Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০১. উপরে কি কেউ আছেন?

    অধ্যায় ১. উপরে কি কেউ আছেন?

    ধর্ম কী? আর কোথা থেকে এটি এসেছে? ধর্ম এসেছে মানব প্রাণীদের মন থেকে, সুতরাং আমাদের কাছ থেকেই এটি এসেছে। আপাতদৃষ্টিতে প্রতীয়মান যে, পৃথিবীর অন্য কোনো প্রাণীরই ধর্মের প্রয়োজন নেই। আর আমরা যতদূর বলতে পারি তারা কোনো ধর্মও সৃষ্টি করেনি। তার কারণ, আমাদের চেয়ে তারা তাদের জীবনের সাথে অনেক বেশি একাত্ম। সহজাত প্রবৃত্তি অনুযায়ী তারা আচরণ করে। তারা তাদের অস্তিত্বের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতার সাথেই জীবন কাটায় সারাক্ষণ সেই বিষয়ে না-ভেবে। মানব প্রাণী সেই কাজটি করার ক্ষমতা হারিয়েছে। আমাদের মস্তিষ্ক এমনভাবে গড়ে উঠেছে যে, এটি আমাদের আত্মসচেতন করে তোলে। নিজেদের ব্যাপারে আমরা বেশ কৌতূহলী। কোনোকিছু নিয়ে না-ভেবে আমরা থাকতে পারি না। আমরা চিন্তা না করে থাকতে পারি না।

    আর সবচেয়ে বড় যে-বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তা করি, সেটি এই মহাবিশ্ব নিয়ে, এবং কোথা থেকে এটি এসেছে সেই বিষয়ে। কেউ কি কোথাও আছেন যিনি এটি সৃষ্টি করেছেন? আর সম্ভাব্য সেই কেউ বা কোনোকিছুকে বোঝাতে আমরা যে-শব্দটি ব্যবহার করি সেটি হচ্ছে ‘গড’ বা ‘ঈশ্বর’, গ্রিক ভাষায় ‘থিওস’, আর এমন কেউ যিনি মনে করেন একজনের ঈশ্বর আছেন তাকে বলা হয়। ‘থেইস্ট বা আস্তিক’। আর যিনি ভাবেন কোথাও এমন কেউ বা কিছু নেই আর এই মহাবিশ্বে আমরা একা, তাদের বলা হয় ‘এথেইস্ট বা নাস্তিক’। আর ঈশ্বরকে নিয়ে অধ্যয়ন আর আমাদের কাছে তিনি কী চাইছেন সেই বিষয়ে জ্ঞানার্জনকে বলা হয় ধর্মতত্ত্ব বা ‘থিওলজি’। আরেকটি বড় প্রশ্ন যা আমরা নিজেদেরকে না করে থাকতে পারি না, সেটি হচ্ছে, মৃত্যুর পরে আমাদের সাথে কী ঘটবে? যখন আমরা মারা যাব, সেটাই কি শেষ নাকি এর পরে আরো কিছু ঘটবে? আর যদি কিছু থেকে থাকে, কেমন হবে সেটি?

    যা আমরা ধর্ম বলে চিহ্নিত করি, সেটি হচ্ছে এইসব প্রশ্নের উত্তর দেবার জন্যে আমাদের প্রথম প্রচেষ্টা। প্রথম প্রশ্নটির জন্যে এর উত্তর খুব সহজ। মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছে একটি শক্তিশালী সত্তা, যাকে আমরা কেউ কেউ ‘গড’ বা ‘ঈশ্বর’ বলি, এবং যা-কিছু তিনি সৃষ্টি করেছিলেন, সেগুলো নিয়ে তার কৌতূহল আর সেখানে হস্তক্ষেপ করা অব্যাহত রেখেছেন। ঈশ্বর নামের শক্তিশালী সত্তাটি কেমন, এবং আমাদের কাছে এটি কী প্রত্যাশা করে, প্রতিটি ধর্ম সেই বিষয়ে পৃথক পৃথক সংস্করণ প্রস্তাবনা করেছে, কিন্তু সেগুলোর প্রত্যেকটি কোনো-না-কোনো একটি রূপে এর অস্তিত্বে বিশ্বাস করে। সেগুলো আমাদের বলে, এই মহাবিশ্বে আমরা একা নই। আমাদের বোধের সীমানার বাইরেও অন্য বহু বাস্তবতা আছে, অন্য জগৎ। আমরা তাদের ‘অতিপ্রাকৃত’ বলি, কারণ সেগুলো এই প্রাকৃতিক জগতের বাইরে অবস্থিত, যে প্রাকৃতিক জগৎটি আমাদের ইন্দ্রিয়ের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে অভিগম্য।

    যদি ধর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাসটি হয়, এই জগতের বাইরে আরো একটি বাস্তবতার অস্তিত্বের ওপর বিশ্বাস, যাকে আমরা ঈশ্বর বলছি, তাহলে কী এই বিশ্বাসটিকে প্ররোচিত বা অনুপ্রাণিত করেছিল, আর কখন এটি শুরু হয়েছিল? এটি শুরু হয়েছিল বহু যুগ আগে। বাস্তবিকভাবে, আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়, এমন কোনো সময় আসলেই কখনো ছিল না, যখন মানুষ এই পৃথিবীর বাইরে একটি অতিপ্রাকৃত জগতের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি। এবং মানুষ মারা যাবার পর সেই মানুষগুলোর সাথে কী ঘটে সেই বিষয়টি নিয়ে কল্পনা আর ভাবনা হয়তো এইসব কিছুর সূচনা করেছিল। সব প্রাণীই মারা যায়, কিন্তু অন্যদের ব্যতিক্রম, মানুষ তাদের স্বজনদের মৃতদেহ যেখানে তারা মারা যাচ্ছে সেখানে পড়ে পচার জন্যে ফেলে রেখে যায় না। যতদূর আমরা সেই মানুষগুলোর ইতিহাস অনুসরণ করতে পারি, মানুষ স্পষ্টতই মৃতদের জন্যে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করত। আর তারা সেই অনুষ্ঠানটি যেভাবে পরিকল্পনা করতেন, সেটি তাদের সবচেয়ে প্রাচীনতম বিশ্বাসগুলো সম্বন্ধে আমাদের কিছুটা ধারণা দেয়।

    অবশ্যই, এর মানে এমন কিছু বলা হচ্ছে না যে, অন্য প্রাণীরা তাদের মৃত সঙ্গীদের জন্যে শোক প্রকাশ করে না। বহু প্রমাণ আছে যে, অনেক প্রাণী সেটি করে। এডিনবরায় ছোট একটি কুকুরের বিখ্যাত মূর্তি আছে, যার নাম ছিল ‘গ্রেফ্রায়ার্স ববি’, সেটি সাক্ষ্য দিচ্ছে কোনো প্রাণী কীভাবে দুঃখ অনুভব করে যখন তারা তাদের সাথে সম্পর্কযুক্ত এমন কাউকে হারায়। ববি মারা গিয়েছিল ১৮৭২ সালে, তার জীবনের শেষ চৌদ্দটি বছর সে তার মৃত মনিব, জন গ্রে’র কবরের উপর শুয়ে কাটিয়েছিল। কোনো সন্দেহ নেই ববি তার বন্ধুর অনুপস্থিতি গভীরভাবে অনুভব করেছিল, কিন্তু জন গ্রে’র মানব-পরিবারই তার জন্য প্রকৃত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল, এবং গ্রেফ্রায়ার্স কার্কইয়ার্ডে তাকে সমাহিত করেছিল। এবং তাকে সমাহিত করার মাধ্যমে তারা খুব বৈশিষ্ট্যসূচক মানব-আচরণগুলোর একটি আচরণ সম্পন্ন করেছিলেন। তাহলে কোন বিষয়টি মৃতদের সমাহিত করা শুরু করতে মানুষকে প্ররোচিত করেছিল?

    মৃতদের ব্যাপারে যে সুস্পষ্ট ব্যাপারটি আমাদের নজরে পড়ে সেটি হচ্ছে তাদের ভিতরে যা-কিছু ঘটছিল সেটি ঘটা বন্ধ হয়ে গেছে। তারা আর শ্বাস নিচ্ছে না। আর নিশ্বাস নেবার কাজটির সাথে সেই ধারণাটিকে সংশ্লিষ্ট করা ছিল খুব ক্ষুদ্র একটি পদক্ষেপ : আমাদের ভিতরে কিছু বাস করছে, কিন্তু সেটি আমাদের ভৌত শরীর থেকে পৃথক এবং যা এটিকে জীবন দিচ্ছে। এর জন্য গ্রিক শব্দটি ছিল ‘সাইকি’, ল্যাটিন ‘স্পিরিটাস’, এই দুটোই এসেছে সেই ক্রিয়াপদগুলো থেকে, যার অর্থ শ্বাস নেওয়া অথবা ফুঁ দেওয়া। একটি ‘স্পিরিট’ অথবা ‘সোল’ বা ‘আত্মা’ হচ্ছে এমন কিছু, যা কোনো-একটি শরীরকে জীবন্ত করে ও এটিকে নিশ্বাস নেওয়ায়। খানিকটা সময়ের জন্যে একটি শরীরের মধ্যে এটি বাস করে। যখন শরীর মারা যায়, এটি শরীরটিকে ত্যাগ করে চলে যায়। কিন্তু এটি কোথায় যায়? একটি ব্যাখ্যা ছিল, এটি এই জগতের ওপারে অন্য সেই জগতে চলে যায়, ‘আত্মার জগৎ, আমরা পৃথিবীতে যে-জগতে বাস করছি, এটি সেই জগতেরই অপর পিঠ।’

    প্রাচীন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া-সংশ্লিষ্ট আচরণগুলো যা আমরা আবিষ্কার করেছি সেগুলো সেই দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করছে, যদিও আমাদের দূরের পূর্বসূরিরা, তারা কী চিন্তা করছিলেন তার নীরব কিছু চিহ্ন আমাদের জন্যে রেখে গেছেন। তখনও লেখার পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়নি, সুতরাং তাদের চিন্তাগুলো কিংবা তাদের বিশ্বাসের বিবরণ তারা আমাদের জন্যে লিখে রেখে যেতে পারেননি, যেন আজ আমরা সেগুলো পড়তে পারি। কিন্তু তারা যা চিন্তা করেছিলেন সেই বিষয়ে আমাদের জন্যে কিছু ইঙ্গিত রেখে গেছেন। সেগুলো খুঁজে পেতে আমাদের বর্তমান ‘কমন’ সময়ের (যিশুর জন্ম) বেশ কয়েক হাজার বছর আগে ফিরে যেতে হবে। তবে আলোচনায় আরো অগ্রসর হবার আগে ‘বিসিই’, (‘বিফোর কমন এরা’ –কমন সময়ের আগে) শব্দটির একটি ব্যাখ্যা দরকার।

    যখন অতীতে কোনো ঘটনা ঘটে, সেগুলো ঘটার দিন-তারিখ চিহ্নিত করার জন্যে কোনো বৈশ্বিক ক্যালেন্ডার বা উপায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ। যা আমরা এখন ব্যবহার করি সেটি ষষ্ঠ শতাব্দীতে (কমন এরা) পরিকল্পনা করেছিল খ্রিস্টীয় জগৎ, যা প্রদর্শন করছে, আমাদের ইতিহাসে ধর্ম ঠিক কতটা প্রভাবশালী হতে পারে। হাজার বছর ধরে ক্যাথলিক চার্চ পৃথিবীর অন্যতম ক্ষমতাশালী একটি প্রতিষ্ঠান ছিল, এতই ক্ষমতাবান যে তারা সেই ক্যালেন্ডার নির্ধারণ করেছিল, যা আমরা এখনো ব্যবহার করছি। ক্যাথলিক চার্চের প্রতিষ্ঠাতা, যিশুখ্রিস্টের জন্ম ছিল এর কেন্দ্রীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তাঁর জন্মসাল হচ্ছে ‘ইয়ার ওয়ান’ বা প্রথম খ্রিস্টাব্দ। যা-কিছু এর আগে ঘটেছে সেগুলো ‘বিফোর ক্রাইস্ট’ বা বি.সি. বা খ্রিস্টপূর্বাব্দ। এরপরে যে বছরগুলো এসেছিল সেটি হচ্ছে এ.ডি. বা আনো ডমিনি, দ্য ইয়ার অব দ্য লর্ড (আমাদের প্রভুর বছর)।

    আমাদের এই সময়ে বি.সি. আর এ.ডি, প্রতিস্থাপিত হয়েছে বি.সি.ই. বা বিফোর কমন এরা অথবা সি.ই. বা উইদইন কমন এরা শব্দগুলো দিয়ে, যে শব্দগুলো কোনো ধর্মীয় ইঙ্গিত ছাড়াই অনুবাদ করা যেতে পারে : হয় খ্রিস্টীয় যুগের পূর্বে বা বি.সি.ই. এবং খ্রিস্টীয় যুগের মধ্যে বা সি.ই. অথবা কমন এরার পূর্বে বা বি.সি.ই. অথবা কমন এরার মধ্যে বা সি.ই.। কীভাবে এই শব্দগুলো বুঝবেন সেটি আপনি নিজেই বাছাই করতে পারেন। এই বইয়ে আমি বি.সি.ই. ব্যবহার করব সেই ঘটনাগুলোকে চিহ্নিত করতে, যেগুলো ঘটেছিল খ্রিস্টের জন্মের আগে অথবা কমন এরার আগে। কিন্তু লেখার মধ্যে বিশৃঙ্খলা যেন সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আমি সি.ই. শব্দটির পরিমিত ব্যবহার করব এবং শুধুমাত্র যেখানে প্রয়োজনীয় সেখানেই সেটি শুধু ব্যবহার করব। সুতরাং যদি এমন কোনো তারিখ আপনার চোখে পড়ে যার পরে বি.সি.ই কিংবা সি.ই, শব্দটি নেই, আপনি জানবেন যে এটি উইথইন দ্য ক্রিশ্চিয়ান অথবা কমন এরা হবে (অর্থাৎ খ্রিস্টাব্দ)।

    যাই হোক, ১৩০,০০০ বি.সি.ই. (খ্রিস্টপূর্ব) থেকেই আমাদের পূর্বসূরিরা যেভাবে তাদের মৃতদের সমাহিত করতেন সেখান থেকে তাদের একধরনের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রমাণ আমরা পাই। কবরের মধ্যে মৃতদেহের পাশে খাদ্য, ব্যবহার করার মতো হাতিয়ার বা যন্ত্র আর অলংকার সাজিয়ে রাখা হয়েছে, এমন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে, যা মৃতরা একধরনের মৃত্যুপরবর্তী জীবনের পথে যাত্রা করে এবং সেই যাত্রার জন্যে তাদের প্রস্তুত করে প্রেরণ করা প্রয়োজন, এমন একধরনের বিশ্বাসের উপস্থিতি প্রস্তাব করে। আরেকটি আচরণ ছিল, মৃতদের শরীর লাল গিরিমাটি দিয়ে চিত্রিত করা; হয়তো চলমান জীবনের প্রতীকী প্রকাশ ছিল সেটি। এটি আবিষ্কৃত হয়েছিল আপাতত খুঁজে পাওয়া সবচেয়ে প্রাচীনতম সমাধিক্ষেত্রে, একটি মা ও শিশুর সমাধি ছিল এটি, ইজরায়েলের কাফজে হতে, এটির সময়কাল প্রায় ১০০,০০০ বি.সি.ই. (খ্রিস্টপূর্ব)। ঠিক সেই একই আচরণ আবার খুঁজে পাওয়া যায় অর্ধেক পৃথিবী দূরত্বে অস্ট্রেলিয়ার লেক মুংগো এলাকা, ৪২,০০০ বি.সি.ই. সময়কালের, যেখানে সমাহিত ব্যক্তির শরীর চিত্রিত ছিল লাল গিরিমাটি দিয়ে। মৃতদেহের শরীর-চিত্রায়ন মানবতার সবচেয়ে বুদ্ধিমত্তাপূর্ণ ধারণাগুলোর উন্মেষকাল হিসাবে চিহ্নিত করা হয়, সেটি হচ্ছে প্রতীকী চিন্তা। ধর্মে এমন চিন্তা খুব ব্যাপকভাবেই উপস্থিত, সুতরাং বিষয়টি বোঝা খুব জরুরি।

    অন্য অনেক উপযোগী শব্দের মতো ‘সিম্বল’ শব্দটি এসেছে গ্রিকভাষা থেকে। এর মানে সেই জিনিসগুলো একসাথে জড়ো করা যা আলাদা হয়ে গেছে, যেভাবে কোনো ভাঙা প্লেটের টুকরোগুলো আঠা দিয়ে লাগিয়ে একসাথে করতে পারেন আপনি। তারপর একটি প্রতীক একটি বস্তুতে পরিণত হয় যদি সেটি কোনোকিছুর পক্ষে অথবা কিছুর প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু তারপরও এর সেই ধারণাটি থাকে যা নানা জিনিসকে যুক্ত করার বিষয়টি ইঙ্গিত করে, কিন্তু শুধুমাত্র ভাঙা প্লেটের টুকরো আঠা দিয়ে জোড়া লাগানোর চেয়েও এটি আরো বেশি জটিল রূপ ধারণ করে। প্রতাঁকের একটি চমৎকার উদাহরণ হচ্ছে জাতীয় পতাকা; যেমন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্টার আর স্ট্রাইপস’। যখন আমরা এই নক্ষত্র আর লাল সাদা দাগগুলো দেখি, সেটি আমাদের মনে যুক্তরাষ্ট্র নামের একটি দেশের প্রতি তথ্যনির্দেশ করে। এটি এর প্রতীকী রূপ, এর পরিবর্তে যা প্রকাশ করা যেতে পারে।

    প্রতীক মানুষের কাছে পবিত্র হয়ে ওঠে, কারণ ভাষায় যতটুকু প্রকাশ করা। সম্ভব, সেগুলো তারচেয়েও আরো গভীর আনুগত্যের প্রতিনিধিত্ব করে। আর সেকারণে সবাই তাদের প্রিয় প্রতীকগুলোর অবমাননা দেখতে ঘৃণাবোধ করেন। পুরোনো একটি কাপড় আগুন দিয়ে পুড়ানোর মধ্যে দোষের কিছু নেই, কিন্তু যদি ‘সেটি’ ঘটনাক্রমে আপনার নিজের জাতিকে প্রতিনিধিত্ব করে, এটি আপনাকে ক্ষুব্ধ করে তুলতে পারে। যখন প্রতীকগুলো ধর্মীয়, কোনো একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর কাছে পবিত্র, সেগুলো আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। আর সেগুলোর অপমান উন্মত্ত ক্রোধের সূচনা করতে পারে। আপনার মনের মধ্যে প্রতাঁকের ধারণাটি কিছুক্ষণ ধরে রাখুন, কারণ এই বইয়ে এই ধারণাটির পুনরাবৃত্তি হবে। একটি জিনিস, যেমন, লাল গিরিমাটি, অন্যকিছুর প্রতিনিধিত্ব করছে, সেই চিন্তাটি, যেমন, সেই বিশ্বাসটি, মৃতরা তাদের মৃত্যুর পরে অন্য একটি জগতে তাদের নতুন জীবন শুরু করে।

    প্রতীকী চিন্তার আরো একটি উদাহরণ হচ্ছে যেখানে মৃতদের সমাহিত করা হয়েছে, সেটি চিহ্নিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল, বিশেষ করে যদি তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ কোনো ব্যক্তি হন। কখনো তাদের শুইয়ে রাখা হতো দানবীয় পাথরের টুকরোর নিচে, কখনো খুব সতর্কভাবে নির্মিত পাথরের কক্ষে যাদের ‘ডলমেন’ বলা হয়, যা মূলত দুটি খাড়া করে দাঁড় করানো পাথর, যা আরো একটি বড় পাথরকে এর ছাদ হিসাবে ধরে রাখে। মৃতদের জন্যে নির্মিত সবচেয়ে নাটকীয় স্মারকস্তম্ভ হচ্ছে মিশরের গির্জায় পিরামিডগুলো। কবর ছাড়াও, পিরামিডগুলোকে ভাবা হয় একধরনের উৎক্ষেপণ এলাকা হিসাবে, যেখান থেকে সেই পিরামিডগুলোর রাজকীয় বাসিন্দারা অমরত্ব অভিমুখে যাত্রা করতেন।

    সময়ের সাথে সমাহিত করার আচার শুধুমাত্র আরো বিস্তারিতভাবে জটিলই হয়নি, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সেগুলো রূপান্তরিত হয়েছিল ভয়ংকর নিষ্ঠুর একটি আচরণেও, যেখানে মৃতব্যক্তিদের এই জীবন-পরবর্তী অন্য জীবনে সবধরনের স্বাচ্ছন্দ্য আর মর্যাদা টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক বিসর্জন দেওয়ার মাধ্যমে। স্ত্রী ও ভৃত্যদেরও তার সাথে সেখানে পাঠানো হতো। এখানে লক্ষ করা দরকার, শুরু থেকেই ধর্মের একটি নিষ্ঠুর দিক ছিল, কোনো একক ব্যক্তির জীবনকে যা খুব সামান্যই মূল্য দিয়েছে।

    এইসব ইঙ্গিতগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে লক্ষ করলে বোঝা যায়, মৃত্যুকে আমাদের পূর্বসূরিরা অস্তিত্বের আরেকটি স্তরে প্রবেশ হিসাবে দেখেছিলেন, যা এই জীবনের একটি অন্য সংস্করণ হিসাবে কল্পিত হয়েছে। এই পৃথিবী ছাড়িয়ে আরেক পৃথিবীর ওপর তাদের বিশ্বাসটিকে আমরা একনজর দেখতে পাই, যে-জীবনের সাথে এই জীবন সংযুক্ত, শুধুমাত্র দরজা হিসাবে মৃত্যু যে জীবনদুটির মাঝে দাঁড়িয়ে আছে।

    এ পর্যন্ত ধর্মীয় বিশ্বাস দেখতে এমনই ছিল, যেন সেটি অনুপ্রাণিত অনুমান নির্ভর কোনো ধারণার ওপর ভর করে অর্জিত হয়েছে। আমাদের পূর্বসূরিরা। নিজেদের জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কোথা থেকে এই পৃথিবী এসেছে এবং তারা ধারণা করেছিলেন, এটি অবশ্যই সৃষ্টি করেছে কোনো উচ্চতর শক্তিমান সত্তা, যিনি এই পৃথিবীর বাইরে কোথাও আছেন। তারা নিশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া মৃতদের লক্ষ। করেছিলেন এবং সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন, তাদের আত্মা অবশ্যই তাদের শরীর ত্যাগ করেছে, যা একসময় সেই শরীরে বাস করত এবং এখন সেটি অন্য কোথাও চলে গেছে।

    কিন্তু ধর্মের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ গোষ্ঠীর সদস্যরা কিন্তু শরীরত্যাগী আত্মার গন্তব্য হিসাবে এই জগতের সীমানা পেরিয়ে অন্য কোনো জগতের অস্তিত্ব শুধুমাত্র ‘কল্পনা’ বা ‘অনুমান’ করেনি। তারা আমাদের বলেছেন যে, তারা সেই জগতে গিয়েছেন, এবং সেই জগৎটি তাদের কাছে এসেছে। আমাদের কাছে সেটি কী প্রত্যাশা করেছে সেটি তারা শুনেছেন। তাদের ওপর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেন তারা সেই নির্দেশগুলোর কথা অন্যদের বলেন, তারা কী দেখেছেন আর শুনেছেন। সুতরাং তারা দাবি করেছেন সেই বার্তাগুলো, যা তাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে এবং তারা গ্রহণ করেছেন। তারা বহু অনুসারীদের আকৃষ্ট করে। থাকেন, যারা তার কথার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেন এবং তাদের শিক্ষা অনুযায়ী জীবন কাটাতে শুরু করেন। আমরা তাদের বলি নবী, প্রফেট কিংবা প্রাজ্ঞ সাধু। এবং এদের মাধ্যমেই নতুন ধর্মগুলোর জন্ম হয়েছিল।

    তারপর অন্যকিছু ঘটেছিল। তারা যে-গল্পগুলো বলেছিলেন সেটি তাদের অনুসারীরা মুখস্থ করেছিলেন। প্রথমে এটি মুখে-মুখে হস্তান্তরিত হয়েছে। কিন্তু একটি সময় সেগুলো কাগজের উপর লেখা হয়েছিল। তারপর এটি সেই বিশেষ বইয়ে রূপান্তরিত হয়েছিল, যেগুলোকে আমরা বলি, হলি স্ত্রিপচার বা পবিত্র গ্রন্থ। বা ধর্মগ্রন্থ, শাস্ত্র ইত্যাদি। দ্য বাইবেল! দ্য বুক! এবং এটাই ধর্মের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতাঁকে রূপান্তরিত হয়েছিল। আসলেই এটি একটি বই অবশ্যই, মানুষই এটি লিখেছে। আমরা এর ইতিহাস অনুসরণ করতে পারি। কিন্তু এর শব্দগুলোর মাধ্যমে অন্য জগতের বার্তা আমাদের জগতে নিয়ে আসা হয়েছে। এই বইটি সীমাবদ্ধ সময় আর অনন্তকালের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি করেছে। মানুষকে এটি স্বর্গীয় সত্তার সাথে যুক্ত করেছে। আর সে-কারণে এটিকে বিস্ময়কর শ্রদ্ধার সাথে দেখা হয় আর গভীরভাবে অধ্যয়ন করা হয়। আর সে-কারণে যখন এটিকে ধ্বংস কিংবা অবজ্ঞা করা হয়, তখন বিশ্বাসীরা খুবই অপছন্দ করেন।

    ধর্মের ইতিহাস হচ্ছে এইসব নবী আর সাধুদের গল্প এবং যে-আন্দোলনগুলো তারা শুরু করেছিলেন এবং যে-ধর্মগ্রন্থগুলো লেখা হয়েছে তাদেরকে নিয়ে। কিন্তু এটি বেশ বিতর্কিত আর মতানৈক্যেরও একটি বিষয়। এইসব নবীদের, এমনকি কারো কারো আদৌ অস্তিত্ব ছিল কিনা সেটি নিয়ে সন্দেহবাদীরা প্রশ্ন তুলেছেন। এইসব স্বর্গীয় বা ঈশ্বর বা তার প্রেরিত কোনো প্রতিনিধির দৃশ্য বা কণ্ঠস্বর নিয়ে করা নবীদের দাবিগুলো নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন। অবশ্যই যুক্তিসংগত, কিন্তু মূল বিষয়টি বুঝতে ব্যর্থ হওয়ার একটি সম্ভাবনা আছে। যা সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে সেটি হচ্ছে, তাদের নিয়ে বলা সব গল্পে তাদের অস্তিত্ব আছে, যে-গল্পগুলো বহু। হাজার কোটি মানুষের জন্যে এখনো অর্থবহ।

    এই বইটিতে আমরা সেই গল্পগুলো পড়ব, ধর্মগুলো আমাদেরকে যে গল্পগুলো এর নিজের সম্বন্ধে বলেছে, আসলেই এভাবে অতীতে ঘটনাগুলো ঘটেছিল কিনা সারাক্ষণ এমন কিছু জিজ্ঞাসা না করে। কিন্তু যেহেতু সেই প্রশ্নটিকে পুরোপুরি অবজ্ঞা করাও ভুল হবে, আমরা পরে অধ্যায়টি চিন্তা করে কাটাব, আসলেই কী ঘটে যখন ঐসব নবী আর সাধুরা কোনো ঐশী দৃশ্যের দ্রষ্টা হন বা কণ্ঠস্বর শোনেন। এইসব নবীদের মধ্যে একজনের নাম ছিল ‘মোজেস’।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }