Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৩. সমর্পণ

    অধ্যায় ২৩. সমর্পণ

    ‘ইসলাম’–একটি আরবি শব্দ, যা মুসলিম শব্দটির উৎস শব্দ, এবং এর সবচেয়ে ভালো অনুবাদ হতে পারে, আল্লাহর ইচ্ছার প্রতি সমর্পণ”। এই ধর্মটির মূল বিশ্বাস আর ধর্মীয় আচারগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করার আগে, এর নিকটতম সম্পর্কযুক্ত দুটি ধর্ম, ইহুদি এবং খ্রিস্টধর্মের সাথে এই ধর্মটির পার্থক্যটি কী, সেটি চিহ্নিত করা আমাদের উচিত হবে। একেশ্বরবাদী কোনো ধর্মের প্রথম মূলনীতি হচ্ছে ঈশ্বরের বাস্তবতা। আমরা এটিকে আরো সম্প্রসারণ করে বলতে পারি একেশ্বরবাদের জন্যে একমাত্র বাস্তবতাটি হচ্ছে ঈশ্বর।

    এই মহাবিশ্বের কথা ভাবুন : বহু মিলিয়ন ছায়াপথ এবং হয়তো বহু মিলিয়ন মহাবিশ্ব যা আমাদের কাছে অদৃশ্য। একটা সময় ছিল যখন এসব কিছু সেখানে ছিল না। তাহলে কী ছিল সেখানে একেশ্বরবাদের মতে, ঈশ্বর ছিলেন সেখানে। এরপর যা কিছুই অস্তিত্বশীল হয়েছে সেগুলো এসেছে ঈশ্বরের কাছ থেকে, ঠিক যেভাবে কোনো উপন্যাসের পাত্রপাত্রীরা তাদের অস্তিত্ব পায় এর লেখকের মন থেকে। যখন হিন্দুধর্ম নিয়ে আলোচনা করেছিলাম, মানুষকে উপন্যাসের চরিত্র হিসাবে ভাবার ধারণাটি আমি ব্যবহার করেছিলাম। আমি আবার এটি ব্যবহার করতে চাই, যখন আমি একেশ্বরবাদ নিয়ে চিন্তা করব, কিন্তু খানিকটা ভিন্ন কৌশলে। হিন্দুধর্মে কৌশলটি ছিল, সেখানে উপন্যাসের পাত্রপাত্রীরা আবিষ্কার করেছিলেন, তাদের আসলে সত্যিকারের কোনো অস্তিত্ব নেই। তারা মূলত একটি মায়া। আব্রাহামীয় ধর্মে চরিত্রগুলোর অস্তিত্ব আছে ঠিকই, কিন্তু তারা সেই একক ঈশ্বর সম্বন্ধে আরো কিছু জানতে চান, সেই লেখক যিনি তাদের সৃষ্টি করেছেন, তাদের সৃষ্টিকর্তা।

    মনে রাখবেন, এই সবকিছু আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে বা মেনে নিতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু আপনি যদি ধর্মকে বুঝতে চান, তাহলে এটি যেভাবে চিন্তা করে আপনার মনকেও একইভাবে চিন্তা করার প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসতে হবে, যদিও শুধুমাত্র এই অধ্যায়টি পড়তে যতটা সময় লাগে, ততক্ষণ। একেশ্বরবাদী ধর্মগুলো কোনো বইয়ের সেই চরিত্রগুলোর মতো, যারা এর লেখকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে। এমনকি এভাবে ভাবতেই আপনার মাথা ঝিমঝিম করে ওঠার কথা। তাই কি করছে না? এই মহাবিশ্বের বইয়ের কিছু চরিত্র বলছে এটি স্পষ্ট যে, কেউ আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি সেই কাজটি করেছেন, তার সাথে আমাদের যোগাযোগ স্থাপন করার ইচ্ছাটা খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। অন্যরা বলেন, বোকার মতো কথা বলবেন না, কোনো লেখক নেই, শুধু বইটাই আছে, এই মহাবিশ্ব বা যে নামই আপনি এটিকে দেন না কেন, এটি এমনিই ঘটেছিল। এটি নিজেকে নিজেই লিখেছিল। সুতরাং আপনাদের কল্পিত সেই লেখকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা বন্ধ করুন।

    কিন্তু যারা এই সৃষ্টিকর্তার সাথে সংযোগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে থাকেন, তাদের জন্যে এই প্রক্রিয়াটি অন্য যে-কোনো সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মতোই। নবী এবং ঋষিরা অপেক্ষা করেন এবং শোনেন এবং দূরদর্শিতা আছে তাদের, ভবিষ্যতে কী ঘটবে সেটি সম্বন্ধে তারা ধারণা করতে পারেন। তারা নিজেদের উন্মুক্ত করেন, যেন তাদের অস্তিত্বের উৎসটি তাদের মধ্যে দিয়ে নিজেকে উন্মোচিত করতে পারে। এবং এর বাস্তবতাটাই তাদের মনে তৈরি হয়, যেভাবে কোনো একটি চরিত্র নিজেকে এর লেখকের মনে বাস্তবায়িত করে তোলে। শুধুমাত্র ব্যতিক্রম, এটি আগের উপায়টির বিপরীত দিক বরাবর। একটি চরিত্র যা এর লেখককে বাস্তব একটি রূপ দেয়। খুব ধীরে ঈশ্বরের একটি চিত্র আবির্ভূত হয় যেন একটি আলোকচিত্র, যা কোনো একটি ডার্করুমে প্রস্ফুটিত করা হচ্ছে। ধর্মতাত্ত্বিকরা এই কর্মকাণ্ডকে বলেন, ইমার্জিং রিভিলেশন বা আবির্ভূত হতে থাকা কোনো উন্মোচন। এবং তারা সাধারণত দাবি করেন, ঈশ্বরের ছবি যা তাদের ধর্ম সমর্থন করে, সেটি এর বিকাশ প্রক্রিয়ায় অনেক বেশি অগ্রসর এর যে কোনো আদি সংস্করণ থেকে। ইহুদিবাদে সৃষ্টিকর্তার সাথে সাদৃশ্য বহুঈশ্বরবাদ অপেক্ষা বেশি। খ্রিস্টধর্ম ইহুদিবাদ থেকে অনেক উত্তমভাবে সংজ্ঞায়িত। কিন্তু ইসলাম দাবি করে তাদের কাছে এর সবচেয়ে নিখুঁত প্রতিকৃতিটি আছে, যা এর আগের যে-কোনোটির চেয়ে অনেক বেশি শ্ৰেষ্ঠ। সুতরাং আসুন, সেই জিনিসটি দিয়ে আমরা ইসলাম সম্বন্ধে আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত রাখি, যা এটিকে ইহুদিবাদ আর খ্রিস্টধর্ম থেকে সবচেয়ে বেশি পৃথক করেছে : কুর’আন।

    কুর’আনকে ইসলামের বাইবেল হিসাবে চিন্তা করবেন না। এখানে তিনটি বড় ধরনের পার্থক্য আছে। প্রথমটি হচ্ছে বাইবেল বিভিন্ন লেখক আর সম্পাদকের হাতে বহু শতাব্দী ধরে খুব ধীরে একত্রে একটি বইরূপে সংকলিত হয়েছিল। দ্বিতীয় পার্থক্যটি হচ্ছে, বাইবেল একটি লাইব্রেরি, এটি একক বা একটি মাত্র বই নয়। এবং তৃতীয় পার্থক্যটি, যদিও এটি ঈশ্বরের ঐশীবার্তা ধারণ করে, কিন্তু বাইবেল ‘মানবসৃষ্ট, মানুষের হাতে এটি এর রূপ পেয়েছে। কুর’আন সম্বন্ধে এধরনের কোনো বিবরণ ইসলাম ধর্মে কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। ক্রমাগতভাবে আসা ঐশী প্রত্যাদেশের ধারারূপে এটি কেবল একজন মানুষের কাছেই এসেছিল তার জীবদ্দশায়। এবং যদিও এটির মাধ্যম ছিল একজন মানুষ, এটি মানবসৃষ্ট নয়। ঠিক যেমন করে বৈদ্যুতিক তার কোনো ভবনে বিদ্যুৎ বহন করে আনে, মুহাম্মদ কুর’আনের বাহক ছিলেন, এটির প্রবাহিত হবার পথ ছিলেন, কিন্তু সরাসরি আল্লাহর কাছ থেকে এর মূল ক্ষমতাটি এসেছে। কুর’আন হচ্ছে আল্লাহর মনের পার্থিব একটি রূপ, পৃথিবীতে আল্লাহর উপস্থিতি।

    বাস্তবিকভাবে কুর’আন মুসলমানদের কাছে সেটাই, যিশুখ্রিস্ট খ্রিস্টানদের কাছে ঠিক যেমন। খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করেন যিশু হচ্ছেন পৃথিবীতে ঈশ্বরের প্রতিমূর্তি। মানুষরূপে ঈশ্বর নিজেকে লভ্য করেছিলেন এই পৃথিবীর কাছে। বেশ, মুসলমানদের কাছে কুর’আন সেরকমই। এটি তাদের কাছে ঈশ্বরের সমান। কুর’আন শব্দটির মানে হচ্ছে আবৃত্তি। এটি ফেরেশতা জিবরাইল আবৃত্তি করে শুনিয়েছিলেন নবীর কানে। এরপর এটি নবী তার অনুসারীদের জন্যে আবৃত্তি করেছিলেন, তার মৃত্যুর পর এর একটি লিখিত রূপ অর্জন করেছিল। আর ধর্মনিষ্ঠ মুসলমানরা এখনো এটিকে সম্পূর্ণরূপে মুখস্থ করেন, যেন তারা এর ১১৪টি অধ্যায় বা সুরা, প্রথম থেকে এর শেষ অবধি তাদের স্মৃতি থেকেই আবৃত্তি করতে পারেন।

    মুহাম্মদ বিশ্বাস করতেন, যা শুরু হয়েছিল ইহুদিদের মাধ্যমে এবং আরো অনেকটা বিবর্তিত হয়েছিল খ্রিস্টানদের সাথে, সেটি পূর্ণতা পেয়েছে তার নবুয়তের অধীনে। কুর’আন তাকে বর্ণনা করেছে নবীদের সিলমোহর’ বা শেষ নবী হিসাবে। তারপরে আর কোনো নবীই আসবেন না। নবীদের এই ধারাবাহিকতা সমাপ্ত হয়েছে। এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এবং ইসলাম হচ্ছে এর ক্রটিহীন চূড়ান্ত রূপ।

    ইহুদি আর খ্রিস্টানরা যখন বিষয়টি সেভাবে দেখেননি, মুহাম্মদ হতাশ হয়েছিলেন। যদিও তাদের এই প্রতিক্রিয়া অস্বাভাবিক কিছু ছিল না। পুরনো ধর্মের রক্ষকরা, তাদের দিন শেষ এবং তাদের উচিত নতুনের জন্য পথ ছেড়ে দেওয়া, এমন কিছু স্বীকার করতে সবসময়ই অনিচ্ছুক থাকেন। মুহাম্মদ আশা করেছিলেন যে, তিনি মদিনার ইহুদি আর খ্রিস্টধর্মীয়দের প্ররোচিত করতে পারবেন যে, আসলে তিনি তাদের শত্রু নন বরং তিনি তাদের ধর্মের পরিপূর্ণ রূপ, সেই পরিণতি, যার জন্যে তারা অপেক্ষা করছিলেন। কুর’আনে যেমন বলা হয়েছে, তিনি আপনার কাছে সত্যের সেই বইটি পাঠিয়েছেন, ইতিপূর্বে যা ছিল এটি সেটাই নিশ্চিত করেছে, এর আগে তিনি ‘তোরা’ আর ‘গসপেল পাঠিয়েছেন। আর সে-কারণে মুহাম্মদ প্রথমে তার অনুসারীদের জেরুজালেমের দিকে ফিরে উপাসনা করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। শুধুমাত্র যখন ইহুদি আর খ্রিস্টানরা তাকে তাদের নবী হিসাবে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন তিনি এর পরিবর্তে মক্কার দিকে ফিরে প্রার্থনা করতে তার অনুসারীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    কিন্তু তিনি বিশ্বাস করতেন, নবী হিসাবে তাদের এই প্রত্যাখ্যানটি, যদিও দুঃখজনক তবে, তাদের পূর্বের সব আচরণের সাথে সংগতিপূর্ণ। ইহুদিরা সবসময়ই সেই নবীদের প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, ঈশ্বর যাদের প্রেরণ করেছিলেন। তাদের শেষ প্রত্যাখ্যান ছিল নবী যিশু (ইয়েসুস বা ইসা)। তাকে ঈশ্বরে রূপান্তরিত করার মাধ্যমে এমনকি খিস্টানরাও যিশুকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। একজন মাত্র আল্লাহর একত্ববাদে গভীরভাবে বিশ্বাসী, মুহাম্মদ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন, খ্রিস্টানরা শুধুমাত্র ঈশ্বরকে একটি পুত্রই দেয়নি, স্বর্গে ঈশ্বরের পাশে বসানোর জন্যে তারা একই সাথে দুটি অন্য স্বর্গীয় সত্তাকেও সৃষ্টি করেছেন। এর কারণ খ্রিস্টানরা ‘ট্রিনিটি’রূপে ঈশ্বর সম্বন্ধে একটি তত্ত্ব বিবর্তন করেছিলেন, অথবা যেখানে একজন ঈশ্বর তিনটি ভিন্ন উপায়ে প্রকাশিত হয়েছে : মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরুতে সেই সৃষ্টিকর্তা পিতা, পৃথিবীতে তার জীবনে যিশুখ্রিস্টের মধ্যে পুত্র, এবং সেই স্পিরিট বা পবিত্র আত্ম হিসাবে, যা ইতিহাসের মধ্যদিয়ে মানবতাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সময়ের শেষ অবধি। এই জটিলভাবে পরিকল্পিত ধর্মতাত্ত্বিক প্রকৌশলের বিরুদ্ধে মুহাম্মদ গর্জে উঠেছিলেন : ‘লা ইলাহা ইল্লা আল্লাহু ওয়া-মুহাম্মদ রাসুল আল্লাহ’।

    তাদের ধর্মবিশ্বাসের অংশ হিসাবে ইসলামের অনুসারীদের পাঁচটি প্রধান কর্তব্য পালন করতে হবে, কখনো যেগুলোকে ইসলামের পঞ্চস্তম্ভ’ বলা হয়। প্রথম কর্তব্যটি হচ্ছে আন্তরিক সমর্পণের সাথে শাহাদা পাঠ বা আরবি ভাষায় আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ঘোষণা, যে-বাক্যটি দিয়ে আমি আগের অনুচ্ছেদটি শেষ করেছি : আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই, আর মুহাম্মদ হচ্ছেন তার নবী। একেশ্বরবাদের এই অভিব্যক্তির উচ্চারণ হচ্ছে একটি রূপ, যার মাধ্যমে মুসলমানরা তাদের বিশ্বাস ঘোষণা করেন এবং ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিতরা এটি ব্যবহার করে তাদের স্বীকারোক্তি প্রদান করেন।

    দ্বিতীয় স্তম্ভটি হচ্ছে, মক্কার দিকে মুখ করে সর্বশক্তিমান আল্লাহর উদ্দেশ্যে দিনে পাঁচবার প্রার্থনা করা, যাকে বলা হয় সালাত (বা নামাজ), আর সালাতের এই প্রার্থনা করা হয় ভোরে, দুপরে, বিকালের মাঝখানে, সূর্যাস্তে এবং সূর্যাস্ত আর মধ্যরাত্রির মধ্যবর্তী একটি সময়ে। পৃথিবীর হৃদয়স্পর্শী শব্দগুলোর একটি হচ্ছে মুয়াজ্জিনের (বা যিনি সবাইকে প্রার্থনা করতে ডাকেন), সেই আহ্বান : আজান। কোনো মসজিদের মিনারের উঁচু ব্যালকনি থেকে যা বিশ্বাসীদের প্রার্থনা করতে আহ্বান জানায়। তিনি পালাক্রমে কম্পাসের চারটি দিকের প্রতিটি দিকে মুখ ফিরিয়ে চিৎকার করে বলেন : ‘আল্লাহ হচ্ছেন সর্বশ্রেষ্ঠ, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয়। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মদ হচ্ছেন আল্লাহর নবী। নামাজ পড়তে আসুন, মুক্তি পেতে আসুন। আল্লাহ হচ্ছেন সর্বশ্রেষ্ঠ’। বর্তমানে প্রার্থনায় ডাকার এই আহ্বান মূলত আধুনিক শহরের নানা শব্দের মধ্যে অমসৃণভাবে বাজানো আজানের কোনো রেকর্ডিং। কিন্তু কোনো নীরব আফ্রিকার গ্রামে মুয়াজ্জিনের সেই ছড়িয়ে পড়া আহ্বানটি ভোরবেলা শোনা, আকুল আকাঙ্ক্ষার একটি তীরে বিদ্ধ হওয়ার মতো অনুভূত হতে পারে।

    ধর্মটির তৃতীয় স্তম্ভটি হচ্ছে জাকাত, অথবা দান করা, যেহেতু সব সম্পদই এসেছে আল্লাহর দয়ায়, ধার্মিক মুসলমানদের জন্যে দান করা মানে আল্লাহর কাছে সেই সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া, তিনি একাই যে সম্পদের একমাত্র মালিক। এটি আরো একটি উপায়, যার মাধ্যমে সেই সম্পদের দ্বারা সমাজের দরিদ্র ও অসহায়রা উপকৃত হতে পারেন, এবং একই সাথে ইসলাম ধর্ম প্রচারেও ব্যবহৃত হতে পারে। ইসলাম একটি মিশনারি বা প্রচারের ধর্ম, যার লক্ষ্য পুরো পৃথিবীকে এর দৃষ্টিভঙ্গিতে রূপান্তর করা, একটি একক সংঘ অথবা উম্মা, যেখানে বিশ্বাস ও জীবন একীভূত হয় পূর্ণাঙ্গ একটি রূপে। উম্মাহতে এমন কোনো বিন্দু থাকবে না যেখানে ধর্ম শেষ হবে আর সমাজের সূচনা হয় অথবা যেখানে সমাজের শেষ হয় আর ধর্মের সূচনা হয়। এটি একই জিনিস হবে।

    চতুর্থ স্তম্ভটি হচ্ছে, রমজান (বা রামাদান) মাসে মাসব্যাপী রোজা রাখা, যে মাসটি ইসলামি ক্যালেন্ডারের নবম মাস। ত্রিশ দিন ধরে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত অবধি এই রোজা পালন করা হয়। এই সময়ে কোনো খাদ্য গ্রহণ অথবা পানীয় পান করা যাবে না। কিন্তু এটি শুধুমাত্র খাদ্য আর পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকা নয়। রমজানের শেষের দিকে মসজিদে বিশেষ কিছু অনুষ্ঠান পালন করা হয়, যেগুলো বিশ্বাসীদের মধ্যে আধ্যাত্মিকতা-সংক্রান্ত জ্ঞান বৃদ্ধি করার জন্যে পরিকল্পিত হয়েছে। এবং রমজানের সাতাশতম দিনটি বিশেষ মর্যাদার সাথে পালন করা হয়, শবে-ই-কদর বা শক্তির রাত, এটি সেই প্রথম রাতটিকে চিহ্নিত করে, যখন মক্কার বাইরে একটি গুহায় মুহাম্মদ প্রথম আল্লাহর নিকট থেকে ঐশী প্রত্যাদেশ বা ওহী পেয়েছিলেন, যা পরৈ কুর’আন হয়েছিল। রমজান শেষ হয় ঈদ-উল-ফিতর উৎসবের মাধ্যমে। রোজা শেষ হবার পর একটি আনন্দোৎসব। ঈদ হচ্ছে আনন্দের একটি সময় যখন পরিবারের সদস্যরা পরস্পরের সাথে দেখা করেন এবং উপহার বিনিময় করেন।

    পঞ্চম কর্তব্য আমি ইতিমধ্যেই উল্লেখ করেছি, মক্কায় হজ করতে যাওয়া। প্রতিদিন পাঁচবার নামাজ পড়া আর রমজান মাসে রোজা রাখার চেয়ে মক্কায় হজ করতে যাওয়া বেশ বড় একটি ব্যাপার। সুতরাং মুসলমানদের কাছে প্রত্যাশা করা হয় যে, তারা তাদের জীবনে মাত্র একবার এই কাজটি করবেন। হাজিরা আব্রাহামের কাবা প্রদর্শন করেন, যা এখন মক্কার বিশাল মসজিদ, আল-মাসজিদ আল-হারামের মধ্যে অবস্থিত বিশাল কিউব বা ঘণক্ষেত্র আকৃতির একটি ভবন। হাজিরা কাবার চারপাশে ঘড়ির কাঁটার বিপরীতদিকে সাতবার প্রদক্ষিণ করেন। তারপর তারা সাফা আর মারওয়া নামের দুটি ছোট পাহাড়ের কাছে যান। সেখানে দুটি পাহাড়ের মধ্যে হয় তারা দৌড়ান অথবা দ্রুত হাঁটেন হাজারের সেই নিদারুণ যন্ত্রণাকে স্মরণ করে, যখন তিনি তার পুত্র ইসমায়েলের জন্যে তপ্ত শুষ্ক মরুভূমিতে পানির জন্যে ব্যস্ত হয়ে ছোটাছুটি করেছিলেন, যে পানির স্রোতধারা ক্ষুব্ধ ইসমায়েলের পায়ের লাথির মাধ্যমে উন্মোচিত হয়েছিল। হজের আরো একটি নাটকীয় উপাদান হচ্ছে তিনটি স্তম্ভের প্রতি লক্ষ করে যখন হাজিরা পাথর নিক্ষেপ করেন, যেগুলো পৃথিবীর অশুভ সবকিছুকেই প্রতিনিধিত্ব করে। মুসলমানদের জন্যে হজের অভিজ্ঞতা এত তীব্র আর জীবনরূপান্তরকারী হতে পারে যে, তারা এই অর্জনটিকে তাদের নামের সাথে একটি পদবী হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। পুরুষদের জন্যে হাজি এবং মহিলাদের জন্যে হাজা।

    এই পাঁচটি কর্তব্যের বিস্তারিত ব্যাখ্যা এর অনুসারীদের অনুসরণ করার জন্যে ইসলামকে খুব স্পষ্ট আর জটিলতামুক্ত একটি ধর্মে পরিণত করেছিল। কিন্তু এর ব্যবহারিক স্তরে এর দুটি খুবই শক্তিশালী আবেগ-উদ্রেককারী বৈশিষ্ট্য আছে। প্রথমটি হচ্ছে নবী মোহাম্মদের প্রতি ভক্তি, যা প্রায় সত্যিকারের উপাসনার। কাছাকাছি যায়, তবে কখনোই সেই বিন্দুতে পৌঁছায় না। আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপাস্য ঈশ্বর নেই, আর মুহম্মদ হচ্ছেন আল্লাহর শেষ নবী, মুহম্মদকে উপাসনা করা যাবে না–কারণ তিনি ঈশ্বর নন–কিন্তু তিনি এত বেশি শ্রদ্ধেয় যে, যখনই তার নাম উচ্চারিত হয় প্রচলিত নিয়ম হচ্ছে তার পরে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সা.) (যার অর্থ হলো তার ও তার পরিবারের ওপর আল্লাহর দয়া-করুণা ও শান্তি বর্ষিত হোক)। আর সে-কারণেই মুসলমানরা খুবই উত্তেজিত এবং ক্রুদ্ধ হয়ে ওঠেন, যখন তাদের নবীকে ব্যঙ্গ বা অবিশ্বাসীরা তার চরিত্রে কলঙ্ক লেপন করেন।

    কিন্তু আল্লাহর প্রতি মুসলিমদের সমর্পণ আরো অনেকটাই উচ্চস্তরের, তাদের নবীর প্রতি শ্রদ্ধার চেয়েও যা অনেক বেশি। ইসলামের একেশ্বরবাদ খুবই তীব্র এবং আবেগীয়, যা সারাক্ষণই আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয় এই ধারণাটির ওপর গুরুত্বারোপ করে। কুর’আন বেশ কাব্যিক হয়ে ওঠে যখন এটি আল্লাহর সৌন্দর্য বর্ণনা করে। কুর’আনের হৃদয়স্পর্শী অধ্যায়গুলোর একটি হচ্ছে ১৩ নং সুরা, যে অধ্যায়টি আল্লাহর সবচেয়ে সুন্দর নিরানব্বইটি নামের ঘোষণা দিয়েছে। নিচে তার কয়েকটি উল্লেখ করা হলো।

    আল্লাহ, যে নামটি’ সব নামের উপরে…
    দয়াময়, যারা দয়া প্রদর্শন করে তাদের সবার চেয়ে যিনি দয়ালু…
    সহমর্মী, যিনি কোমল এবং সহমর্মিতায় পূর্ণ…
    পর্যবেক্ষণকারী, যিনি তার সৃষ্টির ওপর লক্ষ রাখেন…
    ক্ষমাশীল, যিনি সবসময়ই ক্ষমা করতে প্রস্তুত …

    কুর’আনের ভাষার মাধুর্য আর সান্ত্বনা আছে। কিন্তু সেখানে শুধুমাত্র সেটাই আমরা পাই না, এমনকি সুরা ১৩য় সেই সতর্কবাণীও আছে, আল্লাহর সাথে পৃথিবীর সম্পর্কে সান্ত্বনা যেমন আছে, তেমন ভয়ের ব্যাপারও আছে আরো দুটি নাম যেমন:

    পীড়াদানকারী, যিনি কষ্ট দেন এবং আশীর্বাদও দেন…
    প্রতিহিংসক, যিনি পাপীদের ওপর তার প্রতিহিংসার প্রকাশ ঘটান…

    কুর’আন আল্লাহর সৌন্দর্যের প্রশস্তিতে পূর্ণ। এছাড়াও এটি পাপী আর অবিশ্বাসীদের প্রতি তার ক্ষোভে বজ্রকণ্ঠের কথাও বলে। সুতরাং আল্লাহর সেই দিকটি এবং বহু মানুষের জন্যে এর পরিণতিটি কী, সেটি অনুসন্ধান করার এখন সময় হয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }