Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৬. খ্রিস্টের প্রতিনিধি

    অধ্যায় ২৬. খ্রিস্টের প্রতিনিধি

    চতুর্থ শতাব্দীতে কনস্টান্টিনের মাধ্যমে খ্রিস্টধর্ম রোমসাম্রাজ্যের আনুষ্ঠানিক ধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠা হবার পর হাজার বছরের মধ্যে খ্রিস্টের প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় থাকা নিপীড়িত একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী থেকে চার্চ এই গ্রহে সবচেয়ে বৃহত্তম আর শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছিল। একই সাথে আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব। শক্তিতে বলীয়ান চার্চ পৃথিবী এবং স্বর্গকে সন্ধিহীন একটি ঐক্যে যুক্ত করার দাবি। করেছিল। একটি বিস্ময়কর প্রতিষ্ঠান, পাপ এবং পুণ্য উভয়ক্ষেত্রেই চমকে দেবার। মতো ইতিহাস এটি ধারণ করে। এটি পৃথিবীর উপর তার প্রভাব বিস্তার করেছিল, যা সম্রাটদের দর্পচূর্ণ করেছিল, নতিস্বীকার করিয়েছিল, একই সাথে সেনাদলের নেতৃত্ব দিয়েছিল। এবং যদিও এটি ক্রুশবিদ্ধ সেই নবী, যাকে তারা অনুসরণ করে বলে দাবি করেছিল, তার থেকে বহু আলোকবর্ষ দূরে সরে এসেছিল, যিশু তারপরও নেপথ্যে দাঁড়িয়ে ছিলেন, একটি অস্বস্তিকর উপস্থিতি হিসাবে, বিশ্বাসীদের মনে যার প্রভাব কখনোই নির্বাপিত হয়নি।

    এয়োদশ এবং চতুর্দশ শতকে এর ক্ষমতার শীর্ষে ক্যাথলিক চার্চ এককভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছিল, যে-শিক্ষাটি কোনো ধর্মকে অবশ্যই শিখতে হবে ইতিহাসের প্রমত্ত সাগরে যদি এটি নিজেকে ভাসিয়ে রাখতে চায়। যেমন, আমরা দেখেছিলাম, তাদের বিশেষ প্রকৃতির কারণে ধর্ম খুব সহজেই খণ্ডিত হতে পারে। এই ভাঙনের সূত্রপাত ঘটাতে খুব বেশিকিছুর দরকার হয় না। একজন মানুষের মৃত্যুই সেটি করতে পারে। একটি শব্দের মধ্যে একটি স্বরবর্ণ নিয়ে বিতর্কের কারণেও যেমন হতে পারে। ক্যাথলিক চার্চ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, এই ভাঙন ঠেকানোর শ্রেষ্ঠতম উপায় হচ্ছে একক ব্যক্তির ওপর সব ক্ষমতা ঘনীভূত করা, এবং তাকে ঘিরে একটি কাঠামো তৈরি করা, যা তার কর্তৃত্বকে টিকিয়ে রাখবে।

    ক্যাথলিক চার্চ সেটি অর্জন করেছিল যাজকদের একটি নিবেদিত অর্ডার বা সংঘ প্রতিষ্ঠা করে, যারা এই বিশাল সংগঠনের নিচের স্তরটির তত্ত্বাবধান ও পরিচালনা করবেন। ক্যাথলিক যাজকদের জন্যে বিবাহ এবং কোনো ধরনের মানব আনুগত্য গড়ে তোলা নিষিদ্ধ ছিল, যা কিনা তাদের আধ্যাত্মিক দায়িত্বপালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। চার্চই হবে তাদের পরিবার। আর তাদের জন্য আবশ্যিক এই ব্যক্তিগত আত্মত্যাগের বিনিময়ে তাদের ওপর অর্পণ করা হয়েছিল বিশেষ সম্মান এবং পবিত্র মর্যাদা ও সামাজিক অবস্থান। আর এটি দেওয়া হয়েছিল একটি আধ্যাত্মিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যাকে ‘অ্যাপোস্টলিক সাকসেশন’ বলা হয় (যিশুর অনুসারীদের সেই ধারাবাহিক উত্তরসূরি)। ইসলামের শিয়াতো সংস্করণে ইমামের মতো, ক্যাথলিক যাজক তাদের কর্তৃত্ব পেতেন মানুষ নয় বরং একটি স্বর্গীয় উৎস থেকে। আর এটি এভাবে কাজ করেছিল।

    যিশু বারোজন অ্যাপোস্টল বা প্রথম অনুসারীদের তার লক্ষ্যপূরণে তাকে সহায়তা করতে আহ্বান করেছিলেন। এবং তিনি তাদের মাথার উপর হাত রেখে এই কাজের জন্যে দীক্ষিত করেছিলেন। একই পদ্ধতি ব্যবহার করে অ্যাপোস্টলরাও তাদের কর্তৃত্ব তাদের পরবর্তী অনুসারীদের ওপর ন্যস্ত করেছিলেন। ক্যাথলিক চার্চ দাবি করে, এভাবে মাথার উপর হাত রেখে অর্পণ করা দায়িত্বের এই উত্তরাধিকারের ধারাবাহিকতার শৃঙ্খল কখনোই ভাঙেনি। কল্পনা করুন সুবিশাল। একটি পাইপ-লাইন, যা ইতিহাসে অবিকৃতভাবে প্রবাহিত হয়েছে। এই ধারাবাহিতার শৃঙ্খল ভঙ্গ করে যদি আপনি অন্য কোনো গ্যাস-সরবরাহকারীর গ্রাহক হন, তাহলেই আপনি যিশুর কর্তৃত্ব হারাবেন। ক্যাথলিক বিশপ আর যাজক আর ডিকনরা, যারা এভাবে দীক্ষা পান, তারা একটি বিশেষ বর্ণের সদস্যে রূপান্তরিত হন, যারা সাধারণ মানুষ থেকে পৃথক একটি শ্রেণি। কোনো একটি যাজককে অপমান অথবা আহত করা হচ্ছে বিশেষ ধরনের একটি অপরাধ। এটি ধর্মদ্রোহিতা, ধর্ম অবমাননা, সরাসরি ঈশ্বরের বিরুদ্ধে করা একটি অপরাধ। এবং সেভাবেই এই অপরাধের শাস্তি দেওয়া হতো।

    ক্যাথলিক চার্চের অখণ্ডতা রক্ষার্থে এই বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন শ্রেণি সৃষ্টি করা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তবে এই কাঠামোর সবচেয়ে সফলতম কার্যকরী উপায়টি ছিল, যেভাবে এটি একজন ব্যক্তির ওপর চূড়ান্ত ক্ষমতা ঘনীভূত করেছিল, আর সেই ব্যক্তিটি ছিলেন রোমের বিশপ–পোপ। যে সময় সাংগঠনিক এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছিল, রোমের এই বিশপ পদের ব্যক্তিটি পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন। তার মুখের উচ্চারিত শব্দের শুধুমাত্র পৃথিবীর জীবনের ওপরেই কর্তৃত্ব ছিল না, মৃত্যুপরবর্তী জীবনের ওপরে সেগুলোর কর্তৃত্ব ছিল। তিনি যেমন আপনাকে পৃথিবীতে বন্দি করতে পারতেন, এবং একইভাবে অনায়াসে পরকালে আপনার স্বর্গে প্রবেশও নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা রাখতেন। যখন এর ক্ষমতার শীর্ষে, রোমের বিশপের ক্ষমতা ছিল প্রায় অকল্পনীয়। কিন্তু বহু শতাব্দী সময় লেগেছিল এটি অর্জন করতে। আর কীভাবে এটি হয়েছিল সেটি বুঝতে হলে আমাদের চতুর্থ শতাব্দীতে সম্রাট কনস্টান্টিনের সময়ে ফিরে যাওয়া দরকার।

    রোম থেকে রোম সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সবসময় পরিচালিত হয়েছিল এমন ধারণাটি ভুল। তবে এটি তেমনই ছিল ৩৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত, যখন সম্রাট কনস্টান্টিন তার রাজকীয় কর্মকাণ্ডের মূল দপ্তরগুলো সাম্রাজ্যের পূর্বপ্রান্তে প্রতিষ্ঠা করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি একটি বিস্ময়কর সুন্দর শহর নির্মাণ করেছিলেন, নিজের নামেই যে-শহরের নাম রেখেছিলেন কনস্টান্টিনোপল। আজ সেটিকে আমরা তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহর নামে চিনি। শহরটির প্রতিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবর্তন প্রক্রিয়ার সূচনা করেছিল। কনস্টান্টিনোপল, সাম্রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহরে পরিণত হয়েছিল আর এই শহরটির গর্বিত অবস্থান স্থানীয় বিশপকেও একটি বিশেষ মহিমান্বিত অবস্থান ও মর্যাদা দিয়েছিল। রোম আর কনস্টান্টিনোপলের মতো শহরগুলোর বিশপরা খুবই ক্ষমতাবান ব্যক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছিলেন, যারা অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ এলাকার বিশপদের ওপর তাদের কর্তৃত্ব স্থাপন করেছিলেন।

    সাম্রাজ্যের পূর্বাংশের শহরগুলোর বিশপরা নিজেদের ‘প্যাট্রিয়ার্ক’ বলে ডাকতে শুরু করেছিলেন, গ্রিক যে-শব্দটি থেকে এর উৎপত্তি, সেটির অর্থ ‘পিতা’। আর পশ্চিমে তারা নিজেদের পোপ’ হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন, শব্দটির ল্যাটিন উৎসের অর্থও হচ্ছে ‘পিতা। তাদের ব্যবহৃত ভাষার ভিন্নতার নেপথ্যে আরো গভীর মতপার্থক্য সৃষ্টি হতে শুরু করেছিল। যদিও তাত্ত্বিকভাবে একই চার্চ, কিন্তু পরস্পর থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করেছিল। ইতিহাসের বহু বাবিতণ্ডার মতো, বিচ্ছেদ যখন এসেছিল, তখন তার কারণ ছিল চার্চের মূল দায়িত্বে কে আছেন সেই প্রশ্নটিকে ঘিরে। ঈশ্বরের রাজ্য পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা হলে তাদের মধ্যে কে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ হবেন এই বিষয় নিয়ে যখন যিশুর অ্যাপোেস্টলরা নিজেদের মধ্যে তর্ক করতেন, তিনি তাদের তিরস্কার করতেন। কনস্টান্টিনোপল আর রোমের বিশপের মধ্যেও একই ধরনের একটি দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছিল। কে শ্রেষ্ঠ, পূর্ব প্যাট্রিয়ার্ক নাকি পশ্চিমের পোপ? আর বিষয়টি মীমাংসা করার জন্যে তখন যিশুও ছিলেন না।

    বাস্তবে আধ্যাত্মিক ক্ষমতা প্রবাহিত হচ্ছিল রোম-অভিমুখে। আর সম্রাট যে এখন রোমের বাসিন্দা নন এই বাস্তবতাটির মানে সাম্রাজ্যের প্রাক্তন রাজধানীতে পোপই সব ক্ষমতার অপ্রতিদ্বন্দ্বী উৎসে পরিণত হয়েছিলেন। অন্যদিকে, কনস্টান্টিনোপলে প্যাট্রিয়ার্ক সবসময়ই সম্রাটের চেয়ে কম মর্যাদাশীল ছিলেন, যিনি সারাক্ষণই তার কাজের তদারকি করতেন। ১০৫৪ খ্রিস্টাব্দে দুই পক্ষের মধ্যে ক্রমশ বাড়তে থাকা দ্বন্দ্বের ছাইচাপা আগুনটি প্রবল শিখায় প্রজ্বলিত হয়েছিল, দ্য গ্রেট স্কিজম বা মহাবিভাজন নামে যা পরিচিত পেয়েছিল। খ্রিস্টান ধর্মের সুনির্দিষ্টভাবে দুটি ভিন্ন সংস্করণের সূচনা হয়েছিল : পূর্বের অর্থোডক্স চার্চ আর পশ্চিমের ক্যাথলিক চার্চ, যার পোপ তখন রোমে। এই বিভাজন এখনো আছে, প্রত্যেকটি ধারার নিজস্ব রীতি আর সংস্কৃতি আছে। অর্থোডক্স যাজকদের সাধারণত দাড়ি থাকে, ক্যাথলিক যাজকদের সাধারণত থাকে না। অর্থোডক্স যাজকরা চাইলে বিয়ে করতে পারেন, ক্যাথলিক যাজকরা যা করতে পারেন না। কিন্তু এইসব উপরি পার্থক্যের নেপথ্যে রোমের পোপ যে চূড়ান্ত কর্তৃত্ত্ব অধিগ্রহণ করেছিলেন তার উৎস নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একটি গভীর মতানৈক্য আছে।

    আপাতদৃষ্টিতে এটিকে সাধারণ ক্ষমতা দখলের দ্বন্দ্ব হিসাবে দেখা যেতে পারে। আর যাই হোক না কেন, আমরা জানি ক্ষমতা মাদকের মতোই কতটা আসক্তি সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখে এবং এটি অর্জন আর কুক্ষীগত করে রাখার জন্যে মানুষ অনেককিছুই করতে পারে। কিন্তু ধর্মীয় ক্ষমতার লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীরা সবসময়ই তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে পবিত্র কাপড়ে আচ্ছাদিত করে রাখার ব্যাপারে সতর্ক থাকেন। এই দ্বন্দ্ব কখনোই মানব-রাজনীতি নিয়ে নয়। এটি সবসময়ই ঈশ্বরের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের সাথে জড়িত। আমরা এটি ইসলামে শিয়া আর সুন্নী দ্বন্দ্বেও দেখেছি। শিয়ারা তাদের ক্ষমতা দখলের উচ্চাকাঙ্ক্ষা কেনবীর উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত একটি আধ্যাত্মিক তত্ত্ব দিয়ে আচ্ছাদিত করেছিল। রোমের পোপের হাতে খেলার মতো একই রকম একটি তাশ ছিল। রোম, সাম্রাজ্যের ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর, এটাই পোপের খ্রিস্টধর্মের ক্ষমতার নেতৃত্ব দেবার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দাবি করার একমাত্র যুক্তি ছিল না। আরো কিছু দাবি এর সাথে যুক্ত ছিল। যিশুখ্রিস্ট নিজেই সেভাবে সেটি পরিকল্পনা করেছিলেন! আর যুক্তিটি ছিল এরকম।

    যখন যিশু তার বারোজন ‘অ্যাপোস্টলের মধ্যে শীর্ষ অবস্থানটির জন্যে পিটারকে মনোনীত করেছিলেন। এবং পিটারের অবস্থান নিয়ে যেন অন্যরা কোনো ধরনের সন্দেহে না থাকে, সেটি নিশ্চিত করতে, তিনি এমনকি পিটারকে একটি ডাকনামও দিয়েছিলেন। তার আসল নাম, তার ইহুদি নাম ছিল, সাইমন। কিন্তু যিশু তাকে ডেকেছিলেন তার রক’ বা পাথর হিসাবে, গ্রিকভাষায় ‘পেট্রোস’, ল্যাটিন ভাষায় ‘পেট্রা’। তোমাকে আগে সাইমন নামে ডাকা হতো’, যিশু বলোছলেন, ‘কিন্তু এখন থেকে তোমার নাম হবে সাইমন পিটার, সাইমন দ্য রক। তোমার ওপরেই আমি আমি আমার সমাজ গড়ব’। এবং শুধুমাত্র এটাই নয়।

    আপনি কি মনে করতে পারছেন পিটার কোথায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন? এটি ঘটেছিল রোমে, খ্রিস্টানদের উপর প্রথম নির্যাতনপর্বে, ৬৫ খ্রিস্টাব্দে। যেহেতু পিটার রোমে ছিলেন যখন তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছিল, তিনি নিশ্চয়ই রোমের প্রথম বিশপ ছিলেন। আর যেহেতু তিনি অ্যাপোস্টলদের নেতা ছিলেন, তাহলে আপনি যুক্তি দিতে পারেন পরে যারা তার অনুসরণে রোমে বিশপ হয়েছিলেন তারা এই মর্যাদাটি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিলেন। সুতরাং রোমের বিশপ, পিটারের উত্তরসূরিও অবশ্যই সব বিশপদের প্রধান হবেন। এই পৃথিবীতে তিনিই হবেন খ্রিস্টের ‘ভাইকার’ বা প্রতিনিধি। পূর্বের চার্চ পিতারা এই যুক্তির সাথে একমত হতে পারেননি। এমনিতে বিষয়টি বেশ বাড়াবাড়ি হয়ে যায়, যখন পিটারকে রোমের প্রথম বিশপ হিসাবে দাবি করা হয়। তার সময়ে খ্রিস্টানরা এমনিতেই বেশিদিন বেঁচে থাকা আশা করতেন না। তাদের বলা হয়েছিল খুব শীঘ্রই যিশুখ্রিস্ট্র ফিরে আসবেন। তাহলে কেন তারা একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করার ঝামেলা মাথায় নেবেন, যা আর সবকিছুর মতোই খুব শীঘ্রই অদৃশ্য হয়ে যাবে?

    পূর্বের চার্চের এই যুক্তির ক্ষেত্রে ইতিহাস সাক্ষী ছিল। চার্চ যেভাবে সংগঠিত হয়েছে সেটির জন্য তারা যিশুর চেয়ে বরং সম্রাট কনস্টান্টিনের কাছেই বেশি ঋণী। সুতরাং তারা তাদের ওপরে রোমের পোপের কর্তৃত্ব অস্বীকার করেছিলেন, এবং নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছিলেন। সুতরাং পশ্চিমা চার্চের শীর্ষ ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিলেন রোমের পোপ। কিন্তু তখনো তার ক্ষমতা কুক্ষীগত করার প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। আর এর পরবর্তী পর্যায়টি বুঝতে হলে আমাদের ঐসব আত্মাদের কাছে ফিরে যেতে হবে, যারা অবসন্ন পায়ে পারগেটরির দিকে অগ্রসর হচ্ছেন।

    মনে রাখবেন : ধর্মীয় মনের কাছে এই জীবনের সময়কালটি শুধুমাত্র পরকালে অশেষ জীবনের জন্যে একটি প্রস্তুতি ছিল মাত্র। আর কীভাবে আপনি সেই জীবনটি কাটাবেন সেটি নির্ভর করবে এই পৃথিবীতে আপনি কেমন আচরণ করেছিলেন। পাপ আপনাকে নিয়ে যেতে পারে নরকে, অথবা পারগেটরিতে, যদি আপনি একটি সুযোগ পান। আর সে-কারণে মৃত্যুর আগে আপনার পাপের জন্যে। ক্ষমা পাওয়া এত বিশাল একটি ব্যাপার ছিল। কিছু মানুষ অন্য ধরনের একটি খেলা খেলতেন, তারা ব্যাপটাইজ হবার সময়টি আরো বিলম্বিত করতেন এবং তাদের মৃত্যুর আগে আচারটি পালন করে তাদের আগের সব পাপ ধুয়ে ফেলতেন। এর মানে এখানে নিচে, পৃথিবীতে তারা একটি উপভোগ্য জীবনের মোটামুটি নিশ্চয়তা অর্জন করতে পারতেন, এবং পরবর্তী পৃথিবীতে, পরকালে একটি স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন কাটানোর যথেষ্ট পরিমাণ নিশ্চয়তাও পেতেন। কনস্টান্টিন নিজেও সেটি করেছিলেন। তিনি তার ব্যাপটিজম বিলম্বিত করেছিলেন, যতক্ষণ-না তিনি মৃত্যুর সন্নিকটে পৌঁছেছিলেন। তিনি খুব বিচক্ষণতার সাথে এই সময়টি নির্ধারণ করেছিলেন এবং ঠিক সময়মতো তার ব্যাপটিজম অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    আপনার শুধু কয়েক সেকেন্ড ভাবতে হবে অনুধাবন করার জন্যে যে, যদি মানুষকে তাদের সব পাপের জন্যে ক্ষমা করার ক্ষমতা থাকে আপনার এবং স্বর্গে তাদের জায়গা হবে এমন নিশ্চয়তা দিতে পারেন, এটি আপনাকে সব মানুষের ওপর প্রভাব খাটানোর মতো অত্যন্ত শক্তিশালী একটি ক্ষমতায় বলীয়ান করবে। পোপ বিশ্বাস করতেন তার সেই কর্তৃত্ব আছে। যিশু এটি পিটারকে দিয়েছিলেন এবং তিনি (পোপ) হচ্ছেন পিটারের উত্তরসূরি। দ্বাদশ শতকে পোপরা তাদের এই ক্ষমতা ব্যবহার করতে শুরু করেছিল এমনভাবে, পরিশেষে এটি ক্যাথলিক পাথরের ভিত্তিতেও ফাটল ধরিয়ে দিয়েছিল। আর এর জন্যে ইসলামই দায়ী ছিল।

    আমরা যদি ইসলামের ইতিহাসের দিকে তাকাই, আমরা লক্ষ করব যে, নবীর মৃত্যুর পরে রোম সাম্রাজ্যের দক্ষিণ আর পূর্বাঞ্চলে তারা নাটকীয়ভাবে তাদের আধিপত্য বিস্তার করেছিল। এবং তাদের দখলকৃত জায়গার মধ্যে একটি ছিল প্যালেস্টাইন। সুতরাং জেরুজালেম, সেই পবিত্র শহরটি, যা খ্রিস্টান আর ইহুদিদের কাছে বিশেষ মর্যাদায় পবিত্র ছিল, সেটি মুসলমানদের হাতের মধ্যে এসে পড়েছিল। অবশ্যই মুসলমানদের কাছেও জেরুজালেম পবিত্র একটি শহর ছিল। তাদের নবী কি আব্রাহাম, মোজেস আর যিশুর স্বর্গীয়ভাবে চিহ্নিত উত্তরাধিকারী ছিলেন না?

    তবে পোপ বিষয়টি সেভাবে দেখেননি। তার কাছে খ্রিস্টধর্মের সবচেয়ে পবিত্র শহরটি মুসলমানদের দখলে যাওয়া একটি চূড়ান্ত অপমান ছিল। সুতরাং তিনি সেটি পুনরুদ্ধার করতে চেয়েছিলেন। একটি বিশাল অভিযান পরিকল্পনা করা হয়েছিল খ্রিস্টান যোদ্ধাদের প্ররোচিত করতে, যেন তারা ইউরোপ থেকে জেরুজালেম অভিমুখে যান এবং এই শহরটিকে ক্যাথলিক চার্চের পক্ষে পুনরায় জয় করে নিয়ে আসতে পারেন। যারা এই চ্যালেঞ্জের জবাব দিতে চেয়েছিলেন, এবং যুদ্ধযাত্রা করেছিলেন তাদের বলা হতো ক্রুসেডার, এই শব্দটির অর্থ কুশদ্বারা চিহ্নিত। কনস্টান্টিনের মতো, যিনি ক্রুশের ব্যানারের নিচে তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন রোমের মিলভিয়ান সেতুর নিকটে, ক্রুসেডাররাও মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সময় ক্রুশবিদ্ধ যিশুর প্রতীক ব্যবহার করেছিলেন, যারা সেই সময় প্যালেস্টাইন শাসন করছিলেন।

    ১০৯৫ খ্রিস্টাব্দে পোপ দ্বিতীয় আরবান প্রথম ক্রুসেডারদের যুদ্ধে পাঠিয়েছিলেন। পরবর্তী দুই শতাব্দীতে এধরনের সাতটি অভিযান হয়েছিল। যদিও কিছুদিনের জন্যে জেরুজালেম আবার দখল করে নেওয়া সম্ভব হয়েছিল, কিন্তু ক্রুসেডাররা যেমন মুসলমানদের ক্ষতি করেছিলেন, তেমনি তারা প্রাচ্যের অর্থোডক্স চার্চেরও একই পরিমাণ ক্ষতি করেছিলেন। এই যুদ্ধ ক্যাথলিকদের ইতিহাসে একটি অমোচনীয় কলঙ্ক চিহ্ন এঁকে দিয়েছিল। কিন্তু নিয়তিনির্ধারক সেই পরিবর্তনটি ছিল এরকম। যোদ্ধাদের ক্রুসেডে আসার জন্যে পোপ যে-পুরস্কারটি তাদের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, সেটি হচ্ছে তাদের সব পাপের জন্যে ক্ষমা ঘোষণা। আর এই বোঝাপড়াটির কারিগরি নাম হচ্ছে ‘ইনডালজেন্স’, ল্যাটিন শব্দ উৎসটির অর্থ বিশেষ সুবিধা বা ছাড় দেওয়া। এই প্রস্তাবে একটি আধ্যাত্মিক যুক্তি ছিল। আর যাই হোক না কেন, বাড়ি থেকে শত শত মাইল দূরে ঘোড়ায় চড়ে বা পায়ে হেঁটে, যুদ্ধের সব বিপদ আর ঝুঁকি সহ্য করাকে হয়তো খারাপ আচরণের জন্যে প্রায়শ্চিত্ত হিসাবে ভাবা যেতে পারে, যেমন, বর্তমানে বিচারব্যবস্থার দ্বারা আরোপিত জরিমানা বা বাধ্যতামূলক সামাজিক সেবামূলক কাজে নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় দেওয়া।

    আর যখন একজন ভবিষ্যৎ পোপ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তার একটি প্রিয় স্থাপত্য-নির্মাণ প্রকল্প অর্থায়ন করার জন্যে ‘ইনডালজেন্স’ বিক্রয় বেশ চমৎকার একটি টাকা বানানোর উপায় হতে পারে, তখন চার্চের জন্যে সমস্যার সূচনা হয়েছিল। আমরা পরের কিছু অধ্যায়ে সেটি দেখব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }