Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৯. মেসাইয়া

    অধ্যায় ১৯. মেসাইয়া

    জিসাস (ইয়েসুস) ক্রাইস্ট বা যিশুখ্রিস্ট সম্বন্ধে প্রথম জানার বিষয়টি হচ্ছে যে খ্রিস্ট বা ক্রাইস্ট তার কোনো পদবী নয়। এটি একটি খেতাব। ‘ক্রিস্টোস’ শব্দটি হচ্ছে ‘মেসাইয়া’ শব্দটির হিব্রু প্রতিশব্দের গ্রিক অনুবাদ। তিনি ছিলেন জিসাস দ্য মেসাইয়াহ বা যিশুখ্রিস্ট। তবে সবাই যেহেতু বিষয়টি নিয়ে একমত ছিলেন না, তার নামটি বেশ বিতর্কিত ছিল, আর সেই বিতর্কটি তাকে তার মৃত্যু অবধি অনুসরণ করেছিল। যখন রোমানরা তাকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করেছিল, তারা এই নাটকটি অব্যাহত রেখেছিলেন। তার মাথার উপর ক্রুশে একটি পরিহাস-সূচক চিহ্ন খোদাই করে দেওয়া হয়েছিল : ইহুদিদের রাজা, ইয়েসুস নাজারেনাস, রেক্স জুডাইওরাম, নাজারেথের ইয়েসুস (ইহুদিদের রাজা)। তিনি তাদের কাছে শুধুমাত্র ঠাট্টার পাত্র ছিলেন মাত্র, আরেকজন পাগল ইহুদি যে-কিনা পৃথিবী পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছেন।

    একেবারে শুরু থেকে তাকে নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত ছিল : কোথা থেকে তিনি এসেছেন, তার পিতামাতা কারা ছিলেন, তিনি নিজে কী, সেটি নিয়ে কী ভাবেন, তার মৃত্যুর পর তার সাথে কী ঘটেছিল। বিতর্ক এখনো চলমান। তাকে নিয়ে বহু হাজার কোটি শব্দ রচনা করা হয়েছে। সবচেয়ে প্রাচীনতমটি আছে খ্রিস্টীয় বাইবেল বা নিউ টেস্টামেন্টে (নতুন নিয়ম), নামটি এভাবে দেওয়া হয়েছিল ইহুদি বাইবেল বা ওল্ড টেস্টামেন্ট (পুরাতন নিয়ম) থেকে এটিকে পৃথক করতে। আর এই পার্থক্যটি ইঙ্গিত দেয় কীভাবে তার প্রথম অনুসারীরা তাকে দেখেছিলেন। তাদের কাছে তিনি কোনো নতুন ধর্ম শুরু করতে আসেননি, তিনি ইহুদিদের পুরনো ধর্মটিকে পূর্ণ করতে এসেছিলেন। ঈশ্বর আব্রাহাম আর মোজেসকে আহ্বান করেছিলেন প্রথম অঙ্গীকার বা টেস্টামেন্ট বা নিয়মটি প্রতিষ্ঠা করতে। এরপর তিনি যিশুকে একটি নতুন অঙ্গীকারপত্র প্রতিষ্ঠা করতে এবং সেটাকেই মেসিয়ার যুগে সম্পূর্ণতার চূড়ান্ত সীমানায় নিয়ে যাবার জন্যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

    তার জীবন সম্বন্ধে জানতে হলে আমাদের নিউ টেস্টামেন্টের আশ্রয় নিতে হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, যেভাবে এটি সংকলিত আর সংগঠিত করা হয়েছে সেটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। এটি শুরু হয়েছিল চারটি বই দিয়ে, যাদের বলা হয় ‘গসপেল’, যে-শব্দটির অর্থ শুভসংবাদ বা সুসমাচার। আর এই গসপেলগুলোর ধারাবাহিক ক্রমবিন্যাস হচ্ছে এরকম : ম্যাথিউ বা মথি, মার্ক, লুক এবং তারপর জন অনুসারে সুসমাচার (মথি, মার্ক, লুক ও জনের লেখা নতুন নিয়মের চারটি শাস্ত্রীয় সুসমাচার)। তারপরে আরেকটি বই, যার নাম ‘দ্য অ্যাক্টস অব দ্য আপোস্টোলস’, এরপরে আছে বেশকিছু চিঠি, যেগুলোর অধিকাংশেরই লেখক ছিলেন পল, ধর্মান্তরিত যে-ব্যক্তির সাথে আগের অধ্যায়ে আমাদের দেখা হয়েছিল। বেশ, তাহলে কেন আমি আগের অধ্যায়টি ম্যাথিউ’র লেখা দিয়ে শুরু করিনি, খ্রিস্টীয় বাইবেলে যা হচ্ছে প্রথম লিখিত অংশ?

    কারণ এটি প্রথম লেখা নয়। প্রথম বা সবচেয়ে পুরনো যে লেখার বিষয়ে আমরা নিশ্চিত, সেটি হচ্ছে একটি চিঠি, ৫৫ খ্রিস্টাব্দে, যিশুর মৃত্যুর পঁচিশ বছর পরে যে-চিঠিটি পল গ্রিক শহর করিন্থের নতুন খ্রিস্টান ধর্মান্তরিতদের উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন। এখানে যিশুর জীবনে কী ঘটেছিল সেটি নিয়ে কোনো আগ্রহ দেখানো হয়নি, শুধুমাত্র তার মৃত্যুর পর তার সাথে কী ঘটেছিল সেটি ছাড়া। এর বার্তাটি ছিল, মৃত্যু তাকে শেষ করে দেয়নি। এটি তাকে নিয়ে গেছে ঈশ্বররূপে তার একটি নতুন জীবনে, যেখান থেকে এই পৃথিবীতে তার ফেলে-যাওয়া সহচরদের সাথে তিনি যোগাযোগ রাখতে সক্ষম। পল বহুশত মানুষের একটি তালিকা করেছিলেন, মৃত্যুর পর যিশু যাদের সামনে আবির্ভূত হয়েছিলেন, যার মধ্যে অবশ্যই দামাস্কাসের পথে তার নিজের অভিজ্ঞতাটিও ছিল।

    সুতরাং নিউ টেস্টামেন্ট প্রথমেই যিশুখ্রিস্ট সম্বন্ধে আমাদের যা জানায়, সেটি হচ্ছে মৃত্যু তাকে ইতিহাস থেকে মুছে দেয়নি। তার আবির্ভাবগুলোই প্রমাণ করেছে যে, মৃত্যু তার জন্যে কোনো পরিসমাপ্তি ছিল না। এটি ঈশ্বরের প্রতিশ্রুত নতুন যুগের একটি সূচনা ছিল মাত্র, পৃথিবীতে নতুন একটি রাজত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঈশ্বরের অভিযানের প্রথম পদক্ষেপ। এবং যিশুর অনুসারীদের জন্যেও তাদের মৃত্যুই চূড়ান্ত পরিণতি হবে না। যদি তারা মারা যান, তারাও তাদের মৃত্যুর পর একটি নতুন জীবন অর্জন করবেন। তাদের এমনকি নাও মরতে হতে পারে। যিশুর পুনরুত্থান প্রমাণ করেছে যে, অবশেষে ঈশ্বর দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। ঈশ্বরের ক্রটিহীন নতুন রাজ্য, যার বর্ণনা যিশু দিয়েছেন, সেটি খুব শীঘ্রই পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবং তখন সবকিছুই বদলে যাবে। এমনকি মৃত্যুও।

    ৫৫ খ্রিস্টাব্দে করিন্থবাসীদের উদ্দেশ্যে লেখা পলের সেই চিঠিতে আমরা প্রথম যিশুর একটি চিত্র দেখতে পাই। এটি তার মৃত্যুপরবর্তী সময়ে কী ঘটেছে, শুধু সেই সময়টাকেই বর্ণনা করেছিল। তবে তার আগের জীবন সম্বন্ধে জানতে হলে আমাদের গসপেলের কাহিনিতে প্রবেশ করতে হবে, যেগুলো লেখা হয়েছিল আরো পরে। প্রথম যেটি লেখা হয়েছে সেটি লিখেছিলেন মার্ক, ৬০ খ্রিস্টাব্দের শেষে অথবা ৭০ খ্রিস্টাব্দের শুরুর দিকে। ম্যাথিউ আর লুকের সুসমাচার এসেছে ৮০ আর ৯০ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি কোনো সময়ে। আর জনের শেষ সুসমাচার লেখা হয়েছিল ১০০ খ্রিস্টাব্দের আশেপাশে কোনো একটি সময়ে। এই সময়গুলো লক্ষ করা দরকার। আপনি সময়ের হিসাবে যতই কোনো একজন নবীর জীবনকালের সময় থেকে বেশি দূরে চলে যাবেন, ততই তার কাহিনিতে নানা বাড়তি বিষয় যুক্ত হবে, এটি আরো বেশি বানানো আর অলংকৃত হয়ে উঠতে থাকে। যিশুর সাথেও এমনই ঘটেছিল। আমি সেই বিতর্কে প্রবেশ করতে চাই না। যে, তিনি কোথায় এবং কত সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, ঠিক কীভাবে মৃত্যুর পর তার পুনরুত্থানের ঘটনাটি ঘটেছিল। অথবা ঠিক কয়জন ফেরেশতা বেথলেহেমে তার জন্মের সময় আর জেরুসালেমে তার পুনরুত্থানের সময় উপস্থিত ছিলেন। আমি তার সম্বন্ধে সাধারণভাবে গৃহীত কিছু বাস্তব তথ্যের সাথেই কেবল নিজেকে যুক্ত রাখব। আর বিশ্বাস করানোর জন্য সেগুলো যথেষ্ট পরিমাণে শক্তিশালী।

    মার্ক সরাসরি মহাপ্রলয়ের কোনো নাটকের একটি দৃশ্যের সামনে আমাদের হাজির করেছিলেন। একজন বন্যমানুষ, যিনি লোকাস্ট বা পঙ্গপাল আর বন্যমধু খেয়ে বাঁচতেন আর উটের পশমে নির্মিত কাপড় পরিধান করতেন, একদিন মরুভূমি থেকে বাইরে এসে তিনি ধর্ম প্রচার করতে শুরু করেছিলেন। তাকে তারা। নাম দিয়েছিলেন জন দ্য ব্যাপটাইজার’, কারণ তিনি মানুষকে জর্ডান নদীর পানিতে নিমজ্জিত করতেন, পাপের জন্যে যারা অনুতপ্ত ও একটি নতুন সূচনা চান। তারই একটি চিহ্ন হিসাবে। তারা তাদের ফেলে-আসা জীবনটি পানিতে নিমজ্জিত করে, নতুন জীবনে ভেসে উঠতেন। জন নিজেকে মেসাইয়া হিসাবে কখনোই দাবি করেননি। কিন্তু তিনি বলেছিলেন, যিনি আসল মেসাইয়া, তার প্রত্যাবর্তনের পথ প্রস্তুত করতেই তার আগমন। মার্ক তারপর আমাদের জানান, জনের হাতে ব্যাপটাইজ হতে গ্যালিলির নাজারেথ থেকে একজন ব্যক্তি জর্ডানে এসেছিলেন। ইতিহাসে এখানেই আমরা প্রথম যিশুর দেখা পাই। ততদিনে তার বয়স হয়েছিল। ত্রিশ। এরপরে যা ঘটেছিল সেটাই ছিল তার কাহিনির সত্যিকার সূচনা।

    যখন জন তাকে পানির নিচে কয়েকটি দীর্ঘ সেকেন্ড নিমজ্জিত করে আবার তাকে পানির উপর টেনে তুলেছিলেন, যিশু চোখ-ধাঁধানো একটি আলো দেখতে পেয়েছিলেন এবং শুনেছিলেন ঈশ্বর তাকে তার প্রিয় ‘পুত্র’ নামে সম্বোধন করছেন। যদিও আমরা নিশ্চিত নই সেটাই সেই বিশেষ মুহূর্ত ছিল কিনা, যখন এই ইয়েসুস বা যিশু জানতে পেরেছিলেন যে, তিনি হচ্ছেন সেই প্রতিশ্রুত মেসাইয়া। তবে অবশ্যই সেই মুহূর্ত থেকে তার লক্ষ্য বাস্তবায়নের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছিল। আবার স্মরণ করে দেখুন, নবীরা আসলে কী করে থাকেন। তারা একটি কণ্ঠ শোনেন যখন ঈশ্বর তাদের সাথে কথা বলেন এবং তারা বাকি সবাইকে তারা যা কিছু শুনেছিলেন সেটি জানান। আর অপরপক্ষের সাথে এটাই তাদের সাংঘর্ষিক একটি অবস্থানে নিয়ে আসে, যারা দাবি করেন ঈশ্বর সম্বন্ধে ইতিমধ্যে যা কিছু জানার আছে তার সবকিছুই তারা জানেন। তারা হলেন ধর্মবিশেষজ্ঞ। গ্যালিলির গ্রামের কোনো এক ছেলের কাছ থেকে তারা এ বিষয়ে শিক্ষা নেবার কথা ভাবতেই পারেন না। যিশু আর ইহুদিবাদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধিদের মধ্যে সংঘর্ষের তিনটি অবস্থান আমাদের এইসব ক্ষমতাবান গোষ্ঠীগুলো সম্বন্ধে যা কিছু জানা প্রয়োজন সবই জানাচ্ছে, যারা তাকে তার মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছিল।

    প্রথমটি আমরা পাই মার্কের সুসমাচারে। তিনি আমাদের বলেন তার ব্যাপটিজম শেষ হবার পর তিনি দরিদ্র আর অসহায়দের মধ্যে তার ধর্ম প্রচার করতে শুরু করেছিলেন। পাপের দণ্ড হিসাবে দুঃখ পাবার শাস্তির ধারণাটি তাকে ক্ষুব্ধ করেছিল এবং সেইসাথে এই দুঃখভোগের বাস্তব বিষয়টিও তাকে বিচলিত করেছিল। তার মতে, এই দুর্দশার কারণ ঈশ্বর যেভাবে পৃথিবী বিন্যাস করেছেন সেটি নয়, বরং এর কারণ হচ্ছে ধর্ম আর রাজনীতির ক্ষমতাবানরা যেভাবে সবকিছুকে একটি সাংগঠনিক রূপ দিয়েছেন। তারা এই পৃথিবীকে নিয়ে যা কিছু করেছেন সেটি ঈশ্বর ঘৃণা করেন, আর সে-কারণেই তিনি যিশুকে পাঠিয়েছেন, যখন এটি পৃথিবীর ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে, তার প্রতিশ্রুত রাজ্যটি কেমন দেখতে হবে, সেটি সবাইকে জানাতে। দরিদ্রদের জন্যে এটি হবে একটি সুসংবাদ। এবং ধর্মবাদী আইনপ্রণেতাদের সেই দড়ির ফাঁস থেকে এটি ঈশ্বরের সন্তানদের মুক্ত করবে, যা দিয়ে তাদের জীবন আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখা হয়েছে।

    কর্তৃপক্ষের সাথে তার প্রথম উন্মুক্ত সংঘর্ষ হয়েছিল সাবাথকে বিশ্রামের দিন হিসাবে চিহ্নিত করে রাখার নির্দেশটি নিয়ে। যিশু একদিন একটি গমক্ষেতের মধ্যে দিয়ে তার কিছু অনুসারীদের নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। হাঁটার সময় মুখে দিয়ে চেবানোর জন্যে তারা অল্পকিছু গম তুলেছিলেন এবং সেটি দেখে ফারিসিরা তাদের উপর সাবাথের দিনে আইন অমান্য করার অভিযোগ এনেছিলেন, কারণ তারা শস্য তুলেছেন। এখানে যিশুর উত্তরটি ছিল বৈপ্লবিক। তিনি বলেছিলেন, সাবাথ মানবতার জন্যে সৃষ্টি করা হয়েছে, সাবাথের জন্যে মানবতাকে সৃষ্টি করা হয়নি। সমাজের জন্যে আমাদের আইন এবং নিয়মের প্রয়োজন আছে, কিন্তু সেগুলো আমাদের ভৃত্য, অবশ্যই মনিব নয়। আমরা যদি সেগুলো কঠোরভাবে আরোপ করার চেষ্টা করি সেগুলো যে-মানুষগুলোকে সাহায্য করার জন্যে পরিকল্পিত, সেই মানুষগুলোর চেয়েও আইন আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাবে। আইনের বিধানের চুলচেরা অনুসরণ বা লিগালিজমকে এর ছয়শো বছর আগেই তাওবাদীরা যেভাবে শনাক্ত করেছিলেন, সেই বাস্তব সত্যটি প্রমাণ করে, এই আইনের প্রতি অন্ধত্ব কত শক্তিশালীভাবেই সমাজের অংশ হিসাবে টিকে গেছে। এখন যিশুকে এটি আমরা চ্যালেঞ্জ করতে দেখছি। মানবতার অধীনস্থ হবে আইন, মানবতা আইনের অধীনস্থ নয়। তাই অবাক হবার কোনো কারণ নেই যে, আইন-সমর্থকরা তাকে ঘৃণা করতেন। তার বিরুদ্ধে এটি ছিল প্রথম গুরুতর অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রে এটি জায়গা পেয়েছিল।

    দ্বিতীয় সংঘর্ষ, ‘সার্মন অন দ্য মাউন্ট’, যার বিবরণ আছে ম্যাথিউর সুসমাচারে, এবং এটি আরো বিপজ্জনক। ক্ষমতাবানরা যে তত্ত্ব দিয়ে পৃথিবীর সবকিছু পরিচালনা করছিলেন, যিশু এখানে সেটি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। তত্ত্বটি ছিল এমন, মানুষ মূলত উচ্ছঙ্খল জনতার দল, যাদের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। তাদের জন্যে সামান্য একটু ছাড় দিলে, তারা আরো অনেক বেশিকিছু দাবি করে সেটি কেড়ে নেবে। সুতরাং তাদের সারাক্ষণই শক্তহাতে দমন করতে হবে। চোয়ালে মুষ্ঠি আর ঘাড়ের পেছনে বুট হচ্ছে একমাত্র ভাষা, যা তারা বুঝতে পারে। কিন্তু তারপরও ম্যাথিউ আমাদের দেখান যে, একটি পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে, যেভাবে মোজেস তার টেন কম্যান্ডমেন্ট নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, যিশু যখন ঈশ্বরের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা হবে তখন পরিস্থিতি কেমন হবে তার বর্ণনা দিয়েছিলেন।

    যদি কেউ আপনাকে এক গালে একটি থাপ্পড় মারে, আপনি অন্য গালটি এগিয়ে দেবেন যেন সেখানেও সে থাপ্পড় মারতে পারে। কেউ যদি আপনার গায়ের উপরের আবরণটি চায়, আপনি তাকে পুরো কাপড়টাই নেবার প্রস্তাব করবেন। আপনি আপনার শত্রুদের ভালোবাসবেন, ঘৃণা করবেন না। যারা আপনার সাথে খারাপ কিছু করবে, তাদের জন্য ভালো কাজ করবেন। আপনি ক্ষমা এবং ক্ষমা এবং ক্ষমা এবং ক্ষমা করবেন… অন্তহীনভাবে। স্বর্গে এমনভাবেই সব হয়, পৃথিবীতেও তেমন হওয়া উচিত। যিশুর বর্ণিত এই পুরোপুরি উল্টো। ধরনের রাজ্যটির মূল চাবিকাঠিটি আছে সেই শব্দে, যা তার ব্যাপটিজমের সময় তাকে বলা হয়েছিল, তুমি আমার প্রিয় পুত্র। ঈশ্বর কোনো শাসক নন, মনিব নন, মানব জেলখানার ওয়ার্ডেন নয়, ক্রীতদাসের মালিক নন, বরং তিনি হচ্ছেন ‘পিতা’। এবং মানবজাতি পুরোটাই একটি পরিবার। বৈপ্লবিক কথাবার্তা! সুতরাং সেই সময়ের শাসকরা তার ওপর সতর্ক নজর রেখেছিলেন। এটি তার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় অপরাধের অভিযোগ ছিল। এটি তার অভিযোগপত্রে জায়গা নিয়েছিল।

    তৃতীয় সংঘর্ষটি বর্ণনা করা হয়েছে লুকের সুসমাচারে। যিশু কখনোই কীভাবে চিন্তা করতে হবে এই বিষয়ে কাউকে পরামর্শ দেননি। ইজরায়েলের নবীদের মতো তিনিও গল্প বলেছিলেন, যেন মানুষরা নিজেরাই তাদের হয়ে ভাবার কাজটি করতে পারেন। এক বন্ধুসুলভ শ্রোতা তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ইহুদিদের ধর্মীয় আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাটি পুনরাবৃত্তি করতে। যিশু উত্তরে বলেছিলেন, ‘ঈশ্বরকে তাদের সমস্ত হৃদয়, আত্মা আর শক্তি দিয়ে ভালোবাসতে হবে। এটাই প্রথম নির্দেশ। দ্বিতীয় নির্দেশটি হচ্ছে নিজেদের যেভাবে তারা ভালোবাসেন, প্রতিবেশীকেও সেভাবে ভালোবাসতে হবে। ‘ঠিক’, উত্তর দিয়েছিলেন সেই শ্রোতা, ‘কিন্তু আমার প্রতিবেশী কারা? গুড সামারিটানের সেই নীতিগর্ভ গল্পটি ছিল যিশুর উত্তর।

    একবার একজন ব্যক্তিকে একদল ডাকাত আক্রমণ করেছিল, যারা তার কাছ থেকে সবকিছু কেড়ে নিয়ে তাকে নগ্ন আর অচেতন অবস্থায় খুব বিপজ্জনক আর নির্জন একটি রাস্তার উপর ফেলে রেখে চলে যায়। একজন যাজক তার সহকারীকে নিয়ে সে-পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা দুজনেই ভালোমানুষ ছিলেন, যারা সাহায্য করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাদের ধর্ম সেটি করতে বাধা দিয়েছিল। রাস্তার পাশে পড়ে-থাকা মানুষটি হয়তো মৃত হতে পারে। এবং সেই আহত ব্যক্তিটি, হয়তো এমন একটি জাতের ইহুদি, যাদের সাথে তার সম্পর্ক রাখার অনুমতি নেই। সুতরাং স্পর্শ করলেই তারা হয়তো অপবিত্র হয়ে যেতে পারেন। তাকে রাস্তার পাশে সেভাবে ফেলে রেখেই তারা অন্য পাশ দিয়ে সেখান থেকে দ্রুত চলে গিয়েছিলেন। এরপর সেখানে এসেছিলেন একজন সামারিটান, এটি সেই বর্ণগুলোর মধ্যে একটি, যে বর্ণের সদস্যদের সাথে ইহুদিদের সম্পর্ক করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা ছিল। তার নিজের ধর্মেও তাদের মতো একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আছে, কিন্তু সেই মানুষটির কষ্টের প্রতি সহমর্মিতা তার ধর্মের নিষেধাজ্ঞাকে অতিক্রম করতে সহায়তা করেছিল। তিনি সেই মানুষটির সাহায্যে এগিয়ে যান, এবং তার জীবন। রক্ষা করেন। যিশুর মতে, এই প্রতিবেশী এমন কেউ নয়, যাকে অবশ্যই আপনার ধর্মের কেউ হতে হবে। একজন প্রতিবেশী যে-কেউই হতে পারেন, আপনার সহায়তা যার দরকার আছে। যদি ঈশ্বর আমাদের পিতা হয়ে থাকেন আর আমরা তার সন্তান হয়ে থাকি, তাহলে সবাই আমার প্রতিবেশী, আমার ভাই আর আমার বোন।

    এই গল্পটির মূল নিশানাটি কী, সেটি বুঝতে ব্যর্থ হওয়া বেশ সহজ একটি ব্যাপার। আইন হচ্ছে নিশানা, মার্ক যখন সাবাথের ঘটনাটি বর্ণনা করেছিল। ক্ষমতার রাজনীতি ছিল নিশানা, যখন ম্যাথিউ সামন অন দ্য মাউন্ট বর্ণনা করেছিলেন। আর গুড সামারিটানের গল, যা লুকের সুসমাচারে আমরা পাই, সেটির নিশানা ছিল ‘ধর্ম’। যিশু বলেছিলেন, যে-প্রতিষ্ঠানগুলো ঈশ্বরের প্রতিনিধিত্ব করার দাবি করছে, সেগুলো খুব সহজেই ঈশ্বরের সবচেয়ে বড় শত্রুতে পরিণত হতে পারে। কারণ এটি ঈশ্বরের ভালোবাসার চেয়ে নিজের শাসন আর ক্ষমতাকেই বেশি মূল্য দেয়। সুতরাং, খুব বিস্ময়কর নয়, যাজক-পুরোহিতরা যিশুকে ঘৃণা করতেন এবং তার বিরুদ্ধে তারা একটি ষড়যন্ত্র করতে শুরু করেছিলেন। এটি ছিল তার বিরুদ্ধে তৃতীয় অপরাধের অভিযোগ। এটিও তার অভিযোগের তালিকায় যুক্ত হয়, এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার জন্যে প্রয়োজনীয় অভিযোগপত্র প্রস্তুত হয়েছিল। অতএব তাকে গ্রেফতার করা সময়ের ব্যাপার ছিল মাত্র।

    যিশু তার শিষ্যদের একটি প্রার্থনা শিখিয়েছিলেন। এটি সংক্ষিপ্ত তবে এই অল্পকিছু বাক্যের মধ্যে ঠাসা ছিল তার সব শিক্ষা, যা তিনি এতদিন ধরে প্রচার করে আসছিলেন : ‘আমাদের পিতা, যিনি স্বর্গে বাস করেন, এটি এভাবে শুরু হয়েছিল, আপনার ইচ্ছাই পূর্ণ হবে, স্বর্গে যেমন, তেমনি পৃথিবীতেও আপনার রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হবে। এই প্রার্থনাটি এতদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে যে, এমনকি খ্রিস্টানদের জন্যে এটি এর মূলশক্তিটি হারিয়ে ফেলেছে, যারা এটি এখনো ব্যবহার করেন। কিন্তু এর সেই প্রভাবটির কথা কল্পনা করুন যদি আপনি একজন যাজক হতেন, যিনি ভাবেন পৃথিবীতে তিনি ইতিমধ্যে ঈশ্বরের সেবা করছেন। অথবা আপনি যদি রাজনৈতিক কোনো নেতা হয়ে থাকেন, যিনি কোনো বিদ্রোহী উপনিবেশকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন? এটি ছিল যুদ্ধ ঘোষণার বার্তা। মানুষ হত্যা হবার জন্যে যা যথেষ্ট হতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }