Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৭. ধর্ম যখন ব্যক্তিগত হয়ে উঠেছিল

    অধ্যায় ১৭. ধর্ম যখন ব্যক্তিগত হয়ে উঠেছিল

    মানব-ইতিহাসে ধর্ম বহু উদ্দেশ্যপূরণে সহযোগিতা করেছে। আধুনিক বিজ্ঞান সৃষ্টিরহস্য ব্যাখ্যা করার আগে, ধর্মীয় স্বপ্নদ্রষ্টারা তাদের ব্যাখ্যাগুলো প্রস্তাব করেছিলেন, তার কয়েকটি আমরা ইতিমধ্যে খানিকটা আলোচনা করেছি। কিন্তু কীভাবে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছিল সেটি ব্যাখ্যা করার প্রচেষ্টা ছাড়াও, ধর্ম ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছে কেন’ এটি যেভাবে আছে সেভাবে সংগঠিত হয়েছে। যদি প্রশ্ন করা হয়, মানুষ কেন এই গ্রহের প্রাধান্য বিস্তারকারী প্রজাতি এবং এটি নিয়ে যা খুশি তারা তাই করেছে, বাইবেল তাদের বলেছে, এর কারণ হচ্ছে ঈশ্বরই এই সবকিছু ঠিক এভাবেই সাজিয়েছেন। ঈশ্বরই আমাদের এই পৃথিবীর দায়িত্বে স্থাপন করেছেন এবং এটি জয় আর নিয়ন্ত্রণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। যখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছে কেন চামড়ার রঙের নানা মাত্রার ওপর ভিত্তি করে মানবতাকে বিভিন্ন গোষ্ঠীতে বিভাজিত করা হয়েছে, হিন্দুশাস্ত্র উত্তর দিয়েছে, এই মহাবিশ্বের নেপথ্যে বিরাজমান বুদ্ধিমত্তা একটি উদ্দেশ্যে সবকিছুই এভাবে সাজিয়েছেন। এটি হচ্ছে কার্মা।

    এই উত্তরগুলো পরিস্থিতি আসলে কেমন শুধুমাত্র সেটি বলছে না, এছাড়াও আমাদের এইসব কিছু মেনে নিতেও নির্দেশ দিয়েছে। পৃথিবী যেভাবে সংগঠিত, সেটি যথার্থ দাবি করে সেখানে এটি স্বর্গীয় অনুমোদনের সিলমোহরও বসিয়ে দিয়েছে : এভাবেই স্বয়ং ঈশ্বরই সব পরিকল্পনা করেছেন। আর সে-কারণেই এই জীবনে তাদের ভাগ্যকে মেনে নিতে মানুষকে প্ররোচিত করতে ধর্ম খুবই দক্ষ, সেই ভাগ্যটি যতই দুর্বিষহ হোক না কেন, বিশেষ করে যখন এটি তাদের এই জন্মের পরবর্তী জন্মে, অথবা পরবর্তী জন্মেরও পরবর্তী জন্মে, আরো উত্তম কোনো জীবন পাবার আশা দেয়।

    এবং এছাড়াও সমাজের আরোপিত নিয়মনীতিগুলো যেন মানুষ মেনে নেয়, সেটি নিশ্চিত করতেও ধর্ম দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। আপনি যদি চান সবাই পরস্পরের সাথে সৌহাদ্যপূর্ণ সংহতির সাথে বসবাস করবেন, তাহলে তাদের একগুচ্ছ রীতিনীতি আর আচার থাকতে হবে, যা তারা সবাই মেনে চলবেন– একটি নৈতিকতা’। মিথ্যা কথা না বলা, চুরি না করা, হত্যা না করা। এইসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার মাধ্যমে যে-কোনো বুদ্ধিমান সমাজ নিজেকে রক্ষা করে।

    আর ধর্মের ভূমিকা হচ্ছে এই আইনগুলোকে আরো দৃঢ়তর করে তোলা, আর। সমর্থন করা, এমন কিছু দাবি করে যে, এই আইনগুলো মানব-সৃষ্ট নয়, এগুলো। স্বয়ং ঈশ্বরের নির্দেশ। লোকালয় থেকে দূরে মরুভূমিতে ইজরায়েলাইটরা কিন্তু সেই টেন কমান্ডমেন্ট (দশটি নির্দেশ) তাদের স্বপ্নে আবিষ্কার করেননি। এটি তাদের ওপর আরোপ করেছিলেন স্বয়ং ঈশ্বর। সুতরাং ইতিহাসে ধর্মের আরেকটি বড় ভূমিকা ছিল : নৈতিকতার অভিভাবক।

    এখন অবশ্যই আমাদের একটি পরিবর্তনের দিকে নজর দিতে হবে, যখন। ধর্ম আরো ব্যক্তিগত একটি দিকে মোড় নিতে শুরু করেছিল। গোষ্ঠীগত একটি কর্মকাণ্ড আর মানবসমাজকে নিয়ন্ত্রণ করার একটি উপায় ছাড়াও, ধর্ম ব্যক্তি’ পর্যায়ে পরিত্রাণের (সালভেশন) প্রতিশ্রুতি দিতে শুরু করেছিল। সালভেশন’ (পাপ ও পাপের পরিণাম থেকে পরিত্রাণ) শব্দটির উৎস ল্যাটিন, যার অর্থ স্বাস্থ্য, একটি স্মারক যে মানুষ প্রায়শই অসুস্থতা আর দুশ্চিন্তায় আক্রান্ত হতো। এই জীবনে তারা সুখ কিংবা ভালো অনুভব করতেন না, এমনকি নিজেদের নিজেদের সাথেও তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধও করতেন না। আর পরবর্তী জীবনে তাদের জন্যে কী অপেক্ষা করছে সেটি নিয়েই তারা দুশ্চিন্তা করতেন। যখন ধর্ম আরো বেশি ব্যক্তিগত দিকে মোড় নিয়েছিল, এটি তাদের অস্থির জীবনে এমন প্রশান্তি নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিল যে, বিশ্বাসীরা এই অভিজ্ঞতাটি মরে যাওয়া এবং আবার জন্ম নেওয়া, অন্ধ হওয়া এবং আবার দেখতে পাওয়া, পক্ষাঘাগ্রস্ত হয়ে পঙ্গু হওয়া এবং আবার হাঁটতে পারার মতো অলৌকিক কোনো অভিজ্ঞতার সাথে। তুলনা করে বর্ণনা করতে শুরু করেছিলেন। ধারণা করা হয় বিচিত্র ধর্মগুলোর পারস্পরিক সম্মিলন মূলত এই পরিবর্তনগুলোর সূচনা করেছিল।

    আর এটিকে যতই অসম্ভাব্য মনে করা হোক না কেন, মূলত রোমসাম্রাজ্যের সৈন্যরাই এই পরিবর্তনের দিকে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি দিয়েছিলেন। কমন এরা শুরু হবার ত্রিশ বছর আগেই, রোমের সংস্কৃতি পারস্য আর গ্রিক সংস্কৃতির প্রভাবে অভিভূত হয়েছিল। রাজনৈতিকভাবে রোমানরা বিজয়ীপক্ষ ছিল, কিন্তু তারা যে দেশগুলো দখল করেছিল সেখানকার সংস্কৃতি তারা এত বেশিমাত্রায় আত্তীকৃত করেছিলেন যে, পরিশেষে কখনো কখনো বলা কঠিন হয়ে পড়ে, এখানে আসলে বিজয়ী কারা। গ্রিক আর পারস্যের প্রজাদের কাছে শোনা পুরাণকাহিনি তাদের এতই পছন্দ হয়েছিল, তাদের জীবনে তারা সেগুলোকে এমনভাবে গ্রহণ করেছিলেন যে, সেটি ধর্মের ভবিষ্যতের ওপর গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রভাব ফেলেছিল।

    ঠিক যেভাবে চীনারা বৌদ্ধবাদকে, তারা যেভাবে সবকিছু করেন এবং তাদের জীবনের সাথে সংগতিপূর্ণ করে নিয়েছিলেন, সেভাবে রোমানরা গ্রিক পুরাণকে আত্তীকৃত করে নিয়েছিল তাদের সংস্কৃতিতে। রোমানরা খুব প্রয়োগবুদ্ধিসম্পন্ন একটি জাতি ছিলেন, কর্মপাগল মানুষ। সুতরাং তারা এইসব প্রাচীন পুরাণগুলোকে। নিয়ে এটিকে রূপান্তরিত করেছিল, যা আমরা এখন বলব, রোল প্লে’ বা সেই ভূমিকায় অভিনয় করা। এই গল্পগুলোর চরিত্র অনুযায়ী কাজ করার মাধ্যমে তাদের নিজেদের জীবন বদলে গিয়েছিল। এটি প্রাচীন কোনো পুরাণকে বিশ্বাস করার উদাহরণ ছিল না, যা তারা গ্রিকধর্ম থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। বরং আবেগীয় আর মনোজাগতিক একটি অভিজ্ঞতায় সেগুলো রূপান্তরিত করাই তাদের জন্যে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

    কিন্তু গ্রিকদের একটি ধর্ম ‘ছিল’ এমন কিছু ভাবলে আসলে ভুল হবে, যেমন, ইহুদিদের ছিল জুডাইজম বা পারস্যের অধিবাসীদের ছিল জরাথুস্ট্রবাদ।

    তাদের ধর্মটি জাপানিদের শিন্টোর সাথে যেমন সম্পর্ক ছিল সেরকমই ছিল, রোমানদের সাথে যতটা সদৃশ্যতা ছিল তারচেয়েও বেশি। অবশ্যই তারা বহুঈশ্বরবাদী ছিলেন, কিন্তু তাদের দেবতারা ভূখণ্ডের অংশও ছিল, যেমন, তাদের পর্বত, সাগর আর সূর্য, যা তাদের উপর উজ্জ্বল আলো ছড়াত। আর দেবতারা তাদের কাজ করতেন অনেকটাই আবহাওয়া যেমনটা কাজ করে। এবং আবহাওয়ার মতোই দেবতারা শান্ত আর অনুকূল যেমন হতে পারতেন, আবার বিপজ্জনক ঝুঁকিপূর্ণও হতে পারতেন। আর ঠিক এভাবেই সবকিছু ছিল। একজন প্রধান দেবতা ছিলেন, যার নাম জিউস, আকাশের দেবতা, যার দুইজন ভাই ছিলেন, সাগরের দেবতা পসাইডন আর পাতাল নরকের দেবতা হেডিস, যেখানে মৃতদের বাস। এছাড়াও বহুসংখ্যক অন্য দেবতারাও ছিলেন, তাদের কেউ কেউ প্রকৃতির নিয়মিত নানা কর্মকাণ্ডের ছন্দের সাথে যুক্ত ছিলেন। পুরাণের এই বিশাল ভাণ্ডার থেকে একটি গল্প, স্বর্গীয় একটি অভিযানের কাহিনি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হয়েছিল রোমান সাম্রাজ্যে, যার সুদূরপ্রসারী প্রভাব ছিল।

    এই গল্পটি শুরু হয়েছিল প্রকৃতি-সংক্রান্ত একটি পুরাণ দিয়ে, কিন্তু যখন রোমানরা এটি সংগ্রহ করেছিল, তারা এটিকে একটি ধর্মে রূপান্তরিত করেছিল, যাকে আমরা রহস্যময় ধর্ম’ বলতে পারি, একগুচ্ছ গোপন আচার আর অনুশীলন, যা এর অনুসারীদের হৃদয়ে গভীর আবেগপূর্ণ একটি অভিজ্ঞতার উদ্রেক করতে সক্ষম হয়েছিল। হেডিসের গ্রিক পুরাণে, যিনি পাতালপুরীর দেবতা ছিলেন, মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন একজন স্ত্রীর জন্যে, যিনি কিনা তার সাথে তার বিষণ্ণ পাতালপুরীতে বাস করবেন। সুতরাং তিনি পার্সিফোনকে অপহরণ করেছিলেন, পার্সিফোন ছিলেন ডেমেটারের মেয়ে, যিনি ছিলেন ফল, শস্য আর বৃক্ষের দেবী। মেয়েকে হারিয়ে তিনি এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন, সব দায়িত্ব অবহেলা করে তিনি। গভীর একটি শোকে প্রবেশ করেছিলেন। পরিণতিতে খাদ্যশস্যের ফলন হয়নি, গাছ থেকে অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল ফল, দুর্ভিক্ষ আর মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে জিউস নিজেই হস্তক্ষেপ করেন এবং দুই পক্ষ যা চেয়েছিলেন তার অর্ধেকটা নিশ্চিত করে তিনি তাদের একটি সমঝোতায় নিয়ে আসেন। পার্সিফোন পৃথিবীর উপরে অর্ধবর্ষ কাটাবেন, আর বাকি অর্ধেক বছর। পাতালপুরীতে সে তার বিরক্তিকর স্বামীর সাথে কাটাবেন। যখন গ্রীষ্ম শেষ হবে, পাতালপুরীতে তার জন্য নির্দিষ্ট সময় কাটাতে তিনি হেডিসের কাছে যাবেন, তার মা ডেমেটার তখন আবার তার অনুপস্থিতির জন্যে শোক করবেন। শীত নামবে তখন, কোনোকিছুই জন্মাবে না। পাতা পড়ে যাবে গাছ থেকে, শস্যক্ষেত খালি থাকবে। কিন্তু বসন্তে পার্সিফোন আবার পৃথিবীর উপরে উঠে আসবেন, তার প্রত্যাবর্তনে মা ডেমেটার আনন্দিত হবেন, আর আবার সবকিছু তাদের জীবন ফিরে পাবে।

    প্রকৃতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তনগুলো ব্যাখ্যা করতে কীভাবে একটি পুরাণ সৃষ্টি করে নেওয়া যেতে পারে এটি তার সুন্দর একটি উদাহরণ, সেটি একই সাথে মানবজীবনের উত্থান আর পতনের বিষয়টি প্রকাশ করতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। মানব অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলা, আর পুনরায় সেটি ফিরে পাওয়া, ব্যর্থতা আর সফলতা, মৃত্যু আর পুনর্জন্মের একটি ছন্দ আছে। একটি মরে-যাওয়া আর নতুন করে জেগেওঠা দেবতার ধারণাটি মানুষের আত্মার গভীরে একটি প্রয়োজনীয়তার সাথে সংগতিপূর্ণ হয়েছিল। এই কাহিনিটির আর এর অর্থ অনুসন্ধান করার জন্য আচারগুলো রোমসাম্রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি রহস্যময় ধর্মে রূপান্তরিত হয়েছিল। রহস্য বা মিস্ট্র’ শব্দটি এসেছে একটি গ্রিকশব্দ থকে, যার অর্থ নীরব থাকা অথবা নিজের মুখ বন্ধ করে রাখা, কারণ এই ধর্মের সদস্যরা তাদের পালিত আচার আর উৎসব নিয়ে কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করতেন।

    কমন এরা শুরু হবার প্রায় ১৪০০ বছর আগে এই কাল্ট বা গোপন ধর্মীয় গোষ্ঠীটির উদ্ভব হয়েছিল এথেন্সের কাছে এলেউসিসে, একটি ছুটির উৎসবকে কেন্দ্র করে, যেদিন পৃথিবীর মানুষকে ফল উপহার দেবার জন্যে দেবী ডেমেটারকে উপাসনা করা হতো। কিন্তু রোমসাম্রাজ্যে এর আচারে আবৃত রূপটি পরিচিত ছিল এলেউসিনিয়ান কাল্ট নামে, ব্যক্তিক পর্যায়ের আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার ওপর এর মতাদর্শের মূল তাগাদাটি ছিল, যারা দেবতার মৃত্যু আর তার পুনরায় জেগে ওঠার রহস্যটিকে গভীরভাবে অনুভব করতেন। এই কাল্টে যে-ব্যক্তিকে সদস্য করে নেওয়া হতো, তার একটি কমিউনিয়ন বা সংযোগ করতে হতো দেবীর সাথে এবং তাকে তার মৃত্যুর সেই শীতকাল এবং বসন্তে পুনর্জাগরণ অনুভব করতে হতো, আর এটি অর্জন করা হতো ধর্মীয় আচারের মাধ্যমে, যা প্রথমে কোনো অন্ধকার এলাকায় নেমে যাওয়া, তারপর আবার নতুন দিনের আলো বা নতুন জীবনে ফিরে আসার অভিজ্ঞতাটি অনুকরণ করত। মূলত আবেগের ওপরে এই আচারের আবেদন ছিল। এটি এমন কিছু না যে তারা সেটি ‘শিখেছিল’, এটি ছিল এমন কিছু যা তারা অনুভব করতেন। আর এই কমিউনিয়নের অভিজ্ঞতাটি তাদের মধ্যে একটি পরিবর্তনের সূচনা করত। মনে রাখতে হবে : এই সবকিছুই মানুষের মনের ভিতরে ঘটত। আর আমরা জানি মন খুবই অদ্ভুত একটি জায়গা। এখানে স্বর্গ আর নরক, উচ্চতা আর গভীরতা, অন্ধকার আর আলো থাকে। এলেউসিনিয়ানদের যাজকরা মানব-মন বিষয়ে খুবই দক্ষ ছিলেন। তারা জানতেন কীভাবে তাদের অনুসারীদের নানা নাটকীয়তার মধ্যে দিয়ে পরিত্রাণের সূর্যালোকিত প্রান্তরে নিয়ে আসতে হয়।

    ডেমেটার আর পার্সিফোনের মতো শুধুমাত্র গ্রিকদেবতারাই রোমসাম্রাজ্যে। রহস্যময় ধর্মগুলোয় তাদের নতুন জীবন খুঁজে পাননি, পারস্য থেকে একজন প্রাচীন জরথুস্ত্রীয় দেবতা, মিথরাস আরেকটি রোমান ধর্মীয় কাল্টের কেন্দ্রীয় চরিত্রে পরিণত হয়েছিলেন। গুহায় জন্ম নেওয়া মিথরাস ছিলেন একজন সূর্যদেবতা, যিনি একটি পবিত্র ষাঁড়কে হত্যা করেছিলেন, যার রক্তে পৃথিবী আর এর সব প্রাণীদের জন্ম হয়েছিল। রোমের সৈন্যরা পূর্বে তাদের সামরিক অভিযানের সময় মিথরাসের গল্প শুনেছিলেন। তাদের এর রক্ত আর তরবারির মূলধারণাটি ভালো লেগেছিল। তারা সেই সাহসকে প্রশংসার সাথে দেখেছিলেন, যে-সাহসে ভর করে মিথরাস একাই পবিত্র ষাঁড়কে হত্যা করেছিলেন। এবং তাদের সেই ধারণাটিও পছন্দ হয়েছিল যে, হত্যা এবং রক্তপাত ঘটিয়ে অন্যদের জন্য নতুন আর উত্তম জীবনের উদ্ভব ঘটানো সম্ভব। সুতরাং তারা অনেকেই এই পুরাণটিকে আত্তীকৃত করেছিলেন তাদের নিজেদের লক্ষ্যপূরণে, এবং এটি তাদের প্রিয় একটি রহস্যময় ধর্মীয় গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছিল।

    এলেউসিনিয়ান গোষ্ঠীর চেয়ে মিথরাইজম আরো বেশি রক্তাক্ত ছিল, কিন্তু এদের মূল ধারণা খুব একটা ভিন্ন ছিল না। এটিও নতুন জীবন অভিমুখে দরজা হিসাবে মৃত্যুর উদ্যাপন করত। এর আচারগুলো হতো গোপনে, কোনো গুহায়, এবং শক্তিশালী আবেগীয় অভিজ্ঞতা এর অংশ ছিল। এটিও ‘শেখার বিষয় না, ‘অনুভব’ করতে হতো। এমনি গুহা ভীতিকর একটি জায়গা, সুতরাং এরকম কোনো একটি জায়গায় জমায়েত হবার বিষয়টি এই কাল্টের অনুসারীদের মনে একটি অস্বস্তিকর প্রভাব ফেলত। একজন রোমান-সৈন্য প্রতিদিনই মৃত্যুর মুখোমুখি হতো, সুতরাং কোনো একটি ধর্ম বিসর্জনের উদ্দেশ্য মৃত্যু এবং এর থেকে প্রবাহিত হওয়া নতুন জীবনটিকে, যা নাটকীয়তার মোড়কে উপস্থাপন করত, সেটি নিশ্চয়ই তার ভক্তি আদায় করে নিতে পারত। মিথরাইজম শুধুমাত্র পুরুষদের ধর্ম ছিল। আর এটাই রোমান সেনাবাহিনীর মতো পৌরুষ প্রদর্শনীর একটি সমাজে এই ধর্মটির বিশেষ আবেদনময়তার আরেকটি অংশ ছিল। গোপন আচার আর ব্যক্তিগত ভাষাসহ এই গোপন গোষ্ঠীগুলো এর সদস্যদের নিজেদের বিশেষ কিছু ভাবতে প্ররোচিত করত, যা আর সবার থেকে ভিন্ন এবং অবশ্যই সেরা। আর শুধুমাত্র একটি বিশেষ সমাজের সদস্য হবার বিষয়টি কিছু বিশেষ ধরনের মানুষদের মনে আবেদন রেখেছিল। এইসব আবেদন সৃষ্টির মূল কৌশলগুলো মিথরাইজমের দখলে ছিল।

    রোমসাম্রাজ্যে এইসব রহস্যময় ধর্মগোষ্ঠীগুলোর আবির্ভাব ধর্মীয় ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক পরিবর্তনের মুহূর্ত ছিল। এর আগে, ধর্ম মূলত ছিল সামাজিক পরিচয়ের সাথে যুক্ত একটি সামষ্টিক কর্মকাণ্ড। কারণ ইহুদিদের জন্যে ধর্ম ছিল, যে-ধর্মে তাদের জন্ম হয়েছে, এবং তার নির্বাচিত জাতি হিসাবে ঈশ্বর যাদের এই ধর্ম অনুসরণ করতে আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাদের নৈতিক দৃঢ়তা, ইহুদি জাতির বাইরে অন্য সমব্যথীদের আকৃষ্ট করত, কিন্তু অন্য ধর্মের সদস্যরা তাদের জন্মের সেই দুর্ঘটনাকে পরিবর্তন করতে পারেন না। হিন্দুধর্ম এমন কিছু যে-ধর্মে আপনার জন্ম হতে হবে, সেই জাতপ্রথা অবধি, যা আজীবন আপনার সাথে যুক্ত হয়ে থাকবে। সেই সময় অবধি এর ব্যতিক্রম ছিল শুধুমাত্র একটি : বৌদ্ধধর্ম। এটি গোষ্ঠীর নিয়তিকে চ্যালেঞ্জ করেছিল এবং একক সদস্যদের পরিত্রাণের জন্যে তাদের কাছে একটি সংস্করণ প্রস্তাব করেছিল। এবং সেই সময় নাগাদ পুরো এশিয়াজুড়ে একটি বিশ্বজনীন ধর্ম হবার পথে ছিল, যে-কোনো জায়গায়, যে কোনো সময়ে, যে-ধর্মটি সবার জন্যে উন্মুক্ত।

    একটি লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, যে-ধর্মগুলো ব্যক্তিগত স্তরে এর অনুসারীদের সহায়তা করে, সেই ধর্মগুলোর দ্রুত বৃদ্ধি এবং বিশ্বজনীন হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রবল। কারণ, পৃথিবী পূর্ণ এমন বহু মানুষ দিয়ে, যারা পরিত্রাণ খুঁজছেন। আর রহস্যময় এই ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলো দেখিয়েছে মানবসমাজে এই প্রবণতা কাজ করছে। বহু ব্যক্তিই সেখানে স্বেচ্ছায় যোগ দেন। আর এটি ‘গোষ্ঠীগত পরিচয় হিসাবে ধর্মধারণাটিতে একটি পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল এবং ব্যক্তিগত ধর্মান্তরিতকরণের ধারণাটি এটিকে প্রতিস্থাপিত করেছিল। আর তাদের অনুসারীদের পরিত্রাণ পাবার আবেগীয় অভিজ্ঞতা দিতে যে-উপায়গুলো এই গোষ্ঠীগুলো ব্যবহার করত, তা বিশেষ একটি ছক সরবরাহ করেছিল, তখনও জন্ম হয়নি এমন বহু ধর্মই, যা পরবর্তীতে অনুকরণ করেছিল। একটি দেবতার ধারণা, যিনি কিনা মৃত্যুবরণ করেছেন এবং তারপর আবার বেঁচে উঠেছেন, সেটি মানবপ্রকৃতির কোথাও-না কোথাও আবেদন রাখে, বিশেষ করে যদি এটি তাদের নিজেদের সমাধি থেকে বের হয়ে আসার একটি উপায় প্রস্তাব করে।

    এইসব নতুন ধারণা আর প্রবণতাগুলো ধর্মের ইতিহাসে তাদের সবচেয়ে শীর্ষ অভিব্যক্তিটিকে স্পর্শ করতে আরো কয়েক শতাব্দী সময় লেগেছিল। কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল আর প্রাধান্যবিস্তারকারী ধর্মটির আবির্ভাবের জন্য দৃশ্যপটটি ততদিনে প্রস্তুত হয়েছিল। যখন খ্রিস্টধর্ম এর সবচেয়ে সফলতম পর্বে ছিল, এটি নিজেকে চিহ্নিত করেছিল ক্যাথলিক’ নামে। ‘ক্যাথলিক’ শব্দটি এসেছে গ্রিকভাষা থেকে, এর মানে বিশ্বজনীন’। এবং এর ভিত্তিমূলক বিশ্বাস ছিল একজন ঈশ্বরের মৃত্যু আর আবার তার পুনর্জাগরিত হওয়া। পরের কিছু অধ্যায়ে আমরা সেই বিষয়গুলো অনুসন্ধান করব, কীভাবে এই ধর্মটি, যা খুব ক্ষুদ্র একটি ইহুদি উপগোষ্ঠী হিসাবে এর যাত্রা শুরু করেছিল, সেটি আসলেই পৃথিবীর প্রথম সত্যিকারের বিশ্বজনীন ধর্মে রূপান্তরিত হয়েছিল– ক্যাথলিক চার্চ-আর কীভাবে এটি এর নিজের জন্যে এই খেতাবটি অর্জন করেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }