Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৮. মহাবিভাজন

    অধ্যায় ২৮. মহাবিভাজন

    যে অন্তদৃষ্টিটি মার্টিন লুথার অনুধাবন করেছিলেন, সেটি তাকে বলেছিল, তিনি মুক্তি পাবেন, তবে শুধুমাত্র ধর্মীয় কর্তব্য সম্পাদন করে কিংবা ইনডালজেন্স ক্রয় করার মাধ্যমে সেটি আসবে না, তার জন্য ঈশ্বরের ভালোবাসার কারণেই তিনি মুক্তি পাবেন। এটি এমন একটি ধারণা ছিল, যা খ্রিস্টধর্ম কখনোই পুরোপুরিভাবে গ্রহণ করে নিতে পারেনি। লুথার নিজেও এর বৈপ্লবিক অর্থটি শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি নিজেই অন্যদের সাথে তার সম্পর্ক আর আচরণে সে ধরনের মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেননি। কিন্তু ধারণাটি তার কাছে এসেছিল এবং এটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল।

    পণ্ডিতরা লুথারের এই অন্তর্দৃষ্টির যে কারিগরি নাম দিয়েছিলেন সেটি নিজেও একটি গল্প বলে। তারা এটিকে বলেছিল ‘জাস্টিফিকেশন বাই ফেইথ’ বা বিশ্বাসের দ্বারা সত্যতা প্রতিপাদন। আর ইঙ্গিতটা আছে এই ‘জাস্টিফিকেশন’ শব্দটির মধ্যে। সেই ধারণাটি ভুলে যান, যা বর্তমানে এর সাথে সংশ্লিষ্ট, যখন কিনা কেউ এমন কোনোকিছু বোঝাতে চেষ্টা করেন যার জন্যে তিনি লজ্জিত এবং যা নিয়ে তাকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে। বরং এর পরিবর্তে ভাবুন, কোনো একটি অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে কেউ বিচারকের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি জানেন যে, তিনি অপরাধী। এবং তিনি এটিও জানেন যে, বিচারক নিজেও সেটি জানেন। কিন্তু তারপরও তাকে বিস্মিত করে বিচারক তার নায্যতা প্রমাণ বা সত্যতা প্রতিপাদন করেন, এবং তাকে নিরপরাধ ঘোষণা করে মুক্ত করে দেন।

    লুথার ঈশ্বরের সাথে মানবতার সম্পর্কটি বুঝতে একটি ভিন্ন উপায় লক্ষ করেছিলেন। ধর্ম মানুষকে এমন একটি ধারণা দেয় যে, ঈশ্বর যেন তাদের শাস্তি দেবার জন্যে অপেক্ষা করছেন। তাদের এমন একটি পরীক্ষার জন্যে নম্বর দেওয়া হচ্ছে, যার প্রশ্নগুলো তারা কখনোই দেখেননি। আর সে-কারণে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মগুলো পরস্পরের সাথে এত বেশি প্রতিদ্বন্দ্বীসুলভ আচরণ করে থাকে। শুধুমাত্র যেন তারাই জানেন পরীক্ষায় কী প্রশ্ন আসবে। সেই পরীক্ষার জন্যে শুধুমাত্র তারাই আপনাকে প্রশিক্ষণ দিতে পারবে, যে-পরীক্ষার জন্যে জন্মের সময় আপনি নিজের নাম নিবন্ধন করেছিলেন, যখন কোনোকিছু সম্বন্ধে আপনার কোনো ধারণাই ছিল না। কিন্তু লুথার ভিন্নভাবে ঈশ্বরকে দেখার একটি পথের সন্ধান পেয়েছিলেন। আর তিনি দেখেছিলেন মূলত ভালোবাসা, যা কোনো আবশ্যিকতা অথবা কোনো শর্ত ছাড়াই পৃথিবীর জন্যে নিবেদন করা হয়েছে। আর যদি সেটি সত্য হয়, তার মানে মানুষ স্বাধীন আর আনন্দের সাথে বাঁচতে পারে, কোনো প্রতিশোধপরায়ণ ঈশ্বরের ভয়ে বারবার পেছনদিকে না তাকিয়ে, যার কাজ হচ্ছে তাদের শাস্তি দেওয়া।

    আর লুথারের এই অন্তদৃষ্টির চমকটি কতটা বৈপ্লবিক ছিল, সেটি বুঝতে আমাদের মনে করতে হবে, প্রথাগতভাবে ধর্ম কীভাবে সাধারণত এর কাজ করে থাকে। ধর্মগুলোর মধ্যে পার্থক্য আছে ঠিকই, কিন্তু তাদের মধ্যে যা সাধারণ সেগুলো ধারণ করা যেতে পারে আবশ্যিক’ শব্দটি ব্যবহার করে। সবাইকে একটি ভয়াবহ নিয়তি থেকে বাঁচানো হচ্ছে ধর্মের কাজ। কিন্তু মুক্তি পেতে হলে তাদের অবশ্যই নির্দিষ্ট কিছু মতবাদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে এবং ধর্মীয় আচার পালন করতে হবে। ধর্ম হচ্ছে সেই জিনিস, যাকে রোমানরা বলতেন একটি ‘কুইড প্রো কুও’ বা কোনোকিছুর বদলে অন্য কোনোকিছু। এটা বিশ্বাস করো, ঐ কাজটি করো, এবং ফলাফল আসবে। কখনো এই আবশ্যিকতা নেতিবাচক, যেমন, এটা বিশ্বাস কোরো না, ঐ কাজটা কোরো না। যদি আপনি চাহিদাপূর্ণ কোনো ঈশ্বরের ধারণা মেনে নেন, যার ওপর ভিত্তি করে এটি দাঁড়িয়ে আছে, সেটি অর্থবহ হয়। ধর্ম হচ্ছে একটি আদান-প্রদান, একটি চুক্তি বা একটি বীমা পলিসি। ইনডালজেন্স অবশ্যই তেমন কিছু ছিল। এটি কিনুন, আপনার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হবে। আর শুধুমাত্র ধর্মই নয়, এভাবে বহু ধরনের মানবিক আদান-প্রদান ঘটে থাকে, কোনো কিছু পাবার জন্যে আপনাকেও সেখানে কিছু বিনিয়োগ করতে হবে। এটি একটি ব্যবসা ছিল।

    যেভাবে যিশুর মানবতার সাথে ঈশ্বরের সম্পর্কটিকে দেখেছিলেন, সেটি এমন ছিল না। কিন্তু তিনি যা কিছু বলে গিয়েছিলেন সেগুলো এতটাই ধাঁধার মতো ছিল যে, যারা পরে চার্চ পরিচালনা করেছিলেন, তারা কখনোই তাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করেননি। যিশু একবার একটি আঙুরক্ষেতের মালিকের গল্প বলেছিলেন, যতক্ষণই কেউ সেখানে কাজ করুক না কেন, তিনি তার সব শ্রমিককে দিনের শেষে একই বেতন দিতেন। মানবতার সাথে ঈশ্বরের সম্পর্ক কোনো চাকরির আইনের ওপর নির্ভর করে, নেই। তিনি বলেছিলেন, এই সম্পর্ক একক ব্যক্তির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, সেই ব্যক্তির বিশেষ প্রয়োজনের ভিত্তিতে এটি নিয়ন্ত্রিত হয়। আরো একটি অস্বস্তিকর কাহিনিতে তিনি বলেছিলেন, একজন তরুণ তার পিতার কাছে তার উত্তরাধিকারের সব সম্পদ দাবি করেছিলেন এবং উজ্জ্বল জীবন কাটিয়ে সেই অর্থ অপচয় করেছিলেন। তারপর তার পিতা বাড়িতে তাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন তিরস্কারের একটি শব্দও উচ্চারণ না করে। ঈশ্বর এমনই, যিশু বলেছিলেন, আমরা যেভাবেই আচরণ করি না কেন, তিনি কখনোই আমাদের ভালোবাসা থামিয়ে দেবেন না। নিজেরা সেভাবে ভালোবাসার চেষ্টা করুন।

    এসব পাগলামি! এভাবে পৃথিবী পরিচালিত হলে এর সব কাঠামো আর ধর্মসহ সব প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে। কিন্তু তারপরও ভালোবাসার দ্বারা পরিচালিত একটি চার্চের সম্ভাবনা, ভিটেনবার্গে তার পড়ার ঘরে, যা লুথার সেই রাতে অনুধাবণ করেছিলেন। যেভাবে তার প্রিয় আদর্শ পল বলেছিলেন, ভালোবাসা সবকিছুর ভার বহন করে, সবকিছুই সহ্য করে। তার সন্তানের প্রতি ঈশ্বরের ভালোবাসাকে কোনোকিছুই পরাজিত করতে পারবে না, এমনকি তাদের নিজেদের বেআইনি কর্মকাণ্ডও। যতই অপরাধী তারা হোক না কেন, ঈশ্বর তাদের ভালোবাসা অব্যাহত রাখেন। ভয় কিংবা ভয়ের কারণে সৃষ্ট কোনো চুক্তি নয়, শুধুমাত্র ভালোবাসাই তাদের রক্ষা করবে।

    কিন্তু চার্চ স্বর্গীয় দয়ায় উদ্ভাসিত একটি ধর্মকে মানব-নিষ্ঠুরতার একটি ধর্মে রূপান্তরিত হতে অনুমতি দিয়েছিল। আর সেটাই কনস্টান্টিন করেছিলেন যখন তিনি যিশুর ক্রুশের ব্যানারের নিচে তার শত্রুদের হত্যা করেছিলেন। আর সেটাই ক্রুসেডাররা করেছিলেন, যখন তারা পবিত্র শহরে মুসলমানদের হত্যা করতে যাত্রা শুরু করেছিলেন। ইনকুইজিশনও সেটাই করেছিল যখন এটি র‍্যাকের উপরে শুইয়ে ধর্মদ্রোহী অভিযুক্তদের হাত-পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করেছিল। তারা সবাই ভেবেছিলেন যে, তাদের নিজস্ব সংস্করণের ঈশ্বর অনুসরণ করতে বাধ্য করানোর মধ্যে কোনো ভ্রান্তি নেই। আর এর কারণ তাদের সংস্করণের ঈশ্বর হচ্ছে তাদের নিজস্ব একটি সংস্করণ মাত্র।

    লুথার মুহূর্তের মধ্যে দেখতে পেয়েছিলেন এই সবকিছু কত বেশিমাত্রায় ভুল। এটি ক্যাথলিক চার্চের শক্তি আর লোভের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নতুন একটি পরিবর্তনের আহ্বান জানাতে তাকে শক্তি দিয়েছিল। এভাবে প্রটেস্টান্ট (প্রতিবাদী) ধর্মের সূচনা হয়েছিল, এর নাম যা নির্দেশ করে, এটি কী সমর্থন করে তার চেয়ে বরং এটি কিসের বিরুদ্ধে সেটি সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করে প্রটেস্টান্টবাদ এর নিজেকে সংজ্ঞায়িত করেছিল। কিন্তু ক্ষমতার নিষ্ঠুরতার প্রতি এর বিরোধিতা ইউরোপীয় ইতিহাসে অমূল্য একটি উপাদান যুক্ত করেছিল। এবং সময়ে এটি একটি শক্তিতে পরিণত হয়েছিল, যা ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক নির্যাতনকে চ্যালেঞ্জ করেছিল।

    আর যেভাবে সমাজ সেই সময় সংগঠিত ছিল, যদি স্থানীয় শাসকদের সমর্থন আর পৃষ্ঠপোষকতা না থাকত, প্রটেস্টান্ট আন্দোলনটি খুব বেশিদূর অগ্রসর হতে পারত না। ইউরোপ তখন গণতান্ত্রিক ছিল না। সুতরাং এই ‘রিফর্মড’ বা সংশোধিত চার্চগুলোর নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে রাজা এবং ডিউকদের পৃষ্ঠপোষকতার দরকার ছিল। শাসকদের সাথে জোট গঠন করা হয়েছিল এবং নতুন চার্চেরও আবির্ভাব হয়েছিল। কিন্তু তাদের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল, তাদের দৃষ্টিভঙ্গি আর কিছু বিশ্বাসেও পার্থক্য ছিল। সুতরাং রোম থেকে বড় বিভাজনের পরে নতুন এই ‘বিশুদ্ধ’ চার্চের রূপ কেমন হওয়া উচিত, সেই বিষয়ে মতানৈক্যের কারণে প্রটেস্টান্টদের মধ্যেও ক্ষুদ্র বহুসংখ্যক বিভাজন এসেছিল। প্রটেস্টান্টবাদের প্রতিভা একই সাথে এর সবচেয়ে বড় দুর্বলতাও ছিল : এটি যা-কিছু অনুমোদন করে তার সাথে সমঝোতা করার ক্ষেত্রে এর অক্ষমতা।

    রোমান চার্চের প্রতিভা ছিল খণ্ডিত হবার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবার প্রতি এর প্রতিরোধ। এর এই একচিত্ততা আঠার মতো একই বিশ্বাসের বহু ভিন্নধরনের মানুষকে একসাথে ধরে রেখছিল। এমনকি মাস’ পরিচালনার সময় ল্যাটিনের ব্যবহারও ছিল এই একীকরণেরই একটি প্রক্রিয়া। শুধুমাত্র শিক্ষিতরা এটি বুঝতে পারতেন এবং সেই সময় খুব কমসংখ্যক মানুষই ল্যাটিন বোঝার মতো শিক্ষিত ছিল, এমনকি যাজকদের মধ্যেও সেই সংখ্যা ছিল খুব কম। সুতরাং যে মানুষগুলো ইউরোপজুড়ে মাসে’ যোগ দিতেন, বেদিতে দাঁড়িয়ে ধর্মবক্তৃতা দেওয়া যাজক কী বলছেন সেই বিষয়ে অজ্ঞতায় তারা একীভূত ছিলেন। কিন্তু আবার তারা একইভাবে একীভূত ছিলেন একটি পবিত্র রহস্যময়তায় তাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে, যা সর্বত্র একই ছিল। এই সংস্কার বা রিফরমেশন আন্দোলনের শুরুতেই এই একতাটি ভেঙে গিয়েছিল চিরতরে, শুধুমাত্র ক্যাথলিক চার্চ এককভাবে সেটি ধরে রেখেছিল।

    ‘রিফরমেশন’ আন্দোলনের উত্তেজনার পর ক্যাথলিক চার্চ এর প্রত্যুত্তরে একটি নিজস্ব সংস্কার আন্দোলন সূচনা করেছিল, যা কাউন্টার-রিফরমেশন’ নামে পরিচিত। পোপ তৃতীয় পল ইটালির ট্রেন্টে একটি কাউন্সিল আহ্বান করেছিলেন, যা ১৫৪৫ থেকে ১৫৬৩ অবধি নিয়মিত সভা করেছিল। প্রত্যাশিতভাবেই, এটি মার্টিন লুথারের সব লেখাই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল তবে এটি ক্যাথলিক চার্চকেও সমালোচনা করেছিল, যার বিলাসিতা এবং বাড়াবাড়ি এই লেখাগুলো লিখতে তাকে অনুপ্রাণিত করেছিল।

    চার্চ যা নিজেকে তাদের দাবিকৃত প্রথম পোপ সেইন্ট পিটারের বার্ক’ বা নৌকা হিসাবে পরিচয় দিতে পছন্দ করত, সেটি রিফরমেশন ঝড়ের ঝাঁপটা সহ্য করে টিকে থাকতে সক্ষম হয়েছিল, যা এটিকে প্রায় নিমজ্জিত করার ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। মাঝে মাঝে অকস্মাৎ তীব্র হাওয়া দিকভ্রষ্ট করলেও এটি ইতিহাসে আবার তার নিজের জায়গা করে নিয়েছিল, আর কখনোই এটিকে সত্যিকারের বড় কোনো হুমকির মুখোমুখি হতে হয়নি।

    প্রটেস্টান্ট চার্চের ক্ষেত্রে সেই একই কথা বলা যাবে না। যদি আমরা সেই সমুদ্র আর নৌকার রূপকটা আরো কিছুটা সময় অব্যাহত রাখি, তাহলে বলা যাবে একটি জাতীয় পতাকার নিচে বড় কিছু জাহাজ থেকে, প্রটেস্টান্টবাদ খুব দ্রুত বহু পরস্পর প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার একটি বিশাল বহরে পরিণত হয়েছিল, যাদের কোনো কোনোটি ডিঙিনৌকার মতোই আকারে ক্ষুদ্র ছিল। আর দুটি নিয়ামক এই বহুবিভক্ত হবার প্রক্রিয়ায় মূল ভূমিকা রেখেছিল। প্রধান কারণটি ছিল, বাইবেল। একবার যখন আপনি কোনো একটি বইকে একক কর্তৃত্বের অধীন থেকে মুক্ত করেন, এটি বহু ধরনের ব্যাখ্যার বিষয়ে পরিণত হয়। বিশেষ করে যদি বিশ্বাস করা হয়ে থাকে যে, এটি ঈশ্বর-অনুপ্রাণিত একটি বই। বিশ্বাসের দ্বারা সত্যতা প্রতিপাদনের বিষয়টি লুথার বাইবেলেই আবিষ্কার করেছিলেন। কিন্তু সেখানে আরো বহু জিনিসও পাওয়া যাবে, যেগুলো অধিকাংশই স্ববিরোধিতায় পূর্ণ। সর্বোপরি, বাইবেল হচ্ছে বইয়ের একটি লাইব্রেরি, বহু শতাব্দী ধরে যে-বইগুলো লিখেছিলেন এবং পুনর্লিখন করেছিলেন অজ্ঞাত বহু লেখক-সম্পাদক-লিপিকারকরা। সেখানে সবার জন্যে কিছু-না-কিছু আছে, যা নির্ভর করে সেই প্রয়োজনীয়তা আর ভয়ের ওপর, যা তাদের পরিচালিত করে। কিছু নতুন প্রটেস্টান্ট চার্চ নিউ টেস্টামেন্টের চেয়ে ওল্ড টেস্টামেন্টের দ্বারাই আরো বেশি অনুপ্রাণিত হয়েছিল। আমরা সেই প্রভাবগুলো দেখব যেভাবে বিভিন্ন জাতির ওপর রিফরমেশন আন্দোলনটি তার চূড়ান্ত প্রভাব ফেলেছিল। আমরা আরো দেখব কীভাবে ধর্মে একটি চূড়ান্ত কর্তৃত্বের আদিম সেই চাহিদাটি অভ্রান্ত একজন পোপ থেকে অভ্রান্ত বাইবেলের ওপর সরে এসেছিল।

    প্রটেস্টান্টদের মধ্যে বিভাজনের অন্য কারণগুলোর মধ্যে ছিল, যেভাবে এই সংস্কার-আন্দোলনটি একক ব্যক্তি মানুষকে মুক্ত করেছিল। গতানুগতিক ধর্ম সাধারণ মানুষকে খুব বেশি নির্বাচন করার স্বাধীনতা দেয়নি। চার্চের পরিচালনায় থাকা বিশপ আর যাজকরা তাদের যা কিছু বলেছেন তা নিয়েই তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। একক ব্যক্তি মানুষের সচেতন বিবেকের শক্তি আর ঈশ্বরের সাথে ব্যক্তিগত একটি সম্পর্কের ওপর তাদের অধিকারকে স্বীকার করার মাধ্যমে রিফরমেশন ঐ ধরনের সব কর্তৃত্ববাদিতাকে ধ্বংস করেছিল। একক ব্যক্তি মানুষ শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত বিশেষজ্ঞদের মধ্যস্থতায় ঈশ্বরের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবেন- এমন ধারণা রিফরমেশন আন্দোলনটি প্রত্যাখ্যান করেছিল। অ্যাপোস্টলিক ধারাবাহিকতায় যাজক হিসাবে দীক্ষিত হয়েছেন শুধুমাত্র তারাই নয়, এটি সব বিশ্বাসীদের ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে সৃষ্ট একটি যাজক সংগঠনের ধারণার ওপর বিশ্বাস রেখেছিল। আর সে-কারণে একটি একক প্রতিষ্ঠানের অধীনে প্রটেস্টান্টবাদকে সংগঠিত করার কাজটি ছিল খুবই কঠিন। কারণ এধরনের সংগঠনে সবসময়ই কিছু বিদ্রোহী বিশ্বাসীরা থাকেন, যারা দায়িত্বে থাকা মানুষগুলোকে চ্যালেঞ্জ করে থাকেন। আর যদি তাদের কথা শোনা না হয়, তারা সংগঠন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজেদের চার্চ প্রতিষ্ঠা করেন।

    রিফরমেশন চার্চগুলোর সবচেয়ে বড় ব্যর্থতাটি কিন্তু ছিল, তারা কখনোই চ্যালেঞ্জ করেননি যেভাবে এর বিরোধীদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় এটি ব্যবহার করে কনস্টান্টিন খ্রিস্টধর্মকে কলুষিত করেছিলেন। লুথার ভালোবাসার পথ-সংক্রান্ত তার অন্তদৃষ্টিটির খানিকটা ঝলক অনুভব করেছিলেন, কিন্তু স্বর্গ আবার এর দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল। আর প্রতিপক্ষের সাথে বোঝাপড়ায় লুথার তাদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ যে প্রতিপক্ষ, তাদের মতোই নিষ্ঠুর ছিলেন। তার কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হলে, শক্তি প্রয়োগ করতে তিনি কখনোই দ্বিধাবোধ করেননি।

    আর ঠিক সেটাই লুথার করেছিলেন যখন জার্মানির কৃষকরা, চার্চের শক্তির বিরুদ্ধে রিফরমেশনের চ্যালেঞ্জে অনুপ্রাণিত হয়ে, ভেবেছিলেন কেন তারা তাদের ওপর শক্তি প্রয়োগ করা ভূস্বামীদের কাছ থেকে মুক্ত হতে পারবেন না। তারা পুরোপুরি দাস ছিলেন না, তবে তার খুব কাছাকাছি কিছু ছিলেন। তারা ছিলেন সার্ফ, কৃষিশ্রমিক–যাদের কোনো অধিকার ছিল না, এবং দারিদ্র্য থেকে নিজেদের মুক্ত করার কোনো উপায়ও তাদের ছিল না। বিশাল বাড়ি আর প্রাসাদের অভিজাতশ্রেণির জন্যে শ্রম দিয়ে জীবন দেওয়া ছাড়া তাদের আর কোনো নিয়তি ছিল না। ঈশ্বরের নির্দেশবলে চার্চ এই ব্যবস্থাকে আশীর্বাদ করেছিল। ধনী ব্যক্তি তার দুর্গে, দরিদ্র তার দরজায়, ঈশ্বর তাদের অভিজাত আর সাধারণ বানিয়েছে, এবং তাদের ভাগ্যে নির্দেশনা দিয়েছে’, একটি জনপ্রিয় হিম বা স্তব সংগীত যেভাবে পরে এটি ব্যক্ত করেছিল। কিন্তু কৃষকরা বিষয়টি এভাবে আর দেখতে পারছিলেন না। এবং রিফরমেশন তাদের সাহস দিয়েছিল। যদি চার্চ বদলাতে পারে, তাহলে সমাজ কেন বদলাতে পারবে না? যদি মার্টিন লুথার মহাশক্তিশালী রোমান চার্চের ক্ষমতা খর্ব করতে পারে, কেন তারা জার্মান ভূস্বামীদের ক্ষমতা উৎখাত করতে পারবে না?

    তাদের বিদ্রোহ, যা পরিচিত পিজান্ট (কৃষক) রিভোল্ট নামে, মাত্র এক বছর স্থায়ী হয়েছিল, ১৫২৪ থেকে ১৫২৫। লুথারের ক্ষুব্ধ আর উৎসাহী সমর্থনে, কর্তৃপক্ষ নৃশংসতার সাথে সেই বিদ্রোহ দমন করেছিল এবং এক লক্ষ মানুষ সেই বিদ্রোহে প্রাণ দিয়েছিলেন। যখন এটি শেষ হয়েছিল, বেঁচে থাকা বাকি কৃষকদের উপর নির্যাতন আর জীর্ণকুটির পুড়িয়ে তাদের গৃহহীন করে দিতে উৎসাহী গুণ্ডাদের দল গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়িয়েছিল। এটি ছিল আরেকটি উদাহরণ, যেভাবে মানুষকে স্বর্গে নেবার জন্যে ধর্মের এই উন্মত্ততা, এটিকে কীভাবে এই পৃথিবীতে সবার সাথে মিলেমিশে থাকা যায় তার উত্তম কোনো উপায় খুঁজতে অনাগ্রহী করে রাখে। কৃষক-বিদ্রোহে লুথারের এই সংশ্লিষ্টতা হয়তো প্রথম প্রটেস্টান্ট ক্রুসেড হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে। পরে আরো অনেকবারই ঘটেছিল, সাধারণত প্রটেস্টান্টদের বিরুদ্ধে প্রটেস্টান্টরাই যুদ্ধ করেছিল। সবকিছুই বদলে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরও সবকিছুই আগের মতোই ছিল।

    ষোড়শ শতাব্দীর শেষ নাগাদ, আয়ারল্যান্ড ছাড়া, উত্তর-ইউরোপ পুরোপুরি ভাবে প্রটেস্টান্ট ছিল। তাদের নতুন চার্চগুলোও ভিন্নরূপ নিয়েছিল, প্রায়শই পরস্পরের সাথে সহিংস দ্বন্দ্বগুলো অব্যাহত ছিল। কিন্তু ধর্মীয় সংকটের শিকার হিসাবে ইউরোপই একমাত্র মহাদেশ ছিল না, এটি ভারতেও ঘটেছিল। সুতরাং ইংল্যান্ড আর স্কটল্যান্ডে রিফরমেশন পৌঁছালে সেখানে কী ঘটেছিল সেটি দেখার জন্যে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করার আগে, আমরা আরো একবার আঁকাবাঁকা পথ নেব ভারতে কী ঘটেছিল সেটি দেখতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }