Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫. সবচেয়ে ভালো উপায়

    অধ্যায় ১৫. সবচেয়ে ভালো উপায়

    কনফুসিয়াসের মতবাদ হয়তো বুঝতে সহজ মনে হতে পারে, কিন্তু এটি বেশ গুরুতর একটি বিষয় ছিল। খুব একটা আনন্দ করার কিছু সেখানে ছিল না। আরেকটি চীনা মতাদর্শ, তাওইজম বা তাওবাদের (ডাওইজম) ক্ষেত্রে এটি ঠিক এর উল্টো। তাওবাদ বুঝতে আপনাকে বেশ সংগ্রাম করতে হবে কিন্তু একবার যখন আপনি বুঝতে পারবেন, এটি বেশ উপভোগ্য মনে হবে। অন্য ধর্মের ঋষিদের মত, তাও’ মতাদর্শ যারা উদ্ভাবন করেছিলেন, তারা কিছু একটা খুঁজে পেয়েছিলেন, আর তারা সেটি কোথায় খুঁজে পেয়েছিলেন সেই বিষয়টি তাদের স্বতন্ত্র করেছিল। হিন্দু ঋষিরা দেখেছিলেন, পৃথিবী আর সেখানে আমাদের জীবন হচ্ছে একটি বিভ্রম বা মায়া, আর মুক্তি পেতে সেই মায়াটিকে আমাদের মন থেকে দূর করতে হবে। ইহুদি নবীরা দেখেছিলেন, ঈশ্বর এই পৃথিবীর সবকিছুরই ইতি টানবেন একদিন, এবং এর বাসিন্দাদের পৃথিবীতে তাদের অস্তিত্ব থাকাকালীন কৃতকর্মের জন্যে বিচার করবেন। কারণ এই দুটি ধর্মের জন্যে পৃথিবী এবং সেখানে মানুষের অবস্থানটি ছিল একটি সমস্যা, আর সেই সমস্যাটিকে সমাধান করতে হবে। এবং তারা এই পৃথিবীর বাইরে গিয়েছিলেন এর উত্তর খুঁজতে।

    তাওবাদীরা এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ছিলেন। তাদের প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তারা পৃথিবীর দিকে তাকিয়েছিলেন। আর তারা যা কিছু দেখেছিলেন সেটাই ভালোবেসেছিলেন। এই মহাবিশ্বের সংঘটন, সংহতি আর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা, যেভাবে এটি একত্রে সবকিছু ধারণ করে আছে, তাদের আলোড়িত করেছিল। অবশ্যই এর মানব-অংশটি ছাড়া! কারণ শুধুমাত্র মানুষই এই মহাবিশ্বের সাথে একীভূত বা সমকালীন হয়ে নেই, কারণ আত্মসচেতন মন মানুষকে প্রাকৃতিক সব ছন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। আর প্রকৃতির সাথে এই সংহতি এবং এর ছন্দের সাথে তাল মিলিয়ে জীবন কাটানোর প্রক্রিয়াটির পুনরুদ্ধার করার মধ্যেই আছে প্রকৃত শান্তি। কিন্তু বিষয়টি তারা যেভাবে প্রকাশ করেছিলেন, সেটি অনুসরণ করা অনেকের জন্যেই বেশি কঠিন প্রমাণিত হয়েছিল। মানুষকে মহাবিশ্বের তাও’ অনুসারে বাঁচার জন্যে তারা আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু এই ‘তাও কী, সেটি তারা ব্যাখ্যা করেননি। এটি আরো বেশি জটিল হয়ে উঠেছিল যখন তারা অন্যদের বলেছিলেন, তারা তাও’ শিখতে পারবেন না, যদি-না তারা ইতিমধ্যেই জানেন তাও’ আসলে কী। এবং বিষয়টি আরো কঠিন হয়ে ওঠে, যখন তারা বলেছিলেন, যারা জানেন তাও’ কী, তারা সেই বিষয়ে কোনোকিছু উচ্চারণ করেন না, এবং যারা এটি নিয়ে কথা বলেন তারা তাও’ কী সেটি আসলেই জানেন না। এটি পড়ে তাও’ আসলে কী, সেটি বুঝতে আপনি সম্ভবত গভীর চিন্তায় পড়ে গেছেন। যে-কোনো যৌক্তিক মানুষের মতো আপনি কোননা বিষয়ের ব্যাখ্যা চান। বিষয়টি সম্বন্ধে আপনি একটি স্বচ্ছ ধারণা পেতে চান। আপনার মন সেটাই দাবি করে। তবে তাওবাদীরা দয়ালু হাসি হেসে এবং কোনোকিছু না বলে শুধুমাত্র আপনার বিরক্তিটাই বাড়িয়ে দেবে!

    সুতরাং আপনার জীবনের সেই সময়গুলো স্মরণ করা এখানে মূল্যবান প্রমাণিত হতে পারে, যখন কোনো একটি কাজ কঠোর পরিশ্রমের সাথে করার কারণেই সেই কাজটি করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিন্তু যখনই সেটি করার চেষ্টায় হাল ছেড়ে দেবেন, এটি তখনই সম্ভব হয়ে ওঠে। একটি ভালো উদাহরণ হচ্ছে, সুইমিংপুলের সেই মুহূর্তটি, যখন প্রথমবারের মতো আপনি সাঁতার কাটতে শুরু করেছিলেন। অথবা কোনো গ্রীষ্মের বিকালে, যখন আপনি ভারসাম্য খুঁজে পেয়েছিলেন এবং বুঝতে পেরেছিলেন, আসলেই আপনি রাস্তা দিয়ে বাইসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছেন। এখানে ভারসাম্য হচ্ছে মুখ্য বিষয়। শুধুমাত্র তারাই, যাদের ইতোমধ্যেই এটি আছে, আসলেই জানেন এটি কী। আমরা হয়তো এটিকে বলতে পারি তাও অব সাইক্লিং’। তাওবাদ কামনা করে, যেভাবে আমরা বাঁচি আর সবকিছুর সাথে সম্পর্কিত থাকি, সেখানে যেন আমরা সেই ভারসাম্যটি খুঁজে পাই, আর এটি শুধুমাত্র অন্য মানুষের সাথেই না, পুরো মহাবিশ্বের সাথে।

    আর জীবনের প্রতি এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি প্রচারের নেপথ্যের ব্যক্তিটি ছিলেন কনফুসিয়াসের চেয়ে বয়সে খানিকটা বড় সমসাময়িক একজন, যার নাম লাওজি অথবা লাওৎ সে। কমন এরা শুরু হবার ৬০০ বছর আগের (খ্রিস্টপূর্বাব্দ) আশেপাশে কোনো একটি সময়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বলা হয়ে থাকে তিনি চীন সম্রাটদের কোনো একজনের লাইব্রেরিতে কাজ করতেন। জীবনের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গিটি কী, সেটি ব্যাখ্যা করতে যখন তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি ধর্ম আর দর্শনের ইতিহাসে অন্যতম সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত আর শ্রদ্ধেয় বইটি লিখেছিলেন, যার নাম লাওৎ সু (বুক অব দ্য ওয়ে’)।

    এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণাগুলো হচ্ছে ভারসাম্য’ আর ‘সম্পূরকতা। লাওৎ সে দেখেছিলেন প্রকৃতি, সবকিছুরই এর সম্পূরক একটি বিপরীত আছে। তিনি এইসব পরস্পরের বিপরীতদের নাম দিয়েছিলেন, ইয়াং’ এবং ‘ইন’। প্রতিটি ইনের সম্পূরক ইয়াং আছে এবং প্রতি ইয়াং-এর তেমন-এর পরিপূরক ইন আছে। এই পার্থক্যটিকে স্পষ্ট করতে, তাও মতাদর্শের অনুসারীরা একটি বৃত্ত এঁকে সেটিকে সমান দুটি অংশে দ্বিখণ্ডিত করেছিলেন একটি বক্ররেখা এর মধ্যে দিয়ে এঁকে। একটি সাদা, অপরটি কালো। এবং প্রতিটি স্বতন্ত্র অর্ধাংশ একটি বিন্দু ধারণ করে যা এর বিপরীত, কালো বিন্দু সাদা অর্ধাংশে এবং সাদা বিন্দু কালো অর্ধাংশে। এটি অন্যদের মাঝে আমাদের নিজেদের খুঁজে পেতে উপদেশ দেয়, কালোর মধ্যে সাদা আর সাদার মধ্যে কালো, পৌরুষে রমণীয়তা আর রমণীয়তায় পৌরুষ; শত্রুর মধ্যে বন্ধু আর বন্ধুর মধ্যে শক্র, আমার ধর্ম আপনার ধর্মের মধ্যে, আপনার ধর্ম আমার ধর্মের মধ্যে; এটি কনফুসিয়াসের ধারণাগুলোর সাথে খুব একটা ভিন্ন নয়, এটি যখন আমাদেরকে অন্যদের জায়গায় কল্পনা করতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু লাওৎ সে এখানে একটি আনন্দপূর্ণ নিজস্ব স্পর্শ রেখে গেছেন। তিনি চাননি যে আমরা শুধুমাত্র বৈচিত্র্য সহ্য করি, তিনি চেয়েছিলেন আমরা যেন এই বৈচিত্র্য উপভোগ করি। এই পৃথিবী হচ্ছে একটি বিশাল অর্কেস্ট্রা, যেখানে শত শত ভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্র সম্মিলিতভাবে সুন্দর সংগীত সৃষ্টি করছে। ভারসাম্য, সময় আর ঐক্যতান, এই সবকিছুই তাও-এর চিহ্ন।

    লাওৎ সে লক্ষ করেছিলেন, আরেকটি উপায়ে মানুষ তাদের ভারসাম্য হারায় সেটি হচ্ছে, যখন তারা অন্যদের নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন বোধ করে। নিজস্ব ছন্দে বাঁচতে না দিয়ে তারা সারাক্ষণই তাদের জীবনে হস্তক্ষেপ করে। আর এর সবচেয়ে চূড়ান্ত একটি উদাহরণ হচ্ছে সেই মানুষটি, যার কাছে তার নিজের উপায়টি হচ্ছে সবকিছু করার জন্যে একমাত্র শ্রেষ্ঠ উপায়; ডিশওয়াশারে বাসন। ঢোকানোর উপায় থেকে দেশ পরিচালনা অবধি। এই ধরনের মানুষগুলো সারাক্ষণই বিরক্তির মধ্যে থাকেন, কারণ বাস্তবতা সেই বিশেষ নিয়মের কাছে আত্মসমর্পণ করে না, যে-নিয়মটি তারা এর ওপর জোর করে আরোপ করতে চান। লাওৎ সে তাদের বলেছিলেন, উদ্বিগ্ন না হয়ে শরীর আর মন শিথিল আর দুশ্চিন্তামুক্ত করতে, এবং একটি গাছের জীবন থেকে কিছু শিখতে। গাছকে কারো বলতে হয় না, কীভাবে কোন কাজ করতে হবে। এটি এর প্রকৃতিকেই অনুসরণ করে। তাহলে মানুষরা কেন সেই একই কাজ করতে পারছে না। এত উৎকণ্ঠিত হওয়া থেকে কেন তারা নিজেদের থামাতে পারছে না, আর সবকিছুকে তাদের নিজস্ব গতিতে চলতে দিচ্ছে না? লাওৎ সে জীবনের প্রতি এই দৃষ্টিভঙ্গিটিকে বলেছিলেন ‘উ-ওয়ে’, ‘কিছু করা–কোনোকিছু না করে’, সবকিছুকে তাদের মতো থাকতে দিয়ে, সবকিছুকে তাদের নিজস্ব গতিতে ঘটতে দিয়ে। তিনি সব নিয়মকানুন অপছন্দ করতেন এবং যেভাবে অতিমাত্রায় নিয়ন্ত্রণকামী কোনো সংগঠক সবাইকে জীবন-চক্রে তাদের নিজস্ব বিন্দুতে নিয়ে আসেন, তাদের ভিন্নতাকে উদযাপন করার বদলে।

    জীবনের প্রতি এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করেন এমন কেউ হচ্ছেন একজন অ্যানার্কিস্ট (নৈরাজ্যবাদী), আরেকটি গ্রিকশব্দ যার অর্থ, যে সরকারের বিরুদ্ধে। তাওবাদীদের জন্য এটি চূড়ান্তভাবে সরকারের বিরোধিতা নয়, এটি মূলত সরকারের ভারসাম্য আর ক্ষমতার সমন্বয় দেখতে চায়। সমাজে আইনপ্রণেতাদের প্রাধান্যবিস্তারকারী ভূমিকার ব্যাপারে সতর্ক হওয়া, এবং তাদের সেই উপায়গুলোকে অপছন্দ করা, যার মাধ্যমে তারা সবাইকে একই ছাঁচে গড়ে তুলতে চান। অ্যানার্কিস্টের বিপরীত হচ্ছে ‘লিগালিস্ট’, এমন কেউ যিনি বিশ্বাস করেন, মানবপ্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করার একমাত্র উপায় হচ্ছে আইন। কোনোকিছু সমাজের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে? বেশ, সেটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক। সবসময় লিগালিস্টদের এটাই স্লোগান।

    কনফুসিয়াসের ব্যতিক্রম, সার্বিকভাবে সমাজের মঙ্গল কামনায় যিনি মানুষের প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলেন, লাওৎ সে সমাজের মধ্যে প্রতিটি মানুষকে যতটা সম্ভব ততটাই স্বাধীনতা দিতে চেয়েছিলেন। জীবনের প্রতি দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী দৃষ্টিভঙ্গি, আবারও ইন এবং ইয়াং, প্রত্যেকটিরই কিছু আছে এর সমর্থনে বলার জন্যে। কিন্তু যেহেতু তারা ইতিহাসের সেরা সংগঠক আর কদাচিৎ তারা বিশ্রাম নেন, লিগালিস্টরাই সাধারণত ধর্ম আর সমাজে প্রাধান্য বিস্তার করেন, এবং অন্যদের ওপর তাদের ইচ্ছাগুলো চাপিয়ে দিতে থাকেন। এবং যদি তাদের প্রয়োজন হয় সেটি করার জন্যে তারা এমনকি যুদ্ধ শুরু করতেও প্রস্তুত থাকেন। লাওৎ সে ঘুদ্ধ ঘৃণা করতেন, মানব সংহতি যা ধ্বংস করে। হয়তো যদি মানুষ তার কথা শুনত, তাহলে পৃথিবীতে যুদ্ধ কম হতো আর জীবন আরো উপভোগ্য হতো।

    সুস্পষ্টভাবে এর ধর্মীয় ধারণাগুলো গ্রহণ না করেও তাওবাদ থেকে আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন, কিন্তু আমাদের ভুল হবে যদি আমরা এর ধর্মীয় ধারণাগুলোর অস্তিত্ব উপেক্ষা করি। ৫২৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে লাওৎ সে’র মৃত্যুর পরেও তাওবাদের বিকাশ অব্যাহত ছিল। আর তাও শেখানো ছাড়াও তাওবাদে বহু দেবতারা ছিলেন। এর সবচেয়ে প্রধান দেবতারা, যাদের স্বর্গীয় গণ্যমান্য বলা হয়, বিশ্বাস করা হয় স্বতঃস্ফূর্তভাবেই তাদের সৃষ্টি হয়েছিল যখন পৃথিবী অস্তিত্বশীল হয়েছিল। এইসব প্রধান দেবতাদের রাজসভা বসে স্বর্গে, তাদের সাহায্য করার জন্যে আছে অপেক্ষাকৃত নিম্নমর্যাদার দেবতাদের দিয়ে তৈরি গৃহস্থালী কর্মচারীরা। মহাবিশ্বের সাথে আসা দেবতারা ছাড়াও, মানুষও দেবতা বা ‘অমর’ হতে পারে। অমরত্বের এই মর্যাদা পেতে হলে প্রথমে তাদের ভেতর থেকে সব ত্রুটি বের করে দিতে হবে ধ্যান আর কামনা প্রশমনের নিয়মমাফিক অনুশীলন করে, পুনর্জন্মের চক্র থেকে মুক্তি পাওয়া বুদ্ধের কঠোর অনুশীলনের মতো। পার্থক্যটি হচ্ছে তাওবাদীরা মহাবিশ্বে বিশ্বাস করেন, তাদের জন্যে আত্মার বিজয় মানে নির্বাণের মহাসাগরের উপর এক ফোঁটা বৃষ্টির মতো অদৃশ্য হয়ে যাওয়া নয়, বরং দেবতা হিসাবে ব্যক্তিগত অমরত্ব লাভ করা। আরেকটি বৈশিষ্ট্য যা তাওবাদকে অন্যসব ধর্ম থেকে পৃথক করেছে সেটি হচ্ছে এটি নারীদের অবস্থান দিয়েছে। দেবীসহ, তাওবাদের নারী যাজক এবং বিদ্বান ছিলেন, যারা এর বিবর্তনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। এর প্রস্তাবিত দর্শনের প্রতি সততা প্রদর্শন করে তাওবাদ টিকে আছে ‘ইন’-এর রমণীয় এবং ইয়াং’-এর পৌরুষের মূলনীতির দ্বারা।

    কনফুসিয়াসের মতাদর্শ আর তাওবাদ দুটোই চীনের স্থানীয়, কিন্তু তৃতীয় ধর্মটি, বৌদ্ধধর্ম, এটি ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছিল। বুনো অশ্বখগাছের নিচে বুদ্ধের বোধিলাভের সেই মুহূর্ত থেকে তার শিক্ষা প্রচারিত হতে শুরু করেছিল তর বিস্তার লাভ করেছিল ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন, কোরিয়া, জাপান ও আরো অনেক দেশে। যখন এর পরিধিতে এটি বিস্তৃত হয়েছিল, একই সাথে এটি বিভিন্ন ধারায় বিভক্ত হতেও শুরু করেছিল বুদ্ধের বাণীর প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যাখ্যাগুলোর সূত্র অনুসরণ করে। থেরাভাদা বৌদ্ধবাদ-এর মূল আন্দোলনের কঠোরতার প্রতি আনুগত্য ধরে রেখেছে এখনো। এই ধারায়, মোক্ষলাভের সবচেয়ে দ্রুততম পথ হচ্ছে সন্ন্যাসী হওয়া। এটি পরিচিত হীনযান বৌদ্ধবাদ নামে। এটি আশীর্বাদপুষ্ট ব্যক্তিদের বোধিসত্ত্ব লাভের লক্ষ্যে ছোটা রেসিং গাড়ির মতো। মহায়না (মহাযান) বৌদ্ধবাদ হচ্ছে বাসের মতো, সাধারণ মানুষদের জন্যে, বোধিসত্ত্ব অর্জনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে যারা তাদের নিজস্ব গতিতে অগ্রসর হন।

    আর এই দুটি ধারার মধ্যে দ্রুততাই শুধুমাত্র পার্থক্য নয়। আমরা ইতিমধ্যে লক্ষ করেছিলাম, ধর্মে একটি মহাবিভাজন হচ্ছে সেই দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে, যারা ছবি বা মূর্তি ভালোবাসেন এবং যারা সেটি ঘৃণা করেন। বুদ্ধ স্বয়ং সেটি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, কিন্তু লোকপ্রিয় ধর্মগুলো ভালোবাসে কোনোকিছুর দিকে শ্রদ্ধা নিয়ে তাকাতে আর বৌদ্ধদের জন্যে স্বয়ং বুদ্ধ ছাড়া আর কী ছবি মূর্তিই বা থাকতে পারে তাদের শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্যে? বুদ্ধের মূর্তিগুলো, প্রায়শই বিস্ময়করভাবেই সুন্দর, মহায়নাধারার অনুসারীদের মন্দিরে প্রধান মূর্তিতে রূপান্তরিত হয়েছিল। আর বৌদ্ধধর্মের এই রূপটিই ‘সিল্ক রোড’ ধরে চীনে প্রবেশ করেছিল প্রথম ও দ্বিতীয় শতাব্দীতে। এটি চীনে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং চীনা ধর্মগুলোকে পরিবর্তিত করেছিল। এবং সেইসাথে এগুলোর প্রভাবে এটি নিজেও পরিবর্তিত হয়েছিল।

    ধর্মের প্রতি চীনারা তাদের ব্যবহারিক প্রায়োগিক দৃষ্টিভঙ্গিটি অব্যাহত রেখেছিল। ভিন্নধারাগুলোর সেরা অংশগুলোর সংমিশ্রণ নিয়ে তারা কোনো অস্বস্তি বোধ করেনি। এভাবে তারা একটি একক বিশ্বাসের প্রতি কঠোরভাবে আনুগত্য প্রকাশেও কোনো বাড়াবাড়ি করেনি। সুতরাং যখন বৌদ্ধবাদের সাথে তাওবাদের দেখা হয়েছিল, আর সেই সাক্ষাতে উভয়েই পরিবর্তিত হয়েছিল। একটি পরিণতি হচ্ছে ‘জেন বৌদ্ধবাদ, ‘জেন’ শব্দটির উৎস ধ্যান বা মেডিটেশন বোঝাতে ব্যবহৃত চীনা শব্দটি। মনে আছে, তাও বোঝা বা পাওয়া কত কঠিন একটি কাজ? ‘জেন’ এর সেই ঠাট্টাসুলভ দৃষ্টিভঙ্গিটি ঋণ করেছিল।

    .

    ‘কীভাবে আমি শান্তি পেতে পারি, আর এইসব কামনাগুলোকে দমন করতে পারি? আমাকে শেখাও। আমাকে বলল, কীভাবে পবিত্র বইগুলো আমার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেছে এবং কীভাবে আমি এখান থেকে মুক্তি পেতে পারি?

    ‘বাহির…ভিতর….বাহির…ভিতর’।

    ‘কী’?

    ‘স্থির হয়ে বসুন, খুব স্থির… আপনার শ্বাসপ্রশ্বাস লক্ষ করুন : শ্বাস বাহিরে ফেলুন, ভেতরে নেন, আবার শ্বাস বাহিরে ফেলুন, আবার ভিতরে নেন…’।

    আমি আমার সমস্যা নিয়ে আপনার কাছে এসেছি আর আপনি আমাকে শ্বাস নেবার অনুশীলন শেখাচ্ছেন! আমার অন্যকিছু দরকার, যা দিয়ে আমার মনটাকে আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারব…

    বেশ, ঠিক আছে, এই ডেইজি ফুলটির দিকে অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে থাকুন, ভালো করে লক্ষ করুন…।

    কী?

    .

    জৈন বৌদ্ধবাদে তাওবাদের কৌতুকপ্রবণতা আছে, এবং যে সংস্কৃতিগুলোতে যুক্তিবাদের প্রাধান্য খুব বেশি, তারা সেখান থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবে।

    বৌদ্ধবাদ থেকে তৃতীয় যে-ধারাটির উদ্ভব হয়েছিল সেটি গভীর একটি প্রভাব ফেলেছিল পৃথিবীর অন্যতম রহস্যময় একটি দেশের ওপর। তান্ত্রিক বৌদ্ধবাদ (বজ্রযান), বোধি অর্জন করার এই ধারাটি ব্যাপকভাবে একজন শিক্ষকের সহায়তা নিবেদন করে এবং এই ধরনের বৌদ্ধবাদ তার শিকড় গেড়েছিল তিব্বতে। হিমালয়ের অন্যপ্রান্তে, চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত তিব্বত পৃথিবীর অন্যতম দুর্গম একটি এলাকা। এটিকে বলা হয় পৃথিবীর ছাদ, কারণ দেশটি মূলত সুবিশাল পর্বতমালা আর মালভূমির উপর অবস্থিত। এর এই দুর্গম্য এমন একটি বৌদ্ধবাদকে অনুপ্রাণিত করেছিল, যা এই পুরো দেশটিকে রূপান্তরিত করেছিল একটি বিশাল সন্ন্যাস-আশ্রমে। শিক্ষক সন্ন্যাসীদের নেতৃত্বে, যারা পরিচিত ‘লামা’ নামে, তিব্বত এমন একটি জাতিতে পরিণত হয়েছিল, যার কেন্দ্রে ছিল বৌদ্ধবাদের আধ্যাত্মিক শৃঙ্খলাগুলো।

    এবং তিব্বতের লামারা বৌদ্ধবাদের একটি বিশেষ ধারার স্বতন্ত্র আর বৈশিষ্ট্যসূচক ব্যবহার করেছিলেন। যখন কোনো একজন সন্ন্যাসী বোধি অর্জন করেন, তিনি তার নির্বাণ পাবার সেই সুযোগটি বিনিময় করতে পারেন, এবং অন্যদেরকে তাদের মোক্ষলাভে সহায়তা করতে ‘জীবন্ত বুদ্ধ’ হিসাবে পৃথিবীতে আবার ফিরে আসতে পারেন। তিব্বতের বৌদ্ধধারায় কিছু উচ্চপর্যায়ের লামাদেরকে তাদের নিজেদের পুনর্জন্ম নির্বাচন করার জন্যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই মানুষটি, যাকে তারা তাদের উত্তরসূরি হিসাবে নির্বাচন করবেন, তাকে খুঁজে বের করতে হবে। লামার মৃত্যুর পর তার বদলি কাউকে খুঁজে পেতে কখনো বেশ কয়েক বছর ব্যয় করতে হয়। যখন শনাক্ত করার পর, তিনি বেশ কিছুসংখ্যক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, তাকে লামার পুর্নজন্ম নেওয়া রূপ হিসাবে কোনো একটি সন্ন্যাসাশ্রমে প্রতিস্থাপিত করা হয়। এই উত্তরাধিকারের ধারার সবচেয়ে পরিচিত বর্তমানের দালাই লামার ঘটনাটি। যার হাসিমুখ পশ্চিমে এখন খুব পরিচিত রূপ পেয়েছে, যিনি পঞ্চাশের দশকে চীনাদের তিব্বত আগ্রাসনের পর সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

    তিনি প্রথম দালাই লামার তেরোতম পুনর্জন্ম এবং হয়তোবা শেষ। এর মানে এই না যে, তিব্বতে বৌদ্ধধর্মের অবসান হয়েছে। ধর্মের নানা উপায় আছে, এর নির্যাতনকারীদের চেয়েও বেশিদিন টিকে থাকার। এটি হচ্ছে কামারের নেহাই, যা বহু হাতুড়ির ক্ষয়ের কারণ হয়েছে। কিন্তু বৌদ্ধবাদ থেমে থাকেনি, যখন এটি চীনে প্রবেশ করেছিল। এটি আরো পূর্বদিকে এর যাত্রা অব্যাহত রেখেছে যতক্ষণ-না এটি জাপানে পৌঁছেছিল, যেখানে এটি আমাদের আলোচনার পরবর্তী ধর্মটির সাক্ষাৎ পেয়েছিল, সেই ধর্মটি হচ্ছে ‘শিন্টো’।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }