Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২১. চার্চ যখন দায়িত্ব নিয়েছিল

    অধ্যায় ২১. চার্চ যখন দায়িত্ব নিয়েছিল

    পল পৌঁছাবার আগেই রোমে সম্ভবত খ্রিস্টানরা ছিলেন। সাম্রাজ্যের রাস্তা আর সমুদ্রপথ সৈন্যদের সাথে নানা মতামত আর ধারণার চলাচল সুগম করেছিল, সুতরাং সম্ভাবনা আছে যে, খ্রিস্টানরা ইতিমধ্যেই রোমানজগতের রাজধানীতে তাদের প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। কিন্তু তখন তাদের প্রতি খুব একটা বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়নি। পল বর্ণনা করেছিলেন, প্রথম খ্রিস্টানরা ঘৃণ্য আর অগুরুত্বপূর্ণ। ছিলেন, সেইসব অসহায় মানুষগুলোর মতোই, যারা ইজরায়েলে যিশুকে অনুসরণ করেছিলেন। এবং তাদের মধ্যে বেশকিছু ক্রীতদাসও থাকতে পারেন। ঘোড়া বা যে আস্তাবলে ঘোড়ারা দাঁড়িয়ে, সেগুলোর মতো ক্রীতদাসরাও কোনো মালিকের। ব্যক্তিগত সম্পত্তি ছিলেন। দাসপ্রথা সেই জীবনে সর্বজনীন একটি সত্য ছিল। এমনকি বাইবেলও এটিকে স্বাভাবিক বলে মেনে নিয়েছে। পানির সিক্ততা আর বালির শুষ্কতার মতো-খুব স্বাভাবিক একটি বিষয় ছিল এটি। রোমে তার আটকাবস্থায় পলের ধর্মান্তরিত করা ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ছিলেন পালিয়ে যাওয়া একজন ক্রীতদাস, ওনেসিমাস, যিনি তার মালিকের কিছু অর্থ ছিনতাই করে শহর থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। পল তাকে ভালোবেসেছিলেন কিন্তু তাকে দাসত্ব থেকে বাঁচানোর কোনো চেষ্টাই করেননি। তিনি তাকে তার মালিক ফিলেমনের কাছে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিলেন কুড়িয়ে-পাওয়া মানিব্যাগের মতো, এবং তার সাথে দয়াশীল আচরণ করতে ফিলেমনের কাছে অনুনয় করে প্রার্থনা করেছিলেন, এখন যখন সে তার স্বধর্মীয় একজন খ্রিস্টান।

    পল কেন দাসপ্রথাকে চ্যালেঞ্জ করেননি এটিকে খ্রিস্টধর্মের বিশ্বজনীন ভালোবাসার পরিপন্থি দাবি করে? এখন যেহেতু তার দাসকে ফিরে পেয়েছেন মালিক, শুধুমাত্র তার সাথে ভালো আচরণ করার অনুনয় করা ছাড়া, তার ক্রীতদাসকে মুক্তি দিতে তিনি কেন ফিলেমনকে প্ররোচিত করেননি? সম্ভবত এর কারণ হতে পারে, পৃথিবী সেই মুহূর্তে যেমন ছিল সেটি বেশিদিন স্থায়ী হবে এমন প্রত্যাশা তিনি করেননি। যিশু খুব শীঘ্রই ফিরে আসছেন পৃথিবীতে ঈশ্বরের ন্যায়বিচার আর ভালোবাসার রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতেন আর সে-কারণে, কী দরকার এমন একটি পদ্ধতি পরিবর্তন করা, যার কিনা বিলুপ্তি আসন্ন? আপনি যদি কোনো একটি বাড়ি ভাঙতে শুরু করেন, নিশ্চয়ই সেই বাড়ির পয়ঃপ্রণালী কিংবা পানির লাইন ঠিক করে অযথা সময় আর অর্থ নষ্ট করবেন না। এর মানে প্রথম খ্রিস্টানরা এই জগতে পুরোপুরিভাবে আর স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেননি। খুব দ্রুত এই পৃথিবী সমাপ্তি হতে যাচ্ছে, খ্রিস্টানদের এই প্রত্যাশাটি মূলত তাদের বিরুদ্ধে রোমানদের মনে সন্দেহ জাগিয়ে তুলেছিল। এই মানসিকতাটি তাদের এমন একটি ধারণা দিয়েছিল যে, খ্রিস্টানধর্মাবলম্বীরা বাকি মানবজাতিকে ঘৃণা করে। কিন্তু তাদের ব্যাপারে আরো একটি বিষয় লক্ষ করার পরেই কেবল রোম-কর্তৃপক্ষ খ্রিস্টানদের তাদের ক্রোধের একটি নিশানা বানাতে শুরু করেছিল।

    ধূপ হচ্ছে গাছের নিঃসৃত একধরনের রস বা রেজিন, যার সাথে নানা সুগন্ধী ভেষজ মিশ্রিত করা হয় এবং যখন এটি পোড়ানো হয় তখন বেশ মিষ্টি গন্ধসহ একটি ধোয়া চারিদিকে ছড়িয়ে দেয়। প্রাচীন ধর্মগুলোয়, কোনো দেবতার উদ্দেশ্যে এই ধূপ জ্বালানো খুব জনপ্রিয় একটি উপাসনাপদ্ধতি ছিল। তারা সম্ভবত একসময় ভাবতেন, যখন এই ধূপদানি থেকে ধোঁয়া উপরে উঠবে, এর সুবাস স্বর্গের দেবতাদের তৃপ্ত করবে এবং তাদের সমর্থন বা আজ্ঞা নিশ্চিত করবে। রোমের নাগরিকদের জন্যে তাদের সম্রাটের ছবির নিচে ধূপদানিতে কিছু ধূপ পোড়ানো একটি আবশ্যিকতা ছিল, ঠিক যেন তারা তাকে একজন দেবতা হিসাবে উপাসনা করছেন। এটি আনুগত্যের একটি পরীক্ষায় রূপান্তরিত হয়েছিল, অনেকটাই পতাকার প্রতি সম্মানপ্রদর্শন আর জাতীয় সংগীতের সময় উঠে দাঁড়ানোর মতো। তারা তাদের সম্রাটকে আসলেই দেবতা হিসাবে দেখতেন কিনা সেটি নিয়ে সংশয় আছে, তবে এই আচারটি অবশ্যই সেদিকে ইঙ্গিত করছে। কিন্তু খ্রিস্টানদের জন্যে এমন কিছু মেনে নেওয়া বেশ কঠিন ব্যাপার প্রমাণিত হয়েছিল। তারা প্রতিবাদ করেছিলেন, যদিও তারা সম্রাটের অনুগত প্রজা, তারপরও তারা তাকে কোনো দেবতার মতো ভক্তিপ্রদর্শন করে ধূপ জ্বালাতে পারবেন না।

    এটাই কর্তৃপক্ষকে ভীষণ খেপিয়ে তুলেছিল। সেই গুজবটি, খ্রিস্টানরা পৃথিবীর পরিসমাপ্তির জন্যে গোপনে পরিকল্পনা করছেন, সেইসাথে সম্রাটের প্রতি তাদের ধূপ জ্বালাতে অস্বীকৃতি প্রকাশ, ধারাবাহিকভাবে খ্রিস্টানদের উপর নির্যাতন-নিপীড়নের ভয়ংকর পর্বগুলোর সূচনা করেছিল, যা পরবর্তীতে কদাচিৎ বিরতিসহ কয়েক শতাব্দী ধরে অব্যাহত ছিল। এটি শুরু হয়েছিল ৬৪ খ্রিস্টাব্দে যখন নিরো রোম-সম্রাট ছিলেন। একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড রোম শহরকে প্রায় ধ্বংস করেছিল, সেই সময় একটি গুজবও রটেছিল যে, কাজটি স্বয়ং সম্রাট করেছেন তার প্রাসাদ সম্প্রসারণের জন্যে জায়গা পরিষ্কার করতে। এবং বলা হয়েছিল তিনি তার বারান্দায় দাঁড়িয়ে বেহালা বাজাচ্ছিলেন যখন নিচে পুরো শহরটি আগুনে পুড়ছিল।

    বিপদ হতে পারে এমন হুমকির মুখে আতঙ্কিত হয়ে নিরো এই দোষটি পুরোপুরিভাবে খ্রিস্টানদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিলেন। প্রত্যেকেই জানতেন, তারা সম্রাটকে ঘৃণা করেন এবং এই পৃথিবীর পরিসমাপ্তি ঘটুক, এটাই তারা আশা করেন। সুতরাং তারাই দোষী। কুৎসিত গণনির্যাতনের একটি পর্ব শুরু হয়েছিল। বলা হয়ে থাকে, নিরো কয়েকজন খ্রিস্টান ব্যক্তির সারা শরীর তেল দিয়ে আবৃত করে তার প্রাসাদের বাগানে মোমবাতির মতো প্রজ্বলিত করেছিলেন। আমরা এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারব না, কিন্তু সম্ভাবনা আছে পলের শিরশ্চেদ করা হয়েছিল চার্চের উপর রোম-কর্তৃপক্ষের প্রথম আনুষ্ঠানিক নিপীড়নপর্বে। একটি বিশ্বাসের ধারা আছে, যেটি দাবি করে এরপর অ্যাপোস্টল পিটার রোমে এসেছিলেন, এবং তাকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। কিংবদন্তি বলছে পিটার উল্টো করে তাকে ক্রুশবিদ্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কারণ তিনি তার প্রভু যিশুকে ত্যাগ। করেছিলেন যখন রোমানরা তাকে গ্রেফতার করেছিল।

    এই নির্যাতন খ্রিস্টধর্মের সম্প্রসারণকে মন্থর করার জন্যে কিছুই করতে পারেনি। বরং এর বিপরীতটাই একটি সত্য ছিল। আর এমনটা প্রায়শই ঘটে যখন কর্তৃপক্ষ এমন কোনোকিছুকে দমন করে বিলুপ্ত করতে চেষ্টা করেন, যার প্রতি এর সম্মতি নেই। নির্যাতিত খ্রিস্টানরা দাবি করেছিলেন শহীদের রক্তই হবে চার্চের বীজ। এবং এরপরের প্রায় আড়াই শতাব্দীতে পুরো সাম্রাজ্য জুড়েই চার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আলোচনা আরো অগ্রসর করার আগে একটি তথ্য জানানো ভালো, ‘চার্চ’ শব্দটির দুটি অর্থ আছে। এটি একটি গ্রিকশব্দকে অনুবাদ করেছিল, যার অর্থ শুধুমাত্র একটি সমাবেশ’ বা ‘এক গোষ্ঠী মানুষ। সুতরাং খ্রিস্টীয় চার্চের অর্থ হচ্ছে সেই মানুষগুলো, যারা খ্রিস্টকে অনুসরণ করেন। অনিবার্যভাবে যে দালানগুলোয় তারা মিলিত হতেন সেটিও পরিচিত হয়ে উঠেছিল চার্চ’ নামে। আর সবচেয়ে ভালো উপায়, যার মাধ্যমে আমরা এই দুটি অর্থকে পৃথক করতে পারি, সেটি হচ্ছে একটি বড়হাতের ‘সি’ ব্যবহার করা, বড় হাতের ‘সি’ সহ চার্চ মানে জনগোষ্ঠী অথবা সমাবেশ –চার্চ (Church), ছোট হাতের ‘সি’ হচ্ছে সেই ভবনটি যেখানে তারা একত্র হয়, চার্চ (church)।

    প্রথম খ্রিস্টানরা যখন তাদের নির্যাতনকারীদের কাছে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে বেড়াবার চেষ্টা করতেন না, তখন তারা বহু সময় ব্যয় করেছিলেন তাদের বিশ্বাস নিয়ে পরস্পরের সাথে তর্ক-বিতর্ক করে। আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি চার্চের প্রথম বিতর্কটি ছিল, যারা ইহুদি নয় এমন কেউ যারা ধর্মান্তরিত হবেন, তারা কি ইহুদিদের অনুশাসনগুলো মেনে চলবেন কিনা। পল সেই বিতর্কে জিতেছিলেন, এবং ইহুদি অনুসারীদের বাইরে খ্রিস্টধর্ম আর চার্চের ব্যাপক সম্প্রসারণে তিনি স্মরণীয় ভূমিকা রেখেছিলেন। এবং এটি ভবিষ্যতে আরো বহু জটিল বিতর্কের একটি সূচনাপর্ব ছিল। এরপরের সবচেয়ে বড় বিতর্কটি ছিল, যিশু কে ছিলেন, সেই বিষয়ে। তারা জানতেন, তিনি একজন মানব-পুরুষ ছিলেন। তারা জানতেন, তিনি নাজারেথ থেকে এসেছিলেন। তারা জানতেন, জেরুজালেমে তিনি মৃত্যুবরণ করেছিলেন। এবং তারা জানতেন, ঈশ্বর তাকে তার প্রিয়পুত্র হিসাবে সম্বোধন করেছিলেন। কিন্তু কীভাবে তিনি একই সাথে একজন মানব-পুরুষ আর ঈশ্বরপুত্র হতে পারেন? পল এই বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন এমন কিছু বলে যে, ঈশ্বর তাকে পালকপুত্র হিসাবে ‘দত্তক’ নিয়েছিলেন। সুতরাং এর অর্থ কি এমন হতে পারে যে, কোনো একটি সময় ছিল যখন তিনি ঈশ্বরের পুত্র ছিলেন না? তারা বিষয়টি এভাবে ব্যাখ্যা করা পছন্দ করেননি। তারা এর বিপরীত একটি ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন। তিনি সবসময়ই ঈশ্বরপুত্র ছিলেন। এবং খ্রিস্টপূর্বাব্দ ৪ সালের আশেপাশে কোনো একটি সময় এই পৃথিবীতে ছদ্মবেশে তিনি এসেছিলেন তার সন্তানদের উদ্ধার করতে। পুনরায় ঈশ্বরের কাছে প্রত্যাবর্তনের আগে, ত্রিশ বছর ধরে তিনি মানব-পুরুষের জীবন কাটিয়েছিলেন। সুতরাং তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ মানুষ এবং সম্পূর্ণ ঈশ্বর। কিন্তু ঠিক কীভাবে বিষয়টির বোধগম্য একটি ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব হতে পারে? তারা বিষয়টি নিয়ে বহু শতাব্দী ধরে বিতর্ক করেছিলেন, এবং এটি বহু উপদল আর ধারার জন্ম দিয়েছিল।

    অবশ্যই যিশুর স্বর্গীয় পরিচয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে তর্ক ছাড়াও তারা অনেক কিছুই করেছিলেন। তারা দরিদ্র অসহায়দের সেবা করেছিলেন। রোমান সাম্রাজ্যে প্রশাসনিক কাঠামো অনুকরণ করে দক্ষতার সাথে তারা নিজেদের সংগঠিত করেছিলেন। তারা নিজেদের ভৌগোলিক সীমানায় ভাগ করেছিলেন, যে ভৌগোলিক এককগুলোর তারা নাম দিয়েছিলেন ‘ডাইওসিস’, যেখানে প্রশাসক হিসাবে একজন তত্ত্বাবধায়ক অথবা বিশপকে নিয়োগ দেওয়া হতো। বিশপের অধীনে থাকতেন যাজকরা, যারা স্থানীয় খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীর দেখাশুনা করতেন। সমাজকল্যাণের জন্যে তৃতীয় একটি স্তর ছিল, সেই কর্মীদের বলা হয় ডিকন, যারা দরিদ্র আর অসহায়দের দেখাশুনা করতেন। খুব কার্যকরী দক্ষ একটি সংগঠন তারা তৈরি করেছিলেন, এবং মসৃণভাবে এটি কাজ করেছিল। খুব শীঘ্রই বড় শহরগুলোর যেমন, রোম, বিশপরা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন, এমনকি সাম্রাজ্যের কর্তৃপক্ষের কাছেও। নির্যাতন অব্যাহত ছিল খানিকটা মাত্রায়, কিন্তু সেটি চার্চকে আরো শক্তিশালী করেছিল। এবং শেষ নির্যাতনপর্বটি প্রমাণিত হয়েছিল রাতের শেষ আঁকড়ে ধরার মতো, যার পরেই এসেছিল নতুন আর বিস্ময়কর একটি ভোর।

    যখন খ্রিস্টীয় চার্চ নিজেকে গড়ে তুলেছিল শক্তিশালী একীভূত একটি সংগঠন হিসাবে, রোম সাম্রাজ্য ঠিক বিপরীত দিকে অগ্রসরমান ছিল। নিজেকে বহুখণ্ডে খণ্ডিত করার মাধ্যমে ক্রমশ এটি ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। এর সেনারা সাম্রাজ্য রক্ষা করতে দেশের সীমানায় হামলে-পড়া আগ্রাসনকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার বদলে বরং নিজেদের মধ্যেই বেশিরভাগ সময় যুদ্ধ করে কাটাতে শুরু করেছিল। কিন্তু অনিয়মিতভাবে শক্তিশালী কয়েকজন নেতার আবির্ভাব হয়েছিল, যারা সাম্রাজ্যের ধ্বংস ঠেকাতে চেষ্টা করেছিলেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ছিলেন ডাইক্লেশিয়ান। ২৪৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সম্রাট হয়েছিলেন, সাম্রাজ্যকে একত্রিত করার প্রচেষ্টায় খ্রিস্টান চার্চের উপর তিনি সর্বশেষ এবং হিংস্রতম নির্যাতনপর্বটি পরিচালনা করেছিলেন। কারণ তিনি তাদেরকে মিত্র না ভেবে বরং তার লক্ষ্য অর্জনে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবেছিলেন। এই ভয়াবহ নির্যাতনের পর্বটি শুরু হয়েছিল ৩০৩ খ্রিস্টাব্দে এবং যতদিন এটি চলেছিল, পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ, কিন্তু এর আগে যত নির্যাতনপর্ব এসেছিল, এটি তার কোনোটির চেয়ে বেশি সফল হতে পারেনি। এর দশ বছরের মধ্যে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত হয়েছিল যখন চার্চ আর সাম্রাজ্য এক হয়ে গিয়েছিল।

    ৩০৫ খ্রিস্টাব্দে যখন ডাওক্লেশিয়ান অসুস্থ হবার পর সম্রাটের পদ ছেড়ে দিয়েছিলেন। খুব দ্রুত নেতৃত্বের ওপর দাবি করা প্রতিদ্বন্দ্বীরা আবার পরস্পরের সাথে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। এবং এই প্রতিদ্বন্দ্বীদের সবচেয়ে বুদ্ধিমান এবং যোগ্যতম ব্যক্তি ছিলেন কনস্টান্টিন। ৩১২ খ্রিস্টাব্দে, রোমের উপকণ্ঠে একটি যুদ্ধের আগের রাতে, যে যুদ্ধটি নির্ধারণ করবে, কে রোমের পরবর্তী সম্রাট হবেন, কনস্টান্টিন তার তাঁবুতে ঘুমিয়েছিলেন, তিনি খুব জীবন্ত একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্নে তিনি দেখেছিলেন খ্রিস্টীয় চিহ্ন ‘ক্রুশ’ তার সামনে উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে, এবং তিনি একটি কণ্ঠ শুনতে পেয়েছিলেন, যা তাকে নির্দেশ দিচ্ছে, এই প্রতাঁকের নিচে তুমি জিতবে।

    পরের দিন সকালেই তিনি সেই ব্যানার তৈরি করেন, এবং সেটি উজ্জ্বলভাবে ক্রুশের চিহ্ন দিয়ে অলংকৃত করেন, এবং যুদ্ধে যান, এবং তিনি সেদিন তার প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছিলেন। পরের বছরই তিনি খ্রিস্টানদের নির্যাতন করার ডিক্রিটি বাতিল করে দেন এবং সাম্রাজ্য জুড়েই ধর্মপালনে অসীম স্বাধীনতা প্রদান করেন। ৩১৫ সালে তিনি ক্রুশবিদ্ধ করে মৃত্যুদণ্ডের প্রথাও বাতিল করেছিলেন, যা খ্রিস্টানরা তীব্রভাবেই ঘৃণা করে আসছিলেন। এবং ৩২৪ সাল নাগাদ, যদিও অন্য ধর্মগুলোর প্রতি সহিষ্ণু ছিল রোম, তিনি খ্রিস্টান ধর্মকে সাম্রাজ্যের আনুষ্ঠানিক ধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন। মাত্র বিশ বছরের মধ্যে নির্যাতিত অস্পৃশ্য একটি ধর্ম থেকে সম্রাটের প্রিয় ধর্মে রূপান্তরিত হবার ঘটনাটি ছিল আসলেই বিস্ময়কর একটি রূপান্তর।

    কিন্তু খুব সরল হবে যদি কনস্টান্টিনের যিশুর ধর্মে ধর্মান্তরের বিষয়টিকে আধ্যাত্মিক হিসাবে দেখা হয়। তিনি খুবই ধূর্ত রাজনীতিবিদ ছিলেন, এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, একমাত্র খ্রিস্টধর্মই তার সাম্রাজ্যকে একীভূত করে রাখার ক্ষেত্রে আঠার মতো কাজ করবে : একটি বিশ্বজনীন চার্চ একটি বিশ্বজনীন সাম্রাজ্যের উপর মূদ্রিত করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি খুবই বিরক্ত হয়েছিলেন যখন আবিষ্কার করেছিলেন, মানুষ আর ঈশ্বর হিসাবে যিশুখ্রিস্টের প্রকৃতি সংজ্ঞায়িত করার শ্রেষ্ঠ উপায় নিয়ে চার্চ নিজেই বহু প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপে বিভক্ত হয়ে আছে। এই বিতর্কের সমাধানের পরিণতি এত ক্ষুদ্র একটি বিষয় ছিল, এটি আসলেই একটি মাত্র অক্ষরের ওপর নির্ভর করে ছিল, সেটি হচ্ছে আইয়োটা, আই (i) অক্ষরটির গ্রিক সংস্করণ। এই বিতর্ক সমাধান করার প্রত্যয়ে, ৩২৫ সালে কনস্টান্টিন বর্তমান তুরস্কের একটি শহর নাইসিয়ায় তার সাম্রাজ্যের সব বিশপ আর ধর্মতাত্ত্বিকদের ডেকে নিয়ে এসেছিলেন। এরপর তিনি তাদের একটি ঘরে বন্ধ করে রেখেছিলেন, এবং যতক্ষণ-না তারা এই সমস্যাটির সমাধান করতে পারেন ততক্ষণ তাদের মুক্তি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। ‘আয়োটা’ কি বাদ যাবে, না গ্রহণ করা হবে? (সিজারিয়ার ইউসেবিয়াস যে-শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন সেটি হচ্ছে homoiousios বা ‘একই ধরনের উপাদানে তৈরি, এটি নাইসিয়ার কাউন্সিলে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত, যিশু এবং ঈশ্বর পিতা হচ্ছেন homoousios বা একই উপাদানে তৈরি, তার থেকে ভিন্ন ছিল। সেই সময়ের খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করতেন যে, তারা একই ধরনের উপাদানে তৈরি, এর মানে হচ্ছে একজন যিশু তিনি পরিত্রাণকারী ঈশ্বর পিতার হুবহু নয়, যা ওল্ড টেস্টামেন্টের ঈশ্বর। উপরন্তু, যদি তারা একই ধরনের স্বর্গীয় উপাদানে তৈরি হয়ে থাকেন, তাদের মূল একেশ্বরবাদের মতবাদেই একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সৃষ্টি হয়। এভাবেই কাউন্সিল অব নাইসিয়া প্রস্তাব করেছিল যে, যিশু ও স্বর্গীয় পিতা একই উপাদানে তৈরি। আর homoiousios আর homoousios শব্দদুটির মধ্যে পার্থক্য ছিল একটি গ্রিক অক্ষর, আইওটা (i), আর এখান থেকেই সেই অভিব্যক্তিটি এসেছে, এক আইওটা পার্থক্য। অবেশেষে তারা আইওটাটি সেই শব্দ থেকে বাদ দিয়েছিলেন যা বিতর্কের মূলে ছিল। এই সমস্যাটির সমাধান হয় এবং পুরোপুরি ঈশ্বর আর পুরোপুরি মানুষ হিসাবে যিশুখ্রিস্টের প্রকৃতিটি অবশেষে চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়েছিল।

    কনস্টান্টিন এই ফলাফল নিয়ে এতই তৃপ্ত হয়েছিলেন যে, তিনি সব বিশপদের রাজকীয় একটি ভোজসভায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তিনি তার দেহরক্ষীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন তার প্রাসাদের দরজার সামনে তাদের তলোয়ারগুলো রেখে আসতে এবং বিশপরা আড়ম্বরের সাথে তার রাজকীয় কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন, সেখানে তারা রাজকীয় ভোজসভায় অংশ নেন পুরো কক্ষে চমৎকারভাবে সজ্জিত কাউচের উপর শুয়ে। একজন বিশপ এতটাই উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলেন যে, তিনি এই অনুষ্ঠানটিকে বর্ণনা করেছিলেন যেন পৃথিবীতে অবশেষে খ্রিস্টের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা হয়েছে। কিন্তু এমন কোনো দৃশ্য অবশ্যই যিশু তার নিজের বলে শনাক্ত করতে পারতেন না। যে শক্তি একদিন তাকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করেছিল সেটি এখন এর নিজের উদ্দেশ্যপূরণের লক্ষ্যে তাকে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    ইতিহাসবিদরা এই ঘটনাটি চার্চের চুড়ান্ত বিজয় হিসাবে দেখেছেন, এর নির্যাতনকারীদের ওপর এবং ইউরোপীয় ইতিহাসে তাদের দীর্ঘ প্রাধান্য বিস্তারকারী পর্বের সূচনা হিসাবে। এটি নিজেকে ক্যাথলিক চার্চ (বিশ্বজনীন) নামে চিহ্নিত করতে শুরু করেছিল। কারণ এটি সারা রোমসাম্রাজ্য জুড়ে বিস্তৃত ছিল। সাম্রাজ্যের ক্ষমতা যখন পড়তির দিকে, চার্চের ক্ষমতা তখন ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছিল, যতক্ষণ-না এটি সেই পর্যায়ে যেতে পেরেছিল, যখন এটি পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, এবং রাজারাও আতঙ্কিত থাকতেন এর কর্তৃত্বের সামনে। পার্থিব রাজনৈতিক শক্তির সাথে এর অংশীদারিত্ব পরিচিতি পেয়েছিল ক্রিসেনডম বা খ্রিস্টরাজ্য নামে। আর এই খ্রিস্টীয় রাজ্য এতই শক্তিশালী ছিল এর চূড়ান্ত শীর্ষে, গরিমার মেঘে আবৃত থাকা এর এই নতুন রূপের মধ্যদিয়ে তখন গ্যালিলি থেকে আসা সেই কৃষকটির রক্তাক্ত শরীরকে দেখা প্রায় অসম্ভব ছিল, যিনি এই সবকিছুরই সূচনা করেছিলেন। প্রায়, তবে একেবারে অসম্ভব নয়। কারণ যদিও এখন একটি সত্যিকারের রাজমুকুট তার মাথার উপর শোভা পাচ্ছে এবং সত্যিকারের রাজকীয় বেগুনি চাদরে তিনি আচ্ছাদিত, যখন তারা চার্চে প্রার্থনা করতে আসত, খ্রিস্টানরা নিউ টেস্টামেন্ট থেকে সেই অন্য খ্রিস্টের বর্ণনা শোনা অব্যাহত রেখেছিলেন। তবে তিনি তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আর কখনোই ফিরে আসেননি। কিন্তু চার্চে সবসময়ই সেই মানুষগুলো ছিলেন যারা ভেবেছিলেন, এর কারণ হচ্ছে তিনি আসলেই কখনো চলে যাননি।

    খ্রিস্টানদের গল্প শেষ হওয়া এখনো অনেক বাকি। এর শ্রেষ্ঠতম বছরগুলো এখনো আসা বাকি। তবে আমরা সেই কাহিনি ছেড়ে যাব পরের কয়েকটি অধ্যায়ে আরেকটি ধর্মের উত্থানের বিষয়টি দেখতে, যে-ধর্মটিও অতীতের আব্রাহামকে তাদের পিতা হিসাবে দেখেছিল : ইসলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }