Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৮. ধর্মান্তরিত

    অধ্যায় ১৮. ধর্মান্তরিত

    ধর্মান্তরিত ব্যক্তি ধর্মের নাটকে আরো একটি নিয়মিত বৈশিষ্ট্যসূচক চরিত্র। ‘কনভারসন’ (ধর্মান্তরিতকরণ) শব্দটির মানে উলটো ঘুরে যাওয়া এবং বিপরীত দিকে তাকানো। অধিকাংশ মানুষই জীবদ্দশায় তাদের মতামত পরিবর্তন করেন, কিন্তু সাধারণত সেটি একটি ধীর প্রক্রিয়া, ক্রমশ সময়ের সাথে একটি ধারণা থেকে সরে আসা। কিন্তু ধর্মীয় রূপান্তর কদাচিৎ এমন হয়ে থাকে। ধর্মান্তরিত ব্যক্তি চোখের পলকেই রূপান্তরিত হতে পারেন। খুব দ্রুত তারা সম্পূর্ণভাবে বদলে যেতে পারেন। এটি এতই আকস্মিক একটি ব্যাপার যে, তারা বলেন এটি অনেকটাই আবার নতুন করে জন্ম নেওয়ার মতো একটি ব্যাপার।

    এই জন্ম নেওয়ার সাদৃশ্য উদাহরণটি যথাযথ, কারণ এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় প্রসব যতই দ্রুত হোক না কেন, একটি শিশুর ভূমিষ্ঠ হবার উপযোগী হতে সময় লাগে। একই সাথে ধর্মান্তরিত হবার সেই মুহূর্তটি আকস্মিক মনে হতে পারে, কিন্তু আসলে প্রায়শই এটি দীর্ঘ একটি প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পরিণতি, যা আসলেই বহুবছর ধরেই চলমান ছিল। ধর্মান্তরিতের আত্মা বিভাজিত, তারা এমন কিছুর বিরুদ্ধে সগ্রাম করছেন, যার প্রতি তাদের অনুভূত সেই আকর্ষণটি তারা স্বীকার করতে পারেন না। যদি তারা পরাজয় মেনে নেন, এটি তাদের জীবনকে এমন একদিকে নিয়ে যাবে, যা তারা চান না। সুতরাং তারা যুদ্ধ করেন, সেই জিনিসটির বিরুদ্ধে, যে-জিনিসটির কাছে তারা আত্মসমর্পণ করতে কামনা করছেন।

    খ্রিস্টধর্মে বহু ধর্মান্তরিতদের মধ্যে যাদের জীবন সম্পূর্ণভাবেই বদলে গিয়েছিল তাদের সাথে যা ঘটেছিল সেই কারণে সবচেয়ে বিখ্যাত ছিলেন সল নামের একজন ইহুদি ব্যক্তি। সল পরবর্তীতে একজন খ্রিস্টান হয়েছিলেন এবং পল নামে তিনি পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। তার ধর্মান্তরিতকরণের ঘটনাটি এতই বিখ্যাত যে, ঘটনাটি যেখানে ঘটেছিল সেটি, আকস্মিকভাবে মন পরিবর্তন করা বোঝাতে একটি শব্দ-সংকেত হিসাবে আমাদের ভাষায় প্রবেশ করেছে। আমরা যখন জীবনের এমন কোনো মুহূর্তের বর্ণনা দিতে চাই, যখন এটি সম্পূর্ণ বিপরীতে এর দিক পরিবর্তন করেছিল, তখন একটি ‘দামাস্কাস রোড’ অভিজ্ঞতার কথা বলি, কারণ দামাস্কাসগামী রাস্তার উপরেই সল অবশেষে খ্রিস্টধর্মের কাছে নিজেকে সমর্পণ করেছিলেন, যে-বিশ্বাসটির অনুসারীদের তিনি নিজেই বহুবছর ধরে নিপীড়ন করে আসছিলেন।

    আমরা সঠিকভাবে জানি না সল কখন জন্মগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু ধারণা করা হয় এটি খ্রিস্টযুগ শুরু হবার দ্বিতীয় বছরের শুরুর কোনো একটি সময় ছিল। তার মৃত্যুর সঠিক তারিখ নিয়েও অনিশ্চয়তা আছে, কিন্তু নির্ভরযোগ্য ইতিহাসের একটি ধারা বলছে ৬২ আর ৬৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে কোনো একটি সময়, তিনি রোমে তার ধর্মবিশ্বাসের জন্যে শহীদ হয়েছিলেন। আমরা জানি তিনি বর্তমান দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কে অবস্থিত তৎকালীন রোমান প্রদেশ সাইলিসিয়ার একটি শহর টারসাসে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আমাদের বলা হয়েছিল, তিনি ছিলেন ইহুদি এবং তার পিতার কাছ থেকেই তিনি রোমের নাগরিকত্ব উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিলেন। সম্ভবত তার রোমান নাম ছিল পল। পেশায় তিনি তাঁবু-নির্মাতা ছিলেন, তবে তিনি শিক্ষিত ছিলেন এবং খুব ভালো গ্রিক পড়তে আর লিখতে পারতেন। তিনি যে চার্চগুলো প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই চার্চগুলোর উদ্দেশ্যে লেখা তার চিঠিগুলো সবচেয়ে প্রাচীনতম খ্রিস্টীয় ডকুমেন্ট, যা আমাদের কাছে আছে। সম্ভবত জেরুজালেম শহরের একজন গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষক গামালিয়েলের তত্ত্বাবধানে তিনি তার শিক্ষার একটি অংশ পেয়েছিলেন। এবং তিনি বলেছিলেন তার এই শিক্ষক ছিলেন একজন ‘ফারিসি’।

    নিজেদেরকে যতই ঐক্যবদ্ধ দাবি করুক না কেন, সব ধর্মই হচ্ছে বিভিন্ন দল-উপদলের একটি জোট, যারা ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে তাদের বিশ্বাসের প্রতি অনুগত। কখনো খুবই ভিন্ন উপায়ে। সলের সময় জুডাইজম বা ইহুদিবাদও এর ব্যতিক্রম ছিল না। ধর্মের সবচেয়ে সাধারণ বিভাজনটি মূলত রক্ষণশীল আর প্রগতিশীলদের মধ্যে থাকে। তারা যেহেতু জানেন, তাদের ধর্মটি এসেছে সেই নবীদের কাছ থেকে, যারা ঈশ্বরের কণ্ঠ শুনেছেন, এবং তারপর যিনি তার নির্দেশনাগুলো মানুষকে জানিয়েছিলেন, রক্ষণশীলরা তাদের বিশ্বাসকে মূল ঐশী প্রত্যাদেশের প্রথম পর্যায়ে সীমাবদ্ধ করে রাখেন। কিন্তু প্রগতিশীলরা পরবর্তীতে আসা নতুন ব্যাখ্যা, পরিবর্তন আর ধারণাগুলো গ্রহণ করতে চান। প্রথম শতাব্দীতে জুডাইজমে এইসব পরস্পরবিরোধী প্রবণতাগুলো প্রতিনিধিত্ব করতেন সাডুসি বা রক্ষণশীলরা আর ফারিসি বা প্রগতিশীলরা, সে-দলেরই একজন সদস্য ছিলেন সল।

    তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্যটি মূলত ছিল মৃত্যু-পরবর্তী জীবনের ওপর বিশ্বাস সংক্রান্ত ধারণায়, যে-বিষয়টি ইহুদিবাদের সূচনাপর্বে আলোচনায় আসেনি। আব্রাহামের আবিষ্কার ছিল, শুধুমাত্র একজনই ঈশ্বর আছেন। মোজেসের আবিষ্কার ছিল ঈশ্বরের সেই নির্বাচন আর চুক্তি : ইহুদিরা তার বিশেষভাবে চিহ্নিত জনগোষ্ঠী এবং তার প্রদত্ত আইনগুলোর সংরক্ষক। এটাই ছিল ইহুদিবাদের মূল সার, যার প্রতি সাডুসি বা রক্ষণশীলরা কঠোরভাবে অনুগত ছিলেন। তারা সেই ধারণাগুলোকে অবিশ্বাস করতেন, ব্যাবিলনের নির্বাসিত থাকার সময় যে-ধারণাগুলো তারা আত্তীকৃত করেছিলেন বলে মনে করা হয়, যেমন, মৃতদের পুনর্জন্ম এবং শেষবিচারের দিনে তাদের মধ্যে শাস্তি অথবা পুরস্কার বিতরণ। ব্যাবিলন থেকে আরেকটি আমদানি রক্ষণশীলরা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, সেটি হচ্ছে ফেরেশতাদের অস্তিত্বের ওপর তাদের বিশ্বাস। দাবি করা হয়, ফেরেশতারা ঈশ্বর আর মানবজাতির মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম ছিলেন। পৃথিবীতে তাদের সন্তানদের কাছে বার্তা পৌঁছে দেবার জন্যে অশরীরী বুদ্ধিমত্তা অথবা অশরীরী মন হিসাবে বর্ণিত ফেরেশতাদের ঈশ্বর ব্যবহার করেন। সাভুসি বা রক্ষণশীলরা ছিল আরেকটি অপ্রয়োজনীয় আমদানি। তার খবর পৌঁছে দেবার জন্যে ঈশ্বরের কোনো বার্তাবাহকের দরকার নেই। তিনি ইতিমধ্যে সর্বত্র বিরাজমান এবং তাদের নিশ্বাসের চেয়েও যিনি আরো বেশি তাদের নিকটবর্তী।

    তবে ফারিসিরা বিষয়টি এভাবে দেখেননি। তারা প্রগতিশীল ছিলেন, ঈশ্বর তার অস্তিত্বের রহস্যময়তা আর তার পৃথিবী-সংক্রান্ত উদ্দেশ্যগুলো নিয়ে তার সন্তানদের শিক্ষা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন এমন প্রস্তাবনাটি তারা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। কেন? তারা প্রতিবাদ করে বলেছিলেন, কেন তাদের বিশ্বাস করা উচিত হবে, ঈশ্বর তার নির্বাচিত মানুষগুলোকে যা জানাবার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন, শতবছর আগেই তিনি সেইসব জ্ঞান বিতরণ করার কাজটি শেষ করে ফেলেছেন? তাহলে তিনি কি একজন জীবন্ত ঈশ্বর নন, যিনি এখনও নতুন নবীকে আহ্বান করতে সক্ষম, যাকে তিনি তার মানুষদের জানাতেন নতুন সত্য শিক্ষা দিতে পারেন?নবী ডানিয়েল কি তাদের বলেননি যে, ঈশ্বর ইজরায়েলের সুরক্ষার দায়িত্ব দিয়েছেন ফেরেশতা মাইকেলকে এবং তাদের জন্য অভূতপূর্ব। একটি খারাপ সময়ের পর, তারা মুক্তি পাবেন, এবং মৃতরা তাদের কবর থেকে জেগে উঠবে, কেউ অনন্ত জীবনে আর কেউ অনন্ত লজ্জায়? এবং রোমানদের শাসনের অধীনে যে দুর্দশার অভিজ্ঞতা তাদের হচ্ছে, সেটাই কি ডানিয়েলের বর্ণনার সাথে মিলে যাচ্ছে না? তারা কি সবাই ডানিয়েলের প্রতিশ্রুত চূড়ান্ত সমাপ্তি আর পৃথিবীতে এইসব ঘটনাগুলো ঘটাতে মুখ্য ভূমিকা পালনকারী একজন ‘মেসাইয়া’র আগমনের জন্য অপেক্ষা করছেন না?

    ইজরায়েলে তখন সময়টি ছিল ধর্মীয় আর রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়। জেরুজালেম বহু গোষ্ঠীর মানুষ দিয়ে অতিমাত্রায় জনবহুল হয়েছিল, যারা সেই মানুষটিকে খুঁজছিলেন, যিনি সেই মেসাইয়ার যুগটি তাদের পরিত্রাণের উদ্দেশ্য নিয়ে আসবেন। কিন্তু সবার প্রতিশ্রুত মেসাইয়া হিসাবে দাবি করা এমন কারোর জন্য সেখানে একটি ত্রিমুখী বিপদ অপেক্ষা করেছিল। তখন ইসরায়েল শাসন করছিল রোমসাম্রাজ্যের খুবই অধৈর্য একগুচ্ছ কর্মকর্তা, যারা বিদ্রোহের সামান্যতম সম্ভাবনা খুব নিষ্ঠুরভাবে দমন করতে প্রস্তুত ছিলেন। অন্তত তাদের কাছে এই মেসাইয়া হচ্ছে রোমশাসনের বিরুদ্ধে কোনো বিদ্রোহীর পোশাকি নাম। এবং তারা জানতেন কীভাবে বিদ্রোহীদের দমন করতে হয়।

    আর যে যাজক-পুরোহিতরা মূল মন্দিরটি পরিচালনা করতেন, তারাও এই প্রতিশ্রুত মেসাইয়া দাবি করা এমন কারোর জন্যে ভীতিকর আরেকটি প্রতিপক্ষ ছিলেন। রোমানদের কাছে তিনি হয়তো রাজনৈতিক বিদ্রোহী হতে পারেন, কিন্তু ইহুদি পুরোহিতদের কাছে তারা ছিলেন ঈশ্বরবিরোধী একজন ধর্মদ্রোহী, যিনি ঈশ্বরের ইচ্ছা কী সেই বিষয়ে তাদের একচ্ছত্র কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। এবং তারা জানতেন কীভাবে ধর্মদ্রোহীদের শায়েস্তা করতে হয়।

    হেরড রাজপরিবারের সদস্যরা, রোম-কর্তৃপক্ষ ইজরায়েলকে চারটি এলাকায় বিভাজিত করে সেগুলো দেখাশুনা করার জন্যে যাদের দায়িত্ব দিয়েছিল, তারাও এই নিজেকে প্রতিশ্রুত দেবতা হিসাবে দাবি করা এমন মেসাইয়ার জন্য সমানভাবে বিপজ্জনক আরেকটি প্রতিপক্ষ ছিলেন। তাদের ক্ষমতার সামান্য অবশিষ্টাংশ আঁকড়ে বেঁচে থাকা এইসব ছোটখাটো রাজপরিবারের সদস্যদের নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার জন্যে এমন কোনো মেসাইয়া অবশ্যই একটি হুমকি ছিল। এবং তাদের জীবনযাত্রার প্রতি হুমকি হতে পারে এমন কাউকে কীভাবে শায়েস্তা করা যায় তারা সেটি জানতেন।

    এক পাসওভারের সময় এমনই একজন মেসাইয়া দাবিকৃত ব্যক্তি যিশুকে, ‘ধর্মদ্রোহী’ হিসাবে দণ্ডিত করা ইহুদি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আর ‘অনাকাঙিক্ষত সমস্যা হিসাবে চিহ্নিত করা গ্যালিলির শাসক হেরড অ্যান্টিপাসের সমর্থনে রোম কর্তৃপক্ষ মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। কিন্তু সেই সমস্যাটি যিশুখ্রিস্ট বা মেসাইয়া যিশু নামে পরিচিত এই ব্যক্তিটিকে ক্রুশবিদ্ধ করার পরে শেষ হয়ে যায়নি। আর সেই সময়ে এই কাহিনিতে প্রবেশ করেছিলেন সল।

    যিশুর অনুসারীরা তার মৃত্যুর পর তাদের মেসাইয়াকে নিয়ে কথা বলা বন্ধ করেননি। বরং তারা আরো সাহসী হয়ে উঠেছিলেন। তারা বলেছিলেন তাদের কাছে প্রমাণ আছে যে, ঈশ্বরই এই মেসাইয়াকে পাঠিয়েছিলেন চূড়ান্ত ইতিহাস পরিসমাপ্তি হবার সেই দিনটির জন্যে ইজরায়েলকে প্রস্তুত করতে। তার মৃত্যুর পর, তিনি তাদের কাছে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন এলাকায় ‘আবির্ভূত হয়েছিলেন, এবং তিনি তাদের একতাবদ্ধ থাকতে এবং তার শেষ চূড়ান্ত আগমনের জন্যে অপেক্ষা করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। এটি সেই মন্দিরের ইহুদি যাজকদের ভীষণ ক্ষুব্ধ করেছিল, তারা ভেবেছিলেন যিশুকে হত্যা করার মাধ্যমে এই বিপজ্জনক সমস্যাটিকে চিরকালের জন্যে তারা উৎপাটন করতে পেরেছেন। সুতরাং মন্দির পুলিশের একটি বিশেষ শাখার নেতৃত্ব দেবার জন্য তারা সল দ্য ফারিসিকে নিয়োগ দিয়েছিলেন এবং তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন তিনি আরো বড় কোনো ঝামেলা সৃষ্টি করার আগেই এই তথাকথিত খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের আটক করতে খুঁজে বের করেন। এমন কাজের জন্যে সল মরিয়া হয়ে অপেক্ষায় ছিলেন, এবং তিনি অতি উৎসাহের সাথে খ্রিস্টান-নিপীড়নে নেমে পড়েছিলেন।

    এই সময়ে তার একটি বর্ণনা আমাদের কাছে আছে। তিনি আকারে ছোটখাটো ছিলেন, তার মাথায় টাক ছিল, পা দুটি খানিকটা ধনুকের মতো বাঁকা ছিল। তিনি নিজেই স্বীকার করেছিলেন, শারীরিকভাবে তিনি অনাকর্ষণীয় ছিলেন। কিন্তু তার মধ্যে বিশেষ কিছু একটা ছিল। আর তার চোখে সেটি দেখা যেত। তীব্র আবেগময় কোনো অনুসন্ধানীর গভীরতা ছিল তার চাহনিতে। অস্থির প্রাণশক্তিতে তিনি বলীয়ান ছিলেন। এবং তিনি বিতর্ক করতে পারতেন। এই সেই মানুষ যিনি এখন খ্রিস্টান-শিকারির ব্যাজ পরে আছেন। কিন্তু স্মরণ করুন, তিনি ছিলেন একজন প্রগতিশীল ফারিসি। যখন কিনা রক্ষণশীল সাডুসিরা বিশ্বাস করতেন না। যে, মৃত্যুর পর আবার জীবিত হয়ে কারো ফিরে আসা সম্ভব হতে পারে, সুতরাং খ্রিস্টানদের এই দাবি উদ্ভট অবাস্তব বলে তারা আগেই প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছিলেন। তাদের যুক্তি ছিল খুব স্পষ্ট : কোনো মানুষই মৃত্যুর পর আবার প্রাণ ফিরে পেয়ে উঠে দাঁড়াতে পারে না, আর খ্রিস্টানদের এই মেসাইয়া যিশুও মানুষ ছিলেন, যিশুও মৃত্যুর পর জীবিত ফিরে আসেননি।

    তবে ফারিসিরা এভাবে বিষয়টি নিয়ে যুক্তি দেবেন না। তারা বিশ্বাস করতেন সত্যিই একদিন ঈশ্বর শেষবিচারের জন্যে মৃতদের জাগিয়ে তুলবেন। তারা শুধু বিশ্বাস করতে পারেননি যে, তিনি ইতিমধ্যে যিশু-নামক এই ব্যক্তিকে মৃত্যু থেকে

    জাগিয়ে তুলেছেন। এবং সলও এমন কিছু বিশ্বাস করতেন না। আর সে-কারণেই। তিনি সেইসব ধর্মদ্রোহীদের পেছনে তাড়া করে খুঁজেছিলেন, যারা এমন কিছু বিশ্বাস করতেন। কিন্তু তার মনে কি বিষয়টি নিয়ে খানিকটা সংশয় ছিল? আর সে-কারণেই তিনি এত প্রবলভাবে খ্রিস্টান-বিরোধী ছিলেন? সারা দেশ ঘুরে খ্রিস্টানদের তাড়া করে বেড়ানোর অর্থ কি তাহলে তার নিজের কাছ থেকে পালিয়ে বেড়ানোরই একটি প্রচেষ্টা ছিল?

    এবং আসলেই তিনি দৌড়েছিলেন। তিনি খবর পেয়েছিলেন জেরুজালেম থেকে একশো মাইল উত্তরে দামাস্কাস শহরে যিশুর অনুসারীরা ইতিমধ্যেই অবস্থান করছেন। এরপর তারা কোথায় গিয়ে প্রতিষ্ঠিত হবেন? দামাস্কাসে এদেরকে খুঁজে বের করতে প্রধান-যাজকের কাছে তিনি অনুমতি নিয়েছিলেন। যখন তিনি দামাস্কাসের পথে যাচ্ছিলেন, হঠাৎ করে খুব উজ্জ্বল একটি আলো তাকে অন্ধ করে দিয়েছিল, তিনি মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে গিয়েছিলেন। তারপর তিনি একটি কণ্ঠ শুনতে পান, যে-কণ্ঠটি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, কেন তুমি আমাকে নির্যাতন করছ?’ আতঙ্কিত পল এর উত্তরে আর্তনাদ করে বলেছিলেন, কে তুমি’? আমি যিশু, যাকে তুমি নির্যাতন করছ’, কণ্ঠটি তাকে বলেছিল। তারপর সেই কণ্ঠটি তাকে উঠে দাঁড়াতে বলেছিল, এবং তাকে দামাস্কাসে গিয়ে অপেক্ষা করতে বলেছিল, পরবর্তীতে তাকে কী করতে হবে সেটি যথাসময়েই জানানো হবে। যখন সল দাঁড়াতে পেরেছিলেন তখন তিনি তার চোখ দিয়ে কিছুই দেখতে পারছিলেন না। তার এই অন্ধত্বকে কুসংস্কারাচ্ছন্ন মিথ্যা বলে এখনই বাতিল করে দেবেন না, স্মরণ করুন মানুষের মন কী করতে পারে। একটি কথা আছে, তাদের মতো এত অন্ধ আর কেউ নেই, যারা ইচ্ছা করেই কিছু দেখেন না। সলের এই অন্ধত্ব ছিল, এখন যে-বিষয়টি সত্য বলেই তিনি জানেন, সেটিকে দীর্ঘদিন ধরে অস্বীকার করারই একটি উপসর্গ। তার সহকারীদের সহায়তায় তিনি দামাস্কাসে পৌঁছান, এবং সেখানে তার থাকার জন্যে একটি ঘর ভাড়া করে দেওয়া হয়েছিল। অন্ধ আর সংশয়গ্রস্ত, সেখানে তিনি তিনদিন ছিলেন, যখন তিনি কিছু খেতে বা পান করতেও পারেননি, এরপরে কী হবে তার জন্যই শুধু অপেক্ষা করছিলেন।

    যিশুর একজন স্থানীয় অনুসারী আনানিয়াস, সল যে-ঘরে উঠেছিলেন সেখানে তার দেখাশুনা করার জন্যে এসেছিলেন। তার দৃষ্টিশক্তি আবার ফিরে এসেছিল। এবং সাথে সাথেই তিনি একটি বিপজ্জনক কাজ করেছিলেন, তিনি স্থানীয় একটি সিনাগগে যান এবং উপস্থিত প্রার্থনাকারীদের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করে জানান যে, যিশুই ছিলেন ঈশ্বরের পুত্র, সেই মেসাইয়া, যার জন্যে তারা অপেক্ষা করছেন। তিনি তাদের জানান, এটি তিনি জানতে পেরেছেন কারণ স্বয়ং যিশু তার সামনে আবির্ভূত হয়েছিলেন।

    কল্পনা করুন যিশুর অনুসারীদের ওপর এই ঘটনাটির প্রভাব কেমন ছিল। তাদের সবচেয়ে বড় একজন নির্যাতনকারী, এখন তাদেরই একজন বলে নিজেকে দাবি করছেন। এটি কি তার চালাকির কোনো কৌশল? সল কি তাদের সংগঠনে প্রবেশ করতে চাইছেন ছদ্ম-বিশ্বাসীর পরিচয়ে, যেন এর সদস্যদের চিহ্নিত করতে তার সুবিধা হয়? তারা স্পষ্টতই এই নতুন ধর্মান্তরিতকে নিয়ে বেশ অস্বস্তি অনুভব করেছিলেন।

    এরপর তার করণীয় নিয়ে সল নিজেও খুব একটা নিশ্চিত ছিলেন না। তবে তিনি যে-সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সেটি তার জন্যে বৈশিষ্ট্যসূচকই ছিল। তাদের বিশ্বাস সম্বন্ধে জানতে ও সদস্য হতে চার্চের নেতাদের মুখাপেক্ষী না হয়ে বরং তিনি একাই আরবের মরুভূমির দিকে চলে গিয়েছিলেন, তার সাথে যা ঘটেছিল সেটি নিয়ে ভাবতে এবং প্রার্থনা করতে। খ্রিস্টীয় ধর্মবিশ্বাসের ওপর তার আর কোনো প্রশিক্ষণের দরকার ছিল না, তিনি ভেবেছিলেন, দামাস্কাস রোডে তার সামনে উপস্থিত হয়ে যিশু তার যা দরকার সবকিছুই তাকে দিয়েছেন। যিশুর এই পুনরুত্থান একটি বার্তা ছিল। সেটি ভালো করে বোঝার চেষ্টা করুন, গুরুত্বপূর্ণ সবকিছুই আপনি বুঝতে পারবেন।

    যিশু আন্দোলনের নেতাদের, বা তিনি যেভাবে বলেছিলেন, অন্য নেতাদের সাথে দেখা করতে জেরুজালেমে আসতে সলের আরো তিনবছর সময় লেগেছিল, ততদিনে তিনি পল নামে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। কারণ তিনিও নিজেকে যিশুর একজন সহচর হিসাবে দাবি করেছেন, অর্থাৎ তার বার্তা ছড়িয়ে দেবার জন্যে যাকে যিশু ‘প্রেরণ’ করেছেন। এবং বিষয়টি নিয়ে সবার মধ্যে দ্বন্দ্ব দ্রুত নিরসন হওয়াই ভালো।

    যিশুর ঘনিষ্ঠ অন্য সহচররা ভেবেছিলেন, বিষয়টি বেশ অদ্ভুত নয় কি, এই ভুইফোঁড়, যে কিনা যিশুর সাথে কখনোই সাক্ষাৎ করেননি, এই পৃথিবীতে তার জীবন সম্বন্ধে যিনি কিছুই জানেন না, তারপরও তিনি কিনা যিশুখ্রিস্টের পুনরুত্থানের ঘোষণা প্রচার করছেন? আমরা ঈশ্বরপুত্র যিশুকে চিনতাম, যদিও তিনি আমাদের হতবুদ্ধি করেছিলেন। এভাবে কাউকেই আমরা তার মতো করে এর আগে কখনোই কথা বলতে শুনিনি। তিনি কি সেই মেসাইয়া, আমরা তাঁর কথা শুনে ভেবেছিলাম? সেটি জানতে আমরা তার অনুসারী হয়েছিলাম। কিন্তু আমরা যেমন প্রত্যাশা করেছিলাম তেমন কিছু ঘটেনি।

    বেশ, তাহলে এই যিশু নামের মানুষটি কে ছিলেন? আর আসলেই তার সাথে কী ঘটেছিল?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }