Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. দরজাগুলো

    অধ্যায় ২. দরজাগুলো

    ধরুন ১৩০০ বি.সি.ই. (খ্রিস্টপূর্বাব্দে) একদিন সকালে মিশরের সাইনাই মরুভূমিতে আপনি নিজেকে আবিষ্কার করলেন। আপনি হয়তো দাড়িওয়ালা একজন ব্যক্তির দেখা পেতে পারেন, যিনি নগ্নপায়ে একটি কাঁটাঝোঁপের সামনে নতজানু হয়ে আছেন। আপনি দেখবেন তিনি গভীর মনোযোগের সাথে ঝোঁপের কথা শুনছেন, তারপর তিনি ঝোঁপটার সাথে কথা বলছেন, তারপর তিনি আবার শুনতে শুরু করেন। অবশেষে উদ্দেশ্যমূলক একটি সংকল্প নিয়ে তিনি উঠে দাঁড়ালেন, এবং সেখান থেকে দ্রুত হেঁটে চলে গেলেন। এই মানুষটির নাম হচ্ছে ‘মোজেস’। ধর্মের ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত নবীদের একজন ও ইহুদি ধর্মের একজন প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি। একদিন তাকে নিয়ে যে গল্প লেখা হবে সেটি বলবে, এইদিনে জ্বলন্ত একটি ঝোঁপ থেকে ঈশ্বর তার সাথে কথা বলেছিলেন, এবং তাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, ক্রীতদাসদের একটি দলের নেতৃত্ব দিয়ে মিশর থেকে প্যালেস্টাইনে, তাদের প্রতিশ্রুত দেশে স্বাধীনতার পথে নিয়ে যেতে।

    আপনার কাছে, যিনি বিষয়টি দেখছেন, কাঁটার সেই ঝোঁপটি কোনো আগুনে প্রজ্বলিত ছিল না, যা কিনা এটিকে পুড়িয়ে দাহ করতে পারে। উজ্জ্বল লাল রঙের ক্ষুদ্রাকার ফল দিয়ে এটি পূর্ণ ছিল। এবং যখন আপনি লক্ষ করবেন, মোজেস ঠিক কতটা মনোযোগী যখন কিনা সে ঝোঁপের কথা শুনছিল, যদিও আপনি শুনতে পারবেন না তাকে যা-কিছু তখন বলা হচ্ছিল, কিন্তু আপনি তার প্রতিউত্তরগুলো বুঝতে পারছিলেন। কিন্তু এইসব কিছু দেখে আপনি কিন্তু বিশেষভাবে বিস্মিত নন। আপনার ছোটবোনও তার পুতুলের সাথে এভাবে প্রাণবন্তভাবে কথা বলে। আর আপনার একজন অল্পবয়সি আত্মীয় আছেন, যিনি কাল্পনিক এক বন্ধুর সাথে কথা বলেন, যে বন্ধুটি তার কাছে তার বাবা-মার মতোই বাস্তব। আপনি হয়তো শুনেছেন যে, মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তিরা অদৃশ্য শ্রোতাদের সাথে বেশ গভীরভাবেই কথোপকথন করতে পারেন। সুতরাং আপনি সেই ধারণাটির সাথে অভ্যস্ত, কিছু মানুষ আছেন যারা অন্যের কণ্ঠস্বর শুনতে পান, যা আর কেউই শুনতে পায় না।

    কিন্তু আসুন, মোজেসের কাছ থেকে কিছুক্ষণের জন্য আমরা অন্যদিকে তাকাই এবং সেই অদৃশ্য বক্তার কথা ভাবি, যিনি তাকে নির্দেশ দিচ্ছিলেন। আপনার মনের সেই ভাবনাটিকে স্থির করুন, সময় ও স্থানের বাইরে একটি অদৃশ্য বাস্তবতার ধারণা, যা সরাসরি মানুষের সাথে কথা বলতে পারে। সেই চিন্তাটিকে বোঝার চেষ্টা করুন, তাহলে আপনি ধর্মের কেন্দ্রীয় ধারণাটিকে উপলব্ধি করতে পারবেন। এই মহাবিশ্বে আমাদের শারীরিক সব ইন্দ্রিয়ের কাছে যা-কিছু লভ্য এবং বোধগম্য, তার বাইরে একটি শক্তি আছে এবং এটি নিজেকে উন্মোচিত করে অথবা জানান দেয় সেইসব বিশেষ মানুষগুলোর কাছে, যারা সেই বার্তাগুলো অন্যদের কাছে ঘোষণা ও প্রচার করে। আপতত আমরা এই বক্তব্যটির সাথে একমত কিংবা ভিন্নমত, কোনোটাই পোষণ করছি না। আমরা শুধু মূল ভাবনাটি খোঁজার চেষ্টা করছি। একটি অদৃশ্য শক্তির অস্তিত্ব আছে, যাকে আমরা ঈশ্বর বা গড বলছি এবং এটি আমাদের সাথে তার সম্পর্ক ধরে রেখেছেন!’ –এটাই হচ্ছে দাবি। আমরা যখন এই ইতিহাস অনুসন্ধানে আরো অগ্রসর হব, জানব যে ভিন্ন। ভিন্ন ধর্মগুলোর প্রত্যেকটিরই সেই দাবিটির ভিন্ন ভিন্ন সংস্করণ আছে, এবং আমাদেরকে সেগুলো সেটি বলার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই কোনো প্রশ্ন ছাড়াই স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছেন, হ্যাঁ, এটি সেখানে আছে। আর তাদের বিশ্বাসের রূপটি এর অস্তিত্বের প্রতি সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিউত্তর।

    আসুন আবার মোজেসের গল্পে ফেরা যাক, এবং এই মরুভূমির অভিজ্ঞতাটির বিবরণে তার দিকটির প্রতি মনোযোগ দিই। আপনার দৃষ্টিতে ঝোঁপটি যেমন আগুনে জ্বলন্ত ছিল না, তেমনি আপনি সেখান থেকে বের হয়ে আসা ঈশ্বরের গম্ভীর গলার স্বরও শুনতে পারেননি। কিন্তু তাহলে মোজেস কীভাবে সেখান থেকে আগুনের শিখার তাপ অনুভব করেছিলেন এবং এত গভীর মনোযোগের সাথে তাকে কিছু করতে নির্দেশ দেওয়া সেই কণ্ঠস্বর শুনেছিলেন, এবং সেই নির্দেশ তিনি মান্য করছিলেন? তাহলে কি এটি শুধুমাত্র তার মস্তিষ্কের মধ্যে ঘটেছিল, যে কারণে সেখানে কী ঘটছে সেটি আপনি দেখতে পারেননি? অথবা, তার মন কি অন্য কোনো মনের সংস্পর্শে এসেছে যা আপনার ইন্দ্রিয়গুলোর বোঝার সীমানার বাইরে? যদি ধর্মের সূচনা হয়ে থাকে সাধু ও নবীদের মনের অভিজ্ঞতাগুলো দিয়ে, আপনি যদি তাদেরকে নিরপেক্ষভাবে বিচার করেন এবং কল্পনা হিসাবে চিহ্নিত করে তাদের বাতিল করে না দেন, তাহলে আপনাকে বিবেচনা করতে হবে কিছু মানুষ কি সেই বাস্তবতাগুলোর প্রতি বেশি উন্মুক্ত কিনা, আমরা বাকিরা যার প্রতি অন্ধ এবং বধির।

    একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হচ্ছে, আমাদের মন দুটি ভিন্ন স্তরে কাজ করে, যেমন, একতলা কোনো বাড়ির মতো, যেখানে নিচে একটি বেসমেন্ট অথবা সেলার থাকবে। যখন স্বপ্ন দেখি, আমরা সেই পার্থক্যটির অভিজ্ঞতা অনুভব করি। দিনের বেলায় সচেতন মন উপরতলায় জেগে আছে, এটি তার পরিকল্পিত সুশৃঙ্খল জীবন কাটায়। কিন্তু যখনই আলো নিভিয়ে ফেলা হয় আর আমরা রাতে ঘুমাতে যাই, নিচের তলার সেলারের দরজা খুলে যায়, আমাদের স্বপ্ন-দেখা মনকে এলোমেলো অসংলগ্ন নানা অপ্রকাশিত কামনা আর ভুলে যাওয়া আতঙ্ক দিয়ে পূর্ণ করে। সুতরাং যদি আমরা আপাতত সেই প্রশ্নটি একপাশে সরিয়ে রাখি, আমরা যা-কিছু চোখে দেখি তারচেয়ে আরো অন্য কোনো মহাবিশ্ব আছে কিনা, আমরা অন্তত স্বীকার করব যে আমাদের জীবনে, নিয়মিত, জেগে-থাকা সময়গুলো ছাড়াও আরো কিছু আছে। মানবমনের মাটির নিচে একটি বেসমন্টের মতো আছে যাকে বলা হয় সাবকনশাস বা অবচেতন এবং যখন আমরা ঘুমাই, এর দরজা খুলে যায় এবং সেই দরজা দিয়ে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ে বহু চিত্র আর কণ্ঠস্বর, যাদের আমরা স্বপ্ন বলি।

    ধর্মের ইতিহাসে আমরা সেই মানুষগুলোকে খুঁজে পাব, যারা জাগ্রত অবস্থায় এ-ধরনের সাক্ষাতের মুখোমুখি হয়ে থাকেন, যা বাকি আমরা শুধু স্বপ্নেই দেখতে পাই। আমরা তাদের নবী (প্রফেট) আর স্বপ্নদ্রষ্টা বলি। কিন্তু অন্য একটি উপায় হচ্ছে, সৃজনশীল শিল্পী হিসাবে তাদেরকে ভাবা, যারা চিত্রকর্ম উপন্যাসে তাদের সেই অভিজ্ঞতাগুলো ব্যক্ত না করে বরং বাধ্য হন সেগুলোকে বার্তায় অনুবাদ করতে, যা বহু মিলিয়ন মানুষকে তারা যা-কিছু দেখেছেন আর শুনেছেন সেটি বিশ্বাস করতে প্ররোচিত করেন। আর এই রহস্যময় কার্যকলাপের সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণটি ছিলেন মোজেস। কোনোকিছু তার সংস্পর্শে এসেছিল কোনো-না-কোনো একটি জায়গা থেকে, আর ইতিহাসে সেই সাক্ষাতের ঘটনাটি ইহুদি জনগোষ্ঠীর জীবন চিরকালের জন্যে বদলে দিয়েছিল। কিন্তু সেই কিছুটা কী ছিল আর সেটি কোথা থেকে এসেছিল? এটি কি তার ভিতরে ছিল? নাকি তার বাইরে ছিল? অথবা একই সাথে কি সেটি ঘটতে পারে?

    সাইনাই মরুভূমিতে মোজেসের সাথে যা ঘটেছিল, সেটিকে একটি উদাহরণ হিসাবে নিয়ে এবং সচেতন আর অবচেতন মনের মধ্যে দরজার রূপকটি আমাদের বোঝার সুবিধার্থে ব্যবহার করে, আমি একটি দৃষ্টিভঙ্গি প্রস্তাব করছি, যা ধর্মীয় অভিজ্ঞতা নিয়ে চিন্তা করতে তিনটি ভিন্ন উপায় উপস্থাপন করে।

    এই ধরনের কোনো ঘটনায়, অবচেতন আর সচেতন মনের মধ্যবর্তী দরজাটি খুলে যায়। এরপর যা ঘটে সেটি স্বপ্নের মতো। নবীরা বিশ্বাস করতেন এটি আসছে তাদের বাইরে থেকে, কিন্তু এটি আসলে তাদের নিজেদের অবচেতন মন থেকে এসেছিল। যে কণ্ঠস্বর তারা শোনেন, সেটি সত্য। এটি তাদের সাথে কথা বলে। কিন্তু এটি তাদের নিজেদেরই কণ্ঠ, যা তাদের নিজেদের মনের মধ্যে থেকে আসছে। আর সে-কারণে আর কেউ সেটি শুনতে পারে না।

    অথবা এটি হতে পারে যে, দুটি দরজা উন্মুক্ত থাকে নবীদের এই ধরনের অভিজ্ঞতায়। অবচেতন অথবা স্বপ্নরত মন হয়তো অতিপ্রাকৃত সেই জগতে প্রবেশ করে, সেই জগৎটি তার জন্যে আরো অভিগম্য হয়ে ওঠে। যদি আসলেই অন্য একটি বাস্তবতা থেকে থাকে অথবা আমাদের মনে সীমানার বাইরে আরেকটি মনের অস্তি ত্ব থাকে, আমাদের সাথে সেটির সংযোগ করার চেষ্টা করাটা খুব অসম্ভাব্য নয়। নবীদের সাথে এই ঐশী প্রকাশ বা উন্মোচনে যা ঘটে সেটি হচ্ছে, তারা সেই অন্য বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন এবং এর মন তাদের মনের সাথে কথা বলেছে। এবং তারা বাকি পৃথিবীর সবাইকে জানিয়েছিলেন যা তাদের বলা হয়েছে।

    এই ‘এক দরজা’ তত্ত্ব আর ‘দুই দরজা’ তত্ত্বের মাঝখানে একটি মধ্যবর্তী অবস্থান আছে। হ্যাঁ, মানব-অবচেতনের হয়তো দুটি দরজা থাকতে পারে। আর মানবমনের হয়তো আসলেই এমন কিছুর সাথে সাক্ষাৎ হতে পারে। কিন্তু আমরা জানি অন্য একটি মন বোঝার ক্ষেত্রে ঠিক কতটা অনির্ভরযোগ্য হতে পারে মানুষ। সুতরাং স্বর্গীয় মনের সাথে সম্মিলন নিয়ে তাদের দাবিগুলোর ব্যাপারে আমাদের আসলে সতর্ক হতে হবে। আসলেই হয়তো অবচেতন মনের দুটি দরজা থাকতে পারে। কিন্তু যে-দরজাটি অন্য একটি জগতের দিকে উন্মুক্ত হয়, সেটির পুরোপুরি ভাবে খোলার সম্ভাবনা কম, সুতরাং নবীরা দেখেছেন বা শুনেছেন বলে দাবি করে থাকেন, সে-ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত হতে পারি না।

    মরুভূমিতে মোজেসের সাথে আসলে কী ঘটেছিল এবং ধর্মের প্রতি যে তিনটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি যা এটি প্রস্তাব করছে, সেগুলো আবা। বুঝতে আসুন আমরা আবার দরজার রূপকটা ব্যবহার করি। আপনি যদি ‘এক দরজা’ দৃষ্টিভঙ্গি নেন, মোজেসের একটি স্বপ্ন ছিল যা মিশরে তার স্বজাতির মানুষদের পরিত্রাতা হতে তাকে শক্তি দিয়েছিল এবং সংকল্পবদ্ধ করেছিল। যে গল্পটি আমরা আরো বিস্তারিত দেখব আগামী অধ্যায়ে। এই অভিজ্ঞতাটি ছিল আন্তরিক। এটি ঘটেছিল, কিন্তু পুরোপুরিভাবে এটি তার অবচেতন মন থেকে এসেছিল। ধর্মের প্রতি এই দৃষ্টিভঙ্গির ভালো একটি সমরূপ উদাহরণ এসেছে পুরনো সিনেমাহল থেকে, যা আমি শৈশবে খুব ভালোবাসতাম। সেই দিনগুলোয় চলচ্চিত্রগুলো প্রস্ফুটিত করা হতো সেলুলয়েডের ফিতার উপর। সিনেমাহলের পেছনে ব্যালকনির উপরে একটি বুথ বা কক্ষ থাকত, যেখান থেকে ছবিটি বিপরীতদিকের দেয়ালে রুপালি একটি পর্দায় প্রক্ষেপ করা হতো। আমরা যেখানে বসে থাকতাম দর্শক হিসাবে, সেখান থেকে আমরা শুধুমাত্র আমাদের সামনের দিকটা দেখতাম, কিন্তু এটি আসলে আসছে আমাদের পেছনের একটি যন্ত্র থেকে। ধর্ম নিয়ে ভাবার একটি উপায় হচ্ছে, এটি জীবনের রুপালি পর্দার উপর অবচেতন মনের ভয় আর কামনাগুলোর একটি প্রক্ষেপণ। মনে হতে পারে যে, ধর্মের উপস্থিতি আছে আমাদের বাইরে এবং এর একটি নিজস্ব জীবন আছে। কিন্তু আসলে এটি আসছে সম্পূর্ণভাবে আমাদের নিজেদের কল্পনার গভীর থেকে। এটি সম্পূর্ণভাবে মানুষেরই একটি উৎপাদন।

    আপনি এখানে থামতে পারেন, এবং এখানে সেটি বাতিল করতে পারেন অথবা অধিকাংশ বিবরণ মেনে নিয়ে এবং দ্বিতীয় দরজার ধারণায় প্রবেশ করতে পারেন। ধর্মীয় অভিজ্ঞতার মানবিক দিকটি খুঁটিনাটি বিষয় পরিবর্তন না করেই, বিশ্বাস করা সম্ভব যে, এটিও ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে। আমরা সেই কণ্ঠস্বর শুনতে পারি না যা মোজেস শুনতে পাচ্ছেন, এর কারণ হচ্ছে এটি সেই ঘটনা যেখানে ঈশ্বরের মন সরাসরি মোজেসের মনের সাথে সংযোগ করছে। আমাদের কাছে যা অদৃশ্য আর শ্রবণের সীমানার বাইরে, এটি ছিল আরেকটি বাস্তবতার সাথে সত্যিকারের একটি সাক্ষাৎকার। আমরা পুরোপুরিভাবে সেই ঘটনাটিকে বুঝতে পারি না, কিন্তু আমরা এর পরিণতিগুলো দেখেছি।

    দ্বিতীয় দরজার ধারণাটিকে আরেকটি ভিন্ন রূপ দেওয়া যেতে পারে সেই বিষয়টি মনে রেখে যে, প্রতিদিন অন্যদের সাথে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় মানুষ প্রায়শই কত সহজে ভুল-বোঝাবুঝির স্বীকার হয়। ঈশ্বরের সাথে সাক্ষাতের যে দাবিগুলো তারা করছেন, সেই সম্বন্ধে বিচার করার সময় তাদের সতর্ক হওয়া উচিত হবে এবং সংশয় আর পরিমিত সংযমের সাথেই তাদের বিবেচনা করা উচিত। এর মানে হচ্ছে ধর্মীয় দাবিগুলোর ব্যাপারে আমাদের সতর্ক পর্যালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি আরোপ করা উচিত, শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব আত্মবিশ্লেষণের ভিত্তিতে সেটি গ্রহণ করা উচিত নয়।

    সুতরাং আপনি একজন অবিশ্বাসী, একজন সত্যিকার বিশ্বাসী অথবা সচেতন সমালোচনামূলক বিশ্বাসী হতে পারেন। যখন আপনি এই বিষয়গুলো নিয়ে ভাববেন হয়তো আবিষ্কার করবেন সময়ের সাথে এক অবস্থান থেকে অন্য অবস্থানে আপনি জায়গা বদল করেছেন, যেমন অনেকেই করেন। এই বইতে যে গল্পগুলো আপনি পড়বেন সেগুলো ব্যাখ্যা করার সেরা উপায় কোটি, সেই বিষয়ে নিজের মনস্থির করার দায়িত্ব আমি আপনার ওপরেই ছেড়ে দেব, অথবা এই বিষয়টি অনির্ধারিত রাখুন যতক্ষণ-না শেষ পৃষ্ঠা অবধি পড়ছেন। আর এমনকি কোনো সিদ্ধান্ত না নেবারও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, একটি অবস্থান, যা পরিচিত ‘অ্যাগনস্টিসিজম’ বা অজ্ঞেয়বাদ নামে, এর উৎস একটি গ্রিক শব্দ, যার অর্থ ‘যা জানা সম্ভব নয়’ বা অজ্ঞেয়।

    আপাতত আমরা ধর্মকে নিয়ে ভেবেছি সাধারণ একটি অর্থে। এবার সুনির্দিষ্টভাবে একক ধর্মগুলো নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। কিন্তু কোথা থেকে শুরু করা হবে, সেটি বেশ কৌতূহলী একটি প্রশ্ন। যেমন, চামাদের কোন্ ক্রম অনুসরণ করা উচিত হবে? বিজ্ঞান বা দর্শনের ইতিহাসের ব্যতিক্রম, ধর্মের ব্যাপারে কঠোর সময়ানুক্রমিক দৃষ্টিভঙ্গি কাজ করেনা। ভিন্ন ভিন্ন জিনিস একই সাথে ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় একই সময়ে ঘটেছিল, সুতরাং আমরা কোনো নিরবচ্ছিন্ন। ক্রমবিকাশের ইতিহাস অনুসরণ করতে পারব না। আমাদের সময়ের ক্ষেত্রে এবং ভৌগোলিকভাবে আঁকাবাঁকা পথই বেছে নিতে হবে।

    এই পদ্ধতির একটি সুবিধা হচ্ছে এটি আমাদের প্রদর্শন করে যে, একেবারে শুরু থেকে মানবতার বড় প্রশ্নগুলোর যে-সমস্ত উত্তর বিভিন্ন ধর্ম দিয়েছে, সেগুলো আসলেই কত বিচিত্র ছিল। প্রশ্ন হয়তো একই হতে পারে, ‘কেউ কি আমাদের উপরে আছেন?’ আর, ‘মৃত্যুর পর কী হয় আমাদের সাথে’? কিন্তু উত্তরগুলো পরস্পর থেকে খুবই ভিন্ন ছিল। আর সে-কারণে ধর্মের ইতিহাস এত বিস্ময়কর আর আকর্ষণীয়।

    সৌভাগ্য যে, আমাদের যাত্রাপথের একটি সুস্পষ্ট সূচনাবিন্দু আছে। জীবন্ত সব ধর্মগুলোর মধ্যে এটি অবশ্যই সবচেয়ে প্রাচীনতম ধর্ম এবং বহুভাবেই বর্তমানে জীবিত কোনো ধর্মের চেয়ে অনেক বেশি জটিল — হিন্দুধর্ম। সুতরাং আমরা ভারত থেকেই শুরু করব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }