Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৯. নানকের সংস্কার

    অধ্যায় ২৯. নানকের সংস্কার

    মার্টিন লুথার সম্ভবত তাকে পছন্দ করতেন না এবং এই অনুভূতিটাও পারস্পরিক হতো, কিন্তু শিখধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানকের সাথে তার অনেকক্ষেত্রেই মিল ছিল। তারা দুজনেই একই উন্মাতাল সময়ের বাসিন্দা ছিলেন। নানক জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৪৬৯ সালে আর লুথার ১৪৮৩ সালে নানক মারা গিয়েছিলেন ১৫৩৯ সালে আর লুথার এর সাতবছর পরে ১৫৪৬ সালে। তারা কখনোই পরস্পরের সম্বন্ধে কিছু জানতে পারেননি এবং তাদের দুজনের বাসস্থানের মধ্যে চার হাজার মাইলের ব্যবধান ছিল। নানক ছিলেন ভারতে আর লুথার ছিলেন জার্মানিতে। কিন্তু তারা দুজনেই যে-ধর্মে জন্মগ্রহণ করেছিলেন সেই ধর্মের একজন সংস্কারক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। দুজনের জীবনাচরণ আর বিশ্বাসের মধ্যে বিশাল পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তারা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন, কীভাবে সত্য আর বিশুদ্ধতার অনুসন্ধানে ধর্মগুলোর মধ্যে বিভাজিত হবার প্রবণতা লক্ষ করা যায়।

    একজন ‘শিখ’ হচ্ছে গুরু নানক এবং তার উত্তরসূরি নয়জন গুরুর শিষ্য অথবা অনুসারী। যদিও নানকই মূলত ছিলেন শিখবাদের প্রতিষ্ঠাতা, কিন্তু যে-বিশ্বাসের ধারণাটি তিনি গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন সেটি ১৭০৮ সালে দশম এবং শেষ গুরুর মৃত্যু না হওয়া অবধি এর পূর্ণ রূপ পায়নি। গুরু’ হচ্ছেন একজন শিক্ষক, যিনি ঈশ্বরের অর্থ সুস্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করতে পারেন, এবং ঈশ্বরের উপস্থিতিকে বাস্তব অনুভূত করাতে পারেন। মারা যাবার আগে গুরু নানক গুরু অঙ্গদকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন তাকে অনুসরণ করতে। এবং ১৫৫২ সালে গুরু অঙ্গদ মারা যাবার আগে তিনি অমর দাসকে তার উত্তরসূরি হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এভাবেই শিখধর্মে গুরুদের এই গুরু-শিষ্যের ধারাবাহিক উত্তরসূরি হিসাবে দায়িত্বগ্রহণ অব্যাহত ছিল যতদিন-না এই ধারাবাহিকতা ১৬৭৬ সালে এর দশম গুরু, গোবিন্দ সিং অবধি পৌঁছেছিল।

    এরপর কিছু কৌতূহলোদ্দীপক ঘটনা ঘটেছিল। গুরু গোবিন্দ সিং কোনো উত্তরসূরি চিহ্নিত না করে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি ঘোষণা করেছিলেন, এখন থেকে শিখসমাজে গুরু, যিনি ঈশ্বরের প্রতিনিধিত্ব করবেন, তিনি দুটি ভিন্ন কিন্তু সম্পর্কযুক্ত উপায়ে অস্তিত্বশীল হবেন। প্রথম, শিখদের পবিত্র গ্রন্থ হবে। ‘গুরু’, যাকে বলা হয়, ‘গুরু গ্রন্থ সাহিব’, কোনো শিখ মন্দির বা গুরদুয়ারায় (গুরু অভিমুখে দরজা) অনুসারীদের মধ্যে ঈশ্বরের উপস্থিতির প্রতীক হিসাবে এটি প্রধানতম ভূমিকাটি পালন করবে।

    গুরুর উপস্থিতির দ্বিতীয় রূপটি হবে বিশ্বাসীদের একটি সমাজ, যারা শিখধর্মে দীক্ষিত হবেন, ‘গুরু খালসা পথ’ অথবা বিশুদ্ধ পথের শুরু। রিফরমেশনের সময় খ্রিস্টধর্মে আবির্ভূত হওয়া কিছু চার্চের মতো, শিখ ধর্মানুসারীরাও তাদের বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে যাজকদের একটি সংগঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশ্বাস রাখেননি। বিশ্বাসীদের নিজেদের আর তাদের ঈশ্বরের মধ্যে কোনো মধ্যস্থতাকারীর আবশ্যিকতা নেই। ঈশ্বরের দৃষ্টিতে সব বিশ্বাসীরাই সমান। সুতরাং হয়তো এটি শিখদের ভারতীয় ধর্মের প্রটেস্টান্ট এবং বিশুদ্ধ পথের গুরু’দের খ্রিস্টধর্মের সংস্কারকদের প্রিয় সব বিশ্বাসীদের যাজক ভাতৃত্ব’ হিসাবে ভাবতে সহায়তা করতে পারে। শিখধর্মে অন্যকিছু দিকও আছে যেগুলো ভারতীয় প্রটেস্টান্টবাদের একটি রূপ হিসাবে ভাবা যেতে পারে। কিন্তু আসুন এখন আমরা শিখবাদের প্রথম গুরু, নানকের কাছে ফিরে যাই, কীভাবে এটির সূচনা হয়েছিল তা দেখতে।

    হিন্দু ব্যবসায়ী জাতের পিতামাতার পরিবারে নানক জন্মগ্রহণ করেছিলেন উত্তর-পশ্চিম ভারতের পাঞ্জাবে। তখন দীর্ঘদিন ধরেই হিন্দুধর্ম আর সবচেয়ে প্রাধান্য বিস্তারকারী ধর্ম ছিল না। এই জায়গাটি দখল করেছিল ইসলাম। মুসলিম বণিকরা অষ্টম শতাব্দীতে প্রথম ভারতে এসেছিলেন, এবং তারা তাদের ধর্মবিশ্বাসও তাদের সাথে করে নিয়ে এসেছিলেন। চিরকালের মতোই, অতিথিপরায়ণ ভারত যে-কোনো রূপে ধর্মের বিস্তারে সহায়ক হয়েছিল এবং অন্য বহু ধর্মের একটি হিসাবে ইসলাম উপমহাদেশে তার শিকড় প্রোথিত করেছিল। তারপর দশম শতাব্দীতে পার্শ্ববর্তী দেশ আফগানিস্তান থেকে মুসলমানরা পাঞ্জাবে ঝটিকা আক্রমণ করতে শুরু করেছিলেন। সেই সময়ে ধর্মকে সবার উপরে চাপিয়ে দেবার চেয়ে বরং সম্পত্তি লুণ্ঠন করাই অবশ্য তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল। কিন্তু নিশ্চয়ই তারা উপমহাদেশের বহুঈশ্বরবাদ আর পৌত্তলিকতার ধর্মগুলো দেখে বিতৃষ্ণ হয়েছিলেন।

    মুসলমানদের এই আগ্রাসন অব্যাহত ছিল, এবং যখন পঞ্চদশ শতাব্দীতে নানকের জন্ম হয়েছিল, তখন মুঘল সাম্রাজ্য ভারতে এর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করেছিল। মুঘলদের উৎস মূলত মধ্যএশিয়ার মঙ্গোলিয়ায়, কিন্তু যখন তারা ভারতে এসে পৌঁছেছিলেন, তার আগেই তারা ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন। যখন নানক বালক ছিলেন, তখন ভারতের সম্রাট ছিলেন একজন মুসলমান ব্যক্তি। কিন্তু হিন্দু সর্বজনীনতা এই নতুন শাসকদের খানিকটা প্রভাবিত করেছিল, আর মুঘল সাম্রাজ্যও বিভিন্ন ধর্মীয় ধারণার প্রতি সহিষ্ণু ছিল। সুতরাং আধ্যাত্মিক অনুসন্ধানে সংকল্পবদ্ধ নানকের সামনে বাছাই করার জন্য দুটি বিকল্প ধর্ম ছিল, হিন্দুধর্ম? নাকি ইসলাম?

    অনুপ্রেরণার অনুসন্ধানে তিনি এই দুটি ধর্মের পবিত্র স্থানগুলো দর্শন করতে তীর্থযাত্রায় বের হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বলা হয়ে থাকে তিনি পশ্চিমে আরবে মক্কা অবধি গিয়েছিলেন। যখন তিনি পাঞ্জাবে ফিরে এসেছিলেন তার দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে, ততদিনে তার সিদ্ধান্ত নেওয়াও শেষ হয়েছিল, যে-পথ তিনি খুঁজছেন সেটি হিন্দুধর্মও না আবার ইসলামও না। ঈশ্বরের সাথে তার একটি রহস্যময় সাক্ষাতের পর তিনি একটি ভিন্নপথের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু যদি আমরা পরীক্ষা করে দেখি তার ঈশ্বর কী উন্মোচন করেছিলেন, আমরা দেখতে পাব, যদিও এর নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য আছে, তবে এটি যে দুটি ধর্মকে একটিতে প্রতিস্থাপিত করতে চেয়েছে, সেই দুটি ধর্মের উপাদানও ধারণ করে আছে। মুহাম্মদ আর প্রটেস্টান্ট রিফরমেশন আন্দোলনের নেতাদের মতে, তিনি দম্ভপূর্ণ চাকচিক্যময় ধর্ম ঘৃণা করতেন। পৌত্তলিকতার ব্যবসায়ীদের প্রতি গভীর ঘৃণাসহ তিনি ছিলেন একজন একেশ্বরবাদী। তিনি দেখেছিলেন, কোনো ধর্ম কত সহজেই আধ্যাত্মিকতার লেবাস পরা প্রতারকদের একটি চক্রে পরিণত হতে পারে, যারা নিজেদের ঈশ্বরের বিক্রয়-প্রতিনিধি হিসাবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেন। নানক জানতেন, সাধারণ নারী পুরুষের হৃদয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই ঈশ্বর বসবাস করছেন। কোনো প্রতিনিধির মাধ্যমে ঈশ্বরের কাজ করার কোনো প্রয়োজন নেই। আর সে-কারণেই নানক সেই আচারগুলো অপছন্দ করতেন, যেগুলো পালন করতে পেশাজীবী পুরোহিতদের দরকার হয়।

    সেই মতাদর্শ মোতাবেক তিনি হিন্দুধর্মের চেয়ে বরং বেশি ইসলামঘেঁষা। কিন্তু পৃথিবীতে জন্ম-জন্মান্তরে পরিভ্রমণ করা আত্মার সেই মুক্তির কামনার প্রতি সহানুভূতিতে তিনি হিন্দু ছিলেন। কার্মা আর পুনর্জন্মে বিশ্বাস হিন্দু মতবাদের সবচেয়ে বৈশিষ্ট্যসূচক একটি প্রকৃতি এবং নানক সেটি গ্রহণ করেছিলেন। ঈশ্বর তাকে বলেছিলেন যে, তিনি নিজে এই নিরন্তর পুনর্জন্মের চক্র থেকে মুক্ত হয়েছেন। আর এটি ছিল তাদেরকে প্রদর্শন করার জন্যে যে, পুনর্জন্মের এই চক্র থেকে তারাও পরিত্রাণ লাভ করতে পারেন এবং তাকে সে-কারণেই তার অনুসারীদের কাছে একজন গুরু হিসাবে প্রেরণ করা হয়েছে। তার আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার বিবরণ দেওয়া গল্পগুলোর একটিতে, নানকের লক্ষ্য বর্ণনা করা হয়েছে এভাবে : সর্বশক্তিমান তাকে বলেছিলেন–

    ‘আমি তোমাকে জন্ম, মৃত্যু আর পুনর্জন্মের চক্র থেকে মুক্ত করলাম। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের সাথে তোমাকে দেখবে, সে মুক্তি লাভ করবে। যে ব্যক্তি তোমার উচ্চারিত শব্দগুলো শুনবে বিশ্বাসের সাথে, সে মুক্তি লাভ করবে… আমি তোমাকে মুক্তি দান করছি। নানক, এই অশুভ পৃথিবীতে ফিরে যাও, এবং নারী-পুরুষ সবাইকে শেখাও কীভাবে প্রার্থনা করতে হয়, কীভাবে বিনীত হয়ে দান করতে হয়, শুদ্ধভাবে বাঁচতে হয়। এই পৃথিবীতে কল্যাণময় কাজ করো, পাপের যুগে এটিকে উদ্ধার করো।’

    এ পর্যন্ত হয়তো আমরা এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারি, নানক আসলে যা করেছিলেন তা হচ্ছে হিন্দু আর ইসলাম ধর্ম থেকে খানিকটা অংশ নিয়ে, নতুন একটি ধর্মের মোড়কে এটি উপস্থাপন করেছিলেন। কিন্তু এরপরে তিনি যা করেছিলেন সেটি ছিল বৈপ্লবিক আর খুবই স্বতন্ত্রচক এবং এটি এখনো সেটি দাবি করতে পারে। তিনি সবাইকে একসাথে বসে খাদ্যগ্রহণ করাতে পেরেছিলেন। এটি শুনতে নতুন কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে নাও হতে পারে। কিন্তু ধর্মের ইতিহাসে এটি ছিল বৈপ্লবিক। ধর্মীয় সমাজগুলোয় বিশ্বাসীদের অবশ্যই শিখতে হয়, কাদের সাথে খাদ্যগ্রহণ করতে তাদের অনুমতি আছে, আর কাদের ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ। এমনকি এর একটি কারিগরি নামও আছে : কমেনসালিটি, যার অর্থ যে গোষ্ঠীর সদস্যদের একই টেবিলে বসার অনুমতি আছে। আর কাদের সাথে বসে তারা খেতে পারবেন না সেটি বলায় অনেক শক্তি ব্যয় হয়েছে। এর কারণ বিশুদ্ধতার সেই ধারণাটি, অপবিত্র খাদ্য আর অপবিত্র মানুষ আছে এমন বিশ্বাস ধর্মীয় মনে খুব গভীরে প্রোথিত। যদি আপনি তাদের স্পর্শ করেন আপনি নিজেকে ঈশ্বরের কাছে ঘৃণ্য করে তুলবেন এবং আপনার বিশুদ্ধিকরণ তখন আবশ্যিকভাবে প্রয়োজন। এটি সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী সেই দেশগুলোয়, যেখানে জাতপ্রথা অথবা বর্ণবৈষম্য আর বিভেদের প্রচলন আছে। হিন্দু জাতপ্রথাতেও এটি আছে, যেখানে এমনকি অস্পৃশ্য কারো ছায়া যদি ব্রাহ্মণের মধ্যাহ্নভোজনের উপর পড়ে সেটি অপবিত্র হয়ে যায় এবং সেই খাওয়া অবশ্যই ফেলে দিতে হবে।

    হিন্দুধর্মই একমাত্র ধর্ম ছিল না, যেখানে এই ধরনের বৈষম্যের অনুশীলন করা হয়েছে। এটি ইহুদি ধর্মেও আছে। সেখানে অপবিত্র জাত আছে যেমন, তেমনি আছে অপবিত্র খাদ্য। যিশুর ওপর আনীত অভিযোগগুলোর একটি ছিল, তিনি এইসব ধর্মীয় প্রতিষিদ্ধতার প্রতি কোনো নজর দেননি এবং উপেক্ষা করেছিলেন। তিনি শুধুমাত্র পাপীদের সাথে কথাই বলেননি, তাদের সাথে খাদ্যও গ্রহণ করেছিলেন। যে চার্চ যিশুর পথ অনুসরণ করছে বলে দাবি করেছিল সেটিও খুব শীঘ্রই তার উদাহরণ অনুসরণ না-করার যথেষ্ট কারণও পেয়েছিল। খ্রিস্টান ধর্মে খাওয়ার নানা প্রতিষিদ্ধতা এখনো আছে। খ্রিস্টীয় উপাসনার মূল একটি বিষয় হচ্ছে একটি ধর্মীয় আচার-নির্দেশিত খাওয়া, যাকে বলা হয় ‘লর্ডস সাপার’ অথবা ‘হলি কমিউনিয়ন’ অথবা মাস’। এটির ভিত্তি ঘনিষ্ঠ অনুসারীদের সাথে তার মৃত্যুর আগের রাতে যিশুর শেষরাতের খাবার। যখন তিনি তাদের বলেছিলেন তাকে স্মরণ করে এই আচারটি অব্যাহত রাখতে। খ্রিস্টানরা এটি পালন করে আসছেন সেই সময় থেকেই। কিন্তু তারা এটি সবার সাথে খায় না। ক্যাথলিকরা এটি প্রটেস্টান্টদের সাথে খাবেন না। প্রটেস্টান্টরাও আছেন, তারা অন্য প্রটেস্টান্ট, অথবা তাদের নিজেদের বিশুদ্ধতার চক্রের বাইরের এমন কারো সাথে সেটি খাবেন না। আর বহু খ্রিস্টান বিশ্বাস করেন, যদি আপনি পাপ করে থাকেন তাহলে আপনার এটি খাবার কোনো অনুমতি পাওয়া উচিত নয়। এটি অনেকটাই খারাপ ব্যবহারের শাস্তি হিসাবে রাতে না-খেতে দিয়ে বিছানায় শুতে পাঠানোর মতো।

    নানক এইসব প্রতিষিদ্ধতা প্রচণ্ড ঘৃণা করতেন। তিনি দেখেছিলেন কীভাবে এই নিয়মগুলো ঈশ্বরের নামে বিভেদের দেয়াল নির্মাণ করছে, যিনি সবাইকে সমানভাবেই ভালোবাসেন। তার সমাধানটি ছিল বিস্মকরভাবেই সাধারণ। তিনি শিখসমাজে ‘লঙ্গর’ বা সামাজিক ভোজপ্রথার সূচনা করেছিলেন। এটি সব জাতের মানুষের জন্য উন্মুক্ত ছিল এবং নানা আচার দিয়ে অলংকৃত হওয়া থেকে এটি মুক্ত ছিল, পুরোহিতরা যে-আচারগুলো মানবিক কার্যক্রমের মধ্যে জুড়ে দিতে ভালোবাসেন। খুবই সাধারণ ছিল সেই খাদ্য। কিন্তু তারা একটি পরিবারের মতোই সবাই একসাথে বসে খাদ্যগ্রহণ করতেন। একটি শিখ গুরদুয়ারায় রান্নাঘর, সেই ভবনের অন্যসব অংশের মতোই পবিত্র। খাদ্য রান্না করা হয় এবং তা সবার সাথে ভাগ করে নেওয়া হয় মানুষের সাম্যতা উদ্যাপন করতে, তাদের জাত, বিশ্বাস, বর্ণ অথবা লিঙ্গ যাই হোক না কেন। আর সে-কারণেই কম্পাসের চারটি দিকের মতো গুরদুয়ারারও চারটি দরজা থাকে, যে প্রতীকটি জানান দেয় এটি সবার জন্যে উন্মুক্ত। সব গুরুরা, যারা নানককে অনুসরণ করেছিলেন, তারা ধর্মবিশ্বাসের আবশ্যিক একটি অংশ হিসাবে এই লঙ্গরের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছিলেন। তৃতীয় গুরু অমর দাস, এমনকি দাবি করেছিলেন, যদি কেউ তার সাথে সাক্ষাৎ করতে চায়, একেবারে হতদরিদ্র কৃষক থেকে ভারতের সম্রাট অবধি, তাকে অবশ্যই তার সাথে সঙ্গরে একবেলা খাদ্যগ্রহণ করতে হবে।

    নানকের পরে আসা নয়জন গুরুর প্রত্যেকেই তার দৃষ্টিভঙ্গিটিকে সত্যায়িত করেছিলেন, আর তাদের সময়ের বিবেচনা ও প্রয়োজনে সেই দৃষ্টিভঙ্গিটিকে সংগতিপূর্ণ করে নিয়েছিলেন। কিন্তু ধর্মটির দশম গুরু যিনি শিখবাদকে নাটকীয় একটি আত্মপরিচয় দিয়েছিলেন, যা এখনো এটিকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে রেখেছে। মুঘলদের ভারত আপেক্ষিকভাবে সহিষ্ণু হয়তো ছিল, কিন্তু উন্মুক্ত সমাজ বলতে যা বোঝায়, তা থেকে অনেক দূরেই ছিল। এবং ইসলামি অসন্তোষের হাত থেকে শিখদের নিজেদেরকে সুরক্ষা করতে বাধ্য হতে হয়েছিল। তার ধর্মগোষ্ঠীকে রক্ষা করতে ষষ্ঠগুরু হরগোবিন্দ (১৫৯৫-১৬৪৪) একটি শিখ সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু দশম গুরু গোবিন্দ সিং (১৬৬৬–১৭০৮) শিখবাদকে এর একটি বাড়তি শক্তি আর দৃঢ়তা দিয়েছিলেন। তিনি তার অনুসারীদের সুরক্ষিত শহর প্রতিষ্ঠা করতে এবং সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে উৎসাহিত করেছিলেন–এটি স্মরণ করিয়ে দেয় কীভাবে নতুন ধর্মগুলো সাধারণত নিজেদের রক্ষা করতে বাধ্য হতে হয় সেইসব গোষ্ঠী থেকে, যাদের তারা পরিত্যাগ করে এসেছে। শিখরা কিংবদন্তির যোদ্ধায় পরিণত হয়েছিলেন, এবং একটি সামরিক রীতি এটি আত্তীকৃত করেছিল যা এখনো তাদের চিহ্নিত করে।

    শিখবাদের পাঁচটি প্রধান বৈশিষ্ট্য আছে, যাদের পঞ্চ ‘ক’ হিসাবে তথ্যনির্দেশ করা হয়। কেশ’, মানে না-কাটা চুল। শিখরা তাদের চুল বাড়তে দেয় তাদের বিশ্বাসের একটি চিহ্ন হিসাবে। শিখ পুরুষরা সেই চুল নিয়ন্ত্রণ করতে মাথায় পাগড়ি পরিধান করেন। নারীরা পাগড়ি কিংবা চাদর পরতে পারেন। কঙ্গ’ হচ্ছে একটি চিরুনি যা বিশুদ্ধতার প্রতীক, যা শিখদের লম্বাচুলে স্থায়ীভাবে লাগানো থাকে (অথবা পাগড়ির সাথে)। কারা একটি ইস্পাতের চুড়ি বা হাতবন্ধনী, যা তাদের কবজিতে থাকে, ঈশ্বরের অসীমতার প্রতীক। ‘কিরপান বা কৃপাণ’ একটি তরবারি, যা কোমরে ঝোলানো থাকে, কাঁধের থেকে নেমে আসা একটি বন্ধনী দিয়ে। এটি শিখদের শুধুমাত্র তাদের সামরিক ইতিহাসই নয়, একই সাথে ন্যায়বিচারের জন্যে তাদের যুদ্ধ করার সংকল্পটিকেও স্মরণ করিয়ে দেয়। কাচ্ছা হচ্ছে সৈন্যদের অন্তর্বাস, যা তাদের আত্মশৃঙ্খলা প্রয়োজনীয়তার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

    খ্রিস্টধর্ম আর ইসলামের ব্যতিক্রম শিখধর্ম ধর্মান্তরিতকরণের ধর্ম নয়। এটি ইহুদিবাদের মতোই সেই অর্থে যে, এটি যেমন তাদের বিশ্বাস, তেমনি এটি তাদের জাতিগত আত্মপরিচয়। এবং যদিও এরা নতুন দীক্ষিতদের স্বাগতম জানায়, যারা তাদের সাথে যুক্ত হতে চায়, কিন্তু তারা কাউকে ধর্মান্তরিত করার জন্য তাদের অনুসন্ধানে সাত-সমুদ্র পাড়ি দেয় না। এর কারণ সেই ধর্মগুলোর ব্যতিক্রম যারা মুক্তি পাবার লক্ষ্যে শুধুমাত্র নিজেদের ধর্মকেই একমাত্র স্বীকৃত পথ হিসাবে দাবি করে থাকে। শিখরা বিশ্বাস করেন, ঈশ্বর অবধি পৌঁছানোর জন্যে বহু পথের অস্তিত্ব আছে। এখানে তারা সেই উদারতা প্রদর্শন করে, যা ভারতীয় আধ্যাত্মিকতাকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছে, এবং যা সেই অসহিষ্ণুতার ব্যতিক্রম, যা সাধারণত পশ্চিমের খ্রিস্টধর্মকে চিহ্নিত করেছে। আর এটি সেই ইশারা, এখন ভারত ত্যাগ করে ব্রিটেইন-অভিমুখে যাত্রা করার সময় এসেছে, ষোড়শ শতাব্দীতে সেখানে রিফরমেশন আন্দোলনের যুদ্ধগুলো কেমন চলছিল সেটি দেখতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }