Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. কাদা মন্থন

    অধ্যায় ১৬. কাদা মন্থন

    যখন আগের অধ্যায়ে তিব্বত নিয়ে আমি আলোচনা করছিলাম, তখন এটিকে দূরবর্তী আর দুর্গম দেশ হিসাবে বর্ণনা করেছিলাম। আমি অসতর্কভাবেই কথাটা বলেছিলাম। অন্ধ মানুষ আর হাতিদের সেই নীতিগর্ভ গল্পটি, পৃথিবীটাকে আমরা যেভাবে দেখি, সেটি তেমনই, এমন কিছু অনুমান করে নেবার ব্যাপারে আমাদের। সতর্ক করে দিয়েছিল। আমার কাছে তিব্বত বহু দূরবর্তী হতে পারে। কোনো তিব্বতীয়দের এটি তাদের মাতৃভূমি, এবং তাদের জন্যে স্কটল্যান্ড বহু দূরের একটি দেশ। জাপান নিয়ে আমি প্রায় সেই একই ভুলটি করতে যাচ্ছিলাম। এটি চীন থেকে বহুদূরে, সাগরের মধ্যে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ। এমনকি চীনের অধিবাসীরা, তাদের সবচেয়ে নিকটবর্তী প্রতিবেশী, ৬০০ খ্রিস্টাব্দের আগে এই। দেশে পা রাখেনি। সুতরাং জাপান বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন, এমন কিছু ভাবতে আমরা প্রলুব্ধ হতে পারি। তাহলে কেন আমরা ভাবছি না, বাকি পৃথিবীটাই বরং জাপান থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল? বহু দীর্ঘ সময় ধরেই জাপানের অধিবাসীদের জানা ছিল না যে, একটি পৃথিবী আছে যেখান থেকে তাদের দেশটি বিচ্ছিন্ন। তারা ভেবেছিলেন জাপানটাই হচ্ছে সম্পূর্ণ পৃথিবী। শুধুমাত্র জাপান তাদের দেশই নয়, জাপান তাদের ধর্মও ছিল। এবং তারা তাদের দেশটিকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। সুতরাং জাপানের ধর্ম বোঝার আগে, তাদের স্বদেশ সম্বন্ধে জাপানিদের অনুভূতিটি কেমন সেটি আমাদের প্রথমে বুঝতে হবে।

    ‘জাপান’ শব্দটির মধ্যেই এই রহস্যটির সমাধানের খানিকটা ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই নামটি এসেছে দেশটিকে চীনারা যে নাম দিয়েছিল, সেই নামটি উচ্চারণ করার ইউরোপীয় প্রচেষ্টা থেকে। স্থানীয় অধিবাসীরা তাদের দেশটিকে ‘নিপ্পন’নামেই ডাকেন, যার অর্থ, উদিত সূর্যের দেশ, যে বর্ণনাটি যথার্থ। পূর্বদিকে তাকালে প্রশান্ত মহাসাগরে ঝলমলে শূন্যতাই প্রথমে তাদের চোখে পড়ত, যেখান থেকে প্রতিদিন সূর্য ওঠে, এই দ্বীপপুঞ্জের ৬৮৫২টি দ্বীপে এর সোনালি আলো ঢেলে দিতে। সুতরাং আদৌ বিস্ময়কর নয়, নিপ্পনবাসীদের সৃষ্টিকাহিনিতে সূর্যের প্রধান একটি ভূমিকা ছিল। প্রতিটি ধর্মেরই একটি সৃষ্টিতত্ত্বের কাহিনি আছে, যেগুলো পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল, কীভাবে এটি এর অস্তিত্ব পেয়েছে, সেই বিষয়ে নিজস্ব একটি সংস্করণ প্রস্তাব করেছে। জাপানের আলোচনায় আবার ফিরে আসার আগে, সেই সৃষ্টিতত্ত্বের কাহিনিগুলোর কয়েকটি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করার এখন সময় হয়েছে।

    ভারতের বহু সৃষ্টিপুরাণ আছে। এদের একটি দাবি করে যে, সময় অস্তিত্বশীল আর পৃথিবী সৃষ্টি হবার আগে একটি বিশাল সত্তা ছিল, যার নাম পুরুষ, যিনি বিস্ফোরিত হয়েছিলেন এবং চারিদিকে ছড়িয়ে পড়া এর উপাদানগুলো দিয়েই সবকিছু সৃষ্টি হয়েছে, এমনকি হিন্দু জাতপ্রথার সূক্ষ্ম খুঁটিনাটি বিষয়গুলোও।

    আব্রাহামের জন্মস্থান, মেসোপটেমিয়ার অধিবাসীরা বলতেন, একেবারে শুরুতে দুটি বিশালাকৃতির দানব ছিল, ‘আপসু বা মিষ্টি পানি আর ‘টিয়ামাট’ বা লবণাক্ত পানি। তারা পরস্পরের সাথে মিলিত হয়েছিল এবং অন্য দেবতাদের আর সমুদ্র দানবদের জন্ম দিয়েছিল। এবং যেভাবে মাঝে মাঝে সাগর শুষ্ক সমতল এলাকা প্লাবিত করে, নারীসঙ্গী টিয়ামাটও সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলেন। তার নিজের পরিবারই তার বিরোধিতা করে এবং তাকে যুদ্ধে পরাজিত করেছিল। তারা তার মৃতদেহকে দ্বিখণ্ডিত করে স্বর্গ আর পৃথিবী সৃষ্টি করে। স্বর্গ নির্মিত হয়েছিল দেবতাদের বাসস্থান হিসাবে। আর তাদের সেবা করার জন্যেই মানুষ সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং নিচে পৃথিবীতে দেবতারা তাদের সেই ভূত্যদের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।

    মিশরে একই ধরনের কাহিনি আছে, যেখানে আবারও পানির গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা আছে। একেবারে শুরুতেই ছিল শুধুমাত্র সাগর। তারপর, যখন এই মহাপ্লাবনের নিমজ্জন ক্রমশ সরে যেতে শুরু করেছিল, একটি পাহাড় পানির উপরে জেগে উঠেছিল। একটি বর্ণনায় বলা হচ্ছে, তখন সূর্যদেবতা ‘রা’, সেই দৃশ্যে এসে অন্য দেবতাদের এবং পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন। আরেকটি সংস্করণে পৃথিবীর দেবতা পিটাহ, যিনি প্রথমে এসেছিলেন, এবং সবকিছুর সূচনা করেছিলেন।

    আমরা যদি উত্তরে স্ক্যানডিনেভিয়ার দিকে যাই, সেই একই পানির কাহিনি পাব। একেবারে শুরুতেই ছিল শূন্যতার একটি অতল গহ্বর। এটি পানি দিয়ে পূর্ণ। হয়েছিল, তারপর পানি জমে বরফে রূপান্তরিত হয়েছিল। তারপর আবার এটি গলতে শুরু করেছিল, আর গলিত পানি থেকে একটি বিশাল দানব ইমিয়ারের আবির্ভাব হয়েছিল। তারপর তার বগল থেকে একজোড়া নারী ও পুরুষ বেরিয়ে এসেছিলেন। যখন এইসব ঘটনা ঘটছিল, একটি গরু বরফ স্তর চেটে খুব পাতলা করে দেবার কারণে আরো একটি দানব সেখান থেকে বের হয়ে আসার সুযোগ পেয়েছিল। এই দানব থেকেই দেবতা ওডিনের জন্ম হয়েছিল। এইসব দেবতাদের পেশাগত জীবনে সাধারণত যা হয়ে থাকে, প্রচুর যুদ্ধ আর হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল। ওডিন ও তার ভাই ইমিয়ারকে হত্যা করে তার শরীর থেকে পৃথিবী সৃষ্টি করেছিল। তার মাথার খুলি দিয়ে স্বর্গ এবং রক্ত থেকে সাগর সৃষ্টি করা হয়েছিল। আর তার শরীরর হাড়গুলো হয়েছিল পাহাড়, চুল থেকে সৃষ্টি হয়েছিল গাছ। ইত্যাদি আরো নানা খুঁটিনাটি বিষয় আছে, কিন্তু আপনি মোটামুটি বুঝতে পারছেন। আমি কী বলতে চাইছি।

    এইসব দাঙ্গাহাঙ্গামার গল্প থেকে ইহুদি বাইবেলের সৃষ্টিকাহিনির দিকে তাকালে আমরা খানিকটা স্বস্তি অনুভব করতে পারি, এটির সূচনা কমন এরা শুরু হবার ৯০০ বছর আগের কোনো একটি সময়। জেনেসিসের দুটি সংস্করণ আছে, প্রতিটি খুব দৃঢ়ভাবে একেশ্বরবাদী, এবং দুটিতেই সমুদ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। জেনেসিসে বর্ণিত সেই ‘দ্য ডিপ’, যা নিয়ে ঈশ্বর খুব উৎকণ্ঠিত চিন্তায় মগ্ন ছিলেন এবং এখান থেকেই তিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছিলেন। তিনি এই কাজটি করেছিলেন ছয়দিনে এবং সপ্তম দিনে বিশ্রাম নিয়েছিলেন। সপ্তম দিনে কিছু না করাও ছিল তার জন্যে একটি সৃজনশীল কাজ, যা সবার জন্যে সাবাথকে একটি ছুটির দিন হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।

    জাপানের এই কাহিনিটি এসেছে জেনেসিসের সমসাময়িক সময় থেকে এবং আবারো সাগর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। একেবারে শুরুতে ছিল শুধু সমুদ্র। তারপর দেবতা ইজানাগি এবং দেবী ইজানামি তাদের দীর্ঘ বর্শা দিয়ে সাগরের নিচে কাদা মন্থন করেছিলেন এবং সেই কাদা থেকেই জাপানের বহুসংখ্যক দ্বীপগুলো সৃষ্টি হয়েছিল। এই স্বর্গীয় দম্পতি তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন : সূর্যের দেবী, তার দুই ভাই, চাঁদ দেবতা আর ঝড়ের দেবতা। সূর্যদেবীর নিজেরও সন্তান হয়েছিল, তার নাতি নিপ্পনের প্রথম সম্রাট হয়েছিলেন।

    কিছুক্ষণের জন্য এই গল্পগুলো নিয়ে ভাবা যুক্তিযুক্ত হতে পারে, কারণ ধর্ম কীভাবে কাজ করে সেটি বুঝতে এই গল্পগুলো আমাদের সহায়তা করে। এগুলো সত্য, নাকি মিথ্যা? এটি নির্ভর করবে এই গল্পগুলোর উদ্দেশ্য কী সেটি নিয়ে আপনি কী ভাবেন তার ওপর। নবী নাথান রাজা ডেভিডকে যে-গল্পটা বলেছিলেন, সেটি কি মনে আছে? সেটি কি সত্য, নাকি মিথ্যা ছিল? বাস্তবিক তথ্যবিচারে সেটি মিথ্যা একটি গল্প ছিল। কোনো ধনী ব্যক্তি ছিলেন না, যিনি কিনা গরিব সেই অসহায় ব্যক্তির ভেড়াটি চুরি করেছিলেন। কিন্তু নৈতিকতার অর্থে এটি সত্য। গল্পটি উদ্ভাবন করা হয়েছে ডেভিডকে তার অপকর্মটি সম্বন্ধে ভাবাতে, এবং এটি কাজ করেছিল। এর শৈল্পিক সত্যতা আছে, বৈজ্ঞানিক সত্যতা নেই। বিজ্ঞান বাস্তব তথ্য বা ফ্যাক্ট নিয়ে আগ্রহী, যেভাবে কোনোকিছু কাজ করে। শিল্পকলার আগ্রহ হচ্ছে নিজেদের জীবনে সেই সত্যটাকে আমাদের কাছে অনাবৃত করে তোলা। আর সে কারণে কোনো কাহিনি আপনাকে কাঁদাতে পারে, যখন আপনি এটিকে নিজের অভিজ্ঞতার সমরূপ হিসাবে শনাক্ত করতে পারবেন : এটাই তো আমি! ধর্ম একটি শিল্পকলা, এটি বিজ্ঞান নয়।

    সুতরাং কোনো সৃষ্টিপুরাণ সত্য বা মিথ্যা কিনা, সেই প্রশ্নটি করা উচিত নয়, বরং যে-প্রশ্নটি করতে হবে, সেটি হচ্ছে এটি আসলে কী বোঝাতে চাইছে, এটি আমাদের কী বলতে চাইছে, এই বিভাজনটি বহু ধর্মীয় মানুষই পুরোপুরি কখনোই বুঝে উঠতে পারেন না। এবং আমরা পরে দেখব, তাদের কেউ কেউ নিজেদেরকে নির্বোধ হিসাবে উপস্থাপন করেন, যখন তারা বাইবেলে বর্ণিত সৃষ্টিকাহিনি শিল্পকলার কাজ নয়, বরং বিজ্ঞানের একটি কাজ হিসাবে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন।

    যেসব সৃষ্টিকাহিনির কথা উপরে আলোচনা করেছি তার কোনোটাই বাস্তবতার অর্থে সত্য নয়, কিন্তু এগুলো প্রত্যেকটি কোনো-না-কোনো একধরনের অর্থ ধারণ করে। বাইবেলের গল্পটি বোঝা অপেক্ষাকৃত সহজ, এমনকি যদি আপনি তার সাথে একমত নাও হতে পারেন : এই মহাবিশ্ব নিজে নিজে সৃষ্টি হয়নি, এটি সৃষ্টি করেছেন ঈশ্বর। এবং মেসোপটেমিয়া আর স্ক্যান্ডিনিভিয়ার কাহিনির সেই সহিংস সংঘর্ষ পৃথিবীর নিরন্তর সহিংসতা আর নিষ্ঠুরতারই প্রতিনিধিত্ব করে।

    এই গল্পগুলো এসেছে মানুষের মন থেকে। প্রশ্ন হচ্ছে, এই গল্পগুলো কি ঈশ্বর নিজেই মানুষের মনে স্থাপন করেছিলেন, নাকি মানুষই এটি পুরোপুরিভাবে সৃষ্টি করেছে। যেভাবেই আপনি এই প্রশ্নটির উত্তর দেবার চেষ্টা করুন না কেন, এই কাহিনিগুলো কাহিনি হিসাবেও বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। এবং সেখানে কিছু অংশ থাকে যেগুলো প্রাচীন কোনো সময়ের ঘটনার স্মৃতি হিসাবে বহন করে আনা হয়েছে : একটি বিস্ফোরণ, যা সব পরিবর্তনের সূচনা করেছিল, একটি সমুদ্র যা সব প্রাণীর জন্ম দিয়েছিল। আধুনিক বিজ্ঞানের সৃষ্টিকাহিনি বলছে, মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে প্রায় চোদ্দ বিলিয়ন বছর আগে ঘটা একটি ‘বিগ ব্যাং’ থেকে। এবং আমাদের গ্রহে কীভাবে জীবনের সূচনা হয়েছিল সেই বিষয়ে এর সেরা অনুমানটি হচ্ছে, এটির সূচনা হয়েছিল সাড়ে তিন বিলিয়ন বছর আগে কোনো একটি সময়ে। তরুণ পৃথিবীকে আবৃত করে থাকা সমুদ্রগুলো ছিল নানা রাসায়নিক দ্রব্যের মিশ্রণ, যা সৃষ্টি হয়েছিল আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাতের সময়, এবং এই রাসায়নিক দ্রব্যগুলো ক্রিয়াপ্রতিক্রিয়ায় প্রথম প্রাণের আবির্ভাব হয়েছিল। কয়েক বিলিয়ন বছর পর আমরা ধীরে ধীরে এই দৃশ্যে প্রবেশ করেছি। পৃথিবীর নিজের ইতিহাসের স্মৃতি ঐসব শিল্পীদের মনের মধ্যে চুঁইয়ে প্রবেশ করেছিল, যারা সময়ের মধ্যে দিয়ে সেই অতীতের দিকে তাকিয়েছিলেন সবকিছুর অর্থ খুঁজতে? আমার কাছে বিষয়টি অসম্ভব মনে হয় না। এর কারণ হতে পারে পুরো মহাবিশ্বই খুব অদ্ভুত এবং প্রায় যে-কোনোকিছুই এখানে কল্পনা করা সম্ভব।

    নিপ্পন দেশের মানুষদের এই সৃষ্টিপুরাণের সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী বিষয়টি হচ্ছে যখন দেবতারা সাগরের নিচে তাদের বর্শার ফলা দিয়ে কাদা ঘেঁটেছিলেন, তারা একটি পৃথিবী তৈরি করেননি, তারা শুধু জাপান সৃষ্টি করেছিলেনঅথবা তারা একটি জগৎ বানিয়েছিলেন, যেখানে জাপান ছাড়া কিছু ছিল না। আর এভাবেই তাদের সুন্দর দ্বীপপুঞ্জের প্রতি যে-ভালোবাসাটি তারা অনুভব করেন সেটি ব্যাখ্যা। করেছিলেন। দ্বীপ জাতিগুলো নিজেদের মধ্যে গুটিয়ে থাকার বিষয়টি এড়াতে পারে না। তাদের এমন কোনো স্থলসীমানা ছিল না যার মধ্যদিয়ে মানুষের আনাগোনা হতে পারে, সুতরাং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর দেবতাদের দ্বারা তাদের ধর্মীয় তাড়নাগুলো কদাচিৎ প্রভাবিত হবার সুযোগ পেয়েছে। আদি জাপানি ধর্ম সম্বন্ধে আমরা যতটুকু জানি, সেটি এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এবং আমরা যদি স্মরণ করি, ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে ছাড়া আর কখনোই জাপান কারো পরাধীন হয়নি, তাহলে আমাদের বিস্মিত হবার কোনো কারণ নেই এমন কিছু। যদি আবিষ্কার করি : তাদের দ্বীপ জাতিকে জাপানিরা যে তীব্রভাবে ভালোবাসে শুধুমাত্র সেটাই নয়, তারা বিশ্বাস করতেন এটি অদ্বিতীয়। আর খুব দূর-অতীতে সম্ভবত তারা ভেবেছিলেন, জাপানের বাইরে আর কিছুরই অস্তিত্ব নেই।

    দেবতারা জাপান শুধু সৃষ্টিই করেননি, এটি তাদের নির্বাচিত বাসভূমিও ছিল। অন্য ধর্মগুলো বিশ্বাস করে, দেবতারা ইচ্ছা হলেই পৃথিবীতে আসতে পারেন, কিন্তু তাদের মূল বাসস্থান, আকাশের বহু উপরে একটি বিশেষ এলাকা, যাকে স্বর্গ বলা হয়। আর জাপানিদের কাছে তাদের সুন্দর দ্বীপপুঞ্জটি ছিল সেই বিশেষ এলাকা, তাদের কাছে স্বর্গ আর পৃথিবী ছিল একই জায়গা। স্বর্গ পৃথিবীর মধ্যে আর পৃথিবী স্বর্গের মধ্যে। কিছু ধর্ম যেভাবে মানুষের শরীরকে অমর আত্মার শারীরিক বাসস্থান। হিসাবে দেখে থাকে, ঠিক সেভাবেই জাপানিরা তাদের দেশ সম্বন্ধে ভাবতেন। জাপানের দ্বীপপুঞ্জটি ছিল কামি’ নামের পবিত্র আত্মাদের বাস্তব অভিব্যক্তি, যারা প্রকৃতিতে সর্বত্র বিরাজমান। প্রাণীদের মধ্যে তাদের বসবাস, জাপানের পর্বতমালাতেও তারা অবস্থান করেন, যার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর আর পবিত্রটি হচ্ছে মাউন্ট ফুজি। এই কামি আত্মাদের দেখা মেলে গাছ আর নদীতেও।

    আমি বলেছিলাম যে, এটাই ছিল তাদের ধর্ম, কিন্তু সেটি পুরোপুরি সঠিক নয়। এটি পৃথক একটি ধারণা প্রস্তাব করেছিল, একটি বিশ্বাস যা তারা তাদের চিন্তায় ধারণ করে। আপনি নিজস্ব সত্তা-সংক্রান্ত বোধ, আপনি কে সেটি নয় বরং নিজের সম্বন্ধে আপনি চিন্তায় যা ধারণ করেন অথবা যা বিশ্বাস করেন, সেটিকে ধর্ম হিসাবে বর্ণনা করলে ঠিক যেমন ভুল হবে। জাপানিরা অনুভব করেছিল যে, তারা একটি মহান সত্তার জালে আবৃত হয়ে আছেন, যার গঠনগত উপাদান হচ্ছে তাদের দেশটির ভূখণ্ড, তারা নিজেরা এবং সেই আত্মারা, যা সবকিছুই জীবন্ত করে তোলে। এটি এমন কিছু না যে তারা বিশ্বাস করতেন। এটি শুধুমাত্র তারা যেমন ছিলেন।

    জীবনের প্রতি এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গির কারিগরি নাম হচ্ছে ‘অ্যানিমিজম’ বা। সর্বপ্রাণবাদ। এটি ‘গাইয়া’ নামের একটি আধুনিক তত্ত্ব থেকে খুব একটা দূরে নয়, যা এই গ্রহটিকে ধ্বংস আর স্বার্থপর ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সৃষ্ট বস্তু হিসাবে নয়, বরং একটি জীবন্ত সত্তা হিসাবে দেখে, যাকে পরিবারের সদস্য আর বন্ধুদের মতোই যত্ন। করতে হবে একই ভালোবাসা দিয়ে। এর মানে প্রকৃতি এর নিজস্ব প্রাণশক্তিতে জীবন্ত এবং মানুষের মতোই এটি গুরুত্বপূর্ণ। জাপানিরা এটি তাদের হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছিলেন। ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা হিসাবে কিন্তু তাদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়নি, প্রকৃতিকে তাদের অবশ্যই ভালোবাসতে হবে। তাদের এমন কিছু বলা হয়নি যে, পৃথিবী এরকম, সেটি তাদের বিশ্বাস করতেই হবে। পৃথিবীর এই প্রকৃতি আবিষ্কার করা উপলক্ষ্যে তারা কোনো একটি দিন বিশেষভাবে উদ্যাপনও করেন না। এই বিষয়ে তাদের কোনো বিশ্বাস নেই। শুধুমাত্র দেশটির সেই প্রবিত্র আত্মা বা কামি’র জন্য ভালোবাসা, যে-ভালোবাসাটি তারা সুন্দর জায়গাগুলোয় বিশেষ মন্দির নির্মাণ করে প্রকাশ করেছিলেন। প্রতিটি মন্দিরের ছিল বৈশিষ্ট্যসূচক একটি প্রবেশপথ, যা নির্মিত হয়েছিল দুটি উল্লম্ব আর দুটি আড়াআড়িভাবে সংযোগকারী খুঁটি দিয়ে। আজও জাপানে এধরনের মন্দিরের সংখ্যা এক লক্ষেরও বেশি। এবং সেগুলো এখনো সযত্নে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।

    ৬০০ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি কোনো একটি সময় চীনের অধিবাসীরা জাপানে–আসার আগ পর্যন্ত, পৃথিবীর প্রতি তাদের এই দৃষ্টিভঙ্গিটির এমনকি কোনো নামই ছিল না। চীনারা দেশ-দখল বা ধর্মপ্রচার করার মতো কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে জাপানে আসেননি, তবে তারা কনফুসিয়াসের মতাদর্শ, তাওবাদ এবং বৌদ্ধবাদ সাথে করে নিয়ে এসেছিলেন। আর এই ধর্মগুলোর প্রতিটি পরবর্তীতে জাপানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। হয়তো এর কারণ ছিল যে-বিশ্বাস আর আচারগুলোর সংস্পর্শে চীনারা আসতেন, তারা সেগুলোকে শ্রেণিবিন্যস্ত করতে ভালোবাসতেন। অথবা, দেশে যে নতুন ধর্মগুলো তারা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেগুলো থেকে এটি পৃথক করতে হয়তো জাপানিরা ভেবেছিলেন এই পবিত্র আত্মপূর্ণ দেশটির প্রতি যে ভালোবাসা তারা অনুভব করেন, সেটি সম্পূর্ণভাবে ধারণ করতে পারে এমন একটি নাম তাদের প্রয়োজন। সুতরাং তারা এটির নাম দিয়েছিলেন ‘শিন্টো’, ‘শিন’ মানে দেবতারা, ঘেটা এসেছে তাওবাদের শব্দ, পথ বা উপায় থেকে। শিনের টাও। দেবতাদের পথ, শিন্টো। ভালোবাসা’ শব্দটিও এটি ভালোভাবে প্রকাশ করার জন্যে যথেষ্ট ছিল।

    শিন্টো ধারণাটি দ্বারা মুগ্ধ হতে, যে দেবতারা আদিম কাদা ঘেঁটে নিপ্পনের দ্বীপগুলো সৃষ্টি করেছিলেন, তাদের বিশ্বাস করার কোনো প্রয়োজন নেই। এটি পৃথিবীর মধ্যদিয়েই আরো গভীরতর কিছু দেখে, কখনো খুব সূক্ষ্মভাবে সৃষ্ট মর্মস্পর্শী চিত্রকর্ম দেখলে যা অনুভব করে, এটি তা প্রকাশ করে। সাধারণত পৃথিবীর প্রতি এর ভালোবাসা উদ্যাপনের জন্যে এর যা দরকার সেটি হচ্ছে হাইকুর মাত্র তিনটি পঙক্তি।

    গ্রীষ্মে একটি নদী অতিক্রম করছি
    কত সুখকর,
    হাতে স্যান্ডেলগুলো নিয়ে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }