Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩০. মধ্যম পথ

    অধ্যায় ৩০. মধ্যম পথ

    আমি যখন ছাত্র ছিলাম, চার্চের ইতিহাস বিষয়ে আমার শিক্ষকদের একজন ছিলেন অ্যাবারডিনের বাসিন্দা, যার বেশ বর্ণিল একটি বাচনভঙ্গি ছিল। রিফরমেশন নিয়ে যখন ক্লাসে লেকচার দিতেন, তিনি একটি রূপক ব্যবহার করতেন, যা এখনো আমি মনে করতে পারি। এভাবে তিনি ষোড়শ শতাব্দীর সেই সংগ্রামের পর্ব থেকে উদ্ভূত বিভিন্ন চার্চের পদ্ধতি নিয়ে আমাদের ভাবতে প্ররোচিত করেছিলেন।

    তিনি বলতেন : ধরুন, আপনার হয়তো ছোট একটা ছেলে আছে এবং বন্ধুদের সাথে সে বাইরে খেলছিল। যখন রাতে শোবার সময় সে বাসায় ফিরেছিল, তার মুখ ছিল ময়লা, সারাদিন ধরে মাঠে ঘোরাঘুরির কারণে তার মুখে কাদা লেগে আছে। যখন আপনি তাকে এই অবস্থায় দেখতে পেলেন, আপনার তখন কী করা উচিত? আপনার তিনটি বিকল্প আছে। আপনি তাকে সেই অবস্থায় বিছানায় শুতে পাঠাতে পারেন, এবং সে আপনার পরিষ্কার বালিশের কভারের উপর সে তার ছোট ময়লা মাথাটি নিয়ে শুয়ে পড়বে। আপনি তার মাথা কেটে ফেলতে পারেন। এটি অবশ্যই কাদার সমস্যাটি সমাধান করবে, কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় আপনি তাকেও হত্যা করবেন, এবং আপনার আর কোনো পুত্র থাকবে না। অথবা আপনি তাকে একটি গোছল দিতে পারেন এবং রাতে বিছানায় শোবার আগে তাকে ভালো করে পরিষ্কার করে দিতে পারেন।

    কিন্তু তিনি আসলে এর মাধ্যমে আমাদের কী বোঝাতে চাইছিলেন? রিফরমেশনের পরে দাঁড়িয়ে থাকা চার্চগুলোর অতীতের সাথে ধারাবাহিকতার ধারণাটি তিনি অনুসন্ধান করছিলেন। সেখানে উপস্থাপন করার মতো তিনটি মডেল ছিল, তিনি বলেছিলেন। কোনো পরিবর্তন ছাড়াই ধারাবাহিকতা অব্যাহত ছিল; অথবা ধারাবাহিকতা ছাড়াই পরিবর্তন ঘটেছিল, অথবা খানিকটা পরিবর্তনের সাথে ধারাবাহিকতা অব্যাহত ছিল। ক্যাথলিক চার্চ অতীতের সেই খ্রিস্টধর্মের সাথে এর ধারাবাহিতা অব্যাহত রেখেছিল, যা বিস্তৃত ছিল যিশুর সেই অ্যাপোস্টলদের সময় অবধি। কিন্তু ষোড়শ শতক নাগাদ সেই ছোট বালকটির মতো এটি একটি নোংরা মুখমণ্ডল অর্জন করেছিল, কিন্তু সেইসব কাদার নিচে এটি তেমনই ছিল, যা শুরু থেকেই ছিল। এটি খ্রিস্টধর্ম, তবে যার সংস্কার হয়নি।

    কিন্তু গোঁড়া-সংস্কারবাদীদের মতে ক্যাথলিসিজম আর খ্রিস্টান ধর্ম ছিল না। পোপের শুধুমাত্র একটি পঙ্কিল মুখই নেই, তিনি খ্রিস্টবিরোধী একটি চরিত্রে রূপান্তরিত হয়েছিলেন, এমন কেউ যিনি যিশুর অনুসারী হবার ভান করছেন শুধু, কিন্তু মূলত তিনি খ্রিস্টের শক্র। যেন কোনো ভিনদেশি একজন গুপ্তচর সেই দেশটিকে ভিতর থেকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে অন্য একটি দেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। ক্যাথলিসিজম অশুভ একটি রূপ ধারণ করেছে এবং শয়তানের পক্ষ নিয়েছে, সুতরাং এর অশুভ সেই মাথাটি কেটে ফেলতে হবে।

    মাঝখানে ছিলেন সংস্কারবাদীরা, যারা বলেছিলেন, তারা শুধুমাত্র চার্চের মুখ থেকে সেই কাদা বা ময়লার চিহ্ন পরিষ্কার করে ধুয়ে দিচ্ছেন। তারা চার্চকে পুরোপুরি বাতিল করছেন না, শুধুমাত্র সেই পঙ্কিলতা, যা এটিকে বিকৃত করেছে, সেটিকে বাতিল করছেন। সংস্কার পর্বে যেসব চার্চগুলোর আবির্ভাব হয়েছিল, সেগুলোর মধ্যে যে-চার্চটির কাছে এই মধ্যম পথটি সবচেয়ে আরাধ্য ছিল, এবং যে-পথটিকে এটি নিজের বলে দাবি করেছিল, সেই চার্চটি ছিল ইংল্যান্ডের চার্চ (‘চার্চ ইন ইংল্যান্ড’)। বলা হয়ে থাকে এর সংঘর্ষটি আসলে আদৌ ক্যাথলিক চার্চের সাথে ছিল না। মূলত এর বিরোধটি হয়েছিল ক্যাথলিক চার্চের একজন বিশপের সাথে। যিনি ছিলেনে রোমের বিশপ (পোপ)। ইটালির একজন বিশপের আরেকটি জাতির অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার কী অধিকার থাকতে পারে? সারা পৃথিবীর ওপর কর্তৃত্ব নিয়ে তার দাবি চার্চের মূল পরিচিতির অংশ ছিল না। তার এই ক্ষমতাদখলের চেষ্টা ইতিমধ্যে পূর্বের অর্থোডক্স চার্চ আর পশ্চিমের ক্যাথলিক চার্চের মধ্যে একটি মহাবিভাজনের কারণ হয়েছিল। যদি আবার তিনি তার পুরনো কৌশল অবলম্বন করার চেষ্টা করেন এবং সতর্ক না হন, তাহলে আরো বড় একটি বিভাজন ঘটবে।

    কিন্তু এই কাহিনিটির আরেকটি দিক ছিল। সেটি রোমের বিশপের উচ্চাকাঙ্ক্ষার সাথে যতটা না, তার চেয়েও বেশি এটি ইংল্যান্ডের রাজার বৈবাহিক সমস্যার সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল। সেই রাজার নাম ছিল অষ্টম হেনরি, তিনি তার ছয় স্ত্রীর জন্য বিখ্যাত। আর ঘটনাটি কী নিয়ে ছিল, সেটি বুঝতে হলে তার জন্মের চল্লিশ বছর আগের সময়ে ফিরে যাবার প্রয়োজন আছে।

    ১৪৯১ খ্রিস্টাব্দের ২৮ জুন হেনরি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, ইংল্যান্ডকে খণ্ডবিখণ্ড করা সাঁইত্রিশ বছর ধরে চলা ধারাবাহিক বেশকিছু যুদ্ধ সমাপ্ত হবার চার বছর পরে। যুদ্ধগুলোর সূচনা হয়েছিল ১৪৫৫ খ্রিস্টাব্দে, এবং এটি চলেছে বসওয়ার্থের যুদ্ধ অবধি, ১৪৮৫ খ্রিস্টাব্দে, যে যুদ্ধে হেনরি টুডোর চূড়ান্তভাবে জয়লাভ করেছিলেন, এবং এই যুদ্ধটি দীর্ঘদিনের সংঘর্ষ থামিয়েছিল। এরপর তিনি রাজা সপ্তম হেনরি নাম নিয়ে ইংল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন। অবশেষে শান্তি এসেছিল এই দ্বীপটিতে। কিন্তু মধ্যযুগীয় রাজারা কখনোই স্থায়ী শান্তির প্রত্যাশা করতে পারতেন না। বিখ্যাত ইংলিশ নাট্যকার ও রাজতন্ত্র পর্যবেক্ষণকারী শেক্সপিয়ার লিখেছিলেন : ‘অস্বস্তিতে থাকে সেই মাথা, যে মাথা রাজমুকুট পরে।

    ভবিষ্যৎ অষ্টম হেনরি সেইসব সংগ্রামের গল্প শুনেই বড় হয়েছিলেন, যে সংগ্রামের কারণে একদিন তার পিতা ইংল্যান্ডের সিংহাসনে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন। তিনি হয়তো শিখেছিলেন কীভাবে একজন রাজাকে তার সিংহাসনের বিরুদ্ধে এমনকি সামান্যতম হুমকির প্রতি সারাক্ষণই সতর্ক থাকতে হয়। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে তার জন্যে বিষয়টি এতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। কারণ তার একজন বড়ভাই ছিলেন, আর্থার, যিনি সপ্তম হেনরির পর সিংহাসনে বসবেন এমন কথাই ছিল। বুদ্ধিমান এবং শারীরিকভাবে সুগঠিত তরুণ হেনরির শুধুমাত্র পড়াশুনা আর খেলাধুলা করা ছাড়া আর কোনো কাজই ছিল না। কিন্তু যখন তার বয়স দশ, তার পরিস্থিতিতে আকস্মিক একটি পরিবর্তন এসেছিল। তার বড়ভাই, সিংহাসনের জন্য নির্দিষ্ট রাজকুমার আর্থার মৃত্যুবরণ করেছিলেন তার বিধবা স্ত্রীকে রেখে, যিনি ছিলেন একজন স্প্যানিশ রাজকুমারী, ক্যাথেরিন অব আরাগন। হেনরি এরপর তার পিতার সিংহাসনের উত্তরাধিকারী নির্বাচিত হয়েছিলেন, যে সিংহাসনকে নিরাপদ এবং তার ক্ষমতায় ধরে রাখতে তিনি দীর্ঘদিন কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। ১৫০৯ সালে যখন সপ্তম হেনরি মারা গিয়েছিলেন, তার সতেরো বছরের ছেলে হেনরি, রাজা অষ্টম হেনরি হিসাবে সিংহাসনে আসীন হয়েছিলেন এবং পরবর্তী আটত্রিশ বছর তিনি রাজত্ব করেছিলেন।

    আমাদের জন্যে সেই গল্পটির প্রাসঙ্গিক অংশটির সূচনা হয়েছিল যখন ইংল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করার পর অষ্টম হেনরি তার ভাই আর্থারের বিধবা স্ত্রী, ক্যাথেরিন অব আরাগোনকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যিনি বয়সে হেনরির চেয়ে পাঁচ বছরের বড় ছিলেন। বিষয়টি খুবই ব্যতিক্রম একটি ঘটনা, কারণ বাইবেলে এধরনের বিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। ওল্ড টেস্টামেন্টে লেভিটিকাসে সুস্পষ্টভাবে কোনো ব্যক্তির জন্যে তার ভাইয়ের বিধবাপত্নীকে বিয়ে করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে : যদি কেউ তার ভাইয়ের স্ত্রীকে বিবাহ করে, এই মিলন অপবিত্র হবে। তিনি তার ভাইয়ের নগ্নতা উন্মোচন করবেন, এবং তারপর সেখানে সতর্ক করতে আসলেই খারাপ বার্তাটি দেওয়া হয়েছিল, এবং এমন মিলন সন্তানহীন হবে। আর এই বিয়ের কাজটি সম্পন্ন করার জন্যে হেনরিকে পোপের কাছ থেকে বিশেষ ছাড়পত্রও সংগ্রহ করতে হয়েছিল। এবং তিনি সেটি সংগ্রহ করেছিলেন এবং ক্যাথেরিনকে বিয়ে করেছিলেন। এটি প্রদর্শন করছে যে, অন্তত সেই সময়ে হেনরি বেশ আনন্দের সাথেই মেনে নিয়েছিলেন, তার রাজ্য ইংল্যান্ডের ওপর পোপের কর্তৃত্ব আছে।

    সমস্যাটি শুরু হয়েছিল যখন ক্যাথেরিন সিংহাসনের জন্যে পুরুষ উত্তরাধিকারীর জন্ম দিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। আর এটি হেনরির জন্যে সত্যিকারের একটি দুশ্চিন্তা ছিল, যে-কোনো মধ্যযুগীয় রাজার জন্যে যেমন এটি একটা বড় সমস্যা ছিল। সিংহাসনের জন্যে একজন পুরুষ-উত্তরাধিকারী নিশ্চিত করা আসলেই সেই সময়ের রানিদের কাছে প্রত্যাশিত একটি দায়িত্ব ছিল। ক্যাথেরিন সেই কাজে ব্যর্থ হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাকে একটি কন্যাসন্তান দিয়েছিলেন, মেরি, তবে কোনো পুত্র নয়। কিন্তু এই সিংহাসন দখলের রাজনীতিতে পুত্রসন্তানই মূলত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। হেনরি ভালোই বাইবেল জানতেন। বাস্তবিকভাবে, তিনি খানিকটা ধর্মতাত্ত্বিকও ছিলেন। তিনি ল্যাটিন আর গ্রিক পড়তে পারতেন এবং কঠোরভাবেই একজন ক্যাথলিক ছিলেন। তিনি রিফরমেশনের বার্তাগুলো ঘৃণা করতেন, ইউরোপ থেকে যে-ধারণাগুলো ইংল্যান্ডে প্রবেশ করেছিল। একটি ছোট পুস্তিকায় তিনি লুথারের ধর্মতত্ত্বকে আক্রমণ করেছিলেন, আর যার কারণে পোপ দশম লিও তাকে বিশ্বাসের রক্ষক হিসাবে বিশেষ খেতাবও দিয়েছিলেন, যে খেতাবটির ওপর এখনো যুক্তরাজ্যের রাজারা দাবি অব্যাহত রেখেছেন। আপনি যদি একটি পাউন্ড মুদ্রা লক্ষ করেন, আপনি রানির নামের পাশে F2 বর্ণদুটি লেখা দেখবেন, এটি হচ্ছে ‘Fidei Defensor’, ল্যাটিন এই বাক্যটির অর্থ ধর্মবিশ্বাসের সুরক্ষাকারী।

    সুতরাং তিনি আর যা কিছুই হয়ে থাকুন না কেন, অবশ্যই অষ্টম হেনরি প্রটেস্টান্ট ছিলেন না। তিনি ইংল্যান্ডের জন্য বিশেষভাবে একটি নতুন চার্চ সৃষ্টি করতে চাননি। তিনি একজন স্ত্রী চেয়েছিলেন, যে-কিনা তাকে পুত্রসন্তান দিতে পারে। এই সমাধানটি খুব সরল ছিল। বাইবেলে নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও পোপ তাকে ক্যাথেরিনকে বিয়ে করার জন্যে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্যাথেরিন যে তাকে কোনো পুত্রসন্তান দিতে পারেনি সেই বাস্তব তথ্যটি প্রমাণ করেছিল, পোপের আসলেই এই বিয়েতে অনুমতি দেওয়া উচিত হয়নি। লেভিটিকাসের সেই অনুচ্ছেদটি কী বলেছিল? তারা সন্তানহীন থাকবে। যেহেতু কন্যারা ধর্তব্যের মধ্যে পড়েন না, হেনরি নিজেকে সন্তানহীন ভেবেছিলেন। এবং পোপের এই বিয়ে ‘বাতিল’ ঘোষণা করা উচিত, এর মানে তিনি ঘোষণা করবেন এই বিয়ে কখনোই ‘বৈধ’ ছিল না।

    কিন্তু পোপের জন্যে এই কাজটি করা বেশ কঠিন ছিল। যদি তিনি এই বিয়ে নিষ্পত্তিতে হ্যাঁ বলেন, তাহলে তিনি ক্যাথেরিনের আত্মীয় স্পেনের ক্ষমতাবান সম্রাটের বিরাগভাজন হবেন। যদি তিনি না বলেন তাহলে তিনি ইংল্যান্ডের রাজাকে অসন্তুষ্ট করবেন। সুতরাং তিনি কিছুই করেননি, আশা করেছিলেন, এমন কিছু ঘটবে তাকে এই সিদ্ধান্ত নেবার ঝামেলা থেকে মুক্তি দেবে।

    যা ঘটেছিল সেটি ছিল হেনরির জীবনে আরেকজন নারী এসেছিলেন। তিনি অ্যান বোয়েলিন, রানি ক্যাথেরিনের একজন লেডি ইন ওয়েটিং। নিজের মৃতভাইয়ের স্ত্রীকে বিয়ে করার কারণে অভিশপ্ত এমন দৃঢ়বিশ্বাস নিয়ে, এবং অ্যানের প্রেমে পড়ে, হেনরি ১৫৩৩ সালে গোপনে তাকে বিয়ে করেছিলেন। এবং ১৫৩৪ সালে তিনি তার উপদেষ্টাদের ইতিহাস থেকে এমন কোনো উদাহরণ খুঁজে বের করতে নির্দেশ দিয়ে নিজেকে চার্চ অব ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গভর্নর হিসাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন। আর চার্চের ওপর এই নতুন কর্তৃত্ব গ্রহণ করার পর, ক্যাথেরিনের সাথে তার বিয়ে নিষ্পত্তি করার মাধ্যমেই তিনি তার প্রথম ক্ষমতাটি ব্যবহার করেছিলেন। এর মাধ্যমে রোমের সাথে তার বিচ্ছেদটিও চূড়ান্ত হয়েছিল।

    যে-বিষয়টি লক্ষ করতে হবে সেটি হচ্ছে এই বিভাজনের কারণ কিন্তু প্রটেস্টান্টদের নতুন কোনো চার্চ প্রতিষ্ঠার আহ্বান নয় বরং নতুন স্ত্রীর জন্যে ইংল্যান্ডের রাজার দাবি। ইংল্যান্ডে অবশ্যই প্রটেস্টান্টরা ছিলেন। তাদের একজন ছিলেন রাজার প্রধান মুশকিল-আসানকারী, থমাস ক্রমওয়েল, আর হেনরি ক্রমওয়েলের সমর্থন যে রিফরমেশনের দিকে ঝুঁকে আছে সেটি সম্ভবত জানতেন না। এই নানা জটিল পরিস্থিতি থেকে আবির্ভূত হয়েছিল চার্চ অব ইংল্যান্ড, যা নিজেকে ক্যাথলিক এবং সংস্কারপন্থি হিসাবে দাবি করেছিল। একই তবে তারপরও ভিন্ন। এটি বিশপ, যাজক, ডিকনদের আগের প্রাধান্যপরম্পরা অপরিবর্তিত রেখেছিল এবং তারপরও এটি অ্যাপোস্টলিক উত্তরাধিকারের মধ্যে অবস্থান করছে বলে দাবি করেছিল। তাদের কমন প্রেয়ার বা সাধারণ প্রার্থনার নতুন বইয়ে এটি পুরনো ক্যালেন্ডারের নানা ধর্মীয় আচারের দিন-তারিখে কোনো পরিবর্তন আনেনি, তবে এই নতুন বইটি ইংরেজদের তাদের নিজেদের ভাষার সুন্দর একটি সংস্করণে উপাসনা করার সুযোগ করে দিয়েছিল। এটি এমনকি নতুন কোনো চার্চ বা ভিন্নধরনের কোনো চার্চও ছিল না। এটি পুরনো ক্যাথলিক চার্চই ছিল, তবে এটি ঝকঝকে একটি নতুন চেহারা পেয়েছিল।

    যাই হোক, এভাবে ইংল্যান্ডের চার্চ নিজের বর্ণনা দিতে চেয়েছে। কিন্তু এর উৎপত্তি অবশ্যই ঝকঝকে পরিষ্কার সেই ইমেজ থেকে বহু দূরবর্তী। ধর্মতাত্ত্বিক সংস্কার নয় বরং রাজার রাজনীতি প্রাচীন ক্যাথলিক চার্চ থেকে ইংল্যান্ডকে পৃথক করেছিল। কিন্তু এই ইংলিশ রিফরমেশন ধর্মের একটি দিককে নির্দেশ করে, যা নিয়ে আমাদের ভাবা উচিত : মানব রাজনীতির সাথে যেভাবে ধর্ম অনিবার্যভাবেই পরস্পরগ্রন্থিত থাকে। রাজনীতি, পলিটিক্স, শব্দটির উৎসের গ্রিকশব্দটির অর্থ হচ্ছে শহর, এর সব টানাপড়েন আর মতানৈক্যসহ মানুষ যেভাবে তাদের বাহ্যিক জীবনটি সংগঠিত করে তারই অপর একটি নাম। রাজনীতি সবকিছুর মধ্যেই অনুপ্রবেশ করে, স্কুলের খেলার মাঠের গণ্ডগোল থেকে জাতিসংঘে বিতর্ক অবধি।

    আর শুরু থেকেই ধর্ম রাজনীতির সংমিশ্রণের একটি অংশ ছিল। আমরা হয়তো এমনকি বলতে পারি, মানবতা আর ঈশ্বরের সম্পর্কটি মূলত একধরনের রাজনীতি, কারণ এর মূল বিষয় হচ্ছে কীভাবে আমরা অন্যদের সাথে সম্পর্কযুক্ত সেই বিষয়টি অনুসন্ধান করা, অর্থাৎ পারস্পরিক সম্পর্কগুলোর স্বরূপ বোঝার একটি উপায়। একেবারে সূচনালগ্ন থেকেই পার্থিব রাজনীতির অংশ ছিল ধর্ম। অবশ্যই ধর্মের মধ্যে রাজনীতি আছে, যেমন, কে ধর্মের নেতৃত্ব দেবেন, আর কীভাবেই বা তাদের নির্বাচন করা হবে, সেটি নিয়ে মতবিরোধ।

    কিন্তু আসল ভয়ংকর ঘটনাগুলো ঘটে যখন প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর পারস্পরিক দ্বন্দ্বে ধর্ম একটি অস্ত্রে পরিণত হয়, বিতর্কের বিষয়বস্তু যাই হোক না কেন, ঈশ্বর তাদের পক্ষে আছেন বলে যারা দাবি করে থাকেন। আর সে-কারণে আমাদের এই রিফরমেশন আন্দোলনটিকে দেখতে হবে এমনভাবে যেখানে ধর্ম থেকে সেই সময়ের রাজনীতিকে পৃথক করা অসম্ভব একটি বিষয় ছিল, বিশেষ করে ইংল্যান্ডে। তার নিজের রাজ্যের নিরাপত্তার জন্যে হেনরির একটি তালাকের দরকার ছিল, এবং পোপ যদি সেটি করার অনুমতি তাকে না দিতে চান অথবা না দিতে পারেন, তাহলে এমন কাউকে তাকে খুঁজে বের করতে হবে যিনি সেটি দিতে পারবেন। সুতরাং তিনি রোম থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিলেন। চার্চ অব ইংল্যান্ডের জন্ম হয়েছিল। আর এর সূচনা আর উৎপত্তি যতই বিতর্কিত থাকুক না কেন, এটি নিজেকে দুই চরমপন্থি অবস্থানের ব্যতিক্রম একটি মধ্যপন্থা হিসাবে দেখেছিল। এটি তখনো একটি ক্যাথলিক চার্চ তবে অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন একটি চেহারাসহ।

    হেনরি তার তালাক নিশ্চিত করতে পেরেছিলেন, কিন্তু সেটি তাকে সুখী করতে পারেনি। অ্যান বোয়েলিনও তার জন্যে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিতে পারেননি। যদিও তিনি একটি কন্যাশিশুর জন্ম দিয়েছিলেন। সুতরাং হেনরির জন্য সেই অভিশাপ অব্যাহত ছিল। মিথ্যা ব্যাভিচারের অভিযোগে হেনরি অ্যান বোয়েলিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন। এরপর তিনি জেন সেমুরকে বিয়ে করেছিলেন, যিনি তার আরাধ্য পুত্রসন্তানটির জন্ম দিয়েছিলেন, যার নাম দেওয়া হয়েছিল এডওয়ার্ড। এবং যখন ১৫৪৭ খ্রিস্টাব্দে হেনরি মারা যান, নয় বছর বয়সী এডওয়ার্ড সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন।

    এডওয়ার্ডের সংক্ষিপ্ত শাসনামলে চার্চ অব ইংল্যান্ডের সংস্কার এর চূড়ান্ত রূপ লাভ করেছিল। এবং যখন তিনি ১৫৫৩ খ্রিস্টাব্দে মারা যান, রাজ্যশাসনের উত্তরাধিকারী হয়েছিলেন ক্যাথেরিনের কন্যা মেরি, এবং ইংল্যান্ডের ধর্মীয় রাজনীতির চাকাটি বিপরীত দিকে ঘুরতে শুরু করেছিল। ক্যাথলিক চার্চ পুনর্বহাল করা হয়েছিল এবং যারা তার মা, অষ্টম হেনরির প্রথম স্ত্রী ক্যাথেরিনের জীবনে যন্ত্রণার কারণ হয়েছিলেন, মেরি তাদের উপর তার প্রতিশোধ নিয়েছিলেন। প্রটেস্টান্টদের উপর নির্যাতন পরিচালনায় তিনি খুবই উৎসাহী ছিলেন, যাদের অনেককেই তিনি তাদের ধর্মদ্রোহিতার অভিযোগে পুড়িয়ে হত্যা করেছিলেন এবং নিজেই সেই কুখ্যাত খেতাবটি জুটিয়েছিলেন, ‘ব্লাডি মেরি’।

    ১৫৫৮ খ্রিস্টাব্দে মেরির মৃত্যু হলে আবার পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিয়েছিল। মেরির পর সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হয়েছিলেন অ্যান বোয়েলিনের কন্যা। এলিজাবেথ, যিনি ১৬০১ সাল অবধি শাসন করেছিলেন, এবং ইংল্যান্ডে সমৃদ্ধি আর শান্তি ফিরিয়ে এনেছিলেন। নিয়তির পরিহাস হচ্ছে অষ্টম হেনরি যে-কন্যাকে চাননি, সেই কন্যাই ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে বিচক্ষণ একজন শাসক হিসাবে নিজেকে প্রমাণিত করেছিলেন। তিনি রাজ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনেছিলেন, এবং চার্চের সংস্কার পূর্ণাঙ্গভাবে সমাপ্ত করেন। কিন্তু তিনি তার বাবার মতোই নিষ্ঠুর হতে পারতেন। ১৫৮৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি তার জ্ঞাতিবোন মেরি কুইন অব স্কটকে ষড়যন্ত্রের কারণে শিরশ্চেদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। মেরি শিরশ্চেদ করতে কুঠারের তিনটি আঘাত প্রয়োজন হয়েছিল, এটি দুঃখী জীবনের ভয়ংকর এক পরিণতি। আর কেন সেটি ঘটেছিল সে বুঝতে হলে এবার আমাদের উত্তরে স্কটল্যান্ডে যেতে হবে, যেখানে রিফরমেশনের এই সংস্কার-আন্দোলনটি খুব ভিন্নদিকে মোড় পরিবর্তন করেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }