয়ে, এবং আমাদের জন্যে এটি কেমন হবে, যখন আমাদের জীবন শেষ হয়ে যাবে।

    কিন্তু এই প্রশ্নগুলো কনফুসিয়াসের মতাদর্শের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটির মূলত ঘনীভূত মানবসমাজের কল্যাণ নিশ্চিত করে, কীভাবে আমরা এই পৃথিবীতে আমাদের জীবন ব্যবস্থাপনা করতে পারি, অনাগত জীবনের জন্যে পুণ্য সঞ্চয়। কিংবা শাস্তি এড়াতে, পাপ এড়িয়ে বাঁচার উপরে নয়। জীবনে ভালোভাবে বাঁচতে হবে শুধুমাত্র এই জীবনের খাতিরেই, মরার পরে আমাদের সাথে কী হতে পারে তার একটি ভূমিকা হিসাবে নয়।

    তবে কনফুসিয়াসের মতাদর্শটির একটি দিক আছে, যা এটিকে ধর্মীয় জগতের বলয়ে নিয়ে এসেছিল : মৃত্যুর প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গি এবং পূর্বপুরুষদের প্রতি এটির গভীর শ্রদ্ধাপ্রদর্শনের আচার। কিন্তু এই দিকটিকেও সেই দর্শনের সম্প্রসারিত একটি রূপ হিসাবে বোঝা সম্ভব হতে পারে, যে-দর্শনটি সমাজের পরস্পর সংযুক্ত সদস্য হিসাবে মানুষকে বিবেচনা করে। এমনি মৃত্যুও আমাদের সেই সম্পর্ককে ছিন্ন করতে পারে না। সেকারণে কনফুসীয় সমাজে মৃতদের জন্যে বেশ তীব্রভাবেই শোক অনুভব করা হয় এবং তাদের স্মৃতি নিরন্তরভাবে লালন করা হয়। একটি মৃত্যুর পর শোকপর্বটি এর স্থায়িত্বে ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু মৃতের সন্তানের জন্যে এটি দুই বছরেরও বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে, যে-সময়ে তারা কোনো কাজ করেন না, যৌনমিলন করেন না, সাধারণতম খাওয়া ছাড়া আর কোনোকিছু খাওয়া, ভালো কোনো কাপড় পরেন না বা সাধারণভাবে জীবনকে উপভোগ করেন না।

    কিন্তু কনফুসিয়াস মনে করতেন, পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা আর তাদের। মৃত্যুপরবর্তী শোক প্রকাশ করা ছাড়াও আরো অনেক কিছু করার আছে। মৃতের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায়নি। ঠিক তেমন আমরা তাদের সাথে কোনো সংযোগও হারায়নি। তারা হয়তো জীবনের এই দৃশ্য ত্যাগ করেছেন এবং জীবনের অন্যপ্রান্তে কোথাও চলে গেছেন কিন্তু আমাদের জীবনে তাদের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি তারা ধরে রাখেন। চোখের আড়ালে তারা আছেন, এর মানে এই না যে, তারা আমাদের মনের আড়ালেও আছেন। আর সে-কারণে একটি জনপ্রিয় কনফুসীয় বসন্তকালীন ছুটি হচ্ছে ‘ক্লিয়ার অ্যান্ড ব্রাইট ফেস্টিভাল’, যখন পরিবারের জীবিত সদস্যরা তাদের পূর্বসূরিদের সমাধিতে যান তাদের সাথে সংযোগ করতে, পরস্পরের সান্নিধ্য আবার উপভোগ করতে। শিষ্টাচার আর সবার জন্যে শ্রদ্ধা, এমনকি যদি তারা মৃতও হয়ে থাকেন, ছিল কনফুসিয়াসের মতাদর্শটির একটি স্বাতন্ত্র বিধায়ক বৈশিষ্ট্য (কিংমিঙ্গ অথবা চিং মিং ফেস্টিভাল, এছাড়াও এটি পরিচিত ইংরেজিতে টম্ব-সুইপিং ডে বা কবর পরিষ্কার করার দিন, কখনো চাইনিজ মেমোরিয়াল ডে অথবা অ্যানসেস্টর ডে)।

    কিন্তু চীনে কখনো এই মতাদর্শটি শুধুমাত্র এককভাবে এর পূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারেনি। এটি জীবনের প্রতি পারস্পরিক প্রতিস্থাপনযোগ্য তিনটি দৃষ্টিভঙ্গির একটি ছিল। অপর দুটি ছিল, তাওইজম এবং বুদ্ধধর্ম। পরের অধ্যায়ে আমরা তাওবাদ নিয়ে আলোচনা করব এবং বৌদ্ধধর্মের দিকে আবার একবার আমরা নজর দেব জানতে, কী হয়েছিল এই ধর্মটির সাথে, যখন প্রথম শতাব্দীতে এটি অবশেষে চীনে পৌঁছেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }