Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭. প্রতিবাদ

    অধ্যায় ২৭. প্রতিবাদ

    ১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে বসন্তের এক সকালে একজন যাজক জার্মানির জুটেরবগ শহরের মূল চত্বরে একটি অস্থায়ী মঞ্চের উপর দাঁড়িয়ে তার কথা শুনতে সেখানে উপস্থিত শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে উচ্চকণ্ঠে একটি ভাষণ দিতে শুরু করেন। তিনি সেদিন যা বলেছিলেন সেটি ডিনামাইটে আগুন দেবার মতোই ছিল, যা খ্রিস্টজগৎকে সহিংস একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে দুটি খণ্ডে বিভক্ত করেছিল।

    .

    আসুন! আসুন! এটাই আপনার জন্যে সুদিন, আমার বন্ধুরা। এটাই হচ্ছে সেই দিন যেদিন আপনি কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন। আপনার শুধু দরকার এই ছোট চিঠিটা। এই ছোট চিঠিটা, আমার হাতে যেটা দেখছেন; এর দাম মাত্র এক শিলিং, কিন্তু এটি আপনাকে পারগেটরিতে বহু বছরের দুর্গতি থেকে মুক্তি দিবে।

    আপনরা সবাই ধর্মভীরু ক্যাথলিক। আপনার জানেন যে, পাপের জন্যে শাস্তি পেতে হবে। পাপের জন্যে প্রায়শ্চিত্ত হিসাবে মূল্য দিতে হয়। যতই পাপ স্বীকার করুন না কেন, পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন করবে না সেদিন। পারগেটরিতে ঐ পাপগুলোর জন্যে আপনাকে মূল্য পরিশোধ করতে হবে। প্রতিটি বড় পাপের জন্যে সাত বছরের যন্ত্রণা।

    একটি বছরে আপনি কয়টা বড় পাপ করেন? আপনার জীবদ্দশায় কতগুলো এই ধরনের গুরুতর পাপ আপনি করে থাকেন? সবগুলো যোগ করুন এবার। আপনি বুঝে ওঠার আগেই দেখবেন যে পারগেটরিতে শতবর্ষ কাটানোর মতো পাপ আপনার জমা হয়ে গেছে। বিষয়টি ভেবে দেখুন।

    কিন্তু এই ছোট চিঠিগুলোর একটি আপনাকে এর থেকে নিস্তার দিতে পারে। এই বাক্সে এক শিলিং ফেলুন, আপনি ঐসব দুর্দশা থেকে মুক্তি পাবেন। এবং আরো শুনে রাখুন। এই চিঠি শুধুমাত্র ইতিমধ্যে করা পাপগুলোর জন্যে পারগেটরিতে আপনার সময়কাল কমিয়ে দেবে না, এমনকি যে পাপ আপনি এখনো করেননি তার জন্যে মুক্তি দিবে। এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর আপনি পাবেন না।

    ঐ চিঠিতে কী আছে? এটি হচ্ছে একটি ইনডালজেন্স বা ছাড়পত্র। আর এটি এসেছে আমাদের পবিত্র পিতা স্বয়ং পোপের কাছ থেকে। পোপ নিজেই আমাকে আপনাদের কাছে পাঠিয়েছেন আপনাদের জানাতে যে, যদি আপনারা এখন একটি ইনডালজেন্স কেনেন, যখন আপনি মারা যাবেন, নরকের দরজা তালাবদ্ধ হয়ে যাবে, কিন্তু আপনার জন্যে স্বর্গের দরজা উন্মুক্ত হয়ে যাবে।

    আর এই সুযোগটি শুধুমাত্র জীবিতদের জন্যেই নয়। এটি মৃতদের জন্যে উপযোগী। আপনার নিকটাত্মীয় আর বন্ধুদের কথা ভাবুন, যারা পারগেটরিতে আটকে আছে। সেই দীর্ঘ বছরগুলোর কথা ভাবুন, তাদের সেখানে কাটাতে হবে ভবিষ্যতে। তাদের জন্যে এটি চলতেই থাকে। যন্ত্রণাময় বছরগুলো, শাস্তির বছরগুলো। কিন্তু এইসব ইনডালজেন্সগুলোর একটি কিনুন এবং আপনার আত্মীয়দের পারগেটরি থেকে উঠিয়ে নেওয়া হবে এবং চোখের পলকে তারা স্বর্গে হাজির হবেন।

    আরো একটি বিষয়। এই ইনডালজেন্স শুধু আপনার আর আপনার প্রিয়জনেরই উপকার করবে না, এটি পবিত্র ক্যাথলিক চার্চের জন্যেও উপকারী। রোমের সেই মহান চার্চে যেখানে সেইন্ট পিটার ও সেইন্ট পলের দেহাবশেষ আছে, যেখানে তাদের খুব খারাপ উপায়ে সমাহিত করা হয়েছিল। আমাদের পবিত্র পিতা পোপ লিও সেখানে এমন একটি চার্চ নির্মাণ করতে চাইছেন, যার সৌন্দর্য আর মাহাত্মের কাছে পুরো পৃথিবী মাথা নত করবে। আপনি সেটি নির্মাণ করতে সহায়তা করতে পারেন। আপনার শিলিং একটি পাথরের মূল্য পরিশোধ করবে, এবং পাথরের উপর পাথর দিয়ে নতুন সেইন্ট পিটার’স তার মহিমা দিয়ে সারা বিশ্বকে চমকে দিতে জেগে উঠবে।

    আসুন! আসুন! সবাই, প্রতিটি ইনডালজেন্সের দাম মাত্র এক শিলিং।

    .

    এই যাজকের নাম ছিল ইয়োহান টেটজেল, এবং তিনি চার্চের একটি বিশেষ সংঘের একজন সদস্য ছিলেন, যাদের বলা হতো অর্ডার অব প্রিচারস’ অথবা ‘ডমিনিকানস’। তার বয়স ছিল বাহান্ন বছর, কঠোর প্রকৃতির শক্তিশালী গড়নের একজন মানুষ। এবং তার সময়ে তিনি চার্চের জন্য বেশকিছু নিষ্ঠুর কাজ করেছিলেন।

    জুটেরবগ শহরের চত্বরে টেটজেলের এই ভাষণের দুই শতাব্দী আগে, পোপ নবম গ্রেগরী ধর্মীয় আইনপ্রয়োগকারীদের একটি সংস্থা গঠন করেছিলেন, যার নাম ছিল ‘ইনকুইজিশন’। এর এজেন্ট বা ইনকুইজিটরদের যে-কোনো উপায়ে চার্চের বিরুদ্ধে মিথ্যা সব শিক্ষা আর প্রচারণাগুলোকে সমূলে উৎপাটিত করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এই যে-কোনো উপায়ের একটি ছিল শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন। আর সবচেয়ে কার্যকরী নির্যাতনের একটি উপায় ছিল, র‍্যাক, একটি কাঠের ফ্রেম, যার নিচে দুটি দড়ি শক্ত করে বাঁধা, অন্য দুটি উপরে একটি হাতলের সাথে বাঁধা। অভিযুক্ত ব্যক্তির হাত আর পা এই দড়িগুলোর সাথে বাঁধা হতো, এবং নির্যাতনকারী সেই হ্যাঁন্ডেলটি ঘোরাতেন যতক্ষণ-না তাদের হাড়গুলো এর সন্ধি থেকে কুৎসিত শব্দ করে ছিটকে বের হয়ে আসে। এবং এই নির্যাতনের ফলেও যদি তাদের চাহিদামতো স্বীকারোক্তি আদায় করা সম্ভব না হয়, নির্যাতনকারীরা সেটি ঘোরানো অব্যাহত রাখেন যতক্ষণ অভিযুক্ত ব্যক্তির শরীর থেকে হাতপা ছিঁড়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এটি সেই জগৎ থেকে বহুদূরে যখন যিশু বলেছিলেন, ‘তোমার শত্রুকে ভালোবাসো, যারা তোমাকে গালমন্দ করছে তাদের আশীর্বাদ করো। একটি উদাহরণ কীভাবে পরকালের জীবন নিয়ে ধর্মের মোহ, এটিকে মৃত্যুপূর্ববর্তী জীবনের একটি শত্রুতে পরিণত করে।

    টেটজেল ইনকুইজিশনের একজন এজেন্ট ছিলেন। আর মানুষকে প্ররোচিত করতে পারার ক্ষেত্রে তার ক্ষমতাই মূলত মাইনজের আর্চবিশপকে উদ্যোগী করেছিল তাকে ‘ইনডালজেন্স’ বিক্রয়ের পরিচালক হিসাবে নিয়োগ দিতে। আর্চবিশপ নিজেও বেশ সমস্যায় ছিলেন। তার বিশাল ডাইওসিস ঋণের ভারে জর্জরিত ছিল। এর ওপর পোপ রোমের সেইন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকা পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের জন্যে মোটা অঙ্কের অর্থ চাদা দিতে তাকে তাগাদা দিচ্ছিলেন। আর তখনই আর্চবিশপের মাথায় একটি বুদ্ধি এসেছিল। রোমের সাথে একটি চুক্তি করলে কেমন হয়? তিনি পোপকে রাজি করাবেন যেন আনুষ্ঠানিক ইনডালজেন্স বিক্রয় করার প্রতিনিধি হিসাবে টেটজেল দ্য পারসুয়েডারকে লাইসেন্স দেওয়া হয়, তবে একটি শর্তে, তিনি যে-পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করবেন তার অর্ধেক থাকবে মাইনজের আর্চডাইওসিসে, বাকি অর্ধেক যাবে রোমে। আর ঋণগ্রস্ত আর্চবিশপ আর তার ওপর চাপ দিয়ে টাকা তুলতে চাওয়া পোপ, উভয়পক্ষই লাভবান হবে। এই চুক্তি করা হয়েছিল। আর সে-কারণে টেটজেল তার সার্কাস নিয়ে জুটেরবগে হাজির হয়েছিলেন ১৫১৭ সালের সেই এপ্রিল সকালে। এবং খুব শীঘ্রই টাকা আসতে শুরুও হয়েছিল।

    কিন্তু ইন্ডালজেন্স বিক্রির জন্যে দেওয়া টেটজেলের সেই বিজ্ঞাপনী বক্তৃতার কয়েক মাস পরে আরো একজন শক্ত-সমর্থ জার্মান যাজক তাদের এই বোঝাপড়াটি ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। খ্রিস্টানরা টাকার বিনিময়ে তাদের স্বর্গে যাওয়া নিশ্চিত করতে পারে, এই ধারণায় ভয়ানক ক্ষুব্ধ হয়ে, তিনি পাশের শহর ভিটেনবার্গের একটি চার্চের দরজার উপর ল্যাটিন ভাষায় লেখা একটি কাগজ পেরেক দিয়ে লাগিয়ে দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি এই ইনডালজেন্স বিক্রয় করাকে অখ্রিস্টীয় একটি আচরণ বলে নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছিলেন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তার সেই লেখাটি জার্মান ও অন্য ইউরোপীয় ভাষায় অনূদিত হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং ১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে নভেম্বরের শেষে এটি ইউরোপের মূল আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছিল। রোমে পোপ লিও এটিকে কৌতুক বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তিনি মৃদুস্বরে বলেছিলেন, আরেকজন মাতাল জার্মান। মদের নেশা কেটে গেলে সে তার মন পরিবর্তন করবে।

    এই ‘মাতাল জার্মান’ ব্যক্তিটি ছিলেন একজন নিবেদিত প্রাণ যাজক সন্ন্যাসী মার্টিন লুথার। এবং তার মতামত কখনোই তিনি পরিবর্তন করেননি। বরং পোপই তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিলেন। পোপের হাসি-তামাশা ক্ষোভে রূপান্তরিত হয়েছিল যখন তাকে জানানো হয়েছিল এই সন্ন্যাসীর সেই লেখাটির কারণে তার ইনডালজেন্স বিক্রয়ের পরিমাণ বেশ কমে গেছে এবং তার তহবিলে টাকা আসার পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবেই হাস পেয়েছে। সুতরাং তার সেইন্ট পিটার পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনাটি এখন ঝুঁকির সম্মুখীন। সুতরাং পোপ লিও একটি নির্দেশ জারি করেছিলেন, যাকে বলা হয় ‘পাপাল বুল’, এটি যাজকের পদ থেকে মার্টিন লুথারকে অপসারণ করেছিল এবং তার সব লেখাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। যখন লুথার এই পাপাল বুলের তার অনুলিপিটি হাতে পেয়েছিলেন, তিনি প্রকাশ্যে সেটি আগুনে পুড়িয়েছিলেন। কিন্তু সেদিন পাপাল বুল ছাড়াও আরো অনেককিছুই তিনি পুড়িয়েছিলেন। তিনি সেই সেতুটিও পুড়িয়েছিলেন, যা তাকে ক্যাথলিক চার্চের সাথে যুক্ত করে রেখেছিল এবং তিনি এর মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক বিদ্রোহের সূচনা করেছিলেন, যে-বিদ্রোহটিকে ইতিহাসবিদরা বর্ণনা করেছিলেন ‘দ্য রিফরমেশন’ নামে। এবং এটি যখন শেষ হয়েছিল, খ্রিস্টীয় ইউরোপ বহুখণ্ডে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল।

    মার্টিন লুথার ১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দে ১০ নভেম্বর আইসলেবেনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তিনি ছিলেন হান্স এবং মার্গারেথ লুথারের ছেলে। যদিও দরিদ্র, এবং সাতটি সন্তান প্রতিপালন করতে সংগ্রামরত, তারপরও মার্টিনের পিতামাতা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যেন তাদের এই বুদ্ধিমান ছেলেটি ভালো একটি শিক্ষা অর্জন করতে পারে। তিনি এরফুর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছিলেন এবং ১৫০৫ খ্রিস্টাব্দে বিখ্যাত অগাস্টিনিয়ান অর্ডারের একজন সন্ন্যাসী হয়েছিলেন। এর দুই বছর পরে যাজক হিসাবে তিনি দীক্ষিত হয়েছিলেন এবং ১৫১২ খ্রিস্টাব্দে তিনি ভিটেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শুরু করেন। খুব দ্রুত পদোন্নতির জন্যে তাকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এর আগে ১৫১০ খ্রিস্টাব্দে তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে একবার রোমে প্রেরণ করেছিলেন তাদের হয়ে একটি আলোচনায় মধ্যস্থতা করতে।

    মফস্বল শহর ভিটেনবার্গের ধীরগতির জীবনে অভ্যস্ত লুথারকে, বিখ্যাত ‘ইটার্নাল সিটি’ রোমের লঘুচিত্ততা, বিলাসিতা আর দুর্নীতি হতবাক আর বিতৃষ্ণ রেছিল। কিন্তু মহান রোমান ক্যাথলিক চার্চের অবস্থা আর ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তাসহ তিনি ভিটেনবার্গে ফিরে এসেছিলেন। তিনি তার নিজের আত্মা নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন, তিনি ভেবেছিলেন, চার্চ কি আসলেই এর নিজেকে নরক থেকে বাঁচাতে পারার মতো ক্ষমতা রাখে কিনা আর। এই ইনডালজেন্সের অশুভ বাণিজ্য এবং অন্য দুর্নীতি তার দুশ্চিন্তা প্রশমনে কোনো সহায়তা করেনি। কিন্তু তার উৎকণ্ঠার মূল কারণ চার্চ ছিল না। বরং মূলত এর কারণ তিনি বাইবেলের গভীরে প্রবেশ করতে পেরেছিলেন এটিকে নতুনভাবে আবিষ্কার করে।

    এমন নয় যে, বাইবেল চিরতরে হারিয়ে গিয়েছিল। প্রতিদিন ‘মাস’-এর সময় এখান থেকে কিছু অংশ ল্যাটিন ভাষায় পাঠ করা হতো। সেই সময় নাগাদ ক্যাথলিক চার্চ বাইবেলকে শুধু ব্যবহার করত তাদের নিজের কর্তৃত্বের নেপথ্যে শক্তি ও সমর্থন জোগাতে। এটি সেই খ্রিস্টের কথা বলেছিল যিনি বহুদিন আগে পবিত্রভূমিতে বাস করতেন, সেই একই পবিত্রভূমি, যেখানে চার্চ ক্রুসেডারদের এটিকে মুসলমানমুক্ত করতে পাঠিয়েছিল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে, পোপ এখন পৃথিবীতে ঈশ্বরের প্রতিনিধি বা ভাইকার। বাইবেলের যে-কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখন পোপের সমতুল্য। এখন পোপই হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি স্বর্গ-নরকের চাবির সংরক্ষক, কোনো একটি বইয়ের পাতায় লেখা কিছু পুরনো শব্দ নয়, যা খুব অল্প কয়েকজনই পড়তে পারতেন, কারণ এটি লেখা ছিল ল্যাটিন ভাষায়। আর মাসের সময় এখান থেকে বাছাইকৃত অংশ উচ্চারণ করা খুব অল্প কয়েকজন যাজকই আসলে বুঝতেন। এটি আবৃত্তি, কুর’আন আবৃত্তির মতো : শক্তিশালী, এমনকি যখন আপনি সেটির একবর্ণও বুঝবেন না।

    লুথারের সময় নাগাদ কিছু মানুষ ছিলেন যারা বাইবেল পড়তে ও বুঝতে পারতেন। শুধুমাত্র ল্যাটিন ভাষায় নয়, যে-ভাষায় এটিকে অনূদিত করা হয়েছিল আরো হাজার বছর আগে। লুথারের মতো কিছু শিক্ষিত যাজক মূল হিব্রুভাষায় ওল্ড টেস্টামেন্ট আর মূল গ্রিকভাষায় নিউ টেস্টামেন্ট পড়তে শুরু করেছিলেন। এবং এর বার্তাগুলো তাদের শঙ্কিত করে তুলেছিল। তারা অনুধাবন করেছিলেন, ‘এগুলো স্বয়ং ঈশ্বরের কথা, পোপের মুখ থেকে আসা কিছু শব্দ নয়। বাইবেল সুসংবাদ, যদি আপনি এটি সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন এবং খুবই খারাপ সংবাদ, যদি আপনি বিষয়টি ভুল বোঝেন। আর ক্যাথলিক চার্চ যে-বিষয়টি খুব বড়মাত্রায়, ভয়ানকভাবেই ভুল বুঝেছিল, সেটি বুঝতে পেরে লুথার বেশ আতঙ্কিত হয়ে উঠেছিলেন।

    বাইবেল হচ্ছে একটি জনগোষ্ঠীর গল্প, যাদের ঈশ্বর নিজের পছন্দের গোষ্ঠী হিসাবে নির্বাচিত করেছিলেন। এটি একটি বিয়ের মতো বিষয় ছিল। ঈশ্বর ইজরায়েলের সাথে নিজেকে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে কনে হিসাবে ইজরায়েল অবিশ্বস্ত ছিল। আর যিশুর সময় নাগাদ তার অবিশ্বস্ত কনে ইজরায়েলের সাথে ঈশ্বরের বিচ্ছেদপর্ব সমাপ্ত হয়েছিল এবং তিনি একটি নতুন কনে নির্বাচন করেছিলেন, আর সেটি হচ্ছে খ্রিস্টীয় চার্চ। ইতিহাসের কি তাহলে পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে? ক্যাথলিক চার্চ কি আর যিশুর পবিত্র কনে নয়? নাকি পার্থিব সফলতা আর এর সাথে আসা সব বিলাসিতা আর সুখানুভূতির দম্ভে সে একজন অবিশ্বস্ত স্ত্রীতে পরিণত হয়েছে?

    ইজরায়েল আর ঈশ্বরের মধ্যবর্তী চুক্তিভঙ্গের কাহিনিটি হচ্ছে মূল চাবি, যা দিয়ে আমরা রিফরমেশনের মূল অর্থটি ব্যাখ্যা করতে পারি। এর শক্তি অনুভব করতে আমাদের সেই সুবিশাল দাবিটিকে স্মরণ করতে হবে, যা খ্রিস্টীয় চার্চ নিজের সম্বন্ধে করেছিল। এটি নারী-পুরুষকে পরমানন্দের সুসংবাদ আর অনন্ত দুঃখের খারাপ খবরের বার্তা দিয়েছিল। যদি তারা ঈশ্বরের সাথে তাদের প্রতিজ্ঞায় বিশ্বস্ত থাকত, স্বর্গে তাদের জন্যে অপেক্ষায় থাকত চমৎকার একটি ভবিষ্যৎ। কিন্তু অবিশ্বস্ত হবার মূল্য ছিল সেই অনন্তকালের নির্যাতন, যা বিস্তারিতভাবে চিত্রিত হয়েছে সালিসবুরির সেইন্ট থমাসের চার্চের সেই ‘ডুম’ চিত্রকর্মটিতে।

    কীভাবে এই নিয়তি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, সেই ভাবনাটি মার্টিন লুথারকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল। তিনি যখন সেইন্ট পলের চিঠিগুলো পড়ছিলেন, আরেকজন নিবেদিতপ্রাণ খ্রিস্টান, তার একটি বোধোদয় ঘটেছিল, ঈশ্বরের বিষয়ে একটি অন্ত দৃষ্টির মুহূর্ত। অশেষ প্রার্থনা কিংবা তীর্থযাত্রা করে তিনি মুক্তি পাবেন না। অথবা পোপের সই করা ইনডালজেন্সও তাকে কোনো সহায়তা করবে না। এগুলো ঈশ্বরের সাথে তার সম্পর্কটিকে একটি বাণিজ্যিক সম্পর্কে রূপান্তরিত করবে, এমন কিছু যা-কিনা তিনি ক্রয় করতে পারেন। কিন্তু তিনি জানতেন ঈশ্বরের ভালোবাসা ক্রয় করা অসম্ভব। তারপর তার হঠাৎ মনে হয়েছিল, তিনি ঈশ্বরের ভালোবাসা ক্রয় করতে পারবেন না কিন্তু তার সেটি করার দরকারও নেই কারণ ঈশ্বর এটি বিনামূল্যেই দান করছেন। এবং ঈশ্বরের ভালোবাসাই তাকে রক্ষা করবে। চার্চের কোনো গোলমেলে চুক্তি নয়। তিনি সেই ভালোবাসার ওপর ভরসা করতে পারেন এবং শুধুমাত্র ঈশ্বরের ওপর ভরসা করতে পারেন, চার্চ কিংবা পোপ নয়, বা অন্য কোনো মধ্যস্থতাকারীর ওপর তার বিশ্বাস রাখার দরকার নেই।

    যদিও তিনি তখন অনুধাবন করতে পারেননি, আগত শতাব্দীগুলোয় তার এই অন্তর্দষ্টির প্রভাব কত বিশাল হতে পারে, কারণ লুথারের মনে সেই ভাবনার। সূচনাটাই ছিল মানব-ইতিহাসের একটি ক্রান্তিলগ্ন। এটি দুটি শক্তিকে উন্মুক্ত করেছিল, যা চিরকালের জন্যে ইতিহাসকে বদলে দিয়েছিল : বাইবেল এবং স্বাধীন ব্যক্তি, যারা সরাসরি তাদের ঈশ্বরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। এর তাৎক্ষণিক প্রভাব ছিল সেই একতার ভাঙন, যা একটি সময় ক্যাথলিক চার্চ অলঙ্ঘনীয় ভেবেছিল। প্রটেস্টান্ট রিফরমেশনের সূচনা হয়েছিল। পরে কয়েকটি অধ্যায়ে আমরা এর পরিণতি নিয়ে আলোচনা করব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }