Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৫. নরক

    অধ্যায় ২৫. নরক

    নরক কী? নরক হচ্ছে নিরন্তর যন্ত্রণা ভোগ করা একটি জায়গা, যেখানে যারা তাদের কৃতকর্মের জন্যে কোনো অনুশোচনা করেননি, মৃত্যুর পর তাদেরকে সেখানে প্রেরণ করা হয়। খ্রিস্টধর্ম আর ইসলামে যেভাবে নরকের ধারণাটি আবির্ভূত হয়েছে সেটি সম্বন্ধে যে পূর্ণ ধারণাটি পাওয়া যায় তা হলো, এটি এমন একটি জায়গা যেখান থেকে মুক্তি পাবার কোনো সম্ভাবনা নেই। যদি একবার সেখানে আপনি নিজেকে আবিষ্কার করেন, সেখানে অনন্তকাল আপনাকে থাকতে হবে। সেটাই হচ্ছে নরকের সবচেয়ে ভয়ংকরতম বৈশিষ্ট্য।

    বেশ, তাহলে এটি কোথায়? এটি মানুষের মনের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়। অথবা, এটি মনের সেই অংশে যা ধর্মের বিভিন্ন জগৎগুলো সৃষ্টি করে। আর এটি বুঝতে হলে আমাদের অবশ্যই স্মরণ করতে হবে ধর্মীয় কল্পনা আসলে কীভাবে কাজ করে। এটি দুটি স্তরে কাজ করে। একটি হচ্ছে চিন্তা বা ভাবনার স্তর। জীবন নিয়ে না-ভেবে মানুষ থাকতে পারে না, তারা ভাবেন এর অর্থ কী। মানব ইতিহাসের শুরুতেই মৃতদের সাথে কী ঘটে সেটি নিয়ে তারা ভেবেছিলেন। এবং এই জীবনের পরে আরেকটি জীবন বা পরকালের অস্তিত্ব আছে এমন অনুমানও তারা করছিলেন। মানুষদের মধ্যে ভয়ানক অসাম্যতা নিয়েও তারা ভেবেছিলেন এবং সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে, যেহেতু কদাচিৎ এই জীবনে এর মীমাংসা হয়, যদি এই মহাবিশ্বে ন্যায়বিচার বলে কিছু থাকে, তাহলে পরকালে এই অবিচারগুলোর অবশ্যই মীমাংসা হবে। যখন তারা এইসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, অবশ্যই তখন তাদের কাছে পরকাল সম্বন্ধে কোনো বাস্তব তথ্য ছিল না। এটি শুধু অনুমান ছিল, অথবা শুধুমাত্র স্বচারিতা। কিন্তু খুব প্রাকৃতিকভাবেই এটি মানুষের মনের ভাবনা থেকে এসেছিল। আর সে-কারণেই ধর্মতাত্ত্বিকরা এটিকে বলেন ‘প্রাকৃতিক ধর্ম’।

    এরপর মনে রিসিভিং বা গ্রাহক বিভাগ বিষয়টিকে তাদের আয়ত্তে নিয়েছিল। এটি মানবমনের সেই অংশটি, যা নানা দৈবদৃশ্য দেখে অথবা কণ্ঠ শোনে। এবং এটি দাবি করেছিল যে, পরকাল সম্বন্ধে এটি সরাসরি তথ্য পেয়েছে। আর সেকারণে এই ধর্মতত্ত্বের বিভাগটিকে বর্ণনা করা হয় রিভিলড রেলিজিয়ান বা স্রষ্টা-কতৃক সরাসরি ‘প্রেরিত’ ধর্ম হিসাবে। প্রাকৃতিক ধর্ম মৃত্যুর সেই পর্দার ওপারে কী আছে সেটা নিয়ে ভেবেছিল, কিন্তু প্রেরিত ধর্মগুলো দাবি করেছে। তারা সেটি দেখেছে। কিন্তু একটি লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যদিও সব জায়গায় প্রশ্নগুলো একই রকম, এর উত্তর এলাকাভেদে ভিন্ন। সবচেয়ে বড় পার্থক্যটি হচ্ছে ভারতীয় ধর্ম আর খ্রিস্ট ও ইসলাম ধর্মের মধ্যে।

    ভারতের ঋষিদের মতে আত্মা মৃত্যুর পর স্থায়ী কোনো অবস্থায় প্রবেশ করে। অন্য একটি জীবনে এর পুনর্জন্ম হয়, যার সামাজিক অবস্থান নির্ভর করবে ঠিক এর আগেই কাটানো জীবনে এর সঞ্চয় করা পুণ্যের পরিমাণ কী এটি বৃদ্ধি, নাকি হ্রাস করেছিল। হিন্দুধর্মে নরক আর স্বর্গের ধারণা আছে, কিন্তু সেগুলো চূড়ান্ত কোনো গন্তব্য নয়, বরং সেগুলো হচ্ছে যাত্রাবিরতির শিবিরের মতো। এই প্রক্রিয়া থেকে মুক্তি পেতে হলে বহু মিলিয়ন জীবন হয়তো এভাবে একের-পর এক কাউকে কাটাতে হবে। কিন্তু সবসময়ই সেই আশাটি আছে, সবাই কোনো না-কোনো একসময় এই জন্ম-জন্মান্তরের চক্র থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন, অর্থাৎ মুক্তি পাবেন। এখানে চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে নির্বাণে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া।

    আর যারা দূরে পশ্চিমে বাস করতেন তাদের প্রত্যাশা অস্তিত্বের বিশাল চক্র থেকে চূড়ান্তভাবে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার আশার ওপর নির্ভরশীল কোনো ধারণা ছিল না, বরং মৃত্যুর পরে অব্যাহত জীবনের ভিন্ন একটি সংস্করণের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ‘হেল’ বা নরক শব্দটির একটি আদি আবির্ভাব, শব্দটির অর্থ কী হতে পারে সেই বিষয়ে একটি আভাস দেয়। ইংল্যান্ডের প্রাচীন অ্যাঙলো-স্যাক্সোন ভাষায় ‘হেল’ শব্দটির অর্থ ‘আন্ডারওয়ার্ল্ড’ বা পাতালপুরী, যেখানে পরলোকগত আত্মাদের বসবাস। ওল্ড টেস্টামেন্টে এটিকে ‘শিওল’ নাম দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এটি ভীতিকর কোনো জায়গা নয়। এটি শুধু বিষণ্ণ একটি এলাকা। যেমন করে হয়তো আমরা এখন বলতে পারি, এটা নরকের মতোই বিষণ্ণ। সেই মানুষগুলোর মতো, যারা খুব ভয়ানক কোনো রোগ থেকে কখনোই আরোগ্য লাভ করেন না, পাতালপুরীতে আত্মারা ছায়ামূর্তির মতো একসাথে অবস্থান করেন এমন কোনোকিছুর অপেক্ষায়, যা কখনোই আসে না।

    কিন্তু ধর্মের ইতিহাসে কিছু কখনোই অপরিবর্তিত থাকে না, এবং এমনকি মৃত্যুপরবর্তী পরকালের ধারণাটিতেও পরিবর্তন এসেছিল। ব্যাবিলনে ইসরায়েলবাসীদের নির্বাসনের সময় পারস্যের কিছু ধারণা ইহুদি ধর্মের মধ্যে প্রবেশ করেছিল। তাদের একটি ছিল, মৃত্যুর পর আত্মারা সেই নিরানন্দ রোগমুক্তির পর ধীরে আরোগ্যলাভ করার পাতালপুরীর হাসাপাতালের স্থায়ী বাসিন্দায় পরিণত হন না। হয় তারা স্বর্গের পরমসুখে প্রবেশাধিকার জয় করেন, নয়তো নরকে অনন্ত যন্ত্রণাভোগ করার শাস্তি হয় তাদের। পরকালের এই সংস্করণটি ইহুদি ধর্মে কখনোই সম্পূর্ণরূপে সম্মতি আদায় করে নিতে পারেনি। কিন্তু প্রথম শতাব্দীতে এর কিছু সমর্থক ছিলেন, তাদের একজন ছিলেন যিশু। যদিও তিনি এটি নিয়ে বেশি কথা বলেননি, তবে তিনি নরকের অস্তিত্ব আছে এই ব্যাপারটিকে খুব স্বাভাবিক হিসাবেই মেনে নিয়েছিলেন। এবং যে-শব্দটি তিনি এর জন্যে ব্যবহার করেছিলেন, সেটি এটিকে নতুন আর ভীতিকর একটি অর্থ প্রদান করেছিল।

    যিশু বলেছিলেন, যারা শিশুদের ঘৃণা ও কোনো ক্ষতি করেন, তাদেরকে ‘গেহেনায়’ নিক্ষেপ করা হবে, সেই ‘আগুনে, যার তৃষ্ণা অনিবারণযোগ্য’। কিছু পুরনো হিব্রু লেখায় ‘গেহেনা’ হচ্ছে এমন একটি জায়গা যেখানে শেষ-বিচারের (জাজমেন্ট ডে) পরে পাপীদেরকে শাস্তি দেওয়া হবে। পরের কিছু বর্ণনা দাবি করেছিল, জেরুজালেমের ময়লা যেখানে ফেলা হতো, সেই জায়গাটির নাম ছিল এটি, যেখানে ময়লা পোড়ানো হতো, আর এটি সারাক্ষণই জ্বলত কারণ সেখানে নিরন্তর ময়লা ফেলা অব্যাহত থাকত। এখন বলা অসম্ভব, যিশুর আসলে মূল উদ্দেশ্যটি কী ছিল যখন তিনি নিরন্তর শাস্তির একটি রূপক হিসাবে এটি ব্যবহার করেছিলেন। কিন্তু এমন একটি চুল্লি যা নিরন্তর জ্বলতে থাকে।

    কিন্তু এমন একটি চুল্লি যা নিরন্তর জ্বলতে থাকে সেটি নরক-সংক্রান্ত বর্ণনায় অপরিহার্য যন্ত্রে রূপান্তরিত হয়েছিল। আরো ছয় শতাব্দী পর যখন কুর’আন লেখা হয়েছিল, যাদের অনন্তকালের শাস্তির জন্য দণ্ডিত করা হবে, তারা একটি চুল্লির নিশ্বাস শুনতে পাবেন, যখন এর দিকে তারা এগিয়ে যাবেন। এবং যখন তাদের আগুনের শিখায় নিক্ষেপ করা হবে, সেখানকার পাহারাদার তাদের জিজ্ঞাসা করবে : ‘সতর্ক করে দেবার মতো কেউ কি তোমাদের কাছে আসেনি?”

    খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ থেকে নরকের বর্ণনায় কুরআন আরো বেশি বিস্তারিত। এবং এটি খুব ভালোভাবেই জানত এটি কী করছে যখন এটি খুঁটিনাটিসহ নরকের বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছিল। বার্তাটি ছিল, যদি মানুষ নবীর সতর্কবাণী উপেক্ষা করে তাহলে নরকের আগুনের শিখা শুধু তাদের টেনেই নেবে না, বাড়তি যন্ত্রণা হিসাবে তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানিও ঢালা হবে। নবীর সময়ে নরকের ব্যবস্থাপকরা মোটামুটি সব গুছিয়ে ফেলেছিলেন এবং তারা জানতেন কীভাবে কার্যকরী আর ভীতিকর একটি পদ্ধতি পরিচালনা করতে হয়। ভয় দেখিয়ে ধর্ম পালন করানো সবসময়ই একটি কার্যকরী কৌশল ছিল। খ্রিস্টধর্ম ইসলামের সাথে এর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যে অসুবিধার মুখোমুখি হয়েছিল, সেটি হচ্ছে কুরআন নিউ টেস্টামেন্টের চেয়ে অনেক বেশি ভীতিকর। সুতরাং এই প্রতিযোগিতায় আরো খানিকটা বেশি কৌশলী হতে খ্রিস্টধর্মও বাধ্য হয়েছিল। হয়তো চার্চের পবিত্র বইটি ভীতিপ্রদর্শনের ক্ষেত্রে কুর’আনকে হারাতে পারবে না ঠিকই, কিন্তু এর অস্ত্রভাণ্ডারে একটি অস্ত্র ছিল, যা মুসলমানদের কাছে ছিল না।

    ইসলামের ব্যতিক্রম, ক্যাথলিক চার্চ ছবি বা কোনো চিত্র সৃষ্টি ও ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বাইবেলের দ্বিতীয় নির্দেশনাটির নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কখনোই খুব বেশি বিচলিত হয়নি। এটি বিশ্বাস করত ঈশ্বরের গুণকীর্তনে এবং খ্রিস্টীয় বার্তাটিকে সাধারণের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে শিল্পকলাকে এর সব রূপে ব্যবহার করা যেতে পারে। সুতরাং ক্যাথলিক চার্চ শিল্পীদের অন্যতম সেরা পৃষ্ঠপোষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। তাদের ধর্মবিশ্বাস প্রচার এবং উদযাপন করতে এটি সংগীত আর স্থাপত্য ব্যবহার করেছিল। কিন্তু সবধরনের শিল্পকলার মধ্যে, চিত্রকর্ম সৃষ্টি করতে এটি দারুণভাবে ভালোবাসত। এর মানে যখন মুসলমানরা শুধুমাত্র নরকের বর্ণনা দিতে শব্দের ব্যবহার করেছে, খ্রিস্টানরা সেটি চিত্রকর্মে জীবন্ত করে আঁকতে পারতেন। আর সবাই জানেন যে, একটি ছবি হাজার শব্দের সমান হতে পারে। সুতরাং নরক-সংক্রান্ত বার্তাটি দিয়ে যেন খুব স্পষ্টভাবে এর অনুসারীদের সাথে সংযোগ করা যায়, তারা চার্চের দেয়ালে নরকের বীভৎস যন্ত্রণার ভীতিকর সব চিত্র এঁকেছিলেন। এখানে যেমন একটি উদাহরণ।

    থমাস বেকেটের নামে ইংলিশ শহর সালিসবুরিতে পঞ্চদশ শতাব্দীর একটি চার্চ আছে। বেকেট ছিলেন ক্যান্টারবুরির আর্চবিশপ, রাজা দ্বিতীয় হেনরীর নির্দেশে যাকে তার নিজের ক্যাথিড্রালেই ১১৭০ সালে ২৯ ডিসেম্বর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। তার নামের সম্মানে নির্মিত এই চার্চটি চমৎকার একটি পুরনো ভবনে অবস্থিত, যেখানে আলো খুব অনায়াসে ভিতরে প্রবেশ করতে পারে। কিন্তু যখন আপনি মাঝখানে সংকীর্ণ পথ বা আইল দিয়ে ভিতরে হেঁটে যাবেন এর চ্যান্সেল আর্চ যে আর্চ বা খিলানটি চার্চের বেদির আশেপাশের অংশ থেকে চার্চের মূল অংশ বা নেভ থেকে পৃথক করে রাখে) থেকে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে মধ্যযুগীয় একটি ‘ডুম’ চিত্রকর্ম। অ্যাঙলো-স্যাক্সোন ভাষায় এই ‘ডুম’ শব্দটির মানে ‘শেষ-বিচারের দিন’, কিয়ামত বা ডুমস ডে, যখন মৃতদের তাদের কবর থেকে জাগিয়ে তোলা হবে তাদের জীবন সম্বন্ধে ঈশ্বরের চূড়ান্ত রায় শোনাতে। ‘ডুম’ চিত্রকর্মগুলো সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে শুধুমাত্র পরিকল্পিত হতো। কোনো সন্দেহ নেই এই চিত্রটি নিশ্চয়ই খুবই কার্যকরী ছিল।

    ১৪৭৫ সালে আঁকা চিত্রকর্মটি প্রদর্শন করছে, বিচারকের আসনে আসীন যিশু। তার ডানদিকে পুণ্যবান ব্যক্তিরা, যাদের স্বর্গে প্রেরণ করা হচ্ছে, যেখানে তাদের স্বাগত জানাচ্ছেন ফেরেশতারা। কিন্তু তার বামদিকে পাপীদের নরকে নিচে প্রেরণ করা হচ্ছে, যেখানে দানবরা তাদের টেনে নিয়ে যাচ্ছে জাগনের জ্বলন্ত মুখের মতো প্রজ্বলিত নরককুণ্ডে। যে মানুষগুলো এই চিত্রকর্মের দিকে প্রথম তাকিয়েছিলেন, তারা হয়তো এটিকে আক্ষরিকভাবেই গ্রহণ করে নিয়েছিলেন। তাদের মহাবিশ্ব ছিল তিনতলা একটি কেকের মতে, সবার উপর স্বর্গ, মাঝখানে পৃথিবী আর নিচে ছিল নরক। যখন আপনি মারা যাবেন, আপনি উপরে স্বর্গে যাবেন, নয়তো ‘নিচে’ নরকে প্রবেশ করবেন, পৃথিবীর একেবারে কেন্দ্রে যার অবস্থান বলে মনে করা হয়। যখন আগ্নেয়গিরিরা গলিত লাভা উগরে দিত, বিশ্বাসীরা ভাবতেন, ‘নরক তার মুখ হাঁ করেছে’, মৃত্যুর পর তাদের জন্য নিচে কী অপেক্ষা করছে পাপীদেরকে তাদের এর খানিকটা স্বাদ দিতে।

    খ্রিস্টধর্ম এর চার্চের দেয়ালে শুধুমাত্র নরকের চিত্রই আঁকেনি, তাদের ধর্মীয় বক্তৃতায় এর ভয়াবহতার বিবরণ দেবার জন্যে যাজকরাও তাদের উর্বর কল্পনাশক্তি ব্যবহার করেছিলেন। তার আত্মজীবনীমূলক এ পোট্রেইট অব দ্য আর্টিস্ট অ্যাস এ ইয়ং ম্যান’ উপন্যাসটিতে আইরিশ লেখক জেমস জয়েস একই সামন বা ধর্মবক্তৃতা লিপিবদ্ধ করেছিলেন, যা তিনি তার শৈশবে শুনেছিলেন, যখন যাজক তার কিশোর শ্রোতাদের বলেছিলেন, নরকে জ্বলন্ত সালফিউরাস ব্রিমস্টোন এমনভাবে তৈরি, ‘গেহেনা’র শিখার মতোই, যেন এটি চিরন্তনভাবে জ্বলতে পারে। পার্থিব আগুন, যাজক গর্জন করে বলেছিলেন, ধ্বংস হয়ে যায় পুড়িয়ে ফেলার মাধ্যমে। যতবেশি তীব্র হবে, তাপের স্থায়িত্ব হবে তত কম। কিন্তু নরকের আগুন যাদের পোড়ায় তাদের মেরে ফেলে না, আর সে-কারণে দহনের যন্ত্রণা কখনোই থেমে যায় না।

    ভাবা হয়ে থাকে যে, নরকের অসীম যন্ত্রণার বিবরণ আপনাকে প্রভাবিত করবেই, এমনকি যদি আপনি সেটি বিশ্বাস নাও করেন। কল্পনার মাধ্যমে এমন কোনো ধারণা সৃষ্টি করার ক্ষমতা বিস্ময়করআর বহু শতাব্দী ধরেই মানুষ পরস্পরের সাথে অসহনীয় অশুভ আচরণ করেছে। এমনকি সবচেয়ে ভয়াবহ নিষ্ঠুরতম শাস্তিও একটি পর্যায় অবধি স্থায়ী হয়, এমনকি সেটি এর শিকারের মৃত্যুর কারণও যদি হয়ে থাকে। কিন্তু নরক ধারণাটির অশুভ প্রতিভা হচ্ছে, এই যন্ত্রণা কখনোই শেষ হয় না। এর বন্দিরা অনন্তকাল কাটায় একটি বর্তমানে যেখানে কোনো তারপর’ নেই, যার দিকে তাকিয়ে কোনো আশা করা যেতে পারে। সালিসবুরি ‘ডুম’ চিত্রকর্মে শিল্পী একটি স্ক্রল যুক্ত করেছিলেন ল্যাটিন মন্ত্রবাক্য দিয়ে, নুলা ইন রেডেম্পশিও’ অর্থাৎ কোনো পরিত্রাণ নেই। স্যালিসবুরির সেইন্ট থমাসের দেয়ালে অজ্ঞাত এক শিল্পীর ঐ শব্দগুলো আঁকার এক শতাব্দী আগে, দান্তে নামের একজন ইতালীয় কবি একটি বিখ্যাত কবিতা লিখেছিলেন একটি বিষয়ে, যার নাম তিনি দিয়েছিলেন, ইনফার্নো’। আর সেখানে তার নরকের দরজায় তিনি একটি সতর্কবাণী লিখে রেখেছিলেন, সবাই, যারা এখানে প্রবেশ করছেন, সব আশা পরিত্যাগ করুন।

    এটি সেই একই বার্তা। নরক অশেষ এবং আশাহীন একটি জায়গা, সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম একটি নিয়তি যা-কিনা কোনো মানুষের ভাগ্যে ঘটতে পারে। একটি বিষয় স্মরণ করা লক্ষণীয় যে, সেইন্ট থমাস অ্যাকোয়াইনাস, ক্যাথলিক চার্চের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মতাত্ত্বিক–এবং একই সাথে যিনি দয়াল একজন মানুষ বলেছিলেন, স্বর্গের একটি বাড়তি আকর্ষণ হচ্ছে, এখানে সুবিধাজনক একটি বারান্দা থাকে, যেখান থেকে স্বর্গের বাসিন্দারা নিচে নরকে অভিশপ্তদের যন্ত্রণাভোগ দেখতে পারেন : যেন সাধুদের পরমানন্দ আরো বেশি সুখকর অনুভূত হয়, সে-কারণে অভিশপ্ত পাপীদের শাস্তি ভালোভাবে লক্ষ করার সুযোগ দেওয়া হয় তাদের। সুতরাং নরক হচ্ছে পাপীদের জন্য দুঃখ আর পরিত্রাণপ্রাপ্ত পুণ্যবানদের জন্যে পরমানন্দ।

    যতটুকু আমরা দেখলাম, পুরোটাই ভয়াবহ একটি চিত্র। কিন্তু এর চরম শিক্ষাগুলো শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় মাত্রায় পরিবর্তন করার ধর্ম বেশ দক্ষতাও প্রদর্শন করে। আমরা দেখেছি মুসলিম পণ্ডিতরা প্রস্তাব করেছেন, অদৃষ্টবাদের মতবাদ, কুর’আনে যার বিবরণ আছে সেটি একজন পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। এমন কিছুই ঘটেছিল ক্যাথলিক চার্চের নরকের ধারণার সাথেও। সেখানে কি কোনো মধ্যম পথ থাকতে পারে না সেই মানুষগুলোর জন্যে, যারা মৃত্যুর পর স্বর্গে প্রবেশের জন্যে যেমন যথেষ্ট ভালো নয় আবার নরকে নিক্ষিপ্ত হবার জন্য যথেষ্ট খারাপও নয়? ব্যাপারটি কি চমৎকার হবে না, যদি আমরা একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করি, যেখানে পাপীদের নিবিড়ভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে, স্বর্গে প্রবেশের ভর্তি-পরীক্ষায় আবার বসার জন্যে প্রস্তুত করা যাবে?

    এই প্রয়োজনীয়তাটি স্বীকৃতি পেয়েছিল এবং দ্বাদশ শতাব্দীতে একটি ‘জায়গা’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল– ‘পারগেটরি’ নাম দেওয়া হয়েছিল সেটির। নরক আর পারগেটরির মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে পারগেটরির একটি বহির্গমন পথ আছে। সেইন্ট থমাস অ্যাকোয়াইনাস এটি কীভাবে কাজ করে সে-বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যদি কোনো ব্যক্তি মারা যায় তার পাপের প্রায়শ্চিত্ত না করে, তারা পারগেটরিতে একটি দ্বিতীয় সুযোগ পাবে। সেই কাজটি সম্পন্ন করতে পারগেটরির সবচেয়ে বড় ব্যাপারটি হচ্ছে, এটি এমন একটি জায়গা, যেখানে আশা বেঁচে থাকে। এছাড়া নিশ্চয়ই, এটি যন্ত্রণারও একটি জায়গা, যারা এটি সহ্য করেছেন তারা জানেন এটি চিরস্থায়ী নয়, নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলে, তাদের জন্যেও স্বর্গের দরজা খুলে যাবে।

    পারগেটরি প্রতিষ্ঠা দয়াশীল একটি কাজ ছিল, যা মৃত্যু থেকে খানিকটা পরিমাণ ভয় অপসারণ করেছিল। কিন্তু চার্চ তার নিজের এই দয়াশীলতাকে কলুষিত করতে একটি উপায় খুঁজে বের করেছিল। আর এখানে সেটি ঘটেছিল। চার্চ পারগেটরিকে অর্থ উপার্জনের একটি কৌশলে পরিণত করেছিল, আর সেটি এতই ভয়ানকভাবে গর্হিত একটি কাজ ছিল যে, এটি ক্যাথলিক চার্চকে দ্বিখণ্ডিত করেছিল। কীভাবে এটি ঘটেছিল পরের অধ্যায়ে আমরা তার অনুসন্ধান শুরু করব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }